GuidePedia

0
বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করা ৩ টি রহস্যময় ঘটনা
Frederick Valentich’s Disappearance
১৯৭৮ সালের অক্টোবর মাসের ২১ তারিখের ঘটনা। ২০বছর বয়সী Frederick একটি হালকা Cessna 182L বিমান চালিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কিং আইল্যান্ডের উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ করে সেই সময় কোন কথাবার্তা ছাড়াই বিমানসহ Frederick গায়েব হয়ে যায়! একেবারেই লাপাত্তা! কোন চিহ্নই নেই তার!

গায়েব হবার আগে রেডিওতে সে জানিয়েছিল একটি অপরিচিত আকাশযান সে দেখেছে। সেটি তার বিমানের গতিতেই তার দিকে ধেয়ে আসছে। এই তার শেষ যোগাযোগ পৃথিবীর কারো সাথে। এরপর সে আকাশ থেকে বিমানসহ একেবারেই গায়েব! রেডিওতে তার শেষ কথা ছিলো “ওহ!! বস্তুটা আমার কাছেই চলে এসেছে!!! কিন্তু এটা তো কোন আকাশযান নয। এখানেই শেষ পৃথিবীর সাথে তার যোগাযোগ। অনেক খুজেও তাকে এবং তার বিমানের কোন চিহ্নই আর পাওয়া যায়নি।

Katz II
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া থেকে তিনজন যাত্রী নিয়ে ২০০৭সালের ১৫ই এপ্রিল রবিবার Katz II নামের একটি ছোট ইয়র্ট সমুদ্রের উদ্দেশ্যো যাত্রা শুরু করে। ঠিক তিনদিন পর অর্থাৎ বুধবার এই ইয়র্টটিকে সমুদ্রের মাঝে সেই জায়গা থেকে বেশ দূরে Townsville নামক একটি জায়গার প্রায় ১৫০কি:মি: দূরে শেষ এর অস্ত্বিত্ত দেখা যায়। শুক্রবারে এটি বন্দরে এসে ভিড়ে। বিস্ময়ের পালা তখন মাত্র শুরু হলো। সেই ইয়র্টটিতে গিয়ে দেখা যায় ইন্জিন তখনো চলছে, একটি ল্যাপটপ তখনো অন হয়ে আছে , রেডিও ও জিপিএস ঠিক আছে এবং তিনজনের খাবার সাজানো টেবিলে। কিন্তু সেই যাত্রী তিনজনের কোন অস্ত্বিত্তই নেই আর। একেবারে যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে সবাই। এমনকি লাইফ জ্যাকেটসহ সব ইয়র্টেই আছে!! তদন্তকারীরা একটি ভিডিও ক্যামেরা আবিষ্কার করে যেখানে ইয়র্টটি আবিষ্কার হবার কিছুক্ষণ আগের একটি ভিডিও আছে। সেবি ভিডিও সেই যাত্রী তিনজন ছিলো। কিন্তু ভিডিওতে তাদের কারো মাঝে কোন প্রকার সমস্যা বা চিন্তা করার মতো কিছু দেখা যায়নি। সাধারণ মানুষের মতোই তাদের আচরণ। সেই যাত্রীদের খোজ আর পাওয়া যায়নি কখনো। যেন একেবারেই হাওয়ার সাথে মিলিয়ে গেছে তারা। অনেক তদন্ত ও সার্চ পাটি লাগানো হয়েছিলো। কিন্তু সেই তিনজন আজো গায়েব। কোন ব্যাখ্যা নেই।

Wow! Signal
সময়টা ১৯৭৭সালের আগষ্টের ১৫ তারিখ। Dr. Jerry R. Ehman নামক একজন বিজ্ঞানী the Big Ear radio telescope দিয়ে তার SETI নামক প্রজেক্ট নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত। হঠাৎ করে তিনি খুব রেডিও সিগন্যাল পেতে শুরু করেন। সাথে কম্পিউটারেও সেটি প্রিন্ট আউট হতে থাকে। কিছু বুঝে উঠার আগেই ৭২সেকেন্ড স্হায়ী এই সিগন্যাল বন্ধ হয়ে যায়। এই শেষ। তারপরে আর অনেক চেষ্টা করে সিগন্যালটি আর পাওয়া যায়নি। প্রিন্ট আউট কাগজটি হাতে নিয়ে বিস্ময়ে হতবাক বিজ্ঞানী কাগজটির পাশে ‘Wow!’ লিখে রাখেন। তখন থেকেই এটি এই নামে পরিচিত। মহাকাশ নিয়ে সেই সময় গবেষণায় ব্যস্ত ছিলেন এই বিজ্ঞানী। সিগন্যালটি অবশ্যই সেখান থেকেই এসেছে। সেভাবেই সব সেট করা ছিলো যাতে এর বাইরের সিগন্যাল আসতে না পারে। অনেক চেষ্টা করা হয়েছিলো এই সিগন্যালটি ঠিক কোথা থেকে বের করার জন্য। কিন্তু ১০০% নিশ্চিত করে এখনো সম্ভব হয়নি। তাহলে কি পৃথিবীর বাইরে থেকে কোন UFO থেকে এই সিগন্যালটি হঠাৎ করে চলে এসেছিলো ?? হয়তো হঠাৎ করে নয়, হয়তো পৃথিবীর বাইরে থেকে কেউ যোগাযোগ করতে চেয়েছিলো!!! কোনটি ঠিক সঠিক কোন ব্যাখ্যা নেই। মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার পেয়েছিলো এই ঘটনা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Top