লন্ডনের রাস্তায় ‘বাঙালি ঝালমুড়ি’!

‘হ্যালো। ব্রাদার-সিস্টার। প্লিজ, কাম হিয়ার। প্লিজ, টেস্ট মাই স্পেশাল স্পাইসি ঝালমুড়ি। প্লিজ।’ ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে দাঁড়িয়ে ইংরেজিই তো শুনব। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে ‘ঝালমুড়ি’!! স্বভাবতই যে কান দিয়ে ‘ঝালমুড়ি’ শব্দটা প্রবেশ করল, ঘাড়টাও সেদিকে ঘুরে গেল। ওমা, এ যে দেখি পুরো দেশি কায়দায় বিলেতি ঝালমুড়ি। যিনি ঝালমুড়ি বিক্রি করছেন, তিনি একজন বাঙালি।

পূর্ব লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেলে সবজি বাজারের পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি বিক্রি করছিলেন বাংলাদেশের বরিশালের আবদুর রহিম। বয়স ৫৩ বা ৫৪ বছর হবে। কাছে গিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করে বসলাম, ‘বাড়ি কই চাচা?’ বিদেশ-বিভুইয়ে দেশি ভাষা শুনে তিনিও আবেগে আপ্লুত। শুরু হলো কথা। জোর করে তিন গ্লাস স্পেশাল মুড়িও বানিয়ে খাওয়ালেন। দেশের ঝালমুড়ির কাগজের ঠোঙার বদলে গ্লাস, স্বাদটাও খানিকটা অন্যরকম। ঝালমুড়ি খেতে খেতে শুনলাম, আবদুর রহিমের জীবনযুদ্ধের কথা। কথা বলার ফাঁকেই তিনি বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছিলেন ঝালমুড়ি।

স্মৃতি হাতড়ে আবদুর রহিম চলে গেলেন ১৬ বছর পেছনে। তখন তিনি তরতাজা যুবক। প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ করে দালালের মাধ্যমে প্রথমে দুবাইয়ে পা রাখেন। মাস দুয়েক নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজও করেন। কিন্তু প্রচণ্ড গরমে মাটির নিচের একটি ঘরে ২০-২২ জনের একসঙ্গে থাকাটা যেন তাঁর কাছে নরক বলে মনে হতো। এরপর আরেক দালালের হাত ধরে সমুদ্রপথে ব্রাজিল। এভাবেই মোট চারটি দেশ ঘুরে অবশেষে লন্ডনে পৌঁছলেন তিনি। তত দিনে পার হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর।

স্বল্প শিক্ষা, ইংরেজি ভাষায় দুর্বলতা, শারীরিক দুর্বলতাসহ বিভিন্ন কারণেই কোথাও নিজের ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে পারেননি আবদুর রহিম। হঠাত্ করে তাঁর মনে হলো ঝালমুড়ি বানিয়ে বেচলে কেমন হয়? কারণ সারা দিন কাজ শেষে বাসায় ফেরার পরে তিনি মরিচ-পেঁয়াজ মাখিয়ে যে মুড়ি বানান, সেটা কিন্তু তাঁর অন্য সঙ্গীরা বেশ মজা করেই খান। এই সঙ্গীদের কেউ ফিলিপাইনের, কেউ মরক্কোর, কেউবা আফ্রিকার কোনো দেশের বাসিন্দা। যেই ভাবা, সেই কাজ। নেমে পড়লেন কাজে।

সব মিলিয়ে ৩৫ পাউন্ড জোগাড় করে শুরু হয়ে গেল লন্ডনের ঠেলাগাড়িতে আবদুর রহিমের ভাসমান ঝালমুড়ির ব্যবসা। ভালোই আছেন এখন। ছয় মাস পরপর বাংলাদেশে টাকা পাঠান। বছর দশেক দেশে ফিরে বিয়ে করেন। একটি ছেলেও আছে। তবে পুরো পরিবার থাকে বরিশাল শহরে।
আবদুর রহিম বাংলা ভাষায় কথা বলতে ছটফট করেন। তাঁর মতে, এখানে প্রায় সবাই সিলেটি বাংলায় কথা বলেন। দেশের রাজনীতির খবরও ভালোই রাখেন তিনি। কোন সরকার কেমন করছে, তাও বলে যাচ্ছিলেন। জানালেন, মাঝেমধ্যে টাওয়ার হ্যামলেটের বিভিন্ন সভাতে যান তিনি। সেখানে দেশের খবর পান, ঝালমুড়ির বেচাবিক্রিও ভালো হয়। আবদুর রহিম খানিকটা গর্ব করেই জানালেন, টাওয়ার হ্যামলেটের সদ্য নির্বাচিত মেয়র লুত্ফর রহমানও তাঁর ঝালমুড়ির ভক্ত।

ইংরেজিও তো ভালো জানেন না, তাহলে ব্যবসা চলে কেমন করে? আবদুর রহিমের জবাব, ‘হইয়া যায়। কিছুটা ‘ককি’ও জানি।’

এটি আবার কী? ‘এইখানের ভাষা। রাস্তার ভাষা।’

পরে জানলাম, এখানকার স্ট্রিট ল্যাংগুয়েজ অর্থাত্ রাস্তার ভাষাকে নাকি ‘ককি’ বলে। লন্ডনে বসবাসরত কৃষ্ণাঙ্গরা এ ভাষায় বেশি কথা বলেন। আর এ ভাষা এ প্রজন্মের বাঙালি তরুণ-তরুণীরাও বেশ ভালোভাবেই রপ্ত করেছেন। কারণ এটি শুধু একটি বাচনভঙ্গিই নয়। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে নানা ধরনের অঙ্গভঙ্গি এবং পোশাকও ম্যাচ করতে হয়। ইংরেজরাও এই ভাষাটা ভালোই বোঝে।

হোয়াইট চ্যাপেলকে সিলেটিপাড়া উল্লেখ করে আবদুর রহিম জানান, এখানে ঠেলা নিয়ে এলে ভারতীয় আর পাকিস্তারিনাই বেশি ঝালমুড়ি কেনেন। সন্ধ্যার পরে টেমসের পাড়ে পাবগুলোর দিকে চলে যান। সেখানেও ভালো বেচাকেনা হয়।

হোয়াইট চ্যাপলের রাস্তার পাশে ফুটপাতের ওপর অসংখ্য ফল, সবজি, মাছ আর জামা-কাপড়ের দোকান। সব দোকানই পরিচালনা করছেন এশীয়রা। বিশেষ করে বাঙালি, ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা। রাস্তায়ও প্রচুর বাঙালি চলাচল করছেন। মাঝে মাঝে কিছু শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ আর চীনা মানুষও দেখা যাচ্ছিল। ফিরে আসার সময় আবদুর রহিম পাশের দোকান থেকে দৌড়ে কিনে নিয়ে এলেন পাপাডাম (এক ধরনের পাপড় ভাজা)। অনেক দিন পর বাংলায় কথা বলতে পেরে আবেগে আপ্লুত তিনি।

গলায় ঝোলানো টেবিল!

হ্যাঁ, এবার টেবিলও আপনার ছোট্ট ব্যাগে ভরে যেখানে খুশি নিয়ে যেতে পারবেন। দুজনের ব্যবহার উপযোগী 'ন্যাপকিন টেবিল' নামের বহনযোগ্য এ টেবিলটি ফোল্ড করে যেমন ব্যাগের মধ্যে ভরে রাখা যাবে, তেমনি দরকারে এটি খুলে পরস্পরের গলায় বেঁধে টেবিল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

তাইওয়ানের তাংহাই ইউনিভার্সিটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন থেকে সদ্য স্নাতক করা দুই তরুণ শিক্ষার্থী বিচিত্র এ বহনযোগ্য টেবিলটি তৈরি করেছেন। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে দেশটির খাবার সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটাতেই বিচিত্র এ টেবিলটি তৈরিতে হাত দেন এ দুই ডিজাইনার। খুব ব্যক্তিগত এ টেবিল দুজনের মধ্যে সম্পর্ক, হৃদ্যতা ও মিথস্ক্রিয়া বাড়াবে বলেই এর উদ্ভাবকদের বিশ্বাস।

ব্রাজিলে বিলাসবহুল পার্টিতে লিওনার্দো সাথে ৫০ জন নারী!

ব্রাজিলে চলমান বিশ্বকাপ ফুটবল উপভোগ করতে গিয়েছেন হলিউডের অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। আর সেখানেই ৫০ জন নারী নিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ এক পার্টির আয়োজন করেন তিনি।

লিওনার্দোর সঙ্গে এবার ব্রাজিলে উড়ে গিয়েছেন প্রায় ৩০ জন নারী। আর তাদের থাকা খাওয়ার সব ব্যবস্থাই করেছেন লিওনার্দো।
লিওনার্দোর এ পার্টি সম্বন্ধে এক সূত্র জানিয়েছে, সে পার্টিতে বহু বোতল শ্যাম্পেন গলাধঃকরণ করা হয়েছে। আর এর সব কিছু খুবই উপভোগ করেছেন তিনি। পার্টিতে কয়েকজন মেয়ে লিওনার্দোকে কয়েকটি নাচও শেখানোর চেষ্টা করেন।

তবে সেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট মেয়ের সঙ্গে লিওনার্দোকে বেশিক্ষণ সময় কাটাতে দেখা যায়নি। তিনি এ বিষয়ে খুবই সামাজিক থাকছেন। কোনো নির্দিষ্ট মেয়ের সঙ্গে তিনি মিশছেন না। তার বদলে সব মেয়ের সঙ্গই তিনি উপভোগ করছেন।
পার্টি শেষ হওয়ার পরও নিজের ইয়টে লিওনার্দো সময় কাটান কয়েকজন ঘনিষ্ঠজনের সঙ্গে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান বিগ ব্রাদার তারকা ম্যারিয়েন ক্যারেটেরো ও প্লেবয় মডেল ম্যারি সিলভেস্ট্রে।

জেনিফার লপেজের হট মিউজিক ভিডিও


জেনিফার লপেজ অনেকেরই অনেক বেশি পছন্দের প্রিয় সিংগার। আর পছন্দের হবেনা কেন এত হট একজন সিংগার যার গান কোন পার্টিতে না বাজালে চলেনা !


রংয়ে আঁকা জার্সি!



রঙে আঁকা জার্সি! রং দিয়ে আঁকা হয়েছে জার্সি এবং সেই জার্সি পরে মাঠে নেমেছে খেলোয়াড়দের

ট্রেন থেকে টাকার বৃষ্টি!

চলন্ত শতাব্দী এক্সপ্রেসের পেছনে দৌড়াচ্ছিলেন ১৫ জন চাষী। দেখে মনে হচ্ছিল ট্রেন ধরার জন্যই তারা ছুটছেন। খানিকবাদে বোঝা গেল ট্রেন নয়, ট্রেন থেকে উড়ে আসা টাকা ধরতেই তারা ছুটছেন। টাকার বৃষ্টি হচ্ছিল শতাব্দী এক্সপ্রেস থেকে। মঙ্গলবার এমন ঘটনা ঘটেছে উত্তর প্রদেশের গজরৌলার দরিয়াপুর বুজুর্গ গ্রামে।

ঘটনা তবে কী? সকালে ঘুমচোখে ক্ষেতে কাজ করতে যান বুজুর্গ গ্রামের চাষীরা। ক্ষেতের পাশেই রেললাইন। রোজকার মতো সেদিনও দিল্লি-মোরাদাবাদ ডাউনট্র্যাক দিয়ে যাচ্ছিল দিল্লি-কাঠগোদাম শতাব্দী এক্সপ্রেস। হঠাৎ একটি দৃশ্য দেখে চাষীদের চক্ষু চড়কগাছ। প্রথমে চোখের ভুল ভেবেছিলেন তারা। পরে বুঝতে পারলেন, ঘটনা সত্য। ওই ট্রেনের একটি কামরা থেকেই উড়ে আসছিল ৫০০, হাজার রুপির নোট। কিছু ১০০ রুপির নোটও ছিল।

বুজুর্গ গ্রাম থেকে মহেসারা পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তায় এভাবেই ট্রেন থেকে টাকা উড়তে থাকে। আর সেই টাকা নেওয়ার জন্য গ্রামবাসীরা ওই দেড় কিলোমিটার পথ ট্রেনের পিছু ছাড়েনি।

৪২সি রেলগেটের সামনে ঘটনাটি দেখে তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন কেবিনম্যান দিলীপ। তবে তিনি ট্রেনের পেছনে না দৌড়ে তড়িঘড়ি রেল কর্মকর্তাদের খবর দেন। এর পরই সিও-র নির্দেশে গজরৌলা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে হঠাৎ শুরু হওয়া টাকার বৃষ্টি সম্পর্কে বিস্তারিত আর জানা যায়নি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া,

বিশ্বকাপে সহজলভ্য হয়ে উঠেছে ব্রাজিলীয় কিশোরীরা

বিশ্বকাপের আলোয় ভাসছে ব্রাজিল। ভিনদেশীতে ঠাসা ব্রাজিলের অলিগলি। এই সুযোগটিতে জমে উঠেছে সেক্স ট্যুরিজমের মত ব্যবসাও।

বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে নাবালিকারাও নেমে গেছে বেআইনি কাণ্ডে। ওদের ঠেকানো যাচ্ছে না বলে চিন্তিত সে দেশের সরকারও। এসব নাবালিকারা মাত্র এক প্যাকেট সিগারেটের দামেই অপরিচিত আগন্তুকদের কাছে সপে দিচ্ছে নিজেদের।

ব্রাজিল ফ্রি সেক্সের দেশ এমনিতেই। যৌন ব্যবসা সে দেশে আইনিভাবে স্বীকৃত। তারপরও ব্রাজিল সরকারের দুর্ভাবনার কারণ, ওরা নাবালিকা। টাকা রোজগারে রাস্তায় নেমে পড়া নাবালিকাদের বয়স ১৮ বছরেরও কম।

ব্রাজিলের একজন আইনজীবীর মতে, ‘এই নাবালিকারা চরম দারিদ্র দেখেছে। নিজের মা’কে অর্থাভাবে যৌন ব্যবসায় নামতে দেখেছে। তাই যে মেয়ে মাত্র ১০ বছরের গন্ডীও পেরোয়নি সেও বিশ্বকাপের সুযোগে সহজে অর্থ উপার্জন হিসেবে এই ব্যবসায় নেমে পড়েছে।’

সে দেশেরই সংবাদপত্রে এসেছে, কিছু নাবালিকা টাকাও চাইছেন না। এক প্যাকেট সিগারেট বা একটু হেরোইনের বিনিময়েই প্রস্তুত শয্যায় যেতে।

এসব নাবালিকাদের বক্তব্য, একটু নেশা করলে খিদের ভাবনা আসে না। তাই নেশা করি। আর নেশা করতে টাকা লাগে। কে দেবে টাকা?

এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, সাউথ আফ্রিকা, জার্মানির বিশ্বকাপের থেকে ব্রাজিল বিশ্বকাপে নাবালিকাদের এই পেশায় নামার পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

জানা যায়, ২৫ লক্ষ নাবালিকা এই মুহূর্তে ব্রাজিলের কোনও না কোনও শহরে পর্যটকদের মনোরঞ্জন করছে। তাদের মধ্যে কেউ অল্প সময়ে পয়সা রোজগার, কেউ আবার পরিবারের চাপে পড়ে এই ব্যবসায় নেমেছে।

সে দেশের সংবাদপত্র জানাচ্ছে, মাত্র পাঁচ থেকে ১০ হাজার ডলারের বিনিময়ে এক শ্রেণির দালালরা এই কিশোরীদের তাদের পরিবার কাছ সারাজীবনের মত কিনে নেন। তারপর সেই কিশোরীকে ব্যবসায় নামিয়ে রোজগার করতে থাকেন।

ব্রাজিলের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় কর্মরত এক সিস্টারের মতে, শিশুরা সঠিক পরিবেশে বাঁচার সুযোগ পেল কি না তা নিয়ে এ দেশের পুলিশ মোটেও চিন্তিত নয়। বরং পুলিশ এই ব্যবসা থেকে টাকা নেয়। আর পর্যটক ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে এই ব্যবসা লুকোতে চায়।

বিশ্ব নগ্ন বাইক চালনা দিবস ২০১৪ ! দেখুন ভিডিও


নগ্ন বাইকারদের দল ম্যানচেস্টার সিটি শহর জুড়ে সাইক্লিং-এর জন্য অল সেইন্ট পার্ক থেকে অক্সফোর্ড রোডে গিয়ে হাজির হয়। এই দৃশ্য দেখে পথচারীরা থেমে হাঁ করে তাকিয়ে থাকেন। ফিরে যাওয়ার আগে সেসব নগ্ন পুরুষ ও মহিলা বাইকাররা সিটি সেন্টারের চারপাশ প্রদক্ষিণ করেন। এদের অনেকের শরীরের পেছনের দিকে বিভিন্ন পরিবেশবাদী স্লোগান লেখা ছিল।

সাইক্লিং-এর প্রতি সংহতি প্রকাশের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার সিটি সেন্টারে শত শত নগ্ন বাইকার দলে দলে যোগ দেন।মূলত এই উদ্ভট ইভেন্টটি ছিল নবম ‘বিশ্ব নগ্ন বাইক চালনা দিবস’ উদযাপনের অংশ।

ইভেন্টের সংগঠক সিন ফিট্টন বলেন, এ বছর এই উৎসবে ২০০ জনেরও বেশি বাইকার অংশ নিয়েছে, যা গত বছরের চেয়ে দ্বিগুণ! তবে আমরা ততটা প্রচারণা চালাই নি। নয়তো প্রচুর নেতিবাচক সমালোচনা সৃষ্টি হতো।
তিনি আরও বলেন, ম্যানচেস্টারের খুব কম সাইক্লিস্ট ইভেন্টটি অপছন্দ করেছে। আমাদের মধ্যে একজন ছাড়া সবাই এটা নিয়ে বেশ মজা করেছে।

এদিকে ম্যানচেস্টার সিটি সেন্টার পুলিশ পরিদর্শক ফিল সপুরজিওন বলেছিলেন, এই নগ্ন বাইকারদের ইভেন্টটি তাদের নজরে রাখবেন।

তবে তিনি এও বলেন, গত বছরের ইভেন্টটি তেমন কোন ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়নি। কেউই এটি নিয়ে কোন অভিযোগও করেনি।দেখুন ভিডিও..

তিন নেত্রীই ব্রাজিল!



রাজনৈতিক আদর্শে তাঁদের অবস্থান দুই মেরুতে। তাঁদের দল, আদর্শ সবই আলাদা। একই দেশে বাস করার পরও দুজনের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল পাঁচ বছর আগে। সেটা ২০০৯ সালের ২১ নভেম্বর, একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে। গত বছরের শেষ দিকে দুজনের মধ্যে সর্বশেষ টেলিফোন-আলাপ হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকটি মিলও আছে।

সেটা হলো, দুজনে রাজনীতিতে এসে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। নিজ দলকে ক্ষমতায় এনেছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। দুজনেরই আছে বিপুল জনসমর্থন। তবে এর বাইরে তাঁদের মিলটি দারুণ মজার। বিশ্বকাপ ফুটবলে তাঁরা দুজনই ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক। প্রতিবারের মতো এবারও রাত জেগে প্রিয় দল ব্রাজিলের খেলা দেখবেন তাঁরা।

কাদের কথা বলা হচ্ছে—পাঠক নিশ্চয় বুঝে গেছেন। তাঁরা হলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। শুধু এ দুজনই নন, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদও ব্রাজিলের অন্ধ সমর্থক। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপ-প্রেস সচিব প্রথম আলোকে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের দল ব্রাজিল। এক সময় পেলের খেলা তাঁর ভালো লাগতো। তবে তিনি আর্জেন্টিনার খেলাও পছন্দ করেন। বিশেষ করে মেসির খেলা তাঁর খুবই পছন্দ।

খালেদা জিয়ার মিডিয়া উইংয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ম্যাডাম ব্রাজিলের কঠিন সমর্থক। ম্যাডাম মনে করছেন, এবার ব্রাজিল বিশ্বকাপ ব্রাজিলের দখলেই যাবে।’ সংসদের বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদও ফুটবল খেলা বেশ উপভোগ করেন। তাঁর পরিবারের এক সদস্য প্রথম আলোকে বলেছেন, যেদিন থেকে তিনি ফুটবল খেলা বুঝতে শুরু করেছেন, সেদিন থেকেই তিনি ব্রাজিলের সমর্থক।

জানা-অজানা কিছু তথ্য



• সারাবিশ্বে COCA-COLA'র প্রস্তুত প্রণালী মাত্র দুজন জানে এবং তাদের একই বিমানে যাতায়াত নিষিদ্ধ !

• কোন ক্ষতস্থানে চিনি দিলে তা দ্রুত ব্যাথার উপশম ঘটায় এবং ক্ষত নিরাময়ে সহায়তা করে ।

• মশা শুধুমাত্র আপনার রক্তই পান করে না, রক্ত পান শেষ হওয়ার পর উঠে যাওয়ার সময় আপনার শরীরে পস্রাবও করে যায় !

• আমরা যে আঙ্গুলের মটকা ফুটাই তার কিন্তু হাড্ডির সাথে কোন সম্পর্ক নেই, আমরা যেই শব্দ শুনি তা হচ্ছে হাড্ডির আসে পাশে অবস্থিত'গ্যাস বাবল (bubble) 'ফাটার শব্দ !

• হ্যারি পটারের লেখিকা'জে.কে. রোলিং'হলেন প্রথম মানুষ যিনি কিনা বই লিখে বিলিয়নারের খাতায় নাম লিখেন !

• ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথের মুকুটের মধ্যে একটি হীরার খণ্ড আছে যা হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বড় হীরার খণ্ড এবং হীরাটি ভারত উপমহাদেশ থেকে চুরি করা !

• আসল'Titanic'জাহাজটি তৈরি করতে'৭ মিলিয়ন ডলার'প্রয়োজন হয়েছিল এবং Titanic মুভিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছিল'২০০ মিলিয়ন ডলার'!

আপনি কী মন খুলে হাঁসতে চান ?



আপনি কী মন খুলে হাঁসতে চান ?
তাহলে এই বিজ্ঞাপনটি আপনাকে দেখতেই হবে !

সেলবাজার.কম এখন এখানেই.কম। এখানেই.কমের মারাত্মক হাঁসির একটি বিজ্ঞাপন যা প্রতিটি মানুষের দেখা অত্যাবশ্যকীয়। আরে ভাই না দেখলে চরম মিস। দেখুন, বেচুন আর কিনুন 

ঘাম থেকে মুক্তি পেতে



তীব্র গরমে প্রতিটি মানুষের ঘাম হয়। কিন্ত ঘাম যদি হয় স্বাভাবিকের চাইতে বেশি তাহলেতো দুশ্চিন্তা হতে পারে। অনেকে আবার ঘাম নিয়ে দুশ্চিন্তা করে করে আরো বেশি ঘেমে যান। দুশ্চিন্তা না করে সামান্য কিছু টিপস মেনে চললে ঘাম থেকে মুক্তি পাবেন সহজে।

বেশি বেশি দই খান। দইয়ে থাকা ল্যাকটোজ খাবার তাড়াতাড়ি হজম করতে সাহায্য করে, একইসঙ্গে গরমে শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
ডাবের পানিতে রয়েছে পটাশিয়াম। গরমে ডাবের পানি খেলে শরীর সতেজ ও সজীব থাকে।
খুব বেশি ঘাম হলে লেবুর রস দিয়ে শরবত বানিয়ে খান। এছাড়া অল্প লিকার দিয়ে চা বানিয়ে খেতে পারেন।
শারিরীক দুর্বলতা থেকে ঘাম বেশি হতে পারে। শাকসবজি, ফলমূল, পানি, ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার বেশি বেশি করে খান।
তেল মসলা ও ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার কম খাবেন।
বার বার পানি দিয়ে ভালোমতো হাত, মুখ ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুইবার গোসল করুন।
সুতি আরামদায়ক হালকা রঙের পোশাক পরুন।
চায়ের মধ্যকার টনিক এসিড প্রাকৃতিক ঘামবিরোধী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। ২লিটার পানিতে ৪টি চায়ের প্যাকেট ভিজিয়ে রেখে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন। এতে ঘাম কম হবে।
বাসার বাইরে গেলে ছাতা ব্যবহার করুন।

রিয়্যালিটি শো-এ ডাক্তারের সাহায্য ছাড়াই প্রকৃতির কোলে প্রসব করবেন মা



খোলা আকাশের নীচে, প্রকৃতির কোলে জন্ম নিচ্ছে নবজাতক। আশেপাশে নেই কোনো ডাক্তার, নার্স বা মেডিক্যাল স্টাফ। মা আর আগত নবজাতকের সঙ্গী শুধু তাঁর পরিবারের সদস্যরা আর নিবিড় প্রকৃতি। সন্তান জন্ম দেওয়ার এ এক নতুন ট্রেন্ড। হয়তো বা ফিরে যাওয়া সেই আদিম যুগে, যখন প্রকৃতি ছিল মানুষের সবচেয়ে বড়ো বন্ধু। আর এ ঘটনা নিয়েই শুরু হতে চলেছে এক রিয়্যালিটি শো। যেখানে ক্যামেরার সামনে কোনোরকম মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ছাড়াই জন্ম নেবে নতুন প্রাণ।

গত বুধবার 'Lifetime' ঘোষণা করেছে এই নতুন রিয়্যালিটি শো-এর কথা। 'Lifetime'-এর পদস্থ কর্তার কথায়, ইউ টিউবে আপলোড করা ভিডিও থেকেই তাঁদের এই রিয়্যালিটি শো-এর পরিকল্পনা। গত ফেব্রুয়ারিতে পোস্ট করা সেই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই দেখে ফেলেছেন ২০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ। প্রকৃতির কোলে কোনো এক নির্জন স্থানে তোলা সেই ভিডিওতে এক মহিলাকে নগ্ন অবস্থায় তাঁর বাচ্চার জন্ম দিতে দেখা যাচ্ছে, যেখানে তাঁর পরিবারের সদস্যরা ছাড়া আর কেউ উপস্থিত নেই।

ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে এই রিয়্যালিটি শো-কে ঘিরে। কেউ বলছেন কোনো কারণে এই শো দেখার পর যদি এ রকম মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ছাড়াই সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রবণতা বাড়ে, তবে বাড়তে পারে মা ও শিশুর মৃত্যুর হার।

এদিকে চ্যানেল কর্তাদের মতে, প্রসবের সময় তাঁদের ক্রু-দের উপস্থিতি বরং ভরসাই জোগাবে মা-কে। একই সঙ্গে তাঁরা এটাও বলছেন যে - অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বেছে নেওয়া হবে সেই সব ইচ্ছুক দম্পতিদের যাঁদের ক্ষেত্রে এটি প্রথম সন্তান নয়। তবে আমেরিকার মতো দেশে, যেখানে ক্রমশঃ বাড়ছে বাড়িতে সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রবণতা, সেখানে এই শো'র বেশ ভালো রেটিংই আশা করছেন তাঁরা।

তবে এই খবরে আমাদের চোখ কপালে তোলা ছাড়া আর কিছু করার আছে কি? পাঠকদের কী মতামত?

মানুষের দাঁতে তৈরি জুতা!



জুতোর বাজারে এবার চমক নিয়ে হাজির হলো দাঁতের তৈরি জুতো। তাও আবার মানুষের দাঁত। গুনে গুনে ১০৫০টি দাঁত দিয়ে তৈর করা হয়েছে একজোড়া অভিনব জুতো।

বৈচিত্র্যে নিঃসন্দেহে দৃষ্টি কাড়ার মতো। কিন্তু এতো কিছু থাকতে জুতোর সঙ্গে কেন আবার মানুষের দাঁত লাগাতে হলো, এমন প্রশ্ন অনেকেরই।

তা ছাড়া প্রথম দেখায় অনেকেই আতঁকে উঠতেও পারেন। কারণ শক্ত তলাবিশিষ্ট জুতোর জোড়াটির নগ্ন দাঁতগুলো বেশ ভয়ঙ্ককরও লাগে।

অবশ্য এর নকশাকার মারিয়ানা ফ্যানটিচ ও ডোমিনিক ইয়াং বলেছেন, রাবার সোলের সঙ্গে জুতোটির সার্বিক অবয়ব বেশ মানিয়েছে।

কিন্তু ডিজাইন বুম নামক ওয়েবসাইটে একজন মন্তব্য করেছেন এভাবে বৈচিত্র্যের দিক থেকে এটি সত্যিই আকর্ষণীয়।

কিন্তু স্বাভাবিকভাবে ভাবলে দেখা যায়, আমি আমার দাঁত জুতোর নিচে পিষছি। বিষয়টি নিঃসন্দেহে কষ্টের।–ওয়েবসাইট।

ডগ স্কোয়াডে'র জন্য বৃদ্ধাশ্রম!



পুলিশ কমিশনার সুরজিৎ করপুরকায়স্থ কলকাতা গোয়েন্দা পুলিশের অধীন ‘ডগ স্কোয়াডে'র সারমেয়-কর্মীদের জন্য এক অভিনব পরিকল্পনা নিয়েছেন। সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়া কুকুরদের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি করা হবে বৃদ্ধাশ্রম। আপাতত সরকারের কাছে বিষয়টি নিয়ে প্রস্তাব দেবে কলকাতা পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে ১০টি কুকুর রাখার মতো একটি বৃদ্ধাশ্রম তৈরির জন্য বডিগার্ড লাইনসের পরিত্যক্ত আস্তাবলটির কথা ভাবা হয়েছে।

‘ডগ স্কোয়াডে'র কর্মীরা জানিয়েছেন, সাধারণত একটি কুকুরের ‘চাকরি'র গড় বয়স ৮ থেকে ১০ বছর। এরপর তাদের কর্মক্ষমতা কমে যায়। তখন মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ মতো পুলিশ কমিশনার কোনও কুকুরের অবসরের কথা ঘোষণা করেন। এরপর তাদের পালকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে তেমন লোক খুঁজে পাওয়া যায় না। তাই পুলিশ কমিশনার মাস তিনেক আগে এই পরিকল্পনা করেন।

কুকুরদের রাখার জায়গাকে কেনেল বলা হয়। অবসরপ্রাপ্ত কুকুরদের কেনেলে খোলামেলা ভাবে রাখতে ১০ ফুট বাই ৮ ফুটের ঘর তৈরি হবে। থাকবে পাখা, খাট এবং জল খাওয়ার জায়গা। কুকুরদের গোসলের জন্য ছোট জলাশয়, খেলার জন্য মাঠের ব্যবস্থাও থাকবে। একসঙ্গে খাওয়ার জন্য 'কমিউনিটি ফিডিং সেন্টার এবং কমিউনিটি ট্রেনিং গ্রাউন্ড'ও তৈরির কথা ভাবা হয়েছে।

চীন সম্পর্কে যে ১৬টি তথ্য মাথা ঘুরিয়ে দেবে



চীনের বিশাল ভূখণ্ডের বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং খাদ্য ভোগ করছে এর বিশাল জনগোষ্ঠী। এই দেশে বিলিওনিয়ারদের সংখ্যাও অনেক। এই দেশটি নিয়ে গবেষণা করলে দারুণ কিছু তথ্য পাবেন যা বিস্ময়ের সীমা ছাড়িয়ে যাবে। এখানে চীন নিয়ে এমনই ১৬টি বিস্ময়কর তথ্য জানুন।

১. চপস্টিকের চাহিদা মেটাতে প্রতিবছর কাটা হয় ২০ মিলিয়ন গাছ। এই দেশে প্রতি বছর ৮০ বিলিয়ন জোড়া ডিসপজেবল চপস্টিক ফেলে দেওয়া হয়। এগুলো ২০ সেন্টিমিটার লম্বা। চপস্টিক দিয়ে টাইনানমেন স্কয়ারকে ২৬০ বার ঢেকে ফেলা যাবে। যে গাছগুলো কাটা হয় সেগুলো ২০ বছরের পুরনো।

২. চীনের রেললাইন পৃথিবীটাকে দুইবার ঘুরে আসতে পারবে।
চালু রয়েছে এমন রেললাইনের দৈর্ঘ্য ৯৩ হাজার কিলোমিটার।

৩. চীনে যে পরিমাণ কয়লার মজুদ রয়েছে তা ৫৭৫ মিলিয়ন নীল তিমির ওজনের সমান। বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ কয়লা চীনেই রয়েছে যার পরিমাণ ১১৫ বিলিয়ন টন। বিশ্বের ৪৫ শতাংশ কয়লা চীনে উত্তোলন করা হয় এবং ৪৯ শতাংশ কয়লা ব্যবহার করা হয়।

৪. মাত্র দুই বছর সময়ের ব্যবধানে চীনে যে পরিমাণ সিমেন্ট উৎপাদন করা হয়, তা বিশ শতকে আমেরিকা যা উৎপাদন করেছিল তার চেয়েও বেশি। বিশ্বের চাহিদার ৬০ শতাংশ সিমেন্ট চীনে উৎপাদিত এবং ব্যবহৃত হয়।

৫. প্রতিবছর ১০ লাখ চাইনিজ ধূমপানে মারা যান। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের এক হিসেবে দেখা যায়, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রতিবছর তিন মিলিয়ন মানুষ মারা যাবেন।

৬. অলিম্পিকের সুইমিং পুলের সমান ১.২৪ বিলিয়ন সুইমিং পুলের সমান প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ রয়েছে চীনে। এর পরিমাণ ১০৯.৩ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট।

৭. চীনে বছরে যে পরিমাণ নুডলস খাওয়া হয়, তা দিয়ে আলজেরিয়ার সব মানুষকে গোটা এক বছর ধরে প্রতিদিন তিনবেলা খাওয়ানো যাবে। ২০১১ সালে ৪২.৫ বিলিয়ন প্যাকেট নুডলস খাওয়া হয়।

৮. প্রতি বছর চীনে পাঁচ হাজার ২০০টি আইফেল টাওয়ারের ওজনের সমান শূকরের মাংস খাওয়া হয়। ২০১২ সালে ৫২ মিলিয়ন টন এবং ২০১১ সালে ৫১.৬ মিলিয়ন টন শূকরের মাংস খাওয়া হয়েছিল।

৯. চীনের সেরা ২০ ধনী ব্যক্তির মোট সম্পদের পরিমাণ হাঙ্গেরির জিডিপির চেয়েও বেশি। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ ১৪৫.১ বিলিয়ন ডলার। হাঙ্গেরির মোট জিডিপি ১২৪ বিলিয়ন ডলার।


১০. চীনে ৩০ মিলিয়নের বেশি মানুষ গুহায় বাস করে যা সৌদি আরবের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। সানজি প্রদেশে বেশিরভাগ গুহাবাসী রয়েছে। চীনের প্রেসিডেন্ট জি শিনপিং সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় সানজিতে নির্বাসিত থাকা অবস্থায় গুহায় বাস করতেন।

১১. চীনের দাতাং ডিস্ট্রিক্টে প্রতি বছর আট বিলিয়ন জোড়া মোজা তৈরি হয়। ২০১১ সালে যে পরিমাণ মোজা তৈরি হয় তা দিয়ে গোটা পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে এক জোড়া করে মোজা দেওয়া যাবে।

১২. চীনে আত্মহত্যার হার আমেরিকার দ্বিগুণেরও চেয়ে বেশি। চীনের প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে আত্মহত্যার হার ২২.২।

১৩. চীনের আকার প্রায় আমেরিকা মহাদেশের সমান, অথচ একটি টাইম জোন রয়েছে। বেইজিং স্ট্যান্ডার্ড টাইম জোন গোটা চীনের টাইম জোন। তবে চীনে পাঁচটি টাইম জোন থাকলেও ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং একটি টাইম জোনের ঘোষণা করেন। ফলে চীনের অনেক স্থানেই বেলা ১০টায় সূর্য ওঠে।

১৪. চীনের খাবার পদ্ধতি বিশ্বের ২৫ শতাংশ জনসংখ্যাকে খাবার খাওয়ায়। আর এ জন্য চীনের মাত্র ৭ শতাংশ আবাদী জমি ব্যবহার করতে হবে। ১৯৭৮ সাল থেকে এই খাদ্য উৎপাদন তিন গুণ বেড়েছে।

১৫. চীনের জনগণের খরচ ২০২০ সাল থেকে তিন গুণ বেড়ে যাবে। ২০১০ সালে এর পরিমাণ ছিল ২.০৩ ট্রিলিয়ন ডলার। বিলাস পণ্য ভোগের সবচেয়ে বড় বাজারের মধ্যে চীন রয়েছে এক নম্বরে।

১৬. পৃথিবীর অর্ধেক শূকর রয়েছে চীনে। এর সংখ্যা ৪৭৫ মিলিয়নের মতো। কারণ এ দেশেই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণ শূকর খাওয়া হয়।

থাইল্যান্ড ফুটবল স্টেডিয়ামে শাকিব, অপু ও ববি



সুবিশাল স্টেডিয়াম। মাঠজুড়ে সবুজ ঘাস। একপাশে অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক। চারপাশে নীল রঙা আসন। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চোনবুরি ফুটবল ক্লাব স্টেডিয়ামে ঢুকে এসব দেখে মন ভরে গেলো সবার। রোদ ঝলমলে দিনে গত ২ জুন সেখানে শুটিং করলেন তিন তারকা শাকিব খান, অপু বিশ্বাস ও ববি।

তারা একসঙ্গে অভিনয় করছেন বদিউল আলম খোকন পরিচালিত ‘হিরো দ্য সুপারস্টার’ ছবিতে। এটাই শাকিব প্রযোজিত প্রথম ছবি। এর একটি গানের দৃশ্যের জন্য রাতদিন পরিশ্রম করছেন তারা। ই-মেইলে অপু বিশ্বাস জানান, সাড়ে আট হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামটি শুধু একটি গানের জন্যই ভাড়া নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২৯ মে পাতায়ার করাল দ্বীপে একই ছবির আরেকটি গানের চিত্রায়ণ হয়েছে। এই গানে পর্দায় ঠোঁট মেলাবেন শাকিব ও ববি।

জানা গেছে, নিজের প্রযোজিত ছবির পাশাপাশি ‘রাজা হ্যান্ডসাম’ ছবিটিরও কিছু কাজ করবেন শাকিব ও অপু। এ ছবিও পরিচালনা করছেন বদিউল আলম খোকন।

বিভাজিকা আর লাস্য যাঁদের তুরুপের তাস


ক্রমশ সাহসী হচ্ছে বলিউড। বিশেষ করে বলিউডের সেক্সি সুন্দরীরা। আর ওঁদের ভাবনা চিন্তাও খুব পরিষ্কার - 'যখন আছে তখন দেখাবো না কেন? তাই তো ক্রমশ গভীর হচ্ছে তাঁদের নেকলাইন, ক্লিভেজ হচ্ছে আরো স্পষ্ট। কেউ কেউ নাক কুঁচকোলেও বেশিরভাগ ফ্যানেদেরই মনে ধরছে তাঁদের এই প্রদর্শনী। চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক সেই প্রদর্শনীর মূল কুশীলবদের তালিকায়।

কঙ্গনা রানাওয়াত: বলিউডের এই 'কুইন' ওঁর ইউনিক স্টাইল স্টেটমেন্টে আর বিন্দাস অ্যাটিটিউডের জন্য সুপরিচিত কঙ্গনা। অনেকসময় উনি যা দেখাতে চান তার থেকে একটু বেশীই দেখিয়ে ফেলেন। কিছুদিন আগে ওঁরই অভিনীত একটা ছবির ট্রেলার লঞ্চের সময় তারই একটা উদাহরণ পাওয়া গেল। এমনকি বিবেক ওবেরয় 'ক্রিস ৩' তে ওঁর সঙ্গে অভিনয় করার পর জানিয়েছেন ছবিতে প্রিয়াঙ্কার থেকেও কাঙ্গনা কে ওঁর 'হট' আর 'সেক্সি' লেগেছে।

অনুষ্কা শর্মা: কেরিয়ার শুরু করার কিছুদিনের মধ্যেই এই গ্লামারস অভিনেত্রী কিছুদিনের মধ্যে বলিউডের অন্য তাবড় অভিনেত্রীদের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছেন। আর উনি মোটেই ক্যামেরার সামনে 'ক্লিভেজ' দেখাতে লজ্জা পান না। এই যেমন ধরুন না ১৪ তম আইফা অ্যাওয়ার্ডে অনুষ্কা একটা 'স্কিন হাগিং' ড্রেসে হাজির ছিলেন। আর শুধু বক্ষ-বিভাজিকাই নয় গোটা শরীরের সেই অনন্য সৌষ্ঠব মাথা ঘুরিয়ে দিচ্ছিল সবার।

শার্লিন চোপড়া: তাঁর ক্যাচলাইন হচ্ছে - 'অভিনয় দেখতে চেয়ে লজ্জা দেবেন না!'। তার চেয়ে বরং অন্য কিছু দেখুন। তিনি নাকি বড্ড 'হট', তাই কম জামাকাপড় গায়ে রাখতে না হলেই ভালো থাকেন তিনি। ইন্টারভিউতেও জানিয়েছেন দিনে তিন ঘন্টা রোজ উনি ওয়ার্ক আউট আর মেডিটেশন করেন যাতে শরীর ও মন দুই ফিট আর হট থাকে।

শিল্পা শেঠি: মানতেই হবে শিল্পা বলিুডের ফিগার-পারফেক্ট 'হটেস্ট' অভিনেত্রীদের একজন। এটা সবাই মেনে নেবেন এই ইয়ামি মাম্মি নিজের স্টাইল, ফিগার আর একমুখ হাসি নিয়ে অন্যদের থেকে অনেকটা এগিয়ে। আর এই হট মাম্মি ভালোই জানেন শরীরের কোন অংশ কেমন ভাবে মেলে ধরবেন। এই অভিনেত্রী কিছুদিন আগে 'Yummiest Mummy' র খেতাবও জিতেছেন।

সানি লিওন: বলিউডে আসার পর থেকেই কাঁপিয়ে দিচ্ছেন এই অভিনেত্রী, অবশ্যই তা অভিনয়ের জন্য নয় অন্য কিছুর জন্য। এই অভিনেত্রীকে বেশীরভাগ সময় হট পোশাকেই দেখা যায়। যাঁরা 'রাগিনী এম এম এস' দেখেছেন তাদের অনেকদিন এই 'বেবিডল' কে মনে রাখবেন।

আমরা আপাতত এই পাঁচজনের তালিকাই তুলে ধরলাম। যদি আরো কারো কথা আপনাদের মনে পড়ে বা মনে ধরে, জানাতে ভুলবেন না।

তারকাদের স্তন ইনস্যুরেন্স !!


অনেকেই তাদের বাড়ি, গাড়ি ইত্যাদি সম্পদের ইনস্যুরেন্স করেন। কিন্তু এর পাশাপাশি দেহের নানা অঙ্গের ইনস্যুরেন্স করতে দেখা যায় তারকাদের। এ ধারাতেই অনেক তারকা তাদের স্তনযুগলকেও ইনস্যুরেন্স করেন।

১. ম্যাডোনা
পপ শিল্পী ম্যাডোনা তার স্তনের জন্য ২০ লাখ ডলারের ইনস্যুরেন্স করেছেন। ম্যাডোনার স্তনে কোনো সিলিকনের কৃত্রিম ছোঁয়া নেই। গুজব রয়েছে ম্যাডোনা তারঁ স্তনযুগল ইনস্যুরেন্স করতে চেয়েছিলেন এক কোটি ২০ লাখ ডলারের। কিন্তু তিনি তাতে সক্ষম না হলেও দুই মিলিয়ন বা ২০ লাখ ডলারের ইনস্যুরেন্স করাতে সক্ষম হন। অবশ্য এ অর্থকে সামান্য বলেই মনে করেন তাঁর অনেক ভক্ত। তবে তাঁকে অনুসরণ করে স্তন ইনস্যুরেন্স করেন আরও অনেক হলিউড সুন্দরী।
স্তন ইনস্যুরেন্স করেছেন যে তারকারা

২. হলি ম্যাডিসন
রিয়ালিটি টিভি তারকা ও মডেল হলি ম্যাডিসন তার স্তনযুগল ইনস্যুরেন্স করেছেন এক মিলিয়ন বা ১০ লাখ ডলারের। বীমা কম্পানি লন্ডনের লয়েডস। পিপল ম্যাগাজিনকে তিনি বলেন, লাস ভেগাস প্রডাকশন ‘পিপশো’র জন্য তিনি তার স্তন বীমা করে নিতে চেয়েছিলেন। এর আগে তিনি শুনেছিলেন যে, বিভিন্ন তারকারা তাদের নানা অঙ্গ ইনস্যুরেন্স করে। এরপর তিনিও তার গুরুত্বপূর্ণ এ সম্পদ ইনস্যুরেন্স করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।
পিপল ম্যাগাজিনকে তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্তনে যেকোনো কিছু হলেই আমি কয়েক মাসের জন্য বাইরে চলে যাব। আর সম্ভবত এক মিলিয়ন ডলারও পাব।’ জানা যায়, ২০০১ সালে তিনি তাঁর স্তনে প্লাস্টিক সার্জারি করেছিলেন।
স্তন ইনস্যুরেন্স করেছেন যে তারকারা

৩. ডলি পার্টন
সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী ডলি পার্টন তাঁর স্তনের জন্য সুপরিচিত। আর তিনিও তা সম্পর্কে সচেতন। এ কারণেই তিনি ছয় লাখ ডলারের ইনস্যুরেন্স করেছেন স্তনের জন্য। তবে প্রাথমিকভাবে এ ইনস্যুরেন্স ছয় লাখ ডলার হলেও তা ৪০ বছর পর প্রায় ৪০ লাখ ডলার হয়ে যাবে।
স্তন ইনস্যুরেন্স করেছেন যে তারকারা

৪. জেনিফার লাভ হিউইট
অভিনেত্রী জেনিফার এখনো তাঁর স্তন ইনস্যুরেন্স করার কথা স্বীকার করেননি। তবে ইউএসএ টুডেতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কেউ যদি তাঁর স্তন ২৫ লাখ ডলারের ইনস্যুরেন্স করতে প্রস্তাব দেয়, তাহলে তিনি তা গ্রহণ করবেন। তিনি আরো জানান, তাঁর এ স্তনযুগলের মূল্য ৫০ লাখ ডলার হওয়া উচিত।
স্তন ইনস্যুরেন্স করেছেন যে তারকারা

৫. কসি ওরজিআকর
নলিউড বা নাইজেরিয়ার চলচ্চিত্র জগতের তারকা কসি তাঁর স্তন ইনস্যুরেন্স করেছেন ১৬ লাখ ডলারের বিনিময়ে। তবে এ তারকা তাঁর ইনস্যুরেন্সের কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন। অবশ্য সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার দুটি জিনিসের ইনস্যুরেন্স করার কথা স্বীকার করেছেন।
স্তন ইনস্যুরেন্স করেছেন যে তারকারা

৬. টিনা টার্নার
৭৫ বছর বয়সি সঙংগী শিল্পী ও অভিনেত্রী টিনা টার্নার ভোগ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে স্থান পাওয়া সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি। এর আগে তিনি তাঁর পায়ের জন্য ৩২ লাখ ডলারের ইনস্যুরেন্স করে সংবাদপত্রের হেডলাইন হয়েছিলেন। এবার তিনি সাত লাখ ৯০ হাজার ডলারে তাঁর স্তনের ইনস্যুরেন্স করলেন। যদিও এই মূল্য তাঁর পায়ের ইনস্যুরেন্সের তুলনায় অতি সামান্য।

রুটিনমাফিক ধর্ষণ !!


আফ্রিকার দেশ গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে রুটিনমাফিক নারী বন্দীদের ধর্ষণ করা হয় বলে দাবি করেছে ফ্রিডম ফ্রম টর্চার নামক যুক্তরাজ্য ভিত্তিক একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটি জানিয়েছে, রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে তাদের উপর এই নির্যাতন চালানো হয়।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়,‘৩৪ জন নারীর মেডিকেল রিপোর্টে দেখা গেছে কারাগারে বন্দী থাকাকালীন তাদেরকে নৃশংসভাবে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ১৮ থেকে ৬২ বছর বয়সী এই নারীদের মধ্যে ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশাজীবী রয়েছেন। এদের সবাই যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন।’

ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়, ‘নির্যাতনের শিকার নারীদের শরীরে ৬৮টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে যার মধ্যে ৫৬টি হল ধর্ষণের চিহ্ন’।

নির্যাতিতদের চিকিৎসক জুলিয়েট কোহেন বলেন, ‘কারাগারে নির্যাতনের শিকার ওই নারীদের শরীরে এমন সব চিহ্ন পাওয়া গেছে যেগুলো সাধারণত ধর্ষিতাদের শরীর থেকেই পাওয়া যায়। এসব ক্ষত চিহ্ন থেকে বোঝা যায়,কঙ্গোর কারাগারে থাকাকালীন তাদের উপর রুটিনমাফিক ধর্ষণ করা হত।’

কারাগারে ধর্ষণ প্রসঙ্গে দেশটির এক মুখপাত্র ল্যামবার্ট মেন্ডে বলেন, 'এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

ধর্ষণের রাজধানী নামে কুখ্যাতি রয়েছে আফ্রিকার সংঘাতময় এই দেশটির। ১৯৯০ সালে দেশটিতে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকেই যুদ্ধের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয়া হয় ধর্ষণকে।

হাতের তালু থেকে অগ্নিস্ফূলিঙ্গ বের করার যাদু (দেখুন ভিডিওটি)


বিশ্বে ফূর্তিবাজ জাতি হিসেবে একটা আলাদা পরিচিতি আছে ব্রিটিশদের। জীবনকে সদা-সর্বদা আনন্দ-ফূর্তিতে ভরিয়ে রাখতে তাই নিত্যনতুন কসরতে ব্যস্ত থাকে তারা। এর ব্যতিক্রম নন ৩৪ বছরের ব্রিটিশ যুবক কলিন ফ্রজও। সম্প্রতি তিনি উদ্ভাবন করেছেন হাতের তালু থেকে অগ্নিস্ফূলিঙ্গ বের করার যাদু । ডেইলি মেইল-এর ভিডিও ডকুমেন্টারিতে বিস্তারিত।


সোনার তৈরি অন্তর্বাস! (ভিডিওসহ)


চীনের একজন ডিজাইনার সম্প্রতি এমন এক অন্তর্বাস তৈরি করেছেন তা রীতিমতো চমকপ্রদ। তিন কেজি ওজনের ওই অন্তর্বাসের পুরোটাই তৈরি হয়েছে সোনা দিয়ে। সম্প্রতি ওই অন্তর্বাস পরেই র‍্যাম্প মাতালেন চীনের তিন মডেল। তবে আপাতত এই সোনার অন্তর্বাস বাজারজাত করা হচ্ছে না।

সবকিছু ছেড়ে দিয়ে কেন সোনা দিয়ে অন্তর্বাস নির্মাণের পরিকল্পনা? র‍্যাম্প শোর পর তার ভাষ্য, এর আগে বিভিন্ন জিনিস দিয়ে অন্তর্বাস তৈরি হলেও তা তেমন জনপ্রিয় হয়নি। তাই মহিলাদের পছন্দ, এমন কিছু দিয়ে তিনি অন্তর্বাস তৈরির পরিকল্পনা শুরু করেন। এই চিন্তা থেকেই তার মাথায় আসে সোনার বিষয়টি।

অন্তর্বাসটির নিখুঁত ডিজাইন তৈরি করতে বেশ কয়েক মাস লেগেছে ওই চীনা ডিজাইনারের। এরপর শুরু হয় অন্তর্বাস নির্মাণ প্রক্রিয়া। অন্তর্বাসটি তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ পাউন্ড। পুরো সোনা দিয়ে তৈরি হওয়ায় অন্তর্বাসটির যা দাম পড়বে তা মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে।

প্রেমের টানে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ভারতীয় তরুণী, অতঃপর...


সীমান্তের কাঁটাতার বা বিএস এফ এর রাইফেল, ধর্ম, বা শুকনো মহানন্দা, মৃত্যুর ভয় কোন কিছুই আটকে রাখতে পারেনি পুতুল (১৮) কে। প্রেমের টানে সে ছুটে এসেছে ভারত থেকে বাংলাদেশে।

এই ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রাতে পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া সীমান্তে।

জানা যায় পুরাতন তেতুলিয়া বাজারের মহানন্দা নদীর ওপারে ভারতের হার্বাতিয়া গছ গ্রাম। সেই গ্রামের শ্রী গাপাল চন্দ্র রায়ের মেয়ে এবং তেতুলিয়া উপজেলার মাগুরা গ্রামের মুন্নাফ আলীর ছেলে সাদেকুল (২৩) এর মধ্যে ২ বছর ধরে জানাশোনা এবং প্রেমের সম্পর্ক। সাদেক গরু ব্যবসার সাথে জড়িত হওয়ায় গোপাল চন্দ্রের বাড়িতে যাওয়া আসা ছিল।

ভারতে গেলে পুতুলের বাবা সাদেককে তার বাড়িতে থাকতে দিত এবং গরু ব্যবসায় সহযোগীতা করত। সেই সূত্রে সাদেকের সঙ্গে পুতুলের পরিচয়। একসময় তা প্রেমের সম্পর্কে রুপ নেয়। দুই বছর অপেক্ষার পর গতকাল সন্ধ্যা বেলায় পুতুল সাদেকের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে।

সাদেক তাকে চলে আসতে বলে। সে সময় ও কিভাবে এবং কোন পথে বাংলাদেশে ঢুকবে তা জানিয়ে দেয়। সাদেকের দেখানো পথে পুতুল বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়। সে গতকাল সন্ধ্যায় তেতুলিয়া সীমান্তের ৪৪৩ পিলার পেরিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করলে সাদেক তাকে বাড়ি নিয়ে আসে।

কিন্তু আজ সকাল থেকে তারা দুজনই লাপাত্তা। পরিবারের কেউ বলতে পারছেনা তারা কোথায় গেছে। এ দিকে খবর পেয়ে বাঁধ সেধেছে বিএসএফ। তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে পুতুলকে ফেরত চায়। এ ব্যপারে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহযোগীতা চেয়েছে তারা।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে এ নিয়ে আজ দপুরে তেতুলিয়া সীমান্তের ৪৪৩ পিলারের কাছে বিজিবি ও বিএসএফ পতাকা বৈঠক হয়। পুতুলকে খোঁজার ব্যাপারে বিজিবি সহযোগীতাদেবে বলে বিএসএফকে আশ্বাস দিয়েছে।

তেতুলিয়া সীমান্ত ফাঁড়ির সুবেদার মোঃ শাহজাহান বলেন পতাকা বৈঠক হয়েছে। বিএস এফ পুতুলকে ফেরত চেয়েছে। পুতুল সাদেক দুজনেই লাপাত্তা। পাওয়া গেলে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আবার আলোচনা হবে।