১০ মিনিটে ১০০০ তরুণীর স্তন ছোয়াঁর ভিডিও (ভিডিওতে দেখুন সরাসরি)

১০ মিনিটে ১০০০ তরুণীর স্তন ছোয়াঁর ভিডিও (ভিডিওতে দেখুন সরাসরি)


বেশী না কমও না। ১০০০ তরুণীর স্তন ছুয়ে বিশ্ব রেকর্ড করতে চায় যুবক।



কিভাবে তার সেই মিশন এগিয়ে যাচ্ছে, তা বিশ্বাস না হলে সরাসরি ভিডিওতে দেখুন।

এখানে প্রতিটি ভিডিও দেয়ার উদ্দেশ্য পারিপাশ্বিক পরিবেশের সাথে পরিচিত হওয়া, জানা।

জেনে সচেতন হওয়া। কোনো ভাবেই তা দেখে অনুকরন করার জন্য নয়।

১০ মিনিটে ১০০০ তরুণীর স্তন ছোয়াঁর ভিডিও (ভিডিওতে দেখুন সরাসরি)


বেশী না কমও না। ১০০০ তরুণীর স্তন ছুয়ে বিশ্ব রেকর্ড করতে চায় যুবক।

কিভাবে তার সেই মিশন এগিয়ে যাচ্ছে, তা বিশ্বাস না হলে সরাসরি ভিডিওতে দেখুন।



এখানে প্রতিটি ভিডিও দেয়ার উদ্দেশ্য পারিপাশ্বিক পরিবেশের সাথে পরিচিত হওয়া, জানা।



জেনে সচেতন হওয়া। কোনো ভাবেই তা দেখে অনুকরন করার জন্য নয়।

স্তনের ভেতরেই স্থাপিত হচ্ছে বক্ষবন্ধনী!


নতুন ধরনের এক প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে স্তনের চামড়ার ভেতরেই স্থাপন করা হচ্ছে সিলিকনের তৈরি ‘ব্রা’ বা বক্ষবন্ধনী। এতে অনেক বয়স হলেও স্তন থাকবে তারুণ্যদীপ্ত। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইনডিপেনডেন্ট। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে এ নতুন পদ্ধতিটি অনুমোদন লাভ করেছে। তবে যুক্তরাষ্টে তা এখনো অনুমতির অপেক্ষায় আছে। স্তনের ভেতর সিলিকনের এ ব্রা স্থাপন করতে প্রায় ৪৫ মিনিট সময় লাগে। সিলিকনের কাপকে পাঁজরের হাড়ের সঙ্গে টাইটানিয়ামের স্ক্রু দিয়ে আটকে দেওয়া হয়।

প্রযুক্তিটির উন্নয়ন করেছে অরবিক্স মেডিক্যাল নামে একটি প্রতিষ্ঠান। তারা জানিয়েছে এ প্রযুক্তি ‘ব্রেস্ট রিডাকশন’ সার্জারির বিকল্প হিসেবে কাজ করে। তবে এতে অতি সামান্য কাটতে হয়। স্তন বড় করার সাধারণ অপারেশনের চেয়ে এটি অনেক কার্যকর বলেও প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে। শরীরের অভ্যন্তরে ব্রা স্থাপনের এ প্রযুক্তিটির প্রথম ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বেলজিয়ামে করা হয় ২০০৯ সালে। লন্ডনের দুটি হাসপাতালে এ অপারেশনের খরচ প্রায় ছয় হাজার ডলার বা ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

পা-বিহীন ড্যান্সার বিনোদের কোটিপতি হবার গল্প (ভিডিও) !


জন্মের সময় দুই পায়ের একটি না থাকায় গরিব মা-বাবা আরো খারাপ কিছু হওয়ার আশঙ্কায় চিন্তিত হয়েছিলেন। কিন্তু দেখা গেল, পা না থাকায় বরং ভালো হয়েছে। পা ছাড়াই নেচে ২৩ বছরেই বিনোদ ঠাকুর এখন কোটিপতি। নিজের বাড়ি আছে, স্ত্রী আছে- সব মিলিয়ে সুখের সংসার।
বিনোদ স্টেজে ওঠেন দড়ি ধরে। তারপর হাত দুটিকেই পা বানিয়ে নাচতে থাকেন। মুগ্ধ হয়ে যায় সবাই। তারকা পর্যন্ত তার সাথে নাচতে পারলে গর্বিত হয়। সারা বিশ্ব থেকে নাচার আমন্ত্রণ পাচ্ছেন। বিভিন্ন টিভি শোতেও তাকে দেখা যায় নিয়মিত।
অথচ মাত্র কয়েক বছরও তিনি ছিলেন প্রায় ফকির। বর্তমানে তার স্থায়ী ঠিকানা ভারতের রাজধানী দিল্লি।
তার বাবা রাজ ঠাকুর ছিলেন ট্রাক ড্রাইভার। মা উর্মিলা গৃহিনী। তার বড় আরেক বোন ছিল। সবাই মিলে থাকতেন এক কামরায়।
এক সময়ে তিনি কৃত্রিম পা ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটা কষ্টকর হওয়ায় বাদ দিয়েছেন।
তবে শৈশব থেকেই তিনি লড়াকু। পা না থাকলেও সিঁড়ি ভেঙে তার আগে তার বন্ধুদের কেউ শ্রেণীকক্ষে পৌঁছাতে পারত না।
সাধারণ মানের ছাত্র বিনোদ কলেজে পড়াশোনা শেষ করে মোবাইল ফোন মেরামতের পেশা গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এক বন্ধুর পরামর্শে তিনি নাচের দিকে ঝোঁকেন। সেটাই তার জীবনকে ঘুরিয়ে দেয়। প্রচ- পরিশ্রমে তিনি হয়ে ওঠেন দক্ষ নতর্ক।
২০১২ সালে নিজেই খোলেন একটি ড্যান্স স্কুল। এই স্কুলেই ভর্তি হতে আসে রিকসাওয়ালার মেয়ে রক্ষা রাঠোর। প্রথম দর্শনেই প্রেম। তা থেকে বিয়ে। তাদের বিয়েতে বলিউড তারকা শিল্পা শেঠি পর্যন্ত হাজির ছিলেন।

৩ তলা থেকে পড়ে বেচে গেল শিশু (ভিডিও)


আকাশ থেকে পড়তি বল ক্যাচ লুফতে তো হামেশাই দেখা যায়। কিন্তু তিন তলা থেকে পড়ে যাওয়া একটি বাচ্চাকে অসাধারণ দক্ষতায় ক্যাচ ধরার দৃশ্য দেখেছেন কী? দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশে এমনই একটি ক্যাচ একটা বাচ্চার জীবন বাঁচিয়ে দিল।

শাহরুখকে হারিয়ে মাত করলেন সালমান-অমিতাভ!


মুম্বাই: সালমান খান হারিয়ে দিলেন শাহরুখ খানকে! শুধু তাই নয়, শাহরুখ পিছিয়ে পড়েছেন এমনকি বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের চাইতেও!

বলিউডের দাবাং খান সালমান বয়েসে অর্ধশত হাঁকাতে চলেছেন। কিন্তু এই বয়েসেও যখন তিনি কোমর ঘুরিয়ে নাচেন তখন পুরো পৃথিবীই যেন তার সঙ্গে নেচে ওঠে শিশ বাজাতে বাজাতে, আর যখন নিজের বহু পরিশ্রমে গড়া সুবিন্যস্ত পুরুষালী দেহখানা দেখানোর জন্য শার্ট খুলে ফেলেন তখন তার নারী ভক্তরাও যেন তার সঙ্গে কোনো রূপকথার রাজ্যে চলে যান!

কিন্তু তাও বলিউডের খানদের রাজ্য এখনো বহাল থাকলেও কোনো না কোনোভাবে খানদের কাছে সালমান কেবলই মাত খাচ্ছিলেন! বিশেষ করে সিনেমার ব্যবসায়িক সফলতার দিক থেকে বলিউডের আরেক খান, বলিউড কিং শাহরুখের সঙ্গে হেরে যাওয়ার পাল্লাটাই একটু ভারী বৈ-কি! কিন্তু এবার শাহরুখকে হারালেন সালমান!

ভাবছেন, কিভাবে? উত্তর হলো- ফেসবুকের মাধ্যমে। ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে, বিশেষ করে টুইটারে ভক্তসংখ্যা শাহরুখের চাইতে সালমানেরই বেশি। যেখানে ফেসবুকে শাহরুখের ভক্তসংখ্যা মাত্র ৮৭ লাখের কিছু বেশি, সেখানে সালমানের ভক্তসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি- এক কোটি ৬০ লাখ ছাড়িয়ে!

তো, অর্থ উপার্জন বড়? নাকি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়া? নিশ্চয়ই দ্বিতীয়টিই বেছে নেবেন সবাই? তাহলে সালমানের কাছে পরাজিত হলেন তো শাহরুখ?

সালমান খান এমনিতে খুব একটা সামাজিক না হলেও ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিকতায় যে বেশ পারদর্শী তা তো বোঝাই যাচ্ছে! তাই এই খুশিতে সালমান-ভক্তরাও খানিকটা নেচে নিতে পারেন!

আর শাহরুখ-ভক্তদের মুখ আরেকটু কালো করে দেয়ার সংবাদ হলো- প্রবীণ অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনও কিন্তু ফেসবুকে ভক্তসংখ্যার দিক থেকে শাহরুখ খানের চাইতে অনেকটাই এগিয়ে- এক কোটি ২০ লাখ। অর্থাৎ প্রবীণ হলেও ভক্তদের মধ্যে এখনো চিরতরুণ, চিরসবুজ অমিতাভের আবেদন কিছুমাত্র কমেনি!

বিয়ের পর তৃষ্ণার্ত বিদ্যার ছটফটানি


একটু একটু করে সময় গড়াচ্ছে আর বিদ্যা বালানের ছটফটানি বাড়ছে। তিনি হয়ে উঠছেন তৃষ্ণাতুর। আর একটু বেশি পাওয়ার জন্য তার ভেতরটা হাহাকার করে উঠছে।

হ্যাঁ, এমনটাই জানিয়েছেন, বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। তিনি জানিয়েছেন, একটা ভালো চরিত্রের জন্য তৃষ্ণার্ত। আর এ কারণে তার ভেতরটা ছটফট করছে। একটা ভালো চরিত্রের আশায় দিন গুনছেন তিনি।

বিয়ের পর সম্প্রতি গুঞ্জন ওঠে বিদ্যা মা হতে চলেছেন। আর সে কারণে অনেক পরিচালকই তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। কারণ মা হয়ে গেলে তার বাজার থাকবে না।

কিন্তু মা হওয়ার খবর নাকচ করে দিয়েছেন বিদ্যা। বিয়ের কারণে ক্যারিয়ারের যেটুকু ক্ষতি হয়েছে, তা এখন তিনি পুষিয়ে নিতে চান। আর এজন্য তার দরকার একটি ভালো চরিত্র।

পরিনীতা ও ডার্টি পিকচার ছবিতে তার অভিনয় ব্যাপকভাবে প্রশংসার দাবি রাখে। এ দুই ছবির মধ্য দিয়েই মূলত তিনি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

ভোট ক্যাম্পেইনে মোদী ব্যবহার করেছিলেন হলোগ্রাম ইমেজ!


কয়েকটি জায়গায় একই সময়ে উপস্থিত থেকে ভাষণ দেবার জন্য নরেন্দ্র মোদী ব্যবহার করছিলেন উচ্চ প্রযুক্তির হলোগ্রাম। এই হলোগ্রাম ইমেজ ১৪০০ বেশী জায়গায় দেখানো হয়।

এই নির্বাচনে মোদী প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও তিনি তাঁর ক্যাম্পেইনে হলোগ্রাম ব্যবহার করলেন, যা আগে কেউ করেনি।

বাহরাইনে বাংলাদেশিদের রমরমা দেহ ব্যবসার জাল (ভিডিও)


বাহরাইনের রাজধানী মানামায় অবৈধ উপায়ে দেহ ব্যবসার জাল পেতে বসেছে বাংলাদেশের কিছু অসাধু চক্র। এর সংখ্যা প্রায় ২০০। তারা বিভিন্ন স্থান থেকে খদ্দের ধরে দেয়। গতকাল এ খবর দিয়েছে গালফ ডেইলি নিউজ। এতে বলা হয়েছে, এ কারণে ওই অঞ্চলের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। তাই ওই ২০০ বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে কঠোর  অবস্থান নিতে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে বাহরাইন। কাউন্সিলররা বলেছেন, এসব খদ্দের রাস্তায় চলাচলরত গাড়ির নাম্বার প্লেট লক্ষ্য করে। তারা যদি দেখে তাতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের নাম্বার প্লেট আছে তাহলে এগিয়ে গিয়ে তাদেরকে রেস্তোরাঁয় বাড়তি ‘বিনোদন’ দেয়ার প্রস্তাব দেয়। অথবা তাদেরকে হোটেল বা সুসজ্জিত এপার্টমেন্টে শারীরিক বিনোদনের আমন্ত্রণ জানায়। বলে, সেখানে তাদের চাহিদামতো নারী আছে। হুরা ও গুবাইদা এলাকার অনেক সুপরিচিত রেস্তোরাঁ, হোটেল ও এপার্টমেন্টের মালিকদের কাছ থেকে এমন অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে মানামা মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলে। তাতে তারা এ অবৈধ কর্মকা- বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। ওই এলাকার কাউন্সিলর গাজী আল দোসারি গালফ ডেইলি নিউজকে বলেছেন, এ বিষয়ে তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন। এখন যৌথ অভিযান চালানোর জন্য যোগাযোগ করবেন লেবার মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটির সঙ্গে। এসব কাজে যেসব বাংলাদেশী জড়িত তারা উপসাগরীয় এ অঞ্চলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। তারা পথচারিকেও নিস্তার দিচ্ছে না। তাদেরকেও সুন্দরী নারীর সঙ্গ দেয়ার প্রস্তাব দেয়।ফলে ওই এলাকায় ভাল কোন ব্যবসায়ী ব্যবসা শুরু করছেন না। অনেকে বলেছেন, তাদের সন্তানদের এ কারণে ওই সব এলাকায় যেতে দেন না তারা।

বাহরাইনে বাংলাদেশীদের দ্বারা পরিচালিত একটি নাইট ক্লাবের ভিডিও

কিশোর-কিশোরীদের মৃত্যুর কারণ বিষণ্ণতা


সময় মতো ব্যবস্থা নিলে ২০১২ সালে হয়ত ১৩ লাখ তাজা প্রাণ অকালে ঝরে যেত না। তাদের অনেককেই কুড়ে কুড়ে খেয়েছে বিষণ্ণতা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, বয়ঃসন্ধিকালে পা রাখা অনেকেরই মৃত্যু ডেকে আনছে বিষণ্ণতা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডাব্লিউএইচও-র সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান বিশ্বে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের বড় একটা অংশের অসুস্থতার অন্যতম কারণ বিষণ্ণতা। অনেক কিশোর-কিশোরীই বয়ঃসন্ধিকালে শুরু হওয়া মানসিক অসুস্থতা বয়ে বেড়ায় জীবনভর। সারা বিশ্বের মানসিকভাবে অসুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের অন্তত অর্ধেকের মাঝে এই রোগের লক্ষণ দেখা গিয়েছিল বয়স ১৪ পূর্ণ হওয়ার আগে। ডাব্লিউএইচও এর পরিবার, নারী এবং শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ফ্লাভিয়া বুস্ত্রেও বলেন, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থের প্রতি বিশ্ব যথেষ্ট মনযোগ দেয়নি। মানসিক সমস্যাগ্রস্থ এই কিশোর-কিশোরীদের ঠিকভাবে যত্ন নিলে অনেকের মৃত্যু এবং জীবনভর ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

জাতিসংঘের একটি সংস্থা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে প্রকাশিত তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। কৈশোর এবং যৌবনের মধ্যবর্তী বয়সিদের ধূমপান, মদ্যপান, মাদক সেবন, এইচআইভি সংক্রমণ, পুষ্টিহীনতা, যৌনতা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং সহিংসতাসহ বেশ কিছু বিষয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের উচ্চ আয় সম্পন্ন দেশগুলোতেই কিশোর-কিশোরীদের মানসিক সমস্যাজনিত রোগ এবং মৃত্যুর হার বেশি।

মানসিক স্বাস্থ্যের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা প্রয়োজন অনুযায়ী না বাড়লেও অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীদের প্রতি মনযোগ বেড়েছে। অন্তঃসত্ত্বা হবার পর এবং সন্তান জন্ম দেয়ার সময় মৃত্যুর হার গত চার বছরে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এ উন্নতি অবশ্য সন্তোষজনক নয়। সারা বিশ্বে এখনো সন্তান জন্ম দেয়ার সময়ই সব চেয়ে বেশি কিশোরী মারা যায়। নানা কারণে আত্মহননের পথও বেছে নেয় কিশোর-কিশোরীরা। ডাব্লিউএইচও এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়ঃসন্ধিকালে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ প্রসবকালীন জটিলতা, আর তারপরই রয়েছে আত্মহত্যা।

অবশেষে ছিনতাই পর্যন্ত করলেন জাস্টিন বিবার!


দুর্লভ প্রেম বিনোদন : একের পর এক বিতর্ক সৃষ্টিই করে চলছেন পপ সিঙ্গার জাস্টিন বিবার। উশৃঙ্খল জীবন যাপনের জন্য বরাবরই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় এই জনপ্রিয় সিঙ্গারকে। তবে এবার যেন সব মাত্রাকে অতিক্রম করে বসলেন এই তারকা। 

সল্পসময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক সঙ্গীত ভুবনে নিজের অবস্থাঙ্কে দৃঢ় করতে চলেছেন পপ তারকা জাস্টিন এমনটাই ধারনা করছিলেন তার ভক্তরা। শুধু তাই নয় খুব অল্প বয়সে যেকজন তারকা জনপ্রিয়তা এবং তারকা খ্যাতি অর্জন করতে পেরেছেন তাদের মধ্যে জাস্টিন একজন। আবার এই জনপ্রিয়তা এবং তারকা খ্যাতিকে নিজ হাতে গলা টিপে হত্যাকারিদের মধ্যে জাস্টিন তাদের মধ্যেও অন্যতম। 

বিবসনা হয়ে উম্মাদের মত নাচানাচি। মাদকদ্রব্য সহ আটক এবং জরিমানা। আর এবার ছিনতাইয়ের দায়ে খবরের শিরোনামে পরিণত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে লস আঞ্জেলস শহরে। লস আঞ্জেলসের পুলিশ বিভাগ জানায় জাস্টিন বিবারের বিরুদ্ধে মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ করা হয়েছে। 

তবে এ বিষয়ে জাস্টিনকে আদৌ গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা সেব্যাপারে সহকারী মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে তিনি জানান ছিনতাইয়ের স্বীকার মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

বলিউডের অদ্ভুত মজার এক মন্ত্রীসভা



দুর্লভ প্রেম বিনোদন : ভারতের জাতীয় নির্বাচনী হাওয়া এখন বলিউডেও পৌঁছে গেছে। তারকা খ্যাতি বলুন জনপ্রিয়তাই বলুন একজন রাজনীতিবিদের থেকে বিনোদন জগতের তারকাই পারেন অপামর জনতার সাথে মিশে যেতে। আর তাই এবারের নির্বাচনী হাওয়ায় ছিল বলিউডের তারকাদের ছোঁয়া। আর এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে অনেকটা মজা করে ভারতের রাজনীতিবিদদের হাঁফ ছেড়ে বাঁচাতে বলিউডের সব নামজাদা তারকাদের নিয়ে একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেছে দ্য হিন্দুস্তান টাইমস। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কোন কোন তারকা ঠাই পেলেন কোন কোন বিভাগে।

১.প্রধানমন্ত্রী অমিতাভ বচ্চন:
মন্ত্রিপরিষদে প্রধানমন্ত্রীর পদে রয়েছেন বিগ বি অমিতাভ। এ পর্যন্ত অনেক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। ৭২ বছর বয়সেও যেভাবে বলিউডে রাজত্ব কায়েম করেছেন এই অভিনেতা ধারনা করা হচ্ছে একমাত্র তিনিই পারবেন কীভাবে দেশ পরিচালনা করতে হয়। তাই এই গুরুদায়িত্বটা তাকেই বর্তায়। শুধু তাই নয়, এই অভিনেতার রাজনীতির সাথেও রয়েছে একাত্মতা। নেমেছেন নির্বাচনী প্রচারেও।

২. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা আজমি:
ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক জনপ্রিয় মুখ হচ্ছেন শাবানা আজমি। বহুদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত তিনি। নারী সুরক্ষা, এইডসের বিরুদ্ধে তার কন্ঠ সবসময় সোচ্চার। শুধু সুযোগের অভাবে হেমা মালিনী, মুনমুন সেনের মতো হতে পারেননি। কিন্তু হিন্দুস্তান টাইমস এবার সেই সুযোগ দিয়েছে। দেখা যাক ভারতের মন্ত্রিপরিষদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কি ভূমিকা পালন করেন তিনি।

৩. অর্থমন্ত্রী শাহরুখ খান:
১৬ তম লোকসভা আসরে অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন বলিউডে কিং খান নামে পরিচিত মেহুনা, ওম শান্তি ওম, চেন্নাই এক্সপ্রেস তারকা শাহরুখ খান। ইতোমধ্যে ‘রা ওয়ান’ সিনেমাটি অনেকেই দেখেছেন। খানিকটা অবাস্তব মনে হতে পারে বৈকি। রোবোটিক বা ভিনগ্রহের কোন ব্যাপার নয়, খোদ কম্পিউটার গেমাররা তৈরি করে ফেলেন জীবন্ত ভিলেন, যার নাম ‘রা.ওয়ান’। যে কিনা পর্দা থেকে বেরিয়ে বাস্তব জীবনে মারপিটে অংশ নিয়েছে। গণমাধ্যম সংস্থাটির রসিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের প্রবৃদ্ধিতে যে ধাক্কা চলছে সেই ধাক্কা সামলাতে একমাত্র এই কিংখানই যোগ্য ব্যক্তি। যিনি যাদুকরী প্রচেষ্টায় জিডিপির হারকে এগিয়ে নিতে পারবেন।

৪. আইনমন্ত্রী আমির খান:
যিনি নিজেই তার বিশ্বাসে অনড় থাকেন। দর্শকের প্রতি যেমন সহানুভুতি প্রকাশ করেন তেমনি অন্যায়ের বিরুদ্ধেও কন্ঠকে করেন শাণিত। সব দিক বিবেচনা করেই এই খানকেই আপাতত আইনমন্ত্রী করা হয়েছে।

৫. সালমান খান যুবমন্ত্রী:
সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনে যুবমন্ত্রী হচ্ছেন দাবাং সালমান খান। যিনি এ যুগের যুব সমাজের কর্ণধার। তার স্টাইল, ফ্যাশন যুবসমাজের আমুল পরিবর্তন করতে সময় নেয় না। শুধু তাই নয় নতুনদের বলিউডে জায়গা করে দিতে একেবারে একনম্বর সালমান ধারনা করা হচ্ছে এই তারকা ভালভাবেই নিজের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

৬. তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী কঙ্গনা রানাউতঃ
বর্তমানে জনপ্রিয় এই তারকা হচ্ছেন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী। কৃষ থ্রীতে তার অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। তিনি ভিলেন ও নায়কের মাঝে দূতি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাতে করে একমাত্র তিনিই এ দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে মনে করা হয়েছে।

৭. প্রতিরক্ষামন্ত্রী অজয় দেবগন:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী একমাত্র তাকেই মানায়। সিনেমা থেকেই আমরা তার ইঙ্গিত পাই। এই অভিনেতা গোলমাল থেকে শুরু করে হিম্মতওয়ালাতে দর্শককে যে পরিমাণে হাসিয়েছেন, তাতে করে দায়িত্ব পেলে তিনি পুরো ভারতবাসী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে এভাবেই আনন্দ দিতে পারবেন বলে আমরা মনে করি। শুধু তাই নয় ‘সিংহাম'র কথা আমরা ভুলি কি করে! এই অভিনেতা একাই যথেষ্ট দেশের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্রকে গুড়িয়ে দিতে।

এছাড়া সংসদ বিষয়কমন্ত্রী হচ্ছেন করন জোহর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরফান খান, বাণিজ্যমন্ত্রী রহিত শেঠি ও নারী-শিশু উন্নয়নমন্ত্রী হচ্ছেন ফারহান আকতার।

মেসির আবদার শর্ত সাপেক্ষ!



ক্লাবের সঙ্গে নতুন চুক্তির বিষয়ে ফের আলোচনা শুরু করেছেন আর্জেন্টাইন ক্ষুদে যাদুকর। তবে এজন্য বাম্পার আর্থিক সুরক্ষার সাথে সাথে অতিরিক্ত দুটি শর্তও জুড়ে দিয়েছেন চারবারের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার। সম্ভবত বার্সেলোনাতেই থাকছেন লিওনেল মেসি।

কিন্তু শর্তগুলো কী? প্রথমটি, আগামী মৌসুমে ম্যানসিটির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড সার্জিও আগুয়েরোকে ক্যাম্প ন্যু’তে চাইছেন মেসি। আর দ্বিতীয়টি বার্সার বর্ষীয়ান গোলকিপার জোস ম্যানুয়েল পিন্টোর চুক্তির নবায়ন। তাছাড়া বার্ষিক ১৬.৫ মিলিয়ন পাউন্ড বেতন ও ৩ মিলিয়নের মতো বাৎসরিক বোনাস পাবেন মেসি। কাতলনিয়ার জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘টিভি থ্রি’ এক প্রতিবেদনে এমনটি দাবি করেছে।

তবে আগুয়েরো ক্যাম্প ন্যু’তে পাড়ি জমালে বার্সার একাদশ কিভাবে সাজানো হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কেননা মেসির চাহিদা অনুযায়ী ম্যানসিটি তারকাকে শুরুর একাদশে রাখলে নেইমারকে নিয়ে ঝামেলায় পড়বে দল। তাছাড়া আলেক্সিজ সানচেজ ও পেদ্রো রদ্রিগেজ তো আছেনই। প্রসঙ্গত, বার্সা ও মেসি যদি এবার চুক্তি নবায়ন করে তাহলে নয় বছরে এটি সপ্তম চুক্তি হবে দুই পক্ষের।

শরীরে জিন্স এঁকে রাস্তায় হাঁটলেন মডেল



প্রথম দেখায় মনে হবে মেয়েটি একটা টাইট জিন্স পড়ে রয়েছে। কিন্তু একটু লক্ষ্য করলেই সত্যিটা চোখে পড়বে। আসলে এই মেয়েটি প্রায় অর্ধনগ্ন হয়েই রাস্তায় হাঁটছেন। যারা একটু ভালো করে লক্ষ্য করেছেন তারা বুঝতে পেরেছেন এই সুন্দরী মেয়েটি আসলে কোমড়ের নীচ থেকে কিছু না পড়েই রাস্তায় হাঁটছেন। মেকআপ আর্টিস্ট মেরি পি এমন এক জিন্স এই ফ্রেঞ্চ মডেলকে পড়িয়েছে যা বাস্তবে নেই। একেবারেই ঠিক শুনেছেন, আর্টিস্ট মডেলের শরীরে জিন্স এঁকেছেন যা পড়েই এই মডেল রাস্তায় বেড়িয়ে পড়েছেন।

বেলজিয়ামের পিআর স্কুলের দুই শিক্ষার্থী সারাহ বাবেরে ও ডেভিড লেসাজের মাথায় এই জিন্স আঁকার বুদ্ধি আসে। পরীক্ষার জন্য তাদের এক 'বাজ ভিডিও' তৈরি করার হোমওয়ার্ক মিলেছিল। তাদের এমন এক ভিডিও বানাতে হত যেটা অনেক লোকে দেখবে আর যেটা নিয়ে খুব হইচই হবে। এই দু'জন মেকআপ আর্টিস্ট মেরি পিকে নিজেদের দলে টেনে নিয়েছিল। মাত্র দু'ঘণ্টায় মেরি এক মডেলের শরীরে ফেডেড ব্লু জিন্স এঁকে দেন।

মেরি জানায়, সারাহ তার খুব ভালো বন্ধু বলেই সে এই কাজ করেছে। এছাড়াও তার বডি পেইন্ট করতে খুব ভালো লাগে। তাই এই অফার পাওয়ার পর ও সময় নষ্ট করেনি। মেরি আরও জানিয়েছেন, রাস্তায় যখন এই মডেল হাঁটছিলেন বেশিরভাগ মানুষই বুঝতে পারেনি যে তাদের সামনে একজন অর্ধনগ্ন হয়ে রয়েছেন।

ফিট থেকে ফ্যাট হওয়া বলিউড অভিনেত্রীরা




বলিউডের অনেক অভিনেত্রীই ফিট থেকে ফ্যাট হয়েছেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে তারা স্লিম ফিগারের অধিকারী থাকলেও পরবর্তীতে মুটিয়ে গেছেন। তাদের এই মুটিয়ে যাওয়া তাদের ক্যারিয়ারেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

ঐশ্বরিয়া রায়
বলিউড অভিনেত্রী এবং সাবেক মিস ইন্ডিয়া এবং মিস ওয়ার্ল্ড খেতাবজয়ী ঐশ্বরিয়া রাই ক্যারিয়ারের শুরুতে নান্দনিক ফিগারের অধিকারী ছিলেন। সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে তখন অনেকে তাকেই ভাবতেন। কিন্তু অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিয়ের পরে গর্ভবর্তী হওয়া এবং পরবর্তীতে মা হওয়ার পরে মুটিয়ে যান তিনি। সন্তান জন্মদানের পর তার যেসব ছবি মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে তাতে তাকে চেনাই মুশকিল। আগের ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে এই ঐশ্বরিয়ার অনেক তফাৎ।

কারিনা কাপুর
'রিফিউজি' ছবির মাধ্যমে বলিউডে পথচলা শুরু করেছিলেন কারিনা কাপুর। তখন তার স্বাস্থ্য ঠিক বলিউডি অভিনেত্রীদের মতো ছিল না। কারণ, ফ্রেন্চ ফ্রাই প্রিয় কারিনা একটু স্বাস্থ্যবানই ছিলেন তখন। কিন্তু সমসাময়িক অভিনেত্রীদের দেখে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, তার ওজন কমানো উচিত। না হলে দৌড়ে টেকা যাবে না। ব্যাস, শুরু করলেন এক্সারসাইজ এবং ডায়েট ব্যালেন্স। এক সময় কারিনা হয়ে উঠলেন 'জিরো সাইজ।' এ সময় তার জনপ্রিয়তাও হয়ে ওঠে আকাশচুম্বী। কিন্তু সাইফ আলি খানকে বিয়ে করার পর ফের মুটিয়ে যেতে শুরু করেন কারিনা। অনেকের মতে কারিনার বর্তমান স্বাস্থ্য শুরুর দিকের স্বাস্থ্যের চেয়েও বেশি।

মাধুরী দিক্ষিত
বলিউডের অন্যত্তম সফল অভিনেত্রী মাধুরী দিক্ষিত। দীর্ঘদিন তিনি থেকেছেন বলিউডের শীর্ষ নায়িকার আসনে। 'তেজাব', 'দিল' এবং 'বেটা' ছবিতে মাধুরীর যে ফিগার দেখা গিয়েছিল তা আজ পর্যন্ত বলিউডে অন্য কারও সঙ্গে তুলনা চলে না। কিন্তু হালের খবর এই মাধুরীও আর আগের মতো নেই। এখন অনেক স্থুল স্বাস্থ্য তার। ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে এখন তার স্বাস্থ্যের তুলনা করা যেতে পারে।

কাজল
বলিউডের এক সময়ের শীর্ষ অভিনেত্রী কাজল। স্লিম ফিগার এবং অনাবিল হাসির জন্যে দর্শকদের কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছিলেন খুব দ্রুত। কিন্তু বিয়ে এবং সন্তানের মা হওয়ার পরই তার স্বাস্থ্যের পরিবর্তন ঘটে। বিয়ের পর তিনি আবার বলিউডে ফেরেন 'ফানা' এবং 'মাই নেম ইজ খান' ছবির মাধ্যমে। ওই ছবিগুলোতে যেই কাজলকে দেখা গেছে তার সঙ্গে আগের কাজলের স্বাস্থ্যগত অনেক তফাৎ। এই কাজল একটু বেশিই মোটা।

রানি মুখার্জী
করণ জোহরের 'কুছ কুছ হোতা হ্যায়' ছবিতে মিনি স্কার্ট পরিহিত রানি মুখার্জীকে দেখে কোটি তরুণের রাতের ঘুম হারাম হয়েছিল। অভিনেত্রী কাজলের সঙ্গে তিনি যে কয়টি ছবিতে একসঙ্গে এক ফ্রেমে কাজ করেছেন, সব যায়গায় তিনিই এগিয়ে থেকেছেন তার নান্দনিক ফিগারের কারণে। কিন্তু 'হাদ কার দিল আপনে', 'তারা রাম পাম' কিংবা 'আইয়া'র মতো সাম্প্রতিক ছবিতে রানিকে বেশ মোটা লেগেছে। শুধু তাই নয়, রানির তলপেটও এখন অনেক স্ফীত।

মণীষা কৈরাল
'সওদাগর' ছবিতে যেই মণীষা কৈরালাকে দর্শকরা পেয়েছিলেন তার স্বাস্থ্য স্লিম ছিল বললে ভুল হবে। বরং তার স্বাস্থ্য প্রয়োজনের চেয়ে কমই ছিল বলা যায়। হাড়-চামড়ার নায়িকা ছিলেন তিনি। '১৯৪২ : এ লাভ স্টোরি' এবং 'বোম্বে' ছবি পর্যন্ত তিনি ছিলেন একই রকম। 'মান' এবং 'লাজ্জা' ছবিতে প্রথম তার মুটিয়ে যাওয়া ফিগারের দেখা পান দর্শকরা। সেই থেকে তার ফিগার বেড়েছে ছাড়া কমেনি। তিনিও ধীরে ধীরে দর্শকদের কাছ থেকে সরে গেছেন যোজন যোজন মাইল!

এবার ঐশ্বরিয়া ও ক্যাটকে নকল করলেন সানি লিওন



সিনেমা চলুক না চলুক। সানি ম্যাজিক কিন্তু অব্যাহত। আর এবার তা বড় পর্দা থেকে ছোট পর্দায়। খবরে ছিল আগেই, স্প্লিটভিলার নতুন সিজনে উপস্থাপিকার দায়িত্ব নিতে চলেছেন সানি লিওন। নতুন খবর হলো, এই অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করতে এসে বলিউডের দুই সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও ক্যাটরিনা কাইফকে নাকি নকল করতে চলেছেন সানি লিয়ন। বলিউডে পা রাখার পর থেকেই নানা লোকে নানা কথা বলেছেন সানিকে। শত চেষ্টার পরও সানির গা থেকে খুলতে দেয়নি পর্নস্টার ট্যাগ। জানা গেছে, ঐশ্বর্য ও ক্যাটরিনা মতো করেই নিজের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট রাখছেন সানি লিয়ন। এমনকি এই দুই অভিনেত্রীর জনপ্রিয় ছবির মতো করেই সাজবেন সানি লিয়ন। স্প্লিটভিলা শো\\\’তে বলিউডি ছোঁয়া দিতেই সানির এই অভিনব প্রচেষ্টা। আর সঙ্গে সানির যৌনতার আগুন তো রইলই! 

পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক ফটোসেশন

সবচেয়ে উচু স্থানে ঝুলে থেকে ছবি উঠিয়েছেন রাশিয়ার এক তরুণ। আর এ ছবিকেই পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক ছবি বলা হচ্ছে। এ ভয়ঙ্কর কাজটি করেছে রাশিয়ান তরুণ ইভান।


তার সঙ্গী ছিল কিরিল ও ভাসিলিসা। তারা মস্কোর একটি ৩০ তলা ভবন বেঁছে নিয়েছিল এ অভিযানের জন্য। অতি সন্তর্পণে লিফটে করে ১৬ তলা অতিক্রম করে তারা, যাতে কেউ বিষয়টি আঁচ করতে না পারে। পরে, অতিদ্রুত বাকি ১৪ তলা অতিক্রম করে ভবনটির ছাদে উঠে যায়। এখানেই চলে পৃথিবীর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ফটোসেশন।

ইভান ভবনটির একটি কিনারা ধরে ঝুলতে থাকে। এ কাজটির জন্য সে দড়ি বা অন্য কোন কিছুই ব্যবহার করেনি। তখন সেখানে ছিলো ইভান আর শূন্য আকাশ।

দুঃসাহসিক অন্তঃসত্ত্বা!


সাধারণত অন্তঃসত্ত্বা অবস্থা নারীদের ভারি কোনো কাজ করা নিষেধ। এছাড়াও শারীরিক পরিস্থিতির কারণে সেসময় নারীরা বেশি ভারি কাজ করতেও পারেন না। কিন্তু সে ধারণা ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেগান লিথারমান নামে এক মা। সন্তান জন্ম দেয়ার আগ পর্যন্ত ফুলে ওঠা পেট নিয়েই তিনি পুরোদমেই চালিয়ে গেছেন শরীর চর্চা ও ভারোত্তোলন।যা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভার সহ্য করার রেকর্ড।

অন্তঃসত্ত্বা ৩৩ বছর বয়সী মেগান প্রতিদিন নাকি সেসময় এক ঘণ্টা করে চালিয়েছেন কঠিন শারীরিক চর্চা ও ভারোত্তোলন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার নবম মাসের সময় তোলা মেগানের ছবিতে দেখা যায় বিশাল ফুলে ওঠা পেট নিয়েই তিনি অ্যারিজোনার ফনিক্স জিমে শরীর চর্চা করছেন। এসময় তিনি সমানতালে চালিয়ে গেছেন ভারোত্তোলন, জিমনাস্টিকস। মেগান জানিয়েছেন, তার পেটে যখন নয় মাসের বাচ্চা তখনও তিনি সপ্তাহে কমপক্ষে ৪ বার জিমে যেতেন। এছাড়া প্রতিদিন সকালে তিনি তার প্রিয় কুকুরটিকে নিয়ে দৌড়াতেন তিন ঘণ্টা। প্রতি সপ্তাহে পাহাড় বেড়ে উঠতেন চার মাইল এবং নামতেন সেখান থেকে।

জানা যায়, মেগান পেশায় একজন মার্কেটিং এবং কমিউনিকেশন কনসালটেন্ট। তার প্রথম সন্তানটি ভূমিষ্ট হওয়ার সময় মারা যায়। তারপর থেকেই মেগানের রোখ চেপে যায়। দ্বিতীয় সন্তান পেটে আসার পর থেকেই তিনি পরিশ্রম শুরু করেন। তার বিশ্বাস ছিল এতে তিনি ও তার পেটের সন্তান দুজনেই স্বাস্থ্যবান থাকবেন। এছাড়া সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার কষ্টও কম হবে।

অবশেষে গত ৩ মে মেগান ফুটফুটে স্বাস্থ্যবান এক মেয়ের জন্ম দিয়েছেন। তার নাম রেখেছেন ফ্লোরেন্স জারমাইন। অবশ্য তারপরও মেগান শরীর চর্চা ছেড়ে দেননি। এখনো সপ্তাহে তিন দিন জিম, ভারোত্তোলন, জিমনাস্টিকস অনুশীলন করেন তিনি। সেই সঙ্গে দৌড়ানোতো রয়েছেই।

নাপোলি সব কিছু তোমার জন্য!


অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার। সে সময় খেলা চলছিল নাপোলি এবং সাম্পদোরিয়ার মধ্যে। খেলায় তিন গোলে এগিয়ে ছিল নাপোলি। খেলার প্রায় শেষ মুহূর্তে বিকিনি এবং আন্ডারওয়্যার পরে মাঠে নেমে পড়েন এক নাপোলির নারী সমর্থক। তার হাতে ছিল নাপোলি দলের নীল রঙের পতাকা। নিজে পরে থাকা বিকিনি এবং আন্ডারওয়্যারের রংও ছিল নীল।

অবস্থা বেগতিক দেখে মাঠের নিরাপত্তাকর্মীরা ছুটে আসেন ওই সমর্থককে নিবৃত্ত করতে। কিন্তু, সহজে ধরা দেয়ার মানুষ নন তিনি। ছুটে বেড়ালেন সারা মাঠ। এক সময় খুব কষ্টে একজন নিরাপত্তাকর্মী শেষ পর্যন্ত ওই নারী সমর্থককে ধরতে সক্ষম হন। ব্যাস, কাঁধে ফেলে তাকে নিয়ে যান মাঠের বাইরে। রবিবারের ম্যাচে নাপোলি ৫-২ গোলে সাম্পদোরিয়াকে হারায়।

ম্যাগাজিনের কভারে নিজেকে উজার করলেন কঙ্গনা!



‘কুইন’ সিনেমা মুক্তির পর থেকে দারুণ সুসময় যাচ্ছে কঙ্গনা রানাউতের। সিনেমাটি ব্যবসায়িকভাবে যেমন সফল, তেমনি এতে কঙ্গনার অভিনয় প্রশংসা কুড়িয়েছে সমালোচকদের।

যার ফলশ্রুতিতে এখন বেশ কয়েকটি সিনেমা কঙ্গনার শুটিং তালিকায়। ডাক পড়ছে বিভিন্ন পণ্যের ব্রান্ড আর ম্যাগাজিনের কভার গার্ল হওয়ারও।

সম্প্রতি জিকিউ ম্যাগাজিনের জন্য ফটোশুট করেছেন কঙ্গনা। সেখানেই অর্ধনগ্ন কিছু ছবি তুলেছেন এই বলিউড অভিনেত্রী।

সাবেক প্রেমের সাথে এক অফিসে?


 ডেস্ক : কিছুদিন আগে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন ভালোবাসার মানুষটিকে। অথচ আপনারা একই অফিসে কাজ করেন। রোজ অনেকটা সময় ধরে আপনাদের একসাথে সময় কাটাতে হয়। কোন না কোন প্রয়োজনে কথা বলতেই হয়। কি করবেন? কীভাবে সামলাবেন নিজেকে আর নিজের চারপাশের পরিস্থিতিকে? নীচে আপনার জন্যই দেওয়া হল বেশ কয়েকটি টিপস।

১. আবেগ চেপে রাখুন
ব্রেক-আপ যদি খুব বেশিদিন আগের না হয়ে থাকে তাহলে এটা খুবই স্বাভাবিক যে কিছুদিন আগে হারিয়ে ফেলা ভালোবাসার মানুষটিকে দেখে আপনার ভেতর আবেগ কাজ করবে। যদি তাই হয় তাঞরে আবেগকে আর নিজের গতিতে কাজ করতে দিন। তবে সবটা আপনার ভেতরে। ভুলেও তাঁর সামনে চোখে পানি আনবেন না বা এমন কোন কাজ করবেননা যাতে সে আপনার দূর্বলতা ধরে ফেলতে পারে। 

২. কান্না করুন
সদ্য ব্রেক-আপ হলে মন খারাপ থাকতেই পারে। আর মনকে হালকা করার সবচাইতে ভালো উপায় হল খানিকটা সময় কেঁদে নেওয়া। নিজের একান্ত সময়ে মন চাইলেই খানিকটা কেঁদে নিন। 

৩. পেশাদারিত্ব দেখান
যাই হোক না কেন, ৯ টা থেকে ৫ টা- এই সময়টা আপনার পুরোটা পেশাদারিত্ব দেখান। মন দিন এতদিন অবহেলা করে ফেলে রাখা কাজগুলোকে। সাবেক ভালোবাসার সাথে যতটা সম্ভব কথা কম বলুন। আর বললেও আবেগপ্রবন কথাগুলো না বলে, নিজের খারাপ লাগার কথা না শুনিয়ে বলুন কাজের কথা। আর যদি অপর দিক থেকেই আবেগতাড়িত কথাগুলো আসে তাহলে সহকর্মীর অপেশাদারিত্বের ওপর বিরক্ত হচ্ছেন এমন মনোভাব ব্যক্ত করুন। 

৪. সহজ হওয়া
সাবেক ভালোবাসার মানুষটির ওপর সহকর্মীসুলভ দৃষ্টিভঙ্গী প্রকাশ করুন এবং তাকে আলাদা মনযোগ দেওয়া বন্ধ করুন। যত তাড়াতাড়ি সহজভাবে কথা বলতে পারবেন তার সাথে, ততই পুরো ব্যাপারটা সহজ হয়ে আসবে। 

৫. গোপন করা
অফিস ও ব্যক্তিগত জীবনকে গুলিয়ে ফেলবেন না। নিজের একান্ত কিছু বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন ব্রেক-আপের ব্যাপারটি। কিন্তু ভুলেও অফিসের কাউকে জানাবেন না। এতে সমস্যা আরো বাড়বে। 

৬. সামলে চলুন
মনে যতই তিক্ততা থাকুক, সেটাকে অফিসের মধ্যে ভুলে যান। কখনোই সাবেকের সাথে রাগের মাথায় খারাপ আচরণ করবেননা। এতে আপনারই সমস্যা হবে। 

৭. হঠাৎ সিদ্ধান্ত না নেওয়া
ব্রেক-আপের ওপর নিভর্র করে আপনার পেশা বদল করার সিদ্ধান্ত ভুলেও নেবেননা। এতে করে আপনার এতদিনের পরিশ্রম এবং আপনি নিজে- দুটোই আপনার সাবেক ভালোবাসার কাছে হেরে যাবে।  

৯টি উপায়ে দূর করুন সম্পকের্র জটিলতা


দুর্লভ প্রেম ডেস্ক : জীবন একটি সহজ বিষয়। কিন্তু একে আমরা জটিল করে তুলি। যে কারো সঙ্গে সম্পর্ক মানেই তাতে কিছুটা জটিলতা থাকা। তবে এ জটিলতা যতটা সম্ভব কম রাখার চেষ্টা করা উচিত। সম্পকের্র জটিলতা কাটানোর নানা উপায় রয়েছে। এ লেখায় পাচ্ছেন, এ ধরনের ৯টি উপায়। 

১. নিজের দোষত্রুটি মেনে নিন
সম্পর্ক সহজ করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নিজের দোষত্রুটি মেনে নেওয়া। পৃথিবীর কেউই নিখুঁত নয় এবং তার বাইরে নন আপনিও। আমরা সবাই ভুল করি। এ কারণে নিজেকে ক্ষমা করে দিন এবং সামনে এগিয়ে যান। নিজের অতীত নিয়ে চিন্তায় আবদ্ধ থাকবেন না। তার বদলে সবকিছু গ্রহণ করতে ও ভালোবাসতে শিখুন। 

২. অন্যদের স্বরূপ মেনে নিন
আপনি যতোই চেষ্টা করুন, অন্য মানুষকে পরিবর্তন করতে পারবেন না। তারা যতক্ষণ নিজের পরিবর্তনের জন্য আগ্রহী হবে না, ততক্ষণ কোনো পরিবর্তনই সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে আপনার সব পরিশ্রম মাঠে মারা যেতে পারে। তার বদলে আপনি অন্য মানুষদের মেনে নিন। আপনার মতোই অন্যদের দোষ-ত্রুটি মেনে নিন। 

৩. মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণ করুন
সম্পকের্র জটিলতা কমানোর অন্যতম উপায় হলো মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা। আপনার আশপাশের সবাই যা করছে, তার প্রতি সদয় হোন। ভালো কোনোকিছু বলতে না পারলে অন্তত চুপ করে থাকুন। অন্য মানুষের প্রয়োজনের দিকে খেয়াল রাখুন। আপনার সাধ্যমতো চেষ্টা করুন অন্যদের সহায়তা করতে।  
৪. অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করা বাদ দিন
আপনার সম্পকের্র জটিলতা কমাতে অন্য মানুষের সঙ্গে নিজের তুলনা করা বন্ধ করুন। এছাড়া সব সময় প্রতিযোগিতার মনোভাব প্রকাশও বন্ধ করুন। আপনি যদি প্রতিযোগিতা করতে চান, তবে তা নিজের সঙ্গেই করুন। নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করুন। নিজে যা করছেন, তা আরও ভালোভাবে করার চেষ্টা করুন। এতে আপনার পরিবর্তন নিজেই ভালোভাবে বুঝতে পারবেন। 

৫. ভালোবাসা প্রকাশ করুন
অনেক সময় প্রিয় মানুষকেও বলা সম্ভব হয় না যে, আপনি তাকে কতটা ভালোবাসেন। সে ক্ষেত্রে সরাসরি কথাটা না বলে অন্যভাবেও তা বুঝিয়ে দেওয়া যায়। ছোট ছোট নানা ঘটনার মাধ্যমে ভালোবাসা উঠে আসতে পারে। প্রিয় মানুষের প্রতি আরো বেশি মনযোগ দিন। তার প্রতি আপনার আগ্রহ ও আকর্ষণ বুঝিয়ে দিন। 

৬. বিচার করা এড়িয়ে চলুন
মানুষ সম্বন্ধে হঠাৎ করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া বন্ধ করুন। কিভাবে কারো সম্বন্ধে ভালোভাবে চিন্তা করা যায়, তা শেখা শুরু করুন। মুখোশের আড়ালের মানুষটিকে চেনার চেষ্টা করুন। অধিকাংশ সময়েই মানুষকে বাইরে থেকে আপনি যেমন দেখছেন, ভেতরে তিনি তেমন নন। অন্য মানুষের অনুভূতিকে সম্মান করুন। 

৭. সব সময় আপনি সঠিক নন
আপনার সব অনুভূতি সঠিক নয়। অনেক সময় আপনারও ভুল হয়। আমরা সবাই মানুষ। নিজের কোনো ভুল হলে তা স্বীকার করুন। ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে দ্বীধা করবেন না। আপনার সম্পর্ককে মূল্য দিন এবং আপনিও তার বদলে মূল্য পাবেন। নিজের আত্মাভিমানের উর্ধ্বে রাখুন সম্পর্ককে। সব সময় সঠিক থাকার চিন্তাকে বাদ দিন। 

৮. ছোট বিষয়গুলোতেও খেয়াল রাখুন
ছোট ছোট সুন্দর বিষয়গুলোতে লক্ষ করুন। আপনার যা আছে, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। আপনার বন্ধুদের জন্মদিন ও নানা উপলক্ষকে স্মরণ রাখুন। তারা যা বলছে, তা শুনুন। আমরা সবাই মনযোগ চাই এবং যে মনযোগ দেয় সে মনযোগ কাড়ে। 

৯. যোগাযোগের দক্ষতা বাড়ান
সম্পর্ক সহজ করতে যোগাযোগের গুরুত্ব রয়েছে। যার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক, তার সঙ্গে ঠিকভাবে যোগাযোগ রাখতে না পারলে তাতে জটিলতা বাড়বেই। এ কারণে যোগাযোগ দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ মন বুঝতে পারে না। এ কারণে আপনার মনে কী রয়েছে, তা প্রকাশ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। যোগাযোগ সহজ করার উপায় জানতে বিভিন্ন বই পড়তে পারেন। এ ছাড়া অন্যকে সম্মান করাও গুরুত্বপূর্ণ। 


অ্যাডাল্ট ম্যাগাজিনের জন্য নগ্ন হলেন বাঙালি অভিনেত্রী!

এবার নতুন করে আলোচনায় আসলেন আরেক বাঙ্গালী অভিনেত্রী। তিনি আর কেউ নন কোয়েনা মিত্র। যদিও নানাভাবে মিডিয়াতে আলোচনায় থাকেন তিনি। এবার ইসরাইলের একটি অ্যাডাল্ট ম্যাগাজিনের জন্য নগ্ন ফটোশ্যূট করলেন বাঙালি এই অভিনেত্রী।

ম্যাগাজিনটির ফটোগ্রাফার কলকাতার একটি স্টুডিওতে এ ছবি তোলেন। ছবিটিগুলো বিশ্বে আলোচিত হবার মতো আবেদনময় বলে দাবি করেছে পত্রিকাটি। হিব্রু ভাষায় প্রকাশিত জাজৎ পত্রিকার সম্পাদক জ্যাকব সালেম বোগান এ বিষয়টি ইসরায়েলী মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন।

ক্যারিয়ারের শুরুতে বেশ কিছু আইটেম গানে খোলামেলা পারফরমেন্সের কারণে আলোচনায় আসেন কোয়েনা মিত্র। এরপর মাঝখানে প্রায় দুইবছর ছিলেন চলচ্চিত্র থেকে বাহিরে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পর সম্প্রতি আবারো একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই বলিউড আইটেম অভিনেত্রী। আর সেই ছবিতে নগ্নভাবে ক্যামেরাবন্দি হতে যাচ্ছেন তিনি।

তিনি বলেন, ভারতের সাথে ইজরায়েলের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। আমরা সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করছি। ভারত একটি সমৃদ্ধ সংস্কৃতির দেশ। আমাদের বিশ্বাস কোয়েনা মিত্রের হট ছবি ভারতে ও ভারতের বাঙালি সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে। কোয়েনা একজন বিশ্বজয়ী হট নারী হবার যোগ্যতা রাখে। কোয়েনা একজন বিশ্বজয়ী হট নারী হবার যোগ্যতা রাখে। ম্যাগাজিনটি জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশ হবে।

কোয়েনা মিত্র এর আগে ম্যাক্সিম পত্রিকার কভার গার্ল হিসেবে হট ছবি প্রকাশ করে আলোচনায় এসেছিলেন। তখন পত্রিকার কভার গার্ল হওয়ায় কোয়েনা মিত্র’র সম্মাণার্থে আর্টিক আয়োজিত সেলিব্রশনে অনেক তারকারও এসেছিলেন। কিছুদিন আগে সিনেমার জন্য ক্যামেরার সামনে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন বাঙালি অভিনেত্রী কোয়েনা মিত্র। ক্যারিয়ারের শুরুতেই বেশ কিছু আইটেম গানে খোলামেলা পারফরমেন্সের মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসেন কোয়েনা মিত্র। সে সময়ে আইটেম গার্ল হিসেবে দারুণ চাহিদাও তৈরি হয় তার। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে বলিউড ছবিতে পাওয়া যায়নি কোয়েনাকে। এ সময়টায় বিদেশ সফর এবং স্টেজ পারফরমেন্স নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন তিনি। কোয়েনা মিত্র বাঙালি হলেও তার লক্ষ্য ছিল বলিউড। তাই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজ্যুয়েশন সম্পন্ন করে পাড়ি দেন মুম্বাই। কিন্তু বলিউডের কয়েকটি ছবিতে আইটেম গার্ল হিসেবে কাজ করলেও হালে পানি পান নি তিনি। বলিউডের ‘রোড’, ‘ঢোল’, ‘ব্ল্যাকমেইল’, ‘মুসাফির’, ‘সাদি নম্বর ওয়ান’, ‘হাই বেবি’, ‘অয়ান’ প্রভৃতি ছবিতে পারফর্ম করেছেন কোয়েনা। খোলামেলা ভঙ্গিতে বেশ কিছু মিউজিক ভিডিও এবং বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করে তিনি আলোচনায় উঠে আসেন। তবে অভিনয় নয় বরং দেহ দেখিযে তিনি আলোচনায় থাকেন।

এরই মধ্যে হলিউডের দুটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন কোয়েনা। ছবি দুটি প্রযোজনা করছেন কারিন আর্মস্ট্রং। ইতোমধ্যে কারিন আর্মস্ট্রং শুরু করে দিয়েছেন প্রথম ছবির শুটিং। হলিউডে এটিই কোয়েনা মিত্রের প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো। ছবিতে কোয়েনা অভিনয় করছেন মিলস ও কেফের বিপরীতে। সম্প্রতি ছবির একটি বিশেষ দৃশ্যে কোয়েনা সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন। বেশ সাবলীলভাবেই তাকে নগ্ন হয়ে শুটিংয়ে অংশ নিতে দেখা যায়। কোয়েনার এই নগ্ন শুটিংয়ের স্টিল ফটো এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন ওয়েব সাইটে। বর্তমানে ছবির কাজে হলিউডে অবস্থান করলেও ওয়েবে নগ্ন ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ভারতীয় শোবিজে তাকে নিয়ে পড়ে গেছে শোরগোল।যতোই তর্ক-বিতর্ক হোক তাতে কোনো মাথা ব্যাথা নেই কোয়েনা মিত্রের। বরং নগ্ন হয়ে অভিনয় করাটাকে তিনি তার ক্যারিয়ারের জন্য প্লাস পয়েন্ট বলে মনে করছেন। এ চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়েই নগ্ন একটি গোসলদৃশ্য করবেন তিনি। তাছাড়া বেশ কয়েকটি বিছানাদৃশ্যেও অভিনয় করার কথা রয়েছে। এ ছবিতে দুটি আইটেম গানের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে পারফর্ম করবেন কোয়েনা। নিজের এ ছবি বিষয়ে কোয়েনা বলেন, অনেক দিন পর অভিনয়ে ফিরছি। ভৌতিক হলেও বেশ ভিন্নধর্মী কাহিনীর ছবি এটি। ছবির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। ছবিতে বেশ কিছু নগ্ন ও রগরগে দৃশ্য কাজ করবো। চরিত্রের খাতিরেই এমনটা করতে হচ্ছে। আর এ ধরনের দৃশ্যে কাজ করতে আমার কোন অসুবিধাই হবে না। আশা করছি ছবিটি সবারই ভাল লাগবে।

এ বিষয়ে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে অনুভূতি শেয়ার করে কোয়েনা লিখেছেন, একজন অভিনেত্রীর জন্য শৈল্পিকভাবে নগ্ন হয়ে অভিনয় করা খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। অনেক এনজয় করছি ছবিটির শুটিং করতে। বিশেষ করে বিশাল এবং ভিন্নধর্মী সেটগুলোতে কাজ করতে অনেক ভাল লাগছে। সবাই অনেক কো-অপারেটিভ। বেশ কিছু হট দৃশ্যে অভিনয় করেছি এখানে। দর্শকরা বেশ উপভোগ করবেন আশা করি। তবে কোয়েনা মিত্র পাওলি দাম, সানি লিওন , শার্লিণ চোপড়া, বীনা মালিকের পথে হাঁটছেন বলে সমালোচকরা বলছেন।ভারতীয় বাঙালি নায়িকাদের মধ্যে নগ্ন হওয়ার যেন হিড়িক পড়ে গেছে। পাওলি দামের পর এবার ক্যামেরার সামনে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের আরেক বাঙালি অভিনেত্রী কোয়েনা মিত্র।

রেসলিং কি আসল না নকল ?

টেলিভিশন কিংবা ইন্টারনেটে রেসলিং দেখেননি এমন খুব কম লোকই আছে! অনেকের কাছেই এটি জনপ্রিয় প্রোগ্রাম।

কিন্তু ম্যাজিকের মতই সারা বিশ্বে রেসলিং এর রহস্য সবার অজানা। গত কয়েক দশক ধরে চলা জনপ্রিয় এই রেসলিং কে নিয়ে মানুষের মধ্যে রয়েছে নানা রকম জল্পনা কল্পনা। রেসলিং এ এত আঘাতের পরেও মানুষ কিভাবে বেঁচে থাকে এটা নিয়েও সবার মনে রয়েছে নানা সন্দেহ। আর যারা এই রেসলিং এর সাথে জড়িত তারা কখনই এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে কিছু বলেন না। রেসলিং সম্বন্ধে জেনে নিন অজানা কিছু তথ্য।

রেসলিং কি আসলেই নকল?
হ্যা, রেসলিং একটি অসাধারণ মঞ্চ নাটক ছাড়া আর কিছুই না। তবে সাধারণ মঞ্চ নাটকের সাথে এর পার্থক্য হল মঞ্চে রেসলারদের ভুল গুলো সহজেই চোখে পরে আর রেসলিং সারা বিশ্বের মানুষ নানা প্রান্ত থেকে উপভোগ করে।

যেখানে বড় বড় তারকা রেসলাররা লড়াইয়ে জিতে বেশি আয় করে সেখানে কেন একজন রেসলার হেরে যায়?

এটার কারণও খুব স্বাভাবিক। মঞ্চ নাটকের মত এটারও একটা স্ক্রিপ্ট থাকে যাতে বিভিন্ন অভিনেতারা বিভিন্ন চরিত্রে কাজ করে থাকে। যদি একজন রেসলার নিজে জিততে চায় তাহলে সে শীঘ্রই তার চাকরি হারাবে।

রেসলাররা কি সত্যিই আহত হয়?
এটাও লেখকদের স্ক্রিপ্টে থাকা নকল মারামারির আহত হওয়ার এক দৃশ্য ছাড়া আর কিছুই না। মঞ্চটি রেসলারদের জন্য পুরোপুরি সহায়কভাবেই তৈরি করা থাকে। সেই সাথে রেসলারদের জন্য মঞ্চে নানা রকম আহত হওয়ার আর্ট তৈরি করে রাখা হয় যা সত্যিই একটু বিপদজনক। কোন রেসলার যদি সেই আর্ট অনুযায়ী কাজ না করে একটুও ভুল করে তবে সে মারাত্মক ভাবে আহত হতে পারে। তবে কখনই কোন রেসলার তার প্রতিপক্ষকে ইচ্ছে করে আঘাত করে না ঠিক যেমনটি আমরা চলচ্চিত্রে দেখে থাকি। তবে অনেক সময় অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারনে প্রতিপক্ষ আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এমন একজন রেসলারও পাওয়া যাবে না যে এই মঞ্চে আঘাতপ্রাপ্ত হয়নি। অনেকে বড় ধরনের আঘাত পেয়ে তারা ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন।

রেসলিং এর সময় যে রক্ত দেখা যায় তা কি আসল?
বেশিরভাগ সময়ই সেগুলো সত্তিকারের রক্ত থাকে। রেসলারদের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় এক ধরনের ব্লেড ব্যবহার করা হয়। তবে অনেক সময় অসতর্কতার কারনে শরীরের অন্য অংশ থেকেও রক্ত ঝরে। এছাড়া রেসলিং এর সময় ব্লাড ক্যাপসুল ব্যবহার করা হয়। তবে কখনই রং অথবা সস ব্যবহার করা হয় না।

রেসলাররা কি অবৈধ ড্রাগ গ্রহণ করে?
সব রেসলাররা অবৈধ ড্রাগ বা স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করে না। অন্যান্য খেলায় পারদর্শী খেলোয়াড়দের মত রেসলাররাও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জিম করে ও হরমোন বৃদ্ধির জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার খায়। তবে অনেক রেসলার গোপনে ড্রাগ নিয়ে থাকলেও অবাক হওয়ার কিছুই নেই।

রেসলিং মঞ্চে রেসলারদের বান্ধবীরা কি সত্যিই তাদের বান্ধবী?
না, রেসলিং মঞ্চে শুধু মাত্র ফ্যামিলি ড্রামা করার জন্যই রেসলারদের কাছে এ ধরনের সঙ্গিনী পাঠানো হয়। তারাও নানা রকম ভঙ্গির মাধ্যমে রেসলিং কে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করে থাকে।

রেসলিং এ রেফারিরা এত অসহায় থাকে কেন?
অন্যান্য খেলার মত রেসলিং এর রেফারিরা এতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে না এছাড়া তাদের আচরণেও অত্যন্ত অসহায় ভাব প্রকাশ পায়। রেফারিদের এ ধরনের আচরণও নাটকেরই একটা অংশ। রেফারিদের কানে সবসময় একটা হেডফোন লাগানো থাকে। তারা পরিচালকের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী রেসলিং পরিচালনা করেন।

দেখুন বলিউডের রূপসী নায়িকাদের মেকআপ ছাড়া "আসল" চেহারা!


বলিউডের নায়িকাদেরকে আমরা দেখি অভিজ্ঞ মেকআপ আর্টিস্টদের মেকআপে ও সিনেমার ফ্ল্যাশ লাইটের কড়া আলোয়। তাদের সৌন্দর্য ও ফিটনেস বরাবরই আমাদেরকে মুগ্ধ করে। হাজারো মানুষের কাছে তারা যেন স্বর্গ থেকে নেমে আসা ডানা কাটা পরী। কিন্তু মেকআপ ছাড়া তারা কেমন দেখতে? নিশ্চয়ই মনে কৌতূহল জেগেছে অনেকবার? আসুন একনজরে বলিউডের নায়িকাদের মেকআপ ছাড়া কিছু ছবি দেখে নেয়া যাক। তালিকায় আছেন বিশ্ব সুন্দরী সুস্মিতা সেন থেকে শুরু করে বিদ্যা বালান, কারিশমা কাপুরসহ অনেকেই।
বলিউডের নতুন প্রজন্মের হিরো রণবীর কাপুর থেকে শুরু করে সিধারত মালহোত্রা পর্যন্ত পাগল এই অভিনেত্রীর গ্ল্যামার লুকের পাগল। ছবিতে দেখুন চির সবুজ বলে সম্বোধন করা হলেও বয়সের ছাপ যে পড়ে গিয়েছে তা স্পষটা।
দেখুন কেমন দেখাচ্ছে মেক-আপ বিহীন কারিশমা কাপুরকে। মেক আপ ছাড়া এবং মেক আপ সহ দুইভাবেই সমান ভালো লাগছে তাকে।
নিশ্চয়ই ভাবচ্ছেন ছবির দুটি ব্যক্তিই কি একজন? মেক-আপ বিহীন সেলিনা জেটলির থেকে পর্দার সেলিনাই যেন বেশী আবেদনময়ী।
বলিউডের অন্যতম আলোচিত অভিনেত্রী। রূপালি পর্দায় এই অভিনেত্রীর আকর্ষণীয় বাহ্যিক উপস্থাপন বরাবরই সবাইকে আকর্ষণ করলেও প্রকৃতপক্ষে মেক-আপ ছাড়া এই অভিনেত্রী একে বারেই চিনতে পারবেন না আপনি!
ছবিতে দেখুন মেক-আপবিহীন একেবারে সাধারণ সুস্মিতা সেনকে।
জাতীয় পুরস্কার জয়ী অভিনেত্রী বিদ্যা বালানকে দেখুন। মেক-আপ ছাড়া একেবারে গ্ল্যামারহীন দেখায় এই অভিনেত্রীকে।
কিম শর্মাকে দেখুন একেবারে মেক আপ ছাড়া একেবারেই এক সাধারণ অভিনেত্রীকে।
কাহনা পেয়ার হে সিনেমা দিয়ে বলিউডে পা রাখেন আমিশা পাটেল। এরপর দিন দিন গ্ল্যামারাস হয়ে উঠলেও বাস্তব জীবনে মেক আপ ছাড়া একেবারে চেনার উপায় নেই।
'মাস্ত' সিনেমার এই অভিনেত্রীর কথা মনে আছে দেখুন তো মেক আপ ছাড়া ঊর্মিলাকে চিনতে পারেন কিনা?
- See more at: http://www.priyo.com/2014/05/07/l67881-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%86%E0%A6%AA-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A7%A8#sthash.GY5DijSG.dpuf

শরীরে জিন্স কিন্তু অর্ধনগ্ন!(ভিডিও সহ)

প্রথম দেখায় মনে হবে মেয়েটি একটা টাইট জিন্স পড়ে রয়েছে৷ কিন্তু একটু লক্ষ্য করলেই সত্যিটা চোখে পড়বে৷ আসলে এই মহিলা প্রায় অর্ধনগ্ন হয়েই রাস্তায় হাঁটছেন৷

আপনি বোধহয় দেখতে পাচ্ছেন না, তাই তো? একটু লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন এই মহাশয়া আসলে কোমড়ের নীচ থেকে কিছু না পড়েই রাস্তায় হাঁটছেন৷শরীরে জিন্স কিন্তু অর্ধনগ্ন!(ভিডিও সহ)

মেকআপ আর্টিস্ট মেরি পি এক এমন জিন্স এই ফ্রেঞ্চ মডেলকে পড়িয়েছে যা বাস্তবে নেই৷ একেবারেই ঠিক শুনেছেন, আর্টিস্ট মডেলের শরীরে জিন্স এঁকেছেন যা পড়েই এই মড়েল রাস্তায় বেড়িয়ে পড়েছেন৷ বেলজিয়ামের পিআর স্কুলের দুই শিক্ষার্থী সারাহ বাবেরে ও ডেভিড লেসাজের মাথায় এই জিন্স আঁকার বুদ্ধি আসে৷

পরীক্ষার জন্য ওদের এক ‘বাজ ভিডিও’ তৈরি করার হোমওয়ার্ক মিলেছিল৷ ওদের এমন এক ভিডিও বানাতে হত যেটা অনেক লোকে দেখবে আর যাকে নিয়ে খুব হইচই হবে৷ শরীরে জিন্স কিন্তু 
আর এই ভিডিও দেখার পর বোঝাই যাচ্ছে ওরা পরীক্ষায় একশো তে একশোই পেয়েছে৷

এই দু জনে মেকআপ আর্টিস্ট মেরি পিকে নিজেদের দলে টেনে নিয়েছিল৷ মাত্র দু ঘন্টায় মেরি এক মডেলের শরীরে ফেডেড ব্লু জিন্স এঁকে দেয়৷ মেরি জানায় সারাহ তার খুব ভাল বন্ধু বলেই সে এই কাজ করেছে৷ এছাড়াও ওর বডি পেইন্ট করতে খুব ভাল লাগে৷ তাই এই অফার পাওয়ার পর ও সময় নষ্ট করেনি৷ মেরি জানিয়েছেন রাস্তায় যখন এইমডেল হাঁটছিল বেশিরভাগ মানুষই বুঝতে পারেনি যে তাদের সামনে একজন অর্ধনগ্ন হয়ে রয়েছে৷

ফাঁসির পরও আজমল কাসাব জীবিত!


ভারতের মুম্বাই নগরীর তাজ হোটেলে সন্ত্রাসী হামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজমল কাসাব জীবিত আছেন। এমন কথা জানিয়েছেন তারই পাকিস্তানি স্কুল শিক্ষক মুদাসসির।

বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির সন্ত্রাস-বিরোধী আদালতে কাসাবের লেখাপড়া সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপনের পর এ কথা জানিয়েছেন মুদাসসির।

প্রয়োজন হলে তিনি তার ছাত্র কাসাবকে আদালতে হাজির করতেও প্রস্তুত রয়েছেন বলেও তিনি জানান। পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ডন এ খবর দিয়েছে।

শিক্ষক মুদাসসির জানান, কাসাব নামে যাকে ভারতের পুনে কারাগারে ফাঁসি দেয়া হয়েছে সে আসলে কাসাব নয় বরং কাসাব জীবিত এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে তাকে তিনি আদালতে উপস্থাপন করবেন।

জিজ্ঞাসাবাদের সময় মুদাসসিরের কাছে জানতে চাওয়া হয়- কাসাবের সঙ্গে তার সর্বশেষ কবে যোগযোগ হয়েছে। জবাবে তিনি জানান, কয়েকদিন আগেও কাসাবের সঙ্গে তার দেখা হয়েছে।

২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত কমপক্ষে ১০ সন্ত্রাসী ভারতের মুম্বাই নগরীর তাজ হোটেল দখল করে নেয় এবং তাদের হামলায় ১৬৬ জন নিহত হয়। পরে সেনাবাহিনী তলব করে হোটেলটি দখলমুক্ত করা হয় এবং সেনা অভিযানে একজন বাদে সবাই নিহত হয়। বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিকে পাকিস্তানি নাগরিক আজমল কাসাব বলে জানানো হয়। শেষ পর্যন্ত ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৭টায় কথিত আজমল কাসাবকে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। তবে, শিক্ষক মুদাসসিরের বক্তব্যে নতুন করে আজমল কাসাব ইস্যুটি আবার আলোচনায় চলে এল।

ধর্ষণ অভিযোগে গ্রেফতার আশিকি টু'র গায়ক


দুর্লভ প্রেম বিনোদন : আশিকি টু- সিনেমায় তার গান দসুন রাহা হ্যায় না তু...গা রাহা হু ম্যায়দ শুনে আবেগে ভেসে গিয়েছিল আসমুদ্র হিমাচল। সেই গানের গায়ক অঙ্কিত তিওয়ারি ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার হলেন। 

আজ, বৃহস্পতিবার দুপুরে অঙ্কিতকে ভেসোভা পুলিস স্টেশনে গ্রেফতার করা রাখা হয়। অঙ্কিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন তার প্রেমিকা। অভিযোগ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অঙ্কিত তার প্রেমিকাকে ধর্ষণ করেন। ৎ

অঙ্কিতের ভাই অঙ্কুর সেই মহিলাকে খুনের হুমকিও দেন। গ্রেফতার করা হয়েছে অঙ্কুরকেও। -ওয়েবসাইট। 

সফল ব্যক্তিরা ২০ বছর বয়সে যা ভাবতেন


পৃথিবীতে যেসব সফল ব্যক্তিরা রয়েছেন তারা ২০ বছর বয়সে কেমন জীবন যাপন করেছেন এটা জানার কৌতুহল থাকতে পারে অনেকের।
হাফিংটন পোস্ট আজকের সফলদের কাছে জানতে চায়, জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা ২০ বছর বয়সে কেমন জীবনযাপন করেছেন? এখন যারা বিশের কোঠায় পা রেখেছেন, তাদের জন্য তারা ১১টি পরামর্শ তুলে ধরেছেন।
১. হেডস্পেস এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ডি পডিকম্বি বলেন, আমি সন্ন্যাসী হতে চেয়েছিলাম। সবকিছুই দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হচ্ছিল। দুনিয়ার যাবতীয় বিষয় আমি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলাম। আমি শুধু বলতাম, সব ঠিক হয়ে যাবে। সব ঠিক হয়ে যাবে।
২. ওয়েল-বিয়িং লাইফস্টাইল এক্সপার্ট এবং সেল্ফ ম্যাগাজিনের সাবেক এডিটর-ইন-চিফ জানান, নিজের উড়ু উড়ু মনটাকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকবেন না। যে সকল ধ্যান-ধারণা নিয়ে আবিষ্ট থাকতাম, সেগুলো নিয়ে আমাকে কেমন মনে হয় তা বোঝার চেষ্টা করতাম। আমার এক বন্ধুকে স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়তে দেখেছি। ওই যুদ্ধে সে হেরে যায়। তখন আমি ভাবি, আমি কতো ভাগ্যবতী যে আমার দেহটি সুস্থ-সবল রয়েছে। ত্যাগের মধ্যে আমার সবচেয়ে ভালো পথটি এগিয়ে গেছে। আর এই ত্যাগের পথে ভাবার প্রয়োজন নেই যে, আপনি দেখতে কেমন।
৩. আমার ২০ বছর বয়সী মেয়েকে যে শিক্ষা দিয়েছি তাই আমি সবাকে দেব। নিজের খাবার নিজেকেই রান্না করে খেতে হবে। এমন কাউকে দিয়ে এ কাজ করানো যাবে না যে কিনা অচেনা, বললেন লেখিকা এবং প্রযোজক লরি ডেভিড।
৪. অভিনেতা, কৌতুক অভিনেতা এবং লেখক মেসন জায়িদ বললেন, আমার ২০ বছর বয়সের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, ঋণে জড়াবেন না। ক্রেডিট কার্ড নয়, নগদ টাকায় কেনাকাটা করুন। আমি ওই বয়েসে ২৫ হাজার ডলার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ঋণে জড়িয়েছিলাম।
৫. বিশে আমি বোঝার চেষ্টা করতাম আগামীকাল ভিন্ন একটি দিন আসবে। তখন সময় আজকের মতো নাও যেতে পারে। আপনার মনের মতো করে ঘটনা নাও ঘটতে পারে। ধৈর্য্যশীল হতে হবে। আর বিশেষ কাজের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতার প্রয়োজন, এ পরামর্শ দেন ডলসি অ্যান্ড গাব্বানা ইনকরপোরেটের প্রেসিডেন্ট ফেডরিকা মালচিওনি।
৬. দ্য আল্ট্রাওয়েলনেস সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা এবং ফরংশনাল মেডিসিনের পদাধিকারী ড. মার্ক হেম্যান বলেন, বিশ বছর বয়সে আমি নিজেকে নিজেই উপদেশ দিয়ে বলতাম, আমার যা দরকার তার খেয়াল রাখার বিষয়ে এই পৃথিবীর ওপর নির্ভর করা যায়। কাজেই ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা নয়, বর্তমানকে উন্মুক্ত করার ওপরই আস্থা রাখতে হবে।
৭. জাকারবার্গ মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও এবং ডট কমপ্লিকেটেড এর এডিটর-ইন-চিফ র‍্যান্ডি জাকারবার্গ নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, আমার স্বপ্ন ছিলো ব্রডওয়ে থিয়েটারের গায়িকা হওয়ার যা কখনো পূরণ হবে না বলে জানতাম আমি। কারণ নিউ ইয়র্কে গিয়ে অডিশনের লাইনে দাঁড়ানো আমাকে দিয়ে হবে না। পরে আমি নিজেকে বলি, অনেক স্বপ্ন আছে পূরণ করার মতো। কারণ তার দুই মাস আগে আমি ব্রডওয়েতে ‘রক অব এজেস’-এ অংশ নিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফিরে এসে আমি প্রযুক্তির পথে হাঁটতে শুরু করি। এক সময় সুযোগ আসে নিজের ব্র্যান্ডের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করা।
৮. বিশের কোঠার সময়টি দারুণ ছিলো। চ্যালেঞ্জিং সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় মাথা ঠাণ্ডা রেখে বিশ্বাস ধারণ করতে হবে যে, সামনেই এই টানেলের শেষ রয়েছে, বলেন সেরা বিক্রয় তালিকায় থাকা বইয়ের লেখক এবং বক্তা আগাপি স্ট্যাসিনপোলাস।
৯. ইউএসসি কিক স্কুল অব মেডিসিন এবং ভিটারবি স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রফেসর ড. ডেভিড আগাস বলেন, কোনো কাজে সফলতা আনার চেষ্টা করে দেখলেন, যতো সহজ মনে হয়েছিল ততো সহজ নয়। এই সময়টাতে মাথা ঠাণ্ডা রাখুন এবং কাজ করতে থাকুন। বাকি কাজ আপনা-আপনি হয়ে যাবে।
১০. ইউনিভার্সিটি অব পেনসেলভিনিয়ার ওয়ার্টন স্কুলের প্রফেসর ও লেখক আ্যাডাম গ্র্যান্ট বললেন, কল্পনায় প্রথম দর্শনেই ভালোবেসেছিলাম হলিউডকে। কিন্তু দেখামাত্র তা চলে যায়। দেরি করার চেয়ে দ্রুত নিজের ভালো লাগা বা কল্পনার সম্মুখীন হতে হয়। কারণ এক সময় আপনাকে তার মোকাবিলা করতেই হবে।
১১. আধ্যাত্মিক শিক্ষক প্যানাচি দেশাই পরামর্শ হিসেবে একটা ভাবনার কথা বলেন। তা হলো- সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আমি তোমাকে ভালোবাসি এবং সব ঠিক হয়ে যাবে।

পাইলট হওয়ার লাইসেন্স পাচ্ছে কুকুর


বিমান চালাচ্ছেন পাইলট, আর পাশের কো-পাইলটের চেয়ারটিতে বসে রয়েছে তার পোষ্য কুকুরটি। এমনটা গল্পে সম্ভব হলেও বাস্তবে তা নিয়ম বিরুদ্ধ। কিন্তু এবার সেই নিয়ম ভাঙছে। ব্রিটেনে এই প্রথম কোনো কুকুরকে কো পাইলট হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চলেছে দেশটির এয়ারক্রাফট ওনার্স অ্যান্ড পাইলট এসোসিয়েশন (এওপিএ)।

দীর্ঘ ৮০ হাজার কিলোমিটার বিমানে কো-পাইলটের সিটে ওড়ার পর স্বীকৃতিস্বরূপ কেলি নামের লাব্রাডর প্রজাতির কুকুরটিকে ক্রু-কার্ড দেয়া হচ্ছে। এর ফলে ওই কুকুরটি ব্রিটেনের যেকোনো বিমানবন্দরের ক্রু-চ্যানেল দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।

জানা যায়, কেলির মালিকের নাম গ্রাহাম মাউন্টফোর্ড। তিনি নিজেও পেশায় একজন পাইলট। তার সঙ্গে মাত্র ১২ সপ্তাহ বয়স থেকে বিমানে উড়ে বেড়িয়েছে কেলি।তিন বছরের জীবনে সে পাড়ি দিয়েছে ৮০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি পথ। আকাশে কাটিয়েছে ২৫০ ঘণ্টা। ব্রিটেনের দূরবর্তী স্কটিশ দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে ওয়েলস থেকে কর্নওয়াল থেকে সব আকারের বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে কেলি। তাই তার এই কীর্তিকে স্বীকৃতি দিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে এওপিএ।

মাউন্টফোর্ডের নিজের ৬ সিটের বিমানটিতে কো-পাইলটের আসনে কেলির জন্য একটি বিশেষ আসন রয়েছে। প্রতিবার বিমান ল্যান্ড করার পর কেলিকে পুরস্কার হিসেবে একটি করে সসেজ দেয়া হয় বলে জানান মাউন্টফোর্ড । তিনি জানান, বিমান অবতরন করার পর যখন সবাই দেখে আমার কো-পাইলট একজন কুকুর তখন অনেক মজার মন্তব্য শুনতে হয়।

সব ছেলেদের একবার হলেও ভিডিওটি দেখা উচিত (ভিডিওসহ)

সব ছেলেদের একবার হলেও ভিডিওটি দেখা উচিত (ভিডিওসহ)


সব ছেলেরাই বাস্তব জীবনে এই ঘটনাটির মুখোমুখি হয়েছেন কম বেশী।

তাই এই ভিডিওটি ছেলেদের একবার হলেও দেখা উচিত।

মূল বিষয়টি বুঝতে হলে আপনাকে শুরু থেকে পুরো ভিডিওটি দেখতে হবে। ভিডিওটি দেখা শেষ হলে শেয়ার করে দিন । আপনার বন্ধুরাও দেখতে পারবে।

সব ছেলেদের একবার হলেও ভিডিওটি দেখা উচিত (ভিডিওসহ)


সব ছেলেরাই বাস্তব জীবনে এই ঘটনাটির মুখোমুখি হয়েছেন কম বেশী।

তাই এই ভিডিওটি ছেলেদের একবার হলেও দেখা উচিত।

মূল বিষয়টি বুঝতে হলে আপনাকে শুরু থেকে পুরো ভিডিওটি দেখতে হবে। ভিডিওটি দেখা শেষ হলে শেয়ার করে দিন । আপনার বন্ধুরাও দেখতে পারবে।

বাস্তবেই "চুলোচুলি" হিমেশ রেশামিয়ার দুই নায়িকার!



দুই নায়িকার ঝগড়া, চুলোচুলি, হাতাহাতির দৃশ্য পর্দায় এসেছে বহুবার। তবে সেসব কেবলই অভিনয়, চরিত্রের প্রয়োজনে। তবে এবার ঘটে গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ঘটনা। টিভির পর্দায় ছবির প্রোমোশন এসে ক্যামেরার সামনে নায়িকাদ্বয়ের মারপিটের ঘটনা ঘটেছে এবার বাস্তবেই। আর এই ঘটনার সাক্ষীই থেকে গেল কপিল শর্মার কমেডি শো।

মেকআপ ভ্যান থেকেই ঘটনা শুরু, একটা দুটো কথায়, হঠাৎই ঝগড়া বেঁধে যায় ‘দ্য এক্সপোজ’ ছবির দুই নায়িকা সোনালি রাওত ও জোয়া আফরোজির মধ্যে। মেকআপ ভ্যানের বাইরে থেকেই নাকি শোনা যায় দুই নায়িকার চিৎকার, অশ্রাব্য গালিগালাজ। বাইরে থেকে কেউ বুঝতেই পাচ্ছিলেন না আসলে ঘটছে কী। এমনকি ঝগড়ায় মত্ত হয়ে দুম করে ভ্যান থেকে বেরিয়ে এসে সবার সামনেই ফের ঝগড়ায় মেতে ওঠে সোনালি-জোয়া। তবে এবার মুখে নয়, দুজনেই দুজনকে এক হাত নিয়ে ফেলেন।

সোনালির গালে পড়ে জোয়ার চড়। এরপর জোয়া যাবে কোথায়? চড় খেয়ে ক্ষিপ্ত সোনালি চুল ধরে টেনে ফেলে দেন জোয়াকে। জোয়াও নাকি ছাড়ার পাত্রী নন, শুরু হয় ঘুষাঘুষি। ঠিক এই সময়ই আর্বিভাব ঘটে ছবির নায়ক হিমেশ রেশমিয়াঁর। অনেক কষ্টে আয়ত্তে আনেন দুই নায়িকাকে। নিজের শোয়ে এ রকম কাণ্ড দেখে হতবাক কপিল শর্মাও।

জানা গেছে, ছবিতে চরিত্র নিয়েই নাকি ঝামেলার সূত্রপাত। সোনালি জোয়াকে অশ্লীল ইঙ্গিত ও খারাপ মেয়ে বলার পরেই শুরু হয় এই ঝগড়া। ইউনিটের অনুরোধে ঝগড়ার নিষ্পত্তি হলেও, দুই নায়িকার চোখে নাকি ছিল বদলার আগুন।