GuidePedia

0
গত সোমবার চীন ও ব্রাজিলের যৌথ উদ্যোগে উৎক্ষেপিত হওয়া কৃত্রিম উপগ্রহ পরিকল্পনা অনুযায়ী এর কক্ষপথে অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে। আর খুব সম্ভবত এটা আবার পৃথিবীতে এসে পড়বে। ব্রাজিলের বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়।



এই উপগ্রহটি ব্রাজিলের ভূমি ও বন বিশেষ করে আমাজন বনের নদী অববাহিকা পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠানো উপগ্রহগুলোর মাঝে তৃতীয় ছিল। ব্রাজিল তার মহাশূন্য কার্যক্রমের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহাশূন্য সংস্থার যন্ত্রপাতির উপর থেকে তার নির্ভরশীলতা কমাতে চাচ্ছে। চেষ্টা করছে দেশীয় প্রযুক্তিতে মহাশূন্য গবেষণাকে এগিয়ে নিতে। আর এরই ফলশ্রুতিতে ব্রাজিলের নিজস্ব এরোস্পেস কোম্পানি বিশ্বের বুকে বাণিজ্যিক বিমান নির্মাণের ক্ষেত্রে তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে আছে। এছাড়া ব্রাজিল সরকার সেদেশের বিপুল পরিমাণ অরক্ষিত ভূমি ও বনের সুরক্ষা, খনিজ পদার্থের ব্যবস্থাপনার জন্য প্রযুক্তিগত উন্নয়নের দিকে জোর দিচ্ছে।

গত সোমবার সকালে চীনের তাই ইউয়ান কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে March 4B rocket এর সাহায্যে CBERS-3 নামের একটি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়। এক বিবৃতিতে বলা হয়, “উড্ডয়নের সময় March 4B rocketর কোন ত্রুটির কারণে উপগ্রহটি এর কক্ষপথের ঠিক জায়গায় অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উপগ্রহটি উল্টো পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে। কেন এরকম হলো সেটা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ব্রাজিল ও চীন তাদের পরিকল্পনা আরো বেগবান করতে সম্মত হয়েছে ও পরবর্তী উপগ্রহ CBERS-4 উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও CBERS-3 উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হওয়াটা ব্রাজিলের জন্য বেশ ধাক্কার মতোই।


ব্রাজিল প্রায় ৫৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে আগামী ২০১৬ সালের মাঝে মহাশূন্যে নিরাপত্তা ও যোগাযোগ সংক্রান্ত উপগ্রহ পাঠাতে সেদেশের একটি টেলিকম সংস্থার সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। উপগ্রহটি বানাবে ফরাসী এরোস্পেস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘থেলেস’  আর ফরাসি স্পেস-ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি ‘এরিয়েনস্পেস’ সেটা উৎক্ষেপণ করবে ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Top