এ শুধু ভারতেই সম্ভব! (দেখুন ছবি ও ৫টি ভিডিওতে, না দেখলে চরম মিস)

শুধুমাত্র ভারতেই ঘটা সম্ভব এমন অদ্ভুত কয়েকটি বিষয় ছবি ও ভিডিওতে তুলে ধরা হল…


পিচঢালা রাস্তায় স্কেটিং: এই মেয়েটি ‘আজ কুচ তুফানি কারতে হ্যায়’ এই কথাটির সত্যিকার মর্মার্থ জানে! এমনকি সে যেকোনো ধরণের ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত আছে!


নতুন খদ্দের: এখন ভারতের গরুরাও বিউটি স্টুডিওতে গিয়ে একটু সাফ-সুতোরো হতে চায়!


গো গোলা বিক্রেতা: এই বরফগোলা বিক্রেতা বিখ্যাত হওয়ার জন্য একটু নতুন উপায়ই অবলম্বন করছেন বটে! এবার যদি সে তার দোকানের জন্য একটি ফেসবুক পেজও খুলে বসে তাতেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই!


মোটর বাইকে চড়ার কোনো বিধি-নিষেধ নেই: ভারতেই শুধুমাত্র দুই আসনের মোটর বাইক বনে যেতে পারে চার সিটের পারিবারিক পরিবহনে! এমনকি আরোহীদেরকে হেলমেটও পরতে হয় না। এক্ষেত্রে কেউই আইন মানেন না



বিশ্বের প্রথম সেক্স রোবট, নারী শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই রয়েছে তার (ভিডিওসহ)

বিশ্বের প্রথম সেক্স রোবট- রক্সি। নারী শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই রয়েছে তার। ব্রিটেনের এক ইঞ্জিনিয়ার ডগলাস হাইনস্ তৈরি করেছেন এই সেক্স রোবর্টটি। এর আগে সেক্স-পুতুল তৈরি করেছিলেন তিনি।



আপনি কি জানেন, কিছু জায়গায় স্পর্শ করে পাগল করে দেওয়া যায় মেয়েদের

মেয়েদের শরীরে এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে স্পর্শ করলে মেয়েরা অনেক বেশি ‘টার্ন অন’ হয়ে পড়ে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই ছেলেরা সেইসব অংশের দিকে নজর দেয় না। ফোরপ্লে সীমাবদ্ধ থাকে ব্রেস্ট, নিপলস আর কিসের মধ্যেই। তারপরেই ইন্টারকোর্স। ব্যাপারটা যেন একঘেয়েই। কিন্তু কিছু জায়গায় স্পর্শ করে, ভালবেসে, পাগল করে দেওয়া যায় মেয়েদের।

১. ঘাড়ের পিছন দিকে:

মেয়েদের শরীরে এটাই সবচেয়ে সেক্সুয়ালি টার্নিং অন এরিয়া। ছেলেরা কিন্তু অনেকসময় এই অংশটা এড়িয়ে যায়। কিন্তু শুধু এখানে স্পর্শ করেও একজন মহিলাকে দ্রুত উত্তেজিত সম্ভব। একজন মেয়ে যখন সামান্য টার্ন অন থাকে তখন তার পিছন দিকের চুল সরিয়ে ঘাড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন। আস্তে আস্তে কিস করুন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী পাগল হয়ে যাবে। সামান্য লিক করুন, সুড়সুড়ি দিন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন।


২. কান:

কানে হালকা স্পর্শ, চুম্বন অনেক বেশি ‘সেক্সুয়ালি অ্যাট্রাক্টেড’ করে দেয় মেয়েদের। কানের উপর আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ফেললে পাগল হয়ে পড়বে আপনার সঙ্গিনী। হালকা কামড় দিতে পারেন কানের লতিতে। লিক করতে পারেন কানের চার পাশে যে কোন জায়গায়। কিন্তু কানের ছিদ্রে নয়, এটি মেয়েদের জন্যে একটা টার্ন অফ।

৩. উরু বা থাই:

মেয়েদের দ্রুত উত্তেজিত করত তিন নম্বরটির পয়েন্টটির জুড়ি মেলা ভার। সঙ্গিনীর উরুর সফট স্পটে স্পর্শ করুন। দেখবেন সে কি করে।

৪. হাতের তালু ও পায়ের পাতা:

হাত দিয়ে প্রতি মুহূর্ত স্পর্শ করছেন, কিন্তু তার হাতেই যে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সেক্সুয়াল ফিলিংস। সঙ্গিনীর হাতের উপর নিজের আঙুলগুলি বোলাতে থাকুন, সুড়সুড়ি দিন। এটিই যেন তাঁকে পরবর্তী সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটিরই মেসেজ দেবে। দেখবেন সেও সাড়া দেবে। টার্ন অন করবে আপনার সঙ্গিনীকে।

৫. পা:

মহিলাদের দ্রুত উত্তেজিত করতে পায়ে হাত বুলিয়ে সুড়সুড়ি দিলে অনেকেই বেশ মজা পায়। তবে কিছু মেয়ের এটি পছন্দ নয়। জিজ্ঞেস করে নিন আপনার সঙ্গিনীকেই।

৬. পিঠ:

পিঠ, বিশেষ করে পিঠের নিচে, কোমরের দিকের অংশটাতে স্পর্শ ও আদর চায় মেয়েরা। মেরুদন্ড বরাবর চুমু দিতে দিতে নিচে নেমে যান। তাঁর সেক্স করার মুড আরও বাড়বেই।

৭. কলার বোন:

একটি মেয়েকে দ্রুত উত্তেজিত করতে তাঁর ব্রেস্টের দিকে যাওয়ার আগে, তার গলার নিচে, কলার বোনের দিকে নজর দিন। এতে সে বুঝবে আপনি কতটা চান আপনার সঙ্গিনীকে।

স্পর্শ করা যাবে দূরে থাকা প্রিয়জনকে! (ভিডিওসহ)


বিজ্ঞানের কল্যাণে সহজতর হয়েছে আমাদের জীবন। যোগাযোগের ক্ষেত্রে ঘটেছে অভূতপূর্ব পরিবর্তন। আগে যেখানে চিঠি ছাড়া দূরে থাকা প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেত না, সেখানে মোবাইলের আগমনের মধ্য দিয়ে সম্ভব হয়েছে সে জটিলতাকে জয় করারর। প্রযুক্তির উন্নয়নে সম্ভব হচ্ছে ভিডিও কলও। যাতে করে দেখা যাচ্ছে হাজারো মাইল দূরে থাকা প্রিয়জনকে। কিন্তু ভিডিওতে প্রিয়জনের কন্ঠস্বর শোনা গেলেও তাকে ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়।

তবে কেমন হবে যদি প্রযুক্তির কল্যাণে স্পর্শ করতে পারেন দূরে থাকার মানুষটিকে। দূরে থাকা সন্তানের মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দেয়া কিংবা বন্ধুকে জড়িয়ে ধরা যদি সম্ভব হয় তবে কেমন হবে।


শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনই এক লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে এমআইটি একটি গবেষণা দল। তৈরি করে ফেলেছে একটি মডেল। চমৎকার এই প্রজেক্টটি দেখলে ভবিষ্যতে যে প্রিয়জনকে স্পর্শ করাও সম্ভব হবে এটা মানতে দ্বিধাবোধ করবেন না কেউই।

অভিশপ্ত এক জঙ্গল, যেখানে মানুষ গেলে আর ফিরে আসে না! (ভিডিও)

 পৃথিবী এমন একটা জায়গা যেখানে রয়েছে নানা রহস্য। যে রহস্যময়তার সন্ধান আমরা মাঝে মাঝে উদ্ধার করতে পারি। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রহস্যের কোন কুল কিনারা খুঁজে পাওয়া যায় না। আর এমন কিছু রহস্যময় স্থান আছে যেগুলোর কথা জানলে ও শুনলে আমরা অবাক হই এবং এমন কিছু স্থান আছে যেগুলোর কথা শুনলে শুধু অবাকই হইনা সেগুলোর প্রতি আমাদের জানার আগ্রহ ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে।

তেমনি একটি অদ্ভুত জায়গা যেটি জাপান শহরের মাউন্ট ফুজি পাহাড়ের উত্তর পাদদেশে অবস্থিত। সুন্দর ও মনোরম পরিবেশের এই জায়গাটি সুদীর্ঘ ও বিশাল বিশাল সবুজ গাছগাছালি দ্বারা নিভৃত। এই জায়গাটির নেপথ্যের কথা জানলে অবাক হতে হয় যে এখানে মানুষ আসে শুধুমাত্র আত্ম-হত্যা করার জন্য। যদিওবা কিছু কিছু ব্যক্তি এখানে আসেন তদন্তমুলক কাজ করতে তবে বেশির ভাগের উদ্দেশ্য আত্মহত্যা।

এই রহস্যময় জঙ্গলটির নাম “Aokigahara”। এটি পৃথিবীর অন্যতম রহস্যময় স্থান, যার কারন আজ পর্যন্ত জানতে পারেননি পরিবেশবিদ ও বিজ্ঞানীরা। আওকিগাহারা একটি বন যেটি মাউন্ট ফুজির পাদদেশে এবং টোকিও শহর থেকে ১০০ মাইল পশ্চিমে অবস্থিত। স্থানীয়দের কাছে এটি “জুকাই” নামে পরিচিত। স্থানীয়দের ভাষায় জুকাই শব্দের অর্থ “গাছের সাগর”। এই বনটিতে থাকা গাছের উচ্চতা ও ঘনত্ব অনেক বেশি। এটি ভ্রমণকারীদের জনপ্রিয় মাউন্ট ফুজি পাহাড়ের দুই গুহা “বরফ গুহা ও বায়ু গুহার” নিকটেই অবস্থিত।

আওকিগাহারা সুইসাইড ফরেস্ট নামেও পরিচিত যার আয়তন ৩৫ বর্গ কিলোমিটার। এই সুবিস্তৃত বনটি কঠিন পাথর ও বরফ গুহা দ্বারা সমৃদ্ধ। এই সুবিশাল বনটির গাছগুলোর ঘনত্ব এত বেশি যে, এর মধ্যে একবার ঢুঁকলে নিশ্চিত পথ হারিয়ে ফেলবে। জানা যায় যে অনেক আগ্রহী দর্শনার্থী এর মধ্যে প্রবেশ করেছিলেন এবং তাদের পথ নির্দেশনা ঠিক রাখতে তারা প্লাস্টিক টেপ ব্যবহার করেছিলেন কিন্তু তাদেরও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের মতে এই বনের মধ্যে কেউ একবার প্রবেশ করলে তার এমন মায়ার সৃষ্টি হয় যে সে আর ফিরে আসতে পারে না। এক সময় সে তার অতীত কাহিনী পর্যালোচনা শুরু করে এবং নিষ্ঠুরভাবে নিজেকে নিজেই শেষ করে দেয়। এমনকি জাপানিরা এই জায়গাটিকে অভিশপ্ত ভাবে তাই অনেকেই এই জায়গায় আসার সাহস করে না। যার কারনেই আজও এই জায়গাটি রহস্যময় থেকে গেছে।

এমনকি আপনি যদি ভুতের গল্পের প্রতি আকৃষ্ট নাও থাকেন তারপরও এই স্থানটির একটি বিশেষ অনুভুতি আছে। Seicho Matsumoto একজন বিখ্যাত জাপানি লেখক তার ১৯৬০ সালে প্রকাশিত “KuroiJukai”উপন্যাসে লিখেন একজন যুবক প্রেমিক এখানে আত্ম-হত্যা করেন। এছাড়াও CNN-এর রিপোর্ট থেকে জানা যায়, তারু নামের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ছিলেন যিনি লোহা তৈরির কারখানায় কাজ করতেন যাকে একসময় তার কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সে প্রচণ্ড হতাশা, গ্লানি আর তার পরিবারের দায়ভার চালাতে পারবে না এই ভেবে সে চলে যায় সুইসাইড খ্যাঁত ফরেস্ট আওকিগাহারাতে। তার চিরকুট হতে পাওয়া তথ্য মতে সে বলেছিল, “আমি অদৃশ্যভাবে এখানে থাকতে চাই, আমি আমার পরিচয় হারিয়ে ফেলেছি তাই আমি এখানে”।


এই বনটি দিন দিন আত্মহত্যার জন্য একটি জনপ্রিয় জায়গা হয়ে উঠছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখানে প্রতিবছর গড়ে ১০০টিরও বেশি মৃতদেহ পাওয়া যায়। ২০০৩ সালে মোট ১০৫টি মৃতদেহ পাওয়া যায় যা ২০০২ সালের রেকর্ড ভেঙ্গে দেয়। ১৯৯৮ সালে ৭৩টি, ১৯৯৯ সালে ৬৮টি, ২০০০ সালে ৫৯টি, ২০০১ সালে ৫৯টি ও ২০০২ সালে ৭৮টি মৃতদেহ পাওয়া যায়।

সর্বশেষ সমীক্ষা থেকে জানা যায়, ২০১০ সালে মোট ২৪৭টি মৃতদেহ পাওয়া যায়, যা সর্বকালের রেকর্ড ভেঙ্গে দেয়। স্থানীয় সরকার কঠোর ভাবে এই আত্মহত্যার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে। স্থানীয় সরকার পুলিশ, সেবাকর্মী ও অবস্থানরত সাংবাদিকদের মাধ্যমে আত্মহত্যা করতে আসা লোকদের সাহায্য ও তাদের আত্মহত্যা না করতে উদ্ভুত্ত করে যাচ্ছে।

জাপানে আত্মহত্যার হার ইতিমধ্যে বিশ্বে সর্বোচ্চ যার একটি বড় কারন দেশটির চলমান অর্থনৈতিক মন্দা। দেশটিতে জানুয়ারি ২০০৯ সালে রেকর্ড পরিমান ২৬৪৫টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে যা জানুয়ারি ২০০৮ সালে ছিল ২৩০৫টি। এক বছরে আত্মহত্যার হার ১৫% বেড়ে যায়। জাপান সরকার বলেছেন যে, দেশে আত্মহত্যার পরিমান এমন ভাবে বেড়ে যাচ্ছে যা ২০১৬ সালে ২০% পর্যন্ত বাড়তে পারে।

দেশটি স্কুলে এবং কর্মস্থলে আত্মঘাতী সচেতনতা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু কর্মকর্তারা ভয় পাচ্ছেন যে এতে করে উপশুল্ক বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি হবে বেকারত্ব ও দেউলিয়ার। Toyoki Yoshida একজন আত্মহত্যা ও ক্রেডিট পরামর্শদাতা তিনি বলেন যে, “বেকারত্বই আত্মহত্যার মূল কারন”।

সমাজ ও সরকারের উচিত অতিবিলম্বে আত্মহত্যা প্রতিরোধে প্রতিবিধান স্থাপন করা। সরকারের উচিত আরও বেশি করে কর্মস্থল তৈরি করা ও যারা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত তাদের মানসিক প্রশান্তির সুব্যবস্থা করা।

সাবধান!!! দূর্বলচিত্তের কেউই ভিডিওটি দেখবেন না…

আফ্রিকার জঙ্গলে আজব প্রাণী!


সম্প্রতি আফ্রিকার জঙ্গলে হদিশ মিলল এক অদ্ভুত প্রাণীর খোঁজ! তাদের দেখতে অনেকটাই মানুষের মতোই। এমনকি রয়েছে চুল, হাত পা সবকিছুই মানুষের মতোই অনেকটা। তবে এদের লেজ রয়েছে। সম্প্রতি আফ্রিকার জঙ্গলে ক্যামেরা বন্দি হয়েছে এই প্রাণীগুলি। ছবি দেখে কার্যত বিস্মিত বিশ্ব! তবে গবেষকরা বসে নেই। তারা এসব মানব আকৃতির জীব নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিয়েছেন।

খিদের চোটে উড়ন্ত বাদুড়কে গাছের ওপর উঠে খেল অজগর (দেখুন বিরল ভিডিওটি)

এ যেন গল্পের গরু গাছে ওঠার মত ব্যাপার। খিদের চোটে একেবারে গাছে উঠে লাফ দিয়ে শিকার ধরল পাইথন। উড়ন্ত বাদুড়কে শিকার করতে বেশ কসরত করতে হল অজগরকে। প্রথমে অনেকটা নিঃশব্দে গাছে ওঠে অজগরটি।
তারপর ঝুলে থাকা বাদুড়ের সামনে যেতেই শিকার টের পেয়ে যায় শিকারির উপস্থিতি। বাদুড় উড়তে শুরু করে। তবে উড়ে যাওয়ার আগেই কিছুটা লাফ। দিয়ে শিকার ধরে ফেলে অজগর। মুখের ওপর এসে পড়ে শিকার। তারপর আর কী.. বাকিটা ইতিহাস। এত কষ্টের শিকার, একেবারে তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করে খেতে থাকল অজগর।


পুরো বিরল এই দৃশ্যটা ধরা পড়ল মিলে স্টোভেরিংয়ের ক্যামেরায়। মাত্র ২০ সেন্টিমিটার দূর থেকে এই ছবি তুললেন মিলে।

কিভাবে বানানো হচ্ছে নকল প্লাষ্টিকের চাল [ভিডিওসহ]

নকল ডিম নিয়ে হৈ চৈ তো কেবল শুরু। এই নিয়ে মানুষের মধ্যে শঙ্কা, বিভ্রান্তির ফয়সালা না হতেই এবার নতুন আতঙ্ক হয়ে এলো নকল চাল! প্লাস্টিকের তৈরি এই চালও দেখতে হুবহু আসল চালের মতোই। অভিযোগে জানা যায়, ভারতের বাজারে দেদারসে বিকোচ্ছে এই সস্তার চাল।

প্লাস্টিকের সঙ্গে আলু ও মিষ্টি আলু মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে এই নকল চাল। সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামেও যাচ্ছে এই চাল। বাংলাদেশের বাজারেও যে নেই, কে বলতে পারে! রান্না করার পর বুঝবেন, ভাতটা মনমতো হয়নি। সেই স্বাদও পাবেন না। এদিকে, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সাবধান করে জানিয়েছেন, এই প্লাস্টিকের চাল শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। নিয়মিত খেলে মৃত্যুও হতে পারে। ভিডিওতে দেখুন কিভাবে তৈরি হচ্ছে এ চাল।


ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন

বিস্ময়কর বালক! ব্যবসা শুরু ৫ বয়সে, কোম্পানির মালিক ১০ বছর বয়সে !


নিউ ইয়র্কের কনকনে ঠাণ্ডায় বাসে চড়ে রোজ স্কুল যেতে প্রবল আপত্তি ছিল করির। তার মায়ের ক্ষমতা ছিল না গাড়ি কেনার। তাই পাঁচ বছরের করি ঠিক করে, অর্থ উপার্জন করা ছাড়া গতি নেই। যেই ভাবা সেই কাজ! বাড়ির বাইরে গরম কোকো বিক্রির ছোট্ট স্টল খোলে সে। ধীরে ধীরে সেখানে মায়ের তৈরি কিছু বেক করা খাবার যোগ করে। আর এভাবেই পথচলা শুরু করে ‘মিস্টার করি’স কুকিজ’।

স্রেফ কুকি তৈরি করে ব্যবসায় সাড়া ফেলে দেওয়া। আবার নামি ব্র্যান্ডের জনপ্রিয় মডেল হিসেবে পরিচিতি। ইনস্ট্যাগ্রামে অনুরাগীর সংখ্যা এর মধ্যেই ৩৩,০০০ ছড়িয়েছে। মাত্র দশ বছর বয়সে সেলিব্রিটির তকমা অর্জন করতে সফল নিউ ইয়র্কের করি নিয়েভস।

প্রথম দিকে ইন্টারনেট ঘেঁটে কুকি তৈরির রকমসকম রপ্ত করলেও ক্রমে মাথা খাটিয়ে নিজস্ব রেসিপি উদ্ভাবন করে করি। সে জানিয়েছে, তার কুকির ৭৫ শতাংশ উপাদানই জৈবিক। সেখানে কোনো সংরক্ষক বা প্রিজারভেটিভস ব্যাবহার করা হয়না।

দু’ বছর পার হতে না হতেই ব্যবসা ফুলেফেঁপে ওঠে করি ও তার মায়ের। ২০১২ সালে মা আর ছেলে মিলে সংস্থাটির সরকারি নথিভুক্তিকরণ করায়। ততদিনে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাড়ির হেঁশেলে আর কুলিয়ে ওঠে না। তাই কুকি তৈরি করতে বাণিজ্যিক কিচেনেরব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে সেখানে প্রতি সপ্তাহ শেষে ১০০০ কুকি তৈরি করা হয়। সামনেই শীতের ছুটি। তাই বড়সড় অর্ডারের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে করি’স কুকিজ-এ। তাছাড়া সংস্থার ওয়েবসাইট মারফতও চলেছে বিপুল বিক্রি।

সম্প্রতি এক টিভি শোয়ে অংশগ্রহণ করে সংস্থার সিইও করি নিয়েভস। সে জানায়, ব্যবসা শুরুর সময় ‘মাস্টার বেকার’ হিসেবে তার মায়ের আয় ছিল ১৫ ডলার, কিন্তু বিক্রি বাড়ায় তার বেতন ১০ ডলার বাড়ানো হয়েছে। ওই টক শোয়ে এক আলোকচিত্র সংস্থার তরফে একটি কুকি জারে তাকে ১০,০০০ ডলার পুরস্কার দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, টিভি চ্যানেলটির তরফ থেকে উপহার দেওয়া হয় মিস্টার করি’স কুকিজ-এর লোগো সমৃদ্ধ ঝাঁ-চকচকে গাড়ি। অনুষ্ঠানে দর্শক আসনে উপস্থিত করির মা এই দৃশ্য দেখে আবেগে ভেসে যান।

তবে এখানেই থামতে চায় না করি। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র জানিয়েছে, স্কুলের পাঠ শেষ করে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চায়। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে সে খোঁজখবরও করেছে বলে টিভি সাক্ষাত্কাযরে জানিয়েছে। আপাতত উচ্চতর বিদ্যার্জনের জন্য সে অর্থ সঞ্চয় করছে বলে জানা গিয়েছে।

  
শুধু ব্যবসাই নয়, ইনস্ট্যাগ্রাম পেজে করির পোশাক-আশাক নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত ভক্তরা। অনেকেই তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কে এইসব বেছে দেন। জবাবে করির মা জানিয়েছেন, ফ্যাশনের প্রতি ছোট থেকেই ঝোঁক করির। ব্যবসা বাড়ার পর নিজের শখ মেটাতে সে সদাই উদগ্রীব। এ ব্যাপারে করির বক্তব্য, ‘আমার ফ্যাশনদুরস্ত ভাবমূর্তি কুকি বেচতে সাহায্য করে। তাই সাজগোজ করলে ক্ষতি কি?’

করির ফ্যাশন সেন্স দেখে অনুপ্রাণিত বিশ্ববিখ্যাত পোশাক ব্র্যান্ডগুলিও। ইতিমধ্যে টমি হিলফিগার ও র্যা ল্ফ ল্যরেন-এর মতো নামী ব্র্যান্ড তাকে মডেল করে শ্যুট করেছে। এছাড়া টিভি কমার্শিয়ালে অভিনয় করেও নাম করেছে কুকি কোম্পানির খুদে কর্তা।

স্বামীর বয়স ৩৫, স্ত্রীর মাত্র ৬!


ছয় বছরের শিশু। এ বয়সে ভালো করে কলমই ধরতে পারে না- বড় একটি সংসারের হাল ধরবে কীভাবে? বাল্যবিবাহ আর কুসংস্কারের জাঁতাকলে ওই বয়সের এক শিশুর গলায় উঠল বিয়ের মাল্য, হাতে পড়ল ভারী চাবির গোছা। আশ্চর্যের বিষয়, বরের বয়স তার বাবার সমান, ৩৫ বছর।

অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ভারতের রাজস্থানের। গত ২৩ জুন চিতোরগড়ের গাংরা গ্রামের এক মন্দিরে গোপনে রতন লাল জাঠের (৩৫) সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় শিশুটিকে।

  
রতন লাল গাংরা গ্রাম কাউন্সিলের নির্বাচিত একজন সদস্য। এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে রতন লালের সম্পর্ক ছিল। তাই বিয়েতে ‘নাটা প্রথা’ (একজন পুরুষ বিবাহিত কোনো নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারবেন যত দিন তিনি তার ভরণপোষণ দেন) সম্পন্ন করা হয়।

অবিবাহিত রতন লাল গোপনে সব রীতি-নীতি মেনে বিবাহের পিঁড়িতে বসেন। তিনিও কনের পরিবারের কাছ থেকে বিরাট অঙ্কের যৌতুক নিয়েছেন বলে খবরে বলা হয়েছে। যদিও শিশুটির পরিবারের যৌতুকের অর্থের পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি।

তবে শেষরক্ষা হয়নি। পুলিশ ঠিকই খবর পেয়ে আটক করে রতন লালকে। সেই সঙ্গে নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। সদর মহকুমা শাসকের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে দ্রুত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিটিকে।

গাংরার পুলিশ পরিদর্শক জ্ঞানেন্দ্র সিং বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে বিয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়লে ঘটনা তদন্তে একটি দল পাঠানো হয়। পরে সত্যতা নিশ্চিত হলে রতন লালকে ‘বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন-২০০৬’ এর অধীনে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান, বয়স বেড়ে যাওয়ায় পাত্রী খুঁজে পাচ্ছিলেন না রতন লাল। তাই নিজের সম্প্রদায়ের মধ্যেই ওই মেয়েটিকে বিয়ে করেছেন বলে জেরার মুখে তিনি স্বীকার করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়, রাজস্থানের এই সম্প্রদায়ের মধ্যে এ ধরনের বিয়ের রেওয়াজ আছে। তাই প্রতিবেশীরাও বিয়ে বন্ধের চেষ্টা করেনি।

রাজস্থানের পুলিশ জানায়, বিয়েতে দালালি করেন ৫১ বছরের জামুনি ভাই। এ জন্য তিনি প্রায় তিন হাজার টাকা ঘুষ নেন। তাকে খুঁজছে পুলিশ। শুধু এ বিয়েই নয়, গাংরায় এমন আরো বাল্যবিবাহের ঘটকালিও তিনি করে থাকেন।

তথ্যসূত্র : মিরর।

লম্বায় ৬৩ ফুটের চেয়েও বেশি অকল্পণীয় অজগড় !



জার্মানির এক সাপঘরে এল নতুন অতিথি। অতিথিকে নিয়ে এখন মহাব্যস্ত সাপ ঘরের কর্মীরা। ব্যস্ততা থাকবে নাই বা কেন! আসলে নতুন অতিথি ঘরের বাকি সদস্যদের থেকে অনেকটাই আলাদা। ওর ওজন ১৩৭০ কেজি, আর লম্বায় ৬৩ ফুটের চেয়েও বেশি।

সেই পাইথনের নাম বেরতা। বেরতা মহিলা পাইথন। ওর দেখাশোনার জন্য লাগে ৬টা লোক। শুধু স্থান পরিবর্তনের জন্যই লেগেছে গোটা বারো মানুষ। ওর মাথাটা এইখানে শুরু, তো লেজটা শেষ ওইখানে।

এই সাপঘরের এক আধিকারিক বলছেন, তাদের নতুন অতিথিকে প্রথমে ঘরে ঢোকাতেই এত কসরত করতে হলো সবাইকে যে, সবাই একদিন করে ছুটি চাচ্ছে।

  
৬৩ ফুটের পাইথনকে দেখতে লম্বা লাইন পড়ে গেছে সাপঘরের সামনে।ওর খাঁচার সামনে বড়বড় করে লেখা হয়েছে সাবধান । ওর খিদে নাকি মারাত্মক। তাই ভুলে কেউ লক্ষ্ণণরেখা পার করলেই বিপদ।

দাড়ি গোঁফ নিয়ে ভালোই আছেন তরুণী!

দাড়ি আছে, গোঁফ আছে৷ কিন্তু, তাই দেখে কেউ তাঁকে পুরুষ ভাবলে ভুল করবেন৷ কারণ আসলে তিনি একজন মহিলা৷ অবশ্য, বাস্থব জিবনের  মতো এ সাজানো দাড়ি, গোঁফ নয়৷ রিয়েল লাইফেই তাঁর মুখে এর উজ্জ্বল উপস্থিতি৷ ব্রিটেনের বার্কসায়ারের স্লাঘের বাসিন্দা হারনাম কাউর৷ শারীরিক অসুস্থতার কারণেই তাঁর মুখে গজিয়েছে এই দাড়ি গোঁফ৷

সে যখন কিশোরী সেই সময়ই মুখ থেকে দাড়ি গোঁফ নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করেছিল হারনাম৷ কিন্তু, পরে ধর্মীয় কারণে তা আর কাটা হয়ে ওঠেনি তাঁর৷ তবে, এই পুরুষালি রূপ নিয়ে একটুও লজ্জিত নন তিনি৷ বরং সাজতে ভালোবাসেন হারনাম৷ এই রূপ নিয়েই সমাজের বিপরীত স্রোতে গা ভাসিয়েছেন ২৪ বছরের এই তরুণী৷

হারানো পুরুষাঙ্গ ফিরে পেলেন যুবক (ভিডিওসহ)



সফলভাবে প্রথমবারের মতো সম্ভব হয়েছে পুরুষাঙ্গের প্রতিস্থাপন। দক্ষিণ আফ্রিকার ২১ বছর বয়সী এক যুবকের পুরুষাঙ্গ স্থানান্তরনের এই অস্ত্রপচারে ডাক্তারদের সময় লেগেছে ৯ ঘন্টা।


৩ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় পুরুষাঙ্গ হারান ওই যুবক। তবে এখন ওই যুবক পুরুষাঙ্গ হারানোর আগের মতই সুস্থ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। নাম প্রকাশ না করা ওই যুবকের জন্য পুরুষাঙ্গের একজন দাতা খুঁজে পাওয়া ছিল চিকিৎসকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে শেষ পর্যন্ত একজন মারাত্মক অসুস্থ ব্যক্তি তার সহায়তায় এগিয়ে আসেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

অস্ত্রপচারে অংশগ্রহণ করা ডাক্তার অধ্যাপক ফ্রান্ক গ্রাইউই বলেন, এটা আমাদের জন্য খুব বড় একটি অর্জন। আমরা প্রমাণ করেছি এটা সম্ভব। আমরা তার শরীরে এমন একটি অঙ্গ প্রতিস্থাপন করেছি যা ঠিক আগের মতই কর্মক্ষম। বিশ্বের প্রথম সফল পুরুষাঙ্গ স্থানন্তরনের অস্ত্রপচারে থাকতে পারা আমাদের জন্য একটি বিরাট সুযোগ ছিল।

গত ডিসেম্বরের ৯ তারিখ দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনের স্টেলেনবোসচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তাররা এই অপারেশন সম্পন্ন করলেও বিষয়টি এতদিন গোপন রেখেছিলেন। অপারেশন সম্পূর্ণ সফল হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়ার পরই অপারেশনের ব্যাপারে মুখ খুললেন তারা।

অপারেশনের মূল দায়িত্বে থাকা ডাক্তার এন্ড্রি ভ্যান মারউই বলেন, পুরুষাঙ্গ হারানো এই বয়সী যুবকের জন্য খুবই কষ্টকর একটি ঘটনা এবং আমরা তার সফল অস্ত্রপচার করতে পেরে খুবই আনন্দিত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে তৈরি তরুণীর অশ্লীল ভিডিও ফাঁস! (ভিডিওসহ)


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী হলের এক শিক্ষাথীর চিকনি চামেলা গানের সাথে যেভাবে নেছেছেন, তাতে কারো কারো ভালো লাগলেও, অনেকের মতে একজন ছাত্রী এভাবে এভাবে বুক দুলিয়ে, এতো খোলামেলা হয়ে কাজটি ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন।


তবে ভিডিওটি ছিল ঐ ছাত্রীর ব্যাক্তিগত মোবাইলে রেকর্ড করা। কে বা কাহারা এইট অনলাইনে ফাঁস করে দেয়।
ঢাবি ছাত্রীর ফাঁস করা ভিডিওটি দেখতে পারেন এখানে।

ভিডিও দেখতে নিচে ক্লিক করুন

ছাত্র হয়েও মহিলা কলেজে ভর্তির সুযোগ পেল !


ছাত্র হয়েও মহিলা কলেজে ভর্তির সুযোগ পেল !

শান্তিনগরের রাজ্বি ঢাকা শহরের পাঁচ কলেজের নামে আবেদন করলেও পেয়েছেন একেবারে ভিন্ন কলেজ যার নাম তিনি পছন্দের তালিকায় দেননি। তিনি বলেন, জিপিএ ফাইভ পেয়েছি, অভিভাবকের পরামর্শে কলেজ বাছাই করেছিলাম কিন্তু রেজাল্ট দেখে খুবই অবাক । এখন শিক্ষাবোর্ডে গিয়ে খোঁজখবর নিব তারও সময় কম। রাজ্বির বাবা একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করেন। তিনি বলেন, আমাদের যদি এ ধরনের হেনস্তায় পড়তে হয় তাহলে এ পদ্ধতির পক্ষে থাকব কী করে। আমার ছেলে পরীক্ষা দিয়ে তার পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারত সে ভরসা আমার আছে।


কুমিল্লার কান্দিরপার এলাকার রিয়াজ ফলাফল দেখতে গিয়ে জানতে পারেন তার পছন্দের কোনও কলেজতো কপালে জোটেইনি বরং তার আবেদনের পাঁচটি কলেজের মধ্যে একটি মহিলা কলেজ । ঠাকুরগাঁ থেকে এসএসসি পাস করা ফয়সাল ও রিপনের পয়েন্ট যথাক্রমে ৪.৮৯ ও ৪.৫৬। দুজনেই একই পছন্দের পাঁচটি কলেজের তালিকায় আবেদন করেছিল। ফলাফলে দেখা গেছে, যে কম পয়েন্ট পেয়েছে সেই রিপন ঢাকার মাইলস্টোনে চান্স পেলেও তারচেয়ে বেশি নম্বর পাওয়া ফয়সাল কোথাও চান্স পায়নি!

সরকারের সিদ্ধান্তে অনলাইন ও এসএমএসের মধ্যে কলেজে ভর্তির ঘোষণা এলেও এসএসসি পাস করা প্রায় এক লাখ ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী আবেদনই করতে পারেনি। নির্ধারিত ১৬ দিনে অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেছে প্রায় ১১ লাখ ৪৯ হাজার শিক্ষার্থী। এদের মধ্য থেকে মনোনীত হয়েছেন ১০ লাখ ৯৩ হাজার ৩৭৪ শিক্ষার্থী।

বহু শিক্ষার্থীর কলেজে ভর্তির সুযোগ না পাওয়া এবং আবেদনকৃতদের এসব হয়রানি প্রশ্নে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, এই শিক্ষার্থীরা কেন আবেদন করেনি বা করতে পারেনি তা খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। চিন্তার কিছু নাই। তবে কোনওভাবেই আশ্বস্ত হতে পারছেন না অভিভাবকরা।

অনলাইনে শিক্ষার্থীর আবেদনের পাঁচটি পছন্দক্রম থেকে একটি কলেজ নির্ধারণ করা হবে; যেখানে শিক্ষার্থীকে ভর্তি হতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য এবার দুটি পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়েছে। কলেজগুলোয় নির্দিষ্ট কোটা নির্ধারণ আর অনলাইনে একসঙ্গে পাঁচটি কলেজে ভর্তির আবেদন করার সুযোগ। পদ্ধতিগত কিছু দিক পুনর্বিবেচনায় না নিলে শিক্ষর্থীদের ভুগতে হবে বলে শঙ্কা অভিভাবকদের।

তারা বলছেন, ফরমপূরণের সময় থেকে শুরু করে রেজাল্ট পাওয়া এবং কোন কলেজে সে পড়বে পুরো প্রক্রিয়ায় একটা বিশাল সমস্যা হয়েছে। একদিকে নতুন এই পদ্ধতি নিয়ে নানা প্রতারণা করছে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আরেক দিকে অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

যশোরের নিয়ন পাঁচটি কলেজের তালিকা দিয়েছিলেন সেখানে গাজীপুরের কোনও কলেজের নাম দেওয়া না থাকলেও তার পছন্দের তালিকায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে গাজীপুরে কলেজ। যশোর থেকে গাজীপুরে এসে পড়ালেখা করার মতো যথেষ্ট মানসিক প্রস্তুতি না থাকায় অন্য চারটিতে সুযোগ কীভাবে করে নেওয়া যায় সেদিকে দৌড়াচ্ছেন অভিভাবক। আরেক অভিভাবক নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণ করতে পারেননি বলে ছেলেকে নিয়ে কী করবেন তা ভাবছেন আর বোর্ডে ঘুরছেন যদি কোনও সুরাহা হয়। শাহীনুর রহমান এ বিষয়ে একটু বিরক্তি নিয়েই বলেন, আমার ছেলেটার সঙ্গে এমন হলো! যে পদ্ধতিতে আবেদন করার কথা সেটা কোনওভাবেই হলো না। আমি তখন থেকেই চেষ্টা করছি যদি কোনওভাবে বিষয়টা বুঝানো যায়। তিনি আরও বলেন, আমার ভাইয়ের ছেলে যে কলেজে চান্স পেয়েছে তার সেখানে পড়ানোর মতো সামর্থ নাই। আপনিই বলেন, সব কলেজ সমান সুযোগ এবং সমান অর্থে পড়ার সুযোগ আছে কি সবার? তবে এই পদ্ধতি পরীক্ষামূলক করে পরে তা ব্যাপক আকারে নিতে পারতো। তিনি এও বলেন, আমার মনে হয় শক্ত মনিটরিং না থাকলে এটা সম্ভব না। দিন দিন হেনস্তা বাড়বে।

নতুন পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের কষ্ট, সময় ও শিক্ষাবাণিজ্য থামানো সম্ভব হলেও বিপত্তি ঘটেছে অন্যখানে। বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কে কোন কলেজে ভর্তি হওয়ার উপযোগী- সেটার কোনও মনিটরিং নেই। ফলে এমন অনেক কলেজ আছে, যেগুলো প্রতিষ্ঠান হিসেবে কেবল যাত্রা শুরু করেছে, অবকাঠামো নেই, নেই দক্ষ শিক্ষকও। তাদের ক্ষেত্রে যত শিক্ষার্থী ভর্তি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, ঠিক একইভাবে সমপরিমাণ শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি দেওয়া হয়েছে পুরনো, দক্ষ শিক্ষক আছে এমন কলেজকেও। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নতুন অনুমোদন পাওয়া কলেজগুলোসহ আরও কিছু কলেজ জোর করে অথবা শিক্ষার্থীদের না জানিয়ে তাদের কলেজকে একমাত্র পছন্দের কলেজ বা প্রথম পছন্দ দিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করছে। এতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা চাইলেও ভাল কলেজ পাননি এবং তারা প্রক্রিয়াটিও বোঝেননি।

এ পদ্ধতিতে কী পরিমাণ ভুগতে হয়েছে তা বোঝা যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যে অভিযোগ বাক্স খোলা হয়েছে সেগুলো দেখে। শুরু থেকে এ বাক্সে ১০ লাখের কাছাকাছি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।

জিপিএ ৫ পাওয়া এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, অনলাইনে আবেদন করতে গিয়ে তিনি পছন্দক্রমে ভুলবশত ঢাকা কলেজের পরিবর্তে অন্য একটি কলেজের নাম নির্ধারণ করেন। কিন্তু পরে এই ক্রম পরিবর্তনে বার বার চেষ্টা করলেও তিনি পারেননি। একইভাবে অনলাইনে আবেদন শেষ করে টেলিটকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধে, মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে আবেদন, কলেজ নির্ধারণেও নানা সমস্যায় পড়ছেন শিক্ষার্থীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড কর্মকর্তা বলেন, যেসব কলেজে ৫০০ আসন রয়েছে, তাদের বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোটাই দরকার ছিলো। আর বাকিদের নিজেদের মতো করে ভর্তি করানোর সুযোগ দেওয়া যেতে পারতো। তাহলে এতো এলোমেলো হতো না।

শিক্ষা সচিবের স্বাক্ষরে ১ জুন ভর্তি নীতিমালা জারি করা হয়। ওই নীতিমালার ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়, যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম ৩০০ জন শিক্ষার্থী আছে, সেসব প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে অনলাইন বা টেলিটক মোবাইল এসএসএমের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের কম শিক্ষার্থী আছে সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও অনলাইনে ভর্তির কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারবে। গত ২ জুন পুনরায় ভর্তি নীতিমালা জারি করা হয়, যাতে একই অনুচ্ছেদে বলা হয়- ‘শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে অথবা টেলিটকে মোবাইল এসএমএমের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।’ পরে আইনি সহায়তা নিয়ে নটরডেম, হলিক্রস ও সেন্ট জোসেফ কলেজ এই পদ্ধতি থেকে বের হয়ে আসে। বাংলা ট্রিবিউন

ছাত্রীদের দেখে পুরুষ শিক্ষকদের মন ঘুরে যাচ্ছে অন্যদিকে, তাই স্কুলে নিষিদ্ধ স্কার্ট!



ছাত্রদের মন ঘুরে যাচ্ছে অন্যদিকে। পড়াতে পারছেন না শিক্ষকরাও। তাই স্কুলে ছাত্রীদের স্কার্ট পরা বন্ধ। ব্রিটেনের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডের একটি স্কুলে এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধান শিক্ষিকা। তিনি জানিয়েছেন, ছাত্রীরা এতটাই উন্মুক্ত অবস্থায় স্কুলে আসছিল, যে তিনি বিরক্ত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এখন থেকে ছাত্রীদের ট্রাউজার পরতে হবে। শিক্ষিকা জানিয়েছেন, ‘ছাত্রীরা যত বড় হয় তাদের স্কার্ট ততই ছোট হয়। স্কার্টে পা প্রায় ঢাকা পড়ে না বললেই চলে।’ এটা উচিৎ নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। কিছু ছাত্রীকে নতুন স্কার্ট কিনে পরে আসতে বলা হয়েছে।


শিক্ষিকা ব্লেঙ্কো আরও বলেছেন, ছাত্রীরা ওই স্কার্ট পরে সিড়ি দিয়ে ওঠানামা করে কিংবা ক্লাসে বসে থাকে। তখন শিক্ষক ও স্কুলের পুরুষকর্মীদের মধ্যে অন্যমনস্কতা দেখা দিচ্ছে, যা কখনই কাম্য নয়। এই স্কুল শুধুমাত্র পড়াশোনার উন্নয়নেই জোর দিতে চায় বলে দাবি ওই শিক্ষিকার। তাই এই সিদ্ধান্ত।

পুরো দেশী মেয়েদের ছবি

Young Generation..কে বলছি, আপনার বউটা কি এদের মত হোলে ভালো হবে ????? কমেন্ট করে জানান  এমন পুরো দেশী মেয়েদের ছবি আগে আগে দেখতে এই পেজ এ ...লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন ...ভালোবাসার জগৎ

পুরো দেশী মেয়েদের ছবি
পুরো দেশী মেয়েদের ছবি ১

পুরো দেশী মেয়েদের ছবি ২

পুরো দেশী মেয়েদের ছবি
পুরো দেশী মেয়েদের ছবি ৩

পুরো দেশী মেয়েদের ছবি ৪

পুরো দেশী মেয়েদের ছবি ৫

পুরো দেশী মেয়েদের ছবি
পুরো দেশী মেয়েদের ছবি ৬

নারী খেকো দুর্গ!



‘সুন্দর’ কখনও ‘ভয়ংকর’ হতে পারে? পারে, আলবত পারে। ভারতের কজলিগড়ের দুর্গে গেলে, টের পাবেন হাড়েহাড়ে।

কেন যাবেন? সে তো যাবেনই। অমোঘ হাতছানি। আপনি না গেলেও অন্য কেউ যাবে। যেমন যায় রোজ, কত কত লোক। বন্ধুরা মিলে দল বেঁধে, বান্ধবীকে নিয়ে বা পরিবারকে নিয়ে পিকনিকের মেজাজে।

এই পিকনিক স্পটের হাতছানি আপনি উপেক্ষা করতে পারবেন না। চারদিকে ঘন সবুজের জঙ্গল। পাহাড়ি এলাকার চড়াই-উতরাই। তার মধ্যেই কেল্লাটা রয়ে গিয়েছে, সময়ের সাক্ষী হয়ে। জীর্ণ হয়ে আসা শরীরই বলে দেয় বয়স হয়েছে। তবু, এ বয়সেও সেই কেল্লার আকর্ষণ উপেক্ষা করা যায় না। তাই, আসে লোকে পিকনিক করতে।

ইন্দোর থেকে কিছুটা ভিতরে। ইন্দোর-খড়বা রোড ধরে প্রায় আড়াই কিলোমিটার। পাহাড়ের আঁকে-বাঁকে ঘুরে কজলিগড়। পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, এই পিকনিক স্পটে গত দু-বছরে ৪৫টা নারী খেকো দুর্গ!

গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে গিয়েছে। প্রতি মাসে দুটো ধর্ষণের ঘটনা তো ঘটেই। তাই, বুঝতেই পারছেন, মেয়েদের জন্য মোটেও নিরাপদ নয় এই কজলিগড়। জঙ্গলে, পাহাড়িপথের আড়ালে বিপদ যেন ওঁত পেতে থাকে। লোক পিকনিক করতে এলেও, এমনই নিরিবিলি সে জায়গা, কাউকে টেনে নিয়ে গেলেও বোঝার উপায় নেই।

এত ধর্ষণ, যৌননিগ্রহের ঘটনা ঘটে, তবু হেলদোল নেই সরকারের। সরকারেরই যেখানে মাথাব্যথা নেই, সেখানে পুলিশ-প্রশাসনেরও যে এ নিয়ে মাথাব্যথা থাকবে না, তা না বললেও চলে। তেমনই উদাসীন বনদফতরও। তাই, পুলিশের দেখা মেলে না কখনও। এতগুলো ধর্ষণের পরেও। তাই, সুন্দর এই পিকনিক স্পট হয়ে উঠেছে ভয়ংকর।


এর মধ্যে এলাকার মানুষের চাপে পড়েই হয়তো বা তত্‍‌পর হয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি ছ-জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য সঙ্ঘবদ্ধ একটা চক্র রয়েছে এর পিছনে। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে।

বিড়াল পেল স্টেশন মাস্টার হিসেবে নিয়োগ !

মানুষ মারা গেলে তার নামাজে জানাজা কিংবা শেষকৃত্যানুষ্ঠান পালন করা হয়। কিন্তু পশু-পাখিদের জানাজা বা শেষকৃত্যানুষ্ঠান পালন করা হয় তা জানা না গেলেও এবার ঘটেছে তাই।

বিড়ালটির বেলায় এমনটাই করে দেখালেন জাপানিরা। গত ২২ জুন বিড়ালটি মারা যাওয়ার পর শিন্তো ধর্মের অনুসরণে বিড়ালটির শেষকৃত্যানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। রেল কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দসহ হাজারো ভক্ত বিড়ালটির শেষকৃত্যানুষ্ঠানে অংশ নেন। চির-বিদায়ের অনুষ্ঠানে বিড়ালটিকে দেয়া হয় ‘দেবী’র মর্যাদা। টামার মৃত্যুর পর স্টেশন মাস্টার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় ‘নিতিমা’কে।

জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে ‘স্টেশন মাস্টার’ খ্যাত বিড়ালের শেষকৃত্যানুষ্ঠান পালন করা হয় বেশ আড়ম্বরপূর্ণভাবে।

দীর্ঘ ৮ বছর ধরেই বেশ সুনামের সাথেই জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের একটি লোকাল রেলওয়েতে স্টেশন মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল ‘টামা নামের এই বিড়ালটি।

মূলত টিকিট গেটের কাছে যাত্রীদের অভিবাদন জানানো এবং স্টেশন থেকে বের হয়ে যাওয়া যাত্রীদের বিদায় জানানোর কাজ করতো টামা।

আন্তরিক ব্যবহারের মাধ্যমে খুব দ্রুতই পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রীতিমতো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল বিড়ালটি। গত ২২শে জুন ১৬ বছর বয়সে হৃদরোগে মারা যায় বিড়ালটি।

২০০৭ সাল থেকে কিসি স্টেশনে স্টেশন মাস্টারের দায়িত্ব পালন করে আসছিল টামা। স্টেশন মাস্টারের কাজ করে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল টামা


রেলওয়ের কর্মকর্তাদের মতে, রেল কোম্পানি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে তার খুব ভালো অবদান রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে টামা’র প্রতি সম্মান জানানোর জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছিল গতকাল রোববার।

টামা’র শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিল রেলওয়ের কর্মকর্তাসহ হাজার হাজার মানুষ। টামা’র স্মরণে স্থাপন করা বেদীতে ফুল দিয়ে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান তারা।

রেল বিভাগের প্রেসিডেন্ট মিতসুনোবু কোজিমা বলেন, বিড়ালটির অর্জন এবং অবদানের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। আগামী মাসেই কাছাকাছি একটি বিড়াল মঠে রাখার ব্যবস্থা করা হবে টামার মৃতদেহ।

টামার জায়গায় স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ‘নিতিমা’ নামের অন্য একটি বিড়ালকে। এই নিতিমাকে শিক্ষানবিশ স্টেশন মাস্টার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

নরপশু পিতা নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করেছে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে: বিবিসি


আফগানিস্তানের আদালতে এক ঐতিহাসিক রায় হয়ে গেলো। ডিএনএ টেস্টে এক পিতার অপরাধ প্রমাণিত হলো। মিডিয়ার কল্যাণে আরেক নরপশুকে দেখলো বিশ্ববাসী। ওই লোকটি তার মেয়েকে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ধর্ষণ করেছেন। কোলজুড়ে দুটো সন্তানও এসেছে তার। এতদিন পর ঘটনাটি প্রকাশ পেয়ে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।

অন্যান্য দেশের মতো আফগানিস্তানেও নারীর প্রতি সহিংসতা এবং যৌন নিপীড়ন অপরাধ। তবে সেখানে এ ঘটনায় অপরাধীকে ‘নৈতিকভাবে অপরাধী’ হিসেবে জেল দেওয়া হয়।

মেয়েটির বয়স এখনো বিশের কোঠা পেরোয়নি। গত বছর বাবার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ জানালে বিচারক ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দেন। মেয়েটির অভিযোগের শুনানিতে স্তব্ধ হয়ে পড়ে বিচারালয়। একে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ঘটনার বিচার বলে মন্তব্য করেছেন বিচারক। ধর্ষণের কারণে গর্ভবতী হয়েছেন তিনি। পিতা ও কন্যার নাম প্রকাশ করা হয়নি।

চোখের পানি মুছতে মুছতে মেয়েটি বলেন, ‘কোলের বাচ্চাটি আমার মেয়ে এবং আমার বাবারও মেয়ে। আমাকে আমার বাবা ধর্ষণ করেছেন। মেয়েটি তারই ফসল। আমি ওর মা এবং একই সাথে ওর বোন’।

আফগান কোর্টে গত গ্রীষ্মে এই হতভাগা তরুণী তার বাবার যৌন নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন। বাবা বিদেশে ছিলেন ৮ বছর। একদিন বাড়ি ফেরেন। তখন মেয়েটির বয়স ১২ বছর। আর তখন থেকেই পিতার লালসার শিকার হন।

‘বাবা ফিরে আসাতে আমি আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাই’, বলতে থাকেন মেয়েটি। ‘আমার চাচা বা মামা তার মেয়েকে যেমন আগলে রাখতেন, আদর করতেন, আমি ভেবেছিলাম বাবাও আমাকে বুকে আগলে রাখবেন। কিন্তু বাবা প্রথমে এমন কিছু করলেন যে আমি হতবিহ্বল হয়ে পড়ি’।
‘পরে এ অস্বস্তির কথা আমি দাদিকে বললেও তিনি আমাকে বকাঝকা করেন’, জানান তিনি। ‘কিন্তু এক রাতে বাবা আমাকে ধর্ষণ করলেন। ওই দিন ভয়ে আমি সারা রাত রুমের এক কোণায় পড়ে রইলাম’।

প্রথমবারের মতো গর্ভবতী হলে ওই নরপশু মেয়েকে অন্য প্রদেশে নিয়ে যান। সেখানেই জন্ম নেয় প্রথম সন্তান। শিশুটিকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায় লোকটি। ‘ওই সন্তানের দেখা আজও পাইনি’, বলেন হতভাগা মেয়েটি।

এভাবে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেন পাষণ্ড বাবা। এর মধ্যে বেশ কয়েকবার মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং প্রতিবারই গর্ভপাত ঘটানো হয়। নিরাপত্তার জন্যে তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলও খাওয়াতেন বাবা।

আদালতে অভিযোগ ওঠামাত্র সব অস্বীকার করে লোকটি। বরং মেয়ের নামে উল্টো অভিযোগ তোলেন। বলেন, মেয়েটি চরিত্রহীন এবং নানা মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু অবশেষে ডিএনএ টেস্টে সত্য প্রমাণিত হলো। পিতা, মেয়ে এবং শিশুর রক্ত ও স্যালিভা সংগ্রহ করে তা পাঠানো হয় আমেরিকায়। ফলাফলে যদি মেয়েটির অভিযোগ প্রমাণিত না হতো, তবে আইন অনুযায়ী মেয়েটির বিচার হতো। এসব জানালেন মেয়েটির আইনজীবী রুহুলা।

সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে মেয়েটির চিন্তার শেষ নেই। তার মনে একটিই প্রশ্ন, ‘বড় হলে ওরা যখন ওদের বাবার পরিচয় জানতে চাইবে, তখন আমি কি বলবো?’

আফগানিস্তানে এর আগে কখনো কোনো বিচারকার্যে ডিএনএ টেস্ট করার প্রয়োজন পড়েনি। তাই এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ কেস বলে মত দিয়েছেন অনেকে।


পিতার বিরুদ্ধে মেয়ের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। পাষণ্ড বাবার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।
সূত্র : বিবিসি