যেখানে বিয়ের আগে মেয়েদের সাথে ১ বছর গোপন মিলন করা বাধ্যতামূলক!



অদ্ভুত নিয়ম চালু রয়েছে পশ্চিম বঙ্গের মাদারিহাটে। যেখানে মেয়েদের বিয়ের আগে মা হওয়াটা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎআগে মেয়েদের সাথে ১ বছর গোপন মিলন করা বাধ্যতামূলক! বিয়ের সমাজে নারী পুরুষের যৌন সম্পর্কের বৈধতা দিয়ে থাকে বিবাহ। এটা সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি। তবে এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়া-মাদারিহাট।

সেখানে মাতৃত্বই দেয় পছন্দের সেই পুরুষকে বিয়ের অধিকার। এটাই রেওয়াজ ‘টোটো’দের। সেখানে সবমিলিয়ে ১ হাজার ৫৮৪ টোটোর বাস। এখনো নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন এই উপজাতিরা।

টোটো সমাজের পুরুষদের কোনো মেয়েকে বেছে নেয়ার অধিকার রয়েছে। ছেলেটির পছন্দ হলে মেয়েটিকে তার সঙ্গে ১ বছর সহবাস করতে হবে। তার মধ্যে মেয়েটি গর্ভবতী হলে তবেই বিয়ে করার উপযুক্ত হয়ে উঠবেন।

তবে বিয়ে করতে হলে আগে ২ পরিবারের অনুমতি নিতে হবে।

পরিচালকের সাথে ববির ‘গোপন’ যৌন ভিডিও নিয়ে তোলপাড় (ভিডিওসহ)


ফাঁস হয়ে গেছে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ববির অশ্লীল ভিডিও। প্রথমে ইউটিউবে এ ভিডিও পাওয়া

গেলেও কয়েক ঘন্টার মধ্যে তা ডিলেট করে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তোলপাড় চলছে শোবিজ অঙ্গনে।

গুঞ্জন চলছে, ইউটিউবে প্রকাশিত ভিডিওটি ববিরই। যদিও এ নিয়ে দ্বৈতমত আছে। কারণ এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

বেশ কিছুদিন ধরেই ঢালিউডের বাতাসে উড়ে বেড়াচ্ছিল ববির নতুন প্রেমের গুঞ্জন। শোনা যাচ্ছিল পরিচালক ইখতেখার চৌধুরীর সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন তিনি। ববির সঙ্গে চলছে সেই পরিচালকের গোপন ডেটিংও। এখন প্রকাশ্যেই তাদের বিভিন্ন স্থানে দেখা যাচ্ছে।

বিশেষ এ সম্পর্কের কারণেই ‘দেহরক্ষী’ ছবিতে ববিকে ব্রেক দেয় ইফতেখার। ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন ও কাজী মারুফ। ছবিটি ব্যাপক সফলতা পায়। এরপর ইফতেখার ববিকে ফিরিয়ে আনেন শাকিব খানের সঙ্গে জুটি করে। ছবির নাম রাজত্ব।

প্রেমিকাকে ঘোড়া বানিয়ে জনসম্মুখে চড়ানো হলো প্রেমিককে ! (ভিডিও সহ)



অমানবিক এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের একটি গ্রামে। প্রেম করার অপরাধে প্রেমিক যুগলদের অমানুষিক শাস্তি দিলো ওই গ্রামের পঞ্চায়েত। অবশ্য প্রেমের অপরাধে অদ্ভুত ও মানবতা বিরোধী শাস্তি দেওয়া সে দেশের গ্রামগুলোতে পুরোনো নয়। নিছক কারণেই গ্রামের পঞ্চায়েতগুলো কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। তাদের সিদ্ধান্তের ফাঁদে আটকা পড়তে হয় গ্রামের নিরীহ গরিব মানুষদের। আর তারই দৃষ্টান্ত আবার প্রকাশ করলো নিষ্ঠুর পঞ্চায়েত, প্রেমের অপরাধে প্রেমিকাকে ঘোড়া বানিয়ে তার উপর প্রেমিকাকে বসিয়ে পুরো গ্রামবাসীর সম্মুখে চড়ানো হয়।

শুধু তাতেই ক্ষান্ত হয়নি পঞ্চায়েত, গরুর শুকনো গোবর দিয়ে মালা তৈরি করে দুইজনের গলায় পরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর প্রেমিকাকে ঘোড়া হয়ে মাটির উপর জোর করে বসানো হয় আর প্রেমিককে তার উপর চড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর এতে অপরাগতা স্বীকার করলে উভয়কে বেদম মারধর করা হয়। এভাবে নিষ্ঠুরতা চালানোর পর যখন প্রেমিক যুগলদের তাদের অভিভাবকদের কাছে অর্পণ করা হয়, তখন তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে, তাদের যদি আবারও একসাথে ঘুরতে দেখা যায় তাহলে তাদের পরিবারেকে ৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানা করা হবে।

যে ব্রিজের উপর দিয়ে চলে নৌকা ও জাহাজ (ভিডিও সহ)


ম্যাগডেবার্গের জলের সেতু বার্লিন শহরের একদম কাছের শহর ম্যাগডেবার্গে অবস্থিত। এই সেতু পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির সীমান্তে এলবা নদীতে অবস্থিত।সেতুটি তৈরি করতে ২৪ হাজার মেট্রিক টন স্টিল আর ৬৮ হাজার ঘনমিটার কংক্রিট প্রয়োজন হয়েছিল। সেতুটি মোটরগাড়ি, ট্রেন বা অন্য কোনো স্থলযান চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়নি; এই সেতু দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ, স্টিমার, লঞ্চ ইত্যাদি জলযান চলাচল করে। ৯১৮ মিটার দীর্ঘ ও ৩৪ মিটার প্রশস্ত এই সেতুর পানির গভীরতা ৪ দশমিক ২৫ মিটার।

১৯১৯ সালে প্রথম এই সেতু নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তারপর সেতুটির গুরুত্ব বুঝতে পেরে জার্মান সরকার ১৯৩৮ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু করে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন কেউই আর সেতুটি নিয়ে কিছু ভাবেনি। পরবর্তী সময় দুই জার্মানি একত্র হওয়ার পর ১৯৯৭ সালে পুনরায় এর কাজ শুরু হয়। ছয় বছর পর সমাপ্ত হয় এর কাজ। প্রায় অর্ধবিলিয়ন ইউরো দিয়ে তৈরি সেতুটি বার্লিনের দুটি বিখ্যাত ক্যানালকে সংযুক্ত করেছে। অন্য কথায়, পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানিকে সংযুক্ত করেছে। এলবা-হাভেল ও মিটারল্যান্ড নামের এই দুই ক্যানাল সংযুক্ত করায় অনেক সুবিধা হয়েছে।

এখন বাণিজ্যিক জাহাজগুলো রাইন নদীতে, বার্লিন বন্দরে সহজে পৌঁছাতে পারে। এতে জাহাজগুলোকে প্রায় ১২ কিলোমিটার পথ কম পাড়ি দিতে হয়।
বাণিজ্যিক গুরুত্বের পাশাপাশি পর্যটকদের নজর কেড়েছে এই ওয়াটার ব্রিজ। প্রতিদিন দেশি বিদেশি হাজার হাজার দর্শক এই সেতু দেখতে এখানে ভিড় জমায়।


দুই লক্ষ টাকায় এক মুরগী, যার ভেতর বাহির সবই কালো!


ইন্দোনেশিয়া আইয়াম সিমানি জাতের কালো মোরগের-মুরগীর কালো রং এক বিস্ময়কর ব্যাপার। আইয়াম সিমানি (Ayam Cemani) জাতের মোরগ মুরগীর কালো রং শুধু বাহ্যিক রং নয়, তাদের আগাগোড়া সবই কালো, আগাগোড়া সবই কালো মানে তাদের পালক কালো, মাথার ঝুটি কালো, ঠোঁট নখ , পা কালো। সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার তাদের মাংস , দেহের ভেতরের সব অঙ্গ প্রতঙ্গ কালো, কালো তাদের হাড়ের ভেতরের মজ্জাও। শুধু রক্ত কালো না হলেও অনন্য প্রাণীদের চেয়ে তাদের রক্ত লাল রং অনেক গাঢ়।

ইন্দোনেশিয়া ভাষায় আইয়াম মানে মুরগী আর জাপানি ভাষায় সিমানি অর্থ ‘সম্পূর্ণ কালো’ । এই অদ্ভুত জাতের মুরগীর আদি আভাস স্হল ইন্দোনেশিয়ার জাভা অঞ্চলে। ১৯৯৮ সালে প্রথম ইউরোপে এ জাতের মুরগী আনা হয়। সৌখিন মুরগী পালকদের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয় একটি জাত, তবে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে অপ্রতুলতার জন্য একটি মুরগীর দাম পড়ে প্রায় আড়াই হাজার ডলারের মত বা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২ লক্ষ টাকা



২১ কারণে অনেকেই বিয়ে করতে চান না



অনেকেই বিয়ে করতে চান না। আস্থার অভাব ছাড়াও অর্থনৈতিক কারণেও বিয়ে করতে চান না তারা। নারী কিংবা পুরুষ যারা এমন ধারণা রাখেন যে বিয়ে করে বাড়তি ঝামেলা ডেকে আনার কোনো মানে হয় না তারা বেশ কিছু কারণ দেখান। তেমন ২১টি কারণ বলা যেতে পারে এমন :
আমি কাউকে নিয়েই পুরোপুরি সুখী হতে পারব না। একইভাবে আমাকে নিয়ে কেউ হবে না। কারণ আমি পৃথিবীতে যা অন্বেষণ করছি তা পেতে এখনো বাকি।
আমি আমার মতো এখনো কাউকে খুঁজে পাইনি তাই ঘড়ির কাটার মতো অস্থিরভাবে চলছি । স্থির হতে পারিনি।
বিয়ে তো আর খেলা না যে তাকে নিয়ে খেলব।
৬ মাস পরেই ডিভোর্সের মতো শব্দটিকে সঙ্গী হিসেবে ধারণ করতে পারব না।
বিয়ে কোন নিদিষ্ট বয়স ও নির্দিষ্ট সংস্কৃতির মধ্যেই হয় না।
আমার হৃদয় এখনো আরোগ্য লাভ করেনি। হৃদয় এখনো ভুগছে।
এখনো তেমন কোনো মুখ দেখছি না যে বিয়ের আসরে বসবে।
এখনো বাবা আমাকে দেখাশোনা করে। সবকিছু বুঝে নিয়ে কাজ করার মতো আমি এখনো প্রস্তুত নই।
পূর্বে কাউকে দেখিনি বা অপরিচিত কারো সঙ্গে থাকতে পারব না কারণ তার আবেগ, বিচক্ষণতা ও ত্রুটিগুলো আমার অজানা।
ভার্চুয়ালের প্রভাব আমাদের প্রকৃত সংস্কৃতি ধ্বংস করে দিচ্ছে।
এখনো তাকে খুঁজে পাইনি যে আমার শূন্য হৃদয়ে ভালোবাসা দিয়ে পূর্ণ করে দেবে।
এখন একাই থাকতে ভালোবাসি। নিজের প্রতি নিজেকেই সময় দিতে চাই।
একা থাকা যে কতটা মধুর তা আমি উপলব্ধি করছি। দীর্ঘ সময় নিরাপদ থাকার জন্য একাই উত্তম।
সব বিয়েই কঠিন আর বিয়ের পরে ভালোবাসা মরে যায়।
সমাজকে সুখী করার জন্য আমি আত্মার সঙ্গে আপোস করতে পারব না।
বিয়ের দিন ও সেই দিনের রঙ্গিন পোশাকের চেয়ে বিয়ে নিয়েই বেশি চিন্তিত।
কারণ আমি চাই নাচতে, লিখতে, হাসতে ও গাইতে। বিয়ের মধ্য দিয়ে  এগুলো চাপা পড়ে যেতে পারে।
বিধাতার কাছে এখনো আমার গল্প লেখা শেষ হয়নি। তিনি এখনো আমার গল্প শুনছেন।
সবাই জীবনে ব্যতিক্রম কিছু করতে চায়, আমিও চাই।
ব্যতিক্রম কাউকে প্রত্যাশা করি না। আমি তাকেই চাই যে আমাকে হাসির মধ্যে ভরিয়ে রাখবে।
আশাহীন রোমান্টিক নই। আমি ভালোবাসায় বিশ্বাসী এক জন।

কখন মেয়েদের যৌন চাহিদা বেশি থাকে?


ডেস্ক: মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।

– ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।

– মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌন কর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দকরে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌন কর্মের sex চেয়ে বেশী মজা পায়।

– মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে মেয়েদের”বীর্যপাত” বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।

– ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য সেক্সের কোন দরকার নেই।

– যোনিতে পেনিস ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।

– মেয়েদের girls যোনির সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, পেনিসের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় পেনিসের দরকার হয় না। বাচ্চা ছেলের পেনিসও এই মজা দিতে পারে।

যৌনমিলনের পরেও নারীদের “ভার্জিন” থাকার উপায় (ভিডিওসহ)

আগে জানতাম এই যে যৌন মিলনের পর নারীর যোনিতে অবস্থিত পর্দাটি (হাইমেন) ছিঁড়ে যায়। এই পর্দার উপস্থিতিই হচ্ছে নারীর সতীত্বের পরিচায়ক। এখন শুনতে পাচ্ছি অপারেশনের মাধ্যমে এই হাইমেন আবার পুনরায় স্থাপিত করা যায়। একাধিক পুরুষের সাথে যৌন মিলনের পরও এই অপারেশন করিয়ে নিলে নারী আবার নিজেকে ভার্জিন হিসাবে উপস্থাপন করতে পারবেন। বিষয়টি আসলে কতটুকু সঠিক? – এ প্রশ্ন অনেকেরই।



প্রথম কথা, যৌন মিলনের পর নারী বা পুরুষ কেউই “ভার্জিন” থাকেন না। যদি আপনি নারীদের “ভার্জিন” থাকা বলতে হাইমেন বা সতীচ্ছেদ পর্দা অটুট থাকা বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে বলতে হয় যে যৌন মিলনের পর এই পর্দা অটুট থাকে না। তবে এটাও সত্যি যে যৌন মিলন ছাড়াও এই পর্দা ছিঁড়ে যেতে পারে। কেউ এই পিরদা ছাড়াই জন্ম গ্রহণ করতে পারে।

একটু বুঝিয়ে বলছি, পড়ে নিন।

প্রথমবার সেক্সের সময় যদি কারো রক্ত বের হয়, সেটা বের হয় মেয়েদের যোনিপথের ভেতরে একটা খুব পাতলা স্বচ্ছ আবরন ছিড়ে যাওয়ার ফলে। যাকে মেডিকেলের ভাষায় বলে হাইমেন। তাই বলে এটা ভাবা ঠিক নয় যে পবিত্র মেয়ে বলতে তাকেই বোঝায়, যার হাইমেন আছে। মেয়েদের হাইমেনে কখনও এটা অনেক ফাঁকা থাকে, কখনও এটা কম ফাঁকা থাকে, কখনও একটুও ফাঁকা থাকে না। এই বিষয়টা নির্ভর করে মাসিক চক্রের সময়ের সাথে সাথে। কিন্তু এমন অনেক মেয়ে আছে, যাদের মাসিকের বর্জ্য পদার্থগুলো তার হাইমেন বা পর্দার কম ফাঁকা থাকার কারনে ঠিক মত বের হয়ে আসতে পারে না। আর তাই তাদের যোনিতে খুব চাপের সৃষ্টি হয় এবং এজন্য মৃত্যুও হতে পারে। তাই ডাক্তাররা জীবন বাঁচাতে সেই হাইমেন বা পর্দাকে অপারেশন করে ফেলে দিতে বাধ্য হয়। এমন অনেক মেয়ে আছে, যারা হাইমেন বা পর্দা ছাড়াই জন্মগ্রহন করে। অনেকে একসিডেন্ট করে বা বড় কোন আঘাত পেয়েও হাইমেন হারায়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, অপারেশন করে এই হাইমেন জোড়া দেয়া যায় কিনা। হ্যাঁ, সেটা জোড়া দেয়া যায়। একে বলে হাইমনোপ্লাসটি। আমাদের দেশে এটা এখনো করা যায় না। তবে পাশের দেশ ভারত থেকে শুরু করে মোটামুটি সমগ্র বিশ্বেই করা যায়। ছোট্ট একটি প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে প্লাস্টিক সার্জনরা এই হাইমেন আবার জোড়া লাগিয়ে দেন। এবং ফল সরূপ যে কোন পুরুষই উক্ত নারীকে আবার ভার্জিন মনে করে বসেন। খুব বেশি খরচও হয় না এই সার্জারিতে। – ডা. রীতা রানী



দিনের বেলায়ই বসছে দেহব্যবসার জমজমাট বাজার (ভিডিওসহ)


গাজীপুর চৌরাস্তায় দিনের বেলায়ই বসছে দেহব্যবসার জমজমাট বাজার। বোরকা পরা মধ্য বয়সী নারীরাই সেখানে অবস্থান নিয়ে খরিদদার সংগ্রহের লক্ষ্যে বসিয়েছে দেহ ব্যবসায়ের এ বাজার। সম্প্রতি বেসরকারী একটি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে এমনই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন সুত্রে জানা গেছে, গাজীপুর চৌরাস্তায় অধিকাংশ যাত্রীই ভাসমান। খরিদদারের আশায় এসব যাত্রীর সাথেই কথা বলেন দেহ ব্যবসায়ীরা। এই ভাসমান যাত্রী থেকেই খরিদদার পটিয়ে পাশে থাকা হোটেলেই নিয়ে যায় এসব পতিতারা।

যারা দিন আনে দিন খায় অর্থাৎ রিকশা চালকদের কাছেই পতিতাদের বেশী যাতায়াত বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও বিষয়টি জানেন বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে আরও উঠে আসে, ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার বিনিময়ে চৌরাস্তা থেকে খরিদদার সংগ্রহ করছে এসব দেহ ব্যবসায়ীরা। পুলিশের সামনেই এ অসামাজিক কাজের বনিবনা হচ্ছে বলেও প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।

এখানে প্রকাশ্যেই পতিতারা খরিদদার সংগ্রহ করে হোটেলে নিয়ে যাচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখিত চৌরাস্তার বাসিন্দারাও বলছেন। বাসিন্দারা তাদের মা-বোনদের নিয়ে মার্কেটে আসলে এসব পতিতাদের কারণে মানুষ তাদের মা-বোনদেরকেও পতিতা বলে ভাবছে বলেও অভিযোগ তাদের।

ভিডিও প্রতিবেদনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন…

কুকুরের রেলগাড়ি! (ভিডিওসহ)



পোষা কুকুরের গাড়িতে চড়ার শখ পূরণ হয়েছে বহুকাল আগেই। তবে তা মালিকের গাড়িতে। কিন্তু কুকুর বলে তার নিজের কোনো গাড়ি থাকবে না তাই কি হয়! এ ভাবনার অবসান ঘটিয়েছেন ইউজিন বস্টিক নামের এক ভদ্রলোক।
অবশ্য ইউজিনের ভাবনাটা আরও অগ্রসর। তিনি নিজের কুকুরদের জন্য রেলগাড়ি বানিয়ে ফেলেছেন।
2বাডি, ডেইজি, জ্যাক, মিকি, মিস নিল, চোবি, বনি ও ক্লাইড নামের আটটি কুকুরই সে সৌভাগ্যের অধিকারী। সপ্তাহে দু’দিন তারা নিজেদের রেলগাড়িতে চেপে ভ্রমণে বের হয়।
কুকুরদের জন্য এ রেলগাড়িটি তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ট ওয়ার্থবাসী ইউজিন নিজেই। ৮০ বছর বয়সী এ কুকুরপ্রেমী ছিলেন ইউনিয়ন প্যাসিফিক রেলরোডের সাবেক কর্মচারী।
3এ রেলগাড়িটি তৈরি করা হয়েছে ৫৫ গ্যালনের আটটি পানির ড্রাম দিয়ে। ড্রামগুলোকে আড়াআড়িভাবে মাঝখান দিয়ে কেটে কুকুরদের বসার সিট তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি সিটেই রয়েছে আরাম বালিশ।
সপ্তাহে দু’দিন রেলগাড়িটিকে একটি ছাদবিহীন গাড়ির পেছনে যুক্ত করে কুকুরগুলোকে একঘণ্টার জন্য বেড়িয়ে নিয়ে আসা হয়। এ কাজে সাহায্য করেন ইউজিনের ভাই কর্কি।
৮৭ বছর বয়সী কর্কি জানান, বের হওয়ার প্রস্তুতি দেখেই কুকুরগুলো রেলগাড়িতে চড়ার জন্য লাফঝাঁপ করতে শুরু করে।
ইউজিন প্রায় ১৫ বছর আগে কুকুরদের জন্য এ রেলগাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করেন। একবার বন্ধুর সঙ্গে হরিণ শিকার করতে গিয়ে এ বুদ্ধি তার মাথায় আসে।
4ইউজিন জানান, আমি কুকুরদের বেড়ানোর জন্য চাকাওয়ালা একটি গাড়ি তৈরির কথা ভাবি। যেটা আমার গাড়ির পেছনে সংযুক্ত থাকবে। শেষ পর্যন্ত আমার চিন্তা কাজে লেগেছে।
ট্রেন স্টেশন আর ট্যুরের জন্য ইউজিনের জায়গার অভাব নেই। নিজ বাড়ির পাশেই ট্রেনটি রাখা থাকে। আর ভ্রমণ চলে ফোর্ট ওয়ার্থের দক্ষিণ-পূর্বে সিকামোর ক্রিক মিউনিসিপ্যাল গল্ফ কোর্সের উত্তরে প্রায় ১২ একর জমিতে।
তবে এ আটটি কুকুর শুরুতে ইউজিনের নিজের ছিলো না। প্রায় একবছর ধরে শহরের ছন্নছাড়া এসব অসহায় কুকুরদের সংগ্রহ করেছেন তিনি।
কুকুরের এ রেলগাড়িটিকে ইউজিন তার প্যাশন মনে করেন। প্রতি সপ্তাহেই নিয়মমাফিক তিনি কুকুরদের বেড়াতে নিয়ে যান। ঝড় বা বজ্রপাত ছাড়া হালকা তুষারপাতও তাদের ভ্রমণে বাধা হতে পারে না।

যেসব প্রাপ্তবয়স্ক দৃশ্যের জন্য ‘ডার্লিং ডোন্ট চিট’ সিনেমার মুক্তি নিয়ে সংশয় (ভিডিওসহ)


মুম্বই: বেজায় মুশকিলে পড়েছেন ‘ডার্লিং ডোন্ট চিট’ সিনেমার নির্মাতারা। আগামী ৩০ অক্টোবর সিনেমার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।কিন্তু বিপত্তি বাঁধিয়েছে সেন্সরের কাঁচি। এই থ্রিলারের বেশ কয়েকটি দৃশ্য ছাঁটতে বলেছে সেন্সর বোর্ড। এ ছাড়াও বেশ কিছু ডায়লগও মিউট করতে বলা বলা হয়েছে। এই অবস্থায় নির্ধারিত দিনে ছবিটি মুক্তি পাবে কিনা, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নির্মাতারা।

সিনেমার নির্দেশক-নির্মাতা রাজকুমার হিন্দুস্তানি জানিয়েছেন, ছবির প্রচারে আমরা ভালো সাড়া পাচ্ছিলাম। কিন্তু সেন্সর বোর্ডের নির্দেশ আমাদের পক্ষে বড় ধাক্কা। এখন আমরা দোলাচলে রয়েছে। ছবির মুক্তির বিষয়ে কী করা যায়, তা সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।

তিনি আরও বলেছেন, বিষয়ের দিক থেকে সিনেমাটি সাহসী, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। সেই সঙ্গে রয়েছে বেশ কিছু রগরগে দৃশ্য। কিন্তু সিনেমার চিত্রনাট্য অনুযায়ীই ওই দৃশ্যগুলি রাখা হয়েছে। এ ভাবে সিনেমায় কাঁচি চালানো ও সংলাপ মিউট করার নির্দেশকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়েছেন তিনি। রাজকুমার বলেছেন, এখন তাঁরা ইউ/এ শংসাপত্র আদায়ের চেষ্টা করছেন।

রাজকুমারের দাবি, প্রাপ্তবয়স্কদের কাছে সিনেমাতে কোনও কিছু আপত্তিকর বিষয় নেই। তাই দৃশ্য ও সংলাপগুলি অটুট রেখে নির্ধারিত দিনে সিনেমার মুক্তির চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

দেখুন ভিডিও-

গরুর মাংস খাওয়ায় নারীদের উলঙ্গ করে নির্যাতন! (ভিডিওসহ)


মানুষ যে কতটা নিচে নামতে পারে তা এই ভিডিও দেখলে বোঝা যায়। গরুর মাংস খাওয়ার কারনে পরিবারের সকল মেয়েদেরকে উলঙ্গ করে নির্যাতন করতে দেখাগেছে ভারত উত্তর প্রদেশে। ভিডিওটি দেখলে ধিক্কার জানাতে ইচ্ছা করবে সেই সব মানুষ নামের জানুয়ারদের। আর এই নির্যাতনকে দাড়িয়ে সহ্য করতে হয়েছে পরিবারের ‍পুরুষদেরকে। তাদের পরিবারের উপর নির্যাতন তারা যেন কিছু মনে করছেনা। কারন কি জানেন? কারন একটা ওরা পয়সা ওয়ালা। ওদের অনেক ক্ষমাতা।

গরু নিয়ে যখন এতই মাতামাতি তাহলে কতটা সেটাই দেখতে চাই। সুশীল সমাজের ভদ্র মহোদয় আপনাদের পরনের কাপর কি ঐ মায়ের ইজ্জতের থেকে মূল্যবান? নিজের মানবিক মূল্যবোধ কোথায়? একটি অসহায় নারীর সম্ভ্রমকে তাকিয়ে তাকিয়ে উপভোগ করতে দেখেছে অনেকে। সবাই নির্বাক কথা বলার মত সাহস হয়নি কারো বুকে। আবার সেই উত্তর প্রদেশ দুর্বৃত্তদের হাতে নির্যাতিত হতে হচ্ছে নারীকে।

অসহায় দরিদ্রো পরিবারকে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় ক্ষমতাশীলদের হাতে। এই ঘটনার সময় রাজ্য পুলিশ উপস্থিত ছিলেন সেখানে। ভিডিওতে দেখাগেছে পুলিশ নির্বাক হয়ে দাড়ীয়ে রয়েছে। খবর প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়া।

দেখুন-

প্রথম গানেই হিট, রগরগে দৃশ্যে ভরপুর (ভিডিওসহ)


মুম্বই: অন্তরঙ্গ দৃশ্যে ভরপুর ‘হেট স্টোরি ৩’-র ট্রেলার বেরিয়েছে আগেই। ট্রেলারটি ইতিমধ্যেই দেশে নিয়েছেন ১ কোটিরও বেশি দর্শক। এই সিনেমায় ডেইজি শাহ, জরিন খান, শরমন যোশী এবং করণ গ্রোভারকে দেখা যাবে। জরিন ও করণের ঘনিষ্ঠ রগরগে দৃশ্য বলিউডে আলোড়ন ফেলেছে। ডেইজি শাহ ও জরিন খানকে বলিউডে এনেছেন সলমন খান।

এবার এই সিনেমার প্রথম ‘গান তুমহে আপনা বনানে কা’ রিলিজ হল। জরিন ও শরমনের অন্তরঙ্গ দৃশ্য দেখা যাবে এই গানে। এই গান সঞ্জয় দত্ত ও পূজা ভট্ট অভিনীত সিনেমার ‘তুমহে আপনা বনানে কি কসম খায়ি হ্যায়’ গানের কথা মনে পড়বে। দুটি গানেরই টিউন এক রকম।

তরুণীর ব্যাগে মাদক, যৌনাঙ্গের ভিতর বন্দুক (ভিডিওসহ)


মাদক পাচারের অভিযোগে ধরা পড়েছিলেন অ্যাশলি সিসিলিয়া কাস্তানেদা। তল্লাশিতে তাঁর যৌনাঙ্গ থেকে উদ্ধার হল গুলি ভরা আস্ত রিভলভার। গত সোমবার টেক্সাসের ওয়্যাকো অঞ্চলে রাত ১১টা নাগাদ ট্র্যাফিক আইন লঙ্ঘন করার অপরাধে একটি গাড়িকে থামার নির্দেশ দেয় পুলিশ। কিন্তু গাড়ি তল্লাশির পর চোখ কপালে ওঠে অফিসারদের। বছর তিরিশের চালক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়ার আসনের নীচ থেকে পাওয়া যায় ২.৭ গ্রাম নিষিদ্ধ মাদক মেথামফেটামাইন। পিছনের আসনে বসা মহিলা যাত্রী অ্যাশলি সিসিলিয়া কাস্তানেদার (৩১) ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২৯.৫ গ্রাম একই মাদক। তার সঙ্গে মেলে মাদক ওজন করার খুদে দাঁড়িপাল্লা।

মাদক পাচারের অভিযোগে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় দু’জনকে। জেলে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের কাছে অ্যাশলি কবুল করেন, তাঁর যৌনাঙ্গের ভিতর লুকানো রয়েছে গুলি ভর্তি বন্দুক। তল্লাশির পর হুবহু মিলে যায় যুবতীর বয়ান। তাঁর শরীরের গোপনাঙ্গের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় গুলি ভরা .২২ ক্যালিবারের রাউন্ড চেম্বার যুক্ত স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন সেমি অটোমেটিক হ্যান্ডগান। ওয়্যাকো থানার পুলিশ জানিয়েছে, যৌনাঙ্গের ভিতর লুকিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যাওয়ার রীতি অপরাধ জগতে বিরল নয়। তবে কাজটি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বিপজ্জনক। যে কোনও মুহূর্তে পেশির নড়াচড়ার ফলে বন্দুকের ট্রিগারে চাপ পড়লে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ১৯ বছর বয়সী ড্যালাস আর্চার নামে এক অভিযুক্তর যোনির ভিতর থেকে উদ্ধার হয় এমনই এক .২২ ক্যালিবারের হ্যান্ডগান। মজার কথা, ওই তরুণীও ট্র্যাফিক আইন অমান্য করার কারণে ধরা পড়েছিল। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বন্দুকটি অবশ্য দোকান থেকে চুরি করা হয়েছিল বলে তদন্তে জানা যায়। মাদক পাচার এবং বেআইনি অস্ত্র বহন করার অপরাধে গ্যাব্রিয়েল ও অ্যাশলি দু’জনকেই কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের ঠাঁই হয়েছে ম্যাকলেনান কাউন্টি জেলে। সুত্রঃ এই সময়

রাত ৯ টার পর একসঙ্গে দেখলেই বিয়ে!



 বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক রুখতে রাত ৯টার পর প্রেমিক প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখলেই বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হবে। ইন্দোনেশিয়ার একটি জেলায় সম্প্রতি এমন আইন পাশ হয়েছে। দেশটির বেসরকারি সংবাদ সংস্থার এক খবর অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার প্ররুয়াকারতা জেলার জেলা প্রশাসক এ আইন জারি করেছেন। আইনে বলা হয়েছে, রাত ৯ টার পর যদি কোনো জুটিকে একসঙ্গে বাইরে দেখা যায় তবে তাদের বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হবে। এছাড়াও নির্দেশে বলা হয়, রাত ৯টার পর কোনো অবিবাহিত তরুণ যদি কোনো বন্ধুর বাসায় গিয়ে ফিরে না আসে তবে দ্রুত তার বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

প্ররুয়াকারতার জেলা প্রশাসক দিয়াদি মালিদি এমন আইন পাশের আগে ২০০ ব্যক্তির একটি বৈঠকে এ বিষয়ে মতামত চান। সেখানে উপস্থিত সবাই বিনাপ্রশ্নে আইনটির বিষয়ে সম্মতি দেন। যে গ্রামে আইনটির বাস্তবায়ন হবে না সে গ্রাম থেকে সরকারি ভাতা বন্ধ করে দেয়া হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। দিয়াদি বলেন, কোনো যুবক যদি তার আত্মীয় নয় এমন বন্ধুর বাড়িতে যেতে চায় তবে তাকে অবশ্যই শনাক্তকরণ কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

সুত্র: হাফিংটন পোস্ট

পাত্রের অভাবে বাংলাদেশের যে অঞ্চলের সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে হচ্ছে না! (ভিডিওসহ)


এসব পাড়া দিয়ে গত ৭ বছরে সাগর পথে ট্রলারযোগে ঝাঁকে ঝাঁকে মানব মালয়েশিয়া সোনার হরিনের আশায় পাড়ি জমিয়েছিল। এর মধ্যে অধিকাংশ যুবক বলে এলাকাবাসী জানান। স্থানীয় মানবপাচারকারী দালালরা নানা প্রলোভন দিয়ে ওদের ঝুকিপূর্ণ সাগর পথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় নিয়ে গেলেও এদের মধ্যে অনেকের হাদিস নেই বলে ঐসব এলাকার তাদের আত্নীয় স্বজনেরা অভিযোগ করেন।

অপর দিকে মালয়েশিয়ায় যারা ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় পাড়িয়ে জমিয়েছিল তাদের মধ্যে অনেকেই প্রতারণা, কর্মের অভাব ও নানা অসুখে বিসুখে ভুগছেন বলে জানা যায়। তাই তারাও সেখানে শান্তিতে নেই এবং তারা স্বদেশে ফিরে আসতে চায়। ঐসব এলাকার যুবক শূণ্যতার কারণে বিয়ের উপযুক্ত সময়ে পদার্পন করার পর পাত্রের অভাবে যুবতীরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাত্র শিকারে ব্যস্তজীবন কাটাচ্ছে। আবার অনেকেই ইয়াবা পাচার ও বিভিন্ন অসমাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছে। হাটে বাজারে, দোকানে ও যানবাহনে এদের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করার মত।

অপর দিকে মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশে অনুরূপভাবে যুবক শূন্যতার খবর পাওয়া গেছে। ইয়াবা ব্যবসার সার্থে টেকনাফ সীমান্ত এলাকার যুবকেরা মিয়ানমারের যুবতীদের বউ বানিয়ে নিয়ে আসছে এবং মিয়ানমারের যুবতীরা বাংলাদেশী যুবকদের মোটা অংকের যৌতুক দিয়ে বিয়ে করছে।

এমন তথ্য বিভিন্ন গোয়েন্দা ও মিডিয়াদের রয়েছে। এব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নিকাহ রেজিষ্টার (কাজী) মো. রাকেবুল হক এর সাথে ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি জেনেছেন এবং যুবক শূন্য এলাকায় অতীতের মত বিবাহ সম্পাদন বর্তমানে তেমন হচ্ছে না।

কি করবে টেকনাফের মেয়েরা দেখুন ভিডিওতে