- অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইংল্যান্ড : এটি ১০৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইংরেজি ভাষাভাষি দেশগুলোর মধ্যে অক্সফোর্ড সবচেয়ে পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়। এখন পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬ জন শিক্ষার্থী নোবেল জিতেছেন।
ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, যুক্তরাষ্ট্র : ক্যালিফোর্নিয়ার প্যাসাডেনাতে ১৮৯১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানকার ৩৪ জন সাবেক শিক্ষার্থী নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র : এটি ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম বড় ক্যাম্পাস এই বিশ্ববিদ্যালয়টির। এখানের ২১ জন শিক্ষার্থী এ যাবত নোবেল জিতেছেন।
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য : ১২০৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের চতুর্থ পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়। এ যাবত এখানকার ৯০ জন শিক্ষার্থী নোবেল জিতেছেন।
ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি বা এমআইটি, যুক্তরাষ্ট্র : এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ৮৫ জন শিক্ষার্থী নোবেল লাভ করেছেন। এর মধ্যে আছেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কোফি আনান।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র : ১৬৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত। এখানকার ৪৫ জন শিক্ষার্থী নোবেল জিতেছেন।
প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র : এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়। ১৭৪৬ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানকার ৪০ জন শিক্ষার্থী এ যাবত নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন।
বিশ্বসেরা ৭ বিশ্ববিদ্যালয়
সত্যিই কি মধু, না বিষ! (ভিডিও)
বিজ্ঞাপনের কল্যাণে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান ‘মধু হই হই বিষ খাওয়াইলা’
সারাদেশে বেশ সাড়া ফেলেছে। একই নামে নির্মিত সিনেমায় আইটেম গান হিসেবে
ব্যবহৃত হয়েছে ‘মধু হই হই বিষ খাওয়াইলা’, যার ভিডিও ইউটিউবে প্রকাশের পর
চারদিক থেকে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ তো বলছেন, ঢালিউড যে
আবারও অশ্লীলতার দিকে ঝুঁকছে তা এই ছবিটির মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
গত ২৪ জুন গানের ভিডিওটি ইউটিউবে মুক্তি দেওয়া হয়। বেশ ঝলমলে সেটে ধারণ
করা গানটিতে অংশ নিয়েছেন জেফ ও তিথি। খোলামেলা পোশাকে নায়িকা ও অশালীন
অঙ্গভঙ্গিতে গানটি ধারণ করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১ লাখ ৮৭ হাজার বার ভিডিওটি দেখা হয়েছে। এর
মধ্যে ৫৩১ জন লাইক দিলেও ৬ শতাধিক মানুষ গানটির ভিডিও অপছন্দ করেছেন। এর
মধ্যে দেড়শ' জনের মতো মানুষ কমেন্ট করেছেন।
এদের মধ্যে রাহাত খান নামের একজন বলছে, ''এতো সুন্দর গানটারে ... কি
বানাইছে?'' অনেকের মন্তব্য, ''এই মানুষগুলোই ঢালিউডের সুনামটা ধ্বংস করছে।
'' আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, ''৫২৫ লাইক? এরা কি পাগল না ছাগল?''
একজন লিখেছেন, ''হেতেই দেখি হাছা হাছাই মধু কইয়া বিষ খাওয়াইলো... তয় বিষ
খাওন লাগবো না, গান শুইনাই মনের মধ্যে বিষের রিয়েকশন শুরু হয়ে গেছে। সব
কয়ডারে পানিতে চুবানি দিতে পারলেই এই বিষ নামবো নয়তো বিষ নিয়েই থাকতে হইবো।
''
কয়েক বছর আগে বাংলা সিনেমা অশ্লীলতায় ভরপুর ছিল। তবে সেখান থেকে ধীরে
ধীরে যখন 'মার্জিত' চলচ্চিত্রের দিকে যখন হাঁটছিল ঢালিউড, তখন সিনেমা হলে
দেখা গেল দর্শক খরা। কিন্তু তারপরও পিছপা হয়নি। বর্তমানে সিনেমা হলে কিছু
হলেও দর্শক ফেরানো সম্ভব হয়েছে। আর ঠিক সেসময় এমন একটি ছবির মুক্তি নিয়ে
প্রশ্ন তুলেছেন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা।
জসিম উদ্দিন জাকির পরিচালিত ‘মধু হই হই বিষ খাওয়াইলা’ মুক্তি পাচ্ছে ২৮
জুলাই। তার আগে ছবিটির মুক্তি নিয়ে অনেকের প্রশ্ন, বাংলা সিনেমায় আবারও কি
অশ্লীলতা ফিরে এসেছে? আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, কিভাবে ছবিটি সেন্সর
ছাড়পত্র পেল?
তবে অশ্লীলতার অভিযোগ মানতে নারাজ ছবিটির নির্মাতা জসিম উদ্দিন জাকির।
তিনি জানান, পোস্টার বা আইটেম গান দেখে সিনেমাটিকে অশ্লীল বলা ঠিক হচ্ছে
না। বরং মৌলিক গল্পে নির্মিত ‘মধু হই হই বিষ খাওয়াইলা’ দেখে দর্শক খুশি
মনেই সিনেমা দেখে হল থেকে বের হবেন।
কামনার ইচ্ছাকে কমিয়ে দুর্বল করে যে খাবার!

ইদানিং আপনার সঙ্গীর মেজাজ খারাপ থাকছে। মিলনের ইচ্ছার কথা জানালে মুখ ঘুরিয়ে এক কথায় না বলে দিচ্ছে। আপনি যতবারই তাকে বুঝিয়ে কাছে ডাকছেন, সে যেন আরও বেঁকে বসছে। এ অবস্থায় তাকে কড়া কথা বা বকা দিয়ে তো আর ইচ্ছে পূরণ করা যাবে না। তাহলে এখন?
সঙ্গীর এ অবস্থার জন্য আপনি খাদ্যকে দায়ী করতে পারেন। কিছু খাবার আছে যা গ্রহণে তার যৌন ইচ্ছাকে প্রভাবিত করছে এবং ক্রমশই দুর্বল করে দিচ্ছে।
আপনি জানেন কি? খাদ্যের ওপর নির্ভর করে শরীরের ইস্ট্রজেন ও টেসটোসটের সঠিকভাবে কাজ করা। আর যখন এই দু'টি হরমোনের একটিতে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, বিভ্রান্তটা হয় ঠিক তখনি।
কিছু খাবার আপনার গোপন শক্তি বৃদ্ধি করে আবার অনেক খাবার শরীরে হরমোনের মাত্রা হ্রাস করতে পারে। এর মধ্যেই ওই সব খবার আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে, যা আপনার হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখবে।আর সেই সঙ্গে ক্ষতিকারক খাবারকে এড়িয়ে চলতে হবে।
তার আগে জানা দরকার কোন কোন খাবার আপনার সঙ্গীর যৌন ক্ষমতাকে হ্রাস করছে?
তাহলে অপেক্ষা কিসের? আসুন জেনে নেয়া যাক কোন কোন খাবার আপনার গোপন ইচ্ছাশক্তির ক্ষতি করছে এবং যার কারণে সঙ্গী আপনার নিবেদনে সাড়া দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
নিম্নে যৌনশক্তিকে হ্রাস করে এমন কিছু খাবারের নাম দেয়া হল;
প্রক্রিয়াজাত খাদ্যে: এ জাতীয় খাবারে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম রং, চিনি আর রাসায়নিক দ্রব্য। এই খাবারগুলো শরীরের পুষ্টি সরিয়ে ফেলে খনিজ শুষে নিয়ে আপনাকে দুর্বল করে ফেলে। তাই প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলো দ্রুত আপনার খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিন, নইলে যেকোনো সময় আপনি যৌনশক্তি সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলতে পারেন।
ডায়েট সোডা: এই কৃত্রিম মিষ্টি পানীয়টি শরীরের সেরোটোনিনের মাত্রা কমিয়ে ফেলে। কম সেরোটোনিন পুরুষ-নারী উভয়ের কামশক্তিকে কমিয়ে দেয়।
মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন: এ জাতীয় পপকর্ন স্বাস্থ্যের জন্য বেশ বিপজ্জনক। প্রথমে বলা যেতে পারে পপকর্ন রাখা প্যাকেট বা ব্যাগের কথা! এই ব্যাগে থাকা বিষাক্ত পারফ্লোরো অক্টানয়িক অ্যাসিড আপনার কামশক্তির মৃত্যু ডেকে আনে। এতে দীর্ঘ মেয়াদে প্রস্টেট সমস্যা হতে পারে, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
গাঁজা: গাঁজা সেবন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনার টেসটোসটের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে। এতে আপনার যৌন ক্ষমতা কমে যাবে এবং আপনার সুখী জীবনে ধস নেমে আসবে। তাই এটাকে সবসময় এড়িয়ে চলাই ভালো।
ইউটিউবে হিট 'তু চিজ বাড়ি হে মাস্ত মাস্ত' গানটির রিমেক (ভিডিও)

‘তু চিজ বাড়ি হে মাস্ত মাস্ত’ গানটি ছিল নব্বইয়ের দশকে বলিউডের অন্যতম সেরা একটি গান। এই ‘তু চিজ বাড়ি হে মাস্ত মাস্ত’ গানটির সুবাধে অক্ষয় কুমাড় ও রাভীনা ট্যান্ডন অসংখ্য শ্রোতাদর্শকের হৃদয়ে ঝড় তুলেছিল। ১৯৯৪ সালে গাওয়া এই গানটি সম্পতি ফের রিমেক করে গাওয়া হয়েছে। রিমেক করা গানটিও ঝড় তুলেছে ইউটিউবে।
জানা যায়, আব্বাস-মাস্তান পরিচালিত নতুন থ্রিলার ‘মেশিন’ সিনেমার জন্যই গানটি রিমেক করা হয়। রিমিক গানটিতে অংশ নিয়েছে বলিউডের নবাগত নায়ক আব্বাস পুত্র নায়ক মুস্তফা বার্মাওয়ালা ও কিয়ারা আদাভানি। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছে উদিত নারায়ন ও নেহা কাক্কার। কোরিওগ্রাফি করবেন বস্কো মার্টিস। গত ছয় তারিখ গানটি ইউটিউবে প্রকাশের মাত্র ২ দিনেই প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার দর্শক গানটি শুনেছেন।
সানিকে টুইট, আইনি জটিলতায় রাম গোপাল
খুব শিগগিরই মুক্তি পাচ্ছে রামগোপাল ভার্মার ‘সরকার থ্রি’। আর টাইগার শ্রফকে নিয়ে একটি ছবি নির্মাণ করতে যাচ্ছেন তিনি। এসব কারণে কিছুদিন ধরে খবরের শিরোনামে রয়েছেন রাম। তবে এবার তার নাম এসেছে আইনি ঝামেলায় পড়ে। বুধবার বিশ্বব্যাপী পালিত হয়েছে আর্ন্তজাতিক নারী দিবস।
এ দিন সব নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানিয়েছেন বলিউডের নামিদামি তারকারা। ঠিক তেমনইভাবে অভিনেত্রী সানি লিওনকে একটু ভিন্ন ভঙ্গিতে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন রাম গোপাল ভার্মা। নারী দিবেসে সানি লিওনকে উদ্দেশ্য করে একটি টুইট করেছিলেন রামগোপাল ভার্মা। যেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার ইচ্ছে সারাবিশ্বের প্রতিটি নারী পুরুষদের যেনো সানি লিওনের মতো সুখ দিতে পারে।’
এ কারণে, নারীদের অপমান করার অভিযোগ এনে বলিউডের জনপ্রিয় এই নির্মাতার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সমাজকর্মী বিশাখা মাহামব্রে। এমনকি তার টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়ার আবেদন করেছেন তিনি।
বাংলাদেশী তারকাদের নগ্ন ভিডিও পর্নসাইটে! উদ্বিগ্ন যে সব তারকারা!
![]() |
| বাংলাদেশী তারকাদের নগ্ন ভিডিও পর্নসাইটে! উদ্বিগ্ন যে সব তারকারা! |
জনপ্রিয় পর্নসাইটগুলোতে স্থান পাচ্ছে বাংলাদেশী তারকাদের নগ্ন এমএমএস। প্রকাশ পাবার সঙ্গে সঙ্গেই তা দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন তাদের ভক্তরা। দিনদিন এ সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে। এমনকি কোন অভিযোগ করেও সাইট থেকে এসব ভিডিও সরানো যাচ্ছে না।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এক্সভিডিওস, এক্সএন ভিডিওস, পর্নহাবসহ জনপ্রিয় সাইটে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বাংলাদেশী তারকাদের নগ্ন এমএমএস। বাংলাদেশী সেলিব্রেটি বা বাংলাদেশী অ্যাকট্রেস নামে সার্চ দিলেই পাওয়া যাচ্ছে চমকে যাওয়ার মতো এসব ভিডিও।
সাইট খুঁজে দেখা যাচ্ছে, এসব সাইটে এরই মধ্যে স্থান পেয়েছে ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহী, টিভি অভিনেত্রী শমী কায়সার, সাদিয়া জাহান প্রভা, আনিকা কবির শখ, আদনান ফারুক হিল্লোল ও শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি, কণ্ঠশিল্পী ইভা রহমান, উপস্থাপিকা নাদিরা নাসিম চৈতিসহ অনেক তারকাই গোপন ভিডিও।
প্রতিদিন দেশি বিদেশী হাজারো দর্শক এসব ভিডিও দেখছেন। তবে এর মধ্যে সবথেকে বেশি আলোচিত হচ্ছে সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহীর ৫ মিনিটের ভিডিওটি। এরই মধ্যে ১০ লক্ষ্যেরও বেশি দর্শক এ ভিডিওটি দেখে ফেলেছেন। ভালো জনপ্রিয়তা পেয়েছে সাদিকা পারভিন প্রভা ও ইভা রহমানের ভিডিও।
এক স্বাক্ষাৎকারে মাহী জানিয়েছিলেন এ ভিডিওটি তার নয়। তার মতো এসব ভিডিও মিথ্যে বলে দাবি করেছেন অনেক তারকাই। তবে ঘটনা যাই হোক, তারকাদের নামে প্রকাশ পাওয়া এসব ভিডিওর অনেকগুলোই তারকাদের চেহারার সঙ্গে হুবহু মিল আছে।
এদিকে এসব সাইটের বেশিরভাগই দেশের বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোন ফল পাচ্ছে না ভুক্তভোগিরা। বরং দিনদিন এসব ভিডিওর দর্শক বাড়ছে। আর ক্ষুন্ন হচ্ছে তারকাদের সম্মান, জনপ্রিয়তা।



