তথ্যচিত্রে নগ্নতা ও ভারতীয় রাজনীতি

পরিচালক নিশার পাশে রয়েছেন বেশ কিছু বলিউড স্টার। শুধু পাশে থাকা নয়, ছবি দেখে রীতিমতো প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুরাগ কাশ্যপ, স্মিথ আমিন, দীপা মেহেতা, লিসা রে ও নন্দিতা দাস। বলা হচ্ছে, পরিচালক নিশা পাহুজার তথ্যচিত্র ‘দ্য ওয়ার্ল্ড বিফোর হার’ নিয়ে। যাকে ঘিরে বলিউডে এখন তুমুল শোরগোল।

ভারতীয় হিন্দু পরিষদ ও সুন্দরী প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই তথ্যচিত্রের গল্পকে বাঁকা চোখে দেখছে মুম্বাইয়ের সিনেমা মহল। অন্যদিকে ভোটের আগে এরকম একটি বির্তকিত ছবির মুক্তি নিয়ে চিন্তায় পরেছে ভারতীয় রাজনীতি মহলও।

পরিচালক নিশা বলেন, এই তথ্যচিত্র অনেকবেশি বোল্ড। একদিকে ভারতে নারীর স্থান এবং বর্তমান রাজনীতিকে খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে সুন্দরী প্রতিযোগিতার অন্দরে ঘটে যাওয়া এমন কিছু ঘটনার উল্লেখ রয়েছে যা ছবির মুক্তিতে বাঁধা দিতে পারে।’

ছবিটি ভারতের সিনেমা হলে মুক্তি পেতে পারে ২৫ এপ্রিল।

ক্যাটরিনার বোনের সেক্স ভিডিও নিয়ে তোলপাড়!


বলিউড তারকা ক্যাটরিনা কাইফের ছোট বোন ইসাবেলা কাইফের সেক্স ভিডিও নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় জাতীয় দলের ক্রিকেটার বিরট কোহলির সাবেক প্রেমিকা ইসাবেলার সেক্স ভিডিও এখন বলিউডের ‘টক অব দ্য সিটি’তে পরিণত হয়েছে। যদিও ক্যাটরিনা দাবী করছেন, ভিডিওটি তার বোনের নয়। কিন্তু ইসাবেলা ভিডিওটির বিষেয়ে নিরবতা পাল
ন করছেন।

প্রযুক্তির কল্যাণে তারকাদের সেক্স ভিডিও আজকাল আর দুর্লভ কোন বস্তু নয়৷ জনপ্রিয় মার্কিন তারকা কিম কার্ডাশিয়ানের সেক্স ভিডিও নিয়ে তোলপাড় চলছে গত কয়েক বছর ধরে৷ তাতে কার্ডাশিয়ানের জনপ্রিয়তা খুব একটা কমেছে বলে মনে হয় না৷ বরং সেক্স ভিডিও নিয়ে রসালো সব মন্তব্য করেছেন কিম নিজেই, টুইটারে৷ ভিডিওটির প্রকাশকের বিরুদ্ধে মামলা করে পেয়েছেন পঞ্চাশ লাখ মার্কিন ডলার।

প্রযুক্তিই এসবকে ছড়াচ্ছে মুহূর্তের মধ্যে৷ আজকাল মুঠোফোনেই মিলছে ভালো মানের ক্যামেরা৷ তার সঙ্গে রয়েছে ইন্টারনেট৷ তাই, যে কোন ভিডিও বা ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া যায় মুহূর্তের মধ্যেই৷

সম্প্রতি বিরট কোহলি অনুশকার প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় ইসাবেলাও অভিনেতা সিদ্ধার্থের প্রেমে জড়িয়ে যান। ইসাবেলা ও সিদ্ধার্থকে নিয়ে রসালো গল্প সবে ছড়াতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই এই সেক্স ভিডিওটি সবকিছুতে যেন ছন্দপতন ঘটাতে শুরু করেছে। ইসাবেলার ভিডিওটি প্রকাশ হয়ে পড়ায় সিদ্ধার্থের সাথেও নাকি ইসাবেলার দুরুত্ব সৃষ্টি হতে শুরু করেছে। দুই জনের মধ্যে এখন কথা বলাও এক রকম বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে, ক্যাটরিনা কায়েফ নিজেও তার ফাঁস হয়ে যাওয়া কয়েকটি সেক্স ভিডিও নিয়ে মহা সমস্যার মধ্যে দিনযাপন করছেন। এই নিয়ে রনবীরের সাথেও মন কষাকষি চলছে। এ্ররই মধ্যে ইসাবেলার সেক্স ডিভিওটি তাকে আরো বেকায়দায় ফেলে দিল। সেক্স স্ক্যান্ডাল যেন তার পিছু ছাড়ছে না। 

কোরআন ছুঁইয়ে ভোটারকে শপথ করালেন মন্ত্রী (ভিডিও) !

ভারতের সোসাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে সম্প্রতি একটি ভিডিও ক্লিপ নিয়ে আলোড়ন উঠেছে। ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের সমাজ কল্যান মন্ত্রী সকিনা ইতু নির্বাচনে তাকে সমর্থন দেয়ার জন্য এক বৃদ্ধ ভোটারকে তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন ছুঁয়ে শপথ করাতে জোরাজুরি করেছেন।



রোববার এনডিটিভিতে প্রচারিত ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, কাশ্মীরের ওমর আবদুল্লাহ মন্ত্রিসভার একমাত্র নারী মন্ত্রী মিসেস সকিনা ওই ভোটারকে বলছেন, ‘আমি আপনার মেয়ের মতো। আপনি কোরআন শরিফে হাত রেখে শপথ করুন, অতীতের মতো এবারের নির্বাচনেও আমাদের সমর্থন করবেন।’

সেখানে দেখা যায়, সকিনার চাপের মুখে বৃদ্ধ তাকে এবং তার দলকে সমর্থন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে বাধ্য হন।

এ ঘটনা ভারতের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘণ বলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে কাশ্মীরের ক্ষমতাসীন দল দ্য ন্যাশনাল কনফারেন্স এ ঘটনার সাফাই গেয়েছে। দলটি বলছে, তাদের এলাকায় এ সংস্কৃতি প্রচলিত আছে। তাই মন্ত্রী কোনো ভুল করেননি এবং এতে নির্বাচনী আচরণবিধিও (মডেল কোড অব কন্ডাক্ট) লঙ্ঘিত হয়নি।

মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ রোববার এক টুইটার বার্তায় তার মন্ত্রীর পক্ষ নিয়ে বলেন, ‘আমি সকিনার সঙ্গে এই ভিডিওটির বিষয়ে কথা বলেছি। এটি কয়েকমাস আগের ঘটনা। তখনও কোড অব কন্ডাক্ট ঘোষণা করা হয়নি। কাজেই তিনি কোনো নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘণ করেননি। ওই বৃদ্ধ তার বাবার এক পুরনো কর্মী, যিনি দল ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, সকিনা তাকে দলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছিলেন মাত্র।’

গত ৫ মার্চ ওই নির্বাচনী বিধিমালা ঘোষণা করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন।

তবে ৩ মিনিট ১১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি কবে নাগাদ ধারণ করা হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এখন এটি নিয়েই বিতর্কে মেতে উঠেছে ভারতের সোস্যাল মিডিয়া।

পাল্টাতে হবে পাঠ্যবইয়ের ইতিহাস! এভারেস্ট বিজয়ীর তালিকায় মুসা ইব্রাহীমের নাম নেই! (ভিডিও)


বাংলাদেশের এভারেস্ট জয়ীদের তালিকায় নাম নেই মুসা ইব্রাহীমের, মুসার জায়গায় সেখানে "প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট বিজয়ী" হিসেবে নাম আছে এম এ মুহিত এবং নিশাত মজুমদারের। এভারেস্ট বিজয়ের ৬০ বছরপূর্তি উপলক্ষে 'নেপাল মাউন্টিয়ারিং এসোসিয়েশন (এনএমএ)'র প্রকাশিত স্মরনিকায় ১৯৫৩ সাল হতে ২০১২ সাল পর্যন্ত সারাবিশ্বের ৮২ দেশের ১৩৩ প্রথম এভারেস্ট বিজয়ীর তালিকায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। স্মরণিকাটির সহ-প্রকাশক ছিল ইন্টারন্যাশনাল মাউন্টেইনিং অ্যান্ড ক্লাইম্বিং ফেডারেশন (ইউআইএএ)।
'নেপাল মাউন্টিয়ারিং এসোসিয়েশন (এনএমএ)' নেপাল ভিত্তিক জাতীয় প্রতিষ্ঠান যারা এভারেস্ট এর ৩৩টি পয়েন্ট দিয়ে এভারেস্ট এ ওঠার অনুমতি দিয়ে থাকে। এছাড়া বেসরকারি টিভি চ্যানেল একাত্তর এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে। যেখানে ওই তথ্যের পক্ষে এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিতের বক্তব্য প্রচার করেছে।
একাত্তর টিভির প্রতিবদনে নেপাল মাউন্টেইনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি জিম্বু জাম্বু শেরপা বলেন, এভারেস্ট জয় করা নিয়ে মুসা যে ছবিটি দেখিয়েছে, সেটি চূড়ার নয়। কারণ চূড়ার ছবি এমন হয় না। এটি সাত হাজার ফুট নিচে তোলা ছবি।
নেপাল মাউন্টেইনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের তালিকাটি শুধুমাত্র বিশ্বের বিভিন্ন দেশের "প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী"দের, সেজন্য আরেক এভারেস্ট জয়ী ওয়াসফিয়া নাজনিনের নাম সঙ্গত কারণেই তালিকাতে নেই। কিন্তু প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট বিজয়ীর দাবীদার মুসা ইব্রাহীম এর এভারেস্ট অভিযান নিয়ে আবারও দেখা দিয়েছে বিতর্ক।

ঢাকা বিমানবন্দরে অভিনন্দন জ্ঞাপন
এভারেস্টের তিব্বতের অংশ দিয়ে অভিযান শুরু করে ২৩ মে ২০১০ সালে মুসা ইব্রাহীম পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করেছেন বলে দাবি করেন।
এর আগে ঢাকা হতে প্রকাশিত 'সকাল বেলার পাখি' নামের শিশু সাহিত্য প্রকাশনায় বাংলাদেশের প্রখ্যাত পর্বতারোহী ইনাম আল হক এর 'বাংলাদেশের মানুষ আজ হিমালয়ে দাড়িয়েছে' শীর্ষক এক লেখায় এভারেস্ট জয়ী হিসেবে মূসা ইব্রাহিমের নাম না উল্লেখ করার কারণে মূসা ১১ জনের নামে মানহানির মামলা দায়ের করেন। মামলাটি (পঞ্চম যুগ্ম জেলা জজ আদালত, মামলা নং ৫৪৫/২০১২) বর্তমানে বিচারাধীন আছে।
ওই মামলার কাগজপত্র সূত্রে জানা গেছে, মূসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয় নিয়ে দেওয়া নানা তথ্য এবং বাস্তব তথ্যের অনেক অমিল আছে। এছাড়া ইতোপূর্বে অন্নপূর্ণা-৪, ফ্রে পিক, চুলু ওয়েস্ট, লাংসিসারি পর্বত জয় নিয়েও নানা গরমিল এবং বানোয়াট তথ্য দিয়েছেন মূসা ইব্রাহীম, যা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য এবং মূসার নিজের লেখা বই এর তথ্যের সাথে সাংঘর্ষিক। এছাড়া মূসার বিভিন্ন পর্বতাভিযানের গাইড এবং সাক্ষী নেপালি নাগরিক সোম বাহাদূর তামাং এর যোগ্যতা, দক্ষতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এই বিষয়টি যদি সত্যি বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে বাংলাদেশের পাঠ্য বইগুলোতে এই সম্পর্কিত সংশোধন করতে হবে। বাংলাদেশে ইতিহাস বিকৃতির যে ধারা তৈরী হয়েছে, এটাও সেই কাতারে যোগ হবে।
বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক গণমাধ্যম এবং পর্বতারোহীদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
আপডেট: ৩০ মার্চ ২০১৪
একাত্তর সংযোগ: প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নিয়ে বিতর্ক (ভিডিও)
'নেপাল পর্বত' স্মরণিকায় প্রকাশিত প্রথম এভারেস্ট জয়ীদের পূর্ণ-তালিকা
মুসা ইব্রাহীমকে নিয়ে একাত্তর টিভির সংবাদ
মূসা ইব্রাহীম এর এভারেস্ট বিজয় বির্তক, সামাজিক গণমাধ‌্যমে ঝড় 
মুসা ইব্রাহীম, প্রথম আলো এবং বিডিনিউজ বিতর্ক - লিখেছেন মাসকাওয়াথ আহসান
মুসা ইব্রাহীমের উপর সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পর সাংবাদিক/সম্পাদক গোলাম মুর্তোজার ফেসবুকে স্ট্যাটাস
নেভারেস্ট: পর্ব ১ - সচলায়তন, লিখেছেন হিমু
মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয় সংক্রান্ত এক হালি ''প্রায় অজানা'' তথ্য - লিখেছেন আসিফ এনতাজ রবি
মুসা ইব্রাহিমের ছবিগুলো - লিখেছেন আরিফ জেবতিক (তারিখ: সোম, ১১/১০/২০১০)
মুসা ইব্রাহীম-এর এভারেস্ট জয়, বিতর্ক, বাস্তবতা ও বিবিধ… - বাংলা ব্লগ, মহাজাগতিক ত্রিভুজ
এভারেস্ট জয়ের সনদ পেলেন মুসা ইব্রাহীম - আরাফাতুল ইসলাম, ডয়েচে ভেল (২৬ মে, ২০১০)
মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয় : অবশেষে ভুল স্বীকার এবং কিছু কথা - লিখেছেন নিঃসঙ্গ শেরপা (১৪ ই অক্টোবর, ২০১০)
It's now official:: China Tibet Mountaineering Assoc hands Musa certificate for conquering Everest - The Daily Star (Thursday, May 27, 2010)
মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয় (প্রথম আলো, ২৩-০৫-২০১০)
এভারেস্টে বাংলাদেশ (প্রথম আলো, ২৪-০৫-২০১০)

৫০ হাজার টাকায় বিরল আইড় মাছ

মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ফেরি ঘাটে পদ্মা নদীতে শনিবার ভোরে মেছের আলী নামে এক জেলের জালে ৫৭ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি আইড় মাছ ধরা পড়েছে। মাওয়া মৎস্য আড়তে বিরল এই মাছের পাইকারি দাম ওঠে ৫০ হাজার টাকা।

মাছটির শিকারী শ্রীনগর উপজেলার ভ্যাগ্যকুল এলাকার মেছের আলী জানান, এটি তার জীবনের স্মরনীয় ঘটনা। প্রায় দুই দশক ধরে তিনি মাছ শিকার করছেন। এত বড় মাছ আগে কখনও তার জালে ধরাতো দূরের কথা, এতবড় আইড় মাছ তিনি কখনই দেখেননি।

তিনি জানান, সকাল ৭ টার দিকে তাজা মাছটি বিক্রি করতে মাওয়া মৎস্য আড়তে হাজী মো. মজিদ শেখের গদিতে নিয়ে আসেন। এখানে মাছ দেখার জন্য ভিড় পড়ে যায়। পরে পাইকার মো. মোকলেছ, জাহাঙ্গীর, রাজিব ও খোরশেদ চারজন মিলে মাছটি কিনে বিক্রির জন্য রাজধানী ঢাকায় নিয়ে যান। তাদের আশা ঢাকায় নিয়ে এমন একটি সুস্বাধু মাছের দাম লাখ টাকায বিক্রি করতে পারবেন।

আড়তদার মজিদ শেখ বলেন, “ঐতিহ্যবাহী এ মাওয়া মৎস্য আড়তে আমি এতো বড় বাঘা আইড় আর কখনো দেখিনি।


ব্রাজিলে নগ্ন ছবিতে ভরে উঠেছে ফেসবুক

ধর্ষণের কথা এলেই অনেকেই নারীর পোশাক আশাক নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন। তাদের ভাবটা এমন যেন খালি পোশাকের কারণেই তারা ধর্ষিতা হচ্ছে। ব্রাজিলও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি এক জনমত জরিপে দেখা যায়, আবেদনময় পোশাকের কারণেই নাকি নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। এই জরিপের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর ক্ষেপেছে ব্রাজিলের তরুণ সমাজ। সনাতনী এ ধারণার বিরুদ্ধে তারা অভিনব প্রতিবাদে নেমেছে। সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে নগ্ন হয়ে ছবি প্রকাশ করতে শুরু করেছে তারা। সঙ্গে সেঁটে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন বক্তব্য।

ব্রাজিলের ইনস্টিটিউট ফর অ্যাপলাইড ইকোনমিকস রিসার্স পরিচালিত জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ধর্ষণে পোশাকের কোনো ভূমিকা আছে কি না? জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৬৫ দশমিক ১ ভাগ মনে করেন, দৃষ্টিকটূ পোশাক পরার কারণেই নারীরা ধর্ষণ বা ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়ে থাকেন। ৩ হাজার ৮১০ জনের ওপর ওই জরিপটি চালানো হয়। মজার বিষয় হলো, জরিপে অংশ গ্রহণকারীদের অর্ধেকের বেশি ছিল মেয়ে।

ওই সংস্থাটি আরো জানায়, ব্রাজিলে ৫০ দশমিক ৭ ভাগ ধর্ষণের শিকার হন ১৩ বছরের নিচের বয়সীরা। মাত্র ১০ ভাগ ধর্ষণের ঘটনা রিপোর্ট করা হয়ে থাকে। বলাবাহুল্য নারীরাই বেশি ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকেন। ২০১১ সালে ব্রাজিলে যেসব ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল তাদের ৮৯ ভাগ ছিল নারী। সব মিলিয়ে ব্রাজিলের মোট জনসংখ্যার ০.২৬ ভাগ মানুষ ধর্ষণের শিকার হয়।

ওই জনমত জরিপ প্রকাশিত হওয়ার পর বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন সে দেশের নারীরা। দেশের ফেসবুক ও টুইটার ভরে উঠেছে অর্ধ নগ্ন বা নগ্ন ছবিতে। এমনই এক স্বল্প পোশাকের এক ছবির নিচে লেখা ছিল, ‘আমি ধর্ষিত হতে চাই না।

একজন নারী এক ফুটবল খেলোয়াড়ের ছবি নিয়ে যে ছবি পোস্ট করেছেন তাতে লেখা আছে, তিনি অশ্যই ধর্ষিত হতে চান।

অনেক পুরুষও নারীদের পক্ষে প্রচারণায় নেমেছেন। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে চালানো প্রচারণায় তারা বলছেন, কোনো মেয়েই ধর্ষিত হতে চান না।

পোশাক সংক্রান্ত ধারণার বিরুদ্ধে সোস্যাল মিডিয়ায় সর্বপ্রথম যিনি প্রচারণায় নেমেছিলেন তিনি হলেন সাংবাদিক নানা কুয়েরসো।গত শুক্রবার রাত ৮টা থেকে তিনি এ প্রচারণা শুরু করেন। তিনি তাদের প্রতি সোস্যাল মিডিয়ায় পোশাকসহ বা পোশাক ছাড়া ছবি পোস্ট করার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানান। এরপর রোববার থেকে এ সংক্রান্ত পোস্ট আসতে শুরু করে। এসব ছবি গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

এক যুবক এ সম্পর্টে টুইটারে লিখেছেন, কোনো মেয়েই ধর্ষিত হতে চায় না, তা সে যে ধরনের পোশাকই পরুক না কেন। আমি সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, আমার পুরুষ পরিচয় নিয়ে আমি লজ্জিত।

জন্মদিনে উদ্ভট পোশাকে লেডি গাগা


বিনোদন : নিজেকে লাইম লাইটে আনার কোনো সুযোগই মিস করেন না পপতারকা লেডি গাগা। আর সে ব্যাপারে বরাবরই যে পন্থা নিয়ে থাকেন গাগা, নিজের জন্মদিনেও ঠিক সেই কায়দাতেই সেলিব্রেট করে ফেললেন নিজের পপুলারিটি। অর্থাৎ গাগার ফ্যাশন চমক। শুক্রবার নিজের জন্মদিনে নিউ ইয়কের্র বলরুমে স্বচ্ছ বার্থডে স্যুট পরে একেবারে নিজের কায়দায় ঘুরে বেড়ালেন। 
পোশাক সম্পর্কে গাগার কাছে জানতে চাইলে গাগা বলেন, জন্মদিনকে সঠিক অর্থে সেলিব্রেট করতেই আমার এই পোশাক পরা। এই পোশাকের মধ্যে দিয়েই জন্মের সময়কে সেলিব্রেট করতে চাই। তবে শুধু পোশাক দর্শন নয়, বলরুমে সেদিন গানের মধ্যে দিয়েও উদযাপন করলেন নিজের জন্মদিন। গানের মধ্যে দিয়ে মা, বাবা, বন্ধুদের ধন্যবাদ জানালেন পাশে থাকার জন্য। গানে গানে নিজের প্রিয় মানুষের প্রতি প্রেমও প্রকাশ করে ফেললেন লেডি গাগা। 

তিরস্কারের পুরস্কার পেলেন আমির, সোনাক্ষী, দীপিকা


গোল্ডেন কেলায় তিরস্কারের পুরস্কার পেলেন আমির, সোনাক্ষী, দীপিকা বলিউডে খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য আয়োজিত কেলা অ্যাওয়ার্ডস-এবার বড় চমক। এবারের গোল্ডেন কেলা অ্যাওয়ার্ডসে পুরস্কার (বলা ভাল তিরস্কার) জিতলেন আমির খান। গতবারের মত এবারও সবচেয়ে খারাপ অভিনেত্রীর কেলা পুরস্কার পেলেন সোনাক্ষী সিনহা (আর রাজকুমার সিনেমার জন্য)। সবচেয়ে খারাপ অভিনেতার কেলা পুরস্কার পেলেন অজয় দেবগন (হিম্মাতওয়ালা)। গতবারও সন অফ সর্দারের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছিলেন অজয়। `রামলীলা` সিনেমা বক্স অফিসে দুরন্ত ফল করলেও কেলা অ্যাওয়ার্ডসে সবচেয়ে খারাপ পরিচালকের শিরোপা পেলেন সঞ্জয় লীলা বানশালী (রামলীলার জন্য)। বছরের সবচেয়ে খারাপ গানের জন্য কেলা অ্যাওয়ার্ডস দেওয়া হল পার্টি অল নাইট গানটিকে (বস সিনেমায় ব্যবহূত)। ধুম থ্রিতে খারাপ অভিনয়ের জন্য বাবরা হো গেয়া কেয়া (The Baawra Ho Gaya Hai Ke)-কেলা পুরস্কার পেলেন আমির খান। সহ অভিনেত্রী হিসাবে হতাশ করায় কেলা পেলেন আমিশা প্যাচেল, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ,দীপিকা পাড়ুকোন (রেস টু)। আর নেওয়া যায় না (দিস ইজ টু মাচ)-বিভাগের কেলা পুরস্কার পেলেন বিবেক ওবেরয়। অনেক হয়েছে (বস বহত হো গ্যায়া)-কেলা পেলেন সানি দেওল। ২০১৪-র সারা বছর ধরে সবাইকে হতাশ করলেন যাঁরা, তাঁদেরই পুরস্কৃত করা হয় গোল্ডেন কেলা অ্যাওয়ার্ডসে। তবে কেলা অ্যাওয়ার্ডের ঠিক উল্টো প্রশংসার অ্যান্টি কেলা জিতল `সাহেব বিবি গ্যাংস্টার`, `গো গোয়া গন`, `লাঞ্চবক্স`। স্বাভাবিকভাবেই তিরস্কারের পুরস্কার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন না কোনও বলিউড তারকাই। ব্যতিক্রম একমাত্র পরিচালক অভিষেক শর্মা, `তেরে বিন লাদেন` সিনেমার পরিচালক। সারা বছর ধরে সবাইকের হতাশ করেন যাঁরা, তাঁদেরই পুরস্কৃত করা হয় বার্ষিক গোল্ডেন কেলা অ্যাওয়ার্ডস। তিরস্কারের পুরস্কারে কেলা জিতলেন আমির, সোনাক্ষী, দীপিকা 

সাল্লুকে ক্যাটের চ্যালেঞ্জ


কিছুদিন আগেই খবরে ছিল বলিউডের দাবাং খান সালমান খানের ‘কিক’ ছবির শ্যুটিংয়ে গুরুতরভাবে আহত হন সালমানের বডি ডাবল৷ সালমানের হয়েই এক অ্যাকশন দৃশ্য শ্যুটিং করতে গিয়েই আহত হয় এই স্টান্টম্যান৷ ঘটনায় সাল্লু দুঃখিত হলেও, নিজে স্টান্ট করার ঝুঁকি কিন্তু নিতে পারেনি বিন্দাস সালমান৷ উল্টো দিকে সালমানের এক সময়কার গার্লফ্রেন্ড ক্যাটরিনা কাইফ নিজেই নিজের স্ট্যান্ট করতে ব্যস্ত৷ ক্যাটরিনা তাঁর নতুন দুই ছবি ‘ব্যাং ব্যাং’ ও ‘ফ্যান্টম’-এ অ্যাকশন দৃশ্যগুলো নিজেই করছেন শ্যুটিং৷ এমনকি পরিচালক বডি ডাবল নিতে বললে আপত্তি জানিয়েছেন ক্যাটরিনা৷ জানা গিয়েছে, উঁচু পাহাড় থেকে লাফ দেওয়ার একটি দৃশ্য রয়েছে ‘ফ্যান্টম’ ছবিতে৷ অন্যদিকে ‘ব্যাং ব্যাং’ ছবিতে এক বাইকের দৃশ্যেও ক্যাট শ্যুটিং করেছেন নিজেই৷ সালমানের বডি ডবলের আহত হওয়ার কথা কানে যেতেই ক্যাট নাকি বলেছেন, ‘সাল্লুর থেকে দেখছি আমিই বেশি সাহসী৷ এক থা টাইগারের সিকোয়েল হলে আমিই এবার নায়ক হব৷’

২৫ কেজি ওজন কমিয়েছেন অপু বিশ্বাস!

দীর্ঘদিন পর মুক্তি পেতে যাচ্ছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস অভিনীত নতুন ছবি ‘ডেয়ারিং লাভার’। পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ১১ এপ্রিল। ছবিতে অভিনয়ের জন্য চরিত্রের প্রয়োজনে প্রায় ২৫ কেজি ওজন কমিয়েছেন বলেই জানিয়েছেন অপু বিশ্বাস।

অপু বিশ্বাস অভিনীত সর্বশেষ ছবি ‘মাই নেম ইজ খান’। বদিউল আলম খোকন পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল গত বছরের ঈদ মৌসুমে। এরপর অপু অভিনীত নতুন কোনো ছবি আর মুক্তি পায়নি।  দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার পর অবশেষে ‘ডেয়ারিং লাভার’ ছবির মাধ্যমে নতুন রূপে রুপালি পর্দায় ফিরছেন অপু বিশ্বাস।

বদিউল আলম খোকন পরিচালিত ‘ডেয়ারিং লাভার’ ছবিতে অপুর বিপরীতে আছেন শাকিব খান। এসএম ফিল্মস ইন্টারন্যাশনাল প্রযোজিত এ ছবি নিয়ে দারুণ আশাবাদী অপু। এ প্রসঙ্গে তাঁর ভাষ্য, ‘আশা করছি, রোমান্টিক কমেডিনির্ভর এই ছবিতে ভক্ত ও দর্শকরা আমাকে নতুন রূপে দেখার সুযোগ পাবেন। ছবির চরিত্রের প্রয়োজনে আমি প্রায় ২৫ কেজি ওজন কমিয়েছি। আমার বিশ্বাস, শাকিব খানকে নিয়ে আবারও একটি ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিতে পারব।’

‘ডেয়ারিং লাভার’ ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন আলী আকরাম শুভ। কাহিনি লিখেছেন কমল সরকার।

গৃহবধূর সাথে চাকরের অবৈধ সম্পর্ক (ভিডিও, শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্ক বিবাহিতদের সতর্কতার জন্য )

রাজেশ সিনহা এক তরুণ ব্যবসায়ী, তার নিজস্য স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রাংশ নির্মান এর কারখানা ছিল দিল্লির কাছেই এক শহরতলি তে রাজেশ সদ্য বিবাহিত ছিল, তার স্ত্রীর নাম মাধবী সিনহা, মাধবী সিনহা কে শুধু অপরূপ সুন্দরী বললে কম বলা হবে তারা রাজেশ এর বাবা মা এর সঙ্গে এক বিশাল বাংলো বাড়িতে থাকত রাজেশ ও মাধবী সিনহা সদ্য তাদের হানিমুন থেকে ফিরেছে..যদিও বিয়ের আগে মাধবী সিনহার বহু ছেলের সাথেই প্রেম ছিল..আজকালকার মেয়েদের যেমন থাকে..কিন্তু তাই বলে মাধবী সিনহা নিজের কুমারীত্ব হারায়নি।

মাধবী সিনহা খুব এ কামুক এক যুবতী..২২ বছর বয়েস তার..শরীরে যৌবন ভরে আছে..যেহেতু মাধবী সিনহা এক অসাধারণ সুন্দর ও কামুক শরীর এর অধিকারী তাই সে যেন আশেপাশের সকল পুরুষ এর যৌনতার টার্গেট হযে গেল..
এমনকি কিছু মহিলাও তাকে পাওয়ার লোলুপভাবে আশা করতে লাগলো..
অত্যন্ত কামুকি হওয়ায়ে মাধবী সিনহার এই অন্য পুরুষএর তার প্রতি আসক্তি ভালই লাগত..তার মাথাতেও 
সারাদিন নিজের কামক্ষুধা মেটানোর চিন্তা ঘুরত..
রাজেশ ব্যবসায়ে ব্যস্ত থাকত এবং সারাদিন খেটে অনেক রাত করে বাড়ি ফিরত

এর এই সুযোগেই মাধবী তার কাজের লোকের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে বাকীটা দেখুন ভিডিওতে...

সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ে মনের কথা শুনুন


কেউ সত্য না মিথ্যা বলছে, তা নির্ণয়ে অচেতন মনের ভেতর থেকে আসা প্রথম প্রতিক্রিয়াটাকেই গুরুত্ব দিন। মনোবিজ্ঞানের গবেষকেরা বলছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ে আমাদের মৌল প্রবৃত্তি আমাদের বিচারবুদ্ধির চেয়ে বেশি সঠিক। তবে অচেতন মনের কথা শোনার চর্চা বাড়াতে পারলে এসব বিষয়ে মানুষের সক্ষমতা বাড়তে থাকে। ‘সাইকোলজিকাল সায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণার বরাত দিয়ে বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার লেয়ান টেন ব্রিংকে এবং তাঁর সহযোগী মনোবিজ্ঞানীরা এ গবেষণা পরিচালনা করেছেন। এতে দেখা গেছে, সচেতন চিন্তাভাবনার মধ্য দিয়ে বেশির ভাগ সময়ই সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ে ব্যর্থ হয়েছেন পরীক্ষণে অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবকেরা। কিন্তু যখন বিষয়টা নিয়ে চিন্তাভাবনা না করে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় নিজের অচেতন মনে যা এসেছে, তাকেই সঠিক বলে ধরে নিয়েছেন, তখন দেখা গেছে তাঁরা মিথ্যা শনাক্তকরণে বেশি সফল হচ্ছেন।

গবেষকেরা এ ঘটনায় অবাক হয়েছেন জানিয়ে লেয়ান টেন ব্রিংকে বলেন, ‘যদি মিথ্যা নির্ণয়ে আমাদের সক্ষমতা সচেতন মনের মধ্যে না থাকে, তাহলে আমরা তা নিয়ে বেশি চিন্তাভাবনা করে তা কখনোই বের করতে পারব না। তাই আমরা ভাবছি যে অচেতন মনে এ ঘটনার একটা ব্যাখ্যা হতে পারে।’

কেউ সত্য না মিথ্যা বলছে, তা বোঝার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বেশির ভাগ মানুষ বক্তার মুখের ভঙ্গি, বক্তার চেহারায় দুর্বলতার ছাপ আছে কি না বা তিনি অপ্রতিভ হয়ে যাচ্ছেন কি না ইত্যাদি সূত্র ধরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় ভালো ফল পাওয়া যায় না বলে তাঁরা পরীক্ষণে দেখতে পেয়েছেন।

একই সঙ্গে গবেষকেরা লক্ষ করেছেন, শিম্পাঞ্জির মতো স্তন্যপায়ী প্রাণীরা ‘প্রতারণা’ বা ‘মিথ্যা’র বিষয়টি দ্রুতই বুঝতে পারে এবং এ বিষয়ে সক্ষমতার বিষয়টিকে বিবর্তন বা টিকে থাকার লড়াইয়ে তাদের সাফল্যের একটা বড় কারণ বলে মনে করা হয়।

বিষয়টা পরীক্ষার জন্য গবেষকেরা স্বেচ্ছাসেবকদের একটা চুরির ঘটনার (সাজানো) ভিডিও দেখতে বলেন। ওই ঘটনায় একটা বইয়ের তাক থেকে ১০০ ডলার চুরি হয় এবং সন্দেহভাজন বেশ কিছু মানুষের চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড দেখানো হয়। সবাইই বলেন যে তাঁদের কেউই টাকাটা চুরি করেননি। পাত্র-পাত্রীদের মধ্যে কে মিথ্যা বলছেন, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করে মাত্র ৪৩ ভাগ ক্ষেত্রে মিথ্যাবাদীদের এবং ৪৮ ভাগ ক্ষেত্রে সত্যবাদীদের চিহ্নিত করতে পেরেছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা।

পরবর্তী আরেকটি পরীক্ষায় ওই চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজনদের এই ছবি দেখানো হয় স্বেচ্ছাসেবকদের। ছবির সঙ্গে ‘সত্ বা অসত্’, ‘সত্যবাদী বা মিথ্যাবাদী’ এমন কিছু শব্দও বলা হয়। আর ছবি ও শব্দ দেখে তাত্ক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে বলা হয় স্বেচ্ছাসেবকদের। দেখা যায়, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জবাব দেওয়ার সময় আগের পরীক্ষার চেয়ে ভালো করেছেন অংশগ্রহণকারীরা।

আমাজনে সন্ধান মিলল নতুন গোত্র, যেখানে নগ্নতাই নেই কোন লজ্জা


ব্রাজিলের আমাজন জঙ্গলে বর্তমান দুনিয়ার সাথে পুরোপুরি সম্পর্কহীন একটি গোত্রের সন্ধান মিলেছে। পেরুর সীমান্ত-সংলগ্ন এলাকায় তাদের বাস। তাদের সদস্য সংখ্যা ২০০। ম গোত্রটির নাম অ্যাানিনকা।
তাদের সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য নেই। বর্তমান দুনিয়া সম্পর্কে তারাও বেখবর ছিল। এমনকি আকাশপথে তারা বিমানও উড়ে যেতে দেখেনি বলে তারা দাবি করেছে।
ব্রাজিল সরকার দাবি করছে, তারা ইচ্ছা করেই তাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। তারা যেভাবে আছে, সেভাবেই তাদের রেখে দেয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।
তবে বর্তমানে সেখানে গাছ কাটা, খনি খনন, গবাদি পশুচারণ ভূমি তৈরি ইত্যাদি শুরু হওয়ায় তাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছিল। আর তাই তাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়। তারা তাদের ভূমি সুরক্ষা করার দাবি জানিয়েছে। আর কিছু চাওয়া নেই তাদের।




মৃত্যুর সাত দিন পর পুনরায় জীবিত হলেন

আপনাকে যদি বলা হয় কোনও এক ব্যক্তি মৃত্যুর সাত দিন পর পুনরায় বেচে উঠেছে। তাহলে আপনি কি এই কথাটা বিশ্বাস করবেন? নিশ্চয়ই আপনি বিশ্বাস করবেন না। কারণ আমরা সবাই জানি মানুষ মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হতে পারে না। কিন্তু অবাক এই পৃথিবীতে কখন কি যে ঘটে সেটা বোঝা সত্যিই কষ্টকর। মানুষ পুনরায় জীবিত হতে পারে না কিন্তু অবাক এই পৃথিবীতে মৃত্যুর পর জীবিত হয়েছেন এক ব্যক্তি।


কি বিশ্বাস হচ্ছে না? বিশ্বাস না হওয়ারই কথা। তাহলে আসুন আমরা জানার চেষ্টা করি প্রকৃত ঘটনাটি কী!কিছুদিন আগে চীনে ঘটেছে এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটি। চীনের গুয়াংজি প্রদেশের লিউলৌ গ্রামের ৯৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা লি জিউফ্যাং ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে হঠাৎ মাথায় আঘাত পান। এই আঘাত পাওয়ার কয়েকদিন পর থেকে তাকে আর ঘরের বাইরে বেরোতে দেখা যাচ্ছিল না। দুদিন পরও তাকে দেখতে না পেয়ে প্রতিবেশীরা জিউফ্যাংয়ের ঘরে যান সে কেন ঘর থেকে বাহির হচ্ছে না তা দেখার জন্য। প্রতিবেশীরা তার ঘরে গিয়ে দেখেন নিথর দেহে বিছানায় পড়ে আছেন স্বামী-সন্তানহীন ওই বৃদ্ধা। প্রতিবেশীরা তার পাশে এসে দেখেন জিউফ্যাংয়ের শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ এবং শত ডাকার পরও কারও ডাকে সাড়া দিচ্ছেন না তিনি, যদিও তার শরীর ছিল গরম। জিউফ্যাংয়ের এই অবস্থা দেখে শেষমেশ গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠরা ১৮ ফেব্রুয়ারি সভা ডেকে জিউফ্যাংকে মৃত ঘোষণা করেন। সেখানকার স্থানীয় রীতি অনুসারে জিউফ্যাংয়ের দেহ শেষ শ্রদ্ধার জন্য কফিনে ভরে কয়েকদিন তার নিজ বাড়ির উঠানে রেখে দেওয়া হয়। প্রতিবেশীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, তারা ২৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে জিউফ্যাংকে সমাহিত করবেন।



কিন্তু ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে জিউফ্যাংয়ের উঠানে এসে সবার চোখ ছানাবড়া। সবাই তার উঠানে এসে দেখেন কফিনের দরজা খোলা আর সেখানে জিউফ্যাংয়ের মৃতদেহটি নেই। সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়ে যায় কিন্তু কোথাও পাওয়া যায় না জিউফ্যাংকে। অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর গিয়ে দেখা যায়, জিউফ্যাং তার রান্নাঘরে রান্না করছেন। ভূত ভেবে সবাই প্রথমে ঘাবড়ে যান। এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠরা বৃদ্ধা জিউফ্যাং এর কাছে এগিয়ে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ঘুমিয়ে থাকার পর তার অনেক ক্ষুধা পেয়েছিল, তাই খাবারের খোঁজে তিনি রান্নাঘরে এসেছিলেন। কিন্তু রান্নাঘরে খাবার কিছু না পেয়ে এখন তিনি রান্না করতে বসেছেন। জিউফ্যাংয়ের এই ঘটনা স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

জিউফ্যাংয়ের এই অবাক করা ঘটনাটি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই ঘটনা নিয়ে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই ধরনের সমস্যাকে বলা হয় ‘আর্টিফিশিয়াল ডেথ’। ছোট-বড় আঘাতের কারণে রোগী অনেক সময় দীর্ঘ সময়ের জন্য নিস্তেজ হয়ে পড়তে পারে এমন কি তার শ্বাস-প্রশ্বাসও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে নির্দিষ্ট সময় পর শ্বাস-প্রশ্বাস আবারও স্বাভাবিকভাবে তার কাজ শুরু করে।

জিউফ্যাংকে আবারও জীবিত অবস্থায় কাছে পেয়ে খুবই খুশি হয়েছে তার প্রতিবেশীরা। মৃতদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধার জন্য কিছুদিন কফিনে সংরক্ষণ করে রাখার রীতিই আবারও জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে জিউফ্যাংকে, নতুবা প্রথম দিনেই সমাহিত করা হয়ে যেত তাকে। জিউফ্যাংয়ের ফিরে আসা আনন্দের বিষয় হলেও দুঃখের বিষয় হচ্ছে জীবিত থেকেও তিনি এখন পুরোপুরি নিঃস্ব। কারণ সেখানে আরেকটি স্থানীয় প্রচলিত নিয়ম রয়েছে। আর সেটি হচ্ছে, মানুষ মৃত্যু বরণ করলে সেই মৃত ব্যক্তির ব্যবহৃত আনুষঙ্গিক সব জিনিস পুড়িয়ে ফেলা হয়। তাই দরিদ্র বৃদ্ধা জিউফ্যাং লম্বা ঘুম ভেঙে উঠে দেখেন তাকে মৃত ভেবে তার একমাত্র সম্বল সামান্য কয়েকটি পোশাক, স্যান্ডেল আর আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র যা ছিল তার সবই পুড়িয়ে ছাই করে ফেলেছে স্থানীয়রা। তবে জিউফ্যাংয়ের প্রতিবেশীরা তার ফিরে আসার কারণে খুবই খুশি। কারণ তারা তাদের প্রিয় প্রতিবেশীটাকে তাদের চোখের সামনে দেখতে পারবে আরও কয়েক দিন, মাস বা বছর।

সুখের চাবিকাঠি: i love u


দিনে কতবার নিজের স্ত্রীকে আই লাভ ইউ বলেন? ভাবছেন, ১০ বছর সংসার করে প্রেমের আর বাকি কী আছে যে কাব্য করব৷ তাই তো? আরে মশাই আপনাদের এমন ব্যবহারেই সংসার জীবন লাটে উঠতে বসেছে, সেটা জানেন কি? এই তিনটে ম্যাজিকাল শব্দ একেবারে বদলে দেবে আপনার ম্যারম্যারে দাম্পত্যকে৷ বানিয়ে বানিয়ে আষাঢ়ে গল্প একেবারেই বলছি না৷ সম্প্রতি গবেষকদের এক হাতেকলমে পরীক্ষায়  উঠে এসেছে এই তথ্য৷ তারা বলছেন, সপ্তাহে অন্তত ১০ বার আই লাভ ইউ বললে আর সঙ্গে ১০টি রগরগে চুমু খেলে হ্যাপি কাপল লাইফ এক্কেবারে পাক্কা! একটি ওয়েবসাইটের করা এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আমেরিকার প্রায় ৯২ শতাংশ দম্পতি নিজেদের অত্যন্ত সুখী হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন৷  এদের মধ্যে ভালোবাসা প্রকাশের বেশ কয়েকটি মাধ্যম দেখা গিয়েছে৷ তারা প্রত্যেকেই মাসে অন্তত তিন বার ঘুরতে যান, একে অপরকে রোমান্টিক সারপ্রাইজ দেন৷ আর অবশ্যই একে অপরকে অনেকটা করে সময় দেন৷ গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে ঝগড়ার গুরুত্বও অপরিসীম৷ কিন্তু, তাই বলে সেটা জিইয়ে রাখলে চলবে না৷ ক্ষমাও যেমন চাইতে হবে, তেমনই ক্ষমা করেও দিতে হবে৷ সপ্তাহে তিনবার যৌন মিলনও দীর্ঘদিনের বিবাহিত জীবনকে নতুন মাত্রা দিতে পারে৷ হাল ফ্যাশানে বিয়ে চাইলেই করা যায়৷ কিন্তু, কথা হচ্ছে এই বিয়ে টিকবে ক’দিন? বিয়ে টিকিয়ে রাখতে সবচেয়ে জরুরি অপরের জন্য সময় বের করা৷ অনেক তো বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া, রাগারাগি করলেন৷ এই বোরবারের বাজারে একবার জড়িয়ে ধরে ‘আই লাভ ইউ’ বলে একটা রগরগে চুমু খেয়েই দেখুন না৷ প্রেমের পারদ চড়তে বেশি সময় লাগবে না৷ এটা হলফ করে বলছেন গবেষকরা৷

তিনশোরও বেশি মানুষের সাথে সেক্স করার দাবি তরুণীর


সংবাদ : ১৬ বছর বয়স থেকে এখনও পর্যন্ত তিনশোরও বেশি মানুষের সাথে সেক্স করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিনে পাঁচ বার সেক্স করতে পারেন, তা-ও আবার ৫ ঘণ্টা করে। এমনই দাবি লন্ডনের বাসিন্দা নেসা জে নামে এক যুবতীর। তিনি সেক্স টয় পরীক্ষা করার কাজ করেন। এই পেশাও অনেকাংশে তাঁর সেক্সের ইচ্ছা পুরো করে থাকে। নেসা সেক্স অ্যাডিকশনের শিকার। বর্তমানে তাঁর চিকিত্‍‌সা চলছে। নেসা জানিয়েছেন, ১৬ বছর বয়সে সে প্রথম সেক্স করেন। এর পর থেকেই তিনি সেক্সের প্রতি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। বেশ কয়েকবার তিনি সুপার মার্কেটের মতো জায়গায় ঘোরাফেরা করার সময়ে অচেনা লোকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে তাঁদের বাড়ি আসার আমন্ত্রণ জানাতেন। নেসার এ-ও দাবি, তিনি এক দিনে লাগাতার ৫ ঘণ্টা সেক্স করে যেতে পারেন। এই অভ্যাসকে চিকিত্‍‌সাক্ষেত্রে হাইপারসেক্সুয়াল বলা হয়। নেসা জানায় যে, সেক্স না-করলে তিনি রেগে যান। এমনকি সেক্স পার্টনার নির্বাচনের আগে, তিনি তাঁদের সঙ্গে কথা বলে জেনে নেন, যে তাঁরা তাঁর ক্ষতি করবে কী না? সে জানায়, ‘আমি যদি মনে করি যে সব ঠিক আছে, তা হলে তাঁকে নিয়ে আমরা বাড়ি যাই।’ শুধুই পুরুষ নয়। মহিলা বা কম বয়সিদের সঙ্গে সেক্স করতেও তিনি পছন্দ করেন বলে জানিয়েছেন নেসা।

নারীর মন জয় করার আগে ৭টি বিষয় জেনে রাখুন


সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় পুরুষেরা কিভাবে মেয়েদের মন যোগাতে পারবে বা ভালোভাবে বুঝতে পারবে এ বিষয়টি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ সমীক্ষার ভিত্তিতে সাতটি পয়েন্ট এখানে উল্লেখ করা হলো। এ বিষয়ে এক প্রতিবেদনে বিষয়টি প্রকাশ করেছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া। ১. নারীদের ক্ষেত্রে যেসব ছেলে তাদের কথা শোনে তাদের মতো আকর্ষণীয় পুরুষ আর হয় না। পুরুষ তাদের কোনোকিছু বলতে চাইলে তারা শুনতে দ্বীধা করে না। তবে মুখোমুখি কথাবার্তা সবচেয়ে ভালো বিষয়। ২. প্রশংসা নারীদের মন জয় করার জন্য কার্যকর। তারা যা করছে, সেসব কাজের স্বীকৃতি ও মৌখিকভাবে সমর্থন দিতে পারলে তার ফলাফল ভালো হয়। ‘তোমার চুল আজকে দারুণ লাগছে’ কিংবা ‘আজকের রান্নাটা অসাধারণ হয়েছে’ কাজের বিষয়ে এ ধরনের সামান্য স্বীকৃতিও বাস্তবে ভালো ফলাফল দিতে পারে। ৩. অর্থ খরচের ক্ষেত্রে পুরুষকে এগিয়ে যাওয়াটাই ভালো। ডেটিংয়ের ক্ষেত্রে তাকে যদি আবার দেখতে চান তাহলে নিজেই খাবারের বিলটা মিটিয়ে দিন। ৪. তাদের সামাজিক জীবনের বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে দুটো বাধা থাকে। প্রথমত, যেসব পুরুষ তাদের বিষয়ে সাধারণত কিছু করে না, এবং আকর্ষণীয় কাজ কদাচিৎ করে থাকে। এদের অনেক সময় নারীরা আকর্ষণীয় মনে করে। দ্বিতীয়ত, একজন পুরুষ যিনি অনেক কিছু করেন, নারী চায় সেসবের পাশাপাশি সে তাকে কিছুটা সময় দিক। ৫. উপহার অনেক ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর হয়। বিশেষ করে নারীর মন যোগাতে তা পারদর্শী। ৬. ফিটফাট ভালো পোশাকের গুরুত্ব রয়েছে। নারীরা আকর্ষণীয় পোশাকের পুরুষের প্রতি বেশি আকর্ষণবোধ করে। ৭. কোনো স্থানের দিকনির্দেশনা যদি পুরুষের জানা না থাকে তাহলে সে বিষয়ে জানার ভান না করাই ভালো। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই অজানা বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

ভিডিওটি দেখার পর মন থেকে কেঁদে দিতে বাধ্য হবেন।

 

এপর্যন্ত অনেক ভিডিও দেখেছেন কিন্তু আজ এই ভিডিও টা দেখুন কীভাবে জাহেলি যুগে কন্না শিশুদের জিবন্ত কবর দেয়া হতো । ভিডিও টা দেখার পর যদি আপনার হৃদয় নারা দেয় তাহলে প্লিজ এটা শেয়ার করতে ভুলবেন না। সব ধরনের আজব আজব তথ্য ও খবর সবার আগে জানতে এই পেজে লাইক করে একটিভ থাকুন।


মহিলার গর্ভে ১১ সন্তান !


বিষয়টি কি বাস্তব সত্য ?  না কি কোন কল্পনা ? অথবা জোক ? এক মহিলার গর্ভে ১১ সন্তান। তা্ও আবার সবাই জীবিত প্রসব। একটি টেস্ট টিউব সেন্টারের ডাক্তার-নার্সরা অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চাগুলো ভূমিষ্ঠ হতে সাহায্য করে। আধুনিক বিজ্ঞান সবই পারে এটা বলার জন্যই কি এই ব্যবস্হা ? পাঠক ভাল করে লক্ষ্য করুণ এবং বিচার বিশ্লেষণের সমপূর্ণ ভার আপনাদের উপর।

সবাই ছোট বোমা, আমি একটা মিসাইল, আরও ৩০ মার্চ দেখাবো

বলিউডের আইটেম গার্ল ও রিয়েলিটি টিভি তারকা রাখি সাওয়ান্ত এবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনে উত্তর-পশ্চিম মুম্বাই থেকে দাঁড়ানোর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। এ উপলক্ষে তিনি পেশাদার রাজনীতিকদের মতো করেই কথা বলা শুরু করেছেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া।

সম্প্রতি তিনি নিজেকে ‘মিসাইল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এ ছাড়া তিনি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সম্পর্কে বেশ মজার কথাবার্তা বলেও মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।

সম্প্রতি তিনি বলেন, ‘এসব ছোট বোমা আর আমি একটা মিসাইল! সবাই আমার সামনে নাইনপিনের মতো পড়ে যাবে। আমি এটা সম্পূর্ণ নিশ্চয়তার সঙ্গে বলছি এবং এটা আমার র‌্যালিতেও দেখাবো। এটি ৩০ মার্চ হবে।’

এর আগে একবার তিনি নিজেকে ভার্জিন বলে দাবি করে মিডিয়ার আলোচনায় এসেছিলেন। এবার তিনি নির্বাচন উপলক্ষে বললেন, তার নাম মানুষ স্মরণ করবে গান্ধীর পরেই।

এ ছাড়া দুর্নীতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি সম্পর্কে সবাই আলোচনা করছে। আমি ছোট বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি, যা সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি মানুষের জন্য মরতে পারি। আর গান্ধীর পরে ভালো কাজের জন্য মানুষ রাখি সাওয়ান্তকেই মনে রাখবে। আর এটা কোনো আলসে মানুষের প্রতিজ্ঞা নয়।’

সুখী সংসারের দশ সূত্র


আনন্দময় সুখী দাম্পত্য জীবন সবাই চায়। কিন্তু পায় ক’জন? তবে যারা ভাবনা চিন্তা করে কিছু বিষয় মেনে চলেন সুখটা তাদের ভাগেই জোটে। যেসব বিষয় মেনে চললে সংসারে সুখ আসতে বাধ্য তেমন দশটি পরামর্শ- বাস্তববাদী হোন। কল্পনায় না ভেসে বাস্তবতা নিয়ে ভাবুন। ফ্যান্টাসি ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ভালো-মন্দ নিয়ে ভাবুন। নাটক সিনেমার মতো রোমান্টিকতা বাস্তব জীবনে কখনই সম্ভব নয়, কথাটি মনে রাখবেন। রঙিন আবেগের বশে হুট করে কাউকে বিয়ে করবেন না। ব্যক্তিত্ব দেখে বিয়ে করুন। দাম্পত্য জীবনে শরীর কিংবা সৌন্দর্য গৌণ। মনটাই আসল। পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। শুধু স্বামী-স্ত্রী মিলে কখনোই সুখী হতে পারবেন না। পছন্দের কাউকে বিয়ে করতে পরিবারের সম্মতি আদায় করুন। বিয়েতে বেশি খরচ করবেন না। পকেটে যা জমিয়েছেন সব বেরিয়ে যাবে। ঋণ করে বিয়ের অনুষ্ঠান করবেন না। পরে সমস্যায় পড়বেন। জীবনসঙ্গীকে বোঝার চেষ্টা করুন। না বুঝে তার ওপর বোঝা চাপাবেন না। বোঝাবুঝি থাকলেই ঝগড়া বিবাদ দূরে পালাবে। জীবনসঙ্গীর দুর্বলতা নিয়ে খোঁচা দেবেন না। তার সীমাবদ্ধতার দিকগুলো চিহ্নিত করে তাকে সেদিক থেকে সমর্থন দিন, বোনাস ভালোবাসা পাবেন। হিসেবি হোন, তবে কঞ্জুস নয়। সঙ্গীকে সময় দিন। মাঝে মধ্যে ছোট খাটো উপহার দিন। ঘরের কাজে পরস্পরকে সহায়তা করুন। সম্পর্ক পুরনো হবে না। ভালোবাসা পাওয়ার কথা চিন্তা না করে দিতে থাকুন, দ্বিগুণ হয়ে ফিরে আসবে। মতবিরোধের ক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণ করুন।

প্রেমিকার বিরুদ্ধে চুরির মামলা ম্যারাডোনার


ডেস্ক : সাবেক প্রেমিকা রোসিও অলিভার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে মামলা করেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনা। গতকাল শনিবার ব্রিটিশ দৈনিক মিরর এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। ম্যারাডোনার আইনজীবী মাতিয়াস মোরলাকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অলিভার বিরুদ্ধে ম্যারাডোনার দুবাইয়ের বাড়ি থেকে ঘড়ি ও অলঙ্কার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আনা হয়েছে। খোয়া যাওয়া সম্পদের মূল্য আড়াই লাখ পাউন্ডেরও বেশি। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়ার সঙ্গে গোপন যোগাযোগ আছে- এমন সন্দেহ থেকে এ মাসের মাঝামাঝিতে অলিভার সঙ্গে ছাড়াছড়ি হয়ে যায় ম্যারাডোনার (৫৩)। এরপর ২৩ বছর বয়সী অলিভা দুবাই ছেড়ে আর্জেন্টিনায় পাড়ি জমান। ম্যারাডোনার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার আগে আর্জেন্টিনার একটি টিভি শোতে অংশ নিতে রাজি হয়েছিলেন অলিভা। কিন্তু শর্ত ছিল ওই অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক ম্যারাডোনাকে নিয়ে তিনি কোনো কথা বলতে পারবেন না। ম্যারাডোনার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, চুরির অভিযোগে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে অলিভাকে এখন আর্জেন্টিনা থেকে দুবাইয়ে আনার চেষ্টা করবেন তারা।

যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন যে তারকারা


ডেস্ক : শুধু সাধারণ মেয়েরাই কি যৌন নিগ্রহ বা শ্লীলতাহানির শিকার? না। কারণ, দেশে বা বিদেশে, পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই বহু সেলিব্রিটি রয়েছেন, যারা অতীতে, কোনও না-কোনও ভাবে শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন। কারা? অনুষ্কা শঙ্কর, ম্যাডোনা, ব্রিটনি স্পিয়ার্সের নামও রয়েছেন ওই তালিকায়। এ ছাড়াও রয়েছেন এমন অনেক অভিনেত্রী, যারা যৌন নিগ্রহ বা শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন। রিয়া চক্রবর্তী : গত বছর রিলিজ হওয়া ‘মেরে ড্যাড কি মারুতি’ তার প্রথম ছবি। কয়েক দিন আগে মুম্বাইয়ে তার অ্যাপার্টমেন্টে শ্লীলতাহানির শিকার হন এই অভিনেত্রী। খার থানায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। রিয়ার অভিযোগ অ্যাম্পার্টমেন্টের লিফ্টের মধ্যে এক ব্যক্তি তার শ্লীলতাহানি করে। ঘটনার সময় দু’টি ওয়াচম্যানও সেখানে ছিলেন। সোফিয়া হায়াত : টিভি শো হোস্ট এবং বিগ বস-এ প্রতিযোগী সোফিয়া হায়াত, লন্ডনে বড় হয়ে উঠলেও, সেখানেই যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন তিনি। এই অভিনেত্রী জানান, তিনি যখন মাত্র ১০ বছরের, তখনই তার কাকা তার যৌন নিগ্রহ করেন। অনুষ্কা শঙ্কর : প্রখ্যাত সিতার বাদক অনুষ্কা শঙ্করও শিকার করেছেন যে, বাল্যকালে তিনিও যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন। গ্লোবাল উইমেনস রাইটস ক্যাম্পেন-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে কিংবদন্তি সিতার বাদক, প্রয়াত রবিশঙ্করের মেয়ে জানিয়েছেন, ছোটবেলায় তাদের এক পারিবারিক বন্ধুই তার যৌন নিগ্রহ করেছিলেন। তিনি এ-ও জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তির ওপর তার পরিবার চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করত। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই তিনি আতঙ্কে দিন কাটাতেন।


 শুধু তাই নয়, তিনি এ-ও জানিয়েছেন যে, সেলিব্রিটি হওয়া সত্ত্বেও, তাকে নানা ভাবে নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে। ম্যাডোনা : একটি ম্যাগাজিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পপ সাম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা শিকার করেছেন যে, স্বপ্নপূরণের জন্য তিনি যখন মিশিগান থেকে নিউ ইয়র্ক আসেন, তখন এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ছুরি দেখিয়ে তার ধর্ষণ করে। তিনি এ-ও জানান যে, একটি বিল্ডিংয়ের ছাদে বন্দুক দেখিয়ে তার ধর্ষণ করা হয়। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি এ-ও জানান যে, এই ঘটনার পর তার মনে নিউ ইয়র্কের যে ছবি ছিল, তা মুছে যায়। তবে বর্তমানে তিনি সেই ক্ষত সারিয়ে উঠেছেন। অ্যাশলি জুড : হলিউডের অন্যতম দামী এই অভিনেত্রীও তার বাল্যকাল এবং যুবাবস্থায় একাধিক বার যৌন নিগ্রহ এবং ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যৌবনে একাধিকবার নৃশংস যৌন লালসার শিকার হয়েছেন তিনি। অ্যাশলি জানিয়েছেন, এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি বিল্ডিংয়ে নিয়ে যায়। সেখানে ওই ব্যক্তির দ্বারা নিগৃহীত হন তিনি। কিন্তু পরে যখন অ্যাশলি পরিবারের লোকদের ঘটনার কথা জানান, তখন তার পরিবারের লোকেরা অ্যাশলির কথায় বিশ্বাস করেননি। এ পরই ভেঙে পড়েন তিনি। বহু বছর তার মনে সেই আতঙ্ক বজায় ছিল। এর পর মডেলিং কেরিয়ারেও ধর্ষণের শিকার হন তিনি। তার অভিযোগ, এক পুরুষ মডেল ওরাল সেক্স করতে তাকে বাধ্য করে। ব্রিটনি স্পিয়ার্স : নিজে স্বীকার না-করলেও কোর্টনি লাভের দাবি, ছোটবেলায় ব্রিটনি স্পিয়ার্সও যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন। নিজের ফেসবুকে প্রয়াত কার্ট কোবেনের স্ত্রী কোর্ট নির দাবি, নিজের বাবার হাতেই যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন ব্রিটনি। তিনি এ-ও বলেন যে, বাবা নিজের মেয়ের যৌন নিগ্রহ করতে পারে, তা তিনি ভাবতেও পারেন না।

‘বিছানায় গেলেই পুরুষরা পালিয়ে যায়’


ডেস্ক  : স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে টলিউডে অনেক রকম মুখরোচক গল্প চালু রয়েছে। সম্প্রতি টলিউডের ‘টেক ওয়ান’ নামে মৈনাক ভৌমিকের ছবিতে স্বস্তিকা একেবারেই খোলামেলা হয়েছেন। এপ্রিলের মাঝামাঝি ছবিটি মুক্তি পাবে। ইতোমধ্যেই যেটুকু ইন্টারনেটের দৌলতে দেখা গেছে তাতে সকলে চমকে গিয়েছেন। আর এই ন্যুড দৃশ্যে অভিনয় করার আগে স্বস্তিকা পরিচালকের সঙ্গে তিন রাত আলোচনা করেছেন এর শিল্পসুষমার দিক নিয়ে। তবে তার একটাই শর্ত ছিল, টলিউডের কাউকে তার বিপরীতে রাখা চলবে না। কিন্তু কেন? স্বস্তিকা বলেছেন, টলিউডের প্রত্যেক অভিনেতাই জানেন আমি কেমন। তাই আমার বিপরীতে এমন একজনকে চেয়েছিলাম যে আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। পরিচালক অবশ্য শর্ত মেনে দিল্লির এক মডেলকে তার বিপরীতে হাজির করেছিলেন। ছবিতে ন্যুড দৃশ্যটিকে অবশ্য খানিকটা অস্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে সেন্সরের কাঁচির ভয়ে। তবে বাইরে চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির ন্যুড দৃশ্য স্বাভাবিক রেখেই পাঠানো হচ্ছে। স্বস্তিকা অবশ্য জানিয়েছেন, ন্যুড দৃশ্যে অভিনয় করাটা তার কাছে খুব সহজ ছিল না। তবে তিনি সেক্সের ব্যাপারে কথা বলতে কোনও রকম সাত পাঁচ ভাবতে রাজি নন। সব সময় কথাবার্তায় স্বস্তিকা বেশ খোলামেলা। ভাল মেয়ে হয়ে থাকবার কোন ইচ্ছেই তার নেই।


 আর তাই তো তিনি সহজেই বলতে পারেন যে, বিছানায় তিনি যতটা ভাল, সম্পর্কের ক্ষেত্রে তা মোটেই নয়। তার কথায়, আমি যখনই ভেবেছি এই সেই পুরুষ যার সঙ্গে সারাটা জীবন কাটিয়ে দেয়া যায়, সেই মুহূর্তেই তারা পালিয়ে গেছে। তার ভাষায়, বিছানায় গেলেই পুরুষরা পরে পালিয়ে যায়। বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে এমন কথা বলছেন বলে তার জোর দাবি। আর ডেটিংয়ের ব্যাপারে স্বস্তিকাকে নিয়ে গুঞ্জনের অভাব নেই। তার কথায়, সকলে যেটা দাবি করে ততজনের সঙ্গে আমি ডেটিং করিনি। করেছি মাত্র কয়েকজনের সঙ্গে। তবে তার কোনও সম্পর্কই যে টেকে না তা নিয়ে কোনও তার আপসোস নেই। বরং সে সব ভাবলেই তার হাসি পায়। স্বস্তিকা বলেন, নতুন নতুন লোকদের সাথে ডেটিং করার মজাই আলাদা। এতে পুরুষদের বহুমুখী রুচিও পাওয়া যায়, ভালোভাসার ভিন্ন ভিন্ন ছোঁয়াও পাওয়া যায়। 



একাধিক পুরুষের প্রেমে জেনেলিয়া !


ডেস্ক : অভিনেতা রিতেশ দেশমুখকে বিয়ে করার পর থেকেই অভিনয় কমিয়ে দিয়েছেন জেনেলিয়া ডিসুজা। বর্তমানে তিনি একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনা করছেন। এক্ষেত্রে তার সঙ্গে থাকবেন রিতেশও। কিন্তু স্বামী রিতেশ অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত থাকার ফলে এ প্রতিষ্ঠানটি গোছানোর দায়িত্ব পুরোপুরি এখন জেনেলিয়ার কাঁধে। চলতি বছর থেকেই এখান থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা আসতে পারে। এতো গেলো জেনেলিয়ার পরিকল্পনার কথা। কিন্তু সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বিয়ের আগের জীবনের প্রেমকাহিনী নিয়ে কথা বলেছেন এ অভিনেত্রী। বিয়ের আগে তিনি একাধিক পুরুষের প্রেমে জড়িয়েছিলেন বলে বক্তব্য দিয়ে তুমুল আলোচনায় চলে এসেছেন। একটি চ্যানেলকে দেয়া এ সাক্ষাৎকারের পর ভারতের প্রায় সব গণমাধ্যমেই বিষয়টি ফলাও করে প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা চলছে বলিউডপাড়ায়ও। অনেকেই বলছেন, বিয়ের পর এরকম বক্তব্য না দিলেও পারতেন জেনেলিয়া। এদিকে এ সাক্ষাৎকারে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে জেনেলিয়া আরও বলেন, রিতেশ অনেক ভাল একজন অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি ভাল স্বামীও। কিন্তু আমি এটা বলবো না যে সে আমার প্রথম প্রেম। রিতেশেরও প্রথম প্রেম আমি না হতে পারি। আমি স্কুল পড়াকালীন থেকে শুরু করে বলিউডে পা রাখা পর্যন্ত অনেক পুরুষের প্রেমেই পড়েছি। তবে সেগুলো হয়তো পূর্ণতা পায়নি। কিন্তু রিতেশ আমার জীবনে আসার পর থেকে আমি বদলে যাই। আমাদের ৮ বছরের সম্পর্কের পর বিয়ে করি। রিতেশ আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ এখন। আর আমি সবচেয়ে সুখি স্ত্রী। জেনেলিয়ার এমন বক্তব্যর পর বিষয়টি বলিউডের ‘টক অব দ্য টাউনে’ পরিণত হয়েছে। তবে একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশের পরও জেনেলিয়া এ নিয়ে একদমই চুপচাপ রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়াও দেখাচ্ছেন না। জেনেলিয়ার এমন বক্তব্যর বিপরীতে রিতেশেরও কোন মন্তব্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি.

বিয়ে, সংসার এবং সম্পর্ক


ডেস্ক : এমন কোনো বাঙালি মেয়ে নেই যে মনের কোণে নিজের বিয়ে নিয়ে স্বপ্ন সাজায়নি। স্বপ্নের নানা আঁকিবুঁকিতে তন্ময় মেয়েটি একদিন পা দেয় এক নতুন জীবনে। নতুন মানুষ, ঘর, সমাজ আর পরিবেশ সব মিলেই বিয়ে। বিয়ের পর একটি নতুন পরিবেশে একেবারে অপরিচিত বা সামান্য পরিচিত মানুষের সঙ্গে খাপ-খাইয়ে নেওয়া মুখের কথা নয় বটে, তবে খুব কঠিনও নয়। গ্রহণের মানসিকতা থাকতে হয় দু’পাশ থেকেই। শুধু নতুন পরিবারের মানুষগুলো হাত বাড়িয়ে দিলে যেমন তা ধরে রাখা যায় না, তেমন নতুন মানুষটির একার চেষ্টায়ও হয় না কিছুই। এবারের আয়োজনে থাকছে নতুন কনের সম্পর্ক গঠনের কিছু টিপস। সম্মান ও আস্থা রাখুন সবার ওপর নতুন পরিবেশে গিয়ে সবার আগে প্রয়োজন হবে সম্মানবোধের। সম্পর্ক ও বয়স যেমনই হোক সবাইকে সম্মান করুন, তবেই না নিজে সম্মান পাবেন। পারিবারিক সম্পর্কের মূলে থাকে আস্থা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে নিজের ওপর আস্থা রাখুন যেহেতু দুটি পরিবারের মানুষ কখনোই এক ধরণের মানসিকতার হবে না, তাই তাদের আচরণ, খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছদ আর ভাবনাও এক হবে না। এ ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব মানিয়ে নিন। অপছন্দ বলুন হাসিমুখে আপনার পছন্দ-অপছন্দ জানার আগেই সেটা কেউ করবে না এমন আশা না রাখাই ভালো। পছন্দের কথা যেমন হাসিমুখে জানাবেন তেমন অপছন্দের কথাও জানান হাসিমুখে, শান্ত স্বরে। এ ক্ষেত্রে সবাইকে এক সঙ্গে বুঝিয়ে বলতে যাবেন না। পরিবারে আপনার সঙ্গে যার সম্পর্ক ভালো তাকে বলুন। সে হতে পারে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদ, দেবর, ভাশুর বা জা যে কেউ। ধীরে ধীরে সবাইকে অভ্যস্ত করুন। ভালবাসুন বিয়ের পর স্বামীকে ভালোবাসার পাশাপাশি ভালোবাসুন অন্যদেরও। ভালোবাসা দিতে না পারলে পাবেন কেমন করে? বাড়িতে শিশু থাকলে আদর দিন। বৃদ্ধ থাকলে তার সঙ্গে গল্প করুন। তাদের মতামতের গুরুত্ব দিন। আর সমবয়সীদের সঙ্গে সম্পর্ক করুন বন্ধুত্বপূর্ণ। শ্বশুর-শাশুড়িকে খুশি রাখুন নতুন বউর কাছে শাশুড়ির প্রত্যাশা একটু বেশিই থাকে। ছেলের ওপর মায়ের দাবি আর নির্ভরতাও থাকে অনেক। সেটাকে ভাঙতে যাবেন না। বরং সেটাকে সম্মান দিন। শ্বশুরকে সময় দিন। শাশুড়ির কাজে সহায়তা করুন। তাদের অবসরের সঙ্গী হন কখনো কখনো। এক বিকেলে অন্তত তাদের সঙ্গে চা পান করুন। দেখবেন, সম্পর্ক সহজ হবে অনেকটাই। স্বামীকে সময় দিন আপনার নতুন জীবনে প্রবেশ যে মানুষটির হাত ধরে কখনো কাজের চাপে তাকে ভুলে যাবেন না। সুখ-দুঃখ-আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি স্বামীর কাছে থাকুন রহস্যময় ও আকর্ষণীয় হয়ে। ঘুরতে যাওয়া, গল্প করা, মুভি দেখা এসবের পাশাপাশি তাকে দিন পরিপূর্ণ স্বাধীনতা। আপনার চাপে যেন সে বিরক্ত না হয় সেটা খেয়াল রাখুন। সন্দেহ করবেন না অধিকাংশ সম্পর্ক নষ্ট হয় সন্দেহের জন্য । পরিবারের কাউকে সন্দেহ করবেন না । জানার থাকলে আলোচনা করুন । কথা বলে সমাধান করুন। কী, কেন, কীভাবে, কার সঙ্গে, কীসের জন্য, কখন, কবে এসব প্রশ্নে পরিমিত বোধ রাখুন। অতিরিক্ত চাহিদা থেকে বিরত থাকুন নতুন জীবনে আপনার চাহিদা থাকতে পারে অনেক কিছুই। কিন্তু সে সবের পেছনে যুক্তি চিন্তা করুন। সামর্থ্য নেই এমন কিছু দাবি করবেন না। সেটা একদিক থেকে যেমন বিব্রতকর, তেমন যন্ত্রণাদায়কও বটে। তবে এসব কিছুর মূলে রয়েছে খুশি থাকতে পারা । জীবনে যা কিছু ঘটছে সহজভাবে নিয়ে খুশি থাকতে চেষ্টা করুন। কী পেলাম না ভেবে মাথা গরম না করে কী পেয়েছি সে হিসাব কষুন। আর এগিয়ে যান হাসিমুখে। 

পতিতা পেশার ইতিহাস (ভিডিও)

পতিতারা হলো সেই সমপ্রদায়ভুক্ত নারী যারা পুরুষকে যৌন সুখ ভোগ করতে নিজেদের দেহ দিয়ে আপনাদের জীবিকা অর্জন করে।

অবশ্য তারা যে কোনও পুরুষকে দেহ দানের বিনিময়ে নিজেদের প্রয়োজনীয় অর্থ উপার্জন করে, তা নয়। তারাও মানুষ- তাদেরও মন আছে, অভিরুচি আছে, ভাল-মন্দ বিবেচনা শক্তি।

তাই তাদের বিষয়ে অনেক কিছু সাধারণ মানুষের শিক্ষা করা উচিত। অনেক সময় যাদের সঙ্গে যৌন মিলন করতে পারে হাতে তাদের পয়সাও আছে, তবু তারা সেই লোককে ফেরৎ দেয়। কারণ সেই নারী তাকে পছন্দ করে না। যৌন মিলনে কিছুটা মনের মিলেরও প্রয়োজন হয়।

বেশ্যারা প্রয়োজনমত নিজেকে সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও অলঙ্কারে ভূষিতা রাখে। যেন এক প্রকার পণ্য দ্রব্য। তাই তার বাড়ি এমন থাকবে যেন বাইরের লোক তাকে দেখতে পায় এবং সেও বাইরের লোককে দেখতে পায়। তার আরও জানা উচিত, সৌন্দর্য্য দিয়ে পুরুষকে জয় করতে পারলে তবে তার অর্থ মিলবে।

বেশ্যাদেরও আবার ঘটক বা দূত থাকে। তারা অন্য লোককে তার গুণ পণ্য বলে তাকে আকর্ষন করে নিয়ে আসে।

বেশ্যা যাদের খুশী রাখবে

নিম্নলিখিত লোকদের বেশ্যাদের সর্বদা খুশী রাখা উচিত। তা না হলে ব্যবসা চলে না। তা হলো-

(১) নগরের নগরপাল ও পুলিশের কর্তা।

(২) দেশের কোনও বিচারক বা বিখ্যাত আইনবিদ।

(৩) কোনও গণৎকার বা জ্যোতিষ।

(৪) কোনও ব্যায়ামবীর লোক।

(৫) কোনও সতীর্থ বা সমব্যবসায়ী।

(৬) কোনও শিল্পপতি।

(৭) কোনও পীঠমর্দ বা বিট বা বিদূষিকা, সুগন্ধি দ্রব্য বিক্রেতা বা মদ্য বিক্রেতা, কোন রজক বা নাপিত।

বাৎস্যায়ন বলেন উপরোক্ত লোকদের উপরে বেশ্যার কোন যৌন আকর্ষন থাকা উচিত নয়। তাদের কেবল অর্থ দ্বারা বশীভূত করে ব্যবসায়ে উন্নতি করবে।

বেশ্যারা যাদের পছন্দ করে

বেশ্যা কোন্‌ কোন্‌ ধরনের ব্যক্তিকে মনে প্রাণে কামনা করবে তাও বাৎস্যায়ন বলে গেছেন।

তারা হলো-

১। কোনও স্বাধীন ধনশালী লোক।

২। রাজ্যের কোন উচ্চপদস্থ কর্মচারী।

৩। যে ব্যক্তি অল্পদিনে প্রচুর সম্পত্তি বা টাকাকড়ি পেয়েছে।

৪। বেশ্যার সমব্যবসায়ী ব্যক্তির সঙ্গে যে সম্প্রতি কলহ করেছে।

৫। যে লোকের স্থায়ী নিশ্চিত উপার্জন আছে।

৬। যে কুৎসিৎ হলেও নিজেকে সুন্দর বলে মনে করে।

৬। যে আত্নপ্রশংসায় খুব বিরত।

৮। কোনও রতি অক্ষম লোক- সে নিজে মনে করে যে সে খুব রতি পারদর্শী।

৯। যে লোক আত্নপ্রশংসা ভালবাসে।

১০। যে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাস্ত করতে খুবই ইচ্ছুক।

১১। খুব দানশীল ব্যক্তি।

১২। যে লোক রাজা, ধনী বা সম্ভ্রান্ত লোকের সঙ্গে দিন যাপন করে।

১৩। যে নিজ ভাগ্যকে খুব বিশ্বাস করে।

১৪। অপরিমিত ব্যয়শীল লো্‌ক। টাকা খরচ করতে যার দরদ নাই।

১৫। যে লোক পিতামাতার অবাধ্য।

১৬। কোন ধনীর একমাত্র সন্তান।

১৭। নিঃসন্তান ধনী ব্যক্তি।

১৮। যে কামুক লোক তার কামক্রিয়া গোপন রাখতে পারে।

১৯। যে সন্ন্যাসী গোপনে কামক্রিয়া চরিতার্থ করে।

২০। কোনও সাহসী যোদ্ধা।

২১। কোন চিকিৎসক বা বৈদ্য।

২২। বহু দিনের পরিচিত লোক।

বেশ্যার পছন্দমত যুবকের গুণাবলী

বাৎস্যায়ন বলেছেন ভালবাসা, সুখ্যাতি ও ধন অর্জন করতে হলে বেশ্যার প্রয়োজন একজন বিলাসী যুবক। তার কি কি গুণ থাকবে, তা হলা হচ্ছেঃ-

১। সে উচ্চবংশীয় হবে।

২। তর্কশাস্ত্রে বেশ বুৎপন্ন হবে।

৩। রাজনীতিতে পারদর্শী হবে।

৪। কবি বা শিল্পী হবে।

৫। বেশ গল্প বলতে পারদর্শী হবে।

৬। সু-বক্তা ও বুদ্ধিমান লোক।

৭। বিভিন্ন কথায় যারা পাণ্ডিত্য দেখায়।

৮। মনে উচ্চাশা থাকবে।

৯। প্রাচীন লোকদের যারা শ্রদ্ধা করবে।

১০। প্রচুর গুণ থাকবে।

১১। সৎসাহসী হবে।

১২। একনিষ্ঠ প্রেমিক হবে।

১৩। বন্ধুদের প্রতি সৌহার্দ্যশীল হবে।

১৪। নানাবিধ বাকবিতণ্ডায় কুশলী হবে।

১৫। শরীর নীরোগ হবে।

১৬। কামশক্তি পরায়ণ হবে।

১৭। মদ্যপানদোষ থাকবে না।

১৮। সব নারীর প্রতি স্নেহ ভালবাসা দেখাবে।

১৯। স্বাধীনচেতা লোক হবে।

২০। মনে সন্দেহ থাকবে না।

বেশ্যার গুণাবলী

বেশ্যারও কতকগুলি বিশেষ গুণ থাকা একান্ত প্রয়োজন। তা হলো-

১। সে সুন্দরী হবে।

২। সে যুবতী হবে।

৩। দেহে সুলক্ষণ যুক্ত চিহ্ন থাকবে।

৪। মধুরভাষিণী হবে। সলজ্জ ভাব দেখাবে।

৫। অর্থের কথা চিন্তা না করে নিজের স্বামীর মত উপপতিকে ভালবাসে, এমন ভাব দেখাবে।

৬। দু-একটি মাত্র উপপতির সঙ্গে রতি মিলন করবে।

৭। স্থির চিন্তা করবে।

৮। উপপতির সঙ্গে প্রবঞ্চনা করবে না। ভাল ব্যবহার করা উচিত।

৯। কৃপণী হবে না। এতে উপপতি সরে পড়তে পারে।

১০। সাধারণ সমিতি বা যাত্রায় যোগদান করবে। এতে চাহিদা বাড়বে সন্দেহ নাই।

১১। নানা শিল্পের অনুরাগিণী হবে।

১২। সুকণ্ঠী গায়িকা হলে আরও ভাল হয়।

নারী পতিতা হয় কেন

১। অর্থাভাবে বা দারিদ্র্যতাবশতঃ অনেক সময়ে মেয়েরা পতিতা বৃত্তি গ্রহণ করে।

২। সংসারের অনাদর বা অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পতিতা বৃত্তি গ্রহণ করে।

৩। স্বামীর অনাদর অত্যাচারও এ পথে যাবার মস্ত বড় একটি কারণ।

৪। অতি কামুকতা। যে স্বামীর দ্বারা পূর্ণ তৃপ্তি পায় না।

৫। একাধিক পুরুষে আকর্ষণ।

৬। অতিরিক্ত বিলাসের প্রতি আকর্ষণ।

৭। বৈধব্য।

৮। অন্যের প্ররোচনায় প্রভাবিত হওয়া।

৯। একজনকে ভালবেসে গৃহত্যাগ, পরে তার দ্বারা প্রত্যাখ্যান।

১০। সামপ্রদায়িক দাঙ্গা বা যুদ্ধের জন্য কুলত্যাগিনী।

১১। আজীবন কুমারী থাকা। পরে অন্য পথে গমন।

১২। গ্রামাদি থেকে সংগৃহিতা নারী।

১৩। গোপন প্রেম ও স্বামী কর্তৃক ধৃত ও স্ত্রী ত্যাগ।

১৪। স্ত্রীর সংসারে বিতৃষ্ণা-স্বামী হয়ত আজীবন চরিত্রহীন।

১৫। দারিদ্রতার জন্য কুমারী কন্যা বা স্ত্রীকে বিক্রয়।

পতিতাদের প্রকারভেদ

১। একমাত্র উপপিতিতে আকৃষ্ট।

২। নাচ গান জানা কলারসিক পতিতা- দেহমিলন বেশি চায় না। নির্দিষ্ট একজন নায়ককে রাখে।

৩। বাড়িউলি বা কোনও নারীর অধীনে বাস করা পতিতা।

৪। কোন রাজ অনুগৃহীত বিশেষ ধনী পতিতা, সে উপপত্নীর মত পৃথক প্রাসাদে বাস করে।

একজন মেয়ের ২টি স্ত্রী অঙ্গ (সরাসরি ভিডিওসহ)

একজন মেয়ের ২টি স্ত্রী অঙ্গ (সরাসরি ভিডিওসহ)



সাধারনত একজন মেয়ের একটি স্ত্রী অঙ্গ বা যোনী থাকে।



তবে যদি কারো এই সংখ্যা ২ হয় তাহলে তা আশ্চর্যের বিষয়ই বটে।



সাধারনভাবেই এমন মেয়েদের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশী থাকে।



এ দিক বিবেচনা করে ভিডিওটি এখানে দেয়া হলো।



এখানে ২ স্ত্রী অংগ নিয়ে কিভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রন করেন তা তিনি নিজেই বলেছেন।



রয়েছে তার বয়ফ্রেণ্ডের সাথে বিস্তারিত দৃশ্যায়নও।



এছাড়াও এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখতে পারেন।

৮৪ সেকেন্ডে হাত দিয়ে হাজার খণ্ড টাইলস চূর্ণ!

 মাত্র ৮৪ সেকেন্ডে নাঙ্গা হাত দিয়ে এক হাজার খণ্ড টাইলস চূর্ণ করে বিস্ময়কর রেকর্ড গড়েছেন যুক্তরাজ্যের লিসা ডেনিস নামে এক নারী মার্শাল আর্ট শিল্পী। 

লিসা দক্ষিণ কোরিয়ার ইন্টারন্যাশনাল তায়েকওন-দো ফেডারেশন আয়োজিত তায়েকওন-দো প্রতিযোগিতার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।

বিবিসি অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদ মাধ্যমটির প্রতিনিধি মাইক বুশেল জানান, যুক্তরাজ্যের অর্পিংটনে নিজের মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শিষ্যদের জড়ো করে এ কীর্তি দেখিয়েছেন লিসা। মনস্তাত্ত্বিকভাবে শিষ্যদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে তিনি এ পদক্ষেপ নেন।



বিবিসির ভিডিও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে জানানো হয়, একটি কক্ষে পাশাপাশি করে রাখা দু’টি করে সিমেন্টের ছোট খুঁটির ওপর ১০টি করে টাইলসের মোট ১০০টি তাক সাজানো হয়। 

এরপর সময় কাউন্টডাউন শুরু হলে মাত্র ৮৪ সেকেন্ডেই সবগুলো তাকের টাইলসগুলো দুই নাঙ্গা হাত দিয়ে চূর্ণ করে দেন লিসা। শেষ দিকে একটু দুর্বল হয়ে পড়লেও এ কীর্তি গড়তে পেরে তাৎক্ষণিক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। লিসার কীর্তিতে উপস্থিত শিষ্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা বিস্ময় প্রকাশ করেন।

চুম্বনে দারুণ পারদর্শী হতে হলে ( ভিডিও সহ )

একটি দারুণ কার্যকর চুম্বন ভালো কিছু বয়ে আনে। উত্তেজনাপূর্ণ চুম্বনে পারদর্শী হতে হলে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। নর-নারীর প্রেম নিবেদনের সবচেয়ে আবেগপূর্ণ একটি আচরণ ; চুম্বন। কাজেই বিষয়টি ফেলনা নয় এবং এ নিয়ে গবেষণা চলেছে বিস্তর। এবার গবেষকদের পরামর্শ আপনার জন্য।

ধরে নিন আপনি এবং আপনার প্রেমিকা দুজন দুজনকে আবেগে জড়িয়ে ধরে চুম্বন করছেন এবং আপনি আরেকটু গভীরভাবে একে উপভোগ করতে চান।

এখন কী করতে পারেন? দুই হাত দিয়ে প্রেমিকার অপরূপ মুখটিকে আরো নিজের কাছে টেনে আনুন এবং চুম্বনের কাজটিতে আপনার কর্তৃত্ব নিন। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাটা হলো, যখন আপনি দুই হাত দিয়ে তার মুখের দুই পাশ জড়িয়ে ধরবেন, তখন প্রেমিকা আপনার দুই হাতের উষ্ণতা পাবেন এবং এর মাধ্যমে তার ওপর আপনার ভর চাপাতে পারবেন এবং সে আপনাকে গ্রহণ করে নেবে।


এই ভালোবাসাবাসি করার সময় আপনি কিছু গলার স্বরের বা অস্ফূট শব্দের কিছু খেলা করতে পারেন। এতে আপনি এবং সেও একই সঙ্গে চুম্বনে আকৃষ্ট হবেন। সত্যিকার অর্থে দুজনের অস্ফূট এই শব্দ প্রকাশ করে যে, দুজন দুজনের ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলছেন। এতে দুজন আরো আবেগী এবং সাহসী হয়ে উঠবেন। এ ব্যাপারে নারীরা দারুণ আবেগপূর্ণ হন এবং তাদের অহংবোধ কাজ করে।
'প্র্যাকটিস মেকস আ ম্যান পারফেক্ট', অর্থাৎ যারা নতুন চুম্বন করতে যাচ্ছেন তারা একটি কাজ করতে পারেন।

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুমু খাওয়ার ভাবভঙ্গি কেমন হয় তা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। আরো বেশি নিখুঁত হয়ে প্রেমিকার সামনে দাঁড়ানো যাদের জন্য খুবই জরুরি, তারা নিজের হাতে সঙ্গে এ কাজটি করে দেখতে পারেন। ভেবে নিন, অভিনয় করছেন কিন্তু খুবই সিরিয়াস। চোখ বন্ধ করে এ কাজ করে দেখু্ন আপনার ঠোঁটের উষ্ণতা প্রেমিকার ঠোঁটে কেমন লাগতে পারে। এতে অবশ্যই আপনি অনেক আত্মবিশ্বাস এবং কৌশলগুলো আত্মস্থ করতে সমর্থ হবেন।


নারী দেহে স্পর্শকাতর যতো অঙ্গের মিলন ঘটেছে। আর এই দেহটি চুম্বন গ্রহণের জন্য আদর্শ। প্রেমিকার ওষ্ঠ, কান, ঘাড়ে আপনি নিঃসঙ্কোচে চুমু খেতে পারবেন এবং এর বিপরীতে তার আচরণেই আপনি প্রেমিকার হৃদয়ে ঢেউগুলো আছড়ে পড়ার শব্দ শুনতে পাবেন।


তবে মনে রাখবেন, গভীর চুম্বনের সময় অর্থাৎ ফ্রেঞ্চ কিসের সময় নব্য চুম্বনকারীদের খেয়াল রাখতে হবে যে, প্রেমিকার ওষ্ঠ বা তিনি যেনো আহত না হন। আর এ জন্য মনের নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। ফ্রেঞ্চ কিসের অর্থ এই নয় যে, শক্তি প্রয়োগ করে চুমু খাওয়া হয়। এক পাশ হয়ে চুম্বন করতে করতে অন্য পাশ ফিরতে খেয়াল রাখবেন আপনার নাক যেনো তার নাকের সঙ্গে ধাক্কা না খায়।


একজন উত্তম চুম্বনকারীর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় তার উষ্ণ সেক্সি নিঃশ্বাস থেকে। অবশ্যই আপনার দাঁত মাজা থাকতে হবে, মুখে পেঁয়াজ, রসুন বা তামাকের গন্ধ থাকা চলবে না। পারলে অবশ্যই মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করে নেবেন। কিছু মিন্ট ব্যবহার করবেন খাওয়ার পর।


ফ্রেঞ্চ কিসাররা আসলে চুম্বনে পারদর্শী। তিনি জানেন চুম্বনের সময় তার জিহ্বা কিছু ছোটখাটো চমক দেখাতে পারে। পারদর্শী চুম্বনকারীর চুম্বনের সময় তার চাল-চলন বোঝার চেষ্টা করেন প্রেমিকা। প্রেমিকাকে অল্প-স্বল্প চুম্বন করুন, তার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকুন এবং তার মুখ বা চুল নিয়ে খেলা করুন। প্রেমিকা চোখ মেলে তাকালে দেখবেন, তার চোখে আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতি চৌম্বক আকর্ষণ ফুটে উঠেছে। তার চোখ আর মুখখানা একবার বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজে উঠছে, আবার ঝলমলে রোদ্দুরে শুকোচ্ছে...বারবার।
সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস

ভালোবাসার কারণে ৯৩ বছরের বৃদ্ধ হত্যা করলেন গার্লফ্রেন্ডকে

প্রেম কোন বয়সের বাধা মানে না। যে কোন বয়সেই মানুষ প্রেমে পড়তে পারে। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে প্রেমের বিষয়বস্তু পাল্টে যেতে থাকে। ফ্রান্সের সবচেয়ে প্রবীণ কয়েদী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ৯৩ বছর বয়সী মার্সেল গুইলোট নামে এক ব্যক্তি ভালোবাসায় প্রত্যাখ্যাত অনুভব করায় হত্যা করলেন তার ৮২ বছর বয়সী গার্লফ্রেন্ড নিকোল এল ডিবকে। তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত।

এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। ওই বৃদ্ধ ‘গ্র্যান্ডফাদার মার্সেল’ বা দাদা মার্সেল নামে সমধিক পরিচিত। ওই নামটি ধরেই তাকে ডাকেন সবাই। ভালোভাবে কানে শুনতেও পান না মার্সেল। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর রেইমসের একটি আদালত মার্সেলকে শারীরিকভাবে দুর্বল ৮২ বছরের ওই নারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আঘাত করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে একটি নদীতে নিকোল এল ডিবের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল। সেইন্ট গিলস গ্রামে নিকোলের বাড়ির কাছের নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও গলা টিপে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

কিন্তু, একটি ঘড়ির ওপর পড়ে থাকা রক্তের ডিএনএ পরীক্ষার পরই মার্সেল ওই নারীকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ও শেষ পর্যন্ত দোষী সাব্যস্ত হন। মার্সেল বারবার দাবি করছেন, তিনি নিকোলকে হত্যা করেননি। ৯৩ বছর বয়সী বৃদ্ধের ভাষ্য, তিনি নিকোলকে আঘাত করেননি। তিনি বলছেন, কার্পেটে পা পিছলে ওয়ারড্রোবের ওপর সজোরে আছড়ে পড়ে নিকোলের মৃত্যু হয়। আদালতকে মার্সেল বলেন আমি জানতে চেয়েছিলাম, কেন সে আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইলো না। আমরা বরাবরই একসঙ্গে ভালোই ছিলাম। তিনি বলেন, আমি তাকে আঘাত করিনি। সে আমার গার্লফ্রেন্ড ছিল। পুলিশের কাছে দেয়া জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, নিহত ওই নারীর কাছে তিনি নিজেকে অপমানিত ও হেয় বোধ করেছিলেন। ওই নারীর প্রতি তিনি ভালোবাসা অনুভব করেছিলেন। কিন্তু, নিকোল তার সঙ্গে দেখা করতে চায়নি। আর সে কারণে নিকোলের বাড়িতে গিয়ে তাকে শাস্তি দেয়ার মনস্থ করেছিলেন মার্সেল। তবে তিনি নিকোলকে হত্যা করতে তার বাড়িতে যাননি বলে বারবার দাবি করছেন।

জোরপূর্বক বিয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার নিক লো বলেছেন, জোরপূর্বক বিয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বের ৭৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। এটিকে 'শাস্তিযোগ্য অপরাধ' উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এ ধরনের ঘটনা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। যুক্তরাজ্য এটি কোনোভাবেই সমর্থন করে না।'

গতকাল শনিবার সিলেটে স্কুলশিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত 'জোরপূর্বক বিয়ের কুফল' শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ব্রিটিশ হাইকমিশন আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল হক ভুঁইয়া ও সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী।
নিক লো বলেন, জোরপূর্বক বিয়ের মতো কর্মকাণ্ড তদারকির জন্য যুক্তরাজ্য সরকার ২০০৫ সালে একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করে এবং ২০০৭ সালে এ-সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করে। যুক্তরাজ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড এখন দণ্ডণীয় অপরাধ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এ প্রবণতা রোধে সংশ্লিষ্টদের আরো বেশি নজর দিতে হবে।
ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার জানান, এ-সংক্রান্ত যুক্তরাজ্যের বিশেষ ইউনিট গত বছর বিশ্বের ৭৪টি দেশে জোরপূর্বক বিয়ের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে। অনুষ্ঠানে এ-সংক্রান্ত একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের কনস্যুলার বিভাগের প্রধান হাসিনা রহমান।

রাস্তায়, উঠানে, পার্কিংয়ে সন্তান জন্ম দিচ্ছেন মেক্সিকোর প্রসূতি মায়েরা

মেক্সিকোর রাস্তা, বাড়ির উঠান, লন কিংবা গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানে প্রসূতি মায়েদের সন্তান জন্মদানে বাধ্য করা হচ্ছে। মেক্সিকোর কয়েকটি শহর, শহরতলি ও বহু গ্রামে বিভিন্ন নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর নারীদের সন্তান জন্মদানের সময় হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

নারী অধিকার আন্দোলনের কর্মীরা এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এ ভয়াবহ সঙ্কট সমাধানে অচিরেই আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।

ইন্টার-অ্যামেরিকান কমিশন অন হিউম্যান রাইটসের কাছে গত বৃহস্পতিবার এ ধরনের কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। মেক্সিকোর স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, এ ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন এবং অনিবার্য। কারণ হিসেবে তারা হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি ও গ্রামের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব থাকার বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় বিভিন্ন গ্রামে কর্মরত সমাজকর্মীরা বলছেন, হাসপাতালের বাইরে প্রসূতি নারীদের সন্তান জন্ম দেয়ার ১৮টি ঘটনার তথ্য-প্রমাণ রয়েছে তাদের কাছে।


ওই হাসপাতালের কর্মচারীদের দাবি, হাসপাতালে স্থান সঙ্কুলান না হওয়ায় এ পথ বেছে নিতে হয়েছে তাদের। সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটে এ ধরনের কিছু ঘটনার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মেক্সিকো তো বটেই, বিশ্বজুড়ে বইছে নিন্দার ঝড়।

হাতে হাত রেখে চিরঘুমে দেড় হাজার বছর!

প্রায় দেড় হাজার বছরেরও বেশি সময় আগের এক 'যুগলের' কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে ইতালিতে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘যুগ যুগ ধরি এড়াইয়া কালের প্রহরী’ চিরসাথী তারা। প্রায় দেড় হাজার বছরের বেশি সময় হাতে হাত ধরে ঘুমিয়ে রয়েছেন পাশাপাশি। তারা হলেন এক রোমান যুগের যুগল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কী তাদের পরিচয় জানা যায়নি। কিন্তু ডিসকভারি নিউজের অনুসন্ধানে যা মিলেছে তাতে যা দেখা গেছে তা এক ঝলকে চিরন্তন প্রেমের চূড়ান্ত নির্দশন বলেই মনে হয়। প্রত্নতাত্ত্বিকরা ইতালিতে কবর থেকে রোমান যুগের ওই যুগলের কঙ্কাল উদ্ধার করেছেন। কবরে তারা দেড় হাজার বছর পাশাপাশি চিরঘুমে ঘুমিয়ে রয়েছেন। কিন্তু একে অপরের হাত ছাড়েননি তারা।

এতে বলা হয়েছে, প্রত্নতাত্ত্বিকরা জানিয়েছেন, ওই পুরুষ ও মহিলা যুগলকে মধ্য-উত্তর ইতালিতে পঞ্চম থেকে ষষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি কোনও এক সময়ে কবর দেওয়া হয়েছিল। মহিলার দেহ এমনভাবে রাখা হয়েছিল যাতে মনে হয় তিনি তার পুরুষসঙ্গীর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

এবিপি আনন্দ জানিয়েছে, এমিলিয়া-রোমাগনার পুরাতাত্বিক খনন বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন, মুখোমুখি রেখেই ওই যুগলকে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। পরে পুরুষটির মাথা অন্যদিকে ঘুরে যায়। কেননা, পুরুষ কঙ্কালের ভার্টিব্রা দেখে বোঝা যাচ্ছে, মৃত্যুর পরই তার মাথা অন্যদিকে ঘুরে গিয়েছে।

সেক্স নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় স্বস্তিকা (ভিডিও)

ব্যস্ততম অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে টলিউডে অনেক রকম মুখরোচক গল্প চালু রয়েছে। তবে স্বস্তিকার হাতে এখন অনেক ছবি। বলিউডেও যশরাজ ফিল্মের ব্যানারে ছবি করছেন তিনি। সম্প্রতি টলিউডের ‘টেক ওয়ান’ নামে মৈনাক ভৌমিকের ছবিতে স্বস্তিকা একেবারেই খোলামেলা হয়েছেন। এপ্রিলের মাঝামাঝি ছবিটি মুক্তি পাবে। ইতিমধ্যেই যেটুকু ইন্টারনেটের দৌলতে দেখা গেছে তাতে সকলে চমকে গিয়েছেন। আর এই ন্যুড দৃশ্যে অভিনয় করার আগে স্বস্তিকা পরিচালকের সঙ্গে তিন রাত আলোচনা করেছেন এর শিল্পসুষমার দিক নিয়ে। তবে তার একটাই শর্ত ছিল, টলিউডের কাউকে তার বিপরীতে রাখা চলবে না। কিন্তু কেন? স্বস্তিকা বলেছেন, টলিউডের প্রত্যেক অভিনেতাই জানেন আমি কেমন। তাই আমার বিপরীতে এমন একজনকে চেয়েছিলাম যে আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। পরিচালক অবশ্য শর্ত মেনে দিল্লির এক মডেলকে তার বিপরীতে হাজির করেছিলেন। ছবিতে ন্যুড দৃশ্যটিকে অবশ্য খানিকটা অস্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে সেন্সরের কাঁচির ভয়ে। তবে বাইরে চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির ন্যুড দৃশ্য স্বাভাবিক রেখেই পাঠানো হচ্ছে। স্বস্তিকা অবশ্য জানিয়েছেন, ন্যুড দৃশ্যে অভিনয় করাটা তার কাছে খুব সহজ ছিল না। তবে তিনি সেক্সের ব্যাপারে কথা বলতে কোনও রকম সাত পাঁচ ভাবতে রাজি নন। সব সময় কথাবার্তায় স্বস্তিকা বেশ খোলামেলা। ভাল মেয়ে হয়ে থাকবার কোন ইচ্ছেই তার নেই। আর তাই তো তিনি সহজেই বলতে পারেন যে, বিছানায় তিনি যতটা ভাল, সম্পর্কের ক্ষেত্রে তা মোটেই নয়। তার কথায়, আমি যখনই ভেবেছি এই সেই পুরুষ যার সঙ্গে সারাটা জীবন কাটিয়ে দেয়া যায়, সেই মুহূর্তেই তারা পালিয়ে গেছে। আর ডেটিংয়ের ব্যাপারে স্বস্তিকাকে নিয়ে গুঞ্জনের অভাব নেই। তবে তার কথায়, সকলে যেটা দাবি করে ততজনের সঙ্গে আমি ডেটিং করিনি। করেছি মাত্র কয়েকজনের সঙ্গে। তবে তার কোনও সম্পর্কই যে টেকে না তা নিয়ে কোনও আপসোস নেই। বরং সে সব ভাবলেই তার হাসি পায়।