আটকে দেওয়া হলো দীপু মনির গাড়ি। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাদানুবাদের পর শেষ পর্যন্ত হেঁটেই স্মৃতিসৌধে গেলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে গাড়ি নিয়ে স্মৃতিসৌধে ঢুকতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
মঙ্গলবার বেলা ১১টা সাত মিনিটে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে গাড়ি নিয়ে স্মৃতিসৌধ এলাকায় পৌঁছান দীপু মনি। এর কিছুক্ষণ আগেই প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধে আসেন। তবে মন্ত্রীরা নিরাপত্তাবেষ্টনী অতিক্রম করতে পারলেও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আটকে দেন তার গাড়ি।
কিন্তু তিনি গাড়ি নিয়েই ভেতরে প্রবেশ করতে অনড় থাকেন। গাড়ি থেকে না নেমে তিনি বেশ কিছুক্ষণ ফোন করেন কয়েকজনকে। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে দীপু মনির উত্তপ্ত কথা-কাটাকাটিও হয়। শেষে প্রধান ফটকে গাড়ি রেখে হেঁটেই স্মৃতিসৌধের ভেতরে প্রবেশ করেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীপু মনির গাড়িতে চালকসহ আরো তিনজন ছিলেন। কিন্তু নিরাপত্তা কর্মকর্তারা গাড়ি থেকে তাদের নামতে দেননি। গাড়ি থেকে নেমে দীপু মনি একাই হেঁটে স্মৃতিসৌধের দিকে যান। স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সবার শেষে।
এর আগে বেলা ১১টার কয়েক মিনিট আগে স্মৃতিসৌধে গিয়ে পৌঁছায় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। প্রধানমন্ত্রী আগে এবং পরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দীপু মনি স্মৃতিসৌধে যখন পৌঁছান, তখন সবার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ হয়েছে।
এদিকে গাড়ি থেকে দীপু মনি নেমে যাওয়ার পর দ্রুত গাড়িটি সেখান থেকে সরিয়ে ফেলতে চালককে নির্দেশ দেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। গাড়ির চালক গাড়িটি বেশি দূরে না নিয়ে স্মৃতিসৌধের গেটের পাশেই পার্ক করেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এগিয়ে যান গাড়ির দিকে। নিরাপত্তা কর্মকর্তা গাড়ির চালককে কড়া ভাষায় শাসান। গাড়িটি যেন সবার শেষে বের হয়, তা নিশ্চিত করতে নির্দেশও দেওয়া হয় সেখানে কর্তব্যরত পুলিশের এক কর্মকর্তাকে।
প্রসঙ্গত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন মহাজোট সরকারের পুরো সময় বিদেশভ্রমণ ছাড়াও হিসাববহির্ভূত সম্পদ অর্জনের কারণে দলের ভেতরে ও বাইরে কঠোর সমালোচনার সম্মুখীন হন দীপু মনি। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন মন্ত্রিসভায়ও ঠাঁই হয়নি তার।
মঙ্গলবার বেলা ১১টা সাত মিনিটে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে গাড়ি নিয়ে স্মৃতিসৌধ এলাকায় পৌঁছান দীপু মনি। এর কিছুক্ষণ আগেই প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধে আসেন। তবে মন্ত্রীরা নিরাপত্তাবেষ্টনী অতিক্রম করতে পারলেও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আটকে দেন তার গাড়ি।
কিন্তু তিনি গাড়ি নিয়েই ভেতরে প্রবেশ করতে অনড় থাকেন। গাড়ি থেকে না নেমে তিনি বেশ কিছুক্ষণ ফোন করেন কয়েকজনকে। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে দীপু মনির উত্তপ্ত কথা-কাটাকাটিও হয়। শেষে প্রধান ফটকে গাড়ি রেখে হেঁটেই স্মৃতিসৌধের ভেতরে প্রবেশ করেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীপু মনির গাড়িতে চালকসহ আরো তিনজন ছিলেন। কিন্তু নিরাপত্তা কর্মকর্তারা গাড়ি থেকে তাদের নামতে দেননি। গাড়ি থেকে নেমে দীপু মনি একাই হেঁটে স্মৃতিসৌধের দিকে যান। স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সবার শেষে।
এর আগে বেলা ১১টার কয়েক মিনিট আগে স্মৃতিসৌধে গিয়ে পৌঁছায় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর। প্রধানমন্ত্রী আগে এবং পরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দীপু মনি স্মৃতিসৌধে যখন পৌঁছান, তখন সবার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষ হয়েছে।
এদিকে গাড়ি থেকে দীপু মনি নেমে যাওয়ার পর দ্রুত গাড়িটি সেখান থেকে সরিয়ে ফেলতে চালককে নির্দেশ দেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। গাড়ির চালক গাড়িটি বেশি দূরে না নিয়ে স্মৃতিসৌধের গেটের পাশেই পার্ক করেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এগিয়ে যান গাড়ির দিকে। নিরাপত্তা কর্মকর্তা গাড়ির চালককে কড়া ভাষায় শাসান। গাড়িটি যেন সবার শেষে বের হয়, তা নিশ্চিত করতে নির্দেশও দেওয়া হয় সেখানে কর্তব্যরত পুলিশের এক কর্মকর্তাকে।
প্রসঙ্গত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন মহাজোট সরকারের পুরো সময় বিদেশভ্রমণ ছাড়াও হিসাববহির্ভূত সম্পদ অর্জনের কারণে দলের ভেতরে ও বাইরে কঠোর সমালোচনার সম্মুখীন হন দীপু মনি। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন মন্ত্রিসভায়ও ঠাঁই হয়নি তার।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন