নবীন-বরণ অনুষ্ঠানের স্টেজে নাচতে নাচতে কাপড় উধাও দেখুন! (ভিডিওসহ)


নতুন ছাত্রছাত্রীদের বরণ করে নিতে কলেজ কতৃপক্ষ আয়োজন করেছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। মাঠে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী উপভোগ করছে অনুষ্ঠানটি। অন্যদিকে স্টেজে এসেছেন একজন্ তরুণী নর্তকী। তার নাচ দেখে দর্শকরা বেশ উচ্ছসিত হলেও এসব কি দেখাচ্ছেন তিনি?

শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গভঙ্গী কতটা অশ্লীল হতে পারে তা এ নাচটি দেখে বুঝা যাবে। নাচের মুদ্রা ড্রেসিং রুমের নাচকেও হার মানিয়েছে। এর মাঝে কলেজের বড়ভাইরাও এসে যোগ দিয়েছেন। নবীণ-বরণ অনুষ্ঠানে সদ্য যোগ দেয়া ছাত্র ছাত্রীরা কি এসব অশ্লীলতাকে বরণ করে নিচ্ছে? সরাসরি দেখুন ভিডিওতে।


ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন…


দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অধিকাংশই নাবালিকা, এমনকি ১০ বছরের শিশুকেও গ্রুপ সেক্স পার্টিতে বাধ্য করা হচ্ছে (ভিডিওসহ)

বাংলাদেশের দৌলতদিয়া যৌনপল্লি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল-ভাইস নিউজ। আর তাতে উঠে এসেছে ভয়াবহ চিত্র। যৌনপল্লির অধিকাংশের বয়স ১৮ বছরের নীচে। এমনকি ১০ বছরের শিশুকেও যৌনব্যবসায় বাধ্য করা হচ্ছে। এসব শিশুদের হয় অপহরণ অথবা চাকরির কথা বলে এই পল্লিতে বিক্রি করা হয়। আর এই শিশুদের সঙ্গে গ্রুপ সেক্স করে মানুষ নামের একদল বিকৃত রুচির যৌন নিপীড়ক। ইয়াবা আর মদের ‘কিটি পার্টি’তে তাদের ওপর চলে যৌন নির্যাতন।


মর্কিন টেলিভিশন চ্যানেলটি তাদের ভিডিও প্রতিবেদন প্রচার করে গত ফেব্রুয়ারিতে। আর তা ইউটিউবে আপ করার পর এখন এ নিয়ে চলছে তোলপাড়। এরইমধ্যে ইউটিউবে ১২ লাখেরও বেশি ভিডিওটি সাবসক্রাইব হয়েছে। আর তাতে শনিবার পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১ হাজার ১শ ৮জন মন্তব্য করেছেন। আর তাদের মন্তব্যে বাংলাদেশের দৌলতদিয়া যৌনপল্লির এই নির্মম ও ভয়াবহ চিত্রে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে এক শিশু যৌনকর্মী(১৪) জানান, কিভাবে তাকে জোর করে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। এখন যে ফিরে যেতে চাইলেও আর পরছে না। তার ফিরে যাওয়ার আর কোন সুযোগ নাই। আরো একজন শিশু যৌনকর্মী জানান, খদ্দেররা তাদের ওপর শারীরীক নির্যাতন চালায়। কখনো কখনো ১০ থেকে ১২ জন নরপশু একসঙ্গে এসে এই যৌন নির্যাতন চালায়। তাদের করার কিছুই থাকে না।

যৌনপল্লির সর্দারনী স্বীকার করেন, অল্প বয়স্ক কন্যা শিশুদের এনে ওষুধ খাইয়ে মোটা করা হয়। তাদের যৌন ব্যবসার উপযোগী করা হয়। আর এসব ওষুধ সেখানেই কিনতে পাওয়া যায়।

একজন দালাল জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রধানত চাকররি লোভ দেখিয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের যৌন পল্লিতে এনে বিক্রি করে দেয় তারা। তাদের ২০ থেকে ৩০ হাজার ঢাকায় বিক্রি করা হয়। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার তৈরি পোশাক কারখানায় টার্গেট করে এইসব শিশুদের তারা ফাঁদে ফেলে। আবার কখনো অপহরণ করে নিয়ে আসে।

দৌলতদিয়া যৌনপল্লির একজন খদ্দের শিকার করেন যে, তিনি ১০ বছর বয়সের শিশুদের ঘরেও গিয়েছেন। তার শিশুদেরই পছন্দ। সে যাদের ঘরে যায় তাদের সবার বয়স ১০ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। তার শিশুদের সঙ্গে এই আচরণ করতে খারাপ লাগে কীনা প্রশ্নের জবাবে সে জানায়,‘ খারাপ লাগে না, ভাল লাগে ’ এজন্য তার কোন অনুশোচনাও নেই।

খদ্দের নামের এই যৌনবিকৃত মানুষেরা শিশুদের নিয়ে গ্রুপ সেক্স করে। তাদের ব্যবহার করে ‘কিটি পার্টিতে’। কিটি পার্টি হল মদ আর ইয়াবা সেবনের বিকৃত যৌন আসর। সেখানে শিশুদেরও এই কাজে বাধ্য করা হয়। মদ ও ইয়াবা সেবন করে নরপশুরা তাদের ওপর চালায় যৌন নির্যাতন।

সীমা নামের এক যৌনকর্মী জানান, তাঁকে ১৪ বছর বয়স থেকে এই পল্লিতে যৌন ব্যবসায় নামন হয় জোর করে। তাকে কৌশলে দালালরা এখানে নিয়ে আসে। সে এখন তাঁর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও জানে না সে কেথায় আছে। একটি সংসার, পরিবার আর বাবা-মা’র জন্য সে এখন কাঁদছে। কিন্তু তারা কান্না কেউ শোনে না।
রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ থানা এলাকায় দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অবস্থান।

স্থানীয় একজন সাংবাদিক প্রিয়. কমকে জানান, এই পল্লিতে নিবন্ধিত যৌনকর্মীর সংখ্যা দুই হাজারের বেশি না। তবে বাস্তবে আছে সাড়ে চার হাজারের মত। অনিবন্ধিত দুই হাজারেরও বেশি যৌনকর্মীর অধিকাংশই শিশু। তাদের বয়স ১০ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। যৌনকর্মী হিসেবে নিবন্ধ নিতে বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হয়। আর কেউ এই পেশা বেছে নিলে তা আদালতে গিয়ে নিজেকে ঘোষণা করতে হয়। ওই সাংবাদিক জানান , দৌলতদিয়া যৌনপল্লি থেকে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তারাই সব সামাল দেন। পুলিশ প্রশাসন-সব কিছু।

গোয়ালন্দ থানার ওসি নাসিরুল্লাহ প্রিয়.কমকে বলেন,‘আমরা এধরণের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেই।’
তিনি জানান, ‘চার মাস আগে পুলিশ ২১ জনকে উদ্ধার করেছে যাদের জোর করে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন ব্যবসায় নিয়োজিত করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ১৩ জনই ছিল অপ্রাপ্ত বয়স্ক।’ তবে যারা তাদের জোর করে এই কাজে বাধ্য করেছেন সেই দালালদের আটক করা যায়নি।

ওসি স্বীকার করেন দালালরা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের অপহরণ অথবা প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে এসে দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেয়। তিনি জানান, ‘গত মাসে তারা ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া একটি মেয়েকে উদ্ধার করেছেন যাকে ফরিদপুর থেকে জোর করে এনে এখানে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল। নরপশুরা তাঁকে অপহরণের পর প্রথমে ধর্ষণ করে। তারপর বিক্রি করে দেয়।’ কিন্তু মেয়েটি উদ্ধার হলেও অপরাধীরা আটক হয়নি।
তবে ওসির দাবী চারমাস আগে তিনি এই থানায় যোদানের পর থেকে এধরণের ঘটনা কমে এসেছে।

বেশিরভাগ পুরুষরাই ভারী নিতম্বের নারীদের পছন্দ করে থাকেন (ভিডিওসহ)


এটা অনেক দিক থেকেই প্রমাণিত হয়েছে যে ভারী নিতম্বের নারীদের বেশ আকর্ষণীয় মনে করেন বেশিরভাগ পুরুষেরা। খেয়াল করলে দেখবেন যে রাস্তায় কোনো নারীকে দেখলে তারা এই বিষয়টি নিয়েই মন্তব্য করতে পছন্দ করেন। গবেষণায় দেখা যায় যে শুধু একজন দুইজন পুরুষ না বরং প্রায় প্রতিটি পুরুষই নারীদের এই ভারী নিতম্বের প্রতি আকর্ষণবোধ করে থাকেন। কিন্তু কেন এমনটি হয়ে থাকে এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন কতিপয় বিজ্ঞানীরা।

গবেষণার বিভিন্ন ব্যাখ্যায় বলা হয়ে থাকে যে, নারীদের ভারী নিতম্ব পুরুষদের আকর্ষণ করে থাকে কারণ তারা মনে করেন যে ভারী নিতম্বের নারীরা পূর্ণ যৌবনপ্রাপ্ত হন এবং তারা সন্তান উৎপাদনে অন্যান্য নারীদের তুলনায় অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।
 এছাড়া বিশেষজ্ঞরা এও বলছেন যে ভারী নিতম্বের নারীদের জন্ম দেয়া সন্তানরা বেশি বুদ্ধিমত্তার অধিকারী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কেননা মহিলাদের উরু এবং নিতম্বের চর্বি বাচ্চাদের মস্তিস্ক বিকাশে বিরাট ভূমিকা পালন করে। নারী দেহের এ সকল স্থানের চর্বি তাদের সন্তানদের বুদ্ধিকে বিকশিত করা এবং তাদের ক্রম বিকাশকে সহায়তা করে।


যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উইল লাসেক বলেন, এই অঞ্চলের চর্বি ডোকোসাহেক্সানয়িক এসিডে (ডিএইচএ) পূর্ণ যা মানব মস্তিষ্কের বিকাশে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। অধ্যপক লাসেক তার সদ্য প্রকাশিত গবেষণা পত্রে আরো উল্লেখ করেন, ঠিক কী কারনে মহিলাদের শরীরে এত বেশি পরিমান চর্বি থাকে সে বিষয়টি এখনো রহস্য। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের দেহে সাধারনত পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ চর্বি থাকতে দেখা গেলেও নারীদেহে গড়ে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত চর্বি থাকারও প্রমাণ রয়েছে।




লাসেকের সহকারী ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিভেন গাউলিন যিনি ইভালিউশনারি সাইকোলজির শিক্ষক দেখিয়েছেন, নারীদেহের চর্বি শিশুর মস্তিস্ক বিকাশের জন্য ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ। লাসেক বলেন, বাচ্চা বেড়ে ওঠার সময় মায়ের শরীরের ডিএইচএ গুলো একত্রিত হয়ে কাজ করে এবং সেগুলো মাতৃদুগ্ধের মাধ্যমে শিশুর মস্তিষ্কে পৌঁছায়।

আর্লিংটনে অবস্থিত টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের ছাত্র এরিক রাসেল এই বিষয়ে একটি গবেষণা করেন। তিনি বলেন, নারীদের কোমরের বত্রতাকেও অনেক পুরুষ বেশ পছন্দ করে থাকেন। গবেষণায় বলা হয় যে, গড়ে প্রায় ৩০০ জনেরও বেশি পুরুষ ২৬-৬১ ডিগ্রি পর্যন্ত নারীদের কোমরের বক্রতাকে আকর্ষণীয় মনে করেন। তারা মনে করেন যে ৪৫.৫ ডিগ্রি বক্রতাই হল একজন নারীর কোমরের আকর্ষণীয় মাপ। তবে নারীদের কোমরের অতিরিক্ত বক্রতা ব্যাকপেইনসহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে বলে গবেষকরা মন্তব্য করেন।

মিলনে সত্যিই কি কোনো স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে, নাকি শারীরিকভাবে আরও ক্লান্ত করে তোলে? (ভিডিওসহ)


অনেক অনেক যুগ আগে থেকে মানুষ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হত। আর এজন্যই মানব প্রজাতির সৃষ্টি হয়েছে। আমার মনে হয় যে আগে মানুষের বিনোদন বলতে কিছুই ছিল না। এ কারণে মানুষ অবসর সময় কাটাতে এবং কিছুটা শারীরিক ও মানসিক চাহিদা পূরণেই এই শারীরিক মিলন করত। তবে বর্তমানে অনেকেই বলে থাকেন যে এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। সত্যিই কি তাই, আমার তো মনে হয় এটি আরও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কেননা এর ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়, সবাই ক্লান্তি অনুভব করে থাকে। আমাকে এই বিষয়ে জানাবেন প্লিজ?

উত্তর:
আপনার কথার কিছু অংশ সত্য কিন্তু বাকি অংশ একেবারেই ভুল ধারণা। আদিম যুগে বলা চলে অবসর সময়ের বিনোদনের জন্যই শারীরিক মিলন করা হয়ে থাকত তবে এর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয় শারীরিক এবং মানসিক চাহিদা থেকেই। আপনি যেমনটা যুক্তি দেখিয়েছেন যে শারীরিক মিলন করলে মানুষ ক্লান্ত হয়ে যায় সেক্ষেত্রে এর স্বাস্থ্য উপকারিতা আদৌ আছে কি না এই বিষয়ে বলা যায় যে শারীরিক মিলন একজনকে ক্লান্ত করে ঠিকই কিন্তু তা সাময়িকের জন্য। আমরা শারীরিক ব্যায়াম করাকালীন সময়ে যেমন শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ি তবে এই শারীরিক মিলন আমাদের শারীরিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ঠিক তেমনি শারীরিক মিলনও শারীরিক ব্যায়ামের ন্যায় সাময়িকভাবে ক্লান্ত করে কিন্তু এটি নিয়মিত করলে স্বাস্থ্যগত কিছু উপকারিতাও পাওয়া যায়। শারীরিক মিলন শারীরিক ব্যায়ামের মতই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আসুন জেনে নিই এই শারীরিক মিলন আমাদের স্বাস্থ্যে কী ধরনের উপকার করতে পারে।

শারীরিক মিলনের স্বাস্থ্য উপকারিতা :

১) আপনার হার্টকে ভাল রাখতে পারে এই শারীরিক মিলন। যার কামোদ্দীপনা ও অনুভূতি যতো বেশি জোরালো হবে তার হার্ট ততো বেশি সক্রিয় ও বলিষ্ঠ হবে।

২) প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিকে কমিয়ে দেয় শারীরিক সম্পর্ক।

৩) কর্মস্থলে নিজেকে গুটিয়ে রাখার প্রবণতা থাকে না। আগের চেয়ে বেশি বহির্মুখী ভাবধারা প্রকাশ পায় সার্বিক আচরণে। সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বাড়ে।

৪) এর ফলে আপনাকে দেখে আরও তরুণ, সজীব ও প্রাণবন্ত মনে হবে। কারণ এটি এক ধরনের শারীরিক ব্যায়ামও বলা চলে।

৫) স্বাস্থ্যসম্মত শারীরিক মিলন মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।


৬) মস্তিষ্ককে সজাগ ও সক্রিয় করে তোলে।

এছাড়া দেখুন :
সুস্থ ও সুন্দর যৌন জীবনের অনন্য স্বাস্থ্য উপকারিতা :

বিয়ে করার কথা ভাবছেন? তাহলে বিয়েটা করেই ফেলুন। কেননা চিকিৎসকেরা বলছেন যে সুস্থ ও সুন্দর যৌন জীবনের আছে হরেক রকম স্বাস্থ্য উপকারিতা। নিয়মিত যৌন মিলন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নানান ধরনের শারীরিক সমস্যা কমিয়ে ফেলে। ফলে সুস্থ ও সুন্দর একটি যৌন সম্পর্ক গড়ে তুললে সুখী,সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন লাভ করা যায়। আসুন,জেনে নেয়া যাক সুস্থ যৌন জীবনের ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা।

আদরের চুমু রোগ প্রতিরোধ করে (ভিডিওসহ)

 ছোট বাচ্চা দেখলে সবারই আদর করতে ইচ্ছা করে। সবাই চুমুও দেয়। তবে আপনার চুমুতে কোনো কাজ না হলেও শিশুর মায়ের চুমুতে বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। নিউজিল্যান্ডের এক গবেষণা থেকে সম্প্রতি এমনই তথ্য জানা গেছে।

জন্মানোর পর সব সন্তান মায়ের কাছ থেকে উষ্ণ আদর পায়। মা কোলে নেয়, আদর করে। সেই সময়ে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকলেও মায়ের চুমু রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে কান ও গলার ইনফেকশন রোধ হয় মায়ের প্রথম চুমুতে।


ইউনিভার্সিটি অফ ওটাগোর গবেষকরা জানিয়েছেন, সন্তান জন্মানোর এক মাস আগে থেকেই মায়ের মুখে এক ধরণের ব্যাকটেরিয়া জন্মায় যা শিশুর শরীর থেকে কে-১২ নামে একটি ব্যাকটেরিয়াকে দূর করে দেয়। এছাড়া মায়ের প্রথম চুমু সন্তানের কান ও গলার ইনফেকশন রোধে সহায়তা করে।

কোকা কোলার সাথে দুধ মেশালে যা হয়… (ভিডিওসহ)


 দুধ আর কোকা কোলা একেবারে ভিন্ন রকমের দুইটি পানীয়। এদেরকে একসাথে মেশাতে গেলে তার ফলাফল কি হবে?

দুধ পান করতে অনেকেরই অনীহা। বিশেষ করে বাচ্চাদের। প্রাপ্তবয়স্করাও অনেকেই দুধ পান করতে চান না। কোকা কোলা পান করতে আবার কারোই তেমন আপত্তি দেখা যায় না। একদিকে স্বাস্থ্যকর পানীয় দুধ, আরেকদিকে অস্বাস্থ্যকর অথচ সুস্বাদু কোকা কোলা- এদের একসাথে মেশালে কি হবে? কোকা কোলার সাথে মেন্টস মেশালে যেমন বিস্ফোরণ শুরু হয়ে যায় তেমন কিছু হবে?

না, তেমন চোখ ধাঁধানো কিছু হবে না। আসল ঘটনাটা দেখতে ঘন্টাখানেক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে আপনাকে। এই ইউটিউব ভিডিওতে দেখুন কি হয়। এক বোতল কোকের মাঝে দুধ মেশালে ঘন্টাখানেক পর স্বচ্ছ হয়ে আসবে মিশ্রণটি আর কিছু বাদামি তলানি পড়ে থাকবে বোতলের তলায়। বোতলের মাঝে আসলে কি ধরণের বিক্রিয়া ঘটে?

স্টিভ স্প্যাংলার সায়েন্স, একটি বিজ্ঞানধর্মী ব্লগের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তরল এবং তলানি আলাদা হয়ে যায় কারণ কোকের ফসফরিক এসিড এবং দুধের মাঝে বিক্রিয়া। ফসফরিক এসিডের অণুগুলো দুধের অণুর সাথে আটকে যায়, যাতে এর ওজন যায় বেড়ে এবং তরল থেকে আলাদা হয়ে তলানি হিসেবে পড়ে। বাকি হালকা তরল ওপরে থেকে যায় স্বচ্ছ হয়ে।

এই এক্সপেরিমেন্টের ভিডিও ইউটিউবে প্রথম দেখা যায় জানুয়ারিতে, কিন্তু এই সপ্তাহে তা ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এ পর্যন্ত ৩.৮ মিলিয়ন বারেরও বেশি দেখা হয়েছে এই ভিডিওটি।

বাসার ছাদে খোলামেলা রোমান্স করে বিপাকে যুবক-যুবতী (ভিডিওসহ)



বাসার ছাদে শুধু উন্মুক্ত আকাশ নয় আজকাল অনেক গোপন কিছুও হয়। কিছুদিন আগে কলকাতার অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের খোলামেলা দৃশ্য অনেকেই দেখে থাকবেন। এ নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনাও হয়েছিল।


নতুন এ ভিডিওটিতেও প্রেমিক জুটিকে বেশ খোলামেলা দৃশ্য দেখা গেছে বাড়ীর ছাদে। আর বেরসিক আরেক তরুণ তা অন্য বাসার ছাদ থেকে রেকর্ডিং করে ছেড়ে দিয়েছে অনলাইনে। সেদৃশ্য অল্পক্ষনের জন্য হলেও হতো.. বলা যায় ঘনিষ্ঠ অবস্থাতেই তাদের পুরো ভিডিওতে দেখা গেছে। পুরো বিষয়টি সরাসরি দেখুন ভিডিওতে।

ভিডিও দেখতে নিচে ক্লিক করুন

একসঙ্গে পাঁচ বান্ধবীর আত্মহত্যা


একসঙ্গে ওড়নায় হাত বেঁধে বিষে চুমুক দিয়েছিল ছয় বান্ধবী। বাঁধন খুলে বিষযন্ত্রণায় ছটফট অবস্থায় ছুটে এসে জানায়, ওরা ছয় বান্ধবী একসঙ্গে বিষ খেয়েছে।

গ্রামে লোকজন ছুটে গিয়ে দেখেন তেঁতুলতলায় পড়ে আছে পাঁচ কিশোরীর মৃতদেহ। ততক্ষণে ওদের কেউই আর বেঁচে নেই। এই তেঁতুলতলায় বসেই একসঙ্গে বিষপান করেছিল ছয় বান্ধবী। এ ঘটনা ঘটে পশ্চিম মেদিনীপুরের জামবনি ওড়ো গ্রামের নায়েকপাড়ায়। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

কি হতে পারে মৃত্যুর কারণ? খোঁজ শুরু হয়। শেষে যা জানা যায়, তা এ রকম- ওদের প্রত্যেকের প্রেমিক ছিল। গ্রামের মেলায় একসঙ্গে ঘুরতেও দেখা গিয়েছিল তাদের। তা নিয়ে গ্রামের লোকের বাঁকা কথা আর বাড়ির লোকের বকাবকির জেরেই ছয় কিশোরী একসঙ্গে কীটনাশক পান করে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ এ কথা জানায়।

সোমবার সন্ধ্যায় একসঙ্গে ওই ছয়জন কীটনাশক খায়। রাতেই মারা যায় নমিতা নায়েক (১৭), পালং নায়েক (১৬), সরস্বতী নায়েক (১৫), বুড়ু নায়েক (১৪) ও বেবি নায়েক (১৩)একমাত্র প্রাণে বেঁচে যায় পূজা নায়েক (১৭)। তাকেই জিজ্ঞাসাবাদ করেই পুলিশ জেনেছে এসব।

পুলিশের দাবি, পূজাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তাদের সকলেরই প্রেমিক ছিল। শিবরাত্রির মেলায় তারা দেখাও করেছিল। গ্রামের কিছু লোক তা দেখে বাড়িতে খবর দেয়। তার পর থেকে অশান্তির শুরু। অভিভাবকেরা তাদের বকাবকি করেন। জানিয়ে দেন, এই সব সম্পর্কে তাদের সম্মতি নেই।

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের শয্যায় পূজা জানায়, 'ছেলেগুলো আমাদের নিয়ে পালাতে চেয়েছিল। রাজি হইনি।' পুলিশের দাবি, তাদের কারও প্রেমই পরিণতি পাবে না মনে করে ছয়জন নিজেদের শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয় বলে পূজা জানিয়েছে।

পুলিশের ধারণা, আগে থেকেই আত্মহত্যার পরিকল্পনা করেছিল ছয় বান্ধবী। কয়েক দিন আগে শিবরাত্রির মেলা ভাঙার পরে প্লাস্টিকের বাটি সংগ্রহ করে তারা। সোমবার সন্ধ্যায় সেই বাটিতেই কীটনাশক ঢেলে সকলে মিলে একসঙ্গে চুমুক দেয়। সঙ্গে ছিল মুখরোচক নোনতা। আত্মহত্যার আগে ওড়নার ফাঁস দিয়ে পরস্পরের হাতও বেঁধে নিয়েছিল ছয় বান্ধবী। পূজা অবশ্য বিষের বাটি শেষ না করেই পালিয়ে আসে। তাই সে মরতে মরতেও বেঁচে যায়।

পাঁচ কন্যাকে হারিয়ে এখন থমথম করছে ওড়ো গ্রাম। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রামে আসে পাঁচ কন্যার দেহ। ওড়ো লাগোয়া কুপন নদীর ধারে এক সঙ্গেই জ্বলে ওঠে পাঁচটি চিতা।

মানুষের মতো মুখমন্ডল নিয়ে ভেড়ার বাচ্চার জন্ম !!

তুরস্কে একটি ভেড়া মৃত বাচ্চা জন্ম দিয়েছে যার মুখটি দেখতে অনেকটাই মানুষের মতো। বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে দেশটিতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।


সম্প্রতি ইউ টিউবে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে মৃত বাচ্চাটির মুখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখানো হয়েছে। সেখানে 

দেখা যায়, মৃত বাচ্চাটির মুখে মানুষের মতো দুটি ঠোঁট, ছোট্ট নাক ও উঁচু চিবুকের আভাস আছে।

কিছুদিন আগে তুরস্কের ইজমির গ্রাম সংলগ্ন একটি ভেড়ার খামারে ওই মৃত বাচ্চাটি জন্ম নেয়।

প্রাণী বিজ্ঞানীরা অবশ্য বিষয়টিকে খুব একটা আশ্চর্যের কিছু বলে মনে করছেন না। তারা বলছেন, ‘মৃত ভেড়ার ছানাটির মুখে মানুষের মতো ঠোঁট, নাক, চিবুকের আভাস থাকলেও সেগুলো আসলে ওসব কিছুই নয়। বরং মাঝে মাঝে কোনো এক অজ্ঞাত কারণে এ ধরনের বিকৃতি ঘটে থাকে। আবার গর্ভে থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন না পাওয়ায় ছানাটির হয়তো মুখ ঠিকমতো বিকশিত হয়নি।

বসের প্রেমে পড়েছেন বাংলাদেশী সেক্সি অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি! (ভিডিওসহ)


 অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কতবার যে প্রেমে পড়তে হয় তার কোন হিসাব নেই। প্রতিটি নাটক, টেলিফিল্মে একবার করে কোন না কোন চরিত্রের প্রেমে হাবুডুবু খেতে হয় তাদের। নচেৎ অভিনয় করবেন কী করে! সেই ধারাবাহিকতায় নতুন এক চরিত্রের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন জ্যোতিকা জ্যোতি।

চরিত্রটি আর কেউ নয়, অফিসের বস। জ্যোতির চরিত্রের নাম আলো । অফিসে বসের প্রেমে পড়ে কিন্তু বলেনা। বসের স্ত্রী রাগ করে বাবার বাড়ি চলে গেছে। এদিকে বস তার পারিবারিক সমস্যা মেটানোর জন্য বাসায় অ্যাপয়েন্ট করে আলোকে। আলোর সমবয়সী এক কন্যা রয়েছে তার। এদিকে আলো’র যত স্বপ্ন, কল্পনা, প্রেম সব তার বসকে নিয়ে। সে বসকে নিয়ে যা যা কল্পনা করে তাই বাস্তবে একদিন হবে বলে বিশ্বাস করে এবং তা নিয়ে তৈরি হয় নানা ঝামেলা। আলো বসের বাড়ি ছেড়ে যায়না, যাবেওনা তা জানিয়ে দেয়। আলোর এই অস্বাভাবিক ভালোবাসা অস্বাভাবিকতা তৈরি করে সব জায়গায়। এমনই চরিত্রে অভিনয় করলেন তিনি।

ধারবাহিক নাটকটির নাম ‘চলো হারিয়ে যাই’। এটি পরিচালনা করেছেন সাইফুল ইসলাম মান্নু। প্রতি মঙ্গলবার ও বুধবার রাত ১১:৩০ মিনিটে নাটকটি প্রচারিত হচ্ছে এনটিভিতে।


এ বিষয়ে জ্যোতিকা জ্যোতি বলেন, ‌আলো নামের একটি মেয়ের চরিত্রে আমি এখানে অভিনয় করেছি। একটু ডিফরেন্ট টাইপের কাজ। প্রায় মাস দুয়েক আগে শুটিং শুরু করেছিলাম নাটকটির। অনএয়ার শুরু হয়েছে অনেক আগেই। ভালই রেসপন্স পাচ্ছি।

প্রতি মাসেই চলছে এ নাটকের শ্যুটিং। এতে বসের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শামস সুমন, আর তার মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাশিয়াত ।

এ ধারাবাহিকটি ছাড়াও তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‌জোয়াড়ি প্রচারিত হচ্ছে বৈশাখি টিভিতে, এটিএন বাংলায় প্রচারিত হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ‘দিবানিশি’। এ ছাড়াও একক নাটক অন্তুষ্টি ক্রিয়া, যে চিঠির কোনো ঠিকানা নেই, পরীদের গল্প, জলকন্যা, চেইন ক্যাফে, ভেতর বাহির, বেওয়ারিশ লাশ, ভালোবাসার অনুভূতিসহ বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেন জ্যোতিকা জ্যোতি।

ফাঁস হলো বাংলাদেশী হট অভিনেত্রী সিমলার আইটেম গানে নগ্ন হওয়ার বিষয় (ভিডিওসহ)



আবার আইটেম গানে অংশ নিলেন অভিনেত্রী সিমলা। নতুন ছবি নাইওর-এর একটি গানে নাচতে দেখা যাবে তাঁকে। গত বৃহস্পতিবার রাতে রমনা পার্কে শুরু হয় এই আইটেম গানের শুটিং। নতুন এই ছবিটি পরিচালনা করছেন রাশিদ পলাশ। ‘রং লেগেছে রংমহলে, রঙের ফুলকি ওড়ে রে’ শিরোনামের গানটি গেয়েছেন সিনথিয়া।

মুঠোফোনে পরিচালক রাশিদ পলাশ বলেন, ‘নাইওর ছবিতে সিমলা একজন বাইজির চরিত্রে অভিনয় করেছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন যাত্রাপালায়ও নাচতে যান। মূলত এই ব্যাপারটি ফুটিয়ে তুলতেই একটি আইটেম গান রাখা হয়েছে ছবিতে।’ সিমলা বলেন, ‘এর আগে আরও একটি ছবির আইটেম গানে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু ছবিটির কাজ পরে আর এগোয়নি। সে হিসেবে এটাই আমার প্রথম আইটেম গান বলা যায়।’নাইওর-এ আরও অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ, আনিসুর রহমান মিলন, সাদিয়া মজুমদার, ফজলুর রহমান বাবু, মোমেনা চৌধুরী, রাশেদ মামুন অপু।

উন্মুক্ত কনে বাজার, ইচ্ছেমতো মিলবে সুন্দরী বউ!



ইউরোপের সমৃদ্ধিশালী দেশ বুলগেরিয়ায় স্টারা জোগরা শহরের একটি উন্মুক্ত মার্কেটের চিত্র দেখলে মনে হবে সুন্দরীদের নিয়ে কোন প্রতিযোগিতা হচ্ছে। লাইন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন সুন্দরীরা। কেউ রূপচর্চা করছেন। কেউ আবার পোশাক-আশাকের সঙ্গে স্বর্ণালংকারগুলো আরেক বার ঠিক করে নিচ্ছেন।

আসলে নতুন সঙ্গী (স্বামী) খোঁজার জন্য তাদেরকে এই ‘কনে বাজারে’ তুলেছেন তার মা-বাবারা। নির্দিষ্ট এই দিনগুলোতে সুন্দরী বউয়ের খোঁজে পাত্রসহ পাত্রপক্ষও হাজির হন এই হাটে।

রোমা সম্প্রদায়ের (স্থানীয় ভাষায় কালাইদেঝি) গরিব মা-বাবারা তাদের মেয়েদের হাটে তোলেন। এ জন্য মেয়ের বিয়ের সব খরচ বাবা-মাকে দিয়ে থাকে ওই সম্প্রদায়ের একটি ইউনিয়ন।

একসঙ্গে ৩৮০০ যুগলের বিয়ে! ভিডিও


একসঙ্গে ৩৮০০ যুগলের বিয়ের ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ইউনিফিকেশন চার্চের সদর দফতরে।  মঙ্গলবার কয়েক হাজার যুগল এক গণবিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।  তাদের ‘ধর্মগুরু’ এবং চার্চের প্রতিষ্ঠাতা সান মিউং মুনের মৃত্যুর পর থেকে এটি ছিল তৃতীয় গণবিয়ের ঘটনা।

বিয়ের পোশাক পরিহিত প্রায় তিন হাজার ৮শ’ যুগল দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের পূর্বাঞ্চলের গাপিয়ংয়ে এ গণবিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এদের অধিকাংশ তরুণ-তরুণী। এ ধরনের গণবিয়ে সাধারণত বড় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে ৯২ বছর বয়সে নিউমোনিয়া জটিলতায় মুন মারা যান। তার ৭২ বছর বয়সী বিধবা স্ত্রী হ্যাক জা হান মঙ্গলবারের এ গণবিয়ে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

ষাটের দশকের শুরুতে এ চার্চে গণবিয়ে শুরু হয়। প্রথম দিকে এ ধরনের বিয়েতে অল্পসংখ্যক যুগল অংশ নিলেও পরে এ সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকে। তবে মঙ্গলবারের গণবিয়েতে অংশ নেয়া অধিকাংশ যুগল আগে থেকেই বিবাহিত ছিলেন। তারা তাদের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে পুনরায় এ গণবিয়েতে এসেছেন।  এছাড়া ৮শ’ নতুন যুগল এ গণবিয়েতে অংশ নেন।

অভিনেত্রী হানসিকার নগ্ন স্নানের ভিডিও ইন্টারনেটে ফাঁস! (ভিডিওসহ)


দিনে দিনে সেলিব্রেটিরা বিভিন্ন দুষ্টচক্রের শিকার হচ্ছেন। এবার এ চক্রের শিকার হলেন, ‘আপ কা সুরোর’ খ্যাত অভিনেত্রী হানসিকা মোতওয়ানি। প্রিতি জিনতা ও রাধিকা আপ্তের নকল নগ্ন ছবি ফাঁসের পর একই ধরনের ঘটনার শিকার হলেন হানসিকা।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে হানসিকার মতোই দেখতে এক তরুণীর নগ্ন-স্নানের ভিডিও। ফেসবুক, হোয়াটস্যাপের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলিতে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে ওই ভিডিও।
বিষয়টির অবিলম্বে তদন্ত শুরু করার জন্য সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে।


কয়েক সপ্তাহ আগেই রাধিকা আপ্তের মতোই দেখতে একজনের নগ্ন স্নানের সেলফি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

উত্তেজনায় সুন্দরী নারী নিজের গোপনাঙ্গে ___ঢুকিয়ে…. (ভিডিওসহ)

 জেলখানায় ড্রাগ ব্যাবহার করে ধরা পড়া এক নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর ওই নারীর যৌনাঙ্গে পাইপের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই পাইপের কারনেই শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে।

চিকিৎসকরাও জানান, এপ্রিল রলিসন নামের আটককৃত সেই নারীর যৌনাঙ্গে কোকেন ক্র্যাক পাইপ আটকে রয়েছে। এরপরই সেই পাইপ বের করে আনার অপারেশন শুরু হয়। অপারেশন সফল হয়, যৌনাঙ্গ থেকে বের হয় ভাঙা কোকেন ক্র্যাপ পাইপ।


সফল অপারেশনের পর কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলে ৩০ বছর বয়সি সেই নারীকে জেলে ফেরত পাঠানো হয়। কিন্তু একদিন পরেই তিনি ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন। জেলের মধ্যেই মাথা ঘুরে পড়ে মৃত্যু ঘটে তার।

ওই নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১২ বছর বয়স থেকে তিনি কোকেন ব্যবহার করে আসছে। সফল অস্ত্রপচারের পরেও কী করে ওই নারী মারা গেলেন তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

কয়দিন পর পর হস্তমৈথুন করলে ভবিষ্যৎকালে কোনো সমস্যা হবে না? (২টি ভিডিওসহ)

কয়দিন পর পর হস্তমৈথুন করলে ভবিষ্যৎকালে কোনো সমস্যা হবে না?

-হস্তমৈথুন এমন একটি অভ্যাস যা একবার কাউকে পেয়ে বসলে ত্যাগ করা খুবই কষ্টকর হয়ে দাড়ায়। শুধু তাই না অভ্যাসটিই এক সময় অনেকের যৌন জীবন বিপর্যস্ত করে তুলে। হস্তমৈথুনের কারণে দুই ধরনের সমস্যা হয়—(১)মানসিক সমস্যা। (২)শারীরিক সমস্যা।

অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যে ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে :

– পুরুষ হস্তমৈথুন করলে প্রধান যে্সব সমস্যায় ভুগতে পারে তার মধ্যে একটি হল নপুংসকতা (Impotence)।।অর্থাৎ ব্যক্তি যৌন সংগম স্থাপন করতে অক্ষম হয়ে যায়।পুরুষ হস্তমৈথুন করতে থাকলে সে ধীরে ধীরেনপুংসক(Impotent)হয়ে যায়।

– অকাল বীর্যপাত(Premature Ejaculation)।অর্থাৎ খুব অল্প সময়ে বীর্যপাত ঘটে।ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়।বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না।।

– Temporary Oligospermia।।Oligospermia হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়।তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম।[২ কোটি]।যার ফলে Male infertility দেখা দেয়।অর্থাৎ সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতার দেখা দেয়। একজন পুরুষ যখন স্ত্রী গমন করেন তখন তার থেকে যে বীর্য বের হয় সে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত।

স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতে কোন পুরুষের থেকে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু বের হয় তাহলে সে পুরুষ থেকে কোন সন্তান হয় না।।অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়।Dr.Liu বলেন–
“There is a huge change in body chemistry when one
masturbates excessively”

– Nervous system,heart,digestive system,urinary system
এবং আরো অন্যান্য system ক্ষতিগ্রস্ত হয় । পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ-বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায়।

– চোখের ক্ষতি হয়।


– স্মরণ শক্তি কমে যায়।

– মাথা ব্যথা হয় ইত্যাদি আরো অনেক সমস্যা হয় হস্তমৈথুনের কারণে।

– আরেকটি সমস্যা হল Leakage of semen।অর্থাৎ সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হওয়া।

– শারীরিক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা।

– যৌন ক্রিয়ার সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হওয়া অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া।

– শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন: হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে। দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারণ অতিরিক্ত হস্তমৈথুন।

– হস্তমৈথুনের ফলে অনেকেই কানে কম শুনতে পারেন এবং চোঁখে ঘোলা দেখতে পারেন।
হস্তমৈথুন ছাড়ার টিপস : – কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন। – মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। নিজের মা বা বোন মনে করবেন। – যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন। – ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান। – যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন। – কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে। – যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইভ বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে্র প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন। – হস্তমৈথুন একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে না। নিজেকে বোঝাবেন যে মাঝে মাঝে করবেন। ঘনঘন নয়। – যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলুন। – হস্তমৈথুনে চরমভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন। – সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন। – ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে। – সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না। – ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন। – যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন। – বাথরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন। – যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন। – বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান। – ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। – নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন। – ফোনসেক্স এড়িয়ে চলুন – অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই। – উপুর হয়ে ঘুমাবেন না। – বিকেলের পরে উত্তেজক ও গুরুপাক খাবার খাবেন না। – গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাপ করবেন না।

ধর্ষনে বাধা না দিয়ে, উপভোগ করা উচিত ছিলো সুন্দরী যুবতীর… (ভিডিওসহ)

২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে, দিল্লিতে যে নৃশংস গণধর্ষণকাণ্ডের ঘটনা সারা দেশ জুড়ে প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে ছিল, সেই জঘন্য ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত মুকেশ সিংহ বিবিসি ও টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছে, সেই রাতে মেয়েটির তাদের ধর্ষণে বাধা না দিয়ে, চুপচাপ ধর্ষিত হওয়া উচিত্ ছিল।

তার দাবি, ধর্ষণ যখন হয়, তখন একজন মেয়ে, একজন পুরুষের চেয়ে অনেক বেশি দায়ি হয়ে সেই ঘটনার জন্যে। ওই ঘটনার জন্য এতটুকুও অনুতপ্ত নয় মুকেশ সিংহ, তার দাবি মেয়েটি ও তার বন্ধু যদি সেদিন বাধা না দিত, তাহলে হয়তো মেয়েটির মৃত্যু ঘটত না। তার কাছে ১৬ ডিসেম্বর রাতের ঘটনাটি নিছকই এক দুর্ঘটনা মাত্র।


শুধু এখানেই থেমে থাকেনি ধর্ষক মুকেশ সিংহ। তার বক্তব্য, কোনও ভদ্র, সভ্য পরিবারের মেয়ে রাত ন’টার সময় বন্ধুর সঙ্গে বাড়ির বাইরে ঘুরে বেড়ায় না। সমাজের চোখে আজও ছেলে এবং মেয়ে সমান নয়। মেয়েদের মূলত বাড়ির কাজই করা উচিত্। অথচ এখন তারা রাতে ছোট পোশাক পরে ডিসকোতে ঘুরে বেড়ায়। তার দাবি, এখনকার দিনে মাত্র কুড়ি শতাংশ মেয়েই ভাল চরিত্রের। তার মনে হয়, তাকে যদি ফাঁসি দেওয়াও হয়, তাহলেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না। বরং ফাঁসির নির্দেশে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যাবে।

মুকেশ সিংহ শুধু নয়, তার আইনজীবী আরও মারাত্মক মন্তব্য করেছেন এই ঘটনা প্রসঙ্গে। আইনজীবী এপি সিংহ দাবি করেছেন, তাঁর মেয়ে বা বোন যদি বিয়ের আগে এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকত, যা বিয়ের আগে করা উচিত নয়। তাহলে তিনি সেই মেয়ে বা বোনকে তাঁদের খামাডরবাড়ি নিয়ে গিয়ে সারা পরিবারের সামনে বেধড়ক মারতেন। তারপর গায়ে পেট্রোল ঢেলে জ্যান্ত পুড়িয়ে দিতেন।

মুকেশ সিংহ-র এই সাক্ষাত্কারটি বিবিসি-৪-এ আগামী ৮ মার্চ সম্প্রচার করা হবে।

স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে মেয়েকে ধর্ষণ করলেন পাষন্ড বাবা (ভিডিওসহ)



 বাবার হাতেই ধর্ষিতা নাবালিকা৷ উত্তরাঞ্চলের হল্দওয়ানি জেলার বনভুলপুরা এলাকার ঘটনা৷ পুলিশের কড়া জিজ্ঞাসাবাদ চালাকালীন সত্যি কথা স্বীকার করতে বাধ্য হলেন ওই ব্যক্তি৷ ওই ব্যক্তি জানিয়েছে নেশার ঘোরে নিদজের মেয়েকে ধর্ষণ করেছে সে৷ যদিও এরআগে ওই ব্যক্তি নিজের বন্ধুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিল৷ পুলিশ অভিযুক্ত ববার সঙ্গে তার বন্ধুকেও হেফাজতে নিয়েছে৷


ওই ব্যক্তির বন্ধু জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে মদ খাওয়ার পর সে বাড়ি চলে গিয়েছিল৷ কিন্তু তার বয়ানে সন্দেহ প্রকাশ করেছ পুলিশ৷ অন্যদিকে ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন তার স্ত্রী৷ বরেলি রোড এলাকায় শনিবার রাতে দুই বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে৷ ঘটনার পর থেকেও অভিযুক্ত বাবা পলাতক ছিল৷ পুলিশ গভীর রাতে তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্ত বাবা ও তার বন্ধুকে গ্রেফতার করে৷ পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত বাবা তার অপরাধ স্বীকার করে৷

অভিযুক্ত জানিয়েছে, শনিবার রাতে সে তার বন্ধুর সঙ্গে মদ্যপান করে৷ এরই মাঝে তার বন্ধু তার মেয়েকে ধর্ষণ করে৷ যদিও পুলিশ কড়া জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে সে জানায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তার স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়৷ ফলে তার স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যায়৷ এই কারণেই সে বন্ধুর সঙ্গে বসে মদ্যপান করে৷ এরপরেই সে তার মেয়েকে ধর্ষণ করে৷

অভিযুক্ত মূল রূপে বরেলির বাসিন্দা৷ কিন্তু বিগত সাত বছর ধরে সে হল্দওয়ানি এলাকার থেকে দাম্পার চালাত৷ তার দুই পুত্র সন্তানের পর কন্যা সন্তানের জন্ম হয়৷ অন্যদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বন্ধু জানিয়েছে, সে মদ খাওয়ার পর বাড়ি চলে গিয়েছিল৷ সে তার বন্ধুর মেয়েক ধর্ষণ করেনি৷

পুলিশ সূত্রে খবর, নাবালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত বাবার বিরুদ্ধে বিভন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ এছাড়াও শিশুকন্যার মেডিকেল টেস্ট করানোর পর আপাতত রিপোর্টের অপেক্ষা করছে পুলিশ৷

দর্শক গ্যালারি থেকে রুবেলকে বিয়ের প্রস্তাব

সাবেক প্রেমিকা হ্যাপির করা মামলায় এমনিতেই অনেক ধকল গেছে জাতীয় দলের ক্রিকেটার রুবেল হোসেন এর উপর। সংশয় জেগেছিল বিশ্বকাপে খেলা নিয়েই। তবে অনেক ঝক্কি-ঝামেলার শেষ-মেষ ঠিক ই বিশ্বকাপ খেলতে গেছেন অস্ট্রেলিয়ায়। খেলেছেন আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুইটি ম্যাচেই।

তবে, বাংলাদেশ ছেড়ে অস্ট্রেলিয়াতেও পৌছালেও হ্যাপির ভূত যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না তার। খেলার দিন কেউ না কেউ গ্যালারিতে তাকে আর হ্যাপিকে নিয়ে মজার মজার প্লাকার্ড বানিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। যেমন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের দিন বিখ্যাত মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড এর গ্যালারিতে এক তরূণী তাকে দিয়ে বসেছেন বিয়ের প্রস্তাব!

প্লাকার্ডে তিনি লিখেছেন, “আমাকে বিয়ে করো রুবেল, আমি তোমাকে অনেক সুখে (হ্যাপি) রাখবো!”

মৃত মানুষের জাদুঘর (ভিডিও)

জার্মানির বার্লিনে গত বুধবার একটি বিচিত্র ধরণের জাদুঘর স্থায়ীভাবে চালু করা হয়েছে। অন্যান্য যেকোনো জাদুঘরের চেয়ে এটি একেবারেই ব্যতিক্রম, কিছুটা আশ্চর্যজনকও বটে। জাদুঘরটি সাজানো হয়েছে মানুষের মৃতদেহ দিয়ে।

অনেকগুলো মানবদেহের চামড়া ছাড়িয়ে সেগুলো সংরক্ষণ করে মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রদর্শিত হয়েছে এই জাদুঘরে।

জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করেছেন জার্মানির অঙ্গসংস্থানবিদ গুন্থার ভন হ্যাগেনস এবং তার স্ত্রী অ্যাঞ্জেলিনা ভয়েলি। তারা প্রদর্শিত মৃতদেহগুলোর মধ্যে সিলিকন রাবার এবং রেজিন নিষিক্ত করে সেগুলো সংরক্ষণ করেছেন। ভন হ্যাগেনস নিজের সৃষ্ট এই পদ্ধতিটির নাম দিয়েছেন ‘প্লাস্টিনেশন’।

ড. ডেথ নামে পরিচিত ভন হ্যাগেনস তার এই বিতর্কিত জাদুঘর প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯৫ সাল থেকে যুদ্ধ করে আসছেন। স্থানীয় প্রশাসন এভাবে মৃতদেহ প্রদর্শনকে বেআইনি বলে অভিহিত করেছেন।

প্রদর্শন নিষিদ্ধ করার দাবী জানান। গত অক্টোবর আদালতে এটা নিয়ে মামলা হয়ে ভন হ্যাগেনস জয়ী হন মামলায়।
এখন তার এই জাদুঘর স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বার্লিনের আলেকজেন্ডারপ্লেটজ-এ অবস্থিত এটি।

১,২০০ বর্গমিটারের এই জাদুঘরে ২০টি চামড়া ছাড়ানো মৃতদেহ প্রদর্শন করা হয়েছে। এগুলোর বিভিন্ন শারীরিক অঙ্গ, হাড়, পেশি এবং শিরা-উপশিরা দেখা যাচ্ছে। বসা, দৌড়ানো, খেলাধূলারত অবস্থায় রয়েছে এ দেহগুলো।

ভয়েলি বলেন, এই জাদুঘর এখানে ঘুরতে আসা মানুষদেরকে মানুষের দেহ এবং জীবনধারণ সম্পর্কে নতুন ধারণা দেবে। তিনি আরও বলেন, গত ৬ মাসে এখানে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে করা এক জরিপ থেকে জানা গেছে, তাদের মধ্যে ৯ শতাংশ ধূমপান ছেড়ে দিয়েছে, ২৩ শতাংশ ব্যায়াম করার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ৩০ শতাংশ মানুষ তাদের খাবার সম্পর্কে সচেতন হয়েছে।

তবে শুধু মৃতদেহ সংরক্ষণই নয়, এটিকে একটি শিল্পকর্ম বলে অভিহিত করেছেন ৬১ বছর বয়সী ডেটলেফ ভন ওয়াগনার। তিনি নিজেও তার মৃত্যুর পর প্লাস্টিনেশনের জন্য তার মৃতদেহ দান করতে সম্মত হয়েছেন।

গাড়ি পানিতে পড়ার ১২ ঘণ্টা পরও জীবিত শিশু

 সেতু থেকে পানিতে পড়ে যাওয়া একটি গাড়ি থেকে ১২ ঘণ্টা পর এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। গত শনিবার এক মৎস্যজীবী ওই শিশু ও সঙ্গে থাকা মায়ের লাশ উদ্ধার করেন।

আজ সোমবার এএফপির খবরে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ইউটা অঙ্গরাজ্যের স্প্যানিশ ফর্ক শহরে এ ঘটনা ঘটে। লিন জেনিফার গ্রোয়েসবেক (২৫) নামের এক নারী গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফেরার সময় এটি সেতু থেকে নিচে পানিতে পড়ে যায়। গাড়িতে জেনিফারের শিশুকন্যাও ছিল। গাড়িটি উল্টে গিয়ে পানিতে ভাসছিল। দুর্ঘটনায় জেনিফার মারা যান। তবে তীব্র শীতে প্রায় ১২ ঘণ্টা কাটানোর পরও শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে জানানো হয়, একজন মাছ শিকারি জেনিফারের লাশ ও শিশুটিকে দেখতে পান। তিনি পুলিশকে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।


চিকিৎসকেরা জানান, শিশুটির অবস্থা স্থিতিশীল, তবে সংকট পুরোপুরি কাটেনি।

বাড়ি কিনলে সুন্দরী বউ ফ্রি!



বাড়ি বিক্রির জন্য অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার এক নারী। আর দশটি বাড়ির মতো একতলা বাড়িটিতে দুটি শয়নকক্ষ, দুটি স্নানাগার, একটি গাড়ি রাখার স্থান ও একটি মাছের পুকুর রয়েছে। কিন্তু তাঁর বিজ্ঞাপনটি দেখে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে মানুষ। কারণ বাড়ির ক্রেতার রয়েছে ‘এক বিশেষ প্রস্তাব’।

বার্তা সংস্থা এএফপির এক খবরে জানানো হয়, ইন্টারনেটে দেওয়া বিজ্ঞাপনে ওই বাড়িটি উল্লেখ করা বৈশিষ্ট্যর সঙ্গে দেওয়া বিশেষ প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘আপনি যখন বাড়িটি কিনবেন, চাইলে বাড়ির মালিককে বিয়ের প্রস্তাব দিতে পারেন।’ বিজ্ঞাপনে বাড়ির ছবির সঙ্গে ৪০ বছর বয়সী বাড়িটির মালিক উইনা লিনার ছবি দেওয়া হয়েছে। ছবিতে লিনা বাড়ির সামনে রাখা গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে।
তবে ওই বিজ্ঞাপনে কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। ‘প্রকৃত ও এক দামের’ ক্রেতাদের জন্য বিশেষ প্রস্তাবটি প্রযোজ্য হবে। ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের সলেমানে বাড়িটি কিনতে খরচ হবে ৯৯৯ মিলিয়ন রুপিয়া। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ৫৮ লাখ টাকা।


এ সংবাদটি প্রচার হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে দ্রুতই তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বোল্ডিস ৯৯ নামের জনপ্রিয় একটি অনলাইন ফোরাম জানায়, ‘লি দুর্দান্ত স্মার্ট, তিনি বাড়িটি বিক্রি করবেন, আবার মালিকও থেকে যাবেন।’

বাড়ির মালিক লি বলেন, অনেক সাংবাদিক তাঁর সাক্ষাৎকার নিতে এসেছেন। এ ছাড়া দেশটির পুলিশ তাঁকে জেরা করছে। এমন প্রতিক্রিয়ায় তিনি কষ্ট পেয়েছেন।

দুই সন্তানের জননী লি বলেন, বাড়ির ক্রেতা ও তাঁকে বিয়ে করতে পারে এমন এক ব্যক্তিকে খুঁজে দিতে তাঁর বন্ধুকে তিনি বলেছিলেন। ওই বন্ধু বাড়ি কেনাবেচার দালাল। লির দাবি, সীমিতসংখ্যক মানুষদের সংবাদটি জানানোর জন্য তিনি বন্ধুকে বলেছিলেন। কিন্তু অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিতে বলেননি।

বিয়ের পাত্রের ব্যাপারে লির ভাষ্য, ক্রেতা অবিবাহিত বা বিপত্নীক হলে এবং বিয়ের জন্য যদি পাত্রী খুঁজলে আমাকে বলতে পারেন। আমিও তো বিধবা।

আজ বুধবার পর্যন্ত কেবল একজন সম্ভাব্য ক্রেতা পাওয়া গেছে। তবে তাঁর বিস্তারিত জানাননি ওই নারী।

প্রয়োজনে বিকিনি পড়ে অর্ধনগ্ন হতেও রাজি আছি: বাংলাদেশী ডিজে সনিকা (ভিডিওসহ)


অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠতে চাইছেন ডিস্ক জকি মারজিয়া কবীর সনিকা। ছোট পর্দায় ধীরে ধীরে নিয়মিত হয়ে ওঠা সনিকা বলছেন, ডাক এসেছে চলচ্চিত্র থেকেও। ঢাকাই সিনেমার পাশাপাশি টালিগঞ্জের সিনেমায়ও অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন।

তবে চলচ্চিত্র নিয়ে মোটেই তাড়াহুড়ো করতে চান না সনিকা। টিভি নাটকে নিজের অবস্থান আরও পোক্ত করে তবেই চলচ্চিত্রে অভিনয় করবেন।

সনিকা জানান, ‘প্রথমেই আমার সিনেমার গল্প ও চরিত্র পছন্দ হতে হবে। সিনেমাতে আমার অভিনয়ের যথার্থ সুযোগ থাকলে তাতে অভিনয় করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। সে সিনেমা অফট্র্যাক হোক কিংবা মূলধারার।’

সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে সনিকার ‘ভালো লাগে’ গানটি। নিজের লেখা ও সুর করা গানটি মিউজিক ভিডিওতে কোরিওগ্রাফিও তার নিজের।

গানটি নিয়ে সনিকা বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিসরে আমি ডিজে হিসেবে কাজ করছি। আমি সবসময় প্রচলিত ধারার বাইরে ভিন্নধারার একটি মিউজিক ভিডিও নির্মাণের পরিকল্পনা করছিলাম, যা সত্যি আন্তর্জাতিক মানের। এই মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করতে গিয়ে আমি বিশ্বজুড়ে বাঙ্গালি এনআরবি ফ্যানদের কথাও ভেবেছি।’

গানটি নিয়ে সনিকা বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পরিসরে আমি ডিজে হিসেবে কাজ করছি। আমি সবসময় প্রচলিত ধারার বাইরে ভিন্নধারার একটি মিউজিক ভিডিও নির্মাণের পরিকল্পনা করছিলাম, যা সত্যি আন্তর্জাতিক মানের। এই মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করতে গিয়ে আমি বিশ্বজুড়ে বাঙ্গালি এনআরবি ফ্যানদের কথাও ভেবেছি।’

মিউজিক ভিডিওতে খোলামেলা উপস্থিতির কারণে বিভিন্ন মহলে সমালোচিত হলেও তার ‘পরোয়া’ করেন না তিনি।


সনিকা আরও বললেন, ‘আগামীতে মিউজিক ভিডিওতে প্রয়োজনে খোলামেলা পোশাক অথবা বিকিনিও পড়তে পারি। তবে এটা নির্ভর করছে আমার মুড ও ফ্যাশনের উপর।’

সনিকা জানালেন, এ বছরে তার নতুন অ্যালবাম বাজারে আসছে। অ্যালবামে থাকছে ছয়টি গান। অ্যালবাম প্রকাশের আগে গানগুলোর মিউজিক ভিডিও অনলাইনে প্রকাশ করবেন বলে জানালেন তিনি।

ভিডিও (ভালো লাগে)

ইউটিউবে ঝড় তুলতে আসছে যৌনতায় ভরপুর সিনেমা ‘কিল দ্য রেপিস্ট’ (ভিডিওসহ)


কসমিক্স সেক্সের পর এবার অনলাইনে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সঞ্জ ছেলে নির্মিত থ্রিলার ‘কিল দ্য রেপিস্ট’।

সম্প্রতি নির্ভয়ার ওপর তৈরি তথ্যচিত্র নিষিদ্ধ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সেই কারণে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়াসহ সারা দেশ। আর এই সুযোগে দেশে মুক্তির ছাড়পত্র পাওয়ার আগেই ইউটিউবে ‘কিল দ্য রেপিস্ট’ আপলোড করে দিতে চান প্রযোজক সিদ্ধার্থ।

তবে গত ২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর ছবি মু্ক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পরিচালক। কিন্তু সেন্সর বোর্ডের ছাত্রপড় পায়নি এই ছবি। প্রযোজক জানান, ছবির ট্রেলর মুক্তির পরই যেই সাড়া পেয়েছিলাম, আস্তে আস্তে তা কেমন যেন ঝিমিয়ে আসতে থাকে। ‘ইন্ডিয়াস ডটার’ আবার সেই উত্‍সাহ ফিরিয়ে এনেছে আমার। তাই ছবিটি আদতে মুক্তির আলো দেখবে কিনা তা এখনও অনিশ্চিত। সে কারণে এপ্রিলের মাঝামাঝি ৯০ মিনিটের এই থ্রিলার ইউটিউবে রিলিজের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

২০১২ সালে দিল্লি গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় নিয়ে এই ছবি তৈরি করেন সিদ্ধার্থ। যে ছবিটির মাধ্যমে সমাজের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছে ধর্ষকদের কী শাস্তি হওয়া উচিত? বা ধর্ষকদের কি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত?


‘কিল দ্য রেপিস্ট’ এর ট্রেলার…

বাংলাদেশের আলোচিত অভিনেত্রী তিশার ভিডিও ফাঁস (ভিডিওসহ)

 অন্যরকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন দেশের জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। অতীতে অনেক ঈদ ও পূজার নাটকে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। সেগুলোর শুটিংও হয়েছে বিচ্ছিন্নভাবে। তবে এবার পূজা ও ঈদের নাটকের মাধ্যমে ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা অর্জন হলো তার।

চলতি মাসের ৪ঠা সেপ্টেম্বর পূজার নাটক ‘সন্ধ্যাকমল’ এবং ঠিক তার পরদিনই ঈদের নাটক ‘লাভ এন্ড ওয়ার’-এর শুটিং করেছেন তিশা। বিষয়টি নিয়ে খুব শিহরিত তিশা। কারণ, পূজার ঠিক বিপরীত সাজ ও লুকেই তাকে হাজির হতে হয়েছে ঈদের নাটকে। দুটি নাটকের গল্পের প্রেক্ষাপটও ছিল একদমই বিপরীতমুখী। এই প্রথমবারের মতো পর পর পূজা ও ঈদের নাটকের শুটিং করলেন তিশা।সন্ধ্যাকমল’ নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন সুমন আনোয়ার। এখানে আফরান নিশোর বিপরীতে দেখা যাবে তাকে। নাটকে আরও অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ, শিমুল প্রমুখ। নাটকের গল্পে ব্রাহ্মণ পরিবারের ছেলে নিশোর স্ত্রী তিশা। পরবর্তীতে তাদের দাম্পত্য জীবনে তৈরি হয় দূরত্ব। এক সময় তিশাকে বাড়ি ছাড়াও হতে হয়। এরপরই ঘটনা মোড় নেয় অন্যদিকে। নাটকটি আসছে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আরটিভিতে প্রচার হবে।‘লাভ এন্ড ওয়ার‘ একটি সম্পূর্ণ রোমান্টিক গল্পের নাটক। তাহসানের বিপরীতে এখানে দেখা যাবে তিশাকে। গল্পে দেখা যাবে তাহসান ও তিশা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বন্ধু। তবে বিভিন্ন কারণে তাদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। অবশ্য শেষের দিকে নিজেদের সেই ভুল বুঝতে পারবেন তারা। নাটকটি যে কোন একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রচার হবে।

পূজা ও ঈদের নাটকে পর পর কাজ প্রসঙ্গে তিশা বলেন, এটা নতুন অভিজ্ঞতাই। কারণ, পর পর এরকম করে পূজা ও ঈদের নাটকের শুটিংয়ে আগে অংশ নিতে হয়নি। দেখা গেছে পূজার নাটকে শাড়িসহ ভারি সাজে শুটিং করতে হয়েছে। আবার ঈদের নাটক ‘লাভ এন্ড ওয়ার’-এ রাফ এন্ড টাফ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণীর ভূমিকায় অভিনয় করতে হয়েছে। এটা বেশ ভাল একটি অভিজ্ঞতা। পূজা ও ঈদ দুটি আমাদের দেশের বড় দুটি উৎসব। ভাল লেগেছে নাটক দুটিতে কাজ করতে।

তিশার সেক্স স্ক্যান্ডালের একটি ভিডিও নিচে দেখুন…

মহিলাদের ফ্যাশনে নগ্ন ভ্রান্তি (এক ডজন জনপ্রিয় নায়িকাদের ভিডিও)

ফ্যাশন মানে কী? অতিরিক্ত মেকআপ করে এক গা গয়না পরে বসে থাকা? আদৌ নয়৷তাহলে কি প্রচণ্ড ঝলমলে একটা পোশাক পরে দিনের বেলায় বেরিয়ে পড়া৷ না, তা-ও নয়৷ আসলে ফ্যাশন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকার ফলেই প্রায়শই আমরা নিজেদের অজান্তে এমন কিছু ভুল করে বসি, যে অনেকেই আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করতে থাকেন৷


পরেছিলেন সাধ মিটিয়ে, তাহলে পরে না হয় একটু সোবার লুকেই নিজেকে মেন্টেন করুন৷ ভারতীয় পোশাকের সঙ্গে গয়না ভালো লাগলেও, যতটুকু মানায় ততটুকুই পরুন৷ নিজেকে জুয়েলারি মিউজিয়াম বানিয়ে কাজ নেই৷

২) সব পেয়েছির দেশে- কথায় রয়েছে, যা পেয়েছ তার সদ্ব্যবহার করো৷ কিন্তু কতটা নিজের জন্য প্রয়োজন সেটাই আমরা অনেকে বুঝতে পারি না৷বুকের খাঁজ বা শরীরের ভাঁজ দেখানো বা খুব ছোট টপ পরে বেরিয়েই সবসময় নিজের সেক্স অ্যাপীল বাড়ে না৷উল্টে আপনার ফ্যাশন সেন্স নিয়েই হাসাহাসি করবে লোকজন৷টাইট ফিটিংস বা বেশি খোলামেলা পোশাক তো আর সবার জন্য নয়৷ এটা বুঝতে হবে৷

৩) মিসফিটে ফিট হওয়া- যে পোশাকে আপনাকে অশ্লীল হয়তো নয়, কিন্তু বেমানান লাগাবে সেই পোশাক যতই ইভেন্ট ফ্রেন্ডলি হোক, গলাবেন না৷ ঢলঢলে ইভনিং গাউন বা টাইট ফ্রকে সবাইকে ভালো লাগে না৷ এক্ষেত্রে যদি কোনও ইন্দো-ওয়েস্টার্ন পোশাক বেছ নেন, তাহলে আপনাকে ততটা বেমানান লাগবে না৷

৪)অনুষ্ঠান মাথায় রাখুন- কখন, কার বাড়িতে , কী অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন, এটা সবসময় মাথায় রাখবেন৷ এমনকী মাথা থেকে পা পর্যন্ত পুরো সাজটা খুঁটিয়ে দেখে নিন বের হওয়ার আগে৷ পুজোবাড়িতে কেপ্রি পরে গেলে বা সমুদ্রের ধারে পাতলা শিফন শাড়ি পরে ঘুরলে আপনার ফ্যাশন সেন্স নিয়ে প্রশ্ন উঠবে বই কী!

৫) মেকআপে ম্যাসাকার- মেকআপের ব্যাপারে অনেকেই আমরা তালজ্ঞান রাখতে পারি না৷ একটু-আধটু মেকআপ ঠিক আছে, কিন্তু দিনের বেলা বাড়িতে যদি প্যানকেক লাগিয়ে কেউ ঘোরাফেরা করেন, তাহলে তার সম্পর্কে আর কী-ই বা বলার থাকতে পারে৷আবার মন ভালো নেই বলে ফর্মাল ফাংশনে কেউ যদি এক্কেবারে নো মেকআপ লুকে হাজির হন, সেটাও ভীষণ অদ্ভুত লাগে৷ নড়বড়ে হয়ে যায় আপনার পুরো গোটআপটাই৷

৬) জুতোয় যদি- জুতোর ব্যাপারে আমরা প্রায়ই নজর দিই না৷ কিন্তু যদি এমন কোনও জুতো পরে আমরা বাইরে যাই যাতে আমরা খুব একটা কমফর্টেবল নয়, তাহলে পুরো ফ্যাশনটাই যাবে জলে৷ হাই হিল পরে বার বার পা মচকানো বা টাইট ফ্যাশনেবল জুতোতে পায়ে ফোস্কা পরে চলতে চলতে থেমে যাওয়ার থেকে বরং ভালো ফ্যাশন না করা৷

৭) বয়স ভাবুন- বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ৷ কিন্তু অনেকেই মানতে চান না তাদের বয়স বাড়ছে৷ তাই ৪০-এর পর মধ্য কুড়ির ফ্যাশন স্টেটমেন্ট ফলো করে অন্যের হাসির খোরাক হয়েওঠেন তারা৷ এটা করা থেকে আপনি নিজেই কিন্তু নিজেকে আটকাতে পারেন৷
আলিয়া ভাট (ভিডিও)
পরিণীতি চোপড়া (ভিডিও) শ্রুতি হাসান (ভিডিও) অঙ্কিতা শোরে হলিউডের এক ঝাঁক তারকা

বিশ্বসেরা ৫ আবেদনময়ী ও সেক্সি নায়িকা (ভিডিওসহ)

সম্প্রতি দর্শকের রায়ে দক্ষিণের অভিনেত্রীদের মধ্যে সেরা আবেদনময়ীর খেতাব পেলেন অ্যামি জ্যাকসন। এক সিনেমা ম্যাগাজিনের আয়োজনে দর্শকের ভোটে এ খেতাব জিতেছেন অ্যামি। অ্যামির পরেই সেরা পাঁচের তালিকায় রয়েছেন শ্রুতি হাসান, হংসিকাও।


রেখা থেকে শুরু করে বিদ্যা বালান দক্ষিণের অভিনেত্রীদের বলিউড বিজয় নতুন কিছু নয়। অভিনয় তো বটেই, শরীরী আবেদনেও অন্য প্রদেশের নায়িকাদের টেক্কা দিয়ে সেরার শিরোপা তাদের দখলেই রয়েছে। অতীতের সেই ট্র্যাডিশন এখনও চলছে।

অ্যামি জ্যাকসন বৃটিশ মডেল-অভিনেত্রী হলেও তার ক্যারিয়ার ছড়িয়ে আছে দক্ষিণী সিনেমাতে। ২০০৯ সালে ‘মিস টিন ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায়ও জিতেছিলেন এ অভিনেত্রী। এক পত্রিকার জরিপে ২০১২ সালে মোস্ট ডিজায়ারাবেল উইম্যানও হয়েছিলেন তিনি। এবারের এই ম্যাগাজিনের বিচারেও সেরা আবেদনময়ী হলেন অ্যামি।

এছাড়া এ তালিকায় আছেন- কমল-সারিকা কন্যা শ্রুতি হাসানও। বলিউডের রামাইয়া ভাস্তাভাইয়া, ডি ডে-র মতো ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। দক্ষিণের আর এক নায়িকা সামান্থা রুথ প্রভুও আছেন এ তালিকায়। হিন্দি ছবিতে বেশি কাজ করেননি তিনি তবে বলিউডের এক দিওয়ানা থা সিনেমায় দেখা গেছে তাকে।

তামান্না ভাটিয়াও বাজিমাত করেছেন। জায়গা করে নিয়েছেন সেরা আবেদনময়ীর এ তালিকায়। অসংখ্য দক্ষিণী সিনেমা ছাড়াও বলিউডে অক্ষয়কুমারের মতো নায়কের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।

তালিকায় পাঁচ নম্বরে আছেন হ্যানসিকা মোতওয়ানি। ছোটবেলা থেকেই কাজ করছেন বলিউডে। কোই মিল গ্যায়া, অ্যাবরা কা ডাবরা ছবিতে শিশু অভিনয়শিল্পী হিসেবে অভিনয় করে বলিউডে তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এখন তিনি আর সেই শিশুটি নেই। তিনি এখন ২৩ বছর বয়সী যুবতী। তার আবেদনময়ী শরীর আর অভিনয়ে মাত করেছেন দক্ষিণী দর্শকদেরও।

টয়লেট পেপারে মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানের রহস্য


গেলো জুলাই মাসের ঘটনা। অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের সাগর তীরে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের লোগোযুক্ত এবং প্লাস্টিকে মোড়ানো একটি আদ্র টয়লেট পেপারের সন্ধান পান কিংসলি এবং ভিকি নামের এক দম্পতি। মঙ্গলবারের এক খবরে, এবিসি নিউজ জানায়, বিমান নিখোঁজের চারমাসের মাথায় এটি পাওয়া গেলেও তা গোপন রাখে কর্তৃপক্ষ।


মালয়েশিয়ার এয়ারলাইনসের লোগোযুক্ত এবং প্লাস্টিকে মোড়ানো ওই টয়লেটপেপার নিখোঁজ বিমানের কিনা তা নিয়ে চলছে তদন্ত। যদি সত্যি তেমনটা হয়ে থাকে, তবে পৃথিবীর বুকে রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যাওয়া সবশেষ বিমান সনাক্ত হবার ক্ষেত্রে আরেকটি আশার আলো হবে একটি অপ্রয়োজনীয় টয়লেট পেপার।

সারভান্তেস শহরের কাছের একটি সমুদ্র সৈকতে টয়লেট পেপারটি খুঁজে পাওয়ার পর স্থানীয় পুলিশকে তা জানান কিংসলি আর ভিকি। পরে বিমান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে তদন্তরত সংস্থা জয়েন্ট এজেন্সি কো-অরডিনেশন সেন্টারকে টয়লেট পেপারটি হস্তান্তর করা হয়। সন্ধান পাওয়া সত্যিকারের টয়লেট পেপারের প্যাকেটটির ছবি না দিতে পারলেও ওই দম্পতি সংবাদকর্মীদের কাছাকাছি ধরনের টয়লেট পেপারের নমুনা দেখিয়েছে বলে জানায় এবিসি নিউজ।

তবে সিডনির মর্নিং হেরাল্ড পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাতকারে টয়লেট পেপার পাওয়ার কথা নিশ্চিত করলেও তা আদৌ নিখোঁজ বিমানের কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ান পরিবহন নিরাপত্তা ব্যুরোর এক মুখপাত্র। তিনি বলেন, যে বস্তুটির মধ্যে কোন অনন্যতা নেই অর্থাৎ যা দেখে নির্ধারণ করা যায় না তা নির্দিষ্ট কোন কিছুরই অংশ কিনা তবে তা দিয়ে বোঝার উপায় নেই এটি নিখোঁজ বিমানের। কারণ টয়লেট পেপারের প্যাকেটটি একই এয়ারলাইন্সের অন্য বিমানেরও হতে পারে।

টয়লেট পেপারটি নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তা ক্যানবেরায় পাঠানো হয়েছে।

২০১৪ সালের ৮ই মার্চ ২৩৯ আরোহী নিয়ে কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় মালয়েশিয়ার বিমানটি। বিমানটির কী পরিণতি হতে পারে তা নিয়ে দানা বাঁধতে থাকে রহস্য। এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখ নপর্যন্ত সে রহস্যেও কোন সুরাহা হয়নি। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার নেতৃত্বে ভারত মহাসাগরে বিমানটির অনুসন্ধান অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল।

রুবেল আজ আমি শুধু তোমার (ভিডিওসহ)

আমি আজ সত্যিই হ্যাপী। এরমধ্যে কোনরকম মেকি বা মিথ্যা নেই। যা বলছি মন থেকে বলছি। বলতে পারেন রুবেলের এ সাফল্যে আমি নিজেও পুলকিত।’ মুঠোফোনে কথাগুলো বলছিলেন আলোচিত অভিনেত্রী নাজনিন আক্তার হ্যাপী।

বিশ্বকাপে ইংল্যাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জয়ের পর হ্যাপী বলেন, অতীতে যা হয়েছে তা ভুলে গেছি। কারণ দেশের কাছে ব্যক্তিস্বার্থ কিছুই নয়। দেশের হয়ে আজ রুবেল যা দেখালো তা অভাবনীয়। তাছাড়া আমি তো কয়েকদিন আগেই বলে দিয়েছি এ মামলা আর চালাব না। সুতরাং রুবেলের প্রতি আমার কোন ক্ষোভ নেই। রয়েছে শুধু ভালবাসা। ও আমাকে ভালবাসুক আর নাই বাসুক আমার ভালবাসায় কখনো ভাটা পড়বে না। সেই প্রত্যাশা থেকেই বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে তার প্রতি শুভকামনা জানিয়েছিলাম। যা আপনাদের বাংলাদেশ প্রতিদিনেও ছাপা হয়েছিল। যে প্রত্যাশা রুবেলের জন্য করেছিলাম সেটাই আজ বাস্তবে রূপ নিল।

আর মামলা প্রসঙ্গে হ্যাপী আরও বলেন, আজ দেশের কাছে ব্যক্তিগত কোন ঝগড়া বা বিবাদ তুলে ধরতে চাই না। ওইটা না হয় আমার আর রুবেলের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকুক।এডিলেড ওভালে বিশ্বকাপের ৩৩তম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে হারিয়ে শেষ আটে পা রেখেছে বাংলাদেশের টাইগাররা। শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের শেষ দুই উইকেটকে সাজঘরে পাঠিয়ে অনিশ্চয়তার ম্যাচটি দখলে নেয় রুবেল হোসেন। সেইসঙ্গে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে উল্লাসে ফেটে পড়ে ১৬ কোটি মানুষ।

আজ সোমবার টসে জিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। ৫০ ওভার খেলে ৭ উইকেটে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ২৭৫ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৮ ওভার তিন বলে সব উইকেট হারিয়ে ২৬০ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড।

রুবেল হ্যাপীর ভিডিওটি দেখুন নিচে…..

যৌনতার অভিযোগে নিষিদ্ধ বলিউডের যে ১১টি সিনেমা

বলিউডে বেশ কয়েকটি সিনেমা সামাজিকভাবে বিতর্কের ঝড় তোলায়, ভারতীয় সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছিল। কিন্তু সেই সিনেমাগুলো আজও মানুষের মনে রয়ে গেছে। এর মধ্যে নিষিদ্ধ কোনো কোনো সিনেমা আবার ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে মাইলস্টোন হয়ে গেছে।

সেন্সর বোর্ড যেসব সিনেমাগুলো নিষিদ্ধ করেছে, মানুষের কৌতূহল সেসব সিনেমাগুলোকে ঘিরেই বেশি। জেনে নিন বলিউডের কোন কোন সিনেমাগুলোকে নিষিদ্ধ করেছিল সেন্সর বোর্ড।

১. কিসসা কুরসি কা: বলিউডের বিতর্কিত সিনেমাগুলোর মধ্যে কিসসা কুরসি কা অন্যতম। শাবানা আজমি এবং রাজ বাব্বর অভিনীত এই সিনেমা বলিউডে নিষিদ্ধ করেছিল সেন্সর বোর্ড। সিনেমার পরিচালক অমৃত নাহাতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে, তিনি এই সিনেমায় ইন্দিরা গান্ধী এবং তার ছেলে সঞ্জয় গান্ধীর রাজনৈতিক জীবন তুলে ধরেছেন। ইন্দিরা গান্ধী যখন জরুরি অবস্থা জারি করেন তখন সিনেমাটি রিলিজ হয়। ক্ষুব্ধ কংগ্রেস সরকার সেন্সর বোর্ডকে নির্দেশ দেয় সিনেমার সব কপি নষ্ট করে দেওয়ার জন্য। গুরগাঁওয়ের কিছু জায়গায় সিনেমার কপি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

২. আঁধি: জরুরি অবস্থার সময় মুক্তি পাওয়া আরও একটি বিতর্কিত সিনেমা হল আঁধি। পরিচালক গুলজারের এই সিনেমাটিও তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে তৈরি। সাফল্যের সঙ্গে ২০ সপ্তাহ চলার পর এই সিনেমাটিও নিষিদ্ধ করা হয় কংগ্রেস সরকারের নির্দেশে। পরে সিনেমাটি ২৩তম ফিল্মফেয়ার ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ড-এ সেরা সিনেমা হিসেবে মনোনীত হয়েছিল।

৩. দ্য ব্যানডিট কুইন: শেখর কাপুরের পরিচালনায় এই সিনেমার গল্পে ফুলন দেবীর জীবন তুলে ধরা হয়েছিল। সেন্সর বোর্ড ভাবতেও পারেনি যে, ভারতীয় দর্শকের কাছে সিনেমাটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্য হবে। সিনেমাটিতে সেক্সুয়াল কনটেন্ট, ন্যুডিটি এবং কিছু অশ্রাব্য ভাষার ব্যবহারের জন্য দ্য ব্যানডিট কুইনের মতো একটা ব্রিলিয়ান্ট সিনেমাকে সেন্সর বোর্ড নিষিদ্ধ করে। এ ছাড়া সিনেমাটিতে বিতর্কের মাত্রা যোগ করেন ফুলন দেবী স্বয়ং। ফুলন দেবীর অভিযোগ ছিল, তার জীবনের বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ণ তথ্য বিকৃত করা হয়েছে।

৪. ফায়ার: ১৯৯৬ সালে শাবানা আজমি এবং নন্দিতা দাস অভিনীত এই সিনেমাটিকেও নিষিদ্ধ করেছিল সেন্সর বোর্ড। দীপা মেহতা পরিচালিত এই সিনেমায় ভারতীয় হিন্দু পরিবারের দুই সমকামী মহিলার চরিত্র তুলে ধরা হয়েছিল।

৫. কামসূত্র, আ টেল অব লাইফ: পুরোপুরি সেক্সুয়াল কনটেন্ট নিয়ে নির্মিত পরিচালক মীরা নায়ারের এই সিনেমাটিও নিষিদ্ধ করেছিল সেন্সর বোর্ড।

৬. পাঞ্চ: ১৯৯৭ সালে যোশী-অভয়ঙ্কর সিরিয়াল মার্ডারের ঘটনার প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছিল পাঞ্চ। অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত এই সিনেমাটি অতিরিক্ত হিংসা, ড্রাগ এবং অশ্রাব্য ভাষার ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ করে সেন্সর বোর্ড।

৭. ব্ল্যাক ফ্রাইডে: ১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনা ছিল এই ডকুফিচার সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তু। দুই বছর নিষেধাজ্ঞার পরে সিনেমাটি মুক্তি পায়।

৮. পারজানিয়া: এই সিনেমাটি ২০০২ সালের গুজরাত দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছিল। দুইবার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড মিললেও গুজরাট সরকার সিনেমাটির স্ক্রিনিং নিষিদ্ধ করে।

৯. সিনস: এক যুবতীর সঙ্গে যৌনসম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন কেরলের এক পাদ্রি এবং সম্পর্কটা তিনি সমাজের থেকে লুকাতে চান। সিনেমায় ন্যুডিটি দেখানোয় সিনসকে নিষিদ্ধ করে সেন্সর বোর্ড।

১০. ওয়াটার: দীপা মেহতা পরিচালিত এই সিনেমায় বেনারসের কিছু আশ্রমের বিধবা মহিলাদের অসহায়তার ছবি দেখানো হয়। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো এই সিনেমা নিয়ে প্রতিবাদ জানায় এবং সিনেমার সেট পর্যন্ত নষ্ট করে দেয়। সিনেমাটি পরবর্তীতে রিভার মুন নামে মুক্তি পায়।

১১. ফিরাক: গুজরাটের দাঙ্গা নিয়েই মূলত এই সিনেমার গল্প। পরিচালক নন্দিতা দাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তিনি ধর্মীয় সেন্টিমেন্টে আঘাত করেছেন। যার ফলস্বরূপ গুজরাটে সিনেমাটি নিষিদ্ধ হয়ে যায়

প্রসেনজিতের বউ হতে কলকাতায় যাচ্ছেন বাংলাদেশী অভিনেত্রী কুসুম সিকদার! (ভিডিওসহ)

জনপ্রিয় অভিনেত্রী কুসুম সিকদার দু’দিন বাদেই হতে যাচ্ছেন কলকাতার সুপারস্টার প্রসেনজিতের বউ। তারই অপেক্ষায় এখন তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে অবস্থান করছেন কলকাতায়।

কথাটি শুনে যে কেউ আকাশ থেকে পড়তে পারেন। আসলেই কি তাই? প্রিয় পাঠক, এটা কুসুম সিকদার কিংবা প্রসেনজিতের বাস্তব জীবনের ঘটনা নয়। কলকাতার নির্মাতা গৌতম ঘোষের নতুন ছবি ‘শঙ্খচিল’-এ স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন প্রসেনজিত ও কুসুম সিকদার।

আগামী ৩রা মার্চ থেকে কলকাতায় ছবিটির শুটিং শুরু হতে যাচ্ছে। এরপর টাকির ইছামতির ধারে এবং পরবর্তী শুটিং বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে হবে বলে জানা গেছে। গত জানুয়ারিতে ছবিটিতে অভিনয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে কুসুম সিকদার জানিয়েছিলেন, কলকাতায় এটা আমার প্রথম ছবি।

এতে জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিতের বিপরীতে অভিনয় করতে যাচ্ছি। বিষয়টি ভেবে খুবই ভাল লাগছে। আশা করছি সবার ভাল লাগবে। সীমান্ত এলাকার সমসাময়িক নানা ট্র্যাজিডি নিয়ে ছবিটি নির্মাণ হচ্ছে। এতে কুসুম সিকদার ও প্রসেনজিৎ ছাড়া আরও অভিনয় করছেন কলকাতার উষষী চক্রবর্তী, দীপঙ্কর দে প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ছবির শুটিংয়ে অংশ নেয়ার জন্য ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে কলকাতায় যাওয়ার কথা থাকলেও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে একটু দেরি করেই সেখানে গেলেন কুসুম সিকাদার। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় ছবি। এর আগে ‘গহীনে শব্দ’ ও ‘লালটিপ’ ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছিলেন এ অভিনেত্রী।

প্রসেনদিতের একটি ভিডিও দেখুন…

কুসুম শিকদারের একটি হট ভিডিও দেখুন…

রণবীরের সঙ্গে নগ্ন গোসল করছেন প্রিয়াঙ্কা (ভিডিওসহ)

বর্তমানে একাধিক ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। গত বছরের সাফল্যের পথ ধরে অভিনয়ের বাইরে ইতিমধ্যে নতুন গানেরও প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

এদিকে আগামী ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার অভিনীত নতুন ছবি ‘গুণ্ডে’। ছবিতে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে দেখা যাবে তাকে। এই প্রথমবারের মতো রণবীরের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন প্রিয়াঙ্কা। এর আগে রণবীর অভিনীত ‘রামলীলা’ ছবিতে একটি আইটেম গানে পারফর্ম করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা।

‘গুণ্ডে’ ছবির কাহিনী গড়ে উঠেছে দুই বন্ধুর গুণ্ডামির রাজ্যকে কেন্দ্র করে। যে রাজ্যে পরে প্রবেশ ঘটে প্রিয়াঙ্কার। ছবিতে ব্যাপক খোলামেলা রূপেই দেখা যাবে তাকে। রণবীর সিংয়ের সঙ্গে বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্যেও এখানে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি।তবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে রণবীরের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার একটি স্নানের দৃশ্যে। এ দৃশ্যটি চ্যানেলে প্রকাশিত প্রমোতে ব্যবহার করা হয়নি। তবে এরই মধ্যে ইন্টারনেটে ছাড়া হয়েছে। ছবিটি মুক্তির এক সপ্তাহ আগে একটি চ্যানেলেও ছাড়া হবে বলে জানা গেছে। দৃশ্যটিতে দেখা গেছে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে স্নান করছেন প্রিয়াঙ্কা। সেখানে তাদের প্রেম রসায়নও বেশ জমে উঠেছে।

এ দৃশ্যটি ইন্টারনেটে ইতিমধ্যে ১০ লাখ ভিউয়ার্স অতিক্রম করেছে। ছবিটি নিয়ে প্রিয়াঙ্কাও অনেক এক্সাইটেড। বর্তমানে এর প্রচারণা নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।

এ বিষয়ে প্রিয়াঙ্কা বলেন, যশরাজ ফিল্মসের ছবি মানেই অন্যরকম বিষয়। তাই ‘গুণ্ডে’ ছবিটি নিয়ে আমি অনেক আশাবাদী। গতানুগতিক ধারার বাইরের একটি ছবি এটি।

কাজ করে অনেক ভাল লেগেছে। বিশেষ করে শুটিংয়ের সময় রণবীর সিং পুরো ইউনিটকেই মাতিয়ে রাখতেন। মজার একজন মানুষ তিনি। অনেক উপভোগ করেছি ছবিটি করতে গিয়ে। ছবিটি দর্শকদেরও ভাল লাগবে আশা করি।

অশ্লীলতার দায় নিয়েই চলছে ‘ডার্টি পলিটিক্স’! (ভিডিও)



সিনেমা মুক্তির আগেই কোনো না কোনোভাবে বিতর্ক তোলে দেয়া যেনো একটা রীতিসিদ্ধ কম্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে বলিউডে। যদিও এটাকে অনেকেই সিনেমা সম্পর্কে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণের কৌশল হিসেবেই দেখছেন।
‘ডার্টি পলিটিক্স’ তেমনি তালিকাভুক্ত একটি সিনেমা; যা মুক্তির আগেই নানা কারণে বলিউডে আলোচনা-সমালোচনার শীর্ষে ছিলো।রাজনৈতিকভাবে এখানে কেউ সহনশীল না হওয়ার ফলে উপমহাদেশের সিনেমা জগতে রাজনীতি কিংবা রাজনৈতিকদের নিয়ে খুব একটা সিনেমা হয়না। তাছাড়া সেন্সর প্রথার বেড়াজাল, রাজনৈতিক তোপ এইসবও একটা ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়।
তবুও নানা প্রতিবন্ধকতা, বিতর্ক আর নাটকীয়তা উপেক্ষা করে ৬মার্চ বলিউডের সিনেমায় মুক্তি পেলো গতো বছর আলোচনার শীর্ষে থাকা কেসি বোকাডিয়া পরিচালিত সিনেমা ‘ডার্টি পলিটিক্স’।
রাজনৈতিক ড্রামা ও একটি রহস্যময় খুনের মিশ্রণে গড়ে উঠেছে এই সিনেমার কাহিনি।যদিও মুক্তি দেয়ার পর পরই অশ্লীলতার দায়ে ভারতের একাধিক সিনেমায় ডার্টি পলিটিক্সকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।সিদ্ধান্ত নিতে পাটনার হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে, নিষেদাজ্ঞা জারি হয়েছে বিহারের বিহারের হলগুলিতেও। নিষিদ্ধের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে মল্লিকা শেরওয়াত ও ওমপুরির কিছু আপত্তিকর দৃশ্যর কথা।
পুরো সিনেমায় মল্লিকা শেরওয়াত অনবদ্য অভিনয় করলেও দর্শকদের মন কাড়তে পারেনি ওম পুরি, নাসিরউদ্দিন শাহ ও অনুপম খেরের মত তারকারা। তাদের এমন সিনেমায় অভিনয় করাটাকে অনেকেই ভালো চোখে নেয়নি।
ডার্টি পলিটিক্সে দেখা যায়, আনোখি দেবী (মল্লিকা শেরাওয়াত) একজন নামকরা ডান্সার। আনোখি রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের আশায় দীনা নাথ (ওম পুরি) এর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যান। তবে দীনা নাথ নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেন না। আর তখন আনোখি দীনা নাথকে হুমকি দিতে থাকেন এই বলে দীনা নাথের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ছবি ও ভিডিওর সিডি সে প্রকাশ করে দেবে। সিডি ছড়িয়ে গেলে দীনা নাথের ক্যারিয়ার একেবারেই শেষ হয়ে যাবে। এরকম সময়ে হঠাৎ করেই দীনা নাথ গায়েব হয়ে যান এবং গায়েব হওয়ার তদন্ত শুরু করে সিবিআই।
এখন দেখার বিষয়, আলোচনা-সমালোচনাকে কতোটা কচুকাটা করে বক্স অফিসে সাফল্য বয়ে আনতে পারে এই ডার্টি পলিটিক্স!

আজব বিষয়: পুরো শরীরজুড়েই বিদ্যুৎ!

শরীরে বিদ্যুৎ বয়ে বেড়াচ্ছেন ভারতের হাওড়ার বেলুড়ের বাসিন্দা গৃহবধূ আশা চৌধুরী (৩৩)। আশা চৌধুরীর পুরো শরীরজুড়েই বিদ্যুৎ। কেউ যদি তাকে ছুঁতে যায় তাহলে খেতে হয় ইলেকট্রিক শক। ইতোমধ্যে শক খেয়ে আতঙ্কে দূরে থাকছেন পরিজনেরা।


আশা চৌধুরীকে স্পর্শ করলেই ইলেকট্রিক শক খাওয়ার এমন অদ্ভুতুড়ে কান্ডে আশা চৌধুরীতো বটেই গোটা চৌধুরী পরিবারই এখন বিব্রত। বেজায় আতঙ্কে তারা। আশাদেবীর শরীরে বিদ্যুৎ রয়েছে কি না, তা দেখতে গায়ে ‘টেস্টার’ (বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে কি না, তা বোঝার যন্ত্র) ছুঁইয়ে চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও।

নিজের এই সমস্যা নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আশা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কী হয়েছে, কিছুই বুঝতে পারছি না। ভয়ে ছেলে-মেয়ে কেউ সামনেই আসছে না।’ তার তিন বছরের মেয়ে শ্রেয়া তাঁর গায়ে হাত দিতেই বিদ্যুতের শক খাওয়ার মতো কেঁপে ওঠেন তিনি। ঝটকা লাগে শ্রেয়ারও। ছেলে অয়ন এসে হাত ধরতেই ফের দু’জনেরই ঝটকা লাগে।

বেজায় ভয় পেয়ে স্বামী সুনীল চৌধুরীকে ফোন করেন আশাদেবী। তড়িঘড়ি বাড়ি চলে আসেন তার স্বামী। দুপুরে খাওয়া শেষে স্টিলের থালা আশাদেবীর হাতে দিতেই ফের দু’জনেরই ঝটকা লাগে।

সুনীল বলেন, ‘থালাটা হাতে দিতেই আমার স্ত্রী শক খাওয়ার মতো কেঁপে উঠল। আমারও একই রকম ভাবে শক্ লাগলো।’ ফের রাতে ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে স্টিলের রেলিংয়ে হাত দিতেই একই সমস্যা। এসব ঘটনা শুক্রবারের।

শনিবার সকালেও আলমারির হাতলে হাত দেওয়া মাত্রই সে একই ঘটনা। অবশেষে চিকিৎসকের শরাণাপন্ন হলেন আশা। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের ঘটনা খুবই বিরল। ছোট ছোট স্নায়ু কোনও কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানব শরীরে এমন বৈদ্যুতিক শক লাগার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়, ‘পিওর সেন্সারি নিউরোপ্যাথি বা স্মল ফাইভার নিউরোপ্যাথি’।

আকর্ষণীয় পোশাক পরে পুরুষের সামনে গেলেই ধরে নেন মেয়েটি যৌনমিলনে আগ্রহী? ভুল… (ভিডিওসহ)

সব পুরুষই মনে করেন যে নারীকে তিনি সম্পূর্ণ বুঝে ফেলেছেন। বিশেষ করে নিজের প্রেমিকা ও স্ত্রী সম্পর্কে প্রত্যেক পুরুষই এমন কিছু ধারণা মনে পুষে রাখেন যা একান্তই ভুল। এই ব্যাপার গুলো নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তো হয়ই, অনেকে অযথাই মেয়েদের ছোট করেন। কিন্তু সত্য কথাটা এই যে, নারীর মন বোঝা এত সহজ কোন বিষয় নয়! চলুন জেনে নিই এমন কিছু বিষয়, মেয়েদের ব্যাপারে যা প্রত্যেক পুরুষই ভুল জানেন ও ভাবেন।

১) কোন মেয়ে সুন্দর করে কথা বললেই পুরুষেরা ধরে নেন যে মেয়েটি তার সাথে প্রেম করতে আগ্রহী। এর চাইতে ভুল ধারণা আর হতেই পারে না। মেয়েরা কিন্তু খুব অপছন্দের মানুষের সাথেই দারুণ ভদ্র আচরণ করতে জানেন।

২) মেয়েদের বিরুদ্ধে দুর্নাম আছে যে তাঁরা বাড়াবাড়ি ইমোশোনাল। পুরুষেরা ভুলে যায় যে সকলের আবেগ প্রকাশের ধরণ এক হয় না। মেয়েদের আবেগ প্রকাশ পুরুষের চাইতে ভিন্ন বলেই তাঁকে নিয়ে ঠাট্টা করার কিছু নেই।

৩) একজন আত্মবিশ্বাসী ও মেজাজি স্বভাবের নারীকে সব পুরুষই “খারাপ” মনে করেন। পুরুষ আত্ম বিশ্বাসী ও মেজাজী হলে যদি খারাপ না হয়, নারী কেন হবে?

৪) নিজের কর্মক্ষেত্রে দারুণ সফল মেয়েদের খেতে বেশিরভাগ পুরুষ মনে করেন যে মেয়েটি সৌন্দর্য দেখিয়ে উপরে উঠেছেন। অথচ পুরুষেরা জানেনও না যে মেয়েদের অনেক বেশী পরিশ্রম করতে হয় পুরুষের সমান সফলতা অর্জন করতে।

৫) মেয়েরাও যে গেমার বা গ্রেম প্রিয় মানুষ হতে পারেন, এটা কোন পুরুষ মানতেই চান না। তাঁরা মনে করেন মেয়েটি এসব তার মন পেতে করছে বা শো অফ করছে।

৬) পুরুষেরা ভাবেন যে সব মেয়েরই প্রথম আগ্রহ শাড়ি, গহনা ও সাজগোজের প্রতি। এবং সব মেয়ে কেবল এটা নিয়েই থাকেন।

৭) মেয়েরা সাজলেই মনে করা হয় যে সেটা পুরুষদের দেখানোর জন্য। এটা আরও ভীষণ ভুল ধারণা। মেয়েরা সাধারণত নিজের জন্যই সাজেন।

৮) সম্পর্কে কমিটমেনট চাইলেই পুরুষেরা মনে করেন যে মেয়েটি এক্ষুনি বিয়ে করতে চায়। সম্পর্কে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া আর বিয়ের মাঝে যে আকাশ পাতাল পার্থক্য এটা পুরুষেরা বোঝেন না।

৯) সকল পুরুষই মনে করেন যে মেয়েরা বিয়ের জন্য মুখিয়ে থাকে। সব মেয়ের কাছেই বিয়েটাই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য!

১০) আকর্ষণীয় পোশাক পরে কোন পুরুষের সামনে গেলেই তিনি ধরে নেন যে মেয়েটি যৌন মিলনে আগ্রহী!

১১) প্রেমিক বা স্বামীকে সময় না দিয়ে নিজের বন্ধুদের সাথে সময় কাটালে পুরুষেরা ধরেই নেন যে মেয়েটি উড়নচণ্ডী।

১২) ভালো চাকরি করলে বা খুব বিদুষী হলে মেয়েরা সংসারী হয় না, এটাও পুরুষদের মাঝে অনেককাল যাবত রয়ে যাওয়া ভুল ধারণা।

১৩) একজন নারীর অনেক বন্ধু থাকলে বেশিরভাগ পুরুষই তাঁকে চরিত্রহীন ধরে নেন।

১৪) নিজের চাইতে সফল সকল নারীকেই পুরুষেরা “খারাপ” অভিহিত করেন। এটা কেবলই আসলে পুরুষদের বাজে ইগোর প্রভাব।


১৫) কারো সন্তান বা বিয়ের আংটি বা এমন কোন কিছুর প্রশংসা করলেই প্রেমিক পুরুষ ধরে নেন যে প্রেমিকা তাঁকে কোন সিগনাল দিতে চাইছে।

১৬) “ক্যারিয়ার গুছিয়ে বিয়ে করবো”- নারীরা যদি এই কথা বলেন তো পুরুষ ধরেই নেন যে মেয়েটি তাঁকে ভালোবাসে না ও তাঁকে বিয়ে করতে আগ্রহী নয়।

১৭) মেয়েরা রোগা হতে চায় কেবল “সেক্সি” হওয়ার জন্য, এটাও অধিকাংশ পুরুষের ভুল ধারণা।

১৮) বেশিরভাগ পুরুষই মনে করেন যে নারীদের জীবন কেবল পুরুষের আশেপাশে, পুরুষের চিন্তা করতে করতেই কেটে যায়।