বাংলাদেশের যে জেলায় অটোরিকশা চালাচ্ছেন তরুণীরা!



যমুনার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে বসতঘর। পরিবারে হাল ধরার মতো নেই কেউ। কারো বাবা নেই, কারো স্বামী নেই। আবার কারো ঘরবাড়ি নেই। তাই বলে জীবনতো আর থেমে থাকবে না। পেটের দায়ে তাই তরুণীরাও সিএনজি অটোরিকশার স্টিয়ারিং ধরতে বাধ্য হয়েছেন। বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে এমন দৃশ্য চোখে পড়বে। যেখানে তরুণীরাও সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছেন। এদের কেউ কেউ আবার অটোরিকশা চালিয়ে পড়াশোনার খরচও চালাচ্ছেন। অটোরিকশা চালিয়ে তারা এখন স্বাবলম্বী হয়েছেন।

ভাঙন কবলিত যমুনা তীর ও চরগ্রামের নারীরা এখন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছে। তারা অটোরিকশা চালানোর পাশাপাশি মোটরসাইকেল ও মোটর গাড়ি মেরামতের কাজ শিখছেন। তারা এ প্রশিক্ষণ নিয়েছে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা সদর থেকে। সারিয়াকান্দির মা ফাতেমা (রা.) নারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সরকারিভাবে এ প্রশিক্ষণ দিতে নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রথম ব্যাচের আটজন নারী চাকরিও পেয়েছেন। আর অনেকেই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সিএনজি অটোরিকশা কিনে চালাচ্ছেন।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নদী ভাঙন কবলিত এই অঞ্চলে কর্মহীন লোকের সংখ্যা কমাতে সরকারিভাবে ২০০০ সালে সারিয়াকান্দির যমুনা নদীর পাশে মা ফাতেমা (রা.) নারী প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্রে গড়ে তোলা হয়। প্রথম দিকে বিনা অর্থে সেলাই, হাতের কাজ, কুটির শিল্প ইত্যাদির প্রশিক্ষণ প্রদান করা হতো। পরে যুক্ত হয় টেইলারিং ও অ্যাম্ব্রয়ডারির কাজ। বিগত ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি বন্ধ করে দেয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ওই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মান্নানের উদ্যোগে তা পুনরায় চালু করা হয়।

এরপর ২০১৪ সাল থেকে সেখানে মেয়েদের শেখানো হচ্ছে ড্রাইভিং ও মোটরসাইকেল মেরামত কাজ। এই কেন্দ্র থেকে গত ১০ মাসে ৩ ব্যাচে ৪৭ জন প্রশিক্ষিত নারী বের হয়ে মাঠে নেমেছে। তিন মাস মেয়াদী এই কোর্সের চতুর্থ ব্যাচে আরো ২০ নারী প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। তারাও মাঠ পর্যায়ে মোটরযান চালিয়ে সফলতা দেখিয়েছে। প্রশিক্ষণে সহযোগিতা দিচ্ছে বেসরকারি সংস্থা ইউসেপ।

এক মোটা নায়িকার গল্প (ছবি ও ভিডিওসহ)

দম লগা কে হইশা’ ছবিতে অভিনয় করেছেন ভূমি পেড়নেকর। ছবিতে তাঁর চরিত্রের নাম ছিল সন্ধ্যা। তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন, ওজনটা আসলে কোনও সমস্যাই নয়।

বিশ্বের সব সুন্দর প্লাস আকার মডেল


পপির শেষ ভরসা (গোসলের ভিডিওসহ)




ক্যারিয়ারের নানা প্রতিকূলতা উতরে চলচ্চিত্রে স্বরূপে ফিরতে পারছেন না চিত্রনায়িকা পপি। জানা যায়, অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়ার কারণেই তার জন্য নায়ক খুঁজে পাচ্ছেন না পরিচালকরা। তাই সিনেমায় তাকে নায়িকা হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করতেও সাহস পাচ্ছেন না তারা। তাই পপি এখন ঘরে বসেই সময় কাটান।

এ ব্যাপারে পপির যুক্তিও আছে। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাতকারে বলেন, কেউ কিছুদিন অভিনয় না করলে সে অনিয়মিত হয়ে যায় না। আমরা হলিউডের দিকে তাকালে দেখতে পাই অ্যাঞ্জেলিনা জোলিসহ অনেক বড় তারকা আছেন, যারা অনেকদিন পরপর একটি ছবিতে অভিনয় করছেন। তাহলে কি তারা শিল্পী নন? তারা কি অনিয়মিত? আমি মনে করি, শিল্পী কখনও অনিয়মিত হন না।’

তাই বলে একেবারে হারিয়ে যাওয়াও পছন্দ করেন না পপি। মাঝে মাঝে ছোটপর্দার ডাক এলে তাই আর ফিরিয়ে দেয়া হয় না। তবু, ভক্তদের মনে অজানা আশঙ্কা। ছোটপর্দাই কি তার শেষ ভরসা?


সম্প্রতি তিনি ‘হাসনা হেনা’ শিরোনামে একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন। এ টেলিফিল্মটিতে তার সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন শাহরিয়ার শুভ। টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন সাদেক সিদ্দিকী। পপি ও শুভ ছাড়া টেলিফিল্মটিতে আরো অভিনয় করেছেন শহীদুল আলম সাচ্চু, আবু সাঈদ খান, আফজাল শরীফ, সাগর সিদ্দিকী, আন্না, শবনম পারভীন, সানি, পার্সিয়া, হীরা, আঁখিসহ আরও অনেকে।

খুব শিগগিরই বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে টেলিফিল্মটি প্রচার হবে।


এবার পুনমের উত্তেজক ‘ডু দ্য সেক্স’ ভিডিও (ভিডিওসহ)



মুম্বই:বলিউডে সদাসর্বদা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পুনম পান্ডে। সাহসী আর যৌন আবেদনময়ী ইমেজের জন্য প্রচারের আলোয় এসেছেন বারবার। এবার নিজের ফ্যানদের জন্য একটি উত্তেজক ভিডিও আপলোড করেছেন। জানা গেছে, রণবীর সিংহের কন্ডোমের বিজ্ঞাপণ এতটাই পুনমের ওপর প্রভাব ফেলেছে যে তিনি রণবীরের বিজ্ঞাপণের নামেইওই ভিডিও-র নামকরণ করেছেন। নাম ‘ডু দ্য সেক্স’।


সোনালি রঙের বিকিনি টপ আর শর্ট স্কার্ট পরে ওই ভিডিওতে নানা উত্তেজক ভঙ্গিমায় নিজেকে তুলে ধরেছেন পুনম। এই ভিডিও আপলোড করে পুনম লিখেছেন, ‘এটা আমার দারুন একটা কাজ যা খুব মজাদার। এই ভিডিও দেখুন।’


একসঙ্গে এত সাপ পৃথিবীর আর কোথাও নেই (দেখুন ভিডিওতে)


প্রকৃতির নিয়ম মেনে এপ্রিলের শেষ আর মের শুরুর দিকে যখন বরফ গলা শুরু হয়, তখন সাপেরা গর্ত ছেড়ে বেরিয়ে আসে। আর সাপের সংখ্যাটি কিন্তু এক বা দুইশো নয়, প্রায় ৭০-৮০ হাজার সাপ ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। যেদিকেই তাকাবেন শুধু সাপ আর সাপ।

বলছিলাম কানাডার ম্যানিটোবা প্রদেশের নার্সিজে এলাকার কথা। সেখানে গেলে অতি দুঃসাহসী লোকও আঁতকে উঠতে পারে। এক জায়গায় একসঙ্গে এত সাপের দেখা পৃথিবীর আর কোথাও মিলবে কি না সন্দেহ।

রেড সাইডেড গার্টার নামে বিশেষ এক জাতের সাপ এখানকার পুরো এলাকার গর্তগুলোতে কিলবিল করছে। শীতে এখানকার পাথুরে এলাকার গর্তের ভেতর সাপগুলো শীতনিদ্রায় থাকে। কোনো কোনো গর্তে তো একসঙ্গে ৩৫ হাজার সাপও দেখা যায় কখনো কখনো। গ্রীষ্মকাল সাপগুলোর প্রজননেরও মৌসুম। গ্রীষ্মের শেষে সেপ্টেম্বরের গোড়ার দিকে শীত শুরু হওয়ার সময় আবার সাপগুলো গর্তে ফিরে যাওয়া শুরু করে।

সব সময় সাপ দেখার সৌভাগ্য হয় না। যখন সাপগুলো গর্ত ছেড়ে বের হয়ে আসে, কেবল সে দু-তিন মাসজুড়েই সাপগুলো দেখা যায়। তখন রোজ তিন-চার হাজার দর্শনার্থী এসে জড়ো হয় সাপ দেখার জন্য। বাকি প্রায় আট-নয় মাস সাপগুলো শীতের হাত থেকে বাঁচতে গর্তেই ঢুকে থাকে। তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যাওয়ায় সাপগুলো মাটির অনেক ভেতরে নিজেদের জায়গা করে নেয়, যাতে বরফের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। সঙ্গে করে নিয়ে যায় ব্যাঙ আর পোকামাকড়ের বিশাল ভাণ্ডার, যাতে আরামে শীতটা পার করা যায়।

১৯৯৯ সালে ম্যানিটোবার আবহাওয়া অতিরিক্ত খারাপ হয়ে পড়ায় হাজারখানেক সাপ মারা পড়ে। এ ছাড়া প্রতিবছরই মহাসড়কে গাড়ির নিচে চাপা পড়ে প্রচুর সাপের মৃত্যু হয়। অবশ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করার পর সাপের মৃত্যুহার এখন অনেক কম। রাস্তার ধারে বড় করে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গাড়িচালকদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যেন সাপের গায়ের ওপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে না যায়। রাস্তার নিচ দিয়ে পাইপ বানিয়ে রাখা আছে, যাতে সাপেরা ওপর দিয়ে না গিয়ে পাইপ দিয়ে নিরাপদে চলতে পারে।


ভিডিও


বিয়ের আগেই গর্ভবতী হওয়া বাধ্যতামূলক যেখানে!

একটা সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি আছে। ঠিক এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায় টোটো সমাজে। সেখানে বিয়ের আগেই নারীকে গর্ববতী হতে হয়। টোটো ভারতের এক অতি ক্ষুদ্র জন গোষ্ঠী। পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার উত্তর প্রান্তে ভুটান সীমান্তে তোর্ষা নদীর ধারে টোটোপাড়া গ্রামে এঁদের বাস।


জানা যায়, সে অঞ্চলে মেয়েদের বিয়ের আগে মা হওয়াটা কিন্তু বাধ্যতামূলক। সেখানে মাতৃত্বই দেয় পছন্দের সেই পুরুষকে বিয়ের অধিকার। এটাই রেওয়াজ টোটো সমাজে। সেখানে সবমিলিয়ে ১ হাজার ৫৮৪ টোটোর বাস। এখনো নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন এই উপজাতিরা।

টোটো সমাজের কোনো মেয়েকে ছেলেটির পছন্দ হলে প্রথমে ছেলের বাবা মেয়ের বাবার বাড়িতে দু’হাঁড়ি ‘ইউ’ ও একটা লাল মুরগি নিয়ে গিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। একে বলে ‘বাগদান’ পর্ব। আগে সাত-আট বছর হলেই বাগদান পর্ব সেরে ফেলা হতো।

তারপর কয়েকবছর পর মেয়ে শ্বশুরবাড়ি চলে আসতো এবং স্বামী-স্ত্রীর মতো বসবাস করতো। মেয়ে গর্ভবতী হলেই বিয়ের পর্ব সারা হতো। অনেকসময় বাগদানের পরেই মেয়ে ছেলের বাবার সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি চলে আসে। নিজেদের পছন্দমতো বিয়ের ব্যাপারটা টোটো সমাজে অনেক আগে থেকেই প্রচলিত আছে। এই ধরনের বিয়েকে বলা হয় ‘নিয়াংকোষা’ প্রথা।

টোটো সমাজে কোন পণপ্রথা নেই। বিবাহ বিচ্ছেদ বা বিধবা বিবাহ বরাবরই স্বীকৃত। তবে এইসব বিষয়ে সমাজ কতগুলি নিয়ম বেঁধে দিয়েছে। কোনো অবস্থাতেই টোটো সমাজ ব্যাভিচারিতা সহ্য করে না। এক্ষেত্রে সমাজপতিদের শাসন বড় কড়া।