বাংলাদেশে সুন্দরী প্রতিযোগিতা ও বিকৃত সুধা! (মঞ্চেই বিকিনি খুলে যাওয়ার ভিডিওসহ)


নিচে দুটি ভিডিও দেওয়া আছে মিস করবেন না। ভিডিও দেখতে লেখা ও বিজ্ঞাপনের শেষে ভিডিও লিংকে ক্লিক করুন
Neelgiree : সুন্দরী প্রতিযোগিতা নিয়ে কালচারাল রিপোর্টারদের কম বেশি অভিজ্ঞতা আছে। খসে পড়া জড়তার আব্রু থেকে কীভাবে একেকটা মেয়ে জীবনকে ‘খ্যাতি’র মোহের কাছে তুচ্ছ করে তা তারা জানেন। কিন্তু কর্পোরেট বাণিজ্যের কারণে সেটি কেউ বলতে বা লিখতে পারেন না। ইউনিলিভারের কোটি টাকার বিজ্ঞাপনের লোভ সবারই আছে।

মুখোশের আড়ারে লুকিয়ে থাকা পুরুষীয় দানবদের দিকে তাকালে এখন কেবল ঘেন্না হয়। যারা সাংস্কৃতিক কর্মীর পরিচয়ের আড়ালে ঘৃণা চর্চা করে দশকের পর দশক নৈতিকতার বুলি আওড়াচ্ছেন- আদর্শের ফেরি

করছেন; তারা সুন্দরী নির্বাচনের নামে সাদাসিধে মেযেদের নিয়ে কী রঙ তামাশা আর কামের আগুনের উপকরণ বানাচ্ছেন সেটি সংস্কৃতি কিম্বা বিনোদন বিটে যারা কাজ করছেন তাদের অজনা নয়।

কিন্তু এ সব মানুষের ক্ষমতা, দাপট এবং অবস্থান এতটাই উঁচুতে; যেখানে আমাদের মত আমজনতার প্রবেশ নিষেধ। এদের আছে মিডিয়ায় দুর্দান্দ দাপুটে মূর্তি। আছে রাজনৈতিক ক্ষমতা- এরা চুষে নেয় নৈতিকতার সবটুকু।

লাক্স সাবান সুন্দরী খোঁজার মিশন চালিয়ে যাচ্ছে অনেক আগে থেকে। নারী অধিকার; জেন্ডার ইকুইটি নিয়ে যারা দিনের পর দিন বলে যাচ্ছেন; যে সব সংবাদ পত্র জেন্ডার সচেতনতা তৈরির কাজ করছে; সেখানেই এ সব তারকাদের কীর্তি ছাপা হয়'; অন্যদের উৎসাহ জোগানো হয়। মনে করিয়ে দেয়া হয়, এটা একটা স্বপ্নময় জগত। এ জগতে না আসলে তোমার রূপের কোনো মূল্যই নেই।


জগতে আসলে অনেক কিছুরই মূল্য থাকতে নেই। নারীর সম্ভ্রম, আর রূপ নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে বাণিজ্য তার ব্যাতিক্রম নয় সুন্দরী নির্বাচন যজ্ঞ্। গ্রুমিংয়ের নামে এ সব মেয়ের লজ্জার আড়মোড় ভেঙ্গে; তারকাদের সামনে রেখে নতুন উদ্যোমে যে ভোগ উৎসব শুরু হয় তার ক্ষতি যার হয় কেবল সেই সম্ভবত মোহ কেটে যাবার পর কিছুটা বুঝতে পারেন।

এক সময় সিনেমার নায়িকা বানানোর কারিগর নির্মাতা ‘দাদু’ সম্পর্কে বলা হতো তার হাত দিয়ে সিনেমায় এসেছেন অথচ ‘আনটাচড’ ছিলেন এটা বলা যাবে না। ‘শ’ আদ্যাক্ষরের সব নায়িকা বাংলা সিনেমায় তার হাত ধরেই আগত।

তেমনি লাক্সের নামে তারকা বানানোর কারখানায় যারা কাজ করেন; তাদের সম্পর্কে আনেকই সম্বাদিকেরই ভালো জানা । তবুও বলা যায় না। বলতে গেলে তো সব ই যাবে।

লাস্যময়ী তরুণীর হাস্যময় চেহারা আড়ালের কষ্টটা ভুলে থাকার চেষ্টাটা অনেকেরই নাই। তবুও এ কথা সত্যি এ জগত সম্পর্কে একটা মোহ তৈরি করে রেখে;ফাঁদ পেতে বৈধ উপায়ে উঠতি বয়সী তরুণীদের এক অন্য রকম জগতে আনা হয়; যেখানে না পারি ছাড়তে; না পারি থাকতে অবস্থা।

আজ অনেক দিন পর এ কথা কেনো লিখছি; লিখছি ফেসবুকে লাক্স তারকাদের কিছু ছবি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য হচ্ছে। শাড়ি কী এভাবে পরে? এটা জানতে চাইছেন। একজন নগন্য সম্বাদিক হিসাবে লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টার ইভেন্ট কভার করার যে দুর্ভাগ্যজনক অভিজ্ঞতা আমার হযেছে; সে তুলনায় এটা খুব খারাপ বলা যাবে না।

সম্ভব ২০০৬ কি ০৭ এর দিকের একটা ইভেন্টে যৌনাবেদনময় পারফরমেন্সের বিরোধীতা করে অনেক কৌশলে আমাকে লিখতে হযেছে। লিখেছিলাম। এটাই তৃপ্তি!

তবে এ কথা সত্য, এ সব মেয়েদের গ্রুমিংয়ের নামে, নাটকে অভিনয় করানোর সুযোগ দেবার কথা বলে- দুপক্ষে মিউচুয়াল যে অনৈতিক কাণ্ড হয় সেটার জন্য সত্যি খ্রাপ লাগে। তবুও কিছু বলতে পারি না। কারণ সেখানে আইন অচল, নৈতিকতা মঞ্চ নাটকেই আছে। বাস্তবে এর দেখা মিলে না।

গাজীপুর, মৌলভীবাজার, কক্সবাজার এ সব জায়গার রিসোর্ট আর এখন নিরাপদ মনে করেন না; বুড়ো যৌনখোর লোকেরা। তারা এখন উড়াল দেয় থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর। উপভোগের চরম আনন্দময় জায়গা এ সব।

হুমমম। সমাধান কিছু হবে বলে মনে হয় না। তবুও প্রতিবাদ জারি রাখতে বাধা নেই।

দ্রষ্টব্য:: সবাই মিউচুয়ালি সব করেন; এটাও কিন্তু ঠিক নয়। অনেকে পা দিয়েছেন ফিরতে পারেন না আবার অনেকের স্ট্যাটাস থাকে না। আছে নানা ক্যাচাল।


ভালোবাসা সম্পর্কে ৮ টি মজার তথ্য, যেগুলো আপনি আগে শোনেননি!


গুটিকয়েক মানুষজন বাদে প্রায় সকলের কাছেই ভালোবাসা বেশ পবিত্র একটি বিষয়। অনেক সাধ ও আকাঙ্ক্ষার একটি ব্যাপার হচ্ছে ভালোবাসা। মানুষ জীবনে প্রেমে পড়তে পারে অনেকবারই, কিন্তু ভালোবাসেন শুধুমাত্র একজনকে। ভালোবাসা জিনিসটি এমন, যে এটি কখনোই একজনের বেশি কারো সাথে হয় না। যতোই বলা হোক না কেন, আসলে দ্বিতীয়বারে আর আগের মতো এতো বেশি ভালোবাসা আসে না। আর যদি আসে তাহলে প্রথমটা প্রেম ছিল, ভালোবাসা নয়।

এই সকল তথ্যগুলো অনেক গবেষণা এবং জরিপের ফলাফল। এরকমই আরও বেশ কিছু তথ্য রয়েছে যা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক ভালোবাসা সম্পর্কে ৮ টি মজার অজানা তথ্য।

তথ্য-১.

জানেন কি, ‘love’ শব্দটির উৎপত্তি কোথায়? “love” শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘lubhyati’ (লুভায়াটি) থেকে। এর অর্থ হচ্ছে ইচ্ছা। এই শব্দটির ব্যবহার সব চাইতে বেশি মিউজিক জগতে।


তথ্য-২.

একজন মানুষ কতবার প্রেমে পরে জানেন কি? বিয়ের আগে ও পরের হিসাবও কিন্তু বেশ ভিন্ন। বিভিন্ন গবেষণা এবং পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে যে, প্রত্যেক ছেলে মানুষ বিয়ের আগে অন্তত ৭ বার প্রেমে পড়েন এবং মেয়েরা পড়েন ৪ বার।

তথ্য-৩.

বিয়ের আঙটি কোন আঙুলে পড়ানো হয় জানেন তো। খেয়াল করে দেখবেন বিয়ের আঙটি সব সময় অনামিকা আঙুলে পড়ানো হয়। এর কারণটা কি জানেন? এর কারণ হচ্ছে অনামিকা আঙুলের সাথে আমাদের হৃৎপিণ্ডের এর সংযোগ রয়েছে বলে ধরা হয়। যদিও মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভালোবাসার ক্ষেত্রে হৃৎপিণ্ডের কোনো ব্যবহারই ণেই!

তথ্য-৪.

যখন একটি দম্পতি এবং প্রেমিকজুগল সামনে থাকেন তখন অনেক মেয়েই ছেলেটি বেশি সুন্দর হলে মনে মনে ভাবেন- “ছেলেটি এই মেয়েটাকে কেন পছন্দ করল!” জানেন কি, ছেলেদের আগ্রহ কোন মেয়েদের প্রতি বেশি থাকে? জরিপে দেখা যায় ছেলেরা সেই সব মেয়েদের প্রতি বেশি আগ্রহী যারা সুন্দর করে হাসতে জানেন।

তথ্য-৫.

সকালে অফিস যাওয়ার আগে অনেক দম্পতিরা একে অপরকে চুম্বন করে ভালোবাসা প্রকাশ করে থাকেন। কিন্তু এটি শুধুমাত্র ভালোবাসা প্রকাশের সাথেই সম্পর্ক যুক্ত নয়। হেলথ এক্সপার্টদের মতে যে স্বামী-স্ত্রী তার সঙ্গীকে প্রতিদিন সকালে চুম্বন করেন সে অন্যদের চেয়ে পাচঁ বছর বেশি বাচেঁন।

তথ্য-৬.

যারা নতুন নতুন প্রেমে পড়ে তাদের দেহে সেরেটোনিন নামক এক প্রকার হরমোন উৎপন্ন হওয়া কমে যায়। সেরেটোনিন আমাদের মন খুশি রাখার জন্য দায়ী একটি হরমোন। যার ফলে মন কিছুটা উদাস থাকে বা বিষণ্ণতায় ভোগে!

তথ্য-৭.

বেশিরভাগ সাধারণ প্রেমের সম্পর্কের ভাঙন হয়ে থাকে সম্পর্ক গড়ার মাত্র ৫-৬ মাসের মধ্যে।

তথ্য-৮.

প্রকৃত প্রেমিক চিনতে অনেক মেয়েরাই ভুল করে থাকেন। তাদের জন্য একটি জরিপ করা হয় ২০১২ সালে। সেই জরীপে দেখা যায় যারা প্রকৃত প্রেমিক তারা চুম্বন করার সময় ডান গাল থেকে চুম্বন শুরু করেন।

যেখানে মেয়েদের বিয়ের আগেই মা হওয়াটা বাধ্যতামূলক !



মা’ না-হওয়া পর্যন্ত কোনও মেয়ের পূর্ণতা আসে না। বলা হয়, মাতৃত্বই জীবনের চরম পাওয়া। কিন্তু কেউ মা হবেন কি হবেন না, সন্তান ধারণ করবেন কি করবেন না, সেটা সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত অধিকার।

কারও হস্তক্ষেপ কাঙ্ক্ষিত নয়। কিন্তু, কোনও মেয়ে যদি বিয়ের আগেই মা হয়? তাহলে ঐ সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়ে যায়। প্রশ্ন ওঠে মেয়েটির চরিত্র নিয়েও। তাই এমন দুর্ঘটনা ঘটে গেলে, অর্থাত্‍‌ বিয়ের আগেই কেউ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে, গর্ভপাত করাতে ছুটতে হয় সমাজের লোকলজ্জার ভয়ে।

কিন্তু, এই বাংলারই এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে, মেয়েদের বিয়ের আগে মা হওয়াটা কিন্তু বাধ্যতামূলক। সেখানে মাতৃত্বই দেয় পছন্দের সেই পুরুষকে বিয়ের অধিকার। এটাই রেওয়াজ ‘টোটো’দের। আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়া-মাদারিহাট ব্লকের সেই অঞ্চল টোটেদের জন্যই পরিচিত টোটোপাড়া নামে। মাত্রই কয়েক ঘর টোটো। সংখ্যায় সবমিলিয়ে ১৫৮৪ টোটোর বাস। কোনওমতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন এই উপজাতিরা।

এখানে টোটো সমাজে পুরুষের অধিকার রয়েছে কোনও মেয়েকে বেছে নেওয়ার। ছেলেটির পছন্দ হলে, মেয়েটিকে ওই পুরুষের সঙ্গে একবছর সহবাস করতে হবে। তার মধ্যে মেয়েটি গর্ভবতী হলে, তবেই বিয়ে করার উপযুক্ত হয়ে উঠবেন। তবে, বিয়ের বন্ধনে বাঁধা পড়ার আগে দুই পরিবারের অনুমতি নিতে হবে যুগলকে।

আগুন ঝড়া যেসব পাক সুন্দরী ফুটবলাররা



মহিলা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১৫ নিয়ে রোমাঞ্চ তুঙ্গে। জার্মানি ও চিন কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু প্রথম পাঁচটি দলের মধ্যে না এসেও একটি দল সকলের নজর কেড়েছে। সেই দলটি পাকিস্তান। পাক দলের ম্যানেজার আর অধিনায়ক তো বটেই, দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রাও তাঁর ফ্যাশন ও সৌন্দর্যের জন্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাঁদের দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে। পাক দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই বালুচিস্তান ইউনাইটেড ক্লাবের। তাঁদের মধ্যে সেদেহ মাহপারা গোলরক্ষক। গত বছর সেরা গোলরক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। চোখধাঁধানো সৌন্দর্যের অধিকারী মাহপারার বক্তব্য, গোলরক্ষক হওয়াটি সহজ নয়।
2
শাহলীলা বালুচ
3
জোয়ান জেরাল্ডিন টমাস
4
হাজরা খান
5
মাহপারা সঙ্গে মল্লিকা -ই- নূর
6
রহিলা জরমিন
7
জুলফিয়া শাহ
8
দিয়ানা বেগ
9
আবিদা হায়দর
10
সাহর জমান
12
ফতিমা আনসারি

জন্মদানের ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড করেছেন রাশিয়ার এক নারী

জন্মদানের ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড করেছেন রাশিয়ার এক নারী। তিনি ৬৯টি বাচ্চার জন্ম দিয়েছেন!
নারীদের বাচ্চা জন্মদান একটি স্বাভাবিক নিয়ম। সৃষ্টিকর্তার দুনিয়া সৃষ্টির আদিকাল থেকেই তা হয়ে আসছে। কখনও কখনও অনেক নারী বন্ধ্যা হন। বাচ্চা জন্মদানে অপারগ হওয়ায় তাকে সইতে হয় অনেক পারিবারিক যন্ত্রণা। আবার কখনওবা মেয়ে সন্তান জন্মদানের কারণে পারিবারিকভাবে তাকে নানা যন্ত্রণায় পড়তে হয়। আমাদের সমাজের এসব ঘটনা আজ নতুন নয়।

তবে এই নারীই আবার যখন একের পর এক সন্তান জন্ম দিয়ে যান তখন সেটিও হয়ে ওঠে খবর। তেমনই একটি খবর বাচ্চা জন্মদানের নতুন এক অভিজ্ঞতা রাশিয়ার এক নারী। গিনেস রেকর্ড অনুযায়ী পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী সন্তান জন্ম দিয়েছেন রাশিয়ার সুইয়া গ্রামের কৃষক ফেওডোর বাসিলিয়েভের স্ত্রী। ফেডর ভাসিলেভ নামের এই রাশিয়ানের স্ত্রী সর্বমোট ২৭ বার গর্ভধারণ করেছেন। এরমধ্যে জমজ শিশুর জন্ম দিয়েছেন ১৬ বার, তিনটি করে বাচ্চার জন্ম দিয়েছেন ৭ বার। ৪টি করে বাচ্চার জন্ম দিয়েছেন ৪ বার ।

সর্বমোট ৬৯টি বাচ্চার জন্ম দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছেন এই মহিলা। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো ৬৯টি বাচ্চার মধ্যে ৬৭টি বাচ্চা এখনও বেঁচে আছে। রাশিয়ান এই মহিলা এতোগুলো বাচ্চার জন্ম দিয়ে নিজেকে গর্ববোধ করেন। তথ্যসূত্র: অনলাইন

কাটা হাত জোড়া লাগলো পায়ের গোড়ালিতে

কাটা হাত জোড়া লাগলো পায়ের গোড়ালিতে। কারখানায় এক সাংঘাতিক দুর্ঘটনায় মারাত্মক জখম হয়েছিলেন চীনের হুনান প্রদেশের জিও উই। সেই দুর্ঘটনায় জিওকে ডান হাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় দেখা যায় তার ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপরও চিকিৎসকরা অদ্ভূত এক কায়দাতেই বাঁচিয়েছেন জিওর কাটা পড়া হাতটি।


চিকিৎসকরা জিওর কাটা হাতটি জোড়া লাগিয়েছেন তার পায়ের গোড়ালিতে। আর তাতেই আবার সুন্দর হাত নাড়াতে পারছেন জিও।কাটা হাত জোড়া লাগলো পায়ের গোড়ালিতে

কারখানায় এক সাংঘাতিক দুর্ঘটনায় মারাত্মক জখম হয়েছিলেন চীনের হুনান প্রদেশের জিও উই। সেই দুর্ঘটনায় জিওকে ডান হাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় দেখা যায় তার ডান হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারপরও চিকিৎসকরা অদ্ভূত এক কায়দাতেই বাঁচিয়েছেন জিওর কাটা পড়া হাতটি।
চিকিৎসকরা জিওর কাটা হাতটি জোড়া লাগিয়েছেন তার পায়ের গোড়ালিতে। আর তাতেই আবার সুন্দর হাত নাড়াতে পারছেন জিও।

আজগুবী সব ফুল


পৃথিবীর বুকে মানবজাতির আগমনের পর থেকেই চেতনে-অবচেতনে এক অপার বিস্ময়বোধ তাকে সর্বদা আচ্ছন্ন করে রেখেছে। স্রষ্টার নানা বিচিত্র সৃষ্টি দেখে সে কখনও বিমোহিত হয়েছে, কখনও শিউরে উঠেছে আতংকে। প্রকৃতিতে বিচিত্র সব নিদর্শনের মাধ্যমে স্রষ্টা যেন তার অস্তিত্বের জানান দিয়ে যাচ্ছে। শামুক, ফুলসহ নানাকিছুর মাঝে অপরাপর সৃষ্টির চিহ্ন নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আজ তেমনই কিছু অদ্ভুত চেহারার ফুলের সঙ্গে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হলো।
বানরমুখো অরকিড
বানর বা বেবুনমুখো এই অরকিডটি আপনি সহজে খুঁজে পাবেন না। এটি পেতে হলে আপনাকে যেতে হবে পেরু এবং ইকুয়েডরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ঘন জঙ্গলে যেটি কিনা ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এটি সেখানে সারাবছরই ফুটে থাকে। বানরের মতো চেহারা হলেও এর গন্ধ কিন্তু পাকা কমলার মতো।
বাদুড়মুখো ফুল
বাদুড়ের মুখের মতো দেখতে অদ্ভুত সুন্দর এই ফুলটি পাওয়া যায় মেক্সিকোতে। ১ ফুট থেকে ২ ফুট লম্বা বিশাল এই ফুলটি প্রচণ্ড গরম ও খরা সহ্য করে টিকে থাকার ক্ষমতা রাখে। রঙচঙা এই ফুলের মধুর আকর্ষণে বাগানে ভিড় করে হামিং বার্ড ও প্রজাপতি, পরাগায়ণে করে সাহায্য।
ফুল না টিয়া পাখি!
টিয়া পাখির মতো দেখতে বিচিত্র এই ফুলটি আপনি সহজে খুঁজে পাবেন না। এটি পেতে হলে আপনাকে যেতে হবে থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে। তবে ভারতের মনিপুর ও বার্মার কিছু এলাকাতেও ভাগ্য ভালো থাকলে মিলে যেতে পারে দুষপ্রাপ্য এই ফুলটি।
যেন কাপড় মোড়ানো শিশু
কাপড় মোড়ানো আদুরে এই শিশুগুলো আসলে এক ধরনের টিউলিপ অরকিড। কলম্বিয়ার আন্দেসে প্রায় আড়াইশ বছর আগে এই আজব ফুল আবিষকৃত হয়। সুন্দর এই ফুলগুলোর গন্ধও খুব মিষ্টি যা কীটপতঙ্গকে আকৃষ্ট করে পরাগায়ণে সাহায্য করে।
ঠোঁট সদৃশ ফুল
‘রূপ সচেতন’ নারীর ঠোঁট সদৃশ এই ফুলটির আদি বাস কলম্বিয়া, কোস্টারিকা ও পানামায়। জনপ্রিয় এই ফুলটি এখন ক্রমেই দুষপ্রাপ্য হয়ে উঠেছে।

টাকার গাছের সন্ধান!

টাকা কি গাছে ধরে? হ্যাঁ, গাছেই ধরছে। রেগে যাবেন না প্লিজ। শুনতে অবাক লাগলেও সম্প্রতি ইংল্যান্ডে এমনই একটি টাকার গাছের সন্ধান মিলেছে। ইংল্যান্ডের কয়েক হাজার পর্যটক ‘ইচ্ছাপূরণ গাছ’ তৈরি করেছেন। এই ‘ইচ্ছাপূরণ গাছ’ কে অবশ্য এখন অনেকেই টাকার গাছ হিসাবে উল্লেখও করছেন।

মানুষের ধারণা, এই গাছে টাকা লাগিয়ে রাখলে মনের সব আশা আকাঙ্খা পূর্ণ হয়। আশা আকাঙ্খা পূরণ করতে তাই গাছের গায়ে মুদ্রা, হাতুড়ি দিয়ে খোদাই করে রাখেন পর্যটকরা। ফলে গাছটির বাকলে শুধু টাকা আর টাকা। তাই অনেকে এই গাছটিকে টাকার গাছ হিসাবেও ডাকছেন।

কোনো পথচারী কিংবা পর্যটক ওই গাছের সামনে আসলেই, সে এই টাকার গাছে নিজের ইচ্ছা পূরণের সদিচ্ছায় গুঁজে দিচ্ছেন টাকা। এইভাবে প্রতিটা গাছ পথচারীর গোপন ইচ্ছা এবং স্বপ্ন পূরণের আশা নিয়ে যেন দাঁড়িয়ে আছে।

এই ধরনের গাছ ইংল্যান্ডের কাম্ব্রিয়া এবং পোর্টমেরিয়ন অঞ্চলে বেশি দেখা যায়।

বিবিসির সূত্র মতে জানা যায়, ১৭০০ সালের দিকে সুইডিশ লোকজন তাদের অসুস্থতা আরোগ্য লাভের আশায় গাছে মুদ্রা খোদাই করতেন। তবে তাদের ইচ্ছা পূরণ হয়েছে কিনা সেটা নিশ্চিত না হওয়া গেলেও এই ধরনের গাছ তৈরির ঐতিহ্য এখনও টিকে আছে।

ভিন গ্রহের নয়, পৃথিবীর বিচিত্র ৯ জন নারী-পুরুষ !

পৃথিবীতে কত বিচিত্র ধরণের মানুষই না আছেন! আমরা সকলেই নিজের নিজের মত করে বিশেষ, কিন্তু কিছু মানুষ এমন আছেন যারা চমকে দেবেন যে কাউকে। এই মানুষগুলোকে দেখার পর নিজের চোখকেই যেন বিশ্বাস করতে পারবেন না আপনি। যেমন ধরুন, পৃথিবীর সবচাইতে লম্বা আর সবচাইতে খাটো মানুষ দুজনকে পাশাপাশি দেখতে কেমন লাগবে আপনার? কিংবা দেখলেন এমন কাউকে যার গায়ের রঙ নীল! কেউ নিজেকে বানিয়ে ফেলেছেন পুতুলের মত সুন্দরী, কেউ আবার পৃথিবীর সবচাইতে বড় নিতম্বের অধিকারিণী। এমনই প্রচণ্ড অদ্ভুত ৯ জন মানুষের সম্পর্কে জানতে চাইলে ঝটপট দেখে নিতে পারেন এই ছবিগুলো!

১) প্রচ্ছদের ছবিতে যাকে দেখছেন, তিনি পৃথিবীর প্রথম হিউম্যান বারবি Valeria Lukyanova। ইউক্রেনের এই মডেল দাবী করেন যে তাঁর এই বারবি পুতুলের মত চেহারা একেবারেই প্রাকৃতিক আর এটার জন্য সার্জারির আশ্রয় নেননি তিনি!

২) পরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন পৃথিবীর সবচাইতে খাটো ও সবচাইতে লম্বা মানুষকে একই ফ্রেমে। তুর্কির ৩১ বছর বয়স্ক, ৮ ফিট ৩ ইঞ্চি লম্বা Sultan Kösen পৃথিবীর সবচাইতে লম্বা মানুষ। অন্যদিকে নেপালের ৭৫ বছর বয়স্ক Chandra Bahadur Dangi সবচাইতে খর্বকায় মানুষ। তাঁর উচ্চতা মাত্র ১ ফিট ৭ ইঞ্চি!
man2
৩) Mikel Ruffinel পৃথিবীর সবচাইতে ভারী ও চওড়া নিতম্বের নারী। তাঁর নিতম্বের বেড় প্রায় ৮ ফিট! যদি ব্যক্তিগত জীবনে স্বামী ও সন্তান নিয়ে তিনি খুব সুখী, এই অস্বাভাবিক দেহ নিয়ে মোটেও লজ্জায় ভোগেন না তিনি।
man3
৪) Lucky Diamond Rich নামের এই মানুষটি নিজের শরীরের ১০০ ভাগ স্থানই ট্যাটু করিয়ে ঢেকে ফেলেছেন। তিনি এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচাইতে অধিক ট্যাটুর অধিকারী মানুষ।
man4
৫) Julia Gnuse পৃথিবীর সভচাইতে বেশী ট্যাটুর অধিকারী নারী। তাঁর শরীরের প্রায় ৯৬ ভাগ স্থানেই ট্যাটু আঁকা। একটি চর্ম রোগকে ঢাকতে গিয়ে তিনি ট্যাটু করা শুরু করেন। তারপর থেকে নেশা চলছেই।
man5
৬) Mayra Hills পৃথিবীর সবচাইতে বড় স্তনের নারী। যদিও ২৭ বছর বয়স্কা এই নারীর স্তন দুটি নকল, সার্জারির মাধ্যমে তৈরি করা।
man6
৭) Yu Zhenhuan পৃথিবীর সবচাইতে লোমওয়ালা মানুষ। তাঁর শরীরের ৯৬ ভাগই ঘন কালো লমে আবৃত
man7
৮) Paul Karason এর ত্বক একটি বিশেষ সমস্যার কারণে এমন নীল রঙের হয়ে যায়। ২০১৩ সালে তিনি হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান।
man8
৯) Rolf Buchholz কে দেখুন। তিনি এক অদ্ভুত নেশায় ভুগছেন, নিজের শরীরে ফুটো ও উল্কি করার মাধ্যমে অদ্ভুত কিছু করার নেশা। আর এই কাজে তিনিই এই মুহূর্তে পৃথিবীর সেরা। তাঁর মাথার ওপরে শিং গুলো দেখেছেন তো?
man9


ফোনে কল দিয়ে কেউ উত্যক্ত করছে? খুব সহজে বের করে ফেলুন তার নাম-ঠিকানা!

মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ক্রমাগত কল বা মিসকল আসার মত বিরক্তিকর ব্যাপার কিছুই হতে পারে না। বিশেষত মেয়েদের জন্যে এই ভোগান্তি তো একেবারেই অলিখিত। বকাঝকা, ফোন সাইলেন্ট করে রাখা কোন কিছুতেই যেন কাজ হয় না। কিন্তু ভাবুন তো, অচেনা এই লোকটির নাম ঠিকানা যদি এক মিনিটেই আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসে, আর আপনি উলটো তার নাম ধরে ডেকে বেশ ভালো রকম একটা হুমকী দিতে পারেন, কিংবা সহজেই পুলিশের কাছে তার নাম ঠিকানা দিয়ে দিতে পারেন, তাহলে কি ভালোটাই না হতো! না স্বপ্ন নয় একেবারেই, প্রযুক্তির উৎকর্ষে এই ছোট্ট কাজটি আপনি করতে পারেন স্রেফ ঘরে বসেই। আপনার স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে কয়েক সেকেন্ডেই নামিয়ে নিতে পারেন, এইসব অচেনা নাম্বার থেকে ফোনদাতার নাম ঠিকানা, সবই!

True caller:
এই ছোট্ট অ্যাপস টি পাবেন গুগল প্লে স্টোরে। এটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিন। তারপর কোন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই, স্রেফ জাদুর মত আপনার ফোনে ভেসে উঠবে কলদাতার নাম। তবে হ্যাঁ, শর্ত প্রযোজ্য। সেই নম্বরটি যদি তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে, তবেই আপনি এই সুবিধাটা পাবেন। আর সেই লোক যদি ফেসবুকে এই নম্বরটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তো দেখতে পাবেন তার ছবি সহই! দেখে নিন তো, পরিচিত কেউই আপনার সাথে এই বিরক্তিকর আচরণটি করছে কিনা! বাড়তি পাওনা হিসেবে বিনেপয়সায় আপনি এই কলদাতাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন।

Facebook:
বার বার ফোন করতেই থাকা বিরক্তিকর নম্বরটিকে কিন্তু আপনি ট্র্যাক করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেও। ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে ফোন নম্বরটি টাইপ করুন। সে ব্যক্তি যদি এই ফোন নম্বরটি তার একাউন্টে ব্যবহার করে (করার সম্ভাবনা খুব বেশী), তাহলে তাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

LINE whoscall:
অনেকটা ট্রুকলারের মতই এটিও অচেনা ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম ও অন্যান্য তথ্য ও তার মোবাইলে লোকেশন অন থাকলে তার ঠিকানা অব্দি দেখিয়ে দেবে আপনাকে।

Mobile Number Locator:
অচেনা নম্বর থেকে ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি। অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।

আমি নিজে ট্রু কলার ব্যবহার করি। তবে, আপনি আপনার সুবিধামত যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। আর দেরী কেন, মুখোশ খুলে নিন বিরক্তিকর ফোন বা মিসকলদাতার। ভালো থাকুন!

আযান শুনলেই যে ফুল ফোটে, আর শেষ হলেই বন্ধ হয়ে যায় (ভিডিওসহ)



আযান শুনলেই আযানের আহবানে সাড়া দিয়ে ফোটে, আবার আযান শেষ হলেই বন্ধ হয়ে যায়। আযারবাইযানের এই ফুল নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। আযানের মতো সুর করে অন্য কোনো কিছু গাওয়া হলে ফুল ফুটছে না। যতবার-ই আযানের শব্দ ওখানে পৌঁছাচ্ছে ততোবার ফুল ফুটছে। বিজ্ঞানসম্মত সকল গবেষনার পর ফল একটা-ই পাওয়া গেছে

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

মাছ বৃষ্টি


আমাদের এই মহাবিশ্বে কত কিছুই না ঘটে থাকে, এর মধ্যেও এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা গোটা বিশ্ববাসীকে মুহুর্তেই অবাক করে দেয় । যা সত্যিই বিরল এবং বিস্ময়কর।

এ রকম অবিশ্বাস্য কিছু ঘটনার ব্যাখ্যা বিজ্ঞানীরা দিতে পেরেছেন, হয়তোবা এর কিছু এখনও রয়ে গেছে অজানা রহস্য। তেমনই এক অদ্ভুত রহস্য হন্ডুরাসের মাছ বৃষ্টি ।

তবে হ্যাঁ, বিজ্ঞানের সংস্পর্শে হন্ডুরাসের লোকাচার বিদ্যায় মাছ বৃষ্টি এখন একটি সাধারণ ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এ অবিশ্বাস্য প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে মে মাস থেকে জুলাই মাসের মাঝামাঝি। প্রথমে আকাশে কালো মেঘ জমে।

এরপর শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি, সে সঙ্গে প্রবল বাতাস, বিদ্যুৎ চমক আর বজ্রপাত। অবিরাম এই বৃষ্টির সাথে মাটিতে আছড়ে পরে অসংখ্য জীবন্ত মাছ । এ রকম চলে প্রায় ২-৩ ঘণ্টা। আর বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর শত শত জীবন্ত মাছ পড়ে থাকতে দেখা যায় মাটির ওপরে।


লোকজন এসব মাছ কুড়িয়ে নিয়ে রান্না করে খায়। ১৯৯৮ সাল থেকে স্থানীয় লোকজন এ প্রাকৃতিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে প্রতি বছর উৎসবেরও আয়োজন করে।

ফ্রান্সের প্রকৃতিবিজ্ঞানী এন্দ্রে মেরি এমপেরের মতে, আটলান্টিক মহাসাগরে সংঘটিত টর্নেডো উঠিয়ে নিয়ে আসে এই মাছগুলো এবং ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হন্ডুরাসের ইউরো শহরে ফেলে।

তবে প্রতি বছর একই সময় টর্নেডো আটলান্টিক মহাসাগর থেকে মাছ উঠিয়ে এনে ইউরোতেই ফেলবে-এ ধরনের কাকতালীয় ঘটনা অনেকের মতে অসম্ভব। অনেকের মতে এ মাছগুলো স্বাদু পানির এবং সাঁতরে কাছের নদী কিংবা জলাশয় থেকে ভূগর্ভস্থ জলাধারে আশ্রয় নেয়।

ভারী বৃষ্টিতে মাটি ধুয়ে গেলে মাছগুলো উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। অনেকের মতে, ১৮৫৬-১৮৬৪ সালে হন্ডুরাসে আসা এক সাধুর কারণে এ মাছ বৃষ্টি হয়।

কথিত আছে, অনেক অভাবী লোক দেখে সেই সাধু তিন দিন, তিন রাত সৃষ্টিকর্তার কাছে অভাবীদের খাবারের চাহিদা মেটানোর মতো কোনো অলৌকিক ঘটনার জন্য প্রার্থনা করেছিলেন। সেই অলৌকিক ঘটনাই হচ্ছে এই মাছ বৃষ্টি, এমনটাই তাদের বিশ্বাস।

সবচেয়ে লম্বা রোজা যেসব দেশে

বিশ্বের কোনো কোনো দেশে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ইফতারের দু’ঘণ্টা পরই সেহরি খেতে হয়৷ অর্থাৎ তাঁদের জন্য রোজা ২২ ঘণ্টার৷ চলুন দেখে নেয়া যাক, বিশ্বের কোন দেশগুলোতে মুসলমানদের সবচেয়ে লম্বা সময়ের রোজা রাখতে হয়৷
আইসল্যান্ড – ২২ ঘণ্টা
আইসল্যান্ডে মাত্র ৭৭০ জন মুসলমানের বাস৷ তবে এই ৭৭০ জনের মধ্যে যাঁরা পবিত্র রমজান মাসে সিয়াম সাধনা করেন, তাঁরা এক দিক থেকে বিশ্বের আর সমস্ত ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে ছাড়িয়ে যান৷ আইসল্যান্ডে এবার সেহরি খেতে হচ্ছে রাত দু’টোয় আর ইফতার পরের দিন রাত ১২ টায়৷ কত ঘণ্টা হলো? ২২ ঘণ্টা!
সুইডেন – ২০ ঘণ্টা
খুব গরমের মধ্যে রোজা হলে সুইডেনের মুসলমানদেরও কষ্টের সীমা থাকে না৷ দেশটির ৫ লাখ মুসলমানের মধ্যে যাঁরা রোজা রাখেন, তাঁদের ইফতারের মাত্র চার ঘণ্টা পরই সেহরি খেতে হয়৷ উল্টো দিক থেকে ভাবলে কষ্টটা বুঝতে পারবেন৷ সুইডেনের মুসলমানদের অনেক দিন সেহরির ২০ ঘণ্টা পর ইফতার খেতে হয়৷
আলাস্কা – ১৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট
যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় ৩ হাজার মুসলমানের মধ্যে কেউ কেউ আজকাল সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে সেহরি আর ইফতার করতে শুরু করেছেন৷ গ্রীষ্মকালে ভীষণ গরম থাকে সেখানে৷ তার ওপর কোনো কোনোদিন সূর্যোদয়ের ১৯ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর সূর্য ডোবে৷ এত লম্বা সময় ধরে রোজা রাখা তাই অনেকের পক্ষেই সম্ভব হচ্ছে না৷
জার্মানি – ১৯ ঘণ্টা
রমজান মাসের সময় দিন খুব বড় হলে জার্মানির মুসলমানদেরও রোজা রাখতে ভীষণ কষ্ট হয়৷ এ বছর জার্মানিতে সব ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে সেহরি খেতে হচ্ছে রাত সাড়ে তিনটায় আর ইফতার রাত দশটায়৷
ইংল্যান্ড – ১৮ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট
ইংল্যান্ডে সেহরি থেকে ইফতারের সময়ের পার্থক্য প্রায় ২০ ঘণ্টা৷ রমজান শুরুর আগেই তাই মুসলিম কাউন্সিল অফ ব্রিটেন নামের একটি সংগঠন এত দীর্ঘ সময়ের রোজা রাখার আগে ভেবে দেখতে বলেছে৷ সংগঠনটির আশঙ্কা, এত লম্বা সময় রোজা রাখলে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন৷ বিশেষ করে ডায়বেটিসে আক্রান্তদের প্রাণহানির শঙ্কাও দেখা দিতে পারে৷ ব্রিটেনে এখন প্রায় ২৭ লক্ষ মুসলমান আছে৷ এর মধ্যে ৩ লক্ষ ২৫ হাজারই ডায়বেটিসে আক্রান্ত৷
কানাডা – ১৭ দশমিক ৭ ঘণ্টা
এখন প্রায় ১০ লক্ষ মুসলমান আছে কানাডায়৷ সবচেয়ে বেশি মুসলমানের বাস টরন্টোতে৷ এবার কোনো কোনো দিন সেহরির প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর ইফতারি খেতে হবে তাঁদের৷
তুরস্ক – সাড়ে ১৭ ঘণ্টা
মুসলিমপ্রধান দেশ তুরস্কেও গরমকালে রোজা রাখতে হয় খুব কষ্ট করে৷ এবার সেহরির প্রায় সাড়ে ১৭ ঘণ্টা পর ইফতার করতে হচ্ছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের৷ –ডিডব্লিউ