অরিজিত সিংয়ের দুঃখ সানি লিওনকে দেখে


 বিনোদন : পর্ণতারকা সানি লিওনকে নিয়ে বলিউডে আলোড়ন কম হয়নি। এমনকি কিং খান শাহরুখ পর্যন্ত সানির সাথে কাজ করতে চেয়েছেন। সানির এমন তুমূল জনপ্রিয়তায় তাকে কেউ এড়িয়ে যাবেন সেটা অবিশ্বাস্য। কিন্তু তেমনটিই ঘটেছে। নিজের গাওয়া কোন গানে সানি লিওনকে দেখতে চান না বলিউডের গায়ক অরিজিত সিং।
সানি লিওনের প্রতি অনীহার কথা স্পস্ট জানিয়ে দিয়েছেন এই সঙ্গীত তারকা। জানা গেছে, সম্প্রতি মুম্বাইয়ে অরিজিৎ সিংয়ের লাইভ পারফরম্যান্সে গান গাওয়ার মাঝে শ্রোতাদের কাছ থেকে অনুরোধ আসে ‘জ্যাকপট’ ছবির ‘কাভি জো বাদল বারষে’ গানটি গাওয়ার জন্য। গানটি শুরু করার আগে অরিজিৎ জানান, ‘এত ভাল গান’ খুব মন দিয়ে গেয়েছিলাম। আমার বেশ পছন্দের গান। কিন্তু কষ্টটা অন্য জায়গায়। যখনই এই গানটার ভিডিওটি চোখে পড়ে, তখন খারাপ লাগাটা বেড়ে যায়। আই উইশ গানটাতে সানি লিওন যদি না থাকত।’
শুধু তাই নয়, পরিচালকদের অরিজিৎ অনুরোধ করেছেন তাঁর গানে যেন কখনই সানিকে না নেওয়া হয়। অরিজিতের এই কথায় হতবাক পুরো ইন্ডাস্ট্রি। তবে অরিজিতের এই উক্তিকে ইতিবাচক ভাবে নিয়েই সানি লিওন জানিয়েছেন, ‘ইটস টোটালি হিজ ভিউ। উল্লেখ্য, সানি লিওন তার পোশাক নির্বাচন, অঙ্গভঙ্গি এসব কারণে বলিউডে আলোচনা-সমালোচনা দুটোরই মুখোমুখি হয়েছেন।

সোনম মিডিয়ায় বেশি সুবিধা পান !

 বিনোদন : কোন বিষয়ে লুকোচুরির আশ্রয় না নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বলতে পছন্দ করেন বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর। তাঁর পরিবারের সবাই সিনেমার সঙ্গে জড়িত বলে তিনি এই ইন্ডাস্ট্রিতে এসে অনেক বেশি সুবিধা পেয়েছেন। যা অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীরা পান না। সম্প্রতি সোনম নিজেই সেটা জানিয়েছেন।

একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকার সোনম বলেন, ‘সবাই জানে আমি কোন পরিবারের মেয়ে। এজন্য অন্যান্য শিল্পীদের তুলনায় অনেক বেশি মর্যাদা আমি পাই। আমি অন্যান্যের তুলনায় অনেক সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছি’। একইসঙ্গে বলিউডের নয়া সেনসেশন বলে নিয়েছেন যে, এরকম সুবিধা পেলেও ফিল্মি পরিবার থেকে আসা অন্য শিল্পীরা কিন্তু তা স্বীকার করেন না।

সোনম জানান, তাঁকে সংসার চালাতে হয় না। তাই অনেক ভেবেচিন্তেই সিনেমা বাছেন তিনি।

নিজের বিয়ে প্রসঙ্গে সোনম বলেন, তাঁর বাবা কোনও ছেলেকেই উপযুক্ত মনে করেন না। বাবার মতে, তাঁর মেয়েই সবচেয়ে ভালো। আর প্রত্যেক বাবাই নিজের সন্তান সম্পর্কে এমনই ভাবেন বলেও মন্তব্য করেছেন সোনম।

আয়ূষ্মানের বিপরীতে সোনমের বেবকুফিয়া ছবিটি এখন মুক্তির অপেক্ষায়। এই সিনেমায় ঋষি কাপুর সোনমের বাবার ভূমিকায় রয়েছেন। এই সিনেমায় সোনমের বিকিনি পরা ছবি খুব আলোড়ন তুলেছে। এ নিয়ে বিতর্কও হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সাহসিনী সোনমের সাফ জবাব, ‘ওই সিনেমায় এক আধুনিক মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করছেন তিনি। সুইমিংপুলের দৃশ্য রয়েছে। আর সুইমিংপুলে তো আর বোরখা না, বিকিনিই পরব’।

বক্সঅফিস একঝলক- আগামী সপ্তাহের সেরা ৫ সিনেমা

বিনোদন : প্রতি সপ্তাহেই হলিউড-বলিউডে রোমান্টিক, অ্যাকশন, থ্রিলারধর্মী সব নতুন নতুন ছবি মুক্তির হিড়িক পড়ে যায়। আর সময় ব্যয় করে দেখা এ ছবিগুলো যদি ভালো না হয় তবে স্বভাবতই বিরক্ত হন দর্শক। সেই বিরক্তি দূর করতেই এ সপ্তাহে মুক্তি তালিকার কয়েকটি হলিউড-বলিউড ছবি নিয়ে আজকের আয়োজন।

নন স্টপ: জুম কোলেট-সেরা পরিচালিত ‘নন স্টপ’ ছবিটি মুক্তি পাবে ২৮ ফেব্র“য়ারি। লিয়াম নিসন, জুলিয়ান মুর, মিশেল ডোকারি অভিনীত এ ছবিটি থিয়েটারে মুক্তি পাবে ২৮ ফেব্র“য়ারি। নন স্টপ ছবির সঙ্গীত প্রযোজনা করেছেন জন ওটম্যান।

ছবিতে দেখা যাবে বিল মার্ক্স এয়ার মার্শাল কোম্পানির একজন পুরাতন কর্মকর্তা। তিনি তার কাজকে শুধু জীবন রক্ষাকারী কর্তব্য হিসেবেই দেখেন না আকাশের একটি ডেস্ক জবও ভাবেন। যাহোক, তার আজকের ফ্লাইটটি কোন রুটিনমাফিক ট্যুর নয়। আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডনের দিকে যাত্রা। এসময় তিনি কতগুলো রহস্যময় টেক্সট ম্যাসেজ পান যেখানে তাকে একটি সিক্রেট একাউন্টে ১৫০ মিলিয়ন ডলার লেনদেন করতে বলা হয়। নয়তোবা প্রতি ২০ মিনিটে বিমানের একজন করে যাত্রী মারা যাবে। অতঃপর ঘটতে থাকে একের পর এক রহস্যময় ঘটনা।

‘শাদি কা সাইড ইফেক্টস’: এ সপ্তাহের একটি রোমান্টিক-কমেডিধর্মী বলিউড ছবি ‘শাদি কা সাইড ইফেক্টস’। ছবির দুটি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালান এবং ফারহান আখতার। বালাজি মোশন প্রযোজিত ‘শাদি কা সাইড ইফেক্টস’ মুক্তি পাবে ২৮ ফেব্র“য়ারি।

ছবিতে স্বামী-স্ত্রী চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিদ্যা এবং ফারহান। তাদের অভিনীত চরিত্র দুটির নাম যথাক্রমে তৃষা এবং সিড। ছবিতে দেখা যাবে ফারহান আখতার তার বিয়ে ভীতি কাটিয়ে বিদ্যাকে বিয়ে করেন। এরপর কল্পনা-বাস্তবতার সমঝোতার মাধ্যমে দুজনের একসঙ্গে মানিয়ে চলার চেষ্টা। তবে সে চেষ্টায় তারা সফল হন কিনা সেটা জানতে হলে দেখতে হবে পুরো ছবিটি।

রিপেনট্রে: ‘রিপেনট্রে’ একটি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার ছবি। ফিলিপ কালেন্ড পরিচালিত এ ছবিটি মুক্তি পাবে ২৮ ফেব্র“য়ারি। এতে অভিনয় করেছেন এনথনি মেকি, ফরেস্ট হুইটেকার, মাইক এপ্স প্রমুখ।

একটি উন্মত্ত গাড়ি দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে মৃতপ্রায় অবস্থায় ছিলেন টমি কার্টার। এর অনেক বছর পর তিনি নিজেকে আবিষ্কার করেছেন একটি থেরাপিস্ট বা আধ্যাত্মিক উপদেষ্টা হিসেবে। যিনি কিনা পৃথিবীর ধর্ম এবং ইতিবাচক দিকগুলোর সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেন। টমি তার এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাগুলোকে একটি সফল বইয়ে রূপ দিলেন। এভাবেই চলতে থাকে ছবির গল্প।

দেশি ম্যাজিক: আমিশা পেটেলের প্রডাকশনের ব্যানারে নির্মিত ‘দেশি ম্যাজিক’ ছবিটি মুক্তি পাবে ২৮ ফেব্র“য়ারি। এতে প্রযোজনার পাশাপাশি অভিনয়ও করেছেন আমিশা। মেহুল আথা পরিচালিত এই রোমান্টিক-কমেডি ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন জায়েদ খান, রণধির কাপুর এবং শাহিল শ্রফ।

ছবিতে দ্বৈত চরিত্রে থাকছেন আমিশা। শান্তশিষ্ট আমিশাকে যেমন দেখা যাবে তেমনি রাফ অ্যান্ড টাফ লুকেও পর্দা মাতাবেন তিনি।

ওয়েলকাম টু ইয়েসটারডে: ডিয়ান ইসরায়েলিট পরিচালিত ‘ওয়েলকাম টু ইয়েসটারডে’ একটি সায়েন্সফিকশন ও এডভেঞ্চারধর্মী ছবি। এমি ল্যান্ডেকার, জনি ওয়েস্টন, গ্যারি গ্রাবস, গিনি গার্ডনার অভিনীত এ ছবিটি মুক্তি পাবে ২৮ ফেব্র“য়ারি। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন মিশেল বে।

ছবিতে দেখা যাবে তরুণদের একটি দল টাইম মেশিন তৈরির গোপন পরিকল্পনাকে আবিষ্কার করে এবং তারা একটি টাইম মেশিনও তৈরি করে। একে একে ঘটতে থাকে উত্তেজনাপূর্ণ নানা ঘটনা।

যে ৬ ধরণের পুরুষকে এড়িয়ে চলে মেয়েরা

নারীর মন দেবতারা জানুক বা না জানুক, নারী কিন্তু নিজের চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপারটা বেশ ভালো করেই জানেন। বিশেষ করে প্রেম-ভালোবাসার ক্ষেত্রে তাঁদের পছন্দ আরও অনেক বেশি তীক্ষ্ণ। অনেক পুরুষই মনে মনে ভাবেন, কোনো নারী তাঁকে কেন পছন্দ করে না? বেশ, তাহলে জেনে রাখুন সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন কোন ধরণের পুরুষদেরকে এড়িয়ে চলেন নারীরা। আর মিলিয়ে নিন, আপনার মাঝে সেই দোষখানা নেই তো!
পরিবর্তনশীল:

কিছু মানুষ থাকে যারা খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে। এদের মানসিক অবস্থাও দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে যায়। এধরণের মানুষের সাথে তাল মিলিয়ে চলা বা এদের মন রক্ষা করা সত্যিই বড্ড কঠিন। এই এরা হাস্যোজ্জল, তো এই অগ্নিমূর্তি। এধরণের পরিবর্তনশীল পুরুষকে মেয়েরা সাধারণত এড়িয়েই চলে।

‘আমি, আমার’ ধরণের পুরুষ:

ধরুন, আপনি একজনের সাথে রেস্টুরেন্টে গেছেন। সঙ্গী পুরুষটি আপনাকে মেন্যু চেক করতে দিলেও খাবার অর্ডার করল নিজ পছন্দে। এরপর ধরুন, আপনি তার সাথে ফোনে কথা বলছেন। তিনি তার দিন কেমন গেল, নিজের কী অবস্থা দিয়ে শুরু করল কথা এবং শেষও করল নিজের কথা দিয়েই। যদি আপনি মনে মনে প্রত্যাশা করেন, তার সাথে বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে ছবি দেখবেন, তার ইচ্ছার কারণে আপনাকে গিয়ে বসে থাকতে হল কোনো রেস্টুরেন্টে। এক কথায় বলে দেওয়া যায়, এই লোক প্রচন্ড স্বার্থপর। মেয়েরা এধরণের পুরুষদেরকে সবসময়ই এড়িয়ে চলতে চায়।
‘আমি তো বাচ্চা’ পুরুষ:

এধরণের মানুষ কখনোই বড় হয় না। আপনি যতই চেষ্টা করেন না কেন, এদেরকে মানসিকভাবে বাস্তববাদী করতে, এরা হবে না। নিজেকে শিশু মনে করেই এরা সুখী এবং সবসময়ই শিশুই থেকে যেতে চায়। আচরণও এদের শিশুসুলভ। এধরণের ছেলেদের সাধারণত বাস্তববাদী যেকোনো মেয়েই এড়িয়ে যায়।
ফ্লার্টকারী:

যে ছেলে যেকোনো মেয়ের সাথেই ফ্লার্ট করে, তাদেরকে সাধারণত সব মেয়েই এড়িয়ে চলে। এদের হাত থেকে সমাজের উচ্চ থেকে নিন্ম কোনো শ্রেণীর মেয়েই রক্ষা পায় না। এধরণের ছেলের জীবন ইতিহাসও তেমন গ্রহণযোগ্য কিছু হয় না। তার সম্পর্কে একটা কথাই বলা যায়- সে কারোর ব্যাপারেই কখনো গভীরভাবে ভাববে না।

‘তোমাকে আমার খুব দরকার’ টাইপ ছেলে:

এধরণের মানুষ খুব দ্বিধাগ্রস্ত হয় এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে সবসময়। সে হৃদয়জুড়ে যেমন আবেগ নিয়ে আপনার দ্বারে হাজির হবে, ঠিক একইভাবে দ্বিধাদ্বন্দ্বকেও বিনামূল্যে বয়ে নিয়ে আসবে আপনার জীবনে। তার আগমনে আপনার জীবনে শুধুই জটিলতারই সৃষ্টি হবে। এধরণের পুরুষদের থেকেও নিজেকে দূরে রাখে মেয়েরা।
খুব সহজেই আন্দাজ করা যায় যাদের:

এধরণের পুরুষ থেকেও মেয়েরা দূরে থাকে। কারণ এদের মাঝে কোনো নতুনত্ব থাকে না। কোনো কিছু করতে গেলেই বা ভাবলেই বোঝা যায়। কোনোরকম চমকে দেওয়ার ক্ষমতাহীন এসব পুরুষের চেয়ে মেয়েরা একা থাকতেই বেশি ভালোবাসে।

দূর করুন নিজের অতিরিক্ত আবেগপ্রবণতা, কমান কষ্ট

যেসব মানুষ আবেগপ্রবণ হন তারা জীবনে অনেক বেশিমাত্রায় কষ্ট ভোগ করে থাকেন। আবেগপ্রবণ মানুষ যে কারো ওপর বেশি মাত্রায় বিশ্বাস করে ফেলেন খুব সহজেই। যখন এই বিশ্বাস ভাঙে তখন বিশ্বাসভাঙার কষ্টটা শুধুমাত্র আবেগপ্রবণ মানুষটিই ভোগ করে থাকেন। আবেগ মানুষের ভেতরের পবিত্রতা প্রকাশ করলেও এটি আসলে জীবনযাপনের জন্য বেশ ক্ষতিকর একটি অনুভূতি। আবেগের বশবর্তী হয়ে অনেকে অনেক ভুল করে ফেলেন যার ফলে পরবর্তীতে অনেক পস্তাতে হয়।

আবেগ থাকা ভালো, কিন্তু বেশি মাত্রায় আবেগ থাকা এবং আবেগ প্রকাশ করা ভালো নয়। কারো সামনে আবেগ প্রকাশ করার অর্থ হলো অন্য একজন মানুষের কাছে নিজেকে ধ্বংস করে দেয়ার অস্ত্র দিয়ে দেয়া। মাত্রাতিরিক্ত আবেগের কারণে বিষণ্ণতা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন অনেকে। কিন্তু নিজেকে তিলে তিলে বিষণ্ণতার দিকে ঠেলে দেয়াই সমাধান নয়। আবেগ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। জানতে হবে নিজের আবেগটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়। তাহলেই জীবনকে অন্ধকার থেকে আলোতে আনা সম্ভব।

নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন

বেশি আবেগপ্রবণ মানুষ আত্মবিশ্বাসী হতে পারেন না। তাই সব চাইতে প্রথমে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠুন। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন। নিজের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিন। এতে আবেগের মাত্রা কমে আসবে। স্বার্থপর হতে বলা হচ্ছে না, শুধুমাত্র নিজের ইচ্ছেটাকে সামান্য গুরুত্ব দেয়ার কথা বলা হচ্ছে। এতে করে নিজের প্রতি বিশ্বাস ফিরে পাবেন। আবেগ নিয়ন্ত্রণে আনতে শিখুন।
নিজেকে চিনুন

নিজেকে বুঝুন। চিন্তা করে বের করুন আপনি কোন জায়গায় সব চাইতে বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কোন মানুষটি আপনার আবেগপ্রবনতার কারণ কিংবা কোন কাজটি আপনাকে বেশি মাত্রায় আবেগী করে তোলে। আগে নিজের আবেগপ্রবনতার কারণটি খুঁজে বের করুন। যদি সম্ভব হয়ে কারণটিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনার অতিরিক্ত আবেগ কমে আসবে। দুঃখ কম পাবেন।
নিজেকে সময় দিন

অনেকক্ষেত্রে সময় মনের ক্ষত পূরণ করতে সহায়তা করে। তেমনই নিজেকে সময় দিন আবেগটাকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। এতে করে আপনার নিজের মন ঠিকই খুঁজে নেবে আপনার কষ্টের কারণ এবং নিয়ন্ত্রণে আনবে আপনার আবেগ।
‘না’ বলা শিখুন

আবেগপ্রবণ মানুষের সব চাইতে বড় সমস্যা তারা সহজে কাউকে না বলতে পারেন না। ‘অনুরোধে ঢেঁকী গেলা’ প্রবাদ মুলত আবেগপ্রবণ মানুষের জন্যই তৈরি হয়েছে।

একারনে অনেকে আবেগপ্রবণ মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে নিজের কাজ উদ্ধার করে নেয়। তাই সবার প্রথমে না বলা শিখুন যত কষ্টই হোক না কেন। এতে করে অযথা কোন ঝামেলায় পরে আবেগী হয়ে ভুল করার প্রবণতা কমবে।
আপনার জন্য ক্ষতিকর মানুষগুলোকে জীবন থেকে চলে যেতে দিন

আবেগপ্রবণ মানুষের প্রধান সমস্যা তারা যতই কারো কাছ থেকে কষ্ট পাক না কেন তাদের জীবন থেকে চলে যাওয়া সহ্য করতে পারেন না। অনেক ক্ষেত্রে তাদের ভুলকে ক্ষমা করে আবার নতুন করে ভুল করে বসেন। এই কাজটি কখনো করবেন না। এতে আপনি নিজের আবেগপ্রবনতাকে কখনো অতিক্রম করতে পারবেন না। নিজের জন্য ক্ষতিকর এই সকল মানুষের ভুল চাইলে ক্ষমা করতে পারেন কিন্তু পরবর্তীতে তাদেরকে আগের মত গুরুত্ব দেবেন না। এতে আপনি শান্তিতে থাকতে পারবেন। আবেগটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন।

ক্যানসার রোধে স্বর্ণ পান


স্বর্ণ পান করলে ক্যানসার রোধ সম্ভব বলে দাবি করেছেন গবেষকরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিবাংলা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছ, নেদারল্যান্ডে গ্রোনিনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এ্যাঞ্জেলা ক্যাসিনো জানান- ক্যাফিন সংক্রান্ত কোনো পানীয়র সঙ্গে স্বল্প পরিমান সোনা মিশিয়ে পান করলে ক্যানসারকে জয় করা যায়।

জিবাংলা বলছে, আমরা সাধারণত প্রতিদিনই ক্যাফিন স্বল্পবিস্তর পান করি। ক্যাফিন হচ্ছে একপ্রকার তিক্ত ক্ষার যা কফি, চা, চকোলেট সহ ৫৬ রকম গাছ ও পাতায় এই পর্দাথটি থাকে।

তবে আপনি যদি গ্যালন গ্যালন কফি, চা পান করেন তার মধ্যে থাকা ক্যাফিন আপনার শরীরকে হিতে বিপরীত করতে পারে।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন সঠিক পরিমানে ক্যাফিন ও সোনার মিশ্রিত পানীয় ক্যানসারের কোষগুলিকে বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে বিজ্ঞানীরা সাত রকম ক্যামিকেল দিয়ে তৈরি করছেন ক্যাফিন গোল্ড (caffeine-based gold (I) N-heterocyclic carbenes) এবং এটি নিয়ে আররো গবেষণা চলছে।

এই যৌগ পর্দাথটি ক্যানসার কোষ যেমন বৃদ্ধি করতে দেয় না তেমনি “জি-কুয়াডরুপলেক্স” একটি ডিএনএ আর্কিটেকচারকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করে যেখানে ক্যানসার লুকিয়ে থাকে।

হাটতে গিয়ে কোটিপতি!

হাটতে গিয়ে কোটিপতি!

কুকুরকে নিয়ে হাটতে বের হয়ে ‘কোটিপাতি’ বনে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার এক দম্পতি। তারা বিপুল পরিমাণ স্বর্ণমুদ্রা খুঁজে পেয়েছেন। ওই সোনার মুদ্রাগুলোর বর্তমান মূল্য আনুমানিক ১ কোটি মার্কিন ডলার। এগুলো ১৮৪৭ থেকে ১৮৯৪ সালের মধ্যে তৈরি ১৪২৭ টি সোনার মুদ্রা এবং কখনো ব্যবহূত হয়নি। একদম নতুন অবস্থায় পেয়েছেন তারা। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এটিই সম্ভবত মাটির নিচ থেকে পাওয়া সর্ববৃহত্ গুপ্তধন। মুদ্রাবিশেষজ্ঞ ডেভিড ম্যাকার্থি বলেন, ‘জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে অনেক বেশি সংখ্যক সোনার মুদ্রা খুঁজে পাওয়ার কথা আমরা শুনেছি। কিন্তু মাটির নিচ থেকে এই পরিমাণ মুদ্রা পাওয়ার কথা এখনো শুনিনি। আমি উত্তর আমেরিকায় এই পরিমাণ মূল্যমানের এবং এত অক্ষত অবস্থায় থাকা সোনার মুদ্রা কখনো দেখিনি।’ ওই দম্পতি ক্যালিফোর্নিয়ার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করেন। ওই দম্পতি আমাজনের মাধ্যমে মুদ্রাগুলো বিক্রির পরিকল্পনা করছেন। -বিবিসি

অলৌকিক কিছু ‘সত্য’ ঘটনা

আচ্ছা পুরো বিশ্বে এখন মানুষের সংখ্যা কত? ৭০০ কোটির কাছাকাছি হবে। বেশ, অশরীরী আত্মা কিংবা ব্যাখ্যার উর্ধ্বে থাকা কিছু অস্তিত্বকে ধরে নিলে সে সংখ্যাটা আরো বেড়ে যায় বৈকি। তবে আত্মা কিংবা অতৃপ্ত আত্মা আছে কি নেই, সে তর্কে না গিয়ে চলুন জেনে নেই লৌকিক পৃথিবীতে অলৌকিক কিছু ‘সত্য’ ঘটনা।

(১) চার্লস ডিকেন্স যখন কথা বলেছিলেন কবর থেকে!

চার্লস ডিকেন্স যখন মারা যান সেসময় তাঁর বয়স ছিল ৫৮ বছর। মারা যাবার আগে তিনি The Mystery of Edwin Droodনামে একটি রহস্যোপন্যাস লিখা শুরু করেছিলেন, যেটা রয়ে গিয়েছিল অসমাপ্ত। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁ৫ ছেলেসহ অনেকেই চেষ্টা করেন উপন্যাসটি শেষ করার, কিন্তু ব্যর্থ হন। ১৮৭৩ সালে এ উপন্যাসের সবচেয়ে বীভৎস সংস্করণ বের হয়। থমাস জেমস নামের একজন লেখক জানান, খোদ চার্লস ডিকেন্সের আত্মা কবর থেকে উঠে এসে তার দেহে ভর করেন ও উপন্যাসটি শেষ করেন! এর প্রমাণ হিসেবে জেমস নিজের হাতে লেখা গল্পের পান্ডুলিপ দেখান। সেখানে যে হাতের লেখা ছিল তার সাথে জেমস কিংবা ডিকেন্স কারো হাতের লেখারই মিল ছিল না। বইটি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে যুক্তরাষ্ট্রে সাড়া পড়ে যায়। অনেকে জেমসকে ধাপ্পাবাজ বললেও অনেক বিখ্যাত লেখক যেমন শার্লক হোমস সিরিজ রচয়িতা স্যার আর্থার কণ্যান দয়েল জেমসকে সমর্থন জানান। অত্যন্ত অদ্ভুতভাবে এ বইটির পর জেমস আর কোনো বই লিখতে সক্ষম হন নি!

(২) জাপানের প্রধানমন্ত্রী ভবনের বিদেহী আত্মারা!

মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ভবন হোয়াইট হাউস নিয়ে অনেক অনেক অদ্ভুতুড়ে ঘটনা শোনা যায়। কিন্তু জাপানের প্রধানমন্ত্রী ভবন ‘কোটেই’ও সম্ভবত অশরীরী আত্মাতে গিজগিজ করছে! ১৯২৯ সালে এ ভবনটি নির্মিত হয়। তখন থেকে এখানে বসবাসকারী জাপানের প্রধানমন্ত্রী ও ফার্স্ট লেডিরা এ বাড়িতে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটার অভিযোগ করে আসছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে এ বাড়িতে থাকতে আপত্তি জানান। যদিও তিনি বলেছেন যে, এতো বড় বাড়ি তাঁর প্রয়োজন নেই কিন্তু জাপানের প্রভাবশালী পত্রিকা ‘আশাহি শিম্বুন’ জানায় যে, শিনজো আরেকজনকে বলেছিলেন যে, কোটেইতে ভূত আছে, তাই তিনি সেখানে থাকতে চান না। এ বাড়িটির দীর্ঘ ইতিহাস হচ্ছে রক্তাক্ত। ১৯৩২ সালের ১৫ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইনুকাই তয়ুশি নৌবাহিনী অফিসারদের হাতে খুন হন। এ ঘটনার চার বছর পর ২৮০ জন সেনা অফিসার এ ভবনের ফটক ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে পড়ে। তুমুল গোলাগুলিতে চারজন পুলিস সদস্য নিহত হন। দুর্ভাগ্যক্রমে চেহারায় মিল থাকায় নতুন প্রধানমন্ত্রী কেইসুকি ওকাডার দুলাভাই নিহত হন, কিন্তু ওকাডা পালিয়ে যান। সে ঘটনাগুলোর এত বছর পরও এ ভবনের ক্ষত বিক্ষত দেয়াল সে বীভৎস ঘটনার সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। এখনো এ ভবনে অশরীরী সেনাদের দেখা পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিরো মরি।

(৩)খাঁচাবন্দী পিশাচ!

আমেরিকার পেসিলভিনিয়ার ক্যাটাউইসার পুরনো মাউন্ট জায়ান্ট সমাধিক্ষেত্রে গেলে একটি বিচিত্র দৃশ্য দেখা যাবে। এক জোড়া কবরকে ঘিরে দেয়া হয়েছে খাঁচা দিয়ে। দুটি কবর ছিল দুইজন মহিলার, যারা ১৮৫২ সালে মারা গিয়েছিলেন। এখানে তৃতীয় আরেকজন নারীর কবর ছিল, যার নাম ছিল রেবেকা ক্লেটন। রেবেকার কবর মেরামতের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ায় ১৯৩০ সালে সেটাকে সরিয়ে নেয়া হয়। তিনজন নারীই ছিলেন নিকটাত্মীয়, বিয়ের অল্প কিছুদিন পরেই তিনজনই মারা যান। কেন তাদের কবরকে খাঁচায় আবদ্ধ করা হয়েছিল? অনেকে বলেন, সেসময় এরা কলেরায় ভুগে মারা গিয়েছিলেন। পানিবাহিত এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে যায় বলে এদেরকে আলাদাভাবে কবর দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সেক্ষত্রে খাঁচা কেন দিতে হবে, কবর দেয়াই কি যথেষ্ঠ নয়? বিকল্প বক্তব্য হচ্ছে, এ তিনজন নারীই ছিলেন ভ্যাম্পায়ার, যারা রাতের বেলায় কবর থেকে উঠে এসে জীবিত মানুষের রক্ত পান করতেন!

যে গ্রামে কোনো দরজা নেই !


নিজস্ব সম্পদ নিরাপদ রাখতে আমরা কত কিছুই না করি। দরজায় মারি তালা, দরজার বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখি দারোয়ানকে, আর বেশি মূল্যবাণ সম্পদ যেগুলো, সেগুলোকে নিজের ঘরে না রেখে ব্যাংকের লকারে সঁপে দিয়ে আসি। এই যখন অবস্থা, তখন ভারতের দরজাবিহীন গ্রামের কথা শুনে আমাদের অবাক না হয়ে উপায় নেই।


ভারতের  মহারাষ্ট্র  প্রদেশের  আহমেদনগর  জেলায় সোনাই নামের এক গ্রাম। জেলা শহর আহমেদনগর থেকে গ্রামের দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষের বাস। এই  গ্রামটি   বেশ  পরিচিত  তার দরজাবিহীন  ঘরের  জন্য । গ্রামের মধ্যেই রয়েছে কুব বিখ্যাত একটি মন্দির যার নাম ‘শানি‘।তবে আর দশটির গ্রামের থেকে এই গ্রামের বিশেষত্ব এই যে, এই  গ্রামের  কোনো  বাড়িতেই  দরজা  লাগানো  হয় না। এমন  কি একই  পরিবারের  সবাই যখন  বাইরেও  চলে  যায়, তখনও দরজা থাকে তালাবিহীন ! বিষ্ময়কর হলেও সত্য, দরজা  না  থাকার  পরও  কোনো  বাড়ির  কোনো  মূল্যবান  জিনিসপত্র  চুরি  হয়না  কখনোই। গ্রামবাসীর  বিশ্বাস,  শানি  মন্দিরের  দেবতা  এতটাই  শক্তিশালি যে- যখন  কেউ  চুরির  চেষ্টা  করে,  তখনই সাথে  সাথে  দেবতার পক্ষ থেকেই তাকে  শাস্তি  দেয়া  হবে।

তবে যুগ পাল্টাচ্ছে। ২০১০  সালের  অক্টোবর  এবং  ২০১১  সালের  নভেম্বরে  চুরির  অভিযোগ  পাওয়া  গেছে গ্রামটিতে। জানুয়ারী  ২০১১  সালে  ইউনাইটেড  কমার্শিয়াল  ব্যাংক  এই  গ্রামে  একটি  ‘লকলেস’  শাখার  উদ্বোধন  করে,  যা  ভারতের  ইতিহাসে  প্রথম।  ব্যাংকের দরজা সবসময় খোলা থাকলেও, লকার ও  গুরুত্বপূর্ণ  কাগজপত্রের  প্রয়োজনীয়  সেফটি  নেয়া  হয়েছে ।

বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত গাছ, ছুঁলেই সর্বনাশ !

বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত গাছ, ছুঁলেই সর্বনাশ !
বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত গাছ, ছুঁলেই সর্বনাশ !

অত্যন্ত নিরীহদর্শন একটি গাছ , আর তার কপালেই জুটল কিনা গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এর দেয়া ‘সবচাইতে বিপদজনক গাছ’ এর তকমা! মেক্সিকো উপসাগরের কাছে ক্যারিবিয় দ্বীপপুঞ্জের ম্যানচিনিল( Hippomane mancinella) বা বিচ অ্যাপল গাছের জুটেছে এই খেতাব! এই গাছের শাখা প্রশাখা, পাতা এমনকি ফলে এক ধরণের বিষাক্ত রস নিঃসৃত হয়, যা কিনা ত্বক স্পর্শ করার সাথে সাথে ফোসকার সৃষ্টি করে। চোখে লাগলে যে কেউ সাথে সাথে অন্ধও হয়ে যেতে পারেন।এমনকি বৃষ্টির দিনে এই গাছের নিচে আশ্রয় নেয়াও বারণ, কারণ বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এই রস শরীরে লেগে যেতে পারে।

বিচ অ্যাপল অথবা ‘ডেথ অ্যাপল’ খেতে খানিকটা মিষ্টি এবং এর সুঘ্রাণ ক্ষুধা উদ্রেক করে, তবে একটি ছোট্ট কামড় আপনার মুখগহবর থেকে শুরু করে পাকস্থলি পর্যন্ত জ্বালিয়ে দিতে যথেষ্ট। এই গাছ এতই বিপদজনক যে একে জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়না। কারণ গাছের কাঠ পুড়ে যে ধোঁয়ার সৃষ্টি হয় সেটাও অন্ধ করে দিতে পারে। এই গাছের একমাত্র ব্যবহার হল আসবাবপত্র তৈরিতে। এছাড়া ইতিহাস বলে, শিকারীরা একসময় এই গাছের রস বিষ হিসেবে তীরের ফলায় ব্যবহার করত।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের বর্ণিল শোভা উপভোগ করতে যেয়ে অনেক পর্যটকই না জেনে এই উদ্ভিদের বিষে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে সাবান পানি দিয়ে ক্ষতস্থানটি ধুয়ে নিতে বলা হয়। আর পুড়ে গেলে বেশি করে পানি ঢেলে দিতে হয়। ক্ষতস্থান ফুলে গেলে অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ প্রযোজ্য।আর অতি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

এত কিছুর পরও ফ্লোরিডায় এই উদ্ভিদ এখন ‘সঙ্কটাপন্ন’ অবস্থায় রয়েছে।

পল আর্সনের লিঙ্গের জাদুঘর!

পল আর্সনের লিঙ্গের জাদুঘর!

পৃথিবীতে অনেক কিছুরই সংগ্রহসালা রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন পুরুষ প্রাণীর কামোত্থিত লিঙ্গ নিয়ে ব্যতিক্রম ধর্মী এক জাদুঘর গড়ে তুলেছেন আইসল্যন্ডের অধিবাসী পল আর্সন। শুধু একটি প্রাণীর লিঙ্গই এখন পর্যন্ত যোগাড় করা যায়নি। সেটি হলো মানুষ।
পল আর্সনের লিঙ্গের জাদুঘর!
ছোট থেকে বড় প্রায় ৯৩টি প্রাণীর কামোত্থিত লিঙ্গ নিয়ে এই সংগ্রহসালাটি গড়ে উঠেছে আইসল্যান্ডের রেইকজাভিক শহরে। এমন কি এর মধ্যে রয়েছে বিশালাকায় স্পার্ম তিমির লিঙ্গও।
জানা যায়, ১৯৯৭ সালে প্রথম এই লিঙ্গ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন পল আর্সন। প্রথম প্রথম এই জাদুঘরে কেবল আর্সনের প্রতিবেশীরাই ছিলেন দর্শক। কিন্তু এখন বিভিন্ন দূর দূরান্ত থেকে মানুষরা এসে আর্সনের এই লিঙ্গ জাদুঘর দেখে যান।
তবে সবার কৌতুহল অবশ্য একটি খালি জারের প্রতি। সেখানে কোনো পুরুষ মানুষের লিঙ্গ থাকার কথা থাকলেও এখনো নাকি তেমন কোনো দাতা খুঁজে পাননি আর্সন। তাই জারটি খালিই রয়েছে।
আর্সন জানিয়েছেন, তিনি মানুষের লিঙ্গ সংরক্ষনের চেষ্টা করেছেন। তিন্তু তাতে কেউ রাজি হয়নি। অবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মৃত্যুর পর তিনিই তার লিঙ্গটিই স্থান পাবে জাদুঘরে। তাই সহকারীদের বলেও দিয়েছেন, মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই যেন কেউ তার লিঙ্গটি সংরক্ষণ করে।

প্রেম কি কোন বাধা মানে?

বৃটেনের সবচেয়ে মেদবহুল ব্যক্তি হিসেবে এরই মধ্যে খেতাব জিতেছেন ব্যারি অস্টিন। তার ওজন প্রায় ৪১৩ কিলোগ্রাম বা ৯১০ পাউন্ড।কিন্তু, ভালবাসা কবে হার মেনেছে চেহারার কাছে। ওজন খুব বেশি হলেই যে, কারও প্রতি মনের গভীরে জন্ম নেয়া ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটানো যাবে না, ব্যাপারটা তো এমন নয়।

আর তাই অস্টিন ১৩ বছর আগে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ছোট্ট বেলায় ভাল লেগে যাওয়া ডেবি কিরবিকে। কিন্তু, অস্টিনের সে প্রস্তাব তখন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তরুণী ডেবি।

অস্টিনের চেয়ে ১২৭ কিলোগ্রাম বা ২৮০ পাউন্ড কম ওজন তার। সন্তানদের নিয়ে সবাই ঠাট্টা-মস্করা করবে বলে, অস্টিনের বিয়ের প্রস্তাবটি মেনে নিতে পারেননি সেবার। ১৩ বছর অনেক ভেবে শেষে ডেবি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, অস্টিনকেই বিয়ে করবেন।

এজন্য মানসিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছেন তিনি। আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব ও সততার জন্য অস্টিনকে পছন্দ করেন ডেবি। দু’পক্ষের সম্মতিতে এবার প্রেম শুভ পরিণয়ের পথে এগোচ্ছে। আর সবাই আশা করছেন, এ জুটি যাতে এক সঙ্গে তাদের বাকি জীবনটা কাটাতে পারেন।

দুধ খেয়ে ২৫ বছর

দুধ খেয়ে ২৫ বছর
দুধ খেয়ে ২৫ বছর

মানুষের খাদ্যাভ্যাস কত বিচিত্র। দেশ ও সময়ের পার্থক্যে এরমক অনেক বিচিত্র খবর শোনা গেছে এবং মাঝে মধ্যেই শোনা যায়। কারও পছন্দ ভাত, তো কারও পছন্দ রুটি। আবার কোথায়ও দেখা যায় আলু খেয়েই জীবন চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বিচিত্র এসব খাবারের অধিকাংশই সলিড খাবার। শুধু তরল খাবার খেয়ে বছরের পর বছর বেঁচে থাকার খবর শোনা যায় না বললেই চলে। কিন্তু জানা গেল ভারতের এক নারীর কথা। তিনি নাকি ২৫ বছর দুধ খেয়েই বেঁচে আছেন। শুনতে আজব হলেও বাস্তবে ব্যাপারটি সত্যি। দুধ আহারী এ নারীর বাড়ি নয়াদিল্লির অদূরে সোনিপতে। নাম তার মঞ্জু ধর্রা। দিনে চার থেকে পাঁচ লিটার দুধ পান করেন তিনি। অবশ্য তার খাদ্য তালিকায় কিছু পরিমাণ পানি ও পনির থাকে। মাঝে মধ্যে চা পান করেন। আর এভাবেই ২৫ বছর বেঁচে আছেন তিনি। কথায় আছে, ‘শরীর হলো মহাশয়, যা সহাবে তাই সয়’। কথাটি মঞ্জুর বেলায় একদম খেটে গেছে। যদিও তা স্বাভাবিক নয়। জানা গেছে, জন্ম থেকেই এক ধরনের রোগে ভুগছেন মঞ্জু। কঠিন দানার কোনো খাবার খেলে তার বমি হয়। এ ধরনের রোগের নাম অ্যাছালসিয়া। মঞ্জুর মা ভগবতী ধর্রাও বললেন মেয়ের এই সমস্যার কথা। তরল জাতীয় খাবার ছাড়া অন্য কোনো খাবার তার মেয়ে সহ্য করতে পারে না। দুধ-পানি খেয়ে জীবন চালালেও মঞ্জুর শারীরিক বৃদ্ধি অন্য দশটা মেয়ের মতোই স্বাভাবিক। তার উচ্চত, দেহের গড়ন সবই ভালো। তবে মাঝে-মধ্যে পেটের পীড়ায় ভোগেন তিনি। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য মঞ্জুকে অনেক চিকিৎসক দেখানো হয়েছে। কিন্তু কোনো ডাক্তারই তার রোগ নিরাময় করতে পারেননি। তবে তার পরিবার জানাল, আর্থিক অনটনের কারণে উন্নত কোনো চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। ফলে মঞ্জুর ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তার বাবা-মা।

বিশ্বের সবচাইতে বিচিত্র ও অদ্ভুত ৭ মানসিক রোগ

পৃথিবীতে মানুষ রয়েছে যেমন বিভিন্ন ধরণের, তাদের মন-মানসিকতাও তেমন অনেক রকমের এবং মানসিক সমস্যাও অনেক রকমের। মানসিক সমস্যার ব্যাপারটা এমনিতেই আমাদের কাছে একটু অস্বাভাবিক ঠেকে, তার ওপরে এমন কিছু মানসিক সমস্যা আছে যার অস্তিত্ব অনেকে কল্পনাও করতে পারবেন না। আসুন পরিচিত হওয়া যাক তেমনই অদ্ভুত ৭ মানসিক রোগের সাথে।
বিশ্বের সবচাইতে বিচিত্র ও অদ্ভুত ৭ মানসিক রোগ

১) অ্যামপিউটি আইডেন্টিটি ডিজঅর্ডার এটা মানসিক এবং স্নায়বিক সমস্যা, যেখানে রোগী মনে করেন তিনি নিজ দেহের কোনো একটি অঙ্গ ছাড়াই ভালভাবে বাঁচতে পারবেন। এই বিশ্বাস থেকে তারা নিজেরাই নিজেদের শরীরের অঙ্গচ্ছেদ করার চেষ্টা করে থাকেন কখনো কখনো। 



 ২) অটোফ্যাজিয়া এই রোগে আক্রান্ত মানুষ ক্রমাগত নিজের শরীরকে ব্যাথা দেবার প্রয়োজন অনুভব করে থাকেন। এটা তেমন অস্বাভাবিক নয়। অস্বাভাবিক ব্যাপারটা হলো, নিজেকে কষ্ট দেওয়ার প্রক্রিয়াটি। অটোফ্যাজিয়া আক্রান্ত মানুষ নিজের শরীর কামড়ায় এমনকি কখনো কখনো খেয়েও ফেলে। প্রচণ্ড বিষণ্ণতা, সিজোফ্রেনিয়া ইত্যাদি মানসিক সমস্যার পাশাপাশি অটোফ্যাজিয়া দেখা দিতে পারে। ৩) অনিওম্যানিয়া আমরা অনেকেই “শপোহলিক” বলে থাকি সেসব মানুষদের যারা কেনাকাটা করতে শুরু করলে আর থামতে পারেন না। একেবারে ফতুর হয়ে না যাওয়া পর্যন্ত তারা উন্মাদের মতো কেনাকাটা করেন। এটাও কিন্তু একটা মানসিক রোগ যার নাম অনিওম্যানিয়া। ৪) কটার্ড’স সিনড্রোম এটাও স্নায়বিক এবং মানসিক একটি রোগ, যেখানে রোগী নিজেকে মৃত মনে করে এবং অনেক সময় অমর বলেও মনে করতে থাকেন।


৫) ক্লিনিক্যাল লাইক্যানথ্রপি এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করেন, তিনি হঠাৎ করেই কোনো একটি জন্তুতে রুপান্তরিত হয়ে গেছেন এবং অনেক সময়ে তারা আচরণও করা শুরু করেন জন্তুর মতো। ৬) প্যারিস সিনড্রোম এই সমস্যাটা হয় শুধুমাত্র প্যারিসে বেড়াতে আসা জাপানি ট্যুরিস্টদের। জাপানিরা হয়ে থাকে একটু বেশিই নমনীয় স্বভাবের এবং চাঁচাছোলা স্বভাবের ফরাসীদের আচরণে তারা যে “কালচার শক” পায়, তারই একটি তীব্র রূপ হলো প্যারিস সিনড্রোম। ৭) ডায়োজেনেস প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ডায়োজেনেসের নামে নাম এই সমস্যাটির। তিনি বাস করতেন একটি ব্যারেল বা পিপার ভেতরে এবং বিশ্বাস করতেন পৃথিবীর সবকিছুই অর্থহীন, এবং তিনি নিজেও তুচ্ছ একটি প্রাণী। এই রোগে আক্রান্ত মানুষ নিজেকে প্রচণ্ড রকমের অবহেলা করে থাকে এবং অন্যদের সাহচর্য এড়িয়ে চলে। সাধারণত বার্ধক্যে উপনীত হওয়া মানুষের মাঝে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৭ ফিট চওড়া কোমর !বিস্ময়কর সব তথ্য

৭ ফিট চওড়া কোমর !


মেয়েদের সৌন্দর্যে কোমরের বেশ ভালো ভূমিকা রয়েছে। মেয়েদের দৈহিক সৌন্দর্য সম্পর্কে ছেলেদের মুখে প্রচলিত ৩৪-২৪-৩৪ আকার থেকে কোমরের প্রশস্ততার গুরত্ব কিছুটা হলেও বোঝা যায়। কিন্তু সারাহ ম্যাসি নামের যে নারীর কোমর দেখলে কোমর সম্পর্কে প্রশস্তির আগে একটু ভেবে দেখবেন সবাই।

৭ ফিট চওড়া কোমর !

৩৩  বছর বয়েসী সারাহ ম্যাসি আমেরিকার শিকাগোর বাসিন্দা। সেটা অসাধারণ কিছুই নয়। দুই সন্তানের এই মায়ের সবচেয়ে অদ্ভুত দিকটি হলো তার কোমর। সারাহর ওজন ২০৩ কেজি এবং তার কোমরের মাপ প্রায় ৭ ফিট ! শিকাগোর যে বাড়িতে তিনি থাকেন, সেখানে তার চলাচলের জন্য আলাদা করে দরজাগুলোকে চওড়া করার দরকার হয়েছে। কোনো রকমের দ্বিধা না করেই সারাহ এটাও জানিয়েছেন যে, একবার তার ভারে থিয়েটারের টয়লেট ভেঙে পড়ার পর বিশেষভাবে মজবুত টয়লেটও নির্মানের দরকার পড়েছে।
 http://prem.durlov.org/

সারাহর এই বিশাল দিকটি মূলত বংশ ধারা থেকেই এসেছে। দিনে ১৫০০ থেকে ২০০০ ক্যালরির বেশি খান না তিনি, তাই খেয়েদেয়েই তার এই অবস্থা এমনটা ভাবাটা হবে বিশাল ভুল। বিশাল কোমর নিয়ে যেখানে তার নড়াচড়াতেই সমস্যা, সেখানে কর্মক্ষেত্রে যাওয়া-আসা করাটা তো প্রায় অসম্ভব। তাই আমেরিকার সরকারের কাছ থেকে মাসে মাসে ১২৩৬ ডলার করে ভাতা পান সারাহ।

মেয়েদের চিটিং করার কিছু কারণ

মেয়েদের চিটিং করার কিছু কারণ

এমন অনেক ছেলের জীবনেই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। মনের মানুষটি হঠাৎ তার সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে চলে গেছে। এরকমটি মেয়েদের ক্ষেত্রেও হয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছেলেদেরই এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু মেয়েরা কেনো এমন করে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে একেক জনের মাথায় একেক ধরনের উত্তর খেলা করেছে। আসুন “ক্লিনিক্যালি রিসার্স ডিভিশন” কি বলছে এ ব্যাপারে তা জেনে নিই। প্রথমত : যখন মহিলারা বুঝতে পারে যে তার সঙ্গী তাকে নিয়ে তৃপ্ত নয়, কিংবা তাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে তখন সে নিজেও তার সঙ্গীর সঙ্গে চিট করা শুরু করে। এবং সে কারন খুঁজে ফেরে কেন তার সঙ্গী তার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। 

মেয়েদের চিটিং করার কিছু কারণ


দ্বিতীয়ত : যখন মেয়েরা তার সঙ্গী খুঁজে পায় কিংবা কারও সঙ্গে তার অন্তরঙ্গতা হয় তখন সে নিজেকে তার সঙ্গীর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং সেক্স কে গুরুত্বহীন মনে করে। ফলে তার সঙ্গী অন্য কারও দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে ভেবে সন্দেহ প্রবণ হয়ে চিটিং করে।

তৃতীয়ত : সঙ্গী যখন অনেক বেশি ব্যস্ত থাকে এবং এজন্য দূরত্ব বজায় রাখে তখন মেয়েরা মনে করে নিশ্চয়ই সে অন্য কারও সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে এবং এটা ভেবে সে নিয়েও একাকীত্ববোধ থেকে স্বামীর/সঙ্গীর সঙ্গে চিটিং করা শুরু করে।

চতুর্থত : অনেক সময় ভালোবাসার রকমফের হয়ে থাকলে মেয়েরা চিটিং করে। এক্ষেত্রে তারা সম্পর্কের শুরুর সঙ্গে পরবর্তী সময়ের কথা চিন্তা করে। সম্পর্কের এই তুলনাবোধ থেকে হীনমণ্যতায় ভোগে এবং সঙ্গীর সঙ্গে চিটিং করে।

পঞ্চম কারনটি হল,অনেক সময় স্বামীর সঙ্গ না পাওয়া, মানসিক দুঃশ্চিন্তা,যৌণ সক্ষমতা না থাকার কারনেও মেয়েরা ভেঙ্গে পড়ে এবং চিটিং করা শুরু করে।

দেখুন বিদ্যুৎ সকে কীভাবে একটা মানুষ পোড়ে বাস্তব ভিডিও


আজ আপনাদের দেখাবো কীভাবে একজন মানুষ বিদ্যুৎ পোলে উপর বেধে তার জিবন্ত সরিলে আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে তার একটা ভিডিও চিত্র ভিডিও টি নেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। সম্ভবত এটা ইন্ডিয়াতে।




সবাই শেয়ার করুন 

পুরুষের প্রাণঘাতী অসুখ স্তন ক্যান্সার-জেনে নিন লক্ষণ ও পরীক্ষার ধরণ

চমকানোর কিছু নেই৷ পুরুষেরও স্তন ক্যানসার হয়৷ কিন্তু সমস্যা হলো পুরুষরা মনে করেন যে, কেবল নারীদেরই এই ক্যানসার হয়৷ এ কারণে তারা এ বিষয়ে কিছুটা বেপরোয়া থাকেন৷ নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করান না৷ আর এই মনোভাবই ডেকে আনে মৃত্যু৷

অনেকেই ভাবেন বংশে কারো ক্যানসার থাকলে, তবেই অন্যদের মধ্যে এটি হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে৷ প্যারাগুয়ের ৫৩ বছর বয়সি এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসায়ী মিগুয়েল রেন ২০১২ সালে জানতে পারেন তাঁর স্তন ক্যানসার হয়েছে৷ বংশে কারো এ অসুখটি না থাকায় এ ব্যাপারে একেবারে অসচেতন ছিলেন তিনি৷
রেন তাঁর রোগের লক্ষণ সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘‘বুক চুলকানো আমার একটি বদ অভ্যাসের মতো৷ তাই একদিন চুলকাতে গিয়ে দেখলাম পোকাড় কামড়ের মতো এটা দাগ, কিন্তু কিছুদিন পর জায়গাটি শক্ত হয়ে যায়৷''

প্রতি বছর জার্মানিতে অন্তত ৬০০ পুরুষ পরীক্ষা করান তাঁদের স্তন ক্যানসার হয়েছে কিনা৷ অথচ প্রতি বছর জার্মানিতে ৭৪,৫০০ নারী এই পরীক্ষাটি করান৷ জার্মান সোস্যাইটি অফ ইউরোলজি-র মুখপাত্র অধ্যাপক জাবিনে ক্লিস জানালেন, নারীদের তুলনায় পুরুষরা এই পরীক্ষাটি খুব কম করান৷

প্রতি পাঁচ জনের একজন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ২০১৪ সালের বিশ্ব ক্যানসার রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে যে ক্যানসারের হার দেখা যাচ্ছে, তাতে ২০৩০ সালের মধ্যে ৭৫ বছর বয়সের আগেই প্রতি পাঁচ জন পুরুষের একজনের মধ্যে এ ধরনের ক্যানসারের প্রবণতা দেখা যাবে৷ আর প্রতি আটজনের মধ্যে একজন এই রোগে মারা যাবে৷

বয়সের সাথে সাথে পুরুষদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে থাকে৷ তবে এটা ঠিক যে তরুণদের ক্ষেত্রেও এ ঝুঁকি রয়েছে৷ জার্মানিসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশেই নারীদের স্তন ক্যানসার শনাক্তের জন্য মেমোগ্রাফির সেবা থাকলেও পুরুষদের জন্য নেই৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই প্রতিবেদনের সহ-সম্পাদক বার্নার্ড স্টুয়ার্ট বলেছেন, পুরুষদের জন্য এই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা উচিত সরকারের৷ সরকারকে এ ব্যাপারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি৷

গবেষকরা এখনো বের করতে পারেননি ঠিক কি কারণে পুরুষরা স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন৷ ক্লিস জানান, বংশে কোনো নারী আত্মীয়ের স্তন ক্যানসার থাকলে অনেক সময় পুরুষের ক্যানসার হতে পারে৷ এমনকি জীনগত রোগ ‘ক্লাইনেফেল্টার' এর কারণেও অনেকের স্তন ক্যানসার হয়৷ পুরুষের শরীরে একটি অতিরিক্ত এক্স ক্রোমোজোমের কারণে এই রোগটি হয়৷ এর কারণে পুরুষের স্তন ক্যানসারের সম্ভাবনা ১৫ থেকে ৫০ ভাগ বেড়ে যায়৷

লক্ষণ
স্তন ক্যানসার হলে যে চামড়া স্তনকে ঢেকে রাখে তার পরিবর্তন দেখা যায়৷ চামড়া লাল হয়ে যায়, কুঁচকে যায়, তাতে ভাঁজ বা খাঁজ তৈরি হয়, স্তনবৃন্তের রঙের পরিবর্তন হয়, লালচে হয়ে যায় বা ভিতরের দিকে ঢুকে যায় এবং স্তনবৃন্ত থেকে রস ক্ষরণ হয়৷

নিজেই পরীক্ষা করুন
কেবল নারীদের স্তন ক্যানসার হয় – এই বদ্ধমূল ধারণার কারণেই অনেক পুরুষ দেরিতে চিকিৎসা শুরু করেন৷ টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন, অনলাইন এবং পত্রিকায় যতরকম প্রচারণা হয়, সবই নারী কেন্দ্রিক৷ সেখানে বলা হয় প্রতিটা নারীর উচিত নিজেদের স্তন পরীক্ষা করা, সেখানে লক্ষণগুলোও বলা থাকে৷ ক্লিস এর উল্লেখ করে বললেন, পুরুষদের সচেতন করতে ঠিক এই কাজটি শুরু করা উচিত৷

তিনি জানান, যদি কোনো পুরুষ দেখে তাঁর স্তনে কোনো পরিবর্তন হচ্ছে বা শক্ত হয়ে যাচ্ছে, অথবা নিপল থেকে কোনো ধরনের রস বের হচ্ছে তাহলে তাঁদের সরাসরি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত৷
তবে ক্লিস এটাও বললেন, এসব লক্ষণ দেখা দিলে যে ক্যানসার হবেই এমনটা ভাবা উচিত না, কিন্তু এড়িয়ে যাওয়াও উচিত না৷ উচিত চিকিৎসককে দেখানো৷ নারী ও পুরুষের চিকিৎসা পদ্ধতি একইরকম বলে জানালেন তিনি৷

সৌজন্যে- ডয়েচ ভেলে

পৃথিবীর বুকে রহস্যময় একটি গ্রাম

উত্তর পশ্চিম কানাডার আজকূনি হ্রদের পাশে ভিলেজ অব ডেড নামের একটি গ্রাম  অবস্থিত। ১৯৩০ সালের আগ পর্যন্ত গ্রামটি তেমন একটা খ্যাতি না পেলেও, প্রকাশিত একটি অদ্ভুত ঘটনার মধ্য দিয়ে সকলেরই নজরে পড়ে জায়গাটি। সে বছর একজন সাংবাদিক এই গ্রামটির কথা প্রকাশ করেন।
পৃথিবীর বুকে রহস্যময় একটি গ্রাম
কানাডার পাহাড়ী অঞ্চলের এই গ্রামটিতে যেখানে বসবাস করতেন প্রায় দুই হাজার উপজাতী। গ্রামটিতে বাণিজ্যিক কাজে কিছু মানুষের আনাগোনা থাকলেও এটি রমরমা ছিল না কখনোই। তবে পশুর লোম উৎপাদনের জন্য স্থানটি ছিল বিখ্যাত ।
পশম কেনার জন্য সেখানে ব্যবসায়ীদের ভালো যাতায়াত ছিল। ঘটনার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী জো লাবেল নামের একজন পশম ব্যবসায়ীর ভাষ্য মতে, তিনি একদিন পশম সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গ্রামে গিয়ে দেখেন সেখানে একটি মানুষও নেই। গ্রামের সব মানুষ কোথায় যেন উধাও হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, তারা যে শার্টগুলো বুনছিল সেগুলো অসমাপ্ত অবস্থায় পড়েছিল।
খাবারগুলো তখনো চুলোতে গরম হচ্ছিল। দেখে মনে হচ্ছে একটু আগেও এখানে অনেক মানুষের উপস্থিতি ছিল। সব দেখে মনে হলো গ্রামের সবাই আকস্মিকভাবে গ্রাম ত্যাগ করেছে। একটির পর একটি বাড়ি ঘুরেও কোনো মানুষের দেখা পাওয়া গেল না। সবখানে একই অবস্থা। কোথায় যেন মিলিয়ে গেছে সবাই।
এছাড়া গ্রামের একমাত্র কবরস্থানের সবগুলো কবর পাওয়া গেল খোদিত অবস্থায়! কিন্তু কবরস্থানের ভেতরে কোনো লাশের দেখা মিললো না। ভেতরের সবগুলো লাশ কোথায় যেন উধাও হয়ে গেছে।
উৎকট এই দৃশ্য দেখার পর ভড়কে যান লাবেল। তিনি দ্রুত দ্য রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশকে খবর দেন। মেজর থিওডোর লিস্টোর্টের নেতৃত্বে দ্য রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ পুরো গ্রাম ও আশপাশের এলাকা তন্ন তন্ন করে খুঁজলো। কোনো গ্রামবাসীকে পাওয়া গেল না।
পুলিশ দেখলো, ওই গ্রামের এস্কিমোদের পূর্বপুরুষদের সবগুলো কবর খোদিত অবস্থায় আছে আর সেগুলোর ভেতর থেকে লাশগুলো গায়েব! যে বা যেটি গ্রামবাসীদের নিয়ে গেল সে কি একই সঙ্গে কবরগুলোর ভেতরে থাকা লাশগুলোও নিয়ে গেছে? কিন্তু কবরের ওপরের মাটি বরফ জমে এতোটাই শক্ত হয়ে গিয়েছিল যে এগুলো খনন করা যে কারও জন্যই বেশ দুঃসাধ্য কাজ। শুধুমাত্র অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেল ওই গ্রামের সবচেয়ে প্রাচীন গোত্রপ্রধানের কবরটি।
পরবর্তীতে হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়া সেই ২ হাজার গ্রামবাসীকে আর কখনোই দেখা যায়নি। কি হয়েছিল গ্রামের অধিবাসীদের? কিইবা হয়েছিল কবরে শায়িত লাশগুলোর? এই প্রশ্নের সব উত্তরই যেন সকলের কাছে অজানা।

বাসন ভেঙে বর পিটিয়ে বিয়ে

বিয়ে নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রীতি-নীতি চালু আছে।স্থান,কাল ভেদে তা একেক রকম হয়ে থাকে।কিন্তু তার মাঝে বেশ কিছু নিয়ম আছে যা অনেক আজব। কিছু বিয়ের আজব গজব কথা এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে তুলে ধরা হল। শুরু করা যাক প্রতিবেশী দেশ ভারতকে দিয়েই।
মাঙ্গলিক
হিন্দু বিয়ের রীতি অনুযায়ী পাত্র পাত্রীর মাঙ্গলিক দোষ কাটাতে বিয়ের আগে একবার বিয়ে দেওয়া হয়। ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি বা মাটির কলসি বা গাছের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। তাতে নাকি মাঙ্গলিক দোষ কেটে গিয়ে সুখি হয় বিবাহিত জীবন। বচ্চন পরিবারের দৌলতে এই রীতি আসমুদ্র হিমাচল জুড়ে পরিচিত।
মাসাই
কেনিয়ায় মাসাইদের বিয়েতে মেয়েকে কীভাবে বিদায় জানানো হয় জানেন? পাত্রীর বাবা মেয়ের মাথায় এবং বুকে থুতু ফেলেন। সেটাই নাকি আশীর্বাদ। এরপর বরের হাত ধরে চলে যায় মেয়ে। আর পিছনে তাকায় না। পিছনে তাকালেই নাকি সে পাথর হয়ে যাবে।
শারিভারি
ফরাসি লোকরীতি অনুযায়ী বিয়ের পরে নবদম্পতির বাড়ির সামনে গিয়ে ব্যাপক হল্লা মাচাতে হবে। উৎপাতের চোটে বেরিয়ে এসে নবদম্পতি ভোজসভায় নিয়ে যাবে উৎপাতকারীদের। এখনও ফ্রান্সের গ্রামে এই রীতি পালিত হয়।
পোল্টেরাবেন্ড
জার্মানির কিছু অংশে এই রীতি প্রচলিত। বিয়ের ভোজের পরে অতিথিরা দুমাদ্দুম সব বাসন ভেঙে ফেলে। এতে নাকি নব দম্পতির আসন্ন জীবনে সব বিপদ কেটে যায়।
বর পেটানো
এটাও হয়। বিয়ের আগে বরকে বন্ধুদের হাতে মার খেতে হয় দক্ষিণ কোরিয়াতে। বরের মোজা খুলে তার পায়ে শুকনো করভিন মাছ বা আখ দিয়ে মারা হয়। এতে নাকি কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা হয়।
হবু বউকে অপহরণ
জিপসিদের মধ্যে এটা কোনও অপরাধ নয়| বরং যে মেয়েকে কোনও যুবক অপহরণ সেই তার বউ বলে রোমানি বা জিপসি সমাজে চিহ্নিত হবে ।
অঝোরে কান্না
বাপের বাড়ি ছাড়ার সময় নয়। বরং বিয়ের এক মাস আগে থেকে হবু বউকে রোজ নিয়ম করে এক ঘণ্টা কাঁদতে হবে। এই রীতিতে পরে যোগ দিতে হবে বাড়ির সব মহিলাকে। তবে কাঁদতে হবে সুর করে, যাতে শুনে মনে হয় কেউ হাসছে।
নো বাথরুম
উত্তর বোর্নিওতে তিডং উপজাতির মধ্যে প্রচলিত এক উদ্ভট নিয়ম। বিয়ের পরে বর-বউকে তিনদিন বন্দি করে রাখা হয় একটি ঘরে । এবং এই তিনদিন তাঁরা বাথরুমে যেতে পারবেন না।
সঙ্গে তিমির দাঁত
ফিজিতে আবার কোনও মেয়ের পাণি প্রার্থী হলে ছেলেকে সঙ্গে নিতে হবে তিমির দাঁত। দিতে হবে মেয়ের বাবাকে। এই রীতির মধ্যে হয়তো বেশির ভাগই আজ অবলুপ্ত। কিন্তু শুরু হয়েছিল সমাজের চাহিদা মেনেই। হয়তো এর পরিবর্তে প্রচলিত আছে বিকল্প কিছু। কিন্তু ভালবাসার মানুষকে চিরদিনের জন্য কাছে পেতে যুগ যুগ ধরে এত কিছু হ্যাপা সামলেই বিয়ে করে এসেছে আম জনতা।

প্রেমিক খুঁজতে পেঁয়াজ পদ্ধতি!

প্রেমিক খুঁজতে পেঁয়াজ পদ্ধতি!

ভালবাসার মানুষটি নাকি সৃষ্টিকর্তাই পূর্ব থেকে ঠিক করে দেন। এই বিশ্বাসে ভর করেই বোধহয় শিশু রহিমকে কোলে নিয়ে বনে-বাদাড়ে ঘুরে বেরিয়েছে প্রেমিকা রুব্বান। তারপরও চলে বাছ-বিচার। চলে খোঁজাখুজি। বদল হয় প্রেমিক-প্রেমিকা। ভেঙে যায় দীর্ঘদিনের ভালবাসার বন্ধন। ফের অন্য কোন তীরে গিয়ে গড়ে ওঠে ভালবাসার নতুন ঘর। তবে যে যেভাবেই প্রেমিক-প্রেমিকা খুুঁজুক, এ ব্যাপারে জার্মান তরুণীদের পদ্ধতিটা বেশ মজার। তারা ভালবাসার মানুষটিকে খুঁজে পেতে ‘পেঁয়াজ  পদ্ধতি’ নামে এক বিচিত্র কৌশলের আশ্রয় নেয়।
পেঁয়াজ পদ্ধতিতে তারা তাদের প্রেমিক নির্বাচন করেন। শুনতে আজব লাগলেও তারা এমনটিই করে আসছেন বছরের পর বছর ধরে।
তরুণীরা ১৪ই ফেব্রুয়ারির ভালোবাসা দিবসে একটি পাত্রে কিছু পেঁয়াজ লাগান। এবং পেয়াজের ক্রমানুসারে তাদের পছন্দের কিছু পুরুষের নাম লেখা থাকেন।
তাদের বিশ্বাস, যে পেঁয়াজটির সবার আগে চারা গজাবে সেই পেঁয়াজটিই ভাগ্যবান! মানে ওই পেঁয়াজটি দিয়ে যে পুরুষটিকে বোঝানো হচ্ছে তাকেই ভালবাসবেন তরুণীটি।
এমন কোন সমস্যার সম্মুখিন হলে একবার পদ্ধতিটি ব্যবহার করে দেখতেই পারেন। পেলেও পেয়ে যেতে পারেন পছন্দের মানুষটিকে।

নগ্ন ভিডিও ফাঁস এবার কারিনা কাপুর খান-এর , বলিউডে তোলপাড় (ভিডিও)

নগ্ন ভিডিও ফাঁস এবার কারিনা কাপুর খান-এর , বলিউডে তোলপাড় (ভিডিও)
নগ্ন ভিডিও ফাঁস এবার কারিনা কাপুর খান-এর , বলিউডে তোলপাড় (ভিডিও)

এবার ফাঁস হয়ে গেছে বলিউড সেক্স সিম্বল ও পাতৌদীর নবাব বাড়ীর বৌ কারিনা কাপুর খান-এর নগ্ন ভিডিও। আর তা নিয়ে পুরো বলিউডে তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে। এ অভিনেত্রীর ওই নগ্ন ভিডিও নিয়ে মিডিয়ায়ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।  এ ভিডিওটি ইউটিইউবেও ছড়িয়ে পড়ছে। খবরের শিরোনাম একটু গোলমেলে ঠেকছে কি! শাহরুখ খান, জন আব্রাহাম কিংবা হৃতিক রোশনের মতো বলিউডের অভিনেতারাই তো সিক্স প্যাকের জন্য সুপরিচিত।

নগ্ন ভিডিও ফাঁস এবার কারিনা কাপুর খান-এর , বলিউডে তোলপাড় (ভিডিও)

এবার তাদের দলে নাম লেখাতে যাচ্ছেন হিরোইন তারকা কারিনা কাপুর খান। শুদ্ধি ছবিতে চরিত্রের প্রয়োজনে সিক্স প্যাক গড়েছেন ৩৩ বছর বয়সী এ তারকা অভিনেত্রী। কিন্তু এরই মাঝে কারিনা কাপুর খান-এর টেপলেস একটি ভিডিও ইউটিইউবে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ভিডিওটিতে বস্ত্র ছাড়াই দেখা গেছে কারিনাকে। ধারণা করা হচ্ছে- নিজ বাসার সিসি ক্যামেরা থেকে এ দৃশ্য ইউটিইউব পর্যন্ত গড়িয়েছে।

মেয়েদের দাড়ি-গোঁফ

মেয়েদের দাড়ি-গোঁফ
মেয়েদের দাড়ি-গোঁফ

মাথাভর্তি চুল নারী-পুরুষ উভয়ের ব্যক্তিত্ব ও শোভা বাড়ায়, আর দাড়ি-গোঁফ পুরুষালি বৈশিষ্ট্য হলেও কখনও কখনও এটা নারীদের জন্য একটা বিব্রতকর সমস্যা হয়ে দেখা দেয়। চিকিৎসাশাস্ত্রে এ পরিস্থিতিকে হার্সুটিজম (Hirsutism) বলে, যাতে মেয়েদের ঠোঁটের উপরি ভাগে, গালে, চিবুকে, বুকে, স্তনে, তলপেটে, নিতম্বে অথবা কুঁচকিতে শক্ত-কালো চুল (terminal hair) গজায়। এ রোগে বাড়তি চুলের পাশাপাশি মাথায় টাক, পুরুষালি পেশি গঠন, গভীর কণ্ঠস্বর, ব্রণ, মাসিক বন্ধ, স্থূলতা, বন্ধ্যত্ব, ডায়াবেটিস ইত্যাদি থাকতে পারে। কারণ :
কিছু কিছু জাতিগোষ্ঠীতে স্বাভাবিকভাবেই নারীদের দাড়ি-গোঁফের মতো পুরুষালি চুল থাকে। যেমন_ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া, পূর্ব ইউরোপ এবং দক্ষিণ ইউরোপের কিছু অঞ্চল, অন্যদিকে এশিয়ান এবং ভারতীয়দের শরীরের এসব স্থানে চুল কম গজায়।
তবে ৪.৭% ক্ষেত্রে কোন বিশেষ কারণ ছাড়াই হার্সুটিজম হতে পারে। হার্সুটিজম সাধারণত মেয়েদের শরীরে ডিম্বাশয় (ovary) বা এড্রেনাল (adrenal) গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত এন্ড্রোজেন হরমোন (যেসব হরমোন পুরুষালি বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী) নিঃসরণের কারণে হয়ে থাকে। ৭০-৮০% ক্ষেত্রে হার্সুটিজম আক্রান্ত নারীদের রক্তে এন্ড্রোজেন হরমোন বেশি থাকে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ডিম্বাশয়ই এ অতিরিক্ত এন্ড্রোজেনের উৎস। ডিম্বাশয়ের কিছু রোগ, যেমন- পলিসিস্টিক ওভারী সিন্ড্রোম, হাইপার ইন্সুলিনিজমিক হাইপার এন্ড্রোজেনিজম উইথ এন অভুলশন, ওভারি বা এড্রেনাল গ্রন্থির কিছু টিউমার বা ক্যান্সারের কারণেও এন্ড্রোজেন হরমোন নিঃসরণ বেড়ে হার্সুটিজম হয়। এড্রেনাল গ্রন্থির রোগের মধ্যে কঞ্জেনিটাল এড্রেনাল হাইপারপ্লাসিয়া, এড্রেনাল এডেনোমা, কার্সিনোমা ইত্যাদি। এছাড়া পিটিউইটরি গ্রন্থির রোগ যেমন- কুশিং ডিজিজ, এক্রোমেগালি ইত্যাদি। কিছু ওষুধ গ্রহণের ফলেও এমন সমস্যা হতে পারে, যেমন- মিনক্সিডিল, কর্টিকোস্টেরয়েড, ফিনাইটইন,ডায়াজক্সাইড ইত্যাদি। শরীরে অতিরিক্ত চুলের অন্য একটি কারণ হচ্ছে হাইপারট্রাইকোসিস (Hypertrichosis), যাতে এন্ড্রোজেনের প্রভাববিহীন দাড়ি-গোঁফ ছাড়াও সব শরীরেই পাতলা চুল বা লোম (vellus hair) গজায়। এটা কিছু রোগের কারণে হয়, যেমন- জন্মগত কিছু রোগ, পরফাইরিয়া, হাইপোথাইরয়েডিজম, এপিডার্মোলাইসিস বুলোসা, ডার্মাটোমাইয়োসাইটিস, পুষ্টিহীনতা  ইত্যাদি।
হার্সুটিজম রোগের সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য এর ইতিহাস এবং শারীরিক পরীক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেসব ক্ষেত্রে হার্সুটিজম স্থির থাকে অর্থাৎ নতুন করে দাড়ি-গোঁফ গজায় না সেক্ষেত্রে কোন প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার দরকার নেই। যাদের হার্সুটিজমের সঙ্গে পুরুষালি লক্ষণ (Virilization) থাকে এবং তা দ্রুত বাড়তে থাকে সেক্ষেত্রে হার্সুটিজমের কারণ টিউমার বা ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এ সমস্যার জন্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা চমৎকার রেজাল্ট পাওয়া যায়।

প্রেমপত্র কবরেই পাঠিয়ে দিলেন

 প্রেমপত্র কবরেই পাঠিয়ে দিলেন
 প্রেমপত্র কবরেই পাঠিয়ে দিলেন

ভালোবাসা চিরন্তন, ভালোবাসার মানুষের সাথে বিচ্ছেদ ভেঙে দেয় প্রিয়জনের হৃদয়- একথা আজ যেমন সত্য, সত্য ছিল আজ থেকে শত শত বছর আগেও  । সম্প্রতি ৪৪৫ বছরের পুরনো এক মমির সমাধিতে পাওয়া মর্মস্পর্শী এক চিঠি সেই স্বাক্ষরই বহন করছে।
মমিটি ইয়াং টায় নামক একজন পুরুষের, যিনি খুব সম্ভবত দক্ষিণ কোরিয়ার গোসেয়ং ওয়াই গোত্রের অধিবাসী ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে রেখে গিয়েছিলেন। অ্যান্ডং শহরে আবিষ্কৃত তার সমাধিতে পাওয়া চিঠিগুলো তার স্ত্রীরই লেখা বলে অনুমান করা হচ্ছে। শুধু এই একটিই নয়, সমাধিতে পাওয়া গেছে মোট ১৩ টি চিঠি।

তবে এতোগুলো চিঠির মধ্যে একটি চিঠিরই হৃদয়কে ছুঁয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ, এর প্রেরকের সাথে মমিকৃত মানুষটির সম্পর্ক ও চিঠির মধ্যে ফুটে ওঠা প্রেরকের প্রিয় মানুষটিকে হারানোর অসহনীয় বেদনা। চিঠিতে ইয়ুং টায়কে সম্বোধন করা হয়েছে ‘ওনের বাবা’ বলে। চিঠিটি মমির বুকে রাখা ছিল, সম্ভবত তার স্ত্রী সেখানেই সেটা রেখে দিয়েছিলেন, এবং তাতে বলে দিয়েছিলেন “গভীরভাবে পড়ো চিঠিটি, তারপর দেখা দিও আমার স্বপ্নে, সেখানে তোমাকে দেখতে চাই পরিপূর্ণরূপে।” চিঠিতে তিনি তার স্বামী কেন তাকে আর তার সন্তানকে রেখে চলে গেলেন সেকথা জিজ্ঞেস করেছেন, বলেছেন তিনি জানেন না কীভাবে বাকী জীবন পার করবেন। তাতে আরও লেখা ছিল, “আমি তোমায় ছাড়া থাকতে পারছি না। আমি তোমার কাছে চলে যেতে চাই, তুমি যেখানেই আছো আমাকে সেখানে নিয়ে যাও। এই পৃথিবীতে এতো কষ্টের পাষাণভার নিয়ে থাকা  সম্ভব নয়, আমি পারছি না।”

শুধু চিঠিই নয়, মমির পায়ের কাছে রাখা ছিল একটুকরো কাগজে যত্ন করে মুড়িয়ে রাখা তার স্ত্রীর চুল বুনে বানানো একজোড়া চটিজুতো। চিঠিতে এর কথাও লিখেছিলেন তিনিঃ আমার চুল দিয়ে এগুলো বুনেছিলাম আমি, তখনো জানতাম না, তুমি আর কোনোদিনই এসব পড়তে পারবে না।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মর্মস্পর্শী এই চিঠিটি লেখা হয়েছিলো ১৫৬৮ সাল নাগাদ।

কয়েকশ’ নারী-পুরুষের নগ্ন দেহে সাঁতার কেটে বিশ্বরেকর্ড ভাঙার চেষ্টা

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি সংলগ্ন টাসমান সাগরে কয়েকশ’ নারী-পুরুষ নগ্ন দেহে সাঁতার কেটে সাগরে বৃহত্তম নগ্ন সাঁতারের রেকর্ড ভাঙার চেষ্টা করলেন। রবিবার সাত শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে এ সাঁতারের অনুষ্ঠানটি হয়ে গেল বলে জানিয়েছে ডেইলি মেইল।

সিডনি স্কিনি নামে এ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় আয়োজন এটি। এতে গত বছর প্রায় ৭৫০ জন অংশ নেয় এবং অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল পার্কগুলোর জন্য তহবিল সংগ্রহ করে।
সকাল আটটায় শুরু হওয়া এ সাঁতার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা তাদের পোশাক বিচে জমা রেখে পানিতে নামেন। সেখানে তাদের ৯০০ মিটার সাঁতার কেটে হিরক আকৃতির মিডল হেড দ্বীপে পৌঁছাতে হয়।
অংশগ্রহণকারী অনেকেই পানিতে নামার সময় তাদের দেহ তোয়ালেতে ঢেকে রাখেন। অনেকে আবার সম্পূর্ণ নগ্ন দেহেই জনসাধারণের দিকে হাত নাড়েন। ইভেন্ট শেষে সাঁতারুরা তাদের কাপড় দান করে অনুষ্ঠানস্থলে চলে যান।
এ সাঁতারের উদ্দেশ্য ছিল নগ্নতা বিষয়ে প্রচলিত ধারণার প্রতিবাদ করা। একজন অংশগ্রহণকারী বলেন, ‘আমরা জন্ম থেকেই নগ্ন। আপনার দেহ কে দেখছে তা কে কেয়ার করে? প্রকৃতির সঙ্গে নগ্ন হওয়া একটি বড় কারণ।’
অন্য এক অংশগ্রহণকারী বলেন, ‘আমি খুবই লাজুক এবং নগ্ন অবস্থায় কখনো সাঁতার কাটিনি। কিন্তু এখানে কোনো অপ্রস্তুত অবস্থা ছিল না। এটা একটা বড় মজার বিষয় হবে।

মেকআপ ছাড়া "আসল" চেহারা দেখুন বলিউডের রূপসী নায়িকাদের

মেকআপ ছাড়া "আসল" চেহারা দেখুন বলিউডের রূপসী নায়িকাদের
মেকআপ ছাড়া "আসল" চেহারা দেখুন বলিউডের রূপসী নায়িকাদের

বলিউডের নায়িকাদেরকে আমরা দেখি অভিজ্ঞ মেকআপ আর্টিস্টদের মেকআপে ও সিনেমার ফ্ল্যাশ লাইটের কড়া আলোয়। তাদের সৌন্দর্য ও ফিটনেস বরাবরই আমাদেরকে মুগ্ধ করে। হাজারো মানুষের কাছে তারা যেন স্বর্গ থেকে নেমে আসা ডানা কাটা পরী। কিন্তু মেকআপ ছাড়া তারা কেমন দেখতে? নিশ্চয়ই মনে কৌতূহল জেগেছে অনেকবার? আসুন একনজরে বলিউডের নায়িকাদের মেকআপ ছাড়া কিছু ছবি দেখে নেয়া যাক। তালিকায় আছেন বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই থেকে শুরু করে ক্যাটরিনা কাইফ, দীপিকা পাডুকন, কারিনা কাপুর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া সহ অনেকেই।

ঐশ্বরিয়া রায়

ছবিতে ঐশ্বরিয়া রায়কে মেকআপ ছাড়া দেখা যাচ্ছে। সিনেমা ও পার্টি ছাড়া অন্য যায়গায় যেতে তিনি খুব হালকা মেকআপ করেন। বলাই বাহুল্য যে বিশ্বের সেরা সুন্দরীদের মধ্যে অন্যতম এই সুন্দরীকে বাস্তবের চাইতে সিনেমায় বেশ কম বয়স্ক ও উজ্জ্বল দেখায়।

কারিনা কাপুর

নিজের বেশিরভাগ সিনেমাতেই খুব কম মেকআপ নিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি। তার ধারণা কড়া মেকআপে তাকে একেবারেই মানায় না। তবে মেকআপ ছাড়া তাকে একদমই গ্ল্যামারহীন দেখায়।

দীপিকা পাড়ুকন

কারিনার মত দীপিকাও খুব সাদামাটা থাকতেই ভালোবাসেন। দীপিকার ত্বক বেশ ভালো তাই সিনেমার শুটিং ছাড়া খুব একটা মেকআপ করতেও দেখা যায়না তাকে। আর মেকআপ করলেও ত্বকের সঙ্গে মানানসই মেকআপ করেন তিনি।

প্রীতি জিনতা

সিনেমার পর্দায় প্রীতি জিনতাকে যতটা উজ্জ্বল ও প্রানবন্ত দেখায়, মেকআপ ছাড়া ঠিক যেন তার বিপরীত! বেশ ম্লান ও বয়স্ক দেখাচ্ছে তাকে মেকআপ ছাড়া।

ক্যাটরিনা কাইফ

সিনেমার মেকআপে অসাধারণ সুন্দরী দেখায় ক্যাটরিনাকে। মেকআপ ছাড়া তাকে খুব খারাপ না দেখালেও আসল বয়সটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।

রানী মুখার্জি

চেনা চেনা লাগছে? মেকআপ ছাড়া দেখুন রানী মুখার্জিকে। মেকআপ ছাড়া বয়সের ছাপটা একটু বেশিই বোঝা যায় রানী মুখার্জির।

কাজল

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে দিয়ে সিনেমার হল কাঁপানো এই নায়িকার মেকআপ ছাড়া ছবিটি দেখুন!

প্রিয়াংকা চোপড়া

বিশ্ব সুন্দরী এবং বলিউডের সুপার স্টার প্রিয়াংকা চোপড়ার ত্বক খুবই সুন্দর। তবে বাস্তবে তিনি মোটেও গ্ল্যামারাস নন। শ্যাম বর্ণা এই নায়িকার মেকআপ ছাড়া ছবিটি দেখুন।

সোনাক্ষি সিনহা

সোনাক্ষি সিনহা বলিউডে পা দেয়ার আগে অতিরিক্ত স্থুলকায় ছিলেন। নিজের ওজন অনেকখানি ঝরিয়েছেন তিনি। তবে এখনো নিজের অতিরিক্ত ওজনের জন্য সমালোচিত হচ্ছেন তিনি বলিউডের অন্য নায়িকাদের কাছে। দেখুন তার মেকআপ ছাড়া আগের একটি ছবি।