কুষ্টিয়া শহরের রাজারহাট এলাকায় অর্পা রানী পাল (৮) হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। গতকাল বিকেলে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত চিপ জুডিশিয়্যাল ম্যাজিষ্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেনের কাছে হত্যা কান্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার তদন্তকারী অফিসার এস আই হারুন অর রশিদ জানান, ঘাতক তপন একাই এ হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত। পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, নিহত অর্পার মায়ের সাথে দীর্ঘ দিনের শত্র“তা ছিল তাপনের মায়ের। এ নিয়ে প্রতিদিনই কোন না কোন ভাবে ঝগড়া হত তাদের দুই পরিবারের মধ্যে। নানাভাবে মিথ্যা কথা বলে অর্পার মা ঘাতক তপনের মাকে বকাঝকা করত।
এ নিয়ে তপন প্রতিশোধ নেয়ার পরিকল্পনা করে। শুক্রবার সন্ধায় অর্পার মা বাড়িতে না থাকায় একটি বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে তপনের বাসা সংলগ্ন একটি পরিত্যাক্ত বাথ রুমের মধ্যে নিয়ে যায় অর্পাকে। সেখানে জোরপূর্বক তপন অর্পার মুখ কাপুর দিয়ে বেধে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে অতিরিক্ত ধর্ষনের কারনে অর্পা জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ে। এ সময় অর্পাকে গলায় হাত দিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে। পরে তপন অর্পার পরিবারের সাথে তাকে খুজতে বিভিন্ন স্থানে যায় যেন সে হত্যা করেছে তা জানতে না পারে। কিšু‘ বিধির বাম হত্যার রহস্য অবশেষে উন্মেচন হয়ে গেল।
এভাবেই হত্যার সমস্থ্য ঘটনা খুলে বলল পুলিশ ও ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে। উল্লেখ্য গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় শহরের আড়–য়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির পরিত্যাক্ত বাথরুম থেকে অর্পার মুখ বাঁধা লাশ উদ্বার করেছে। নিহত অর্পা স্থানীয় শহীদ দিদার কিন্টারগার্ডেন’র দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও আড়––য়াপাড়ার বাসিন্দা স্বপন পালের মেয়ে। ঘাতক তপন একই এলাকার মৃত রবির ছেলে। জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেয় বিচারক। কুষ্টিয়া মডল থানার ওসি আব্দুল খালেক জানান, শিশুটি ধর্ষনের দায় স্বীকার করেছে ঘাতক তপন। তবে পরিবারের নানা ঝামেলা থাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি জানান
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন