টিন এজারদের দ্বারা সংঘটিত ৪টি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের "সত্য" কাহিনী

টিন এজারদের দ্বারা সংঘটিত ৪টি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের "সত্য" কাহিনী

(১)ইরিন ক্যাফি ইরিন ক্যাফি নামের মেয়েটির খুব সামান্য একটি ইচ্ছা ছিল। সেটা হলো তার বয়ফ্রেন্ডের জেমস উইল্কিনসনের সাথে ঘুরতে যাওয়া। কিন্তু তার বাবা-মা তার এরকম ঘোরাঘুরির পক্ষপাতী ছিলেন না। অতএব ইরিনের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল, সেটা হলো পথের কাঁটা দূর করা। ২০০৮ সালের মার্চ মাস। জেমস ও তার আরেক বন্ধু ওয়াইড ইরিনদের বাড়িতে হামলা চালায়। ইরিনের মা সাথে সাথে নিহত হন, বাবা হন আহত। ইরিনের দুই ভাই ম্যাথু ও টাইলারকে হত্যা করা হয় অত্যন্ত অদ্ভুতভাবে। ম্যাথুকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়, টাইলারকে হত্যা করা হয় ছুরিকাঘাতে। ইরিন, জেমস ও ওয়াইড এরপর সে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরে তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে, দোষী সাব্যস্ত হয়। তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। 

(২)জোসুয়া ও তার মা আমেরিকার ডেট্রয়েট নামের জায়গাটি আগে থেকেই ছিল বেশ অপরাধ প্রবণ। এ শহরেই বেড়ে উঠছিল জোসুয়া স্মিথ নামে একটি ছেলে। ১৪ বছর বয়সী জোসুয়া তার মাকে গুলি করে হত্যা করে, যিনি সোফাতে শুয়ে ঘুমাচ্ছিলেন। কি ঘটেছিল আসলে? জোসুয়া স্থানীয় বখাটে ছেলেদের সাথে ঘুরে বেড়াতে চাইতো, যেটা তার মা টামিকো রবিনসনের পছন্দ ছিল না। টামিকো জীবনে অনেক পরিশ্রম করতেন ও চাইতেন তার ছেলেটি ভালভাবে বেড়ে উঠুক। জোসুয়া প্রায়ই অনেক রাতে দেরিতে ঘরে ফিরে আসতো। তার মা তাকে বললেন যে তাকে রাত ১১ টার মাঝে ঘরে ফিরতে হবে। শুধু তাই নয় ঘরে মেয়েদেরকে নিয়ে আসার ব্যপারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন তিনি। একদিন জোসুয়া বাড়ি ফিরে নিজের রুমে চলে গেল ও রাত তিনটায় বের হয়ে একটি শটগান দিয়ে গুলি করে তার মাকে হত্যা করলো। এরপর একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যাবার সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

(৩) মোবাইল ফোন ও একটি খুন কিশোর-কিশোরীদের অনেকেই আজকাল নিজেদের আইফোন, আইপ্যাড নিয়ে বেশ ব্যস্ত থাকে। কিন্তু সারাদিন এটা নিয়ে সময় কাটানো নিশ্চয়ই যে কোন বাবা-মা’র জন্য মাথাব্যথার কারণ হবে। এখন যে ঘটনাটি আমরা জানবো, সেখানে পুলিশ মেয়েট্র পরিচয় প্রকাশ করে নি। মেয়েটির বাবা তার থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়, যেটাতে সে সারাদিন ব্যস্ত থাকতো। রাগের মাথায় মেয়েটি তার বাবাকে আক্রমণ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে। রক্তাক্ত অবস্থায় তার বাবা সাহায্যের জন্য ৯১১ এ ফোন দিতে গেলে মেয়েটি তাকে বাধা দেয় ও বাধ্য করে আহত অবস্থায় হামাগুড়ি দিয়ে পাশের বাড়িতে গিয়ে ফোন দিতে। বাবা পরে মারা যান। মেয়েটিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।


(৪) ঘরের কাজ করতে বলা হল কেন? আলফো মুনোজ তার সৎ ছেলেকে ২২ ক্যালিবারের একটি বন্দুক চালাতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। কারণ যাতে কোন জরুরি অবস্থায় সে এটি ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু তিনি ভাবেন নি এটা হিতে বিপরীত হবে। ১২ বছর বয়সী ছেলেটির মা সারা মাদ্রিদ প্রায়ই ছেলেটিকে ঘরের বিভিন্ন কাজে তাকে সহযোগিতা করতে বলতেন। যেটা তার পছন্দ ছিল না মোটেও। একদিন ছেলেটিকে বকাঝকা করে মা বাইরে গেলেন। ফিরে আসামাত্রই ছেলেটি গুলি করে মাকে হত্যা করে ও বন্দুকটি তা সৎ বাবাকে ফিরিয়ে দেয়। পরে ছেলেটি দোষী সাব্যস্ত হয়।

ঐশ্বরিয়া, দীপিকা বিশ্বসেরা সুন্দরী তালিকায়

 ঐশ্বরিয়া, দীপিকা বিশ্বসেরা সুন্দরী তালিকায় 
dipika

হলিউড বুজের করা এক জরিপে বিশ্বের সেরা সুন্দরী নারীর তালিকায় উঠে এসেছে বলিউডের দুই অভিনেত্রীর নাম।এই জরিপের চার নম্বরে ওঠে এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং ২৯তম অবস্থানে আছেন আরেক বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন।

২০১৩-১৪ সালের বিশ্বের সেরা বুদ্ধিমান, আকাঙ্ক্ষিত ও সফলতম নারী নির্বাচিত করতে বিশ্বের ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ ওই জরিপে অংশ নেন।

সেরা সুন্দরী নারীদের তালিকায় জায়গা পাওয়ার পর ঐশ্বরিয়া রাই বলেন, “এটা অনেক আনন্দের যে সমগ্র ৪০ লাখ মানুষ ভোট দিয়ে বিশ্বের সুন্দরী ও প্রতিভাবান এসব নারীদের সঙ্গে আমাকে অন্তর্ভূক্ত করেছে। এজন্য আমি আমার সব শুভাকাঙ্খীদের অনেক বেশি ধন্যবাদ ও ভালোবাসা জানাচ্ছি।”

উল্লেখ্য, বিশ্বের সেরা সুন্দরী নারীর তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছেন মনিকা বেলুচি, কেপ আপটন ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

যে মেয়েটি উল্কার আঘাতে বেঁচে ছিল!

 যে মেয়েটি উল্কার আঘাতে বেঁচে ছিল!

১৯৫৪ সালের সুন্দর ও শান্ত এক বিকেল। অ্যান হজেস তার বাসার সোফায় বসে একটু বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। হঠাৎ করেই ঝন ঝন শব্দে ভেঙ্গে পড়লো জানালার কাঁচ। ঘরের ছাদ ভেঙ্গে একটা কালো রঙের পাথরখণ্ড আছড়ে পড়লো, ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিল ঘরের এক কোণে থাকা রেডিওটি। এরপরই পাথরটি লাফিয়ে এসে পড়লো তার বাম পায়ের উরুতে। আর এর ফলে সেখানে তৈরি হয় আনারস আকৃতির কালশিটে দাগ! জিনিসটি কি ছিল জানেন।? মহাশূন্য থেকে ছুটে আসা একটি উল্কাখন্ড! অদ্ভুত তাই নয় কি?

ফ্লোরিডা স্টেট কলেজের জ্যোতির্বিজ্ঞানী মাইকেল রেনল্ড, যিনি একই সাথে Falling Stars: A Guide to Meteors & Meteorites নামে একটি বই লিখেছেন, তিনি বলেন, “অ্যান হজেসের সাথে ঘটা ঘটনাটি একেবারেই বিরল। কারণ সাধারণত পৃথিবীর কোন নীরব প্রান্তে কিংবা সমুদ্রে উল্কা পড়তে দেখা যায়। অ্যানের বাড়ির উপর উল্কাটি পড়ার আগে পূর্ব অ্যালাব্যামার বহু মানুষ এটাকে আকাশে দেখতে পায়। 

সেখানকার ন্যাচরাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের কাছ থেকে সেদিনটির বর্ণনা পাওয়া যায়। সরকারি ভূ-তত্ত্ববিদ, স্থানীয় পুলিশের প্রধান-দু’জনেই এটাকে উল্কাখন্ড বলে সিদ্ধান্ত জানান। তারা এটাকে এয়ার ফোর্সের কাছে হস্তান্তর করেন। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয় এটা অ্যান হজেসকে দিয়ে দেয়া হবে। 

পরবর্তীতে অ্যান ও তার স্বামীর সাথে এ উল্কাখন্ডের মালিকানা নিয়ে তাদের বাড়িওয়ালা ব্রিডি গাইয়ের সাথে মামলা শুরু হয়। পরে ৫০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে একটা রফা হয়। অ্যান ও তার স্বামী ভেবেছিলেন এ উল্কাখন্ডটি তাদের জন্য সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে আসবে। সেটা হয় নি দেখে তারা এটাকে ন্যাচরাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের কাছে হস্তান্তর করে।

বালিশকে বিয়ে!

বালিশকে বিয়ে!


একটি বালিশকে কেউ বিয়ে করে ফেলবে, এটা ভাবা কঠিনই! জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বালিশের সঙ্গে বসবাস আমাদের। নিত্যদিনের ব্যবহার্য হিসেবে বালিশ যত দরকারিই হোক, কিন্তু কোরিয়ার লি জিন গাই নামের ২৮ বছর বয়সী এক তরুণ নিজের আদরের বালিশটাকে শেষমেশ বিয়ে করে ফেললেন। 

দীর্ঘদিন ধরে বালিশের সঙ্গ যাপনের ফলেই বালিশের প্রতি তার প্রেম ও প্রেম-পরবর্তী বিয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে লি জানান। মানুষের অদ্ভুত এ আচরণটিকে গবেষকরা সেক্স-অবজেটিজব বলে চিহ্নিত করেছেন, যেখানে মানুষ তার পছন্দের কোনো বস্তুর প্রতি মানসিক ও শারীরিক টান অনুভব করে।

এদিকে বিয়েতে ঢাকঢোল পিটিয়ে, বন্ধুদের বিয়ের কার্ড পাঠিয়ে সে এক তুমুল কান্ড-কারখানা। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর লি সদ্য 'বিবাহিতা' বালিশ-কনেকে নিয়ে ঘুরতেও গেলেন। 

নিজের সিটের পাশে বালিশটির জন্য একটা সিট, খাবার টেবিলে পাশের চেয়ারে বালিশকে রেখে তার জন্য আলাদা মেন্যুর অর্ডারসহ কত কী আয়োজন। জাপানে তৈরি হওয়া 'ডাকিমাকুরা' নামের কোলবালিশ আকৃতির এ বালিশটির জন্য বিয়ের কাপড়ও তৈরি করেন লি!

ভারতে এবার ধর্ষণের শিকার হলেন শিক্ষিকা

ধর্ষণের জন্য আলোচিত ও সমালোচিত দেশ ভারতে এবার এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণ করল দুর্বৃত্তরা। 

কোচিং থেকে ফেরার পথে তুলে নিয়ে গিয়ে ওই শিক্ষিকার শ্লীলতাহানি করেছে ৩ যুবক। ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার উস্তি থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে ।

সংগ্রামপুর নামক এলাকার কোচিংয়ে থেকে অটোতে বাড়ি ফিরছিলেন ওই শিক্ষিকা। শিক্ষিকার অভিযোগ, অটোর যাত্রী ৩ যুবক রাসায়নিক স্প্রে করে সংজ্ঞাহীন করে ফেলে তাকে। 

পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ডায়মন্ড হারবারের পারুল এলাকায়। সেখানে ঝোপের মধ্যে হাত-পা বেঁধে তার শ্লীলতাহানি করা হয়। পরে ফেলে দেওয়া হয় পাশের একটি পুকুরে।

শিক্ষিকা আরো জানিয়েছেন, কোনক্রমে পুকুর থেকে উঠে ভ্যান রিকশায় চেপে ডায়মন্ড হারবার বাজারে পৌঁছান তিনি। সেখানেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। 

স্থানীয় লোকজন তার বাড়িতে ফোন করলে তারা এসে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ভ্যালেনটাইনেই রানীর বিয়ে

ভ্যালেনটাইনেই রানীর বিয়ে

আগামী ভালোবাসা দিবস অর্থাৎ ১৪ ফেব্রয়ারি ভ্যালেনটাইন ডেতেই নাকি গাঁটছাড়া বাঁধতে চলেছেন বলিউডের চোপড়া সম্রাজ্যের বর্তমান অধিকারী আদিত্য চোপড়া ও অভিনেত্রী রানী মুখার্জী। দীর্ঘদিনের প্রেম রোমান্স শেষে অবশেষে চলতি বছরের বিশেষ দিনটিতেই নাকি নিজেদের সম্পর্কের পূর্ণতা দেয়ার কথা ভাবছে এই জুটি। আদিত্য চোপড়ার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, আগামী ভ্যালেনটাইন ডেতেই তারা বিয়ের পরিকল্পনা করেছেন। বিয়ের ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে জোধপুরের উমাইদ ভবন প্যালেস। এই ভবনেই চলতি মাসের শুরুর দিকে ভারতের শিল্পপতি নিতা আম্বানির জমকালো জন্মদিন পালন করা হয়। ওই জন্মদিনে রানীও উপস্থিত ছিলেন। তখনই নাকি নিজের বিয়ের ভেন্যু হিসেবে ভবনটি পছন্দ করেন তিনি। সূত্রটি আরো জানায়, একান্ত পারিবারিক আবহেই আদিত্য বিয়েটা সারতে চাইছেন। দুই তারকার ঘনিষ্ঠ কিছু বন্ধুরা ছাড়া এতে কাউকেই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না। ইতোমধ্যে রানী ও আদিত্যর বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। রানীকে হাতে হীরের আংটি পরে ঘুরতে দেখা গেছে। এছাড়া দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ে নিয়ে এখন নাকি চলছে জোর কেনাকাটা।

নির্বাচিত যখন মৃত ব্যক্তি

নির্বাচিত যখন মৃত ব্যক্তি
নির্বাচিত যখন মৃত ব্যক্তি

বেশিরভাগ মানুষই বেশ কিছু গুণের কথা মাথায় রেখে নেতা নির্বাচন করে বা কোন একজন প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেয়। যেমন-সততা, আন্তরিকতা (আমাদের দেশে অনেক ক্ষেত্রে অন্ধ সমর্থন) যেটাই হোক, কখনো নিশ্চয়ই এরকম হয় না যে কেউ কোনো মৃত মানুষকে নির্বাচিত করেছে! বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, এরকম ঘটনাও কিন্তু ঘটেছে। ২০০৯ সালে আমেরিকার ফ্লোরিডা ও আলাবামাতে নির্বাচনা প্রচারণাতে জয়ী হন যথাক্রমে আর্ল উড (৯৬) ও চার্লস বিসলে (৭৭)- যারা নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে মারা যান। উডের পরিকল্পনা ছিল অরেঞ্জ কাউন্টির ট্যাক্স কালেক্টর হওয়া। ৫৬% ভোট পেয়ে উড নির্বাচিত হন। অন্যদিকে অ্যালাবামাতে চার্লস নির্বাচিত হন ৫২% ভোট পেয়ে! এছাড়া জেরি ওরোপেজা ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেটে নির্বাচিত হওয়ার জন্য লড়ে যাচ্ছিলেন। নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে তার মৃত্যু হয় ও তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সুযোগ পান নি। মৃত জেরি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।

বিশ্বের সেরা ১০ জন প্রভাবশালী বাংলাদেশি

বিশ্বের সেরা ১০ জন প্রভাবশালী বাংলাদেশি

বিশ্বের সেরা ১০ জন প্রভাবশালী বাংলাদেশির মধ্যে স্থান পেয়েছেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এই তালিকায় আরও রয়েছেন ইউটিউবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জোয়াদ করিম, ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ, খান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সালমান খান, জাগো ফাউন্ডেশনের করবি রাখসানদ, আইনজীবী সারা হোসেইন, ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, মেডট্রনিকের সিইও ওমর ইসরাক, সুমাইয়া কাজী ও এভারেস্ট বিজয়ী নিশাত মজুমদার।
সারা বিশ্বের ১০ জন প্রভাবশালী বাংলাদেশির তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন’।
গতকাল সন্ধ্যায় ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কমনওয়েলথ রুমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। সেখানে প্রভাবশালী বাংলাদেশিদের ভিড় ছিল একেবারে অন্যরকম। ব্রিটিশ সমাজব্যবস্থায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখছেন—এমন সব প্রভাবশালী প্রতিভাবান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ১০০ জন ব্যক্তির তালিকাও প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ মন্ত্রী-এমপিরা ছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করেন অফিস মিনিস্টার ব্যারোনাস সাইয়িদা ওয়ার্সি, ডানি আলেক্সান্ডার এমপি, বাংলাদেশবিষয়ক অল পার্টি পার্লামেন্টারিয়ান গ্রুপের চেয়ার অ্যান মেইন এমপি, ডেইম টেসা জাওয়েল এমপি, লর্ড করন বিলিমোরিয়া প্রমুখ।

২০১৪ সালের প্রভাবশালী ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যক্তিত্বদের তালিকাটি ২০টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। রাজনীতি, ব্যবসা ও শিল্প উদ্যোগ, আবিষ্কার, গণমাধ্যম, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, সেলিব্রেটি, রেস্টুরেটার্স ও উদীয়মান প্রতিভা। তা ছাড়া প্রথমবারের মতো ‘পিপলস চয়েস’ নামের নতুন ক্যাটাগরি সংযুক্ত করা হয়েছে। যাঁরা জনসাধারণের ভোটে তালিকায় স্থান পেয়েছেন।  জুরি বোর্ড  সাফল্য ও অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী পাঁচ ব্যক্তিকে মনোনীত করেছেন। 

বিবি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন ইকবাল আহমেদ ওবিই (চেয়ারম্যান সিমার্ক গ্রুপ ও এনআরবি ব্যাংক) স্বপ্নারা খাতুন (ব্যারিস্টার এবং বিচারক) লুতফুর রহমান (সরাসরি ভোটে প্রথম বাংলাদেশি নির্বাহী মেয়র) আসিফ আনওয়ার আহমদ (থাইল্যান্ডে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত), প্রফেসর মুরাদ চৌধুরী (ট্রেজারার আরবিএস) এবং মিহির বোস (স্পোর্টস জার্নালিস্ট) তালিকায় কম পরিচিত আর ও কয়েকজন উদীয়মান ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাঁদের মাঝে রুপা হক (ইলিং আসনে লেবার পার্টির মনোনীত এমপি প্রার্থী), জুবায়ের হক (ফর্মুলা ফোর রেসিং ড্রাইভার)।

ব্রিটিশ বাংলাদেশি প্রভাবশালীদের নামের তালিকা প্রকাশ করতে গিয়ে ফরেন অফিস মিনিস্টার ব্যারোনাস সাইয়িদা ওয়ার্সি বলেন, তালিকা প্রকাশের ভাবনাটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। উদ্যোগটি ভবিষ্যত্ প্রজন্মকে উত্সাহিত করবে।

তালিকায় স্থান পাওয়া প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ রোশনারা আলী এমপি প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘ব্রিটেনে বাংলাদেশিদের কাজের স্বীকৃতি আর অনুপ্রেরণায় বিবি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনের যাত্রা। কার্যক্রমটি আরও প্রসারিত হবে এবং নতুন প্রজন্মকে উদ্ধুদ্ধ করবে বলেই আমার বিশ্বাস।’

২০১২ সাল থেকে ব্রিটিশ বাংলাদেশি ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করে আসছে বিবি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনের প্রতিষ্ঠানটি।

ইউনিসেফ জানিয়েছেন যৌন সম্পর্কে ভারতীয় কিশোরীরা এগিয়ে

ইউনিসেফ জানিয়েছেন যৌন সম্পর্কে ভারতীয় কিশোরীরা এগিয়ে

২০০৫-২০১০ সালে ১৫ থেকে ১৯ বছরের ভারতীয় ছেলেমেয়েদের মধ্যে একটি সমীক্ষা চালিয়ে ইউনিসেফ জানিয়েছেন, ভারতের ৮ শতাংশ কিশোরীর বয়স পনেরোয় পা দেওয়ার আগেই যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ছেলেদের এই হার মাত্র ৩ শতাংশ। ‘প্রোগ্রেস ফর চিলড্রেন’ নামে ওই রিপোর্ট এত দিনে প্রকাশিত হয়েছে ‘দ্য ল্যানসেট’ পত্রিকায়। তাই মাত্র দু’বছরে এই প্রবণতায় বিশাল কোনও পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। এত দ্রুত যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ায় ওই মেয়েদের অনেকেই কম বয়সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ২০ থেকে ২৪ বছরের তরুণীদের প্রশ্ন করে জানা গিয়েছে, তাদের ২২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই মা হয়েছে। ইউনিসেফেরই আর একটি সমীক্ষা-রিপোর্ট ‘দ্য স্টেট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড চিলড্রেন’ থেকে জানা যাচ্ছে এই তথ্য। বিশেষজ্ঞদের কাছে উদ্বেগের বিষয় এটাই যে কম বয়সে যৌন সংসর্গের সময় সুরক্ষার কথাটা একেবারেই মাথায় থাকে না কিশোরীদের। তাই পরবর্তী কালে এড্স বা সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার-সহ আরও নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। তা সত্ত্বেও ভারতে বাল্যবিবাহের খামতি নেই। ২০০০ থেকে ২০১০ টানা দশ বছর সমীক্ষার পরে ইউনিসেফের দ্বিতীয় রিপোর্টটি তৈরি হয়েছে। তাতেই দেখা যাচ্ছে, নানাবিধ প্রচার সত্ত্বেও ভারতে বালিকাদের বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা এখনও যথেষ্ট বেশি। ১৫ থেকে ১৯ বছরের মেয়েদের ৩০ শতাংশই বিবাহিত। ছেলেদের ক্ষেত্রে এই হারও কম, মাত্র ৫ শতাংশ। আর ২২ থেকে ২৪ বছর বয়সী মেয়েদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ বলেছে ১৮ ছোঁয়ার আগেই তাদের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে চিন্তার ব্যাপার, বিয়ে হোক বা না হোক, এইড্স সম্পর্কে অথবা যৌন সংসর্গের সময় সুরক্ষার বিষয়ে সচেতন মাত্র ১৯% কিশোরী। তবে এরই পাশাপাশি কিছুটা আশার কথা, ছেলেদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৫ শতাংশ। কিন্তু ১৫-১৯ বছরের মেয়েরা এইটুকুও জানেনা যে, একজন সুস্থ সবল মানুষেরও এইড্স হতে পারে এবং এই রোগ রুখতে যৌন সুরক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি একজন সঙ্গীর (যে এইচআইভি পজিটিভ নয়) সঙ্গেই সম্পর্ক রাখা বাঞ্ছনীয়।

ব্যাগে মধ্যে পাওয়া গেল ১৫ দিনের শিশু

ব্যাগে মধ্যে পাওয়া গেল ১৫ দিনের শিশু

প্রতিদিনের মতো সিএসটি থেকে বেলাপুর যাওয়ার ট্রেনে নিজের পসরা বিক্রি করতে উঠে এক যুবক। মুম্বাইয়ের লোকাল ট্রেনে ২০ বছরের এই যুবক নিজের জিনিসপত্র বিক্রি করছিলেন। মহিলা কম্পার্টমেন্টে হঠাৎ চোখে পড়ে বেশ বড় একটা ব্যাগ। ওই ব্যাগে দামি কিছু আছে ভেবে ব্যাগটা সবার অলক্ষ্যে উঠিয়ে তাড়াতাড়ি ট্রেন থেকে নেমে যান তিনি। কিন্তু ব্যাগ খুলতেই ভেতর থেকে বেরলো ছোট একটি বাচ্চা । ঘটনাটি ঘটে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে। স্বাভাবিকভাবেই তিনি ভেবেছিলেন ব্যাগটিতে নিশ্চয়ই কোনও দামি জিনিস আছে । ফুট ব্রিজে উঠে আর লোভ সামলাতে না পেরে ব্যাগের চেন খুলে ফ্যালফ্যালে ব্যাগের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে একটি বাচ্চার হাত । প্রচণ্ড ভয় পেয়ে আর হতচকিত হয়ে ব্যাগটি ফেলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে কালে। কিন্তু গোটা ঘটনাটি চোখে পড়ে যায় এক টিকিট চেকারের। তিনি তাড়া করে ধরে ফ্যালেন কালেকে। ব্যাগটি পুরো খোলার পর তার থেকে বেরিয়ে আসে একটি ১৫ দিনের ছেলে বাচ্চা। ওই টিকিট চেকার কালেকে কুরলা রেল পুলিশের হাতে তুলে দেন। একজন অফিসার জানিয়েছেন, কালের ওই ব্যাগ পাওয়া আসলে শাপে বর হওয়ার সামিল। কারণ আর ১০ মিনিট যদি শিশুটি ওই ব্যাগের মধ্যে আটকে থাকতো তাহলে বাচ্চাটি মারাই যেত। বাচ্চাটির মা-বাবাকে তা এখনও জানা যায়নি। কালের বক্তব্যের সত্যতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ


সাভারে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পাষণ্ড এক বাবাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। মঙ্গলবার সকালে সাভার পৌর ১ নম্বর ওয়ার্ড বাড্ডা ভাটপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ওই বাবা (৩৮) রাজবাড়ী সদর থানার চরনালী গ্রামে বাড়ি। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী (১৩) বাংলানিউজকে জানায়, সে গ্রামের বাড়িতে থাকাকালীন অবস্থায় ৩য় শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। পরবর্তী সময়ে তার বাবা সাভারে নিয়ে এলে পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়। এই সুযোগে গত ৫-৬ মাস ধরে প্রতিদিন সকালে মা ও ভাই-বোনরা কাজে বেরিয়ে গেলে বাবা তাকে জোর করে ধর্ষণ করে আসছিল। একপর্যায়ে বাবার কর্তৃক নির্যাতনের বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানালে মঙ্গলবার সকালে বাড়িওয়ালীসহ কয়েকজন গিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে। বাড়ির মালিকের স্ত্রী নাজমা জানান, মেয়েটি বাবার নির্যাতন সইতে না পেরে সোমবার দুপুরে পুকুরে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে আমি তাকে উদ্ধার করে বিস্তারিত জানতে পারি। আজকে সকালে মেয়েকে ধর্ষণের সময় লোকজন নিয়ে হাতেনাতে আটক করি। এ ঘটনায় মেয়েটির মা এর উপযুক্ত বিচার এবং ফাঁসি দাবি করেন। এদিকে, খবর শুনে বাড়িটিতে ভিড় জমায় এলাকাবাসী। এসময় তারা ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে মিছিল করে। পরে পুলিশ প্রহরায় ধর্ষণকারীকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দীপক চন্দ্র সাহা বাংলানিউজকে জানান, ঘটনাস্থল থেকে মেয়েটির বাবাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে বলেও জানান তিনি।

প্রাচীনতম নীল চোখের মানুষ!

প্রাচীনতম নীল চোখের মানুষ!

সম্প্রতি গবেষকেরা স্পেনে মধ্য প্রস্তর যুগের এক আদিম মানুষের দেহাবশেষ খুঁজে পেয়েছেন যার চোখ ছিল নীল রঙের। সাত হাজার বছরের পুরোনো মেসোলিথিক যুগের এই আদিম মানুষটিই এখন পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া সবচেয়ে পুরোনো যুগের নীল চোখ বিশিষ্ট মানুষ বলেই গবেষকেরা দাবি করেছেন। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে গার্ডিয়ান অনলাইন।
স্পেনের ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিল ও ডেনমার্কের সেন্টার ফর জিওজেনেটিকসের গবেষকেরা দাবি করেছেন, ‘লা বার্না ১’ নামের এই মানুষটির চোখ ছিল নীল আর চুলের রং ছিল কালো বা বাদামি এবং গায়ের রং ছিল কালো।
স্পেনের ক্যান্টাব্রিয়ান পর্বতমালার লা বার্না-আরিনতেরো নামের একটি গুহা থেকে দেহাবশেষ উদ্ধারের পর এর জিন নিয়ে গবেষণা করেন গবেষকেরা। তাঁদের দাবি, ‘লা বার্না ১’এর মতো মানুষ সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড অঞ্চলে বংশ বিস্তার করেছিল। ‘নেচার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এ সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধ।
গবেষকেরা বলেন, ১০ হাজার থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে শেষ হয়েছে মেসোলিথিক যুগ। পাথরের ব্যবহার থেকে কৃষি ও পশুপালনে নির্ভরশীল হওয়ার পর শেষ হয় এই যুগ।
গবেষকেরা দাবি করেছেন, লা বার্নার জিনের মধ্যে তাঁরা আফ্রিকান ও ইউরোপিয়ান জিনের সংমিশ্রণ দেখতে পেয়েছেন।

প্রেমে পড়লে পানিও মিষ্টি লাগে!

কথায় বলে ভালোবাসা হলে মনের মানুষ যেমন মিষ্টি লাগে তেমনি মিষ্টি লাগে আশপাশের সবকিছুই। গবেষকেরা বলছেন, প্রেমে পড়লে পানি তো মিষ্টি লাগেই; এমনকি চকলেটও অতিরিক্ত মিষ্টি লাগতে শুরু করে। সত্যিকারের ভালোবাসা হলে আরও কত কিছু যে হতে পারে তা নিয়ে নেদারল্যান্ডসের গবেষকেরা সম্প্রতি একটি গবেষণা করেছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভালোবাসা যদি মিষ্টি হয় তবে হিংসা কী টক, কিংবা ঝাল স্বাদের হবে?
গবেষকেরা বলছেন, ভালোবাসার ক্ষেত্রে মিষ্টি স্বাদের অনুভূতির প্রমাণ পেলেও হিংসার ক্ষেত্রে টক-ঝাল কোনো স্বাদের বিষয়টির কোনো প্রভাব পড়ে না।
নেদারল্যান্ডসের রেডবড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দাবি করেছেন, মানুষ যখন তাঁর ভালোবাসার কথা মনে করে তখন তাঁর কাছে পানি ও চকলেট স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি মিষ্টি মনে হয়।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, অনেক সময় সাহিত্যে রূপক হিসেবে ভালোবাসাকে মিষ্টি আর হিংসাকে টক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু ভালোবাসা যতখানি মানুষের স্নায়ুর ওপর প্রভাব বিস্তার করে হিংসা ততখানি করে না।
গবেষক কাই কিন চ্যান জানিয়েছেন, ‘আমরা সব সময় বলি যে ভালোবাসা মিষ্টি। তাই এ বিষয়টির প্রমাণ করার জন্য গবেষণা কাজে নেমে পড়ি।’
গবেষকেরা সিঙ্গাপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭ জন শিক্ষার্থীর ওপর ভালোবাসার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেন। তাদের হিংসা বা ভালোবাসার প্রভাবে চকলেটের স্বাদ জানাতে বলা হয়। এ ছাড়া গবেষকেরা ৯৩ জনকে সাধারণ পানি পান করিয়ে তার স্বাদ নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন। গবেষকেরা দেখেন, ভালোবাসায় স্বাদ পরিবর্তন হলেও হিংসার ক্ষেত্রে স্বাদের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়ে না।

আবর্জনায় মেথর কুড়িয়ে পেলেন কোটি টাকার স্বর্ণ

আবর্জনায় মেথর কুড়িয়ে পেলেন কোটি টাকার স্বর্ণ 
gold

দেশটির ঝিলিং প্রদেশে ঝাউ জিংঝিয়া ও তার স্বামী লিউ ইয়োহুয়া পেশায় মেথর। গতমাসে প্রতিদিনের মতো ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ করছিলেন তারা। তারা খুঁজে পেলেন দুটি বাক্স। বাক্স দুটি যেনতেন ছিল না, খাঁটি স্বর্ণের আংটি আর হারে ভর্তি ছিল সেগুলো।স্বর্ণের অলঙ্কারগুলোর দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় এক কোটি ৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকার বেশি।কিন্তু বাক্স দুটি বেশি দিন ঘরে রাখতে পারেন তিনি তারা। পুলিশ জানার পর স্বর্ণের আংটি আর হারগুলো ফেরত দিয়েছেন সেগুলোর মালিককে।এক স্বর্ণের ব্যবসায়ীর কাছে জিংজিয়া ও ইয়োহুয়া দম্পতির স্বর্ণের হার পাওয়ার খবরটি জানার পর পুলিশ সেগুলো জব্দ করে।

খেলনা পিস্তল দেখিয়ে ব্যাংক ডাকাতি

খেলনা পিস্তল দেখিয়ে ব্যাংক ডাকাতি

দক্ষিণ জার্মানিতে এক কিশোর ব্যাংক ডাকাতি করল একদম সিনেম্যাটিক কায়দায়৷ খেলনা পিস্তল দেখিয়ে ডাকাতি করে সাইকেলে করে পালাচ্ছিল সে৷ শেষপর্যন্ত অবশ্য পুলিশ তাকে ধরে ফেলে৷

১৬ বছরের ছেলেটি বেভেরিয়ান টাউনের একটি ব্যাঙ্কে ঢুকে রিভলভার দেখিয়ে সকলকে চুপ করিয়ে দেয়৷ তারপর ক্যাশিয়ারের থেকে টাকা হাতিয়ে পালায়৷ ধাওয়া করে পুলিশ৷ শেষে অস্ট্রিয়ার সীমান্ত পেরোনোর সময় ধরা পড়ে যায় সে৷ – সংবাদ সংস্থা

৪০ দিন পর কবর থেকে তুলে নতুন কাপড় পরানো হলো

৪০ দিন পর কবর থেকে তুলে নতুন কাপড় পরানো হলো
(বিস্ময়কর সব তথ্য)

দাফনের ৪০ দিন পর মরদেহ কবর থেকে তুলে পরনের কাপড় পাল্টে নতুন কাপড় পরানো হলো। তাও আবার নিহত ব্যক্তির নির্দেশে! নিহতের সন্তানরা 'স্বপ্নে নির্দেশ' পেয়ে পিতাকে নতুন কাপড় পরিয়ে দেন।

কাল বিকাল ৩টার দিকে ঢাকার নবাবগঞ্জের শিকারীপাড়া ইউনিয়নের বক্তারনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 'নতুন কাপড়' পরানো দেখতে ভিড় করে শত শত উৎসুক মানুষ।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর মারা যান বক্তারনগর গ্রামের বাসিন্দা আজিজ মান্তান (৮০)পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আজিজ মাস্তান প্রায়ই স্বপ্নে সন্তানদের দেখা দিয়ে নানা নির্দেশনা দেন। পিতার নির্দেশে সন্তানরা দাফনের ৪০ দিন পর লাশ করব থেকে উত্তোলন করে।

এ ব্যাপারে নিহতের বড় ছেলে মোঃ বাবুল হোসেন জানান, তার মরহুম পিতা গত কয়েকদিন পরিবারের সদস্যদেরকে স্বপ্নে দেখা দেন। তার কফিনবক্স ও সাধনার কাপড় পুরাতন হয়ে যাওয়ায় তিনি ভাল নাই, তাই এগুলো পাল্টানোর জন্য নির্দেশ দেন।

বাবুল আরো জানান, বাবার কথা মত আজ বেলা ৩ টায় গ্রামের কবরস্থান থেকে কফিনসহ পিতার লাশ উত্তোলন করে নতুন কফিন ও কাপড় দিয়ে দাফন করা হয়েছে।

বিস্ময়কর সব তথ্য সবার আগে জানতে আমাদের পেজে লাইক দিতে এখানে click করুন

সিলেটের আকাশে উড়ল চালকবিহীন বিমান 'ড্রোন'

সিলেটের আকাশে উড়ল চালকবিহীন বিমান 'ড্রোন'


বাংলাদেশের প্রথম চালকবিহীন বিমান ড্রোন এখন আকাশে। মিনিট দশেক আকাশে উড়ার পর আবার সফলভাবে অবতরণ করে। আর এ কয়েক মিনিটেই গড়লো ইতিহাস। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এভাবে ড্রোনের সফল পরীক্ষা চালান গবেষকরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গবেষনা টিমের দলনেতা ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের ছাত্র সৈয়দ রেজওয়ানুল হক নাবিলসহ টিমের অন্য দুই সদস্য। দলনেতা নিজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠের খোলা আকাশে ওড়ান ড্রোনটি। টিমের অন্য সদস্যরা তাকে এতে সহযোইগতা করেন। সঙ্গে সঙ্গে আগন্তুক দর্শনার্থী ও শিক্ষার্থীরা মুহুর্মুহু করতালিতে আশ-পাশ ভরে তুলেন। ড্রোনটি আকাশে ঘুড়ে সফলভাবে মাটিতে অবতরণ করা পর্যন্ত সবাই আনন্দে ফেটে পড়েন। বর্তমান প্রযুক্তির যুগের উন্নতমানের ড্রোনের মতোই বাংলাদেশী এই চালকবিহীন বিমান যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে দ্রুততার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যে অভিযান চালাতে পারবে। এতে যে মডেলগুলোতে তৈরি করা হয়েছে তার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলোর কোনো রানওয়ে লাগে না, ল্যান্ডিংয়ের জন্য কোনো রানওয়ে লাগে না। শুধু হাত দিয়ে থ্রো করলেই হবে। খুব দ্রুত গিয়ে ওই জায়গায় তথ্যগুলো সংগ্রহ করবে। শত্রুপক্ষ যদি সেটা ধ্বংসও করে ফেলে, সে অলরেডি কিন্তু তথ্যগুলো পাঠিয়ে দিয়েছে। এটা যদি তারা খুলে ফেলে বা হ্যাক করে ফেলে, তাহলে ওটার ভেতরে তারা এ ধরনের কোনো তথ্য পাবে না। যারা আক্রমণ করবে তারা তাদের প্রয়োজনীয় সব তথ্য পেয়ে যাবে। সেখানে ইমেজ প্রসেসর থাকবে, যার ফলে সে শত্রু পক্ষ, মিত্রপক্ষ চিহ্নিত করতে পারবে। দলনেতা সৈয়দ রেজওয়ানুল হক নাবিল নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, "বিষয়টি অনেক আবেগপ্রবণ, ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। ড্রোনটি সফলভাবে ওড়ানোর পর অনেক ভালো লাগছে।” গেল বছরের এপ্রিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল একটি ড্রোন বানানোর কথা বলেন নাবিলকে। সেই থেকে শুরু হয় পরিকল্পনা। তার সঙ্গে যোগ দেয় একই বিভাগের রাহাত ও রবি। পরে অধ্যাপক জাফর ইকবালের তত্ত্বাবধায়ন ও অর্থ সহায়তায় শুরু হয় ড্রোন বানানোর কাজ। জাফর ইকবাল বলেন, “ড্রোন তৈরি করতে তরুণ গবেষকরা অনেক চেষ্টা ও শ্রম দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা সফল। মূলত সেনাবাহিনীর জন্যই ড্রোন। তবে অন্য কাজেও এটি ব্যবহার করা যাবে। খুবই কম শব্দে চলা ড্রোনটি যেকোনো জায়গায় গিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি তুলে বা হামলা করে চলে আসতে পারবে।”

মাত্র ১ সেকেণ্ডে ডাউনলোড হবে সিনেমা

মাত্র ১ সেকেণ্ডে ডাউনলোড হবে সিনেমা

এবার এক সেকেণ্ডে সিনেমা ডাউনলোড করার প্রযুক্তি চালু করছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটি ৯০০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে ‘ফাইভ-জি’ সেবা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে।পরীক্ষামূলকভাবে এ সেবা ২০১৭ সাল নাগাদ চালু করবে দেশটি। বাণিজ্যিক ভাবে আসবে ২০২০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ। ‘ফাইভ-জি’ এ সেবার মাধ্যমে ৮০০ এমবি’র একটি সিনেমা এক সেকেণ্ডে ডাউলোড করতে পারবে গ্রাহক।

দেশটির বিজ্ঞান বিষয়ক মন্ত্রী জানান, ফোর-জি থেকে এক হাজার গুণ দ্রূতগতি সম্পন্ন হবে ফাইভ-জি। আগামি ছয় বছরের মধ্যে আমরা এ সেবা সবার কাছে পৌঁছে দিতে পারবো।

একটি ছবির ভাষায় জেনে নিন আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন?

  একটি ছবির ভাষায় জেনে নিন আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন?

পৃথিবীর সকল মানুষ এক ধরনের মনোমানসিকতা নিয়ে জন্মায় না। প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ ক্ষেত্রে ভিন্ন। কারো কাছে পছন্দ খোলা সুবিশাল মাঠ। আবার কেউ পছন্দ করেন একলা ঘরে নিজের কাজ। প্রত্যেকটি মানুষের পছন্দ ও নিজস্ব চিন্তাভাবনা আলাদা হওয়া ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্বের পরিচয় বহন করে। একেক ধরনের মানুষ একেক ধরণের ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়।

অনেকের ব্যক্তিত্ব নিজের ভেতরে সুপ্ত থাকে। হয়তো বাইরে অন্য ধরনের ব্যবহার করে থাকলেও ভেতরে তার মনটি অন্যরকম। অনেকেই এই ধরনের দ্বিমুখী ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়ে থাকেন। মাঝে মাঝে এই ধরনের ব্যক্তিরা নিজের ভেতরের সুপ্ত ব্যক্তিত্বকে না বুঝে বাইরের মেকি ব্যক্তিত্বটাকেই আপন করে নিয়ে মানুষের কাছে পরিচিত হন। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল নিজের আসল ব্যক্তিত্বকে চিনে নেবার একটি সুযোগ। একটি ছবির ভাষায় জেনে নিন আপনি কোন ধরনের ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ।
ছবিটি লক্ষ্য করুন

http://prem.durlov.org/
পাশের ছবিটি ভালো করে লক্ষ্য করুন। এই ছবিতে রয়েছে ৯ টিরঙের আলাদা আলাদা ধরনের একই বিষয় বস্তু সম্পন্ন ছবি। ছবিটি প্রথম দেখায় আপনার পছন্দের ধরণটি বেছে নিন। বেশি সময় নেবেন না বা চিন্তা করবেন না। যে কোনো ১ টি ছবি নির্বাচন করে নিন মনে মনে। এরপর দেখুন আপনার নির্ধারণকৃত ছবিটি আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে কি বলে।
১ নং ছবির জন্যঃ

আপনি একজন উদার এবং নৈতিক দিক থেকে বেশ ভালো একজন ব্যক্তি। আপনি অনেক উচ্চাভিলাষী। নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নতির শিখরে নিয়ে যাবার জন্য নিষ্ঠার সাথে কাজ করে চলেন। আপনি স্বার্থান্বেষী নন। মানুষ আপনাকে অনেক গম্ভীর ভেবে আপনার সাথে বেশ কমই যোগাযোগ রাখেন। কিন্তু ব্যক্তি জীবনে আপনি মোটেও গম্ভীর নন। আপনি কাউকে ভালোবাসলে অনেক বেশি ভালোবাসেন। এমনকি মানুষটি আপনাকে খুব বেশি মানসিক আঘাত করার পরও আপনি তাকে ভালোবেসে যান। অনেক কম মানুষই আপনার কদর বুঝতে পারে।
২ নং ছবির জন্যঃ

আপনি একজন সৎ ও মজার ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ। আপনি নিজের দায়িত্বজ্ঞান সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন। আপনি মানুষকে অনেক সাহায্য সহযোগিতা করেন নিজের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকলেও। মানুষ আপনাকে একজন বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু ভাবেন। মানুষ খুব সহজেই আপনাকে বিশ্বাস করে। এবং আপনি সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখেন। আপনার চিন্তাধারা খুবই আধুনিক।
৩ নং ছবির জন্যঃ

http://prem.durlov.org/.jpg
আপনি অনেক স্মার্ট ও চিন্তাশীল ব্যক্তি। আপনি সকল বিষয় নিয়েই অনেক বেশি ভাবেন। আপনি আত্মকেন্দ্রিক। নিজের নতুন নতুন চিন্তা ও তত্ত্ব আপনার কাছে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনি চিন্তা ভাবনা করে অনেক সময় ব্যয় করে থাকেন। এবং চিন্তা ভাবনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। আপনার সিদ্ধান্তটি অনেক মানুষের কাছে গ্রহন যোগ্য না হলেও আপনি আপনার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।
৪ নং ছবির জন্যঃ

আপনি দার্শনিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ। আপনি অনেক বেশি ইমোশনাল একজন মানুষ। আপনার বন্ধু বান্ধব এবং অন্য সবার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আপনার মধ্যে ইনটুইশন ক্ষমতা আছে। আপনি অনেক ধরনের ঘটনা ঘটার আগে থেকেই আঁচ করে ফেলতে পারেন। মানুষ বেশিরভাগ সময় আপনাকে ভুল বুঝে দূরে চলে যায়। আপনার কদর মানুষজন একেবারেই বুঝতে পারে না। এমনকি পরিবারের অতি আপনজনও আপনাকে আপনার প্রাপ্য সম্মান দিতে পারেন না। আপনার দরকার আপনার ব্যক্তিত্বকে স্বীকার করে নিতে পারে এমন মানুষ।
৫ নং ছবির জন্যঃ

আপনি একজন আত্মনির্ভরশীল ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ। আপনি একটু ‘ডমিনেটিং’ স্বভাবের। আপনি নেতৃত্ব দিতে পছন্দ করেন। আপনার ব্যক্তি জীবনের দর্শন হচ্ছে ‘আমি সব কিছুই আমার মত অনুসারে করে নেব’। আপনি নিজে অনেক বেশি স্বাবলম্বী। আপনি আপনার নিজের ও পছন্দের মানুষের জন্য অনেক বেশি কষ্ট করতে পারেন।
৬ নং ছবির জন্যঃ

আপনি অনেক বেশি সেনসিটিভ। মানুষ আপনাকে অনেক বেশি পছন্দ করে থাকেন। আপনি সকলের কাছেই বেশ জনপ্রিয় একজন ব্যক্তি। আপনার আন্তরিকতা ও ভালোবাসামাখা আচার আচরণের কারনে সবাই আপনার সঙ্গ পছন্দ করে। আপনি নিজেকে প্রতিনিয়ত আরও বেশি চিন্তা ভাবনায় উন্নত করতে চান। আপনি মানুষকে অনেক বেশিই ভালোবাসেন। এবং ভালোবাসা দিয়েই সব দিক চিন্তা করেন।
৭ নং ছবির জন্যঃ

আপনি একজন হাসিখুশি ও উদ্বেগহীন মানুষ। আপনি একই সাথে সেনসিটিভ ও সমঝোতায় বিশ্বাসী একজন মানুষ। আপনি খুব ভালো একজন শ্রোতা। আপনি আপনার সকল আপনজনের কাছে জনপ্রিয় এই কারণে। আপনাকে কোন ধরনের চিন্তা ও উদ্বেগ স্পর্শ করতে পারে না। অনেক বেশি সমস্যা ও দুশ্চিন্তাও আপনি ঝেড়ে ফেলে তা সমাধানের চেষ্টা করতে পারেন।
৮ নং ছবির জন্যঃ

আপনি অনেক চার্মিং ও এনারজেটিক একজন মানুষ। আপনি মানুষকে হাসাতে পছন্দ করেন। আপনি খুব ঘুরাঘুরি পছন্দ করেন। আপনার ব্যক্তিজীবনের দর্শন হচ্ছে ‘জীবন একটিই’। আপনি কখনই মেকি ভাব ধরতে পারেন না। আপনি যেমন ঠিক তেমনই সবার সামনে নিজেকে উপস্থাপন করেন। মানুষজন আপনার সোজাসাপ্টা কথা বলার ধরন অপছন্দ করে থাকে। কিন্তু আপনি এ ধরনের সমস্যাকে সমস্যা হিসেবে ধরেন না।
৯ নং ছবির জন্যঃ

আপনি একজন আদর্শ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ। আপনি জীবনকে সৃষ্টিকর্তার উপহার হিসেবে দেখেন। কারন আপনি অনেক আশাবাদী এবং ভাগ্যবান একজন মানুষ। আপনি জীবনে অনেক কিছু পেয়েছেন এবং পাবেন বলে বেশ আশাবাদী। এবং আপনি আপনার পাওয়া নিয়ে গর্ববোধ করেন সবসময়। আপনি আপনার আপনজন জন্য অনেক কিছুই করে থাকেন। আপনার সফলতা আপনার আপনজনের জীবনে চলার পাথেয় হিসেবে থাকে।

নিখুঁত প্রেমের ২০টি বৈজ্ঞানিক সূত্র!

নিখুঁত প্রেমের ২০টি বৈজ্ঞানিক সূত্র!

প্রেমের সম্পর্কে সুখ খুঁজতে গিয়ে গলদঘর্ম হয়ে যাই আমরা। কিছুতেই সুখী একটা সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেন না অনেকেই। অনেক সময়ে শান্তিপূর্ণ একটা সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে দিনে দিনে বিনা কারণেই। এই সমস্যার সমাধান কোথায়? বিজ্ঞান তো অনেক কিছুরই সমাধান বের করলো, এবার না হয় প্রেমেরও সমাধান দিক! এই চ্যালেঞ্জের জবাব হিসেবে বিজ্ঞানীরা আসলেই হিসেব কষে বের করেছেন একেবারে “নিখুঁত” সুখী এবং সন্তুষ্টি ভরা প্রেমের ২০টি বৈশিষ্ট্য! জানতে চান, সেগুলো কী?
love photo

১) টেক্সটিং করবেন নাঃ

যেসব জুটি মোবাইলের টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে প্রেম করে, ঝগড়া করে এবং ঝগড়া মেটায় তাদের সম্পর্ক কখনও সুখী হয় না। মোবাইল ব্যবহার যখন করছেনই, তখন প্রিয়জনকে “কল” করুন, অথবা সব ফেলে দিয়ে তার সাথে সরাসরি দেখা করতে চলে যান।
২) নিঃসন্তানঃ

শুনতে অবাক লাগলেও নিঃসন্তান দম্পতিরা বেশি সুখী হয়। তবে এটা অবশ্যই সারা পৃথিবীর হিসাবে। বাংলাদেশের জন্য এটা প্রযোজ্য না হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি।
৩) বিয়ে করলেও যা, না করলেও তাঃ

সুখের পরিমাণ বিবাহিত এবং অবিবাহিত জুটির ক্ষেত্রে একই। বিয়ে করলে সুখ বাড়বে বা কমবে এমন মনে করার কোন কারণ নেই। ভালোবাসা ঠিক থাকলে বিয়ের পরেও থাকবে অটুট।
৪) একটু একটু ঝগড়াঃ

মাঝে মাঝে ঝগড়া করলে সম্পর্ক আসলেই গাঢ় হয় আর প্রেমিক-প্রেমিকার মাঝে বিশ্বাস দৃঢ় হয়।
৫) বড় সন্তানের সাথে ছোট সন্তানঃ

এটা বেশ গভীর গবেষণা করে বের করা হয়েছে। সম্পর্কের একজন যদি পরিবারের বড় সন্তান হয় তবে সে সঙ্গীকে দেখেশুনে রাখতে পারবে আর অপরজন যদি হয় নিজের পরিবারের ছোট সন্তান, তবে সে ওই যত্ন উপভোগ করবে।
৬) একঘেয়েমি থাকতে পারবে নাঃ

যে সম্পর্কে একঘেয়েমি বা বিরক্তি এসে যায়, সে সম্পর্ক টিকবে না তা চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায়।
৭) একসাথে ঘরের কাজ করাঃ

একসাথে ঘরের কাজ করার দায়িত্ব ভাগ করে নিলে তাতে সম্পর্কের বেশ ভালো উন্নতি ঘটতে দেখা গেছে।
৮) সমকামী, অথবা নারীবাদীঃ

সমকামী জুটি সাধারণত সুখী হতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, সাধারণ নারী-পুরুষ জুটির মাঝে যদি পুরুষটি নারীবাদী হয়ে থাকে তাহলেও সেই সম্পর্ক সুখী হয়ে থাকে।
৯) সুন্দরী নারী এবং অসুন্দর পুরুষঃ

ঠিক অসুন্দর না হয়তো কিন্তু নারীর মতো এতটা সুন্দর হতে পারবে না পুরুষটি। একটু কম আকর্ষণীয় পুরুষ এবং বেশ আকর্ষণীয় নারীর মাঝে সম্পর্ক বেশ জমে ওঠে।
১০) অনলাইন গেমিং করেন নাঃ

একটু অদ্ভুত লাগতে পারে শুনতে, কিন্তু বর্তমানে অনেক মানুষই অনলাইনে গেমস খেলতে পছন্দ করেন। এই ধরণের গেমস যারা খেলতে অভ্যস্ত তাদের সাথে সম্পর্ক টেকে না বলে মত দিয়েছে বিজ্ঞান।
১১) একই ধরণের মানুষঃ

আপনার সাথে খুব বেশি পার্থক্য রয়েছে এমন মানুষের সাথে আপনার সম্পর্ক বেশ ঝামেলার হবে।
১২) ফেসবুকে খুব বেশি মিউচুয়াল ফ্রেন্ড থাকা যাবে নাঃ

আপনাদের ফ্রেন্ড সার্কেল যদি আলাদা হয় তবে আপনাদের সম্পর্ক টিকবে বেশিদিন।

১৩) একই রকম খরুচে/কিপটেঃ
একজন বেশ কিপটে, অপরজন অনেক খরচ করতে পছন্দ করেন- এমন সম্পর্ক কখনোই টিকবে না।
১৪) শারীরিক সম্পর্কে সক্রিয়ঃ

এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেসব জুটি সক্রিয় তারা একত্রে থাকেন বেশিদিন।
১৫) ধীরেসুস্থে অগ্রসর হওয়া সম্পর্কঃ

সম্পর্কের শুরুতেই যদি আপনি সঙ্গীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে ব্যাকুল হয়ে ওঠেন, তবে সেই সম্পর্ক টিকবে না সেটা হলফ করে বলা যায়।
১৬) বিশ্রাম নেওয়া জরুরিঃ

যেসব জুটি বা দম্পতি তাদের জীবনযাত্রা এবং কাজকর্মের মাঝে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিয়ে থাকেন তাদের মেজাজ ভালো থাকে এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তারা থাকেন সুখী।
১৭) সুশিক্ষিতঃ

যথেষ্ট পরিমানে পড়াশোনা জানা (কলেজ বা ইউনিভার্সিটি থেকে পাশ করা) জুটি সাধারণত বিচক্ষণ হয় এবং অকারণে তাদের মাঝে সম্পর্কচ্ছেদ হতে দেখা যায় না।
১৮) একে অপরের সাফল্যে আনন্দিতঃ

অনেক সময়ে সঙ্গীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে থাকেন অনেকে। এর উল্টোটা যখন ঘটে অর্থাৎ যখন সঙ্গীর সাফল্যে আপনি খুশি হন তখন সেই সম্পর্ক টিকে থাকার সম্ভাবনা বেশি হয়।
১৯) একই ধরণের রসবোধঃ

আপনার বলা জোকস শুনে যদি আপনার সঙ্গীটি না হাসে তবে কি আপনার ভালো লাগবে? অথবা সাধারণ একটা কথাকে তিনি ঠাট্টা মনে করলে তাও আপনার ভালো লাগবে না। এ কারণে দুজনের রসবোধ হওয়া চাই এক ধরণের।
২০) মদ্যপানের মাত্রাঃ

সঙ্গী মদ্যপান করে অথচ আপনি করেন না। অথবা আপনি করেন কিন্তু সে করে না। এমন অবস্থা হলে সম্পর্কে ফাটল ধরতেই পারে।

লম্বা হতে সাহায্য করবে যে সবজি

লম্বা হতে কে না চায় বলুন? নারী-পুরুষ সবাই চায় লম্বা হতে। লম্বা হলে দেহের আকৃতিও সুন্দর দেখায়। সেই সঙ্গে সব ধরণের পোশাক-আশাকই মানিয়ে যায় বেশ সহজেই। আর তাই নিজের কিংবা নিজের সন্তানের উচ্চতা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন।
লম্বা হতে সাহায্য করবে যে সবজি

সাধারনত বংশগত বৈশিষ্ট্যের উপর কার উচ্চতা কেমন হবে তা নির্ভর করে অনেকাংশেই। কিন্তু বংশগত বৈশিষ্ট্য ছাড়াও পুষ্টির উপরও উচ্চতা নির্ভর করে। কিছু কিছু খাবার উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। সাধারণত পুরুষের উচ্চতা সর্বোচ্চ ২৫ বছর পর্যন্ত ও নারীর উচ্চতা সর্বোচ্চ ২১ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। আর এই বেড়ে ওঠার সময়টাতে উচ্চতা বিশেষ খাবার গুলো খাবার তালিকায় নিয়মিত রাখলে উচ্চতা বৃদ্ধি পায় অনেকখানি।

সবজি দেখলে না কুঁচকে ফেলেন? একটুও ভালো লাগে না সবজি খেতে? তাহলে এবার নিজেকে তৈরি করে নিন। কেননা উচ্চতা বাড়াতে চাইলে এবার কিছু সবজি খেতেই হবে আপনাকে।

চলছে শীতকাল, এই সময়ে বাজারে মিলবে অসাধারণ সব সবজি যা দেহে গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে লম্বা হতে সহায়তা করবে আসুন জেনে নেয়া যাক উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ৫টি শীতকালীন সবজি সম্পর্কে।

বাঁধাকপি:
বাঁধাকপিতে আছে ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান। এছাড়াও বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। এই উপাদান গুলো সম্মিলিত ভাবে শরীরের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে এবং গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়।

মটরশুঁটি:
শীতকালীন এই সবজিটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও সবার কাছে বেশ জনপ্রিয়। বড় ছোট সবাই খুব পছন্দ করে মটরশুঁটি খেয়ে থাকেন। মটরশুটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লু্টেইন ও প্রোটিন আছে যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক।

ব্রোকলি:
ব্রোকলি হলো ফুলকপি গোত্রের একটি সবজি। দেখতে ফুলকপির মত এই সবজিটির রঙ সবুজ। ব্রোকলি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি। ব্রোকলিতে ভিটামিন সি, অনেক রকম ফাইবার ও আয়রন আছে। এছাড়াও ব্রকলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। ব্রকলি গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

ঢেঁড়স:
কিছুটা আঠালো এই সবজিটি অনেকেরই প্রিয় খাবার। আবার আঠালো ভাবের জন্য কেউ কেউ অপছন্দও করেন ঢেঁড়স সবজিটি। ঢেঁড়স কারো কারো কাছে ভেনডি নামেও পরিচিত। ঢেঁড়স একটি পুষ্টিকর সবজি। এতে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার। এই উপাদানগুলো গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

পালং শাক:
পালং শাক পৃথিবীর সবচাইতে বেশি পুষ্টিকর খাবারগুলোর মধ্যে একটি। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল আছে। ফলে পালং শাক গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

এক যুবক ৩২ নারীর শরীরে এইচআইভি ছড়াল

এক যুবক ৩২ নারীর শরীরে এইচআইভি ছড়াল

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির লিন্ডেনউড বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচআইভি আক্রান্ত ২২ বছর বয়সী ছাত্র মিশেল জনসন পর পর ৩২ মহিলার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
এক যুবক ৩২ নারীর শরীরে এইচআইভি ছড়াল

তার এই কান্ডে এইচআইভি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে ওই ৩২ মহিলার শরীরেও। শুধু তাই নয়, প্রত্যেকবার যৌন সম্পর্ক স্থাপনের সময়, সে সব ক্যামেরাবন্দিও করেছে জনসন!

প্রথমে পুলিশ মনে করছিল, কয়েকজনকেই আক্রান্ত করেছে সে। কিন্তু পরে জনসনের সেক্স টেপ আবিষ্কারের পর, সেই ধারণাও ভুল প্রমাণিত হয়।

সেন্ট চার্লস কাউন্টির বিচারক টিম লোহমার বলেন, ‘সেই ল্যাপটপে ৩২টি ভিডিও পাওয়া যায়, যেখান থেকে জানা গিয়েছে, তিনি ৩২ জনের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন। বিগত চার মাসের মধ্যে এই ভিডিওগুলি ধারণ করা হয়।’

পুলিশ জানিয়েছে, ওই ৩২ নারীই জানত না যে জনসন এইচআইভিতে আক্রান্ত এবং সে সমস্ত কিছুই ক্যামেরাবন্দি করে রাখছে।

ঘটনার পরই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আক্রান্ত ছাত্রীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। দোষ প্রমাণিত হলে জনসনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। 

সোনালি ব্যাংক লুটে যে সুড়ঙ্গটি খোড়া হয়েছে তার এক্সক্লুসিভ ভিডিও

সোনালি ব্যাংক লুটে যে সুড়ঙ্গটি খোড়া হয়েছে তার এক্সক্লুসিভ ভিডিও



কিশোরগঞ্জে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে সোনালি ব্যাংকের ভল্ট থেকে প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকা লুটের ঘটনায় ব্যাংকের ম্যানেজার এবং অন্য ৬ কর্মকর্তাসহ ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে ব্যাংকের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ ক্যাম্পের ৮ সদস্যকে। ব্যাংকের পাশের যে বাসা থেকে সুড়ঙ্গ খোঁড়া হয়েছিলো সে বাসার ভাড়াটে সোহেলের খোঁজে মাঠে আছেন গোয়েন্দারা।

ভিডিও টি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ভূত তাড়াতে দুই সন্তানকে হত্যা করলো মা

ভূত তাড়াতে দুই সন্তানকে হত্যা করলো মা

যুক্তরাষ্ট্রের মারিল্যান্ড প্রদেশের এক মা তার সন্তানের ভেতর থেকে ভূত বেড় করতে গিয়ে ধারালো ছুড়ির আঘাতে হত্যা করলেন তার নিজের ২ সন্তানকে।

২৮ বছর বয়স্ক এই মায়ের নাম জাকিয়া এল এভরি। স্থানীয় পুলিশের দেয়া তথ্য মতে, এই মা ২ টি সন্তানকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয় নি । সে আরো ২ টি বাচ্চাকে গুরুতর জখম করেছে। 

এই মর্মে এখন পর্যন্ত তার উপর ৪টি মামলা করা হয়েছে। প্রাদেশিক পুলিশের প্রধান টম মানজের বলেছেন, এই ঘটনা খুবই ভয়ঙ্কর। আমরা এই ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পরিজনদের নিয়ে চিন্তিত।

পুলিশের দেয়া তথ্যমতে তারা খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে এসে ৪ টি শিশুকে উদ্ধার করে । এদের মধ্যে ২ জন হাসপাতালে নেবার পর মৃত্যুবরণ করে।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য মতে ভূত থেকে বাঁচার জন্য রোমান ক্যাথলিকরা ধর্মীয় উপাসনা হিসেবে এ ধরনের কাজ করে থাকে। এই ভয়ংকর উপাসনাকে তাদের ভাষায় বলা হয় ‌‌`এক্সজরসিজম`।

সুত্রঃcampuslive24

মানুষের বন্ধুত্ব বাঘের সঙ্গে

 মানুষের বন্ধুত্ব বাঘের সঙ্গে
মানুষের বন্ধুত্ব বাঘের সঙ্গে

মাংসাশী প্রাণী বাঘের সঙ্গে মানুষেরও বন্ধুত্ব হতে পারে! ইন্দোনেশিয়ার জাভার বাসিন্দা আব্দুল্লাহ সালেহের সঙ্গে ৬ বছর বয়সী একটি বাঘিনীর বন্ধুত্ব হয়েছে। বিষয়টি রীতিমত সাড়া ফেলেছে। ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার কেপান্জেন জেলার দায়লেম গ্রামে আব্দুল্লাহর বাড়ি।
৩৩ বছর বয়সী আব্দুল্লাহ এবং মুলান নামের ওই বাঘিনীর মধ্যে বন্ধুত্ব এমন হয়েছে যে কেউ কাউকে না দেখে থাকতে পারে না। আজব এ বন্ধুত্ব তৈরী হয় মুলান যখন শাবক ছিল।

মানুষের বন্ধুত্ব বাঘের সঙ্গে

মুলানের আসল মালিক ৫১ বছর বয়সী মুহাম্মদ সালাহ প্রথম থেকেই আব্দুল্লাহকে মুলানের দেখাশুনার দায়িত্ব দেন। এই বন্ধু জুটি শুধু একসাথে খেলাই করেনা, তারা এক সাথে ঘুমানও। মুলানের ওজন এখন ১৭৮ কেজি এবং লেজসহ লম্বা ৩ মিটার।  

আব্দুল্লাহ সালেহ একজন ছাত্র, তাই সবসময় সে মুলানের পাশে থাকতে পারেননা। কিন্তু যখনি তাদের দেখা হয়, মুলান দৌড়ে এসে জিব দিয়ে আব্দুল্লার মুখ চেটে আব্দুল্লাহকে তার বন্ধুত্বের ভালবাসা ও আন্তরিকতা জানান দেয়। তবে নিরাপত্তার জন্য মুলানের থাকার জন্য আলাদা একটি খাঁচা রয়েছে।

মেহেরপুরের ১৫০ বছরের ঐতিহ্য রসকদম্ব-সাবিত্রী

মেহেরপুরের ১৫০ বছরের ঐতিহ্য রসকদম্ব-সাবিত্রী

রস নেই তবু রসকদম্ব আর সাবিত্রী নামের মিষ্টি দুটি মেহেরপুর জেলার ১৫০ বছরের ঐতিহ্য বহন করে এখনো সগৌরবে তার অবস্থানের কথা জানান দিয়ে যাচ্ছে ভোক্তাদের। স্বাদে অতুলনীয়, গুণে ও মানে অদ্বিতীয় এই জনপদের ‘নীরস’ মিষ্টি দুটি।
meherpur

১৮৬১ সালে ব্রিটিশ রাজত্বকালে প্রাচীন শহর মেহেরপুরের আদি বাসিন্দা বাসুদেব প্রধান নিজে এই মিষ্টি উদ্ভাবন করেন। খড়, টালি ও টিন দিয়ে নির্মিত তাঁর বাড়ির একাংশ ছিল মিষ্টির দোকান। আজ সে স্থানটিতে নির্মিত দোতলা দালানের নিচতলায় ‘বাসুদেব গ্র্যান্ড সন্স’ নাম দিয়ে প্রয়াত বাসুদেবের দুই নাতি বিকাশ কুমার সাহা ও অনন্ত কুমার সাহা ১৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মিষ্টি দিয়ে আজও মানুষের রসনা সেবা করে যাচ্ছেন।
অবিভক্ত বাংলার এই অঞ্চলের জমিদার সুরেন বোসের জমিদার বাড়ির সিংহ ফটকের সামনেই ছিল বাসুদেবের সাবিত্রী আর রসকদম্বের দোকানের অবস্থান। জমিদার বাড়িতে মাঝেমধ্যেই আসতেন ব্রিটিশ রাজের অমাত্যবর্গ, রাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণ্যমান্য অতিথি ও অন্য অঞ্চলের জমিদাররা। সুরেন বোস বাসুদেবের সেই অতুলনীয় স্বাদের সাবিত্রী আর রসকদম্ব পরিবেশন করে আপ্যায়ন করতেন তাঁদের। আজও দেশের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপি, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিদেশি কূটনীতিক ও বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধি মেহেরপুরে এলে তাঁদেরও আপ্যায়নের প্রধানতম মিষ্টান্ন হলো সাবিত্রী আর রসকদম্ব।
সাবিত্রী আর রসকদম্ব দীর্ঘদিন বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে। বিকাশ কুমার সাহা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও কুয়েতে বেশি যায় এই দুটি মিষ্টি। প্রবাসীদের মাধ্যমে সেসব দেশের নাগরিকরা এই মিষ্টি সংগ্রহ করেন। বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার এই মিষ্টি বেশি বিক্রি হয়। প্রতিদিন গড়ে ৩০-৪০ কেজি তৈরি হয় আর মেহেরপুরের বাইরেই যায় প্রায় ৩০ কেজি। তিনি বলেন, ‘এই মিষ্টির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ফ্রিজে না রেখে এক সপ্তাহ আর ফ্রিজে এক মাসেরও বেশি একই স্বাদ বজায় থাকে। এই স্বাদ বজায় রাখার জন্য দুই ভাই নিজেদের হাতেই মিষ্টি তৈরি করি। অন্য কাজের জন্য লোক আছে।’ অনন্ত কুমার সাহা বলেন, ‘দুধ তথা দুধের চাছি আর চিনিই মূলত এই মিষ্টি তৈরির উপকরণ। তবে মিষ্টি তৈরির সবচেয়ে বড় দিক হচ্ছে চুলায় জ্বাল দেওয়ার বিষয়টি। নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী নির্ধারিত তাপে মিষ্টির চুলায় জ্বাল দিতে হয়। সুচারুভাবে জ্বাল দেওয়ার কাজটি করতে হয়। সে কারণে আরো বেশি চাহিদার পরও মিষ্টির স্বাদ ও মান ঠিক রাখতে অল্প পরিমাণ মিষ্টি আমরা তৈরি করি। চাহিদা থাকলেও এর বেশি মিষ্টি তৈরি করি না।’ তিনি আরো বলেন, ‘ঠাকুর দাদা বাসুদেবের আবিষ্কার এই সাবিত্রী আর রসকদম্ব। তাঁর পরলোকগমনের পর বাবা রবীন্দ্রনাথ সাহা তা আরো বিকশিত করেছেন। তাঁর কাছ থেকেই আমরা মিষ্টি তৈরির কাজটি শিখি। এটা আমাদের বাপদাদার পেশা। তাই অন্য কাউকে আমরা এই কাজটা শেখাই না।’
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল মান্নান জানান, তিনি যখন মেহেরপুর স্কুলের ছাত্র তখন থেকে আজ পর্যন্ত অতুলনীয় স্বাদের এই মিষ্টি উপভোগ করে যাচ্ছেন। জমিদার সুরেন বোসের ছেলে মুক্তিযুদ্ধকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম নাট্যশিল্পী প্রসেনজিৎ বোস বাবুয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের জমিদার বাড়ির প্রতিদিনের নানা ধরনের খাদ্য তালিকায় অন্যতম প্রধান ছিল বাসুদেব কাকা এবং তারপর আমার বন্ধু রবির (রবীন্দ্রনাথ সাহা) সাবিত্রী আর রসকদম্ব। আজও আমরা এই মিষ্টির স্বাদ উপভোগ করি।’
তানিয়া লাবণ্য, মেহেরপুর

হিটলার বিশ্বযুদ্ধ শেষে আত্মহত্যা নয়, ব্রাজিলে পালিয়ে যান

হিটলার বিশ্বযুদ্ধ শেষে আত্মহত্যা নয়, ব্রাজিলে পালিয়ে যান
(বিস্ময়কর সব তথ্য)

hitlar

১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষে জার্মানিতে একটি বাংকারে আত্মহত্যা করেছিলেন হিটলার, এমনটাই এত দিনের প্রচলিত ধারণা। কিন্তু ‘হিটলার ইন ব্রাজিল’ নামে নতুন এক বই এ ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।
বইটির লেখক দাবি করেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে হিটলার সম্ভবত আর্জেন্টিনায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। এরপর প্যারাগুয়ে এবং সবশেষে ব্রাজিলে যান তিনি। ব্রাজিলের ম্যাটো গ্রোসো রাজ্যে তাঁর জন্য ভ্যাটিকান মিত্রপক্ষের লুকিয়ে রাখা সম্পদের সন্ধান করেন তিনি।
পোস্ট গ্রাজুয়েট ছাত্রী সিমোনি রেনি গুয়েরেইরো ডায়াস তাঁর ‘হিটলার ইন ব্রাজিল’ বইতে হিটলারের জীবন কাহিনী তুলে ধরেছেন। এতে উঠে এসেছে হিটলারের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা। সম্পূর্ণ বিষয়টাই লেখকের থিসিসের অংশ। যার কাজ এখনো চলছে।
বইয়ে হিটলার গুলিতে আত্মহত্যা করেছেন, এ ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। বলা হয়েছে হিটলার অ্যাডল্ফ লেইপজিগ নামে ব্রাজিলের একটি ছোট শহরে বসবাস করেন। ‘নোসা সেনহোরা ডু লিভ্রামেন্টো’ নামের সেই শহরটি ‘ম্যাটো গ্রোসো’ রাজ্যের রাজধানী কুইয়াবা থেকে প্রায় ৩০ মাইল দূরে অবস্থিত। কুইয়াবা শহরে বসবাসকারি এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, অ্যাডলফ লেইপজিগ স্থানীয়ভাবে ‘বুড়ো জার্মান’ নামে পরিচিত ছিলেন।
বইয়ের লেখক তার বক্তব্যের স্বপক্ষে একটি ছবিও উপস্থাপন করেছেন। ছবিটি কথিত হিটলারের মৃত্যুর দুই বছর আগে তোলা। ছবিটিতে হিটলারের সঙ্গে তার কৃষ্ণাঙ্গ গার্লফ্রেন্ডও ছিল। লেখকের বক্তব্য কৃষ্ণাঙ্গ গার্লফ্রেন্ডও তার লুকিয়ে থাকার কৌশলের অংশ।
স্থানীয় পত্রিকার রিপোর্ট অনুসারে সিমোনি তার বক্তব্যের স্বপক্ষে ডিএনএ টেস্ট করার পরিকল্পনা করেছেন। এজন্য ইসরাইলে বসবাসকারী হিটলারের এক আত্মিয়ের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

মেয়েদের ওজন বাড়ে নতুন প্রেমে

মেয়েদের ওজন বাড়ে নতুন প্রেমে
new love

নতুন প্রেম মানে আরো ভালোবাসা, আরো সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য এবং বাড়তি কিছু ওজন যোগ হওয়া! সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার ভিত্তিতে জানা গেছে নতুন সম্পর্ক শুরু করলে তার এক বছরের মধ্যেই বাড়তি মেদ যোগ হয় নারীদের। ইউকেমিডিক্স ডটকম পরিচালিত এক সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
সমীক্ষাতে উঠে এসেছে নতুন সম্পর্ক শুরু করলে নতুন অনেক কিছুর সঙ্গে বাড়তি মেদও যুক্ত হয় নারীদের। এর কারণ হিসেবে মনের স্থিতিশীলতা আসাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দায়ী করছেন সমীক্ষকরা।
সমীক্ষাতে আরো জানা গেছে, নতুন সম্পর্ক শুরুর এক বছরের মধ্যে নারীদের গড়ে ৭.২ পাউন্ড বা ৩.২ কেজি ওজন বাড়ে। ওজন বাড়ার কারণ হিসেবে অনেকে অবশ্য তাদের নতুন সঙ্গীর খাদ্যাভ্যাসকে দায়ী করেছেন। তবে এ সংখ্যা অর্ধেকেরও কম বলে জানা গেছে।
ইউকেমিডিক্স-এর সারা বেইলি বলেন, ‘এটা মনে হয় যে, আমাদের মনের কাঠামো ওজনের ওপর বড় ধরনের প্রভাব রাখে। সুখী সম্পর্কের ফলে পুরুষের ওজন কমে বলে প্রতীয়মান হলেও সাধারণত নারীদের ওজন আড়াই কেজির মতো বাড়ে।
সারা আরো বলেন, ‘আমাদের ভালোবাসার জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আসা মানে আত্মবিশ্বাস বাড়া। সম্ভবত এর ফলেই অধিকাংশের ওজন বাড়ে।

জেনিফার এখন নামায পড়েন, যাকাত দেন

 জেনিফার এখন নামায পড়েন, যাকাত দেন
jenifar

দু’বছর আগেও নাস্তিক ছিলেন আমেরিকান শিল্পী জেনিফার গ্রাউট। ‘আরব গট ট্যালেন্ট’ প্রতিযোগিতায় গান গেয়ে আরব দুনিয়াকে মন্ত্রমুগ্ধ করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। গালফ নিউজ অবলম্বনে তুলে ধরা হলো জেনিফারের ইসলাম গ্রহণের নেপথ্য কাহিনী;

‘আরব গট ট্যালেন্ট’ প্রতিযোগিতায় গান গেয়ে আরব দুনিয়াকে মন্ত্রমুগ্ধ করেন আমেরিকান শিল্পী জেনিফার গ্রাউট। একটি আরবী শব্দ না জানলেও গত নভেম্বরের এই প্রতিযোগিতায় বিশুদ্ধ আরবী ভাষায় গান গেয়ে সেরা তিনে স্থান করে নেন ২৩ বছর বয়সী এই প্রতিভাবান শিল্পী।

আরব জাহানে আবারো তিনি সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন। ইসলাম গ্রহণ করেছেন শিল্পী জেনিফার গ্রাউট। অথচ তিনি ছিলেন নাস্তিক। তার বিশ্বাস ছিল ধর্ম বিশ্বের কোনো উপকারে আসছে না বরং ক্ষতিই করছে।

সম্প্রতি ইউটিউবে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, দুজন লোকের উপস্থিতিতে তিনি কালেমায় তৈয়্যব পাঠ করছেন।

ইসলাম গ্রহণের জন্য কালেমায় তৈয়্যব- আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। মহানবী (সা.) আল্লাহর রাসুল, পাঠ করা অপরিহার্য।

তবে জেনিফার জানান, তিনি মুসলমান হলেও ওই ভিডিওটি ছিল অভিনয়। মরোক্কোর একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়কালে তিনি ওই বাক্য পাঠ করেন।

আর চলচ্চিত্রটিতে তিনি অভিনয় করেন আরব গট ট্যালেন্ট প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার আগে। অবশেষে সেটাই তার জীবনে সত্য হয়ে ধরা দেয়।

জেনিফার বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কী প্রথমে আমি হতাশ হয়েছিলাম এবং ভয় পেয়েছিলাম যে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ তখন পর্যন্ত আমি আমার পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের ইসলাম গ্রহণের কথা বলার সুযোগ পাইনি। তবে এখন যেহেতু বিষয়টি প্রচার হয়ে গেছে হয়তো ভালোই হয়েছে। আমি যা বিশ্বাস করি, তাতে মোটেই লজ্জিত নই।’

জেনিফার বলেন, ‘ইসলাম গ্রহণের জন্য আমি মসজিদে যাইনি, কোনো ইমামের শরণাপন্ন হইনি এবং কাগজপত্রেও স্বাক্ষর করিনি। তবে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আমি কালেমায়ে তৈয়্যব পাঠ করেছি।’

তিনি জানান, ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার পর থেকে তিনি ৫ ওয়াক্ত নামায পড়েন এবং ইসলামের বিধান মেনে যাকাত দেন। আগামী রমজানে রোজা রাখবেন তিনি।

জেনিফার বলেন, ‘এসব হচ্ছে (ইসলামের) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি অবশ্যই ইসলাম সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছি- কোরআনের অর্থ সম্পর্কে, ইসলামের ইতিহাস সম্পর্কে।’

ক্লাসিকাল সংগীতে ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটি থেকে স্মাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন জেনিফার। আরবী ভাষার একটি শব্দ না জানলেও বিশুদ্ধ আরবী ভাষায় আরবের ধ্রুপদি সংগীত গেয়ে তিনি আরব জাহানের সংবাদপত্রের শিরোনামে হয়েছিলেন।

তখন ধারণা করা হয়েছিল, তার পূর্বপুরুষ হয়তো আরব-বংশোদ্ভূত ছিল। তবে তিনি এ ধারণা নাকচ করে দেন।

দু’বছর আগেও নাস্তিক ছিলেন জেনিফার। দেড় বছর আগে মরক্কোর এক সংগীত শিল্পীর প্রেমে পড়েন তিনি। এরপরই বদলে যেতে শুরু করেন জেনিফার।

প্রেমিক সম্পর্কে জেনিফার বলেন, ‘তিনি খুবই সাহসী, নাছোড়বান্দা এবং সহৃদয়। আমি তার প্রশংসা না করে পারি না। ফলে তিনি মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও আমি চাইলাম সম্পর্কটা চালিয়ে যেতে। এর ফলেই আমি ইসলাম সম্পর্কে অন্তত কিছুটা জানতে পারলাম।’

তিনি বলেন, ‘ইসলাম সম্পর্কে জানার চেষ্টার ফলেই আমার চোখ খুলে গেল এবং হঠাৎ করেই আমার ভেতরে বিস্ময়কর ব্যাপার ঘটে গেল। এমনটি আর আমার জীবনে কখনোই ঘটেনি। এভাবেই (ইসলামের দিকে) আমার পথচলা শুরু হলো।’

বর্তমানে সংগীতশিল্পী স্বামীর সঙ্গে মরক্কোতেই বাস করছেন জেনিফার। তারা দুজনে নিয়মিত বিভিন্ন পার্টি ও বিয়ের অনুষ্ঠানে আরবী সংগীত গাইছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে জেনিফার জানান, ‘তিনি আরব দুনিয়াজুড়ে সংগীত পরিবেশন করতে চান। নিজ দেশ আমেরিকাতেও শুনাতে চান আরবী সংগীত। আরবী সংগীতের পাশাপাশি মরক্কোর বার্বার সংগীতেরও প্রসার ঘটাতে চান তিনি।

ফেইসবুকে দেওয়া পোস্টে ক্ষমা চাইলেন মন্ত্রী

ফেইসবুকে দেওয়া পোস্টে ক্ষমা চাইলেন মন্ত্রী



স্কুল শিশুদের এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসে প্রকাশ্যে ধূমপানের পর তীব্র সমালোচনার মুখে ক্ষমা চাইলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী। ভবিষ্যতে আর এমন ঘটনা ঘটবে না বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে নিজের ফেইসবুক পেইজে এক পোস্টে মহসীন লিখেছেন, গতকাল এবং আজকে বিভিন্ন গনমাধ্যমে আসা আমার একটি ছবি নিয়ে আমি খুবই লজ্জিত। অস্বীকার করি না, আমি একজন চেইন স্মোকার কিন্তু এভাবে প্রকাশ্যে ধূমপান করা আমার কোনোভাবে ঠিক হয় নাই। গতকাল অনেকটা আনকন্সাস মাইন্ডে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি। এরকম ঘটনা আগামীতে আর হবে না। আমি আশা করি আমার আত্ম উপলদ্ধিকে আপনারা বিবেচনায় এনে নিজ গুনে ক্ষমা করবেন।


সোমবার সিলেট বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে জেএসসি ও প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বসে মহসীন আলী ওই কাণ্ড ঘটান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ জনসমাগমের স্থানে প্রকাশ্যে ধূমপান আইনত দণ্ডনীয় হলেও মঞ্চে বসে স্কুল শিশুদের সামনেই সিগারেট টানতে দেখা যায় তাকে। মৌলভীবাজারের সংসদ সদস্য মহসীন আলীর প্রকাশ্যে ধূমপানের ওই ছবি নিয়ে সোমবারই সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এরপরই আজ মহসীন আলী তার ফেইসবুক পোস্টে ক্ষমা চেয়ে এবং আগামীতে আর হবে না- এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই স্টাটাসটি দেন। 


নূহ নবীর নৌকা নতুন করে তৈরি হচ্ছে

নূহ নবীর নৌকা নতুন করে তৈরি হচ্ছে
নূহ নবীর নৌকা নতুন করে তৈরি হচ্ছে
নোয়াহ’স আর্ক বা নূহ নবীর নৌকা নিয়ে বিভিন্ন জাতির মানুষের মাঝে প্রচলিত রয়েছে অনেক কাহিনী। আর বিভিন্ন প্রাচীন পুঁথিপত্র ঘেঁটে গবেষকেরাও ধারণা করে নিয়েছিলেন যে আসলেই এমন কোনো নৌকার অস্তিত্ব ছিলো। কিন্তু সব জল্পনা কল্পনার পর এবার শুরু হচ্ছে সেই ঐতিহাসিক নৌকার পুনঃনির্মাণ! হ্যাঁ, আসলেই নোয়াহ’স আর্ক নতুন করে তৈরি করার প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। ৩,৭০০ বছর পুরনো এক ব্যাবিলনীয় কাদামাটির ফলকে লেখা নির্দেশনার পাঠোদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে সম্প্রতি এবং সেই অনুযায়ী তৈরি করা হচ্ছে এই নৌকা।

এই প্রাচীন কাদামাটির ফলক উদ্ধার করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এই ফলকে উদ্ধৃত রয়েছে নোয়াহ’স আর্ক নিয়ে একটি মেসোপটেমিয়ান কাহিনী যা ওল্ড টেস্টামেন্টেও রয়েছে। কিভাবে নোয়াহ সব প্রাণী প্রজাতিকে বন্যার জল থেকে বাঁচিয়েছেন তা বলা আছে এখানে। এখানে নোয়াহ বা নূহ এর বদলে ব্যবহার করা হয়েছে “আত্রাম-হাসিস” নামটি, যে কিনা ছিলো এক সুমেরিয় শাসক। তার নৌকার আকৃতি ছিলো চাকতির মতো গোলাকার যার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান।

আধুনিক কালের বিভিন্ন বস্তু তৈরির যেমন ইন্সট্রাকশন ম্যানুয়াল থাকে, তেমনি এই কাদামাটির ফলকটাও নোয়াহ’স আর্ক তৈরির নির্দেশনা ধারণ করছে। মোটামুটি ৬৫ মিটার ব্যাস নিয়ে এই নৌকা তৈরির কথা লেখা আছে, যার উচ্চতা হবে ৬ মিটারের মতো আর থাকবে দুইটি স্তর। বিভিন্ন প্রাণীর জন্য ভাগ ভাগ করা থাকবে এই নৌকা। একে তৈরি করা হয় দড়ি এবং নলখাগড়া দিয়ে। এর ভেতরে যাতে পানি চুইয়ে প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য এর ওপরে বিটুমিনের প্রলেপ দেওয়া হয়। ঠিক কি ধরণের বিটুমিন এবং কি ধরণের দড়ি ব্যবহার করে এই নৌকা তৈরি করতে হবে সেটাও বলে দেওয়া আছে এই ফলকে।

নোয়াহ’স আর্ক তৈরির প্রচেষ্টা এই প্রথম নয়। এর আগেও ২০১২ সালে এটা তৈরি করা হয়েছিলো কিন্তু তা ছিলো প্রাচীন কালের সাধারণ সমুদ্রগামী নৌকার মতো। এই প্রথম কোনো নির্দেশনা থেকে গোলাকার করে তৈরি করা হচ্ছে এই নৌকা। এই নির্দেশনা খুঁজে পাওয়া সত্ত্বেও কিছু গবেষকেরা ধারণা করছেন, এই নৌকা বাস্তবে কখনও তৈরি করা হয়নি। অন্যদের মতে, নির্দেশনা থাকার অর্থই হলো এই নৌকার অস্তিত্ব ছিলো।

আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটের উপর ক্ষুদ্ধ ন্যান্সি

আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটের উপর ক্ষুদ্ধ ন্যান্সি

আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট মাশরুম এন্টারটেইনমেন্টের (এমই লেভেল) বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুললেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সি। তিনি জানান, কোনো অনুমতি ছাড়াই এমই লেভেলের ওয়েবসাইটে তার গান প্রকাশ করা হয়েছে। ওয়েবসাইটটি 'ও নীল আকাশ' শিরোনামে তার তিনটি গান সংবলিত একটি মিক্সড অ্যালবাম অবৈধভাবে প্রকাশ করেছে। এরমধ্যে এসআই টুটুলের সঙ্গে তার দুটি দ্বৈত গানও রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে ন্যান্সি বলেন, 'ও নীল আকাশ' নামে কোনো অ্যালবামেই আমি গান করিনি। তাই মাশরুম এন্টারটেইনমেন্টে প্রকাশিত এ অ্যালবামটি সম্পূর্ণ অবৈধ। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারি, নবীনশিল্পী ঝংকারের তত্ত্বাবধায়নে অ্যালবামটি প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু ঝংকার নামের কাউকেই আমি চিনি না। আমার অনুমতি ছাড়াই গানগুলো অ্যালবামটিতে ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের উচিত আমার সঙ্গে শীঘ্রই যোগাযোগ করে বিষয়টি কাগজ-কলমে সমাধান করা। তা না হলে আমি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবো।

এ প্রসঙ্গে ন্যান্সি আরো বলেন, "আমি বহু ছবির জন্য গান করেছি। এগুলোর মধ্যে এখনো কিছু গান চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত হয়নি। এ রকম তিনটি গানই 'ও নীল আকাশ' মিক্সড অ্যালবামে প্রকাশ করা হয়েছে।"

এদিকে, এ বিষয়ে নবীনশিল্পী ঝংকারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, "প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে ন্যান্সির সঙ্গে আমার এ নিয়ে কথা হয়েছিল। তখন তিনি গানগুলো ব্যবহারে অনুমতি দিয়েছিলেন। তবে কাগজ-কলমে তার সঙ্গে আমার চুক্তি হয়নি। সমস্যা নেই, আমি তার সঙ্গে আবারো কথা বলে নিচ্ছি। টুটুল ভাইয়ের সঙ্গে আমার এ নিয়ে কথা হয়েছে।"

কিন্তু এ প্রসঙ্গে এস আই টুটুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে তার মোবাইলফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্যদিকে, ডিজিটাল রেকর্ড লেভেল মাশরুম এন্টারটেইনমেন্টের [এমই লেভেল] সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, দুদিন আগে তারা তাদের ওয়েবসাইটে গানগুলো প্রকাশ করেছেন। তবে ন্যান্সির অভিযোগের ভিত্তিতে তারা দ্রুত গানগুলো নামিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ন্যান্সির দ্বৈত গান দুটি হলো- 'বলোনা বলোনা' ও 'আকাশ ভাঙ্গা'পুরো অ্যালবামের সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ঝংকার ও শামীমের নাম দেয়া হয়েছে।

সৌজন্যে: যায়যায়দিন

বিছার ভয়ঙ্কর বিষের উৎপত্তি কোথায় জানেন কি ?

বিছার ভয়ঙ্কর বিষের উৎপত্তি কোথায় জানেন কি ?

বিছা যে বিষাক্ত তা তো জানা কথাই। কিন্তু বিজ্ঞানীদের এটা জানা ছিল না এই বিষের উৎস কোথায়। শুরু হলো খোঁজাখুঁজি। দেখা গেল, বিছার রোগ প্রতিরোধের জন্য দেহে যে ব্যবস্থা আছে সেখান থেকেই উৎপত্তি এর বিষের! চীনের একাডেমী অব সায়েন্সের শুনউই ঝু ও তার গবেষক দল দেখেন যে, বিবর্তনের ধারায় বিছা ও আরো কিছু প্রাণীর দেহে এরকম বিষগ্রন্থির আবির্ভাব ঘটেছে। বিছার লেজে এই বিষের অবস্থান থাকে। আর এখন পর্যন্ত বিছার ২৫০০ প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে যাদের মাঝে ২৫ টি প্রজাতি এতোটাই বিষাক্ত যে মানুষকে মেরে ফেলতে সক্ষম।

Inside Science News Service এ জানানো হয়, বিছার দেহে ‘ডিফেনসিনস’ নামে এক ধরণের প্রোটিন আছে যেটা আরো কিছু উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহে পাওয়া যায়। এ প্রোটিন ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীরা এ প্রোটিনে থাকা অ্যামিনো এসিডের সিকুয়েন্সিং করে দেখেন যে একটিমাত্র জিনের কারণে ‘ডিফেনসিন’ প্রোটিন রূপান্তরিত হয় ভয়াবহ বিষে। বিবর্তনের আদি পর্যায়ে বিছারা প্রথমে মাটিতে, পরে পানিতে বসবাস করতো, আকারে ছিল অনেক বড়। কিন্তু পরবর্তীতে তারা আবার মাটিতে ফিরে আসে, কিন্তু আকারে ছোট হয়ে যায়। আর এটা ছিল ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের কথা।

মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গিয়ে যা বললেন ফাটাকেষ্ট(ভিডিও)

মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গিয়ে যা বললেন ফাটাকেষ্ট


পূর্ব ঘোষণা মত রাজ্যসভায় তৃণমূল প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর সাংসদ হওয়া প্রায় নিশ্চিত। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার ঠিক আগে কী বলছেন প্রার্থী? দেখুন ভিডিও।


সুন্দরীদের মেয়েদের ছবি দেখুন

১/সুন্দরীদের মেয়েদের ছবি


২/সুন্দরীদের মেয়েদের ছবি


৩/সুন্দরীদের মেয়েদের ছবি


৪/সুন্দরীদের মেয়েদের ছবি

৫/সুন্দরীদের মেয়েদের ছবি


৬/সুন্দরীদের মেয়েদের ছবি


৭/সুন্দরীদের মেয়েদের ছবি


৮/সুন্দরীদের মেয়েদের ছবি


মেয়েকে ফেরাতে পারলে রাজকন্যা আর রাজত্ব

মেয়েকে ফেরাতে পারলে রাজকন্যা আর রাজত্ব

অনেক চেষ্টা করে সেপথ থেকে গিগি চাওকে  ফেরাতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।  লোকসমাজে মুখ দেখানোই যেন মুশকিল হয়ে পড়েছে তার।
মেয়েকে ফেরাতে পারলে রাজকন্যা আর রাজত্ব

এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে পুরস্কার ঘোষণা করেছেন সিসিল চাও। কোনা ব্যক্তি যদি তার মেয়ে গিগিকে সমকামিতার পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন তাকে ১৩০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, ২০১২ সালে হংকংয়ের এই ব্যবসায়ী তার মেয়েকে নিয়ে খবরের কাগজের শিরোনাম হন  সেবারও তিনি  মেয়েকে সমকামিতা থেকে ফেরাতে ৬৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু কোনো কাজই হয়নি।

গিগির সঙ্গে এখনও একটি ফরাসি মেয়ের যৌন সম্পর্ক রয়েছে।

গত বছরের জানুয়ারিতে সিসিল চাও এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, পুরস্কারের প্রস্তাব অব্যাহত আছে। যিনি আমার এ অসাধ্য কাজটি করে দেবেন তার জন্য রয়েছে রাজত্ব ও রাজকন্যা দুটোই।

তবে আমি কোনো ব্যক্তিকে বিয়ে করার জন্য গিগিকে চাপ দিচ্ছি না। কিন্তু আমি তাকে বিবাহিত ও সন্তানের মা হিসেবে দেখতে চাই। নাতির মুখ দেখতে চাই আমি।

কিন্তু এতেও ফেরাতে পারেনি কেউ। চলতি বছর আবার তার বাবা পুরস্কারের অঙ্কটা বাড়িয়ে ১৩০ মিলিয়ন ডলার করেছেন। তিনি আশা করছেন, তার মেয়েকে এবার কেউ সঠিক রাস্তায় ফেরাবে।

কিন্তু খোদ গিগিই বলছেন, আমার মনে হয় না বাবা কোনো বড় অঙ্কের অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করে পুরুষের প্রতি আমাকে আকৃষ্ট করতে পারবে। তার চেয়ে আমি এমন মানুষের বন্ধু হতে পারলে খুশি হবো যিনি ভালোবাসার বিশ্বাসের ওপর দাতব্য প্রতিষ্ঠানে ওই বিশাল অর্থ দান করবেন। আমারও তো স্ত্রী আছে, যদিও আমি সহকামী। আর বাবাকেও আমি খুব ভালোবাসি।