খেজুর গাছের মাথায় উঠে অভিনব কায়দায় নামাজ আদায়


খেজুর গাছের মাথায় উঠে অভিনব কায়দায় নামাজ আদায় করলেন রাজশাহীর বাগমারার মোজাম্মেল হোসেন মোজাম। শুক্রবার জুমার নামাজের পর দুর্গাপুর মহিলা কলেজের মাঠের দক্ষিণ পাশের একটি খেজুর গাছের মাথায় উঠে নামাজ আদায় করেন তিনি।
এ সময় শত শত উৎসুক জনতা ভিড় জমান তার নামাজ পড়ার দৃশ্য দেখতে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেনের আমন্ত্রণে শুক্রবার দুপুরে দুর্গাপুরে আসেন বাগমারা উপজেলার আক্কেলপুর এলাকার মোজাম্মেল হোসেন মোজাম। দুপুরে জুমার নামাজ শেষে দুর্গাপুর মহিলা কলেজ মাঠের দক্ষিণ পাশের প্রায় ২০ থেকে ২৫ ফিট উঁচু একটি খেজুর গাছে উঠে অভিনব পদ্ধতিতে চার রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন তিনি।  ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় জমায় তার নামাজ পড়ার দৃশ্য দেখতে।
খেজুর গাছের মাথায় অভিনব কায়দায় নামাজ আদায়
এ সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন, প্রচার সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রবও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে মোজাম্মেল হোসেন মোজাম বলেন, এখানে কোনো জাদুবিদ্যা প্রয়োগ করেননি তিনি। মানুষ কোনো বিষয় নিয়ে যদি অধ্যাবসায় করে তাহলে তার কাছে অসাধ্য কিছুই নেই। এটি তার অধ্যাবসায়েরই ফল।
তবে এভাবে নামাজ পড়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলেও স্বীকার করেন তিনি। কেননা পড়ে গিয়ে হাত-পা ভাঙার ভয় থাকে। তাছাড়া খেজুর গাছের কাঁটার আঘাত তো রয়েছেই।

বিয়ে বাড়িতে কিভাবে খাবেন?


১, প্রথমে আদব লেহাজের সহিত বিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করবেন। গা থেকে বিকট পারফিউমের গন্ধ আসলে আপনার জন্যে প্লাসপয়েন্ট। বেয়ারা হেভিওয়েট পার্টি ভেবে আপনাকে দুইটা রোস্ট এনে দিবে।
২, বিয়ে বাড়িতে খাওয়ার টেবিলে চেয়ার নির্বাচন করতে আপনাকে যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে। এমন একটি চেয়ার নির্বাচন করুন যেখানে আপনিথাকবেন সেই সারির মধ্যমনি, মানে মাঝের চেয়ারটা দখল করবেন।
৩, খাওয়া শুরুর আগে ভুলেও পানি খাবেন না। দুই গ্লাসের একটাতে বোরহানি ঢালুন, আরেকটা খালি রাখুন। বলা কি যায় কখন কোল্ডড্রিঙ্কস চলে আসে! আপনার গ্লাসে যদি পানি থাকে তাহলে কোল্ডড্রিঙ্কস খাবে কে? আর মনে রাখবেন, বিয়ে বাড়িতে টেবিলে হাড্ডি, খোসা ফেলা যায়, কিন্তু পানি পেটে চালান দেয়া ছাড়া উপায় নাই।
৪, এক চুমুক বোরহানি খেয়ে নিতে পারেন। মুখে টেস্ট আসবে।
৫, টেবিলে বেয়ারা রাইস নিয়ে আসা মাত্রই বলবেন, "রেখে যাও, আর এই টেবিলে রোস্ট দেখেশুনে আনবা বুঝছ?" বেয়ারাদের সাথে পারলে অমায়িক ব্যাবহার করুন, কারণ আপনার ভবিষ্যৎ মুরগীর রোস্ট তার মর্জির উপ্রেই ডিপেন্ড করে।


৬, খাওয়ার সময় আশেপাশে না তাকায়া ধুমছে খান। পারলে বেন্টের পয়েন্টদুই পয়েন্ট বাড়ায় নিবেন। যদি আরও বেশী চান, প্যান্টের হুক খুলে নিতে পারেন। রেজালা আসার আগ পর্যন্ত চালায় জান।
৭, রেজালা আসা মাত্রই সব ফেলে সবার আগে উঠে দাড়ান। দ্যা বেস্ট মাংস ফ্রম গরু/খাসি আপনার পাতে আসা চাই ই চাই। বেয়ারাকে ডাকুন,বলুন রেজালা চেঞ্জ করে আনতে।
৮, এবারে জর্দ্দা কিংবা দই পায়েসের পালা। চালায় যান। বেয়ারাকে বলেন জর্দ্দা চেঞ্জ করেআনতে, বেয়ারা গেলে এই ফাঁকে উঠে পরুন যদি টিপস দিতে না চান। নইলে বেয়ারা মিনি সাইজের লাক্স সাবান দিয়া আপনার হাত ধোয়াইয়া মানিব্যাগ ফাঁকা কইরা ফেলবে। সাবধান ;)

মায়ের ভালোবাসার নিদর্শন


ছবিটির দিকে অনেকক্ষণ নির্বাক চেয়ে রইলাম ! কি লিখব খুজে পাচ্ছিলাম না !
শুধু অবাক হচ্ছি !
একজন মা এর মমতা দেখে !
একজন মা এর ধৈর্য দেখে , যে কিনা এতো টা বছর তাঁর অসুস্থ সন্তান কে লালন পালন করে আসছে !
একজন দুর্বল বৃদ্ধা মা , যে কিনা একজন স্বাস্থ্য সম্মত সন্তান কেউ কোলে তুলে রাখতে পারছে !
... একজন মায়ের নিঃস্বার্থ ভালবাসা !
এতো টা বছর ! একটুও তাঁর মমতায় কমতি ঘটেনাই ! একটু ও বিরক্তি নাই !
আমি অবাক হয়ে চেয়ে রইলাম এই মা এর দিকে , কি দিয়ে শোধ হবে তাঁর ঋণ ?

খোদা তুমি বলে দাও , এই মায়ের ঋণ কি দিয়ে শোধ হবে !
মা গো , তোমায় হাজার সালাম গো মা ,
দোয়া করি আল্লাহ্‌ যেন আমাকে তওফিক দেয় যাতে আমিও আমার মায়ের এমন যত্ন নিতে পারি তাঁর প্রয়োজনে - অপ্রয়োজনে

মেয়ে পটানোর ডিজিটাল তরিকা

প্রিয় ভাইগণ
মেয়ে পটানোতে যারা আন
এক্সপার্ট তাদের কোন টেনশন
করার দরকার নাই।
এসে গেছে যুগান্তকারী ভার্চুয়াল
লাভগুরুর মেয়ে পটানোর ডিজিটাল তরিকা। এই ডিজিটাল তরিকায়
লাভগুরু বিজ্ঞানী নিউটনের ৩য়
সূত্রের বিয়াপক প্রয়োগ করেছেন।
তরিকা গুলো হচ্ছেঃ
.
তরিকা ১.
প্রথমে যে মেয়েটিকে পছন্দ
করেন তার দিকে অপলক
দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকুন। যখন
মেয়েটি আপনার
দিকে তাকাবে তখন মেয়েটিকে ইশারা করুন যে ওর
গালে কিছু একটা আছে। যখন
মেয়েটি তার গাল স্পর্শ
করতে যাবে ঠিক তখনই ইশারায়
আবার বলুন এই গালে না ঐ গালে।
এটা এক অভিনব প্রক্রিয়া। যা নাই ভরসা বাবার তরিকায়
পুইলাস্থান নিয়েছে।
নিশ্চিত থাকেন মেয়েটি ওরগাল
স্পর্শ করুক বা না করুক আপনার
গালে ঠিকই পাঁচ আংগুল স্পর্শ
করবে।
.

তরিকা ২. 
মেয়েটির সাথে ঐ
টপিক নিয়ে কথা বলুন
যা মেয়েটি পছন্দ করে।
এতে করে আপনার সাথে বহুক্ষণ
টাইম পাস করবে।
সাবধান এমন কোন টপিক নিয়া কথা বলবেন না, যেটাই
আবার আপনি বোবা হয়ে থাকেন।
তাহলে কিন্তু শ্রোতা হয়ে শুনতেই
হবে।
.
তরিকা ৩.
মেয়েদের সাথে ওদের
সম্পর্কে বেশী কথা বলুন।
এতে করে মেয়েরা ভাববে যে আপনি ওর
প্রতি দূর্বল।
এক্ষেত্রে আবার অনেকে ইন-
ডাইরেক্টলি প্রপোজ করে বসে। ভুলেও এই কাজ করবেন না।
.
তরিকা ৪. 
যদি মেয়েদের
পটাতে চান তাহলে মেয়েটির
পাশে যাওয়ার চেষ্টা করুন,
মেয়েটিকে পিছু নিন। দেখুন কই
যায়। তাকে লক্ষ্য করতে থাকুন।
কিছুদিন করার পর আর করবেন না। দেখবেন মেয়েটি আপনাকে মিস
করছে।
সাবধানে পিছু নিবেন।
যদি ধরা পরেন তাহলে কিন্তু
জামিন নাই।
.
তরিকা ৫.
মেয়েরা দলবদ্ব
থাকলে পটাতে নাকি সুবিধা হয়।
সুতরাং যে মেয়েটিকে পটাতে চান
তাকে এট্রাক্ট করার মত কিছু
করার চেষ্টা করুন।
এমন কিছু করিয়েন না যাতে পাড়ার বড় ভাইদের কাছ
থেকে দাবড়ানি খাওয়া লাগে।
.
তরিকা ৬. 
সবসময় মেয়েদের চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন।
এদিক ওদিক তাকিয়ে কথা বললে তারা মনে করে,
তার সাথে আপনার কথা বলার
তেমন কোন আগ্রহ নেই। এমন ভাবে তাকাইয়েন না যেন
জীবনেও মেয়ে মানুষ দেখেন
নাই।
.
তরিকা ৭.
যখনই কোন মেয়ের সাথে দেখা করবেন যত
কষ্টই হোক এক গাল হাসি দিবেন।
৩২ টা দাঁত বাহির করে হাসবেন
না। ও দাঁত মেজে তারপর
হাসি দিয়েন।
.
তরিকা ৮. 
সদা সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত থাকবেন।
সাহায্য করতে গিয়া আবার যেন
আপনারই কোন কারও সাহায্য
না নেয়া লাগে।
.
তরিকা ৯. 
মেয়েরা বার্থ ডে, ভালবাসা দিবস এসব প্রেম
বিষয়ক বিশেষ দিন গুলোর ব্যাপারে অতি মাত্রায়
সিরিয়াস। তাই তাদের বার্থ
ডে মনে রাখবেন। আর আন-কমন কিছু গিফট দেয়ার
চেষ্টা করবেন। যদি না পারেন একটা লাল গোলাপ নিয়া রোমিও
স্টাইলে উইশ করবেন। নিজের নাম ভুলে যান
অসুবিধা নাই তবু ও বার্থেডে ভুইলেন না। দরকার
পরলে মোবাইলে রিমাইন্ডার
দিয়ে রাখবেন।

তরিকা ১০. 
কোন সময় রাগ করবেন
না। মনে রাখবেন রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।
মেয়েরা অনেক সময়ই আপনাকে টেস্ট করতে চাইবে।
তাই রাগবেন না। মাথা ঠান্ডা রাখিবেন।
.
এই হল লাভগুরুর ডিজিটাল তরিকা। বাস্তব
জীবনে ধরা না খাইতে চাইলে প্রয়োগ কইরেন। মেয়ে পটানোর সময়
লাভগুরুর দোয়া অবশ্যই আপনাদের
পাশে বিরাজমান থাকবে। তবে মেয়ে পটানো আর খাল
কেটে কুমির আনা সমান কথা।
হ্যাপি পটানিং
.
বিঃদ্রঃ ইহা একটি রম্য পোস্ট মাত্র।
আপনি তরিকা প্রয়োগে ব্যর্থ
হলে লেখকদায়ী নহে!

পানির নিচের সাতটি আজব দুনিয়া।

বন্ধুরা সব্বাইকে জানাই আমার
আন্তরিক শুভেচ্ছা।
আজকে আমি আপনাদের
সামনে তুলে ধরব পানির নিচের
সাতটি আজব দুনিয়ার খবর।
আশা করি পোস্টটি সবার ভাল লাগবে।


বহু তালিকার এক জিনিস সাত
আশ্চর্যের বা অন্য জালিয়াতির
আছে হয়েছে কিন্তু এক
তালিকা এখনও
তৈরি করা প্রয়োজন ছিল
একটি তালিকা শীর্ষ পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্য বর্ণনা.
1989 সালে,
সিইডিএএম ইন্টারন্যাশনাল,
একটি আন্তর্জাতিক
ডাইভিং সমিতি, তাদের নিজস্ব
তালিকা বর্ণনা কি তারা চিন্তা ছিল
সবচেয়ে দর্শনীয় বিশ্বের ডুবো সাইটগুলি লিখুন আপ করার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে.

01. The Galapagos Islands -
Ecuador
(গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ - ইকুয়েডর)





প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত,
westof ইকুয়েডর GalapagosIslands
হয়. দ্বীপপুঞ্জের একটি সাব
সমুদ্রের তলায়
oceaniclava থেকে
বেরুতে fromthe
ভূত্বক অঙ্কুরিত.
Therelatively নতুন
আগ্নেয় ভূতত্ত্ব একটি আবাস
উদ্ভিদ, প্রাণিকুল,
এবং প্রাণী যে
havebeen চর্চিত
এবং bynumerous
ভ্রমণকারীরা, বিজ্ঞানী,
andnature-প্রেমীদের
থেকে সর্বাঙ্গে
the world প্রশংসিত
সঙ্গে সমৃদ্ধ তৈরি.

02. The Northern Red Sea - Jordan
(উত্তর লোহিত সাগর -
জর্দান)



বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর
coralreefs কিছু
the Northern লোহিত
সাগর মধ্যে অবস্থিত
হয়. বিবেচনা করা ডুবো
bysome "Gardenof
স্বর্গ," এই প্রবালপ্রাচীর
the most বিশ্বের
বিভিন্ন সমুদ্র জীবনের কিছু
আছে. ভারতীয় সাগর
betweenAsia এবং
আফ্রিকায় অবস্থিত, নর্দার্ন
RedSea 169.000 বর্গ
মাইল উপর ছড়িয়ে
আউট. আরো 70 জনেরও
বেশী speciesof
হার্ড প্রবাল,
softcoral 30 প্রজাতির,
মাছ 500 প্রজাতির উপর শত শত
additionalmarine
জীবন প্রজাতির শ্রেণীবদ্ধ
asinvertebrate সহ
এই প্রবালপ্রাচীর home.

03.Palau - Philippines
(কল. পালাউ - ফিলিপিন্স)



arrow


পালাউ একটি 500 মাইল
thePhilippines থেকে দ্বীপ
জাতি locatedabout. বিশ্বের
mostbeautiful মাছ কিছু
inthese ডুবো পাহাড় বাস.
আরো তুলনায় 350 speciesof হার্ড কোরাল, নরম কোরাল 200
প্রজাতির, স্পঞ্জ 300 প্রজাতির,
and1, প্রবালপ্রাচীর মাছ 300
প্রজাতির কল thiscoral
প্রবালপ্রাচীর home.

04.Lake Baikal - Russia
(বৈকাল হ্রদ - রাশিয়া)




বৈকাল হ্রদ দ্বিতীয়
mostvoluminous
তাজা theworld জলের হ্রদ.
সাইবেরিয়া,
রাশিয়া মধ্যে অবস্থিত,
thelake একটি 2.442 ফুট গড় গভীরতা এবং theworld এর পৃষ্ঠ
জলের মধ্যে প্রায় 20% রয়েছে.
একটি গভীরতার of2442ft 25
মিলিয়ন বছর বয়সী এ
এবং সঙ্গে তোলে এই হ্রদ
oldestand world.05 মধ্যে গভীরতম হ্রদ. গ্রেট
বেরিয়ার রিফ-অস্ট্রেলিয়া



শুধুমাত্র বাসকারী জিনিস
যে মহাকাশ থেকে beseen
পারেন যে largerthan চীন
গ্রেট ওয়াল হয় theGreat
বেরিয়ার রিফ, বৃহত্তম
coralreef সিস্টেম. InAustralia অবস্থিত, এই প্রাচীর সিস্টেম
2,900 ব্যক্তি reefsand 900
তৈরীর দৈর্ঘ্য 1,600 মাইল
এটি দ্বীপপুঞ্জের স্থিরীকৃত হয়.
সামগ্রিক structureof
প্রবালপ্রাচীর বিলিয়ান oftiny অর্গানিজম,
coralpolyps হিসাবে পরিচিত
স্থিরীকৃত হয়. সমুদ্রের
সঙ্গে বরাবর, প্রাচীর
একটি আবাস যে supportsa
সমুদ্র জীবনের মহান বৈচিত্র, কিছু ofwhich বিপন্ন হয় সৃষ্টি.
কারণ ofthe রীফ সুবিশাল
সৌন্দর্য, peoplefind এটি খুব
এলাকা, যা placeprotective
ব্যবস্থা ইন come. এই মূল্যবান
আশ্চর্যও formany প্রজন্মের hopefullyprotect যাও সাহায্য
যাও অনেক পর্যটক ডলার
thusbringing যান মর্মস্পর্শী



06.The Deep Sea Vents -
Ecuador( ডিপ সি ভেন্টসমূহ - ইকুয়েডর)




ডিপ সি ভেন্টসমূহ অন্যথায়
ashypothermal vents
পরিচিত, সমুদ্রতল হয়
fissuresalong যে নীচের
theEarth ভূত্বক থেকে জল
releasesuperheated. গরম জল ভূত্বক থেকে ডিসলভ খনিজ,
বেশিরভাগ sulfides,
যা eachvent
কাছাকাছি achimney মত ঘের
তৈরি দানা বাঁধা সঙ্গে issaturated.
যখন তপ্ত waterin বেরুতে হিমশীতল oceanwater
ছুঁয়েছে, অনেক খনিজ,
মুক্তি স্বাতন্ত্র্যসূচক
কালো color.The ধাতু sulfides
যে সময় হয়ে massivesulfide
আকরিক আমানত পারেন aredeposited তৈরি হয়.
TheDeep সি ভেন্টসমূহ
গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ
কাছাকাছি 1977
সালে NationalOceanic
এবং AtmosphericAdministration দ্বারা firstdiscovered ছিল.
তারা উভয় প্যাসিফিক
এবং AtlantaOcean হয়
2100meters গভীর গড়ে এ
toexist পাওয়া গেছে.

07.The Belize Barrier Reef -
Belize(বেলিজ বেরিয়ার রিফ -
বেলিজ)




দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবালপ্রাচীর
সিস্টেম inthe বিশ্বের বেলিজ
বাধা বেলিজ উপকূলের উপর
Reef.Located, thisreef
বিশ্বের thebest দাগ যাও
andsnorkel আকর্ষণীয় একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়.
এটা উপর 186 মাইল দীর্ঘ
এবং Cancun
থেকে largerMesoamerican
বেরিয়ার রিফ Systemthat
অংশ সমস্ত theway প্রসারিত হন্ডুরাস একটি মোট of560 মাইল
জন্য,. এই প্রাচীর মাত্র 10%
hasactually
এবং গবেষণা প্রমাণ হয়েছ

মানুষের আয়ু হবে ১২০ বছর!


২৭ নভেম্বর (রেডিও তেহরান): রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা মানুষের বুড়ো হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করতে পারে এমন এক পদ্ধতির খোঁজ পেয়েছেন।  ইঁদুর, মাছ এবং কুকুরের ওপর এরইমধ্যে নতুন এ প্রক্রিয়ার পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এটি প্রয়োগ করে মানুষের আয়ু ১২০ বছর পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব বলে আশা করছেন রুশ বিজ্ঞানীরা।

ছোট ছোট ইট গেঁথে বিশাল ইমারত গড়ে তোলা হয়। একইভাবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোষকলার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে মানুষসহ সব প্রাণীদেহ। দেহকোষের শক্তির যোগান দেয় মাইটোকন্ড্রিয়া এবং প্রাণীদেহে বয়স বাড়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত দেহ কোষের এ অংশ। মানুষের হৃদরোগ, অ্যালজাইমার বা পার্কিন্সন্স ডিজিজও দেখা দেয়া মাইটোকন্ড্রিয়ার জন্যেই। 

মস্কো স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. ম্যাক্সিম সুকুলাচেভ আয়ু বাড়ানোর এ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, মানুষকে বুড়িয়ে দেয় যে সব অসুখ তার  অনেকগুলো খুবই আস্তে আস্তে দেখা দেয়। 

রুশ গবেষকরা মনে করছেন তারা দেহের জারণ প্রক্রিয়া প্রতিরোধ করতে পারে এমন এক নতুন পদ্ধতির খোঁজ পেয়েছেন। এ প্রক্রিয়ায় মানুষের আয়ু বেড়ে ১২০ বছর হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। ফলে আয়ু বাড়ানোর বড়ি তৈরি করা হয়ত সম্ভব হবে। ড. ম্যাক্সিম সুকুলাচেভ বলেন, মানুষের আয়ু বেড়ে ৮০০ বছর হবে না কিন্তু ১২০ বছর পর্যন্ত আয়ু বাড়ানোর চেষ্টাকে যৌক্তিক বলতে হবে। 

অবশ্য, রুশ পরীক্ষায় নতুন প্রক্রিয়া ব্যবহারে আয়ু বাড়ে নি কিন্তু দেহে বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা গেছে। এ প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত বুড়িয়ে যাওয়াকে স্থগিত করে আয়ু বাড়ানো যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড. ম্যাক্সিম সুকুলাচেভ।

যে ১০টি কারণে বেশী ভালো ছেলেরা প্রেমিকা পায় না!


ছেলেটি খুব ভালো। নম্র-ভদ্র স্বভাবের, কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করে না, লেখাপড়ায়ও ভালো। অন্যদিকে ক্যারিয়ার সচেতন, মা-বাবার খেয়াল রাখে, সমাজে সকলেই তাঁদেরকে ভালো ছেলে হিসাবে জানে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ভালো ছেলেগুলোর প্রেমিকা হয় না। বা প্রেমিকা হলেও সম্পর্ক স্থায়ী হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মন ভাঙার যন্ত্রণা ছেলেটি একা বহন করে বেড়ায়। কেন হয় এমন? সেই প্রশ্নের জবাব রইলো এই ফিচারে।

১) গায়ে পড়া স্বভাব নেই

ভালো ছেলেরা শুধু মেয়ে কেন, কারো সাথেই গায়ে পড়ে আলাপ করতে পারেন না। এমনকি কেউ আলাপ করতে এলেও অনেকেই নিজের মাঝে গুটিয়ে থাকেন। ফলে তাঁদের পরিচিত মানুষের পরিধি হয় অনেক কম। আর মেয়েদের সাথে পরিচয়ও হয় কম।

২)তারা ছলকলা বোঝে না

প্রেম করতে ও কোন মেয়েকে প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু ছলকলা জানতেই হয়। বলাই বাহুল্য যে ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে থাকেন এবং এগুলো বোঝেনও না। প্রেমের সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই থেকে যায়।

৩) ভালো ছেলেরা "বোরিং" হয়

মেয়েদের একটা চিরকালের আগ্রহ আছে একটু খারাপ ছেলেদের প্রতি। তাঁদের প্রেমিকা হওয়াকে মেয়েদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ মনে হয়। অন্যদিকে ভালো ছেলেদেরকে তাঁদের চোখে মনে হয় "বোরিং"।

৪) মায়ের কথা মেনে চলে

বেশিরভাগ ভালো ছেলে মায়ের কথা খুব শোনে। মায়ের পছন্দ ছাড়া বিয়ে করবো না, কিংবা সব সিধান্তে মাকে শামিল করে তারা। এই ব্যাপারটা বেশিরভাগ মেয়ে পছন্দ করে না।

৫) ক্যারিয়ার নিয়ে বেশী সচেতন

বেশিরভাগ ভালো ছেলেই নিজের লেখাপড়া ও ক্যারিয়ার নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকেন। আর এই সবের মাঝেই হারিয়ে যায় প্রেম ও অন্যান্য ব্যাপার। যখন বুঝতে পারেন, ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে।

৬) মিথ্যা বলতে পারে না

প্রেমের সম্পর্কে টুকটাক নির্দোষ মিথ্যা থাকেই। নিজের সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে বলা, নিজেকে একটু হিরো সাজিয়ে উপস্থাপন করা ইত্যাদি ভালো ছেলেরা পারেই না একদম। ফোলে মেয়েরাও পটে না সহজে।

৭) শুরুতেই সিরিয়াস হয়ে যায়

কারো সাথে প্রথম প্রথম ডেটিং-এই এই ধরণের ছেলেরা খুব বেশী সিরিয়াস হয়ে যায়। মেয়েটির ওপরে অধিকার ফলাতে থাকে। আর এটাই সম্পর্কটাকে সামনে এগোতে বাঁধা দেয়।

৮) প্রচণ্ড আবেগী হয়

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভালো ছেলেরা হয় প্রচণ্ড আবেগী ও স্পর্শকাতর। এরা খুব অভিমানী স্বভাবেরও হয়। তাই তুচ্ছ কারণে এদের সম্পর্ক ভাঙে এবং নতুন সম্পর্ক হয় না।

৯) খারাপ মেয়েদের খপ্পরে পড়ে

বেশিরভাগ ভালো ছেলেই সত্য ও মিথ্যার মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারে না। ফলে তারা পুরুষ লোভী কিছু খারাপ মেয়েদের খপ্পরে পড়ে। এবং অন্য মেয়েদের উপর থেকেও বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।

১০) সম্পর্কভীতি কাজ করে

প্রেম করলে কী হবে? যদি বিয়ে না করতে পারি? বাসায় জানলে কী হবে? কীভাবে প্রপোজ করবো... সম্পর্ক নিয়ে ইত্যাদি হরেক রকম ভীতি কাজ করে অনেকের মনেই। আর এর ফলে তাঁদের প্রেম করাটাই হয়ে ওঠে না।

ছেলেদের যে ১০ টি আচরণ প্রেমিকার কাছে অত্যন্ত বিরক্তিকর


ভালোবাসার সম্পর্ক অনেক বেশিই নমনীয় হয়ে থাকে। একপক্ষের সামান্য একটু ভিন্ন আচরণেই অন্যের মনে বসে যায় গভীর দাগ। কিছু ব্যাপার রয়েছে যা হয়তো একজনের কাছে খুব বড় কোনো ব্যাপার না হলেও অন্যের কাছে তা বেশ বড় ধরণের কিছু। আর এখানেই হয় সমস্যা।
বিশেষ করে প্রেমিকারা প্রেমিকের কিছু বিরক্তিকর আচরণের কারণে বিরক্ত থাকেন যা প্রেমিকেরা একেবারেই বুঝতে পারেন না। এই সকল বিরক্তিকর আচরনের কারণে হয়তো মেয়েটি দূরে সরে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত, সৃষ্টি হচ্ছে দুজনের মাঝে দূরত্ব।

১) সব কিছু ভুলে যাওয়া

ছেলেদের ভুলোমনা আচরণ মেয়েদের কাছে অনেক বেশি বিরক্তিকর। ছেলেরা ভাবেন কবে তাদের প্রেমের সূচনা হয়েছিল তা মনে রাখা খুবই অযথা একটি কাজ। কিন্তু তারা বুঝতেও পারেন না এই ছোটোখাটো ব্যাপারটি মেয়েদের কাছে অনেক বড়।

২) কারণে অকারণে মিথ্যে বলা

যেখানে মিথ্যে বলার হয়তো কোনো প্রয়োজনই নেই সেখানেও অনেক ছেলে মিথ্যে বলে বসে থাকেন। হয়তো ছেলেটি টেরও পান না প্রেমিকা ঠিকই তার মিথ্যেটা ধরে ফেলেছেন। কিন্তু এতে তো প্রেমিকার মনে বিরক্তির সৃষ্টি হবেই।

৩) অযথা অজুহাত দেয়া

ছেলেরা নিজেদের ভুলে যাওয়া রোগটি ঢাকতে যে জিনিসের আশ্রয় নেন তা হলো অযথা অজুহাত। মিথ্যে অজুহাত দিয়ে পার পেয়ে যেতে চান ছেলেরা। কিন্তু প্রেমিকা ঠিকই বুঝে ফেলতে পারেন তার প্রেমিকের মন। আর তাই তার কাছে সত্যিটা বললেই হয়তো বিরক্তির উদ্রেকটা কমিয়ে আনা যায়।

৪) সময় দেয়া নিয়ে ঝগড়া

প্রেমিকারা অনেক সময়ই প্রেমিকের কাছ থেকে সময় পান না বলে অভিযোগ করেন। এই বিষয়টির কারণে অনেক সময় ব্রেকআপ পর্যন্ত গড়ায় সম্পর্ক। এবং প্রেমিকা প্রাপ্য সময়টুকু প্রেমিকের কাছ থেকে পান না বলেই তিনি বেশ বিরক্ত থাকেন প্রেমিকের ওপর।

৫) অতিরিক্ত অধিকার খাটানো

সম্পর্কে জড়ানোর পর প্রেমিকেরা ভাবেন অনেকটা অধিকার হয়ে গিয়েছে তার প্রেমিকার ওপরে। সেকারণেই কিছু ন্যায়-অন্যায় কাজে জোরাজুরি শুরু করে দেন তারা। অধিকার খাটানোর ব্যাপারেও কিছুটা সীমা থাকা প্রয়োজন। নতুবা এটি শুধুমাত্র প্রেমিকার মনে বিরক্তির সৃষ্টিই করবে।

৬) সৌন্দর্য ও রুচি নিয়ে খোঁটা দেয়া

মেয়েরা সব সময় চান তার প্রেমিক তার রূপের প্রশংসা করুক। কিন্তু যদি প্রেমিক সব সময় তার চাল চলন, রুচি ও সৌন্দর্য নিয়ে কথা শোনাতে থাকেন তবে প্রেমিকা সে সম্পর্কে না থাকাই শ্রেয় মনে করেন।

৭) দেরি করলে কথা শোনানো

মেয়েরা একটু দেরি করেই থাকেন। হয়তো ৫-১০ মিনিটই দেরি হয়েছে কিন্তু এতে করে প্রেমিক যদি সব সময় অনেক বেশি কথা শোনাতে থাকেন তবে তা প্রেমিকার মনে বিরক্তির সৃষ্টি তো করবেই, ‘৫ মিনিট অপেক্ষা করতে এতো সমস্যা’।

৮) অন্য মেয়ের প্রশংসা

মেয়েরা নিজের প্রেমিক/স্বামী কারো কাছ থেকেই অন্য একজন মেয়ের প্রশংসা একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। আপনার সামনে হয়তো কিছু বলবেন না। কিন্তু মনে মনে ঠিকই বিরক্ত হবেন।

৯) কারণে অকারণে সন্দেহ

সন্দেহপ্রবণ প্রেমিক মেয়েরা একেবারেই পছন্দ করেন না। আর সন্দেহের কারণ যদি সত্যিকার অর্থেই ভিত্তিহীন হয় তাহলে তো কথাই নেই। সম্পর্ক ভেঙে দেয়ার জন্য যথেষ্ট এই কারণ।

১০) চুপ করে থাকা

রেগে গেলে মেয়েরা একটু কথা বেশিই বলেন এবং চান প্রেমিক তার কথা উত্তর দিন। কিন্তু বেশীরভাগ ছেলে তা না করে চুপ করে বসে থাকেন। আপনি যদি প্রেমিকার রাগ থামাতেই চান তবে দয়া করে একটু মিষ্টি করে কথা বলুন, চুপ করে থাকবেন না।

টাইমস্কয়ারের উলঙ্গ রাজনীতিক


যুক্তরাষ্ট্রের টাইমস্কয়ারে হঠাৎ এক উলঙ্গ বৃদ্ধ সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। জানা গেল, তিনি কোনো পাগল নন আসন্ন স্যান ফ্রান্সিসকো বোর্ড অব সুপারভাইজার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন তিনি। তারই প্রচারণার অংশ এটি।

জর্জ ডেভিস নামে ওই শুভ্র চুল দাড়ি বিশিষ্ট ভদ্রলোক বুধবার বিবস্ত্র হয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। অবশ্য এভাবে প্রচারণার কারণও আছে। তিনি যে জনসমক্ষে বিবস্ত্র হওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনের মাঠে নেমেছেন!

চৌরাস্তায় বিবস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়ে ডেভিস ২০১৩ সালে স্যান ফ্রান্সিসকোতে উলঙ্গপনা (নুডিটি) নিষিদ্ধ করার কারণে তার প্রতিপক্ষকে দায়ী করে চেঁচিয়ে কথা বলেন। তার মতে, নুডিটি হচ্ছে প্রকাশের একটা ভঙ্গি।

ওখানে অবশ্য তিনি একাই ছিলেন না। অ্যান্ডি গোলাব নামে এক শিল্পী ছিলেন যিনি নিজেও সারা গায়ে বিভিন্ন চিত্র আঁকিয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় দাঁড়িয়ে তাকে সমর্থন দিচ্ছিলেন।

ডেভিস নির্বাচনে জিতুক আর না-ই জিতুক টাইমস্কয়ারের পথচারীদের সামান্য সময়ের জন্য হলেও বিনোদন দিতে পেরেছেন এটাই বা কম কী?

অবশ্য ডেভিসের এই খেপাটেপনা এটাই প্রথম নয়। ২০০৭ সালে তিনি মেয়র পদে এবং ২০১০ সালে ডিস্ট্রিক্ট ১০ সুপারভাইজার পদে নির্বাচন করেন। এভাবে জনসমক্ষে উলঙ্গ হওয়ার কারণে এর আগে তিনি দুইবার গ্রেপ্তারও হয়েছেন।

দেবীকে খুশি করতে স্ত্রীকে বলি!


দেবীকে খুশি করতে নিজের স্ত্রীকে হত্যা করেছে এক নরপশু স্বামী। এ ঘটনায় ওই স্বামীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ভারতের ছত্রিশগড়ের কবর্ধা জেলার জামুপানি গ্রামে শনিবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটেছে। বলির এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।ছত্রিশগড়ের পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতের প্রভাবশালী হিন্দি দৈনিক জাগরণ জানিয়েছে, বরকত গৌড় (৪৫) নামের এক কৃষক মানত পুরণ করতে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বিরঝা বাই(৪০) হত্যা করে। কবর্ধা জেলা পুলিশ রোববার দুপুরে বরকত গৌড়কে গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের করেছে।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাষান্ড স্বামীর পুজার জন্য নির্ধারিত একটি ঘর থেকে বলিতে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। পুলিশ জানায়, পূজার ওই ঘরের দরজায় রক্তের দাগ রয়েছে।বরকত গৌড়েরর বাবা সামরাথ গৌড় ও মা সুকলি বাই বলেছেন, বিরঝা বাই আমার ছেলের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিল। তার ছোট দুটি মেয়ে রয়েছে। প্রথম স্ত্রী অসুখে মারা গেছেন। এই হত্যার জন্য আমরা লজ্জিত। আমরা এ হত্যার বিচার চায়।

ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিবাহ বিচ্ছেদ


১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ব্যবসাসফল তেল কোম্পানি কন্টিনেন্টাল রিসোর্সেসের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও হ্যারল্ড হ্যাম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সু অ্যানের সঙ্গে। দীর্ঘদিন সংসার করার পর বছর দুয়েক আগে ছাড়াছাড়ির সিদ্ধান্ত নেন তারা। আর বিবাহ বিচ্ছেদ যে কত ঝামেলার কাজ তা দেখা গেল আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। প্রায় দুই বছর আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে এবং প্রায় আড়াই মাস আদালতে দৌড়াদৌড়ি করে শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক চুকাতে সফল হন কন্টিনেন্টাল রিসোর্সেসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) হ্যারল্ড হ্যাম।

তবে এ জন্য তার পকেট থেকে কত যাচ্ছে? অঙ্কটা রীতিমতো অবিশ্বাস্য। প্রায় ১০০ কোটি ডলার! সাবেক স্ত্রী সু অ্যান হ্যামকে (৫৮) এই পরিমাণ অর্থ দিতে হ্যারল্ডকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। হ্যারল্ডের কাছে এই অর্থ খুব বেশি কিছু নয় অবশ্য।
গত আড়াই মাস ধরে চলা শুনানি গত মাসে শেষ হওয়ার পর সোমবার আদালত রায় প্রকাশ করেন। এতে হ্যারল্ডকে তার সাবেক স্ত্রীকে ৯৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার দেওয়ার নির্দেশ দেন। হ্যারল্ডের বিবাহকালীন সম্পদ এক হাজার ৭০০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের। হ্যারল্ড এখন কন্টিনেন্টালের ৬৮ শতাংশ শেয়ারের মালিক। তবে সাবেক স্ত্রীকে শতকোটি ডলার দিতে তাকে ওই শেয়ারে হাত দিতে হবে না।
হ্যারল্ড-সু অ্যানের এই বিবাহ বিচ্ছেদটি ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

৭২৫ কেজি ওজনের কুমড়া!


২০ কেজি, এক মণ নয়, ৭২৫ কেজি ওজনের মিষ্টি কুমড়া উৎপাদন করে রেকর্ড গড়ার অপেক্ষায় যুক্তরাজ্যের দুই ভাই!

যুক্তরাজ্যের হামসিয়ার রোয়্যাল ভিক্টোরিয়া কান্ট্রি পার্কের একটি বার্ষিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পেনিংটনের অধিবাসী আইয়ান ও স্টুয়ার্ট পাটন মিষ্টি ‍কুমড়াটির যত্ন নেওয়া শুরু করেন।

পাটন স্বপ্ন দেখেন ২,০৩২ পাউন্ড ওজনের মিষ্টিকুমড়া উৎপাদন করে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার।

আইয়ান বলেন, আমরা ধারণা করছি এখন মিষ্টি কুমড়াটির ওজন হবে আনুমানিক ১ হাজার ৬শ’ পাউন্ড বা ৭২৫ কেজি। এর পরিবেশ খুবই ভালো। মিষ্টি কুমড়াটির আয়তন প্রায় ১৬ ফুট ও উচ্চতা হাফ মিটার।


তিনি বলেন, গত বছর আমরা রেকর্ড গড়তে ব্যর্থ হয়েছি, তাই এ বছর আমরা নতুন রেকর্ড গড়তে চাই। গত বছর আমাদের মিষ্টি ক‍ুমড়ায় দাগ থাকায় আমরা প্রতিযোগিতায় হেরে গিয়েছিলাম। সত্যিকার অর্থেই প্রতিযোগিতার নিয়ম খুবই কঠিন।

তিনি আরও বলেন, বৃহদাকার মিষ্টি কুমড়া উৎপাদন করার পেছনে বড় কোনো বিষয় নেই। আপনি কোনো কিছু উৎপাদন করতে গেলে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে সঠিক পরিমাণে খাবার দেওয়া যাচ্ছে কি-না। মিষ্টি কুমড়ার ক্ষেত্রেও তাই। আপনি যদি মিষ্টি কুমড়াকে সঠিকভাবে খাবার দেন তাহলে এটি বড় হতেই থাকবে।

আমার তিন বছর বয়সী বোন বেইলী মার্টিন মিষ্টিকুমড়াটির ওপর উঠে বসে থাকতে ভালবাসে। বেইলী যখন এর ওপর বসে থ‍াকে তখন সে নিজেকে রাজকুমারী মনে করে এবং ক্রমাগত হাসতে থাকে।

এর আগেও ২০০৮ সালে ছোট কারের চেয়ে বেশি ওজনের একটি মিষ্টি কুমড়া উৎপাদন করে রেকর্ড গড়েন যুক্তরাজ্যে অধিবাসী এই দুই ভাই।

পানিতেও চলবে গাড়ি!


ঢাকা: কেবল মহাসড়ক নয় এবার পানির নিচেও চলবে গাড়ি। ‘সাবমেরিন স্পোর্টস কার’ নামের এই ডুবন্ত গাড়ি বাজারে আনবে হ্যামশার ক্লেমার। এই ডুবন্ত গাড়ি চমকে দিয়েছে বিশ্বের গাড়ি বাজারকে।

জেমস বন্ডের ছবি ‘দ্য স্পাই হু লাভড মি’ দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই গাড়িটি তৈরি করা হয়েছে বলেই জানিয়েছে হ্যামশাল ক্লেমার নামের সংস্থাটি।

বৈদ্যুতিক মোটরচালিত এই গাড়ি রাস্তায় চলার পাশাপাশি পানির নিচে ঘণ্টায় ১২১ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম। গাড়িটির দাম ধার্য করা হয়েছে ২০ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশী মুদ্রায় ১৫ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা)।

এক প্যাকেট সিগারেটের দাম সাড়ে ৪ হাজার ওন!


ধূমপায়ীদের সংখ্যা দ্রুত হারে বেড়ে যাওয়ায় তা কমাতে সিগারেটের দাম দ্বিগুণ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার। দাম বাড়ানোর ফলে এক প্যাকেট সিগারেট কিনতে দেশীয় মুদ্রা সাড়ে ৪ হাজারের বেশি ওন (৪ দশমিক ৩৫ ডলার) খরচ করতে হবে।

দেশটিতে ধূমপায়ীদের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সরকার সম্প্রতি তামাকজাত দ্রব্যের বিষয়ে নতুন আইন করে। দেশটির সংবাদ সংস্থা ইনহ্যাপ জানিয়েছে, নতুন এ আইনের খসড়া চলতি সপ্তাহেই পার্লামেন্টে তোলা হবে। তবে এ আইনটি বিরোধীদের প্রচণ্ড বাধার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০১২ সালের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ৪১ শতাংশ পুরুষ ধূমপানে আসক্ত। দেশটিতে আগের বছরগুলোতে ধূমপায়ীদের গড় হার ছিল ২৩। এ হার কমাতে সরকার তামাকজাত দ্রব্যের দাম কামনোর সিদ্ধান্ত নেয়।

কী রকম বয়সের পুরুষদের পছন্দ করে যুবতীরা?


সেই কি পুরনো দিনের পরিবর্তন ফিরে আসছে? আমাদের মা কাকিমাদের সময়েও কিন্তু স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বয়সের বেশ ফারাক থাকত। কম করে ১০ বছরের ফারাক তো থাকতই। এইসময়েও ঠিক সেইরকমই ব্যপার উঠে আসছে।নতুন এক গবেষণা থেকে এমনই এক তথ্য পাওয়া গেছে। যেখানে বলা হয়েছে- পুরুষরা অপেক্ষাকৃত কম বয়সী নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয়। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ঠিক এর উল্টো। নিজের বয়স যা-ই হোক, সঙ্গী হিসেবে একেবারে তরুণীদেরই বেশি পছন্দ পুরুষদের। গ্রাফ ভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, নারীরা নিজেদের বয়সের কাছাকাছি বা তার চেয়ে একটু বেশি বয়সী পুরুষের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন। তবে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে কিছুটা কমবয়সী পুরুষকেও পছন্দ করেন তারা। অপরদিকে পুরুষরা যত বয়সীই হোন না কেন, পছন্দ করেন ২০ বা কাছাকাছি বয়সের নারীদের। ২২ বছরের পর নারীরা মারাত্মকভাবে আকর্ষণ হারান পুরুষদের কাছে। ওকেকুপিড নামের একটি সংস্থার উদ্যোগে এই গবেষণা পরিচালিত হয়। সংস্থাটির প্রধান ক্রিশ্চিয়ান রাডার বলেন, ধরা যাক কোন নারীর বয়স ২৮ বছর। তাহলে দেখা গেছে, তিনি ২৮ বছর বা সামান্য বেশি বয়সী পুরুষকেই পছন্দ করেন। অপরদিকে নারীরা ২০-২২ বছরের পর পুরুষের কাছে আকর্ষণ হারাতে শুরু করেন।
রাডারের ভাষায়, এটা ভয়াবহ! যখন আপনার বয়স ২২ বছর হয়ে যাবে, তখন তুমি থেকে আপনি সম্বোধন বয়সী নারীর কাছে কম আকর্ষণীয়। তবে এটা আসলে মানুষের মতামত। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষের কাছে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় নারী হলো ২০ বছর বয়সী যুবতী। সর্বোচ্চ ২৪ বছর বয়সী নারীকে আকর্ষণীয় লাগে ৪৬ বছর বয়সী পুরুষের কাছে। ৫০ বছর বয়সী পুরুষের কাছেও সর্বাধিক আকর্ষণীয় হলেন ২০ বছর বয়সী যুবতী। অপরদিকে নারীদের কাছে প্রথম প্রথম নিজেদের চেয়ে তিন-চার বছর বেশি বয়সী পুরুষ পছন্দনীয় হলেও, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে নিজেদের চেয়েও কম বয়সী পুরুষকে ভাল লাগে তাদের কাছে। যেমন ৪৬ থেকে ৪৮ বছর বয়সী নারীরা নিজেদের চেয়ে প্রায় আট বছর কমবয়সী পুরুষকে পছন্দ করেন।

পৃথিবীর যে সাগরে কেউই ডুবে না!


পৃথিবীর আনাচে কানাচে লুকিয়ে থাকা হাজারো বিস্ময়ের অন্যতম একটি নাম ডেড সি বা মৃত সাগর। ডেড সি এমন একটি সাগর যে সাগরের পানিতে কেউ ডুবে না। এমনকি কেউ ডুবতে চাইলেও ডুবতে পারে না।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে পৃথিবীর সকল খাল, বিল, পুকুর, নদী, সাগরের পানিতে মানুষসহ যেকোনো জিনিস সহজেই ডুবে যায়। কিন্তু ডেড সির পানিতে ডুবে না কেন? কি রহস্য আছে এই পানিতে?
আসলে ডেড সি একটি অতি লবণাক্ত পানি সমৃদ্ধ সাগর। বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিভিন্ন উপাদানের কারণে ডেড সি’র পানির প্লাবতা শক্তি পৃথিবীর অন্যান্য স্থানের পানির চেয়ে অনেক বেশি।
আর এই উচ্চ প্লবতা শক্তির কারণে এই সাগরে কোনও কিছু ডুবে না। যে কেউ মৃত সাগরের পানিতে ভেসে থাকতে পারে। এটি জর্ডানে অবস্থিত। ডেড সি’র পশ্চিমে পশ্চিম তীর এবং ইসরাঈল, পূর্বে জর্ডান অবস্থিত।
এন্ডোরেয়িক হাইপার-স্যালাইন ধরনের এই সাগরের পানির প্রধান উৎস জর্ডান নদী। এই সাগরের পানির লবণাক্ততা শতকরা ৩০ ভাগ যা অন্যান্য সমুদ্রের পানির চাইতে ৮.৬ গুণ বেশি লবণাক্ত।
ধারণা করা হয়, এটি একটি অভিশপ্ত স্থান। কেননা ডেড সি’তে কোন মাছ নেই, কারণ এই সাগরের পানিতে কোনও মাছ বাস করতে পারে না। তেমনিভাবে এর পাশে জর্ডান নদীতেও কোনও মাছ নেই।
এই সাগরের পানিতে কোন উদ্ভিদ বা মাছ বাঁচতে পারে না বলেই মূলত এই সাগরকে ডেড সি বা মৃত সাগর বলা হয়ে থাকে।