রাজধানীর কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসে সবার সামনে সেক্সি নাচ দেখালো সুষ্মিতা… (দেখুন ভিডিওতে)



রাজধানীর কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসে সবার সামনে সেক্সি নাচ দেখালো সুষ্মিতা…

রাজধানীর কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসে সবার সামনে সেক্সি নাচ দেখালো সুষ্মিতা…
রাজধানীর কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসে সবার সামনে সেক্সি নাচ দেখালো সুষ্মিতা…

রাজধানীর কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসে সবার সামনে সেক্সি নাচ দেখালো সুষ্মিতা…
রাজধানীর কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসে সবার সামনে সেক্সি নাচ দেখালো সুষ্মিতা…

রাজধানীর কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসে সবার সামনে সেক্সি নাচ দেখালো সুষ্মিতা…
রাজধানীর কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসে সবার সামনে সেক্সি নাচ দেখালো সুষ্মিতা…


রোনালদোর প্রেমিকা ইরিনা শায়ককে নিয়ে নগ্ন বিতর্কের ঝড় (ভিডিওসহ)


ইরিনা শায়াকতিনি ‘টপলেস মডেল’। বিবসনা হয়ে ক্যামেরার সামনে হাজির হওয়া তাঁর জন্য ডালভাত। সম্প্রতি নাইজেরিয়ায় দুই শতাধিক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। এরই প্রতিবাদটা নিজের মতো করে জানিয়েছেন মডেল ইরিনা শায়াক। কিন্তু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর প্রেমিকার এই প্রতিবাদের ধরন নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্কের ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে।

শরীরের ওপরের অংশে বিবসনা হয়ে ক্যামেরার সামনে ছবি তুলেছেন ইরিনা। বুকের ওপর ধরে রেখেছেন একটি সাদা কাগজ।

যে কাগজে লেখা: ‘আমাদের মেয়েদের ফিরিয়ে দাও’।
নাইজেরিয়ার সশস্ত্র জঙ্গিরা স্কুলছাত্রীদের অপহরণ করেছে কারণ তারা নারী শিক্ষা ও নারী স্বাধীনতার বিরুদ্ধে। আর ইরিনা যেন তারই মুখভাঙা জবাব দিলেন। অন্তত এটাই মনে করছেন ইরিনার এমন ধরনের প্রতিবাদের পক্ষে দাঁড়ানোরা। ইরিনার পক্ষে দাঁড়ানো একজন লিখেছেন, ‘তাঁর মতো মডেল এভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে বলেই তো আজ বিষয়টি সারা বিশ্বে এভাবে আলোচিত হলো।’


কিন্তু অন্য পক্ষের মতে, প্রতিবাদটা অন্যভাবেও জানাতে পারতেন ইরিনা। এমন একজন লিখেছেন, ‘যাঁরা বলছেন ইরিনা অন্যদের চেয়ে অপহরণের বিষয়টিতে বেশি মনোযোগ এনে দিয়েছেন, তাঁরা ভুল বলছেন। মনোযোগের কেন্দ্রে বরং তিনিই চলে এসেছেন, হয়তো এটা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু এটাই হয়েছে।’

জেরোমি গ্রেগরি নামের একজন বিক্ষুব্ধ ভাষায় সমালোচনা করে লিখেছেন, ‘এটা একেবারেই অরুচিকর, লজ্জাজনক, মূর্খামি। নিজের অভিলাষ চরিতার্থ করার চেষ্টা বন্ধ করুন। কোনো একটা উপলক্ষকে পুঁজি করে ব্যবহার করা অসহায় মেয়েদের অপহরণ করার মতোই জঘন্য।’
আরেকজন প্রশ্ন করেছেন, ‘এই অসহায় মেয়েদের কিছু হলে সত্যিই কি আপনার কিছু আসে-যায়?’

NEW YEAR 2015 BEST SMS




  /'""'\
 /  /\  \
/__/""\__\dvance  before  2 days
   /"/_/"/
  /_/"/_/appy
    NEW YEAR 2015
This is A Special Wish for YOU & YOUR FAMILY.


‎*★Happy ★* 。 • ˚ ˚ ˛ ˚ ˛ •
•。★New Year★ 。* 。
° 。 ° ˛˚˛ * _II_____*。*˚
˚ ˛ •˛•˚ */______/- \。˚ ˚ ˛
˚ ˛ •˛• ˚ | - - |[ ]|
”˜˜”*°•. ˜”*°• . •°*”˜ .•°*”˜˜”*°•.
.•°*”˜ Happy New Year ﹗ ˜”*°•.
•°*”˜.•°*”˜.•°*”˜ ˜”*°•.˜”*°•.˜”*°scrapu com
Happy New Year to You and Your Family


A 1st Card 4u
*!""""'""'""'""'!*
*! .+""+.+""+.  !*
*!  +  HAPPY +  !*
*!  "+ 2015 +"  !*
*!     "+"      !*
*!   NEW YEAR   !*
*!==============!*
   IN ADVANCE



|”””|  |””|
| “”” ””‘|
| “”” ””‘|
|__|   |__| Appy
/'”‘”””\\ /””/
/ /\\ \\ / /
/ / \\ \\/ /
/__/ \\____/ Ew
\\””””\\ /””””/
     \ \ / /
      \__/
       | |
       | |
       |_| Ear
Happy New Year 2015 to u and ur all faimly.




Birthday Cake To Send Girlfriend
, , , , ,
_#_#_#_#_#_
{_` ` ` ` `_}
_{_._._._._._}_
{_ H A P P Y _}
_{_._._._._._._._}_
{_ B I R T H D A Y _}
.—{_._._._._._._._._._}—.
( `”””””””””””””””””””””` )
`~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~`

Happy New Year
?̮̑●̮̑?★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★?̮̑●̮̑?
──────█─█ █▀█ █▀█ █▀█ █─█─────
──────█▀█ █▀█ █▀▀ █▀▀ ▀█▀─────
──────▀─▀ ▀─▀ ▀── ▀── ─▀──────
█▄─█ █▀▀ █─█─█──█─█ █▀▀ █▀█ █▀█
█─██ █▀▀ █─█─█──▀█▀ █▀▀ █▀█ ██▀
▀──▀ ▀▀▀ ─▀▀▀────▀─ ▀▀▀ ▀─▀ ▀─▀
?̮̑●̮̑?★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★?̮̑●̮̑?
New Year Text Art For Facebook

  • My wish for you is that
    May Happiness come knocking at your door
    May it start knocking early and stay as late as it can
    And when it leaves, it leaves with it
    The gifts of God that are Peace, Love, Joy, Care and Health behind
    May This Year be the best one so far
    Happy New Year
  • Hope the New Year with it brings
    Just happiness for you and not a single tear
    Since everyone just loves you
    May all your problems, never again bother you
    This is my special New Year wish for you
  • Now that the old year has passed
    Let the past be over with
    The New Year has come forth and owned the clock
    So let us look forward to all the possibilities
    That the New Year in these twelve months with it brings
    Happy New Year
  • Fill up your life with all the cheer and happiness
    Let the New Year bring you joy and prosperous news
    And all these be my wishes for you, now and forever my dear
    So here’s wishing you a very Happy New Year.
  • Here’s hoping that the New Year with it brings
    A lot of cheer and all good things
    Also hoping that the year brings with heaps of good fun
    And extra kick to help out with your resolutions
    Happy New Year 2015
  • Though the nights may be dark
    The days are always bright
    I wish that your life
    Always be filled with the bright light
    Of a God Gifted “New Year”
    So here’s wishing you and your loved ones
    A Very Happy New Year 2015


 ❀¸.•*”˜˜”*°•..•*”˜˜”*°•❀
❀¸.•*”˜˜”*°•..•*”˜˜”*°•❀
May this holiday season
leave you with precious memories:
A holidays filled with love and light
love and joy all around.
A New Year with continuing blessings
friends, family, good work, great fun,
and delightful surprises.
✿•.¸¸.•*`*•.¸✿¸.•*`*•.¸¸✿•.¸.¸.•*`*•.¸✿
╦ . . ╦░░ ╔═╗ ║░░║ ╔══ . . ║░║ ╔═╗ ║░║
║ . . ║░░ ║░║ ╚╗╔╝ ╠═░ . . ╚╦╝ ║░║ ║░║
╩ . . ╚══ ╚═╝ ░╚╝░ ╚══ . . ░╩░ ╚═╝ ╚═╝
✿•.¸¸.•*`*•.¸✿¸.•*`*•.¸¸✿•.¸.¸.•*`*•.¸✿
Scrapu com
New year Blessings and wishes






জেনে রাখা ভালো, পুরুষের যৌনাঙ্গের আদিম সাতটি রহস্য।!!

 গ্রিসের উলঙ্গ ভাস্বর্য বা বাথরুমের সেটে থাকা পোস্টার আমাদের সবারই নজর কাড়ে। পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং সবচেয়ে বেশি গবেষণা হয়েছে যেই অঙ্গটি নিয়ে তা হলো যৌনাঙ্গ। এই অঙ্গটির আকার আকৃতি নিয়ে যত জল্পনা-কল্পনা করিনা কেন, এই অঙ্গটি সম্পর্কে পুরুষ সঙ্গীদের এখনও অনেক গোপন রহস্য প্রকাশ করার আছে যা আমরা জানিনা। যেমন এর ভেতর থাকা হাড় বা এর আদর্শ আকার। জেনে নিন পুরুষের যৌনাঙ্গের এই রকম আদিম সাতটি রহস্য।

রহস্য সত্য-৭: লিঙ্গের গড় আকার: ২০১৩ সালের সেক্সচুয়াল মেডিসিন জার্নালের ১৬৬১জনের উপর করা এক জরিপে দেখা গেছে উত্থিত যৌনাঙ্গ গড়ে ৫ দশমিক ৫৬ ইঞ্চি বা ১৪ সেমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু ব্যতিক্রম হলো কারো করো ১.৬ ইঞ্চি (৪ সেমি) থেকে ১০.২ ইঞ্চি (২৬ সেমি) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যৌনাঙ্গের ঋজুতাও সবার সমান নয়। ওরাল সেক্সের পর বা সঙ্গমের পর যারা মেপে দেখেছে যে তাদের ঋজুতা যারা একা যৌন আনন্দ উপভোগ করে তাদের চেয়ে বেশি ঋজু। কারণ লিঙ্গের ঋজুতা নির্ভর করে রক্তচাপের উপর। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান 

লিঙ্গকে গড়ে ০.৪ইঞ্চি (১সেমি) পর্যন্ত ছোট করে দিতে পারে।


রহস্য সত্য-৬ : যৌনাঙ্গের আকার: যৌন সঙ্গমে কোন কোন নারীর জন্য লিঙ্গের আকৃতি বিশেষ ভূমিকা রাখে। ২০১২ সালে সেক্সচুয়াল মেডিসিন জার্নালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী যৌন সঙ্গমে অধিক উত্তেজনা অনুভব করে তাদের জন্য বড় পুরুষাঙ্গ যোনির উত্তেজনায় অধিক আনন্দ দিতে করিৎকর্মা। যদিও এটা পরিস্কার নয় যে, প্রকৃতপক্ষে কেন দীর্ঘ লিঙ্গ নারীদের আনন্দ দেয়-ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব স্কটল্যান্ডের মনোবিঞ্জানী ও এই গবেষণাপত্রের সহকারী স্টুয়ার্ট ব্রোডি গবেষণার সময় তথ্য জানান। ২০১৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাকাডেমী অব সায়েন্সের এক গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, নারীদের পছন্দের আদর্শ পুরুষাঙ্গ হচ্ছে তার দৈহিক উচ্চতা ও লম্বা পুরুষের জন্য দেহের সাথে সামঞ্জস্য দীর্ঘ লিঙ্গ আকর্ষণীয়।

রহস্য সত্য-৫: ব্যতিক্রম লিঙ্গ: কদাচিৎ কেউ দুইটা লিঙ্গ নিয়ে জন্ম নেয়। ৫ লক্ষ বা ৬ লক্ষে এমন এমন একটা হতে পারে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক হচ্ছে এর দ্বারা দ্বিগুণ যৌন আনন্দ লাভ সম্ভব নয়। দুইটি লিঙ্গ একই সাথে কর্মক্ষম থাকতে পারেনা বরং এর ফলে কিছু শারীরিক বৈসাদৃশ্য দেখা দেয় যা ঠিক করতে অস্ত্রপাচারের প্রয়োজন হতে পারে। যেসব পুরুষ দুইটি লিঙ্গ নিয়ে জন্মায় তারা এক ধরনের বিশেষ সমস্যার সম্মুখীন হন। তা হলো তাদের কোন একটি লিঙ্গ উত্থিত হলে তা প্রশমিত হতে চার ঘন্টা পর্যন্ত সময় নিতে পারে। এই অবস্থাকে প্রিয়াপ্রিজম (priapism) বলে। সাধারনত: এটা ঘটে শরীরের রক্ত লিঙ্গ থেকে আবার সারা শরীরে ফিরে যাওয়ার জন্য। যদিও এটা রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে বেশী পরিলক্ষিত হয়। এটা একটা জরুরী শারীরিক সমস্যা যা লিঙ্গে মাংসপেশীর চাপের কারণে হয়। এর জন্য দ্রুত চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন।

রহস্য সত্য-৪: লিঙ্গের পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন: পুরুষাঙ্গের বিবর্তনের এক ভয়ঙ্কর অতীত আছে। একসময় পুরুষাঙ্গে মেরুদন্ড বা হাড় ছিল। কিন্তু মানুষ জাতির পুর্বপুরুষেরা তাদের এই কন্টকাকীর্ন অঙ্গটি হারায়। ২০১০ সালের নেচার জার্নালের এক গবেষণা মতে, প্রায় ৭০০ হাজার বছর পূর্বে প্রস্তরযুগ ও আধুনিক মানুষের বিবর্তনের কোন এক সময় তারা এই হাড়যুক্ত লিঙ্গটি হারায়। বিজ্ঞানীরা এখনও পরিস্কার নয় আসলে লিঙ্গের এই হাড়ের কাজটা কি ছিল। কেউ কেউ বলছেন তখন তারা যথেচ্ছা যৌনাচার করতো যেমনটা দেখা যায় ইতর প্রাণীদের মধ্যে। যেমন বিড়ালের হাড়ে লিঙ্গ আছে (টমক্যাটের লিঙ্গে ভয়ঙ্কর মেরুদন্ড বিদ্যমান)। বেশির ভাগ প্রাণীরই মেরুদন্ডের হাড়ের সাথে লিঙ্গের সংযোগ থাকে এটাকে হাড় লিঙ্গ বলে। এটা তাদের দৈহিক গঠনগত কারণে তার সঙ্গীর সাথে মিলনে সহায়তা করে। কিন্তু মানুষ তার অঙ্গটি হারায় এবং যৌন সঙ্গমে লিঙ্গদন্ড প্রস্তুত হওয়ার জন্য শরীরের রক্তচাপের উপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু অন্য প্রাণীদের জন্য এই হাড়টি শরীরের ভিতর থাকে ও এবং মিলনের সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে লিঙ্গকে শক্ত রাখে। এটা একটা রহস্য যে মানুষ কেন তার সেই হাড়টি হারাল। কিন্তু জীববিঞ্জানী রিচার্ড ডাউকিনস বলেন, এটা মানুষ জাতির শারীরিক ও মানসিক গঠনগত কারনে হয়েছে।

রহস্য সত্য-৩: রাতে লিঙ্গের স্বকীয়তা : স্বীকার করুন আর না করুন অবিবাহিত পুরুষদের লিঙ্গ দিনের চেয়ে রাতে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠে। বেশির ভাগ পুরুষেরই রাতে তিন থেকে পাঁচ বার লিঙ্গ সজাগ হয় যখন সে কোন রোমান্টিক স্বপ্ন দেখে। রাতে লিঙ্গের এই কার্যকারিতা লিঙ্গকে স্থিতিস্থাপকতা ও কুচে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। কারণ এটা একটা শারীরিক কার্যকারিতা এজন্য অনেক ডাক্তার রোগীকে রাতের লিঙ্গের উত্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে যে কোন সমস্যা আছে কিনা।

রহস্য সত্য-২: লিঙ্গাগ্রের চামড়া রহস্য: যখন কোন ছেলে শিশু জন্ম নেয় তখন তার লিঙ্গের আগার চামড়াটুকু তার লিঙ্গকে বহিরাঘাত থেকে রক্ষা করে। তার লিঙ্গের অগ্র চামড়াটুকু মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তার লিঙ্গের টিস্যু থেকেই আবৃত হয়। লিঙ্গের অগ্রচামড়ার ভিতরের অংশটুকু আমাদের চোখ ও মুখের লালার মত একপ্রকার তরল দিয়ে ভরা থাকে যাতে শুকিয়ে না যায়।

রহস্য সত্য-১: যার জন্য যা প্রযোজ্য: আসলে মানুষ জন্মগতভাবে যেসব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্মায় তা তার শরীরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ছোট লিঙ্গ বা বড় লিঙ্গ কোন বিষয় নয়। এটা পুরোটাই মানসিক বিষয়। তাই জন্মগতভাবে যা নিয়ে জন্মেছি তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা। তবে কখনই যৌন রোগে লজ্জা পাওয়া ঠিক নয়। কেননা এটা অনেক সময় আমাদের শিশুদের জীবনের ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে। তাই যৌনরোগ থেকে সাবধান থাকা।

খবর লাইভ সাইন্স



এক নবজাতকের দুটি পুরুষাঙ্গ!

সম্প্রতি ফিলিপাইনের একটি হাসপাতালে একটি ছেলে শিশু জন্মগ্রহণ করেছে।


যার পুরুষাঙ্গ ২টি। বিষয়টি  প্রথম দেখেই ডাক্তারও বেশ চমকে যান। পরে তিনি দেখেন শুধু পুরুষাঙ্গ নয়, পায়ু পথও দুটি।

খবরটি ফেসবুকে ফিলিপাইনের একজন তরুণী পোস্ট করেন।

তার ছবি থেকেই সারা বিশ্বের মানুষ তা জানতে পারেন। তিনি তার প্রোফাইলে সেই শিশুটির ছবিসহেপাস্ট করেন।

এবার অভিনেত্রী জেরিন খানের নগ্ন ভিডিও ফাঁস (ভিডিওসহ)

 ‘বীর’ ছবিতে সালমান খানের বিপরীতে অভিনয় করে বলিউডে রাজকীয় অভিষেক হয় জেরিন খানের। এই ছবিতে বেশ সাদাসিধা তরুণীর ভূমিকায় দেখা গেলেও এর পরপরই পরিচালকরা তাকে নিয়ে কাজ করার সময় বিপাকে পড়েন তার শরীরের ওজন নিয়ে। সব ধরনের গুণ থাকা সত্ত্বেও ওজন বেশি হওয়ার কারণে বলিউডের মতো বড় জায়গায় অনেকটা মারই খেয়ে যান জেরিন।

তারপরও ‘হাউসফুল-২’ ছবিতে নিজের অভিনয় গুণে পার পেয়ে যান এই অভিনেত্রী। তবে নিজের ওজন বেশি হওয়ার বিষয়টি উপলব্দি করে গত দুই বছর ধরে বেশ ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করেন জেরিন। জিম থেকে শুরু করে নিজেকে ফিট রাখার জন্য খাবারের পরিমাণ একদমই কমিয়ে দিয়েছেন। তবে এখনও নিজেকে শতভাগ ফিট মনে করছেন না তিনি। তাই এখনও নিজের সেই শারীরিক কসরত চালিয়ে যাচ্ছেন নিয়ম করে।


এটা হলো পুরানো খবর নতুন খবর হলো, সম্প্রতি এক ফটোশুটে অংশগ্রহন করতে গিয়ে অনেকটা বিড়ম্বনায় পরেন জেরিন খান। ভিডিওতে দেখা গেছে বার বার তার স্তনের কাপর নেমে যাচ্ছিল এবং বার বার তা হাত দিয়ে টেনে ঠিক করছিলেন তিনি।

জেনে নিন, নারীদের ২৬ বছর বয়সে বেশি উত্তেজনা থাকার কারণ!

 নারীদের যৌন উত্তেজনা চরমে পৌঁছে ২৬ বছর বয়সে। এছাড়া পুরুষদের যৌনতা চরমে পৌঁছে ৩২ বছরের পর। সম্প্রতি সান ফ্রান্সিসকোর এক সমীক্ষায় এ তথ্য জানা গেছে।


তবে সমীক্ষাটি বেশি বড় আকারের ছিল না। এ সমীক্ষায় ১৮-৬৫ বছর বয়সের মাত্র এক হাজার প্রাপ্তবয়স্কের মতামত নেওয়া হয়। আয়োজনটির উদ্যোক্তা আটলান্টার সেক্স খেলনা প্রস্তুতকারক কোম্পানি লাভহানি ডটকম।

অন্যদিকে এই সমীক্ষায় এটাও বলা হয় যে, সান ফ্রান্সিসকোর নারীরা তাদের জীবনে ২৪ বছর বয়সেই সবচেয়ে বেশি যৌনতা উপভোগ করেন। সে ক্ষেত্রে পুরুষরা যৌনতার আস্বাদ গ্রহণ করেন ২৭ বছরের পরবর্তী সময়ে।

সমীক্ষায় দেখা যায়, অধিকাংশ নারীই যৌনতার প্রথম স্বাদ গ্রহণ করেছেন ১৮ বছরের পর। কিন্তু সে ক্ষেত্রে আবার পুরুষরা ১৭ বছরের গোড়ার দিকেই প্রথম যৌনতা উপভোগ করেছেন।

দেখা যায়, পুরুষদের প্রথম যৌন অনুভূতি উপভোগ করার পর প্রায় ১৫ বছর পরে তারা যৌনতাকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে নারীরা প্রথম যৌনতার আস্বাদ নেয়ার ১০ বছর পরই যৌনতাকে চূড়ান্তভাবে উপভোগ করতে পারেন।

আলোচিত সেই ৩ স্তন বিশিষ্ট নারীর ৪ পোষা পুরুষ! (ভিডিওসহ)



হঠাৎ রাস্তায় এমন এক নারীর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল যার স্তন তিনটি। কিন্তু বিস্ময় আছে আরো! শহরের ফুটপাতে চার জন পুরুষের গলায় কুকুরের বেল্ট পরিয়ে হামাগুঁড়ি দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি!!
এটা অতিরঞ্জিত কোনো গাঁজাঘুরি গল্প নয়। সত্যি সত্যিই এমন একটি ভিডিও সম্প্রতি ইউটিউবে আপলোড করেছে লাইভ লিক নামে একটি ওয়েবসাইট। তবে ওই নারীর পরিচয় দেয়া হয়নি।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরে হাফিংটন পোস্টে একটি প্রতিবেদনে সার্জারি করে তিনটি স্তন বানানোর খবর ছবিসহ প্রকাশিত হয়। জেসমিন ত্রিদেভিল ছদ্মনামের ওই নারী এই সার্জারির জন্য খরচ করেন ২০ হাজার ডলার।
ধারণা করা হচ্ছে এই সেই নারী। পোষা কুকুরের মতোই তার রয়েছে চার পুরুষ। এরা আক্ষরিক অর্থেই কুকুরের মতো আচরণ করে। ভিডিওর শেষ অংশে দেখা যায়, এই চার যুবক কুকুরের মতোই খেলছে।

রুবেলকে যা যা বললেন তসলিমা নাসরিন (ভিডিওসহ)

বাংলাদেশসহ বিশ্ব গণমাধ্যমে এখন আলোচনার বিষয় ক্রিকেটার রুবেল এবং নবাগত নায়িকা হ্যাপি। ১৩ ডিসেম্বর রুবেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করে এ আলোচনার জন্ম দেন হ্যাপি।

এরপর শুরু হয় হ্যাপি আর রুবেলের পক্ষ-বিপক্ষের যুক্তি তর্ক। আর এ আলোচনায় নতুন করে যুক্ত হলেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি ১৫ ডিসেম্বর তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে রুবেল হোসেনকে লম্পট বলেছেন।


শুধু তাই নয়, তিনি রুবেলকে বিয়ে না করতে হ্যাপিকে বারণ করেছেন। বাংলামেইলের পাঠকদের জন্য তসলিমার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো।

তসলিমা লিখেছেন-
‘হ্যাপির বয়সে আমি কোনো হিজাবও পরিনি, প্রেমিকের সঙ্গে শুইওনি। বিয়ের অনেক পরে শুয়েছি। তখন আমার শরীর জুড়ে রক্ষণশীলতা ছিল। অবশ্য ধর্মান্ধতা ছিল না। আজকালকার মেয়েদের হিজাব যত বেশি উর্ধাঙ্গে উঠেছে, তত বেশি নিম্নাঙ্গ থেকে খসেছে। মেয়েদের স্বাধীনতায় আমি ১০০ ভাগ বিশ্বাস করি।

হ্যাপি দুনিয়াকে জানিয়ে দিয়েছে রুবেলের সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্কের কথা, রুবেলের তাকে ধর্ষণ করার কথা, লজ্জায় আশঙ্কায় সে একা একা কাঁদেনি, এ খুব ভালো কাজ। কিন্তু শুয়েছে বলে বা ধর্ষিতা হয়েছে বলে তার কেরিয়ার নষ্ট হয়ে গেল, এমন ভাবাটা ঠিক নয়।

হ্যাপিকে বিয়ে করতে চায়নি রুবেল, মডেলদের সম্পর্কে ইডিয়ট এর মত মন্তব্য করেছে, নষ্ট ছেলের মত অন্য মেয়েদের সঙ্গে ফস্টি নস্টি করেছে এমন অশিক্ষিত, অবিবেচক, অপদার্থ, লম্পট, প্রতারক, ধর্ষককে হ্যাপি কেন বিয়ে করতে চায়, বুঝি না! ওকে যা ইচ্ছে তাই করুক, কিন্তু ভুলেও যেন বিয়েটা না করে।’

ভাবীর চুমুতে বিয়ে ভাঙল যুবকের

বেচারি ভাবী! দেবরের বিয়ের দিনে ভালবেসে তাকে একটা চুমু দিয়ে সবার চক্ষুশুলে পরিণত হতে হল। বিয়ে তো ভেঙে গেলই, এমনকি কনেপক্ষ বরযাত্রীদের ধরে দিল আচ্ছা করে ধোলাই।


উত্তর প্রদেশের আলীগড় জেলার খায়ের রোডের একটি পার্টি ভেন্যুতে বৃহস্পতিবার রাতে ওই বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুই পরিবারের পাঁচ শতাধিক অতিথি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মহাধুমধামে চলছিল সবকিছু। এ সময় বরের ভাবি খুবই উত্তেজিত হয়ে পড়েন। অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকবার দেবরকে জড়িয়ে ধরেন তিনি।

এমনকি কনের পরিবারের সদস্যদের সামনেই বরকে চুমু দিয়ে বসেন। বরকে ফ্লোরে টেনে নিয়ে নাচতে বাধ্য করেন তিনি। বেশ ঘনিষ্ঠ অবস্থায় তারা নাচানাচিও করতে থাকেন। কিন্তু বিষয়টি একেবারে পছন্দ হয়নি কনের। এই দেখে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন তিনি। কনের পরিবারও একই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা শুধু বরযাত্রীদের মারধরই করেনি, বরকেও আটক করে রাখেন।

সামাজিক যোগাযোগ সাইটের মাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল বিয়ের বর-কনের। এরপর প্রণয় থেকে পরিণয়। কিন্তু সেই পরিণয়ের চূড়ান্ত মুহূর্তটি সুখকর হলো না বরের ভাবির কারণে! বিয়ের অনুষ্ঠানে কনে ও তার পরিবারের সামনে দেবরকে চুমু খাওয়ায়ই যত গণ্ডগোল।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন আলীগড়ের মেয়র শকুন্তলা ভারতী। তিনি বলেন, ‘বরকে কনে পক্ষের লোকজন ঘিরে রেখেছিল। মনে হচ্ছিল তিনি কারাগারে রয়েছেন। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে বেশ কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। বিষয়টি আমি মীমাংসা করে দিই। কিন্তু এটি খুব দুঃখের বিষয় যে, বর পক্ষকে কনে ছাড়াই বাড়ি ফিরতে হয়।’

শকুন্তলা ভারতী পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের জন্য পুলিশকে খবর দেন। আলীগড়ের দিল্লি গেট জোনের এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে সমাধানের উপায় খুঁজে বের করছেন তারা। এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলার সময় আসেনি।

মানুষের মতো দেখতে সন্তানের জন্ম দিল ছাগল মা

ছাগলের সন্তান। কিন্তু দেখতে প্রায় মানুষের মতো! এমনটাও হয়। andhrawishesh.com-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী কর্ণাটকের কোটে তালুকে সোলাপুরে দুটি ছাগশিশুর জন্ম হয়েছে। যাদের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের মতো দেখতে।


সোমবার একটি মা ছাগল প্রথমে একটি সন্তানের জন্ম দেয়। যাকে দেখতে মানুষের মতো। এর ৫ ঘণ্টা পর দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেয় সে। এইবার ছাগশিশুর সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায় শিশুকন্যার। ছাগলটির মালিক জানিয়েছেন এর আগে সে ১০টি সন্তানের জন্ম দিয়েছে যার প্রত্যেকটিই সুস্থ ও স্বাভাবিক। এইবার সন্তান প্রসবের পরই সারা গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে এই অদ্ভুত খবর।

জন্মের পরই অদ্ভুত ছাগশিশু দুটির শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। পশুপালন বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জানান, কোনও জিনগত সমস্যা বা সংক্রমণের ফলে এই ধরণের অদ্ভুত ঘটে থাকতে পারে। ছাগশিশু দুটিকে মাইসোর দাসারা এক্সিবিশন সেন্টারে সংরক্ষণের জন্য পাঠানো হবে।

বাংলাদেশী অভিনেত্রী ববির অশ্লীল ভিডিও ‘নটি গার্ল’ মাতালো ইউটিউব (দেখুন ভিডিওসহ)

 ‘নটিগার্ল’ শিরনামের একটি গান সম্প্রতি ইউটিউবে ঝড় তুলছে বাংলাদেশের চলচিত্র জগতে। ইফতেখার চৌধুরীর পরিচালিত ‘অ্যাকশন জেসমিন’ ছবির এই গানটিতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা ববি।


ববিকে শ্বাসরুদ্ধকর অ্যাকশন দৃশ্যে প্রথমবারের মতো দেখা যাবে এই ছবিতে। তিনি একজন দুঃসাহসী পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করছেন।

ছবি প্রসঙ্গে ববি বলেন, এ ধরনের চরিত্রের একজন মেয়ের অভিনয় করা খুবই কষ্টকর। কিন্তু এই ছবিটি আমার প্রথম অ্যাকশনের তাই কষ্ট হলেও আমার কাছে কষ্ট মনে হয়নি।

একটি সুন্দর ছবির জন্য যে কোন ধরনের কষ্ট করতে আমি প্রস্তুত। ছবিটিতে ববির সাথে আরও যারা কাজ করেছেন সায়মন, মিশা সওদাগর, কাবিলা।

উদ্ভট দুবাইকাণ্ড

 বছর কয়েক আগে দুবাই নিয়ে একটা গল্প বেশ প্রচলিত ছিল। গল্পটা এরকম ছিল যে, ‘দুবাইয়ের শেখেরা এক লিটার তেলের বদলে এক লিটার পানি কেনে’। গল্পের খাতিরে একটা সময় মানুষ দুবাইকে নিয়ে এরকম কথা প্রায় উড়িয়েই দিত। কিন্তু ২০০০ সাল পরবর্তী দুবাই সম্পর্কে এই কথাটা অনেকটা নয় পুরোটাই সত্যি।

কারণ যে দেশের স্থানীয় অধিবাসীদের নেই প্রাতিষ্ঠানিক এবং কারিগরি শিক্ষার জোর, সেই দেশেই প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং বুর্জে খলিফার মতো বিশাল দালান আমাদের অনেক কিছুই বলে দেয়। পশ্চিমের বিলাসপ্রিয় মানুষের প্রথম পছন্দ এখন দুবাই। এখানে টাকা থাকলে বাঘের দুধও পাওয়া যায়।


আর পেট্রোডলারের এই আধিপত্যে দুবাইবাসী এমন অনেককিছুই করেন যা পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে মোটামুটি কল্পনাসম। যেমন ধরা যাক, দুবাইয়ের এক শেখের সকালবেলা ঘুম ভাঙার পর ইচ্ছে হলো তিনি সিংহের পিঠে চড়ে ঘুরে বেড়াবেন। পাইক পেয়াদাকে এই ইচ্ছের কথা বলতে দেরি কিন্তু কার্যকর হতে দেরি হবে না।

এরকম অনেক বিচিত্র সব শখ মেটান দেশটির শেখরা। আর এই বিচিত্র শখের কারণে বিশ্ববাসীর কাছে তাদের পরিচিতিও অনেকটা হাস্যকর। বাংলামেইলের পাঠকদের জন্য এমন কিছু আলোকচিত্র তুলে ধরা হলো, যা দেখে দুবাইয়ের শেখদের বিচিত্র সব খেয়ালের ছিটেফোটা নমুনা পাওয়া যাবে।



রুবেলের সাথে স্বামী-স্ত্রীর মতোই থাকতাম : ও আমার সাথে প্রেমের ম্যাচ খেলেছে (ভিডিওসহ)


উঠতি নায়িকা নাজনিন আক্তার হ্যাপি। লোকে তাকে তেমন চিনতই না। কিন্তু হঠাৎই টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হন এই চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। জাতীয় দলের পেসার রুবেলের সঙ্গে সম্পর্ক এবং এর জের ধরে থানায় ধর্ষণ মামলার পর থেকেই এক নামে পরিচিতি পেয়ে যান হ্যাপি।

এখন হ্যাপি-রুবেল কোনো কিছু মানেই মানুষের কাছে হট কেক। রোববার রাতে রেডিও ঢাকা এফএমে এসে অন্ধকারের গল্পে নিজের এবং রুবেলের কাহিনী নিজ মুখে শোনালেন হ্যাপি। জানালেন কীভাবে সম্পর্ক হয়েছে, গভীরতা কতদূর গিয়েছিল। একই ফ্ল্যাটে তারা কীভাবে থাকতেন। এরপর কীভাবে আবার দু’জনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে থাকে।

যদিও মামলার পর হ্যাপি শর্ত দিয়েছিলেন, রুবেল তাকে বিয়ে করলে তিনি মামলা তুলে নেবেন। কিন্তু ঢাকা এফএমে তিনি বলেছেন, ‘রুবেলকে আর বিয়ে করতে চান না। বরং প্রতারণার কারণে যেন তার কঠোর শাস্তি হয়, সেটাই চান তিনি।

ঢাকা এফএমে হ্যাপি নিজের প্রেম কাহিনি যেভাবে তুলে ধরেছেন, সেভাবেই আমাদের পাঠকদের জন্য তা প্রকাশ করা হলো—

প্রথম পরিচয়
হ্যাপি বলেন, এক বছর ধরে ওর সাথে পরিচয়। শুরুটা হয় ফেসবুকের মাধ্যমে। ও যে খেলোয়াড় এটা আমি জানতাম না। ওর বাড়ি বাগেরহাটে, আমার বাড়িও বাগেরহাটে। ক্রিকেট আমি ভালো বুঝিও না। প্রথমে ও আমাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায়। ও ছিল অন্য একটা জগতের মানুষ, আমি আরেক জগতের। এভাবে একটা সময় আমরা ফোন নম্বর চায় রুবেল। এর আগে শুরু থেকেই ফেসবুকে কথা হয়েছে। ওর ফোন পেয়ে প্রথমে খারাপ লাগতো ও বিরক্ত হতাম। তারপর থেকে আস্তে আস্তে সম্পর্ক হয়েছে।

মার্চের ৮ তারিখে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করি। ও খুব পাগলামি করতো। প্রায়ই ওর সাথে ঘুরতে বের হতাম। একদিন গাড়িতে করে ঘুরছিলাম। কোন কিছু নিয়ে খুব রাগ হওয়ায় আমি গাড়ি থেকে নেমে পড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে স্টেডিয়ামের সামনে। সে আমার পেছন পেছন আসতে থাকে। হঠাৎ দেখি গাড়ি থেকে নেমে সে আমার রিকশা চালাতে শুরু করে। তখন বুঝলাম ও আমাকে সত্যি ভালোবাসে। আরেকদিন সে রাগ করে রাস্তায় বসে পড়লো, কিছুতেই উঠবে না। আর কোন কিছু হলেই কান্না শুরু করে দিত। এসব পাগলামি দেখে আমি বুঝতাম ও আমাকে সত্যি ভালোবাসে। এখন মনে হয় সবকিছু অভিনয় ছিল ওর।

ঢাকায় থাকলে প্রতিদিন ওর সাথে দেখা হতো। ওর সাথে অনেক ঘুরেছি। ওর সাথে সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত জমা হয়ে আছে। ওইগুলো ভুলতে পারছি না। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আসার পর ঈদের আগের রাতে আমি ওর জন্য একটি পাঞ্জাবি কিনেছি। সেই পাঞ্জাবি ওকে দিতে আমি বাগেরহাটে গিয়েছিলাম। বাসায় মিথ্যা কথা বলে আমি একাই রুবেলকে পাঞ্জাবি উপহার দিতে ওদের বাড়িতে গিয়েছি। কিন্তু সেটা আমি ওকে দিতে পারিনি। আমি সারা রাত কান্না করে পরে ঢাকায় ফিরে আসি। আমি ওকে বলতাম আমাকে বিয়ে করো। ও বলতো, আমি তোমাকে বিয়ে করবো।

ওর সব কথাই আমি শুনতাম। যখন যাই বলেতো তাই করতাম। বন্ধুদের সাথে দেখা করতে দিতো না আমাকে। একা একা মার্কেটে যেতে দিতো না। ওকে মনে হয়েছে ও শুধুই আমার, আর কারো নয়। আমরা অনেক দুষ্টামি করতাম। নয় মাসে ৯শত বার আমাদের মধ্যে ব্রেকআপ হয়েছে। এমন করতো তারপর আবার ফোন করে কাঁদতো।

আমি চাইতাম ওর সাথে সারাজীবন থাকবো। রুবেল প্রতিদিন নেশা করতো। অতিরিক্ত নেশা করতো। আমি তাকে নিষেধ করতাম।

সম্পর্কে ভাটা
হ্যাপি বলেন, যখন আমি জানলাম ওর ফ্যামিলি ওকে বিয়ে করাতে চাইছে। তখন আমি ওকে বলেছি, তুমি আমাদের সম্পর্কের কথা বাবা-মাকে জানাও। আমাদের স্বপ্নের কথা বলে দাও। কিন্তু সে জানায়নি। উল্টো আমাকে খারাপ মেয়ে বলে গালি দিয়েছে। মিডিয়ায় কাজ করলে নাকি আমরা খারাপ হয়ে যাই।

তারপরও আমি মনে করতাম, যেহেতু ভালোবেসে ফেলেছি এখন তো ফিরতে পারবো না। ওকে অনেক মিস করেছি। ওকে ছাড়া ভালো লাগতো না। ওর কথায় ফিল্ম ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু ওর মধ্যে কোন পরিবর্তন দেখিনি।

মামলার সিদ্ধান্ত
এ ব্যাপারটা বলতে গেলে অনেক কিছু চলে আসে। ওকে আমি এতো বেশি ভালোবাসি। কিন্তু ও বলে দেয়, আমাকে বিয়ে করা সম্ভাব নয়। অথচ তার সাথে তার বাসায় স্বামী-স্ত্রীর মতোই থাকতাম। বিয়ে না করার কথা শুনে আমি অন্যরকম হয়ে যেতাম। ওর বাবা-মা ছাড়া আমিই ওকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতাম। ১ তারিখে হঠাৎ করেই বলেছে, তোমার সাথে আমার সম্পর্ক ব্রেকআপ। তখন বলে, তুমি আমাকে ফোন দিয়ো না। আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না।

একদিন আমাকে বলে আমি কয়েকটি মেয়েকে নিয়ে মদ খাচ্ছি। তখন রাতেই ওর বাসায় যাই। গিয়ে দেখি ওর বাসায় দুটি মেয়ের জুতা। ভেতরে গিয়ে দেখি মদের বোতল নিয়ে সবাই খাচ্ছে। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি আত্মহত্যা করবো। তখন আমি মদের বোতল ভেঙে নিজের হাত কেটেছি। এরপর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সকাল পর্যন্ত আমার জ্ঞান ফেরেনি।

যখন আমি বলেছি তার সাথে সম্পর্ক নেই। তখন অন্য ধরনের রূপ আমাকে দেখাতো। দুইদিন পর ফের ও আমাকে ফোন দিয়ে কান্না শুরু করে। তখন আমি সব ভুলে যাই। আমারও খারাপ লাগছে। মেয়ে দুটিকে দুই দিনের পরিচয়ে বাসায় সারা রাত রাখে। এ ব্যাপারটাই আমার কাছে মেনে নেয়া কঠিন ছিল। তখন ভাবলাম মানুষ তো একটু ভুল করেই! কিন্তু সত্যি সত্যি ও আমার সাথে নয় মাসে প্রেমের ম্যাচ খেলেছে।

ওর সাথে স্বামী-স্ত্রীর মতোই থেকেছি, কিন্তু আমিও বুঝতে পারতাম না যে আমি ভুল করে যাচ্ছি। আমার ভুল বোঝার মতো ক্ষমতাও ছিল না। মামলা করার আগের দিন সে বলেছে, আমাকে বিয়ে করতে পারবে না। তখন আমি ওকে বলেছি, কেন তুমি বিয়ে করবে না। এরপর মামলা করতে চেয়েছি। থানায় যাই। তখন থানা থেকে বিসিবিতে ফোন করে। তখন কিছু খেলোয়াড় বিষয়টা মীমাংসা করতে থানায় আসে। ওই সময় রুবেল বলে, আমি তোমাকে বিয়ে করবো। এরপর আমি সিদ্ধান্ত নেই মামলা করবো না।


কিন্তু তাতেও কোন কিছু বদলায় না। আবারও রুবেল বলে, বাবা-মা আমার বিয়ে ঠিক করেছে। বিশ্বকাপের পরেই ও বিয়ে করবে। এসময় ওকে বলি, আমাদের কথাগুলো রেকর্ড করা আছে। হঠাৎ সে পাল্টে যায়। অনেক ভালো ব্যাবহার করতে থাকে। মামলা করার আগেরদিন অনেক ভুলিয়ে-ভালিয়ে আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়, মোবাইলের অনেক কিছু ডিলিট করে দেয়। তখন আমি বলি তোমার সাথে আমার নয় মাসের কিসের সম্পর্ক ছিল? তখন সে বলে, তুমি মামলা করবে? কর, কিছুই করতে পারবে না। মামলা করে কিছুই হবে না। আমি তোমার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকার মানহানি মামলা করবো।

অথচ তার সাথে অলিখিত স্বামী-স্ত্রী হিসাবে থাকতাম। ও আমাকে বউ বলে ডাকতো। আমি নিজেকেও তার স্ত্রী ভাবতাম। আমি এখন চাইলেও কাঁদতে পারি না। চাইলেও হাসতে পারি না।

এখন ওর কথা শুনলেই ঘৃণা হয়। ওকে আমি ঘৃণা করি। এখন সত্যি, রুবেল নামের এ মানুষের প্রতি ঘৃণা হয়। যে আমাকে নিয়ে খেললো। রুবেলের মতো জানোয়ারকে 

আইটেম গানে অংশ নেওয়া নারীরা আসলে যৌনকর্মী (দেখুন ৩টি ভিডিওসহ)


আইটেম গানে অংশ নেয়া নারীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য চলছেই। যেসব নারী আইটেম গানে অংশ নেন তারা যৌনকর্মীর থেকে কম কিছু নন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের বিশ্ব হিন্দু মহাসভার সাধারণ সম্পাদক নবীন ত্যাগি।


তিনি আরও বলেন, আইটেম গানে নাচা মেয়েদের যৌনকর্মী হিসাবে ডাকা উচিত।

ম্যাগাজিনের জন্য অনুষ্কা শর্মার উত্তেজক ফটোশ্যুট (ভিডিওসহ)

 নয়াদিল্লি:এর আগে বিরাট কোহলিকে বোল্ড করেছেন বলিউড মেগাস্টার অনুষ্কা শর্মা।এবার তাঁর নয়া ফটোশ্যুটে কিফ্যানদের কাত করতে চলেছেন তিনি? একটি ম্যাগাজিনের ডিসেম্বর সংখ্যার জন্য বেশকিছু ‘হট’ ছবি তোলা হয়েছে তাঁর। এপর্যন্ত এগুলিই বলিউড তারকা অনুষ্কার সবচেয়ে সাহসী ছবি।ওই ম্যাগাজিনের জন্য তোলা ফটোশ্যুটে তিনি বিভিন্ন ভঙ্গিমায় পোজ দিয়েছেন।

এই মুহূর্তে অনুষ্কা বলিউডের বিভিন্ন ছবিতে বিভিন্ন রোলে অভিনয় করছেন।১৯শে ডিসেম্বর মুক্তি পাবে তাঁর অভিনীত ছবি পিকে।সেখানে তাঁর চরিত্র বেশ অন্যরকম, ব্যতিক্রমী। সাংবাদিকের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে।

মেয়েরা ছেলেদের দেখলে ওড়না ঠিক করে কেন ?

 প্রায়ই দেখা যায় ছেলেদের দেখলেই মেয়েরা ওড়না ঠিক করতে চায়। এটা কেন করে?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক পাঠক লিখেছেন, হ্যাঁ। এটা সত্য এবং খুব সচরাচর দেখা যায়। এটা কী কারণে করে সেটা বলা মুশকিল। তবে ওড়না ঠিক করার ধরণভেদে সেটার বিভিন্ন অর্থ হতে পারে।
ধরণ একঃ (মাথায় ওড়না ঠিক করা)
কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে। এটার কারণ বলে যেটা প্রতীয়মান হয় তা হলো মেয়ের প্রতি মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ। মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তাঁর মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।


ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা )
নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে তা্র মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুণ কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে। গলায় ওড়না থাকাবস্থায় 

একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তাঁরা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে। এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তাঁর মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়।

সৌমিত্র মোহন সাহা নামের পাঠক লিখেছেন, মেয়েরা ছেলেদের দেখলেই বার বার ওড়না ঠিক করে তা ঠিক। তবে কেন করে তা বোঝা বড়ই মুশকিল। কারণ মেয়েদের মন বোঝার সাধ্য কারো নেই। তবে ধারণা করে বলতে পারি, সব ছেলেদের দেখেই মেয়েরা এমনটা করে না। যে ছেলে দেখতে ভালো, হ্যান্ডসাম, শুধুমাত্র তার সামনেই এমনটা করে। মেয়েরা তার সামনের হ্যান্ডসাম ছেলেটিকে দেখে আকর্ষণ বোধ করে। ভাবে ওই ছেলেটির সামনে সেই একমাত্র সুন্দরী এবং ধারণা করে নেয় যে ছেলেটি তাকে কোন না কোনভাবে দেখছে। তখন মেয়েটি মনের মধ্যে একটা ভালো লাগার উত্তেজনা অনুভব করে, অর্থাৎ অস্থিরতা অনুভব করে। যার কারণে মেয়েটি কি করবে বুঝতে না পেরে বা অস্থিরতা সামাল দিতেই বার বার ওড়না ঠিক করে।

হিজাবেও হবে দারুণ সেক্সি ফ্যাশন


একটা সময়ে শুধু পর্দা করার জন্যই হিজাব পরা হতো। কিন্তু বর্তমানে সব বয়সী নারী ও তরুণীদের কাছে হিজাবের ব্যবহার দারুণ এক ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। হিজাবে পর্দা করা ছাড়াও রয়েছে নানা উপকারী দিক। বাইরের ধুলাবালি থেকে ত্বক ও চুলের সুরক্ষা দিতেও হিজাব কার্যকর।
Jilbab Toge montok (22)হিজাব পরতে পারেন শাড়ি, কামিজ, কুর্তা বা অন্য যে কোনো পোশাকের সঙ্গে। তবে হিজাব পরার আগে অবশ্যই লম্বা হাতা বা থ্রি কোয়াটার হাতার পোশাক বেছে নিতে হবে। হিজাবের সঙ্গে ছোট হাতার পোশাক একদমই বেমানান।
9247601879স্কুল-কলেজ, নানা ধরণের সামাজিক অনুষ্ঠানসহ কর্মস্থলেও মেয়েরা অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন হিজাব। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে হিজাব পরলে খুব সুন্দর দেখায়। পরনের পোশাকটি বেশী নকশা করা বা প্রিন্টের হলে একরঙা হিজাবও পরতে পারেন।
jilbab-angel-face-hijab-15হিজাবকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলতে নানা ধরনের স্টাইল ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে হিজাবের সঙ্গে পরার জন্য পাথর ও পুতির বিভিন্ন ডিজাইন করা ব্রুজ পাওয়া যায়। চকচকে রঙের ব্রুজগুলোর ব্যবহার আপনাকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলবে।
hijab-wedding-stylesবর্তমানে মুসলমানদের মধ্যে বিয়ের কনের সাজেও স্বগর্বে স্থান করে নিয়েছে হিজাব। জমকালো সাজকে সবার কাছে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য করতে হিজাবের তুলনা হয় না।
Citizen-Khan-BBCবাজারে কটন, লেস, জর্জেট ও সাটিনসহ নানা ধরনের কাপড়ের হিজাব পাওয়া যায়। কাপড়ের মান ও নকশার উপর ভিত্তি করে হিজাবগুলো পাবেন ২০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। তাই খুব সহজেই বেছে নিতে পারবেন সাধ্যের মধ্যে পছন্দের হিজাবটি। পর্দা করার সঙ্গে নিজেকে মার্জিতভাবে উপস্থাপন করতেও হিজাব বেশ উপকারী।

মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় আর “বিকিনি” থাকবে না যে কারণে (ভিডিওসহ)

সুন্দরী প্রতিযোগিতা মানেই যেন হয়ে দাঁড়িয়েছে বিকিনিতে রূপসী নারীদের আকর্ষণীয় উপস্থাপন। তবে এখন শোনা যাচ্ছে ভিন্ন কথা। রূপসী নারীদের এখন আর বিকিনি পরিহিত অবস্থায় দেখা যাবে না। কি অবাক হচ্ছেন?


১৯৫১ সাল থেকে শুরু হয়েছিল মিস ওয়ার্ল্ড বা বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতা শুরুর ৬৩ বছরের মধ্যে বিশ্ব সুন্দরী নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন এসেছে। যেমন প্রথমদিকে চারটি প্রক্রিয়া যথা ট্যালেন্ট, ফ্যাশন রানওয়ে, সুইমওয়ার ও অ্যাথলেটিক্স ছিল। কিন্তু প্রক্রিয়ার মধ্যে ইন-ডেপথ ইন্টারভিউ ও সার্ভিস প্রোজেক্ট বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়।

তবে আগামী বছরে এ প্রতিক্রয়ায় আরও পরিবর্তন আনা হবে। মিস ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশনের চেয়ারওম্যান জুলিয়া মুরলি বলেছেন, আগামী বছর থেকে মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় কোনও বিকিনি রাউন্ড থাকবে না।

তিনি বিশ্বাস করেন, এটি বিউটি কুইনের অস্তিত্ত্বের ক্ষেত্রে ও আমাদের সংগঠনের ক্ষেত্রে আলাদা কোনও মূল্য যোগ করে না। আমি চায় প্রতিযোগিরা সার্ভিস প্রোজেক্ট ও ইনটিলেক্ট (বুদ্ধিমত্ত্বা) এর প্রতি বেশি গুরুত্ব দিক।

১৯৭৪ সালে মিসেস মুরলি বিউটি কুইন নির্বাচনের ক্ষেত্রে সার্ভিস ইলিমেন্ট বিষয়টি যোগ করেন। এর অর্থ হচ্ছে, প্রতিযোগিদের শারীরিক সৌন্দর্য্য ফুটিয়ে তোলার মনমানসিকতা থেকে সরিয়ে আনা। এর মাধ্যমে দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জন্যে ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার পরিমাণ অর্থ জমানো সম্ভব হয়েছে। গত ১৪ ডিসেম্বর ২০১৪ সালের মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট জিতে নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার রোলেন স্ট্রাউস।


একাধিক পুরুষের শয্যাসঙ্গী হয়ে গোটা দেশ ঘোরার প্ল্যান ১৯ বছরের মেয়ের

গোটা দেশ ঘুরে বেড়ানোর সাধ চিনের এক ১৯ বছরের মেয়ের। কিন্তু কে জোগাবে তাকে দেশ ঘোরার পয়সা? অভিনব পন্থা বের করেছে জু পেং নামে সাংহাইয়ের মেয়েটি। সে ঠিক করেছে, যে শহরে যাবে, সেখানকার পুরুষদের সঙ্গে রাত কাটিয়ে অর্থ উপার্জন করবে আর তা দিয়েই তার সফরের খরচ মেটাবে।


চিনা মাইক্রোব্লগিং সাইট ওয়েইবো-তে এজন্য বিজ্ঞাপনও দিয়েছে সে। বিজ্ঞাপনটি এইরকম, ‘মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য পুরুষ বন্ধু চাই, সুদর্শন, ৩০-এর নিচে বয়স, ১.৭৫ মিটারের বেশি লম্বা, ধনী হতে হবে।’

মেয়েটি বলেছে,  সে যখন যে শহরে থাকবে, সেখানে তার আসা-যাওয়া, থাকা খাওয়াসহ যাবতীয় বিল ‘বয়ফ্রেন্ডরাই’ মেটাবে। বিনিময়ে তারা গোটা একটা রাত তাকে সঙ্গিনী হিসাবে পাবে। সত্যিকারের এক সুন্দরী পাশে আছে, এটা দেখানোর সুযোগ পাবে তারা।

ইন্টারনেটে তার বিজ্ঞাপন সম্প্রচারিত হতেই সমালোচনায় বিদ্ধ হচ্ছে মেয়েটি। কিন্তু তাতে বয়েই গেছে দুঃসাহসী মেয়েটির। সে ইতিমধ্যে দেশের পূর্ব প্রান্তটি দেখে নিয়েছে একাধিক পুরুষের শয্যাসঙ্গী হয়ে। কিন্তু দেশের বাকিটা দেখা তো বাকি! হাতে যা অর্থ আছে, তা দিয়ে হবে না। তাই সে আবার পুরুষ বন্ধু চাইছে। এতে সে অন্যায় কিছু হচ্ছে বলে মনে করে না।

তার বক্তব্য, সুযোগ বুঝে দাও মারো। এতে কোনও অপরাধ, লজ্জা নেই!

পৃথিবীর সবচে ক্ষুদ্র স্কুল শিক্ষক


 নাম আজাদ সিং। বয়স ২২ বছর। একেবারে টগবগে তরুণ। কিন্তু তাকে দেখলে কারো মনে হবে না তিনি তরুণ। নেহায়েত বাচ্চা বলেই ভুল হবে।

আজাদ সিংয়ের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তার দেহের আকার বাড়েনি। আটকে গেছে তিনফুটে। ডাক্তাররা বলেছে এটা হরমোনজনিত সমস্যা। তাই আটকে গেছে তার শারীরিক বৃদ্ধি।

ভারতের হারিয়ানির অধিবাসী আজাদ সিং। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক। তার বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আকার কিন্তু তারচেয়ে অনেক বড়। শিক্ষক হলেও ছাত্রীরা তাকে ছোটু বলেই ডাকে। আজাদ প্রতিমাসে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার শেখান আর সেখান থেকে তিনি আয় করেন ১০ হাজার রুপি।

তবে তাকে ছাত্রীরা ছোটু বললেও তিনি রাগ করেন না। কারণ তিনি তার লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছেন।


তার খর্বাকার গঠন নিয়ে আজাদ সিং বলেন, ‘আমি কাজ করায় সবাই আমাকে সম্মান করেন।’

মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকে আজাদের এ সমস্যা। বাবা-মা গরিব কৃষক। তাই হরমোনের ইনজেকশন ও দিতে পারেননি। স্কুলে তার বন্ধুরা তাকে ছোটু বলে ক্ষেপাতো। তাকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতো ও আজেবাজে কথা বলতো। বন্ধুরা তাকে প্রায়ই ভয় দেখাতে যে তাকে সার্কাসের লোকেরা ধরে নিয়ে যাবে।

না বুঝে বন্ধুরা বলতো কিন্তু তার মনে সত্যি ভয় কাজ করতো। আর তাই তার লেখাপড়ায় কিছুটা ব্যাঘাত হয়েছে। কিন্তু এতো কিছুর পর আমাদের ছোটু বাবু আজাদ সিংহ কিন্তু ভালোই আছে তার পেশা নিয়ে। আর এখন পর্যন্ত আজাদ সিং পৃথিবীর সবচেয়ে আকারে ছোট স্কুল শিক্ষক।

ই চুপ…চুপ…চুপ…একদম ঠোঁট কামড়াইয়া ধরবো কিন্তু : রুবেল-হ্যাপির ফোনালাপ ফাঁস (ভিডিওসহ)

দু’জন দুই জগতের। একজন উঠতি নায়িকা। অন্যজন খেলোয়াড়। ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেম, অন্তরঙ্গতা। টেলিফোনে দীর্ঘ আলাপ, বাসায় যাতায়াত। এত কিছু করার পরও তারা দু’জন এখন দুই মেরুতে। অবিশ্বাস থেকে একজন মামলা করেছেন অন্যজনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রতারণা করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের। অভিনেত্রী হ্যাপি আর পেসার রুবেল হোসেনের এই ‘প্রেম-প্রতারণার’ আলোচনায় ঝড় বইছে দুই অঙ্গনে। এরই মধ্যে হ্যাপির করা মামলায় জামিন পেয়েছেন রুবেল। হ্যাপি প্রথমে বিয়ের শর্তে সমঝোতায় রাজি হলেও এখন বলছেন আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে। তিনি জানিয়েছেন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মতো তার কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ আছে। আছে, ছবি ও কথোপকথনের অডিও। গতকাল এমন একটি অডিও মানবজমিন-এর হাতে এসেছে। রুবেলের সঙ্গে হ্যাপির এলোমেলো ফোনালাপের কিছু অংশ এখানে তুলে ধরা হলো।

রুবেল: এটা তুমিও জানো আমিও জানি…
হ্যাপি: আমি এগুলো শুনতে চাই না…
রুবেল: এটার চাইতে চরম কোন সত্য কথা দুনিয়াতে আর নাই।
হ্যাপি: এটা কিসের সত্যি কথা? আপনি আমাকে আজকে যে অ্যাটিচিউড দেখাইছেন না…আপনি একজন সেলিব্রেটি…একটা কথা বলে রাখি আমি সেলিব্রেটি (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ) না। যত বড় সেলিব্রেটি হোক না কেন?
রুবেল: মেজাজটা গরম করতাসো। তুমি আমারে কি বলতেছো? তোমার মাথা ঠিক আছে।
হ্যাপি: আমার মাথা ঠিক আছে।
রুবেল: এই তোমার সাথে কি সেলিব্রেটি (প্রকাশ অযোগ্য)।  তোমার সাথে কি আমার সেলিব্রেটির কোন কথা…
হ্যাপি: না, আমার সেইটাই মনে হইছে যে, আমি একজন সেলিব্রেটিকে ফোন দিছি। যে মহা ব্যস্ত।
রুবেল: সেলিব্রেটিরে ফোন দিছো মানে…আমার কথা শোন, আমার শরীরডা যে কি অবস্থা খারাপ…তুমি কি জানো আমি নেক্সট ম্যাচ মাঠে খেলতেও পারি, নাও পারি।
হ্যাপি: আপনি তো নতুন আজকে ক্রিকেট খেলতেছেন। এইজন্য নতুন আজকে মাঠে নামছেন, আপনার প্রথম দিন খেলে গা’ ব্যথা হয়ে গেছে।
রুবেল: শোন, এই যে, তোমার কোন নো আইডিয়া টেস্ট ক্রিকেটে কি পরিমাণ কষ্ট হয়, কি পরিমাণে শরীর ব্যথা করে।
হ্যাপি: আমি জানি কি করতে হয়।
রুবেল: তোমার কোন আইডিয়াই নাই। আমি তোমাকে বলি, সারা শরীর কি যে ব্যথা, আমি…এতটা খারাপ, আমি নেক্সট ম্যাচে নাও খেলতে পারি, তুমি জানো? তা তো শুনবা না (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ) আমি আজকে সারাদিন…সন্ধ্যার পর থেকে ডাক্তারের সঙ্গে, আমার ট্রিটমেন্ট চলতেছে। ঠিক আছে? তুমি তো বুঝো…ওইখান থেকে আসলাম, আসার পর আমার এক খালা আসছে খুলনায়, ঠিক আছে? আমাদের রিলেটিভ…আত্মীয়, ঠিক আছে? সে আসলো…আত্মীয়-স্বজন পিচ্চিপাচ্চা কতগুলোরে নিয়া…আইসা সব প্লিয়ারের সঙ্গে…সব প্লিয়ার না ৪-৫ জন প্লিয়ারের সঙ্গে ছবি-টবি তোলাইয়া দিলাম, ঠিক আছে? তারপর ওরা অনেকক্ষণ ছিল, প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট ছিল রেস্টুরেন্টে, ঠিক আছে? তারপর তারা ছিল, তারপর তারা ছবি-টবি তুইলা চইলা গ্যাছে।
তারপর আসলাম ডিনার করতে সাকিব ভাইগো লগে, তারপর ডিনার-টিনার কইরা আমি একটু আগে আসলাম। ঠিক আছে? আইসা আমার এক (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ) আমারে কয় কিরে তোর ফোনটোন বন্ধ। এই নাম্বারও বন্ধ, ওইটাও বন্ধ। আমি কই ওই শালার পুত আমার নাম্বার তো দুইটাই খোলা, ঠিক আছে। তারপর ওই নাম্বারে ওরে একটা ফোন দিলাম, আমি এমন এক বোকা (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ)… ওরে ফোন দিয়াই তুমি ওই টাইমে আমারে ফোন দিছো। তুমি যে আমারে এইডায় ফোন দিবা…আমি তো ভয়ে তাড়াতাড়ি ফোন কাটতে কাটতে দেখি তুমি ওইডায় চইল্যা গেছো। আমি তো জানি তুমি তো ওইডায় ফোন দিবাই। আমি তোমারে চিনি না, আর তুমি ভাবো কি, বাবা? আমি তোমারে… এরকম করে কথা বলবো কোন মেয়ের সাথে। তুমি আমারে…
হ্যাপি: আমি আর কোন বোকামি… কোন রকম ভুল…
রুবেল: হ্যাপি, আমি একটা মিথ্যা কথা বলি নাই জানো…
হ্যাপি: আমি তোমাকে এখন আর তোমাকে বিশ্বাস করি না।
রুবেল: চুপ…চুপ…চুপ…
হ্যাপি: আমি এখন আর তোমাকে একটুকুও বিশ্বাস করি না।
রুবেল: এই চুপ…চুপ…চুপ…একদম ঠোঁট কামড়াইয়া ধরবো কিন্তু…চুপ
হ্যাপি: আমি…
রুবেল: চুপ..আমার কথা শোন… কথা শোন…উহু কথা শোন…তারপর দ্যান আমি তো জানি তুমি তো আমাকে ফোন দিবাই ওইটাতে…সাথে সাথে…আমি তো সব কথাই জানি, ঠিক আছে? এবং আমি তাও জানি, তুমি আমারে এই নাম্বারে ফোন দিতে পারো, ঠিক আছে? কারণ তোমার সাথে আমি সন্ধ্যার পরে কথা ওইরকমভাবে হয় নাই, ঠিক আছে। সত্যি কথা আমি আইজক্যা অনেক ব্যস্ত ছিলাম, ঠিক আছে? ব্যস্ত ছিলাম আমি সাড়ে সাতটা…অলমোস্ট আটটা পর্যন্ত… আমি ছিলাম ডাক্তারের সঙ্গে। বিশ্বাস করো কথা…আমি তার সাথে ছিলাম। তারপর ওইখান থিকা আমার খালা আসছে তার সঙ্গে দেখা করতে গেছি। তারা অনেকক্ষণ ছিল আমার সাথে। রেস্টুরেন্টে বসা। তো অনেক প্লেয়ার গেছে ওইখানে…ছবি তুলছি…ছবি-টবি তুইলা তারপর সাকিব ভাইরে ফোন দিলাম, সে আসলো…তার সঙ্গে ছবি-টবি তোলাই দিয়া তারপর আমি কইছি, ভাই আপনি রুমে যান, অর্ডার দেন… আমি আসতেছি। বিশ্বাস করো তারপর এই যে কথা বলতে বলতে, ঠিক আছে? তার সাথে….তুমি তো জানো, আমি তোমারে ছাড়া কথা বলবোই না…দুই-একটা ঘণ্টা এরকম একটু সমস্যা…
হ্যাপি: আমি বলছি মানে আপনার কথা বলতে হবে তাই আপনি কথা বলতেন। আমার কোন দরকার নাই। আমি সব বুঝে গেছি রুবেল…আমি খুবই বোকা…
রুবেল: হ্যাপি…আমি তোমাকে একটা কথা বলি…
হ্যাপি: আমি নিজের ভাল বুঝি না আসলে..
রুবেল: আমার একটা কথা শোন হ্যাপি। তোমার একটু বোঝা উচিত হ্যাপি…আমার একটু বিজি সময় কাটতেই পারে…তাই না…আমার প্রফেশনটা তোমার দেখতে হবে…আমার যদি কোন মিটিং থাকতো…আমার যদি টিমের কোন টিম-ডিনার থাকতো, তুমি বলো, তাহলে তুমি কি করতা? আমাদের এই প্রফেশনে বিজি সময় থাকাটা খুব স্বাভাবিক। আমাদের প্রফেশনে এইরকম, আমাদের বিজি সময় থাকতে হয়। দেখ আমি যতটুকু…আমি যখনই ফ্রি হই… তোমাকে নক করি…ঠিক আছে? আমি জানি তোমরা ঝগড়া (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ) বেশি, একারণে আমি যতটা সম্ভব তোমার সাথে কন্ট্যাক্টটা রাখার চেষ্টা করি, ঠিক আছে?
হ্যাপি: থাক…এত কষ্ট আর করতে হবে না…
রুবেল: তারপর যদি তুমি আমার সাথে এমন করো হ্যাপি…
হ্যাপি: এত কষ্ট তোমাকে আর করতে হবে না, বললাম তো…এত কষ্ট করার কোন দরকার নাই।
রুবেল: তুমি আমারে শুধু শুধু ভুল বুঝো…আমি আজকে  অনেক ব্যস্ত ছিলাম…আমি তো না বাবা…তুমি তো জানো আমি আজকে হোটেল থেকে বের হতে পারি নাই আর কি। তুমি খুব ভাল মতোই জানো। আমি আজকে শালা, আমার যে শরীরের যে অবস্থা…আমি আজকে ইম্পসিবল। তুমি আমারে কোনরকম উল্টাপাল্টা কোন ব্লেম দিবা না। আমি তোমাকে ওয়ার্নিং করতেছি।
হ্যাপি: আমি আপনার সাথে কোন ব্লেম দিতে চাচ্ছি না। আপনি আজকে দেখেন না, প্রতিবার ঘুঘু যে ধান খায় না, ফেসবুক থেকে ব্লক করছি, আমার ফোনে ব্লকটা হচ্ছে না, আমি এয়ারটেলে কল করছিলাম…ওদের বলছি, ওদের একটা প্রবলেম হইছে…২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঠিক হইয়া যাবে। তো ২৪ ঘণ্টা পরে…
রুবেল: আচ্ছা, রিসেন্ট আমি তোমার সঙ্গে কি করছি?
হ্যাপি: আপনি আমার সঙ্গে কিছু করেন নাই। আমি আপনার কোন কথা বিশ্বাস করি না এখন। আমি আপনার কোন কথা বিশ্বাস করতে পারবো না।
রুবেল: দেখছো…তোমার ভেতরে…
হ্যাপি: আপনি আমার সঙ্গে কথা বললেন…এরপর ফোন লাইন…আমি তো আমি গেস করছি আপনি কারও সঙ্গে কথা বলছেন। আমি শিওর ছিলাম যে…আপনি দুইটা উইকেট পাইছেন… অনেক ভাল খেলছেন।
রুবেল: তুমি বিশ্বাস করো, শোন আমার কথাটা তুমি বিশ্বাস করবা তো…
হ্যাপি: আপনার প্রতি মুহূর্ত শেয়ার করার মতো পারসন আমি না…আপনি প্রতিমুহূর্ত শেয়ার করবেন অন্য কারও সঙ্গে…সো আমি সেটা হতেও চাই না।
রুবেল: আরে দূর শালা…আমি কোন মেয়ের সঙ্গে কথা বলছি নাকি (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ)। হেই তুই আমার ওই নাম্বার তোর ধারে রাখিস (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ)।
হ্যাপি: আমার কোন দরকার নাই। আমি কোন বিষয়ে আর নাই।
রুবেল: সত্য কথা (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ) উইঠা গেছে দুনিয়া থিকা। এই জন্য মেজাজটা তোমার ওপর আমার গরম হয় (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ)। আমার কি বন্ধু-বান্ধব থাকতে পারে না? বন্ধু-বান্ধব কি ফোন দিতে পারে না? বলো? তোমার জন্য কি আমি সব বন্ধু-বান্ধব ক্যান্সেল করে দিব নাকি? লাইফটা কি কোন আমার টোটালি ডায়েরিতে রাখবো, নাকি আমার লাইফটাকে। আমি আমার ছেলে বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গেও কথা বলতে পারবো না, আজব…এগুলো কি হ্যাপি? আমি আমার ছেলে বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গেও কথা বলতে পারবো না…দেখা করা তো বাদ দিয়া দিছি…এখন থিকা…
হ্যাপি: আপনি কোন ছেলে বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছিলেন না…এটা আপনি যতটাই বলেন না কেন আমি তো বিলিভ করবোই না…
রুবেল: আচ্ছা তোমার কি মাথা গ্যাছে হ্যাপি? আমি জানি না, তুমি আমারে ফোন দিবা আমার মনে কি ওই ভয়টা নাই? তুমি আমারে ফোন দিয়া যদি ওয়েটিংয়ে দেখ তারপর তো আমার গুষ্ঠি (প্রকাশ অযোগ্য শব্দ) একবারে জানাই দিবা।
হ্যাপি: নাহ্‌ আপনার কেন ভয় থাকবে? ভালবাসলে ভয় থাকে আপনার কোন ভালবাসা নেই, ভয় পাবেন কেন?
রুবেল: বাবু, তোরে আমি ভালবাসি না- এই কথা মুখ দিয়া উচ্চারণ কইরো না।
হ্যাপি: দেখেন, আপনার সঙ্গে আমার রিলেশন হওয়ার পরে…
রুবেল: তোকে আমি ভালবাসি…এই চুপ করো…এই তুমি চুপ করো…
হ্যাপি: জাস্ট টু মিনিট, আপনার সঙ্গে আমার রিলেশন হওয়ার পরে আপনি মনে হয় এই খুলনা সিরিজে ভাল খেলছেন। মানে তুলনামূলক এইটাতে ভাল খেলছেন। মানে পেশার জন্য যদিও কঠিন উইকেট পাওয়া…দুইটা উইকেট পাইছেন…একটাতে বলিং করে সেই বলে তুমি ক্যাচ করেছো… তো তোমার জন্য বড় একটা অ্যাচিভমেন্ট। তো এই বড় অ্যাচিভমেন্ট টা…
রুবেল: তোমার সঙ্গে রিলেশন হওয়ার পরে…আমি তোমাকে বলি…তোমার সঙ্গে রিলেশন হওয়ার পরে আমি মাত্র একটা ম্যাচ খেলছি…আর এই আরেকটা ম্যাচ গেল
হ্যাপি: একটা ম্যাচে তুমি ভাল করনি…এই ম্যাচে তুমি ভাল করছো..
রুবেল: ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমি ভাল খেলছি। আমি ভাল করি নাই কে বলছে? ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমি ভাল বলিং করছি টেস্টে…উইকেট পাইছি একটা কিন্তু বলিং আমার ভাল হইছে। আমার ওপর সবাই খুশি, ঠিক আছে? কোচার-মোচার সবাই আমার খুশি। পরের ম্যাচটা আমার ঘাড়টা লক হয়ে গেছে আমি খেলতে পারি নাই।
হ্যাপি: যাই হোক…তো…

কবরে লাশের চিৎকার!


 বিভিন্ন সময় নানা আজগুবির খবর শোনা গেলেও এবার ঘটেছে এক ব্যতীক্রমি ঘটনা। শুনলে বিশ্বাস করার মতো মনে না হলেও কিন্তু ঘটেছে তা-ই। সম্প্রতি কবর থেকে লাশের চিৎকার শোনার ঘটনা ঘটেছে গ্রিসে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গ্রিসের থেসালোনিকি শহরের পারিয়ায় ৪৫ বছর বয়সী এক নারীকে কবর দেয়া হয়। কবরের কাছ থেকে সবাই সরে যাওয়ার পর পরই পাশে থাকা এক বাসিন্দা ও কয়েকজন শিশু লাশটির চিৎকার শুনতে পায়। এর আগে ক্যান্সারের কারণে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কবরের পাশে থাকা ওই বাসিন্দা ও শিশুরা জানায়, কবর থেকে সাহায্য চেয়ে চিৎকারের শব্দ শোনা যায়। এসময় শিশুরা সেখানে খেলাধুলা করছিল। এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানালে কবরটি আবার খোঁড়া হয়। কবর খোঁড়ার পর ওই নারীকে মৃত অবস্থাতেই পাওয়া যায়।


লাশটি পরীক্ষা করে খ্রিসি ম্যাটিসকোদি নামের এক চিকিৎসক জানান, ওই নারী কয়েক ঘণ্টা আগে মারা গেছেন। কোনো অবস্থাতেই তিনি পুনর্জীবিত হতে পারেন না। ওই চিকিৎসক গ্রিক টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি এটি বিশ্বাস করি না।’ তিনি বলেন, ‘কেউ হার্টঅ্যাটাকে মারা গেলে কয়েকবার পরীক্ষা করা হয়। তার পুনর্জীবিত হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের কথা ভাবছেন তারা।

ক্যামেরার সামনে দুদু ঢাকতে গিয়ে সুন্দরী, আকর্ষণীয় অভিনেত্রীর কাণ্ড! (ভিডিওসহ)


ইয়ামি গৌতম নামটি খুব পরিচিত এখন বলিউড পাড়ায় তাই নয় কি। সুন্দরী, আকর্ষণীয় কোন গুনটি নেই বলুন তো যা দেখে পরিচালকরা তার প্রতি আকৃষ্ট হবে না!


২৫ বছর বয়সী এই নায়িকা ইন্ডিয়ান, পাঞ্জাব, তামিল, তেলেগু সহ নানা ভাষায় ছবি করে ইতোমধ্যে বহুল পরিচিত হয়ে উঠেছেন। সিনেমা বদ্ধারা বলিউডে তার ক্যারিয়ার বেশ উজ্জ্বলই দেখতে পাচ্ছেন।

সম্প্রতি একটি ইভেন্টে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে গিয়ে পোশাক খুলে যাচ্ছিল নায়িকা ইয়ামির। বারবার ঠিক করতে হচ্ছিল পোশাক। এবং সেই অবস্থাতেই ইন্টার্ভিউ চালিয়ে গিয়েছেন তিনি।

যেখানে অনেক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থাকলেও তাতে বিশেষ কিছু আসে যায়নি নায়িকার। বরং অকারনের পোশাকের স্পর্শ কাতর অংশ নিয়ে টানাটানি করছিলেন তিনি। কে জানে, হয়তো মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই…!

প্রশ্ন হচ্ছে, যে পোশাক সামলাতে পারেন না, এমন পোশাক পরেন কেন বলিউড সেলেবরা?


অভিনব পদ্ধতিতে স্তন স্পর্শ করার সুযোগ! (ভিডিও)


জাপানে “স্টপ! এইডস”- নামের একটি ক্যাম্পেইন চলছে। লক্ষ্য, এইচআইভি এবং এইডস নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি।

এ কাজে তহবিল সংগ্রহে সাহায্য করছে সেখানের যৌন কর্মীরা। যে প্রক্রিয়ায় তহবিল গঠন করা হচ্ছে, তা জানলে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না।


গত ৩০ আগস্ট এই লাইভ ইভেন্টটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয় ২৪ ঘণ্টার জন্য। যারা এখানে ডোনেশন করেছেন তারা ঐ সব পর্ণ স্টারদের স্তন স্পর্শ করার সুযোগ পান।

উল্লেখ্য, বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ এইডসের সাথে পাঞ্জা লড়ছে, যার মধ্যে অন্তত ২.১ মিলিয়ন কিশোর কিশোরী রয়েছে।

সূত্রঃ হাফিংটন পোস্ট

জেনে রাখুন নারীদের বিশেষ ৩টি স্বাস্থ্য সমস্যার কিছু কথা


সুস্থ আমরা সবাই থাকতে চাই। কিন্তু আজকাল আমরা যেভাবে জীবনযাপন করি তাতে সুস্থতা চলে যায় অনেক দূরে। অসুস্থ হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণই হল সুস্থ ভাবে জীবনযাপন না করা। কারণ নিজেদের কর্মব্যস্ততার জন্য নিজেকেই আমরা সময় দিতে পারিনা। কর্মস্থল, সংসার সব কিছু সামলে নিজেকে সুস্থ রাখাটা অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায় যে কোন নারীর জন্য।

সুস্থ থাকতে হলে সবকিছুর আগে নিজের দেহকে গুরুত্ব দেয়া উচিত আমাদের সবারই। কিন্তু আগে থেকেই জেনে রাখা ভালো, একজন নারী হিসেবে আপনিও স্বাস্থ্য সমস্যা বা অবস্থার মুখোমুখি হতে পারেন। চলুন তাহলে জেনে নিই নারীদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কথা।
গর্ভধারণ


গর্ভধারন, প্রতিটি নারীর জীবনের সবচেয়ে জটিল বিষয়। এই সময়টিতে নিজের খুব ভালো করে যত্ন নেয়া, সঠিক চিকিৎসা করা, গর্ভকালীন সময়ে কী কী করতে হবে, কী খেতে হবে, কী করা যাবেনা সবকিছু সম্পর্কে সঠিক তথ্য জেনে রাখা খুব জরুরী। এই সময়টিতে প্রতিটি নারীর দেহে দেখা দেয় নানা রকমের পরিবর্তন। তবে কিছু সাধারন লক্ষন সব নারীদের মধ্যেই দেখা দিয়ে থাকে। জেনে রাখুন লক্ষন গুলো সম্পর্কে।

-স্তনে অথবা নিপলে পরিবর্তন আসা
-ঘন ঘন মূত্র ত্যাগ করা
-সকালের দিকে শরীর খুব খারাপ হয়ে যাওয়া
-শরীর খুব ক্লান্ত অনুভব করা
-বমি বমি ভাব ও মাথা ঘুরানো
-মাথা ব্যথা করা
-যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া

গর্ভকালীন সময়ে উপরের এই ৮ টি কারন নারীদের সবচেয়ে আলোচিত সমস্যা।
স্তন ক্যানসার

নারীর জন্য আরেকটি ভয়ানক অসুখের নাম হলো স্তন ক্যান্সার। স্তন ক্যান্সার হল একটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমার যা স্তনের কোষের মধ্যে হয়ে থাকে। স্তনে ক্যানসার হলেও এর অনেক ধরণ আছে। জেনে রাখুন স্তন ক্যানসার এর বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে।

-ডাকটাল কার্সিনোমা
-ইনভেসিভ ডাকটাল কার্সিনোমা
-ইনভেসিভ লবুলার কার্সিনোমা
-মিউসিনাস কার্সিনোমা
-মিক্সড টিউমারস
-মিডুলেরি কার্সিনোমা
-ইনফ্লেমটারি ব্রেস্ট ক্যানসার
-ট্রিপল নেগেটিভ ব্রেস্ট ক্যানসার

স্তনে ক্যানসার হওয়ার কিছু উপসর্গের মধ্যে একটি হল নিপল জ্বালা-পোড়া করা অথবা চারপাশ লাল হয়ে যাওয়া। স্তনে অথবা নিপলে ব্যথা হওয়া, ফুলে যাওয়া কিংবা স্তনের কিছু কিছু জায়গা দেবে যাওয়া। তাই এই সমস্যা থেকে দূরে থাকতে সর্বদা সতর্ক থাকুন। ৪০ বছর বয়সী প্রতিটি নারীর উচিত তাদের স্তনের পরীক্ষা করানো।
মেনোপজ (পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া)

প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর বয়স যখন ৪০ থেকে ৫০ এর কোঠায় থাকে তখনই মেনোপজ সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। নারীদের মেনোপজ হয় তখনই যখন তাদের ওভারি নিজের কার্যক্ষমতা কমে যায়। নারীদের মেনোপজ হওয়ার কিছু লক্ষণ নিম্নরূপ-

-অনেক নারীরই মেনোপজ হওয়ার আগে অত্যাধিক রক্তপাত হয়ে থাকে সাধারণ সময়ের তুলনায়। তবে এই সমস্যা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নাই। পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাবার আগে এই সমস্যা দেখা দিতেই পারে

-হঠাৎ করেই রাতের বেলাতে শরীর অনেক বেশি গরম হয়ে যায় এবং বিশেষ করে মাথা ও বুক ঘেমে যায়। মেনোপজ হওয়ার খুব সাধারন একটি লক্ষন এটি।

-অনেক নারীর এই সময়ে যৌনাঙ্গে সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। যেমন যৌনাঙ্গে চুলকানি হওয়া, শুষ্ক হয়ে যাওয়া, যৌন মিলনের সময় জ্বালা-পোড়া করা অথবা ব্যথা করা।