ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল মিতা নূরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর গুলশান-১ এর ১০৪ রোডের ১৬নং বাড়ি থেকে গুলশান থানা পুলিশ ঝুলন্ত লাশটি উদ্ধার করে। নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল। এ সময় পরিবারের সদস্যরা বাসায় ছিলেন।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বিডিওয়েভকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা হলেও বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। আত্মহত্যা হয়ে থাকলে কি কারণে হয়েছে সেটা এবং অন্য কোনো কারণ থাকলে সেটাও মাথায় রেখে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা কাজ করছেন।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। তদন্ত করে দেখছি। মৃতদেহ এখন সেখানে রয়েছে বলে জানান তিনি।
অভিনেত্রী মিতা নুরের আত্নহত্যার প্রকৃত রহস্য খুজে বের করতে তার স্বামী শাহনুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।সোমবার সকালে পুলিশ রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।এ ঘটনায় মিতার বাবা ফজলুর রহমান একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। মিতা নুরের আত্নহত্যার কারন হিসেবে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে পারিবারিক কলোহ,কারন মিতা নুরের বাবা বলেন এর আগেও সে দুইবার আত্নহত্যার চেষ্টা করেছিল তাছাড়া গত কয়েক দিন আগেও গুলশান থানা পুলিশ, কলোহের পর তাদের মধ্যে মীমাংস করে দিয়ে যান। গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাব্বির আহমেদ জানান, খবর পেয়ে সকাল সাতটার দিকে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১০৪ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাসা থেকে মিতা নূরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ সময় তার গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল বলে জানান তিনি। তার লাশ এখন ময়না তদন্তের মর্গে প্রেরণ করা হচ্ছে।
১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাপ্তাহিক নাটক ‘সাগর সেঁচা সাধ’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে মিতা নূরের অভিষেক হয়। ১৯৯২ সালে আফজাল হোসেনের নির্দেশনায় অলিম্পিক ব্যাটারির বিজ্ঞাপনে মডেল হয়ে ব্যাপক পরিচিতি পান। এরপর তাকে নিয়মিত বিভিন্ন নাটকে দেখা যেতে থাকে।
টিভি নাটকে অভিনয় ও মডেলিংয়ের পথ ধরে ২০১১ সালে নাট্য নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন মিতা নূর। ওই বছর ‘চৌঙ্গালি’ নামের একটি খণ্ড নাটক নির্মাণ করেন তিনি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন