এক সময়ে রেডিও আর খেলাধুলাই ছিলো বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম ॥ টেলিভিশনের আগমনের ফলে রেডিও শুনা প্রায় বন্ধ হয়ে যায় আর ক্যাবল নেট আসার পর রেডিও তো আমরা মাছ ধরার যন্ত্র মনে করেছিলাম। হঠাত্ করেই হ্যালীর ধুমকেতুর মতো এফ এম এর নামে রেডিও আবার মাঠ কাপাচ্ছে ॥ সেই এফ এম রেডিও কিছু হলো abc radio.. Radio sadhin…radio amr… Country full hd fm station dhaka fm॥
এর মাঝে ভূত এফ এম হচ্ছে এফ এম আর ভীতু ও ভুত পাগল লোকদের কাছে সবচেয়ে কাছের এফ এম ॥ অনেক লোকই এই ভূত এফ এম শুনে থাকে ॥ আমার জীবনে ভূত এফ এম মাত্র তিন দিন শুনেছি . আমার কাছে পুরাই ফালতু মনে হয়েছে ॥ কারণ ভূতেদের ও বিশ্রাম বলে একটা কথা আছে । যতো ভূত ঘটনা বলা হয় এতো ঘটনা ঘটার সময় কোথায় ॥ যাক আমার এতো মাথা ব্যাথা নেই সেইটা নিয়ে ॥
আজ সবার জন্যে একদম আমার জীবনে ঘটে যাওয়া একটা ভৌতিক কাহানী বলবো ॥তবে তার আগে আমি কিছু বলে নেই । আমি একদম ভয় পাই না ॥ খুব সাহসী ভৌতিক ব্যাপারে , রাতের আঁধার আমাকে কখনো ঘ্রাস করতে পারে নি ॥ সেই রকম এক দুটা ঘটনা আমি ১লিটার কোকের জন্য রাত দেড়টার দিকে হিন্দুদের শশ্মাণ থেকে ঘটিবাটি নিয়ে আসি । Cool শুধু নিয়ে আসার সময় একটা অনূভুতি হয়েছিলো , আমার পান্জাবীর কোণা কে যেনো ধরে রেখেছে॥ রাত যতোই হোক গ্রামের রাস্তায় একা একা হাঁটা কোনো ব্যাপার না ॥ কবরস্হানে ভূত না থাকলেও একটা নিস্তব্দতা বিরাজ করে অনেক মূখ`রা আবার একে ভয়ের কারণ হিসেবে দেখেন ॥
এই তো সেদিনো রাত আড়াইটায় একা একা দাদুর বাড়ী পৌছাঁই , এক এক করে অনেক গুলা ভৌতিক স্পট পার করেছিলাম কোথায়ও মামুদের দেখতে পেলাম না ।পুরাণ থেকে জানা তবে লোকমুখ থেকে ভূতেরা নাকি পরিচিত লোকদের ভয় দেখায় না ॥
এবার শুরু করা যাক মূল কাহানীতে আসি…
তখন শীতকাল ২০১০ শেষ করে ২০১১ ছুঁয়ে ছুঁয়ে ॥ নোয়াখালীর একটা ক্রিকেট টুণামেন্ট খেলতে ঢাকা থেকে নোয়াখালী যাওয়ার জন্য ডাক আসে ॥ মূলত গতিময় বল এবং মারমুখী ব্যাটিং এর জন্যে সাত চারা খ্যাত সা চৌধুরী! আমার কাছে কল করে দলের অধিনায়ক ॥ যতো বিশাল রান হোক একবার খেলা হয়ে গেলে আর কোনো চিন্তা নেই ॥ তাই আমাকে ms dhoni ডাকে আমার একটা মেয়ে কাজিন সবসময় আমার খেলা দেখোতো ॥
আম্মু খেলা দেখতে আসছিলো মাঠের কোণায় সেদিন আম্মু কে খেলা দেখাতে গিয়ে চার বলে ১৬ রানে কিপারের হাতে ক্যাচ হয়ে সাজঘরে, সেদিনই আম্মু প্রথম ক্রিকেট খেলা দেখতে এসেছিলো , আমি যখন আউট হয়ে যাই আম্মুর পাশের লোকগুলা উঠতে উঠতে বললো, “অইছে আর জিত্তোনো আসোল গা আউট হই গেছে ॥” কয়েকজন তো আমাকে যে গালি দিয়েছিলো সেটা এখনো কানে বাজে॥ তখন জসিম আবার ডাক দিয়েছিলো ,তার কথা ছিলো “এ্যাঁ হোইত্তো দিন কি রান কইরবো কেন , বলিং ও কইত্তো আবার ব্যাটিং ।” এসব শুনে আম্মু খুব পুলকিত হয়েছিলো । আমার ব্যাটিং বাজি ধরতো সবসময় জসিম ॥ যে এখন ইন্ডিয়া থাকে ।
আমার বড় ভাই বারিধারা ডেজলারস এ পেশাদার ক্রিকেটার সেও একদিন আমার খেলা দেখে বলে এতো রিস্ক নিয়া কেমনে মারোস কারণ সেদিন ৫০ বলে দিছি ৯২ মাইরা যেটা আমার জীবনে সেরা খেলা যদিও একটা সেঞ্চুরী আছে তবে এটা বেস্ট ?))) দু:খিত নিজের নামে অনেকগুলা সুনাম করে ফেললাম ॥ সবাই ভাবছেন ভূতের কাহানী বলবে বলে খেলার কথা শুরু করছে ॥ আবার মাফ চাই । কারণ খেলা খেলতে গিয়া এই কাহানী ঘটেছে তো তাই ॥ তো আম্মুকে উল্টা পাল্টা বুঝিয়ে যাই খেলতে যথারীতি খেলা শেষ করে রাতে বসে বসে খেলার মাঠের পাশের রাস্তার বসে আছি আমরা দুইজন । এলাকাতে কি কি ঘটনা ঘটছে এসব নিয়ে । চাঁদের আলো ছিলো ।
আমাদের পাশে দিয়ে দুইজন মহিলা হেঁটে গেলো ॥ আমরা তাকিয়ে আবার কথায় মন দিলাম ॥ একটু পরে হঠাত্ ও মাগো করে একটা জোরে আওয়াজ শুনতে পাই । আমি আমার পাশের জনকে বলি কিছু শুনচস?
ও বলে, “তুই?”
আমি বলি “হুম ॥”
আমি কইলাম, “কি হলো রে ?” ও বলে, “আরে কিছু না । এন্নে ।”
ওহ মাই গড দেখলাম মানুষের হই হই । তো আমরা দিলাম খিচ্চা দৌড় ॥ দেখলাম লোকজন ঐ মহিলা দুটো কে কোলে করে পাশের একটা বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে । কি হয়েছিলো তখন ?
শুনেন তাহলে…
শীতকালে গ্রামের লোকজন তাড়াতাড়ী যাওয়া আসার জন্য ক্ষেত এর জমিন ব্যবহার করে॥ আমাদের পাশে দিয়ে যখন যায় ঐ মহিলা রা যায় , আমাদের গ্রাম থেকে পাশের গ্রামে যাওয়ার জন্যে একটা ছোট পোল আছে । অনেকেই বলে ঐ পোল টা একটু হনটেড । মহিলা রা দেখতে পেল ঐ পোলটার উপর একটা ছোট ন্যাংটা শিশু ছেলে বসে আছে আর কাঁনছে। দুই মহিলার মাঝের কথোপকথন:
১ম মহিলাঃ বুইজা (বোন)দেখছেন নি হোলা ইগ্গা ( একটা )কাঁন্দের?
২য় মহিলাঃ এ্যাঁতো দেইয়ের ,তো অনগা ( এখন ) কিরবি ? কার না কার হোলা ।আরাই (হারিয়ে) গেলে ।
১ম মহিলাঃ আফা চলেন লই যাই কেউ টোআইলে (খোঁজ) করলে দিয়া দিমু ।
২য় মহিলাঃ ল (নে) !
তো তাহারা ছেলেটাকে নিয়ে জমিনের মধ্যে দিয়ে হাঁটছে । একটু পরে ছেলেটা ভারী হতে শুরু করলো , পরে ঐ ছেলেটাকে আর কোলে নেয়ার অবস্হা ছিল নাই ॥
তখন ১ম মহিলা বলে , “ও আপা দেখছিননি হোলা ইগারে আর কোলে লইতে হারিয়ের না ,কি কইরতাম কন চাই?”
২য় মহিলাঃ কি আ কস?
তখন মহিলা দুটো পিছনের দিকে তাকাইয়া দেখে, যেখান থেকে ছেলেটাকে কোলে নিছে একটা পা ঐখানে আরেকটা পা মহিলাটার কোলে আর ছেলেটার চেহারার দিকে তাকিয়ে দেখে ওই ছেলেটা কেমন করে যনো হাসতেছে॥ এইটা দেখার পর তারা ছেলেটাকে ছুঁরে ফেলে দেয়ার পর দেখে ঐ ছেলেটা আবার ঐ জায়গায় গিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায় ॥ এটা দেখে তারা চিত্কার দিয়ে মাথার চেতনা হারিয়ে জমিনেই পড়ে থাকে ॥ যা আমরা দূর থেকে শুনতে পাই॥ পরে তাদের জ্ঞান ফেরার পর এইসব কাহানী বলে ॥ এখন কথা হচ্ছে ভয় দেখানোর দরকার ছিলো কিন্তু yo yo খেলার কি দরকার ছিলো । যা শুনে হাসতে হাসতে। তখন মনে হলো ভূত শুধু ভয় নয় হাসিও ॥
এর মাঝে ভূত এফ এম হচ্ছে এফ এম আর ভীতু ও ভুত পাগল লোকদের কাছে সবচেয়ে কাছের এফ এম ॥ অনেক লোকই এই ভূত এফ এম শুনে থাকে ॥ আমার জীবনে ভূত এফ এম মাত্র তিন দিন শুনেছি . আমার কাছে পুরাই ফালতু মনে হয়েছে ॥ কারণ ভূতেদের ও বিশ্রাম বলে একটা কথা আছে । যতো ভূত ঘটনা বলা হয় এতো ঘটনা ঘটার সময় কোথায় ॥ যাক আমার এতো মাথা ব্যাথা নেই সেইটা নিয়ে ॥

আজ সবার জন্যে একদম আমার জীবনে ঘটে যাওয়া একটা ভৌতিক কাহানী বলবো ॥তবে তার আগে আমি কিছু বলে নেই । আমি একদম ভয় পাই না ॥ খুব সাহসী ভৌতিক ব্যাপারে , রাতের আঁধার আমাকে কখনো ঘ্রাস করতে পারে নি ॥ সেই রকম এক দুটা ঘটনা আমি ১লিটার কোকের জন্য রাত দেড়টার দিকে হিন্দুদের শশ্মাণ থেকে ঘটিবাটি নিয়ে আসি । Cool শুধু নিয়ে আসার সময় একটা অনূভুতি হয়েছিলো , আমার পান্জাবীর কোণা কে যেনো ধরে রেখেছে॥ রাত যতোই হোক গ্রামের রাস্তায় একা একা হাঁটা কোনো ব্যাপার না ॥ কবরস্হানে ভূত না থাকলেও একটা নিস্তব্দতা বিরাজ করে অনেক মূখ`রা আবার একে ভয়ের কারণ হিসেবে দেখেন ॥
এই তো সেদিনো রাত আড়াইটায় একা একা দাদুর বাড়ী পৌছাঁই , এক এক করে অনেক গুলা ভৌতিক স্পট পার করেছিলাম কোথায়ও মামুদের দেখতে পেলাম না ।পুরাণ থেকে জানা তবে লোকমুখ থেকে ভূতেরা নাকি পরিচিত লোকদের ভয় দেখায় না ॥
এবার শুরু করা যাক মূল কাহানীতে আসি…
তখন শীতকাল ২০১০ শেষ করে ২০১১ ছুঁয়ে ছুঁয়ে ॥ নোয়াখালীর একটা ক্রিকেট টুণামেন্ট খেলতে ঢাকা থেকে নোয়াখালী যাওয়ার জন্য ডাক আসে ॥ মূলত গতিময় বল এবং মারমুখী ব্যাটিং এর জন্যে সাত চারা খ্যাত সা চৌধুরী! আমার কাছে কল করে দলের অধিনায়ক ॥ যতো বিশাল রান হোক একবার খেলা হয়ে গেলে আর কোনো চিন্তা নেই ॥ তাই আমাকে ms dhoni ডাকে আমার একটা মেয়ে কাজিন সবসময় আমার খেলা দেখোতো ॥
আম্মু খেলা দেখতে আসছিলো মাঠের কোণায় সেদিন আম্মু কে খেলা দেখাতে গিয়ে চার বলে ১৬ রানে কিপারের হাতে ক্যাচ হয়ে সাজঘরে, সেদিনই আম্মু প্রথম ক্রিকেট খেলা দেখতে এসেছিলো , আমি যখন আউট হয়ে যাই আম্মুর পাশের লোকগুলা উঠতে উঠতে বললো, “অইছে আর জিত্তোনো আসোল গা আউট হই গেছে ॥” কয়েকজন তো আমাকে যে গালি দিয়েছিলো সেটা এখনো কানে বাজে॥ তখন জসিম আবার ডাক দিয়েছিলো ,তার কথা ছিলো “এ্যাঁ হোইত্তো দিন কি রান কইরবো কেন , বলিং ও কইত্তো আবার ব্যাটিং ।” এসব শুনে আম্মু খুব পুলকিত হয়েছিলো । আমার ব্যাটিং বাজি ধরতো সবসময় জসিম ॥ যে এখন ইন্ডিয়া থাকে ।
আমার বড় ভাই বারিধারা ডেজলারস এ পেশাদার ক্রিকেটার সেও একদিন আমার খেলা দেখে বলে এতো রিস্ক নিয়া কেমনে মারোস কারণ সেদিন ৫০ বলে দিছি ৯২ মাইরা যেটা আমার জীবনে সেরা খেলা যদিও একটা সেঞ্চুরী আছে তবে এটা বেস্ট ?))) দু:খিত নিজের নামে অনেকগুলা সুনাম করে ফেললাম ॥ সবাই ভাবছেন ভূতের কাহানী বলবে বলে খেলার কথা শুরু করছে ॥ আবার মাফ চাই । কারণ খেলা খেলতে গিয়া এই কাহানী ঘটেছে তো তাই ॥ তো আম্মুকে উল্টা পাল্টা বুঝিয়ে যাই খেলতে যথারীতি খেলা শেষ করে রাতে বসে বসে খেলার মাঠের পাশের রাস্তার বসে আছি আমরা দুইজন । এলাকাতে কি কি ঘটনা ঘটছে এসব নিয়ে । চাঁদের আলো ছিলো ।
আমাদের পাশে দিয়ে দুইজন মহিলা হেঁটে গেলো ॥ আমরা তাকিয়ে আবার কথায় মন দিলাম ॥ একটু পরে হঠাত্ ও মাগো করে একটা জোরে আওয়াজ শুনতে পাই । আমি আমার পাশের জনকে বলি কিছু শুনচস?
ও বলে, “তুই?”
আমি বলি “হুম ॥”
আমি কইলাম, “কি হলো রে ?” ও বলে, “আরে কিছু না । এন্নে ।”
ওহ মাই গড দেখলাম মানুষের হই হই । তো আমরা দিলাম খিচ্চা দৌড় ॥ দেখলাম লোকজন ঐ মহিলা দুটো কে কোলে করে পাশের একটা বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে । কি হয়েছিলো তখন ?
শুনেন তাহলে…
শীতকালে গ্রামের লোকজন তাড়াতাড়ী যাওয়া আসার জন্য ক্ষেত এর জমিন ব্যবহার করে॥ আমাদের পাশে দিয়ে যখন যায় ঐ মহিলা রা যায় , আমাদের গ্রাম থেকে পাশের গ্রামে যাওয়ার জন্যে একটা ছোট পোল আছে । অনেকেই বলে ঐ পোল টা একটু হনটেড । মহিলা রা দেখতে পেল ঐ পোলটার উপর একটা ছোট ন্যাংটা শিশু ছেলে বসে আছে আর কাঁনছে। দুই মহিলার মাঝের কথোপকথন:
১ম মহিলাঃ বুইজা (বোন)দেখছেন নি হোলা ইগ্গা ( একটা )কাঁন্দের?
২য় মহিলাঃ এ্যাঁতো দেইয়ের ,তো অনগা ( এখন ) কিরবি ? কার না কার হোলা ।আরাই (হারিয়ে) গেলে ।
১ম মহিলাঃ আফা চলেন লই যাই কেউ টোআইলে (খোঁজ) করলে দিয়া দিমু ।
২য় মহিলাঃ ল (নে) !
তো তাহারা ছেলেটাকে নিয়ে জমিনের মধ্যে দিয়ে হাঁটছে । একটু পরে ছেলেটা ভারী হতে শুরু করলো , পরে ঐ ছেলেটাকে আর কোলে নেয়ার অবস্হা ছিল নাই ॥
তখন ১ম মহিলা বলে , “ও আপা দেখছিননি হোলা ইগারে আর কোলে লইতে হারিয়ের না ,কি কইরতাম কন চাই?”
২য় মহিলাঃ কি আ কস?
তখন মহিলা দুটো পিছনের দিকে তাকাইয়া দেখে, যেখান থেকে ছেলেটাকে কোলে নিছে একটা পা ঐখানে আরেকটা পা মহিলাটার কোলে আর ছেলেটার চেহারার দিকে তাকিয়ে দেখে ওই ছেলেটা কেমন করে যনো হাসতেছে॥ এইটা দেখার পর তারা ছেলেটাকে ছুঁরে ফেলে দেয়ার পর দেখে ঐ ছেলেটা আবার ঐ জায়গায় গিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায় ॥ এটা দেখে তারা চিত্কার দিয়ে মাথার চেতনা হারিয়ে জমিনেই পড়ে থাকে ॥ যা আমরা দূর থেকে শুনতে পাই॥ পরে তাদের জ্ঞান ফেরার পর এইসব কাহানী বলে ॥ এখন কথা হচ্ছে ভয় দেখানোর দরকার ছিলো কিন্তু yo yo খেলার কি দরকার ছিলো । যা শুনে হাসতে হাসতে। তখন মনে হলো ভূত শুধু ভয় নয় হাসিও ॥
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন