যেখানে নায়ক-নায়িকারা সত্যি সত্যি সেক্স করেছে! (ভিডিও সহ)



আজকাল বিভিন্ন সিনেমাতেই যৌন উত্তেজনাকর দৃশ্য দেখানো হয়। তবে খুব কম সিনেমাই আছে যেখানে নায়ক-নায়িকারা সত্যি সত্যি সেক্স করেছেন। তবে যৌন উত্তেজক দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করার সময় কতগুলো কৌশল অবলম্বন করেন পরিচালকেরা। কৌশলগুলো সফলভাবে প্রয়োগ করার পর দর্শকরা মনে করেন- তাদেরকে দেখানো হয়েছে সেক্সের দৃশ্য কিংবা কোন নায়ক-নায়িকার গোপনাঙ্গ! পাঠকদের জন্য পরিচালকদের এ কৌশলগুলো তুলে ধরা হলো। চিত্র পরিচালকদের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কৌশল হচ্ছে বডি ডাবল ব্যবহার করা। দর্শকেরা ভেবে দেখুন- প্রায়শঃ অভিনেতা-অভিনেত্রীর মুখ না দেখিয়ে গোপনাঙ্গ ও সেক্সের দৃশ্য দেখানো হয়। ওই দৃশ্যে আসলে মূল অভিনেতা-অভিনেত্রীর বদলে অভিনয় করেন অন্য কোন পর্ণস্টার। দর্শক হয়তো ভাবেন-তিনি পামেলা এন্ডারসনের গোপনাঙ্গ দেখছেন। আসলে তার চোখের সামনে ভাসছে কোন পর্নস্টারের গোপনাঙ্গ। ‘বে ওয়াচ’ নামের একটি মুভিতে দর্শক একাধিক যৌন উত্তেজক দৃশ্যে পামেলা এন্ডারসনকে দেখেছেন। কিন্তু দর্শক আসলে পামেলা এন্ডারসনকে নয় দেখেছেন আরেক আমেরিকান সুন্দরী রেনে স্লোয়ানকে। ভারতীয় সিনেমার নানান ঝুঁকিপূর্ণ ও যৌন উত্তেজক দৃশ্যেও ব্যবহার হয় বডি ডাবল। সিনেমার পরিচালকদের আরেকটি কৌশল হচ্ছে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ত্বকের বর্ণের সাথে মিল রখে কাভার তৈরী করে তা পরিধান করা। সম্প্রতি ত্বকের বর্ণের সাথে মিলিয়ে অতিরিক্ত কাভার ব্যবহার করে ক্যামেরার সামনে হাজির হয়েছিলেন হলিউডের সারা জাগানো অভিনেত্রী ম্যাগান ফক্স। তবে সত্যিই সেক্সের দৃশ্য সম্বলিত সিনেমা উদাহরণও দেয়া সম্ভব। হলিউডের সিনেমা বিশ্লেষকেরা বলেন, এ রকম নায়ক-নায়িকাদের অভিনীত প্রকৃত সেক্সের দৃশ্য রয়েছে ব্ল্যাক সোয়ান ও লাস্ট টেঙ্গো ইন প্যারিস চলচ্চিত্রসহ অসংখ্য সিনেমায়।

যেখান থেকে মানুষের মাংস সংগ্রহ করা হয় (ভিডিও সহ)



গত পর্বে আমার দিয়েছিলাম মানুষের মাংস দিয়ে যেভাবে নামি দামি রেষ্ট্রুরেন্টে তৈরী হচ্ছে,বার্গার,শর্মা,সেনডুইস ও নানান খাবার আইটেম । এসব মানুষের মাংসের মধ্যে শিশুর মাংস জনপ্রিয়, এছাড়া বৃদ্ধ ও মহিলাদের কাছ থেকেও মানুষের মাংস সংগ্রহ করা হয়। তখন অনেকেই প্রশ্ন করেছিলো এই মানুষের মাংস কোথা থেকে কিভাবে সংগ্রহ করা হয় ? সেদিন থেকেই ইন্টারনেট ঘাটতে শুরু করি আর পেয়ে যাই আজব এক মানুষের ফার্মের সন্ধান।

মানুষ পশু পাখির মাংস খায় এটা স্বাভাবিক কিন্তু মানুষ যখন মানুষের মাংস খায় এটা কি ভাবা যায়? শুনতেই শরীর শিহরে উঠে। আর এসব মাংস সংগ্রহ করার জন্য কিছু ফার্ম গড়ে উঠেছে যেখানে মানুষদের খাঁচার ভিতর আটকে রাখা হয় এবং সময় হলে নিয়ে জবাই করে বিক্রি করা হয়। দেখুন সেই ভয়াবহ ফার্মের একটি ভিডিও। প্রাপ্তবয়স্করা ছাড়া ভিডিওটা না দেখার জন্য অনুরোধ করব।

যেখান থেকে সংগ্রহ করা হয় মানুষের মাংস :

মানুষের মাংশ দিয়ে যেভাবে তৈরী হচ্ছে,বার্গার,শর্মা,সেনডুইস (ভিডিও দেখুন)


বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফাষ্টফুড চেইনশপ “ম্যাকডোনাল্ডস” যার প্রতিষ্ঠাতা রেমন্ড ক্রক। ম্যাকডোনাল্ডসে মাত্রাতিরিক্ত ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেডে কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ মাংস সরবরাহ করার অভিযোগ অনেক আগে থেকেই রয়েছে। এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য ওকলাহোমা‘র ম্যাকডোনাল্ডস মাংসের ফ্যাক্টরির ফ্রিজে ঘোড়া ও মানুষের মাংশ পাওয়া যায়। পুলিশ দেখতে পায় ওই কারখানা থেকে ট্রাকে করে ম্যাকডোনাল্ডের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে যে মাংস সরবরাহ করা হচ্ছিল তাতেও মানুষের মাংশ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দেশটির প্রায় ৯০% রেস্টুরেন্টে মানুষের মাংশ এবং ৬৫% রেস্টুরেন্টে ঘোড়ার মাংশ পাওয়া গেছে।






বার্গার তৈরীতে যেখান থেকে মানুষের মাংস সংগ্রহ করা হয় (ভিডিও সহ)

ভিডিওটি দেখে প্লিজ কেউ কাঁদবেন না! বিরল অবুঝ ভালোবাসা [ভিডিওসহ]



ভিডিওটি দেখে প্লিজ কেউ কাঁদবেন না! কয়েক মিনিটের এই ভিডিওটি দেখেই বুঝতে পারবেন ভালোবাসা জিনিসটা আসলে কি!

স্বপ্ন নিয়ে হাসি-ঠাট্টা বা তামাশা করলে কী হয়?



ইমাম মালেক রহ. কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সকলে কি স্বপ্নের তাবীর বা ব্যাখ্যা করবে? তিনি বলেছিলেন, নবুওয়তের একটি বিষয় নিয়ে কি তামাশা করা যায়? যে ব্যক্তি সঠিক ও সুন্দরভাবে স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিতে জানবে, শুধু সে-ই ব্যাখ্যা দেবে। যদি স্বপ্নটা ভাল হয়, তাহলে বলে দেবে। আর যদি স্বপ্নটা খারাপ হয়, তাহলে ভাল ব্যাখ্যা দেবে। তা সম্ভব না হলে চুপ থাকবে। (মুসান্নাফ ইবনু আবি শাইবা)
সৌদী আরবের প্রখ্যাত আলেম, ও আল-কোরআনের তাফসীরবিদ, শায়খ আব্দুর রহমান আস সাদী রহ. বলতেন : স্বপ্নের তাবীর বা ব্যাখ্যা উলূমুশ শরইয়্যার একটি বিষয়। এটি শিক্ষা করা ও শিক্ষা দান করার কারণে আল্লাহ তাআলা সওয়াব ও প্রতিদান দেবেন।

 (তাইসীরুল কারীম আর রহমান ফী তাফসীরিল কালামিল মান্নান)
আব্দুল্লাহ শহীদ আ: রহমান
সৌজন্য : ইসলামহাউজ.কম

হাতের লেখা দিয়ে শরীরের কয়েকটি রোগ চিনুন



হাতের লেখা দিয়ে মানুষের ব্যক্তিত্বকে যথেষ্ট ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে।

এখনকার দিনে বিভিন্ন অপরাধের তদন্তে অভিযুক্তের হাতের লেখা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে বিচার করে সমাধান করা হয়। তাই এর গুরুত্ব অপরিসীম।

তবে জানেন কি হাতের লেখা দিয়ে আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নানা কথা জানা যায়? আমাদের শরীরে কোনও গোলযোগ হয়েছে কিনা তা হাতের লেখা দিয়ে বিচার করা যায়। নিচের স্লাইডে দেখে নিন, ঠিক কী কী জানা যায় হাতের লেখা দেখে।

অবসাদ : আজকের ইঁদুর দৌড়ের জীবনে ক্লান্তির পাশাপাশি হতাশা ও অবসাদও খুব তাড়াতাড়ি মানুষকে গ্রাস করে নেয়। তবে এই অবসাদের ছাপও ধরা পড়ে আক্রান্তদের লেখায়।

উচ্চ রক্তচাপ: হাতের লেখা বিচার করে কোনও মানুষের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে কিনা তা জানা যায়। কারণ এই রোগের ফলে হাতের লেখার ধরণ বদলে যায়। এতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাতের লেখা কাঁপা কাঁপা হয়।

ডিসলেক্সিয়া : শিশু এমনকী বড়দেরও ডিসলেক্সিয়ার সমস্যা রয়েছে কিনা তা বলে দেওয়া যায়। কারণ এতে আক্রান্তদের লেখার কোনও নির্দিষ্ট ধরন থাকে না। অভিভাবকেরা এসব ক্ষেত্রে শিশুদের বকা দিলে ফল হয় উল্টো। এতে আক্রান্তরা একইরকম দেখতে অক্ষর যেমন d, q, b, p-র মধ্যে মাঝেমাঝেই গুলিয়ে ফেলে।

সিসোফ্রেনিয়া : চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সিসোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য ‘অ্যান্টি সাইকোটিক ড্রাগ’ দেওয়া হয়। এর ফলে ডিসকিনেশিয়া ও পার্কিনসনের মতো অসুখ হয়। এর ফলে এতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাতের লেখায় তার প্রভাব পড়ে।

অটিজম : অটিজমের সমস্যাকেও হাতের লেখা দিয়ে চিহ্নিত করা যায়। এতে আক্রান্তদের সামাজিক যোগাযোগের ক্ষমতা অনেক কমে যায়। অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাতের লেখায় আড়ষ্টতা থাকে এবং তা ভাঙা ভাঙা হয়। কারণ মস্তিষ্ক থেকে হাতের মধ্য সঙ্কেত পৌঁছতে সমস্যা হয়।
পার্কিনসন ও অ্যালজাইমার : এই রোগে আক্রান্তদের হাতের লেখা শিশুদের মতো হয়ে যায়। পার্কিনসনে আক্রান্ত হলে হাতের লেখা ধীরে, কাঁপা অক্ষরে ও বাঁকা হয়। অন্যদিকে অ্যালজাইমারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাতের লেখায় অক্ষরের মাঝে অনেক ফাঁকা জায়গা থাকে।

গর্ভাবস্থা : এটি কোনও রোগ না হলেও হাতের লেখা দিয়ে গর্ভাবস্থা সম্পর্কে জানা সম্ভব। গর্ভে সন্তান এসেছে তা পরীক্ষা করে দেখার আগেই এই অবস্থা টের পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, a, o, p, f, g, y এইসব অক্ষর দেখে গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে সেটাও বলে দেওয়া সম্ভব।

বিখ্যাত ১৩টি মিথ্যেকথা সুন্দরী মেয়েদের মুখে !!

মেয়েরা কিছু মিথ্যা বলে স্রেফ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে অথবা পরিস্থিতি সামাল দিতে। অনেক সময় সংঘাত বা তর্ক এড়াতেও তারা এ কাজটি করে। মেয়েরা যে মিথ্যাগুলি বলে সেগুলির মধ্যে বিখ্যাত ১৩টি জেনে নিন-


১. আমি তো তোমার ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম না।
২ আমি তোমাকে পছন্দ করি কিন্তু কখন আমার মধ্যে ভালোবাসা তৈরি হবে জানি না।
৩. তোমার কোনো ভুল নেই, আমারই কোথাও ভুল হয়েছে।
৪. আমি কখনোই বুঝতে পারিনি, এটা আমার এত ভাল লাগবে।
৫. যৌনতা মজার বিষয়।
৬. হোক ছেলেটা টাকমাথার এবং দেখতে খারাপ। কিন্তু টাকা তো আছে। একটা নিশ্চিত জীবন পাওয়া যাবে।
৭. আমি সবকিছু আঁকড়ে ধরে থাকতে চাই না। ঘ্যানঘ্যানও করতে চাই না।
৮. আমি শুধু তোমাকেই চেয়েছিলাম।
৯. এখনই যদি আমি রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নেই, তবে তোমাকেই বেছে নেব।
১০. আমার মনে হয় আমাদের বিলটা শেয়ার করা উচিত। সব সময় তুমি দেবে কেন?
১১. আমি যদি তার সঙ্গে না থাকি, তবে সে আরেকজনকে ঠিকই খুঁজে নেবে।
১২. তোমার বাড়ির লোকদের সঙ্গে আমি ভালোই আছি। হাজার হোক তারা তো আমারই পরিবার।
১৩. তুমি যদি বন্ধু হতে চাও, আমার আপত্তি নেই। আমিও তাই ভাবছিলাম। কেন শুধু শুধু জটিলতা ডেকে আনা?

কুকুর টানা গাড়িতে কায়কোবাদের চমক



কুকুর নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অনেক গল্প প্রচলিত থাকলেও বাংলাদেশে কুকুর দিয়ে মালগাড়ি টানানোর কাজটি প্রথম করে দেখালেন ঠাকুরগাঁওয়ের কায়কোবাদ।
ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ভেলাতৈড় গ্রামের যুবক কায়কোবাদ কুকুর দিয়ে গাড়ি টানা এবং তা দিয়ে আয় করার এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
কায়কোবাদ দুই বছর আগে শখ করে একটি দেশী কুকুর ছানা লালন পালন শুরু করে। বয়স দেড় বছর হলে কুকুরটিকে খাসি করে দেয়। বর্তমানে বয়স ২ বছর ।
কায়কোবাদের মাথায় খেয়াল আসে কুকুর দিয়ে মালপত্র বোঝা টানানোর। তিনি কাঠ, লোহা, পুরাতন সাইকেলের চাকা দিয়ে একটি গাড়ি তৈরি করে। এতে তার ব্যয় হয় ৭ হাজার টাকা। কুকুরটিকে পোষ মানিয়ে ধীরে ধীরে এই গাড়িটি দিয়ে বোঝা টানার অভ্যাস করে। এখন কুকুরটি ৯০ কেজি ওজন বহন করে তার মনিবের বাড়ী হতে ৩ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিতে পারে । প্রতিদিন ২ বেলা যাতায়াত করে।
কুকুরটির মনিব কায়কোবাদ গাড়ীতে সাওয়ার হয়ে এই কুকুরের টানা গাড়িতে করে ভাড়ায় মানুষের মালামাল বহন করে এখন ভালো আয় করছে। এই আয় দিয়ে কুকুরের জন্য মাংসসহ অন্যান্য খাদ্য যোগাড় করে। অবশিষ্ট টাকা মালিক কায়কোবাদ তার সংসার খরচে ব্যয় করে। গাড়ি যখন উপজেলা শহরে পৌঁছে মানুষ তা বিস্ময়ে দেখে ও আনন্দ উপভোগ করে।

গরীব ও বড়লোকের ভালোবাসার পার্থক্য। সত্যি অসাধারণ একটি ভিডিও! ( ভিডিও )


গরীব ও বড়লোকের ভালোবাসার পার্থক্য। সত্যি অসাধারণ একটি ভিডিও!  গরীব ও বড়লোকের ভালোবাসার পার্থক্য। সত্যি অসাধারণ একটি ভিডিও!  গরীব ও বড়লোকের ভালোবাসার পার্থক্য। সত্যি অসাধারণ একটি ভিডিও!