Happy New Year 2014 প্রান খুলে নিজের নম্বর থেকে unlimited free sms পাঠান য়ে কোন অপারেটরে 100% কার্যকরী


নিজের নম্বর থেকে unlimited free sms পাঠান যে কোন অপারেটরে 100% কার্যকরী
আমি আপনাদের একটি লিংক দিবো unlimited free sms পাঠানোর জন্য। লিংক এ ঢুকে Sign Upকরূন যে মোবাইল নম্বর দিয়ে Sign Up করবেন মোবাইল নম্বর এ একটা ভেরিফিকেশন কোড যাবে। 
নিজের নম্বর থেকে unlimited free sms পাঠান যে কোন অপারেটরে 100% কার্যকরী
কোডটি দিয়ে ভেরিফিকেশন করে Sign In হয়ে Send SMS এ ক্লিক করে 88 ছাড়া নম্বর দিয়ে SMS লিখে Send করুন। এছাড়া এখানে Contact Directory তে নম্বর Save করে রাখতে পারবেন। শুধু একটা ছোট সমস্যা যে SMS এর সাথে এই ওয়েবসাইট একটা ছোট বিজ্ঞাপন দেবে। একটা SMS পাঠিয়ে দেখতে পারেন কেমন বিজ্ঞাপন দেয়।
****বলে রাখা ভালো এই ওয়েবসাইট টা আমার না তাই যদি কখনও SMS পাঠানো বন্ধ হয়ে যায় তবে কিছু করার থাকবে না। যতদিন ফ্রি আছে SMS পাঠাতে থাকুন।******

ফ্রিল্যান্সার হতে চাও? তাহলে জেনে নাও

প্রথমেই একজন সফল ফ্রি-ল্যান্সারের গল্প বলে লেখাটি শুরু করতে চাই। মেহেরপুরের জাহাঙ্গীর জিন্নাত হিরক। বাড়িতে বসে ইন্টারনেটে আউট সোর্সিংয়ের কাজ করে প্রতি মাসে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করছেন।  তার কাছ থেকে প্রশিন নিয়ে কর্মসংস্থান হয়েছে আরও অনেক বেকার যুবকের।


জেলার সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর জিন্নাত হিরক ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেন বিবিএ ও এমবিএ। পরে আউটসোর্সিংয়ের কাজ শেখেন। বছর দুই আগে চলে আসেন নিজের গ্রাম.. চাঁদবিলে। বাড়িতে বসেই ইন্টারনেটে আউটসোর্সিংয়ের কাজ শুরু করেন। বর্তমানে প্রতি মাসে তার আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।
আউটসোসিং প্রশিক্ষক জিন্নাত হিরক জানান, গ্রামের বেকার যুবকদের সংগঠিত করে গড়ে তোলেন ইউনিক সফ্ট আউটসোর্সিং নামের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বিনা খরচে এখানে গ্রামের বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ দেন তিনি। তার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেকেই এখন কাজ করছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে।

এলাকার বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে জনশক্তিতে রূপান্তর করায় জিন্নাত হিরকের ওপর খুশি এলাকাবাসীও।

আউট সোর্সিং:
এবার আসি কাজের কথায়। প্রথমেই জানা যাক আউট সোর্সিং সম্পর্কে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে।
ফ্রি-ল্যান্সার:
যাঁরা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে দেন, তাঁদের ফ্রিল্যান্সার বলে। ফ্রিল্যান্সার মানে হলো মুক্ত বা স্বাধীন পেশাজীবী। আউটসোর্সিংয়ের কাজের খোঁজ থাকে, এমন সাইটে যিনি কাজটা করে দেন, তাঁকে বলা হয় কনট্রাকটর (তিনি কনট্রাক্টে কাজ করেন)। আর যিনি কাজ দেন, তাঁকে বলে বায়ার/এমপ্লয়ার (তিনি কনট্রাক্টে কাজ দেন)।

যে ধরনের কাজ পাওয়া যায়:

আউটসোর্সিং সাইট বা অনলাইন মার্কেট প্লেসে কাজগুলো বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা থাকে। যেমন: ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা (ইনফরমেশন সিস্টেম), লেখা ও অনুবাদ, প্রশাসনিক সহায়তা, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া, গ্রাহকসেবা (ঈঁংঃড়সবৎ ঝবৎারপব), বিক্রয় ও বিপণন, ব্যবসাসেবা ইত্যাদি।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট:

এই বিভাগের মধ্যে আছে আবার ওয়েবসাইট ডিজাইন, ওয়েব প্রোগ্রামিং, ই-কমার্স, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন, ওয়েবসাইট টেস্টিং, ওয়েবসাইট প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।

সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট:

সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টর মধ্যে আছে ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন, গেম ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিপ্ট ও ইউটিলিটি, সফটওয়্যার প্লাগ-ইনস, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, ইন্টারফেস ডিজাইন, সফটওয়্যার প্রকল্প-ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার টেস্টিং, ভিওআইপি ইত্যাদি।

নেটওয়ার্কিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম:

এর মধ্যে আছে নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডিবিএ-ডাটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সার্ভার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ইআরপি/সিআরএম ইমপ্লিমেনটেশন ইত্যাদি।

রাইটিং ও ট্রান্সলেশন:

এর মধ্যে আছে কারিগরি নিবন্ধ লেখা (টেকনিক্যাল রাইটিং), ওয়েবসাইট কনটেন্ট, ব্লগ ও আর্টিকেল রাইটিং, কপি রাইটিং, অনুবাদ, ক্রিয়েটিভ রাইটিং ইত্যাদি।

অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্ট:

এর মধ্যে আছে ডেটা এন্ট্রি, পারসোনাল অ্যাসিসট্যান্ট, ওয়েব রিসার্চ, ই-মেইল রেসপন্স হ্যান্ডলিং, ট্রান্সক্রিপশন ইত্যাদি।

তবে এইসব কাজের ভিতরে সবচেয়ে সহজ হল ওয়েব রিসার্চ ও ডেটা এন্ট্রি ।

ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া:

এই বিভাগের মধ্যে আছে গ্রাফিক ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ইলাস্ট্রেশন, প্রিন্ট ডিজাইন, থ্রিডি মডেলিং, ক্যাড, অডিও ও ভিডিও প্রোডাকশন, ভয়েস ট্যালেন্ট, অ্যানিমেশন, প্রেজেন্টেশন, প্রকৌশল ও কারিগরি ডিজাইন ইত্যাদি।

কাস্টমার সার্ভিস:

এর মধ্যে আছে কাস্টমার সার্ভিস ও সাপোর্ট, টেকনিক্যাল সাপোর্ট, ফোন সাপোর্ট, অর্ডার প্রসেসিং ইত্যাদি।

বিক্রয় ও বিপণন:

এর মধ্যে আছে বিজ্ঞাপন, ই-মেইল বিপণন, এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন), এসইএম (সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং), এসএমএম (সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং), জনসংযোগ, টেলিমার্কেটিং ও টেলিসেল্স, বিজনেস প্ল্যানিং ও মার্কেটিং, মার্কেট রিসার্চ ও সার্ভেস, সেলস ও লিড জেনারেশন ইত্যাদি।

বিজনেস সার্ভিসেস:

এর মধ্যে আছে অ্যাকাউন্টিং, বুককিপিং, এইচআর/পে-রোল, ফাইনানসিয়াল সার্ভিসেস অ্যান্ড প্ল্যানিং, পেমেন্ট প্রসেসিং, লিগ্যাল, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস কনসাল্টিং, রিক্রুটিং, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ ইত্যাদি। এগুলো সম্পর্কে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
কাজ পাবেন যেখানে: আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাওয়া যায় এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে। আবার ভুয়া সাইটও বের হয়েছে। ফলে সতর্ক হয়েই কাজ শুরু করতে হবে। আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সাইটের ঠিকানা দেওয়া হলো:

http://www.odesk.com, (সবচেয়ে ভালো ও নিরাপদ)

http://www.freelancer.com,

http://www.elance.com,

http://www.getacoder.com,

http://www.guru.com,

http://www.vworker.com,

http://www.scriptlance.com ইত্যাদি।

বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ওডেস্ক(odesk)। গত বছর (২০১১) সারা বিশ্বের মধ্যে আউটসোর্সিং কাজ করার ভিত্তিতে ওডেস্কে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল চতুর্থ। তার আগের বছর (২০১০) ওডেস্কে ঢাকা শহরের অবস্থান ছিল সারা বিশ্বের মধ্যে তৃতীয়।

ছেলের সঙ্গে বাবাও পাস(আজব খবর)

ছেলের সঙ্গে বাবাও পাস
গত বছরও প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছিলেন ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার শিবগঞ্জ এলাকার ৪০ বছর বয়সী ভ্যানচালক জিন্নত আলী। কিন্তু তিনি পাস করতে পারেননি। কষ্ট পেলেও হতাশ না হয়ে এবারও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। একই সঙ্গে পরীক্ষা দিয়েছিল তাঁর বড় ছেলে শরীফুল। গতকাল সোমবার ফল ঘোষণার পর দেখা গেল বাবা-ছেলে দুজনই পাস। তবে বিশেষ করে জিন্নত আলীর পাসের খবরে খুশির উচ্ছ্বাস বয়ে যায় গোটা স্কুলসহ এলাকায়।
ছেলের সঙ্গে বাবাও পাস

পড়াশোনা শুরু করার সময়টা সম্পর্কে জিন্নত আলী বলেন, তিনি উপজেলা সদর থেকে এলাকার স্কুলে ভ্যানযোগে বই আনা-নেওয়া করতেন। বই দেখে তাঁর শুধু মনে হতো, এগুলো পড়তে পারলে কী মজাই না হতো! এর আগে তিনি বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্রে পড়েছিলেন। কিন্তু তখন পড়াশোনা আর এগোয়নি। জিন্নত আলী নিজের এমন ইচ্ছার কথা জানান প্রতিবেশী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ওরফে গোলাপ মাস্টারকে। গোলাপ মাস্টার ভ্যানচালক জিন্নত আলীর আগ্রহ দেখে তাঁকে ক্লাস ওয়ানের কয়েকটি বই দেন পড়ার জন্য। ২০০৮ সালের কথা এটি। কাজের ফাঁকে ফাঁকে সময়ে সময়ে গোলাপ মাস্টার তাঁকে পড়াতেন। এরপর একদিন শিবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আফরোজাকে ভ্যানে নিয়ে যাচ্ছিলেন জিন্নত আলী। ম্যাডামও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ দেখে জিন্নত আলীকে স্কুলে ভর্তি হতে বলেন। জিন্নত আলী শিবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ম্যাডাম তাঁকে বইপত্রও দেন। এর পর থেকে প্রতিবছর পরীক্ষা দিয়ে জিন্নত আলী ওপরের ক্লাসে উঠতে থাকেন। গত বছর জিন্নত আলী প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু তিনি পাস করতে পারেননি। এ ব্যাপারে জিন্নত আলী বলেন, 'আমি অঙ্কে খারাপ করেছিলাম।'

পড়াশোনার ব্যাপারে জিন্নত আলী বলেন, 'আমি সব সময় স্কুলে যাইবার পারতাম না। আবার গেলেও সবডা সময় কেলাসে থাকবার পারতাম না। কিন্তু যখন ভ্যান চালাইতাম আর মাল বইতাম, তখন সুযোগ পাইলেই বই পড়তাম। একটু লেহালেহিও করতাম। আমার পড়াশুনা দেইখ্যা অনেক মানুষই কইছে, তুমি থাইম না।' জিন্নত আলী বলেন, 'আমি এত কষ্ট করে পড়াশুনা করেছি। আমি মনে করি, যে কেউ ইচ্ছা করলেই পড়াশুনা করতে পারে।' ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে জিন্নত আলী বলেন, কয়েকটি অক্ষর শিখলেই মানুষ টিপসইয়ের বদলে স্বাক্ষর দিতে পারে। তিনি চান মানুষ যেন আর টিপসই না দেয়। নিজের ছেলেমেয়ে সম্পর্কে জিন্নত আলী বলেন, বড় ছেলে শরীফুল তাঁর সঙ্গেই পাস করেছে। তবে ছেলের নম্বর তাঁর চেয়ে বেশি। ছোট অন্য ছেলেটি প্রথম শ্রেণীতে এবং একমাত্র মেয়ে শিশু শ্রেণীতে পড়ে।

জিন্নত আলীর নিজ স্কুল ফুলবাড়িয়ার শিবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাধবী সাহা বলেন, 'জিন্নত প্রমাণ করল, শিক্ষার কোনো বয়স নেই। বয়স হলেও শিক্ষায় কোনো লজ্জা নেই। ফুলবাড়িয়ার জিন্নত আলী এখন এক জীবন্ত উদাহরণ।'


বন্ধুর প্রেমে পরলে কি করবেন? (সমস্যা ও সমাধান)

বন্ধুর প্রেমে পরলে কি করবেন? (সমস্যা ও সমাধান) 

আজ আমি একটি বিষয় আপনাদের সামনে উন্মচন করব। এরকম ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। প্রথমই বলি ঘটনাটি আমার কিন্তু পরামর্শ আমার না। পরামর্শএকটি পত্রিকা থেকে সংগ্রহ করা। যাইহোক তাহলে শুরু করি

বন্ধুর প্রেমে পরলে কি করবেন? (সমস্যা ও সমাধান)


অর্ক এবং তনু (ছদ্মনাম) একসাথে একই কলেজে পড়াশুনা করে। আস্তে আস্তে তাদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়। একে অপরের সাথে সুখ দুঃখের কথা শেয়ার করে। কিন্তু দিন বাড়ার সাথে সাথে অর্ক তনুর প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। এক সময় অর্ক তনুকে অনেক পছন্দ করে ফেলে। কিন্তু বন্ধুত্তের জন্য মনের কথা বলতে পারে না। অনেক আকার ইঙ্গিতে বলার চেষ্টা করেও যখন কোন ফল পেল না তখন সে এস এম এস করে তাকে জানায়। বন্ধুর এমন কথা শুনে চমকে ওঠে তনু। কী করবে বুঝে উঠতে পারে না। বন্ধুকে যে শুধু বন্ধু হিসেবেই চায় সে, প্রেমিক হিসেবে নয়। কিন্তু অর্ক এদিকে তনুর জন্য অস্থির উদ্দীপনায় পড়ে আছে, যা অর্কর পড়াশুনা সহ স্বাভাবিক কাজগুলোর ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে।

আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়তই ঘটছে এমন ঘটনা। কম বয়সের কোনো ছেলে বা মেয়ে ভবিষ্যতের কথা ভেবে বা বুঝে-শুনে যে বন্ধুর প্রতি ভালো লাগার কথা জানায় তা কিন্তু নয়। আবার যাকে ভালো লাগার বিষয়টি জানাচ্ছে, সেও তার মতো একই বয়সী বলে বুঝে উঠতে পারে না যে কী করবে। ‘তোমাকে না পেলে মরে যাব’ বন্ধুর এমন কথায় সে ভড়কে গিয়ে হয়তো না বুঝেই হ্যাঁ বলে ফেলে। আবার বন্ধুর পক্ষ থেকে উত্তরটি নেতিবাচক হলে ঘুমের ওষুধ খাওয়া, পরীক্ষা না দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। অপর পক্ষের বন্ধুর মানসিক অবস্থাও যে তখন খুব স্বাভাবিক থাকে তা নয়। কারণ, সে নিজেও তার বন্ধুর ভালো চায়। তাকে হারাতে চায় না
এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহ এহসান হাবীব বলেন, ‘আমাদের জীবনে অন্যতম নিরাপদ আশ্রয়স্থল হলো বন্ধু। কৈশোরে বা কম বয়সে বন্ধুত্বকে ছাপিয়ে ভালো লাগা তৈরি হলে তখন উভয় পক্ষেরই বিষয়টি গ্রহণ ও মোকাবিলা করার মানসিক প্রস্তুতি থাকে না। ফলে না বুঝে তারা নানা রকম ভুল করে ফেলে। এ জন্য বাড়িতে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেন সন্তান যেকোনো কথা এসে বলতে পারে। সন্তানকে ভুল না বুঝে তাকে সাহায্য করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহ এহসান হাবীব বলেন, ‘আমাদের জীবনে অন্যতম নিরাপদ আশ্রয়স্থল হলো বন্ধু। কৈশোরে বা কম বয়সে বন্ধুত্বকে ছাপিয়ে ভালো লাগা তৈরি হলে তখন উভয় পক্ষেরই বিষয়টি গ্রহণ ও মোকাবিলা করার মানসিক প্রস্তুতি থাকে না। ফলে না বুঝে তারা নানা রকম ভুল করে ফেলে। এ জন্য বাড়িতে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেন সন্তান যেকোনো কথা এসে বলতে পারে। সন্তানকে ভুল না বুঝে তাকে সাহায্য করতে হবে।


পরামর্শঃ

১/  কোনো বন্ধুকে বিশেষভাবে ভালো লাগলে আগে নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে হবে। কথাটি বলার উপযুক্ত সময় হয়েছে কি না তা বুঝতে হবে। যদি ভেবেই নেন না বলে থাকতে পারছেন না, তাহলে বলে ফেলুন। তবে এটিও মনে রাখতে হবে, যে বন্ধুকে ভালো লাগার কথা বলবেন তাঁর ব্যক্তিস্বাধীনতা আছে। তিনি প্রেমিক হিসেবে আপনাকে নাও মানতে পারেন। এটি মেনে নেওয়ার জন্য মানসিক প্রস্তুতি থাকতে হবে।

২/  ভালো লাগা ভালোবাসায় জোর খাটে না, তাই বন্ধুকে কোনো প্রকার চাপ সৃষ্টি করা উচিত নয়। বন্ধুর যেকোনো সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান রেখে বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।

৩/সবকিছু ভাবাভাবির পর ধরা যাক বন্ধুটি বলেই দিল মনের না-বলা কথা। অপর পক্ষেরও তখন বন্ধু হিসেবে কিছু কর্তব্য আছে। যেকোনো ব্যর্থতাই মেনে নেওয়া কষ্টকর। নিজের অপারগতার কথা হঠাৎ করেই রূঢ়ভাবে প্রকাশ না করে বা তাঁকে এড়িয়ে না গিয়ে স্বাভাবিক থাকতে হবে। বন্ধুকে বোঝাতে হবে এ 
মুহূর্তে পড়ালেখায় মনোযোগী হওয়া বেশি জরুরি।

৪/ অন্য বন্ধুদের সামনে বন্ধুর ভালো লাগা নিয়ে হাসিঠাট্টা করা উচিত নয়। তাঁকে অপমানিত ও লজ্জিত না করে আগের মতো বন্ধু হয়ে পাশে আছেন, এটি বোঝাতে হবে।

৫/বন্ধুকে সময় দিতে হবে। শুধু দুজন একসঙ্গে না থেকে দলের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে।


৬/বন্ধুর ভালোর জন্য সব বন্ধু মিলে আলোচনা করতে পারেন। তবে বন্ধু মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হলে মনোবিজ্ঞানীর শরণাপন্ন হতে হবে। আপনি যে তাঁর সত্যিকারের বন্ধু, তা প্রকাশ পাবে এভাবেই

আগেই বলেছি এটার পরামর্শ পত্রিকা থেকে সংগৃহীত। ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

কোন মেয়ে আপনার প্রেমে পড়েছে কি না তা বোঝার উপায়

কোন মেয়ে আপনার প্রেমে পড়েছে কি না তা বোঝার উপায় 

সহপাঠী তনুর ভাবসাব যেন কেমন! মাঝেমাঝেই বই টই চায়। প্রায়ই ডাকাডাকি করে।
বারবার আপনার মুখের দিকে তাকায় ।প্রায়ই ফোনটোন দেয়।
আপনি খুবই রোমান্স এ আছেন। কারণ মৌটুসি যে আপনার প্রেমে পড়েছে এতে কোন
সন্দেহ নাই।

ভুল!!!!!!!!!!!!!!!!

আপনি অতি কনফিডেন্ট হয়ে তাকে প্রপোজ করে বসলেন যার ফল হলো  সুন্দর 
একটা গোলগাল মুরগীর আন্ডার মতো  চমৎকার ছ্যাকা!!!!!!




আপনি একটা মদন হয়ে গেলেন।আর এরপর হাতে তুলে নিলেন মদের বোতল অথবা 
গাজার ডিব্বা।
হয়ে গেলেন যেন নায়ক ওমর সানি!!!
আসলে এসব হাবভাব দেখেই নিশ্চিত  করে বলা যায়না যে কোন মেয়ে আপনার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে।
সে আপনার কাছে এত ঘেষাঘেষী করে ,তার মানে হয়ত এই যে  সে আপনাকে পুরুষ মানুষ হিসাবে ধরেই না।আপনার জন্য তার মধ্যে কোন ফিলিংসই নাই।
তারকাছে নারকেল গাছও যা আপনিও তা।
আর আপনি কি.....না কি ভাবতেছেন আর কল্পনার ছিনেমায় নায়ক হয়ে তার সাথে নৃত্য করছেন।
আসল কথা হল এইঃ যে মেয়ে আপনার প্রেমে পড়বে সে আপনার কাছে আসার সাহসই পাবেনা।
আপনার নামটা উচ্চারণ করাও তার জন্য অনেক কঠিন একটা কাজ।
আপনার নামটা
মনে আসলেই কেমন যেন একটা লজ্জা পাবে।
এমনকি তার মোবাইলেও সে আপনার নাম পুরোটা সেভ করবেনা। হয়ত a,b,c,d নামে
সেভ করে রাখবে।
আপনার নাম্বার ডায়াল কর‌তে গেলে তার হাত কাঁপবে।
আপনার সামনে আসলে বুকের ভেতর দুরুদুরু  কাঁপুনি উঠবে।কথা এলেমেলে হয়ে যাবে।
সে কিছুতেই স্বাভাবিক থাকতে পারবেনা।অত্যান্ত নার্ভাস হয়ে যাবে।সে আপনাকে খুব ভয়ও পাবে।
সে দুনিয়ার সবার নামই সহজে উচ্চারণ করতে পারবে কিন্তু আপনার নামটা এলেই
তার কি যেন হয়ে যায়।
কেউ তার সামনে আপনার কথা বললেই সে কলম কামড়াতে  শুরু করবে।
দুই গাল লাল হয়ে যাবে।
আসলে এটা বোঝা খুবই কঠিন কাজ যে কোন মেয়ে আপনার প্রেমে পড়েছে কারণ বেশীর ভাগ
ব্যাপারই ঘটছে আপনার অগেচরে।
সবচয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে ,যাকে আপনি অনেক দিন ধরে
সন্দেহ করে আসছেন আসলে তার মধ্যে আপনার জন্য কিছুই নেই।
অথচ যাকে আপনি
জীবনে কোনদিনই সন্দেহ করেননি সেই হ‌য়‌ত আপনাকে অনেক ভালোবাসে।
এজন্য কারও উদার হয়ে মেশাকে সবসময়  সন্দেহের চোখে দেখা ঠিক না।
সে আপনাকে বন্ধু হিসেবেও ভালোবাসতে পারে।
এমনকি ভাই হিসাবেও দেখতে পারে।

আর আপনি হয়ত তাকে নিয়ে কি...... সব
ভাবছেন!!! 
পরে যখন আপনি তাকে প্রপোজ করলেন সে বলল, "আমিতো তোমাকে
সবসময়  বন্ধুই ভেবেছি/ভাইয়ের মতোই দেখেছি" ।
নিজেকে তখন আপনার কাছে কতটা ছোট মনে হবে????লজ্জায়  হয়ত মরে যেতে 
ইচ্ছা করবে।
উপরে আমি যে লক্ষণগুলোর কথা বলে‌ছি তা সবসময়  ঠিক নাও হতে পারে।
ব্যাতিক্রম হতে পারে যদি সে আপনার খুব বেশী ক্লোজ হয়। তাহলে আপনার উপর তার আকর্ষণের চেয়ে ভালোবাসা বেশী থাকবে।তখন ওই ব্যাপারগুলি অতটা 
ঘটবেনা।
তবে ব্যাতিক্রম তো ব্যাতিক্রমই।
কেউ যদি ইতি পুর্বে প্রপোজ করে ধরা খেয়ে থাকেন,এই টপিকটি পড়ে কষ্ট পেতে পারেন।
আমি তার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি।
তবে আপনি হয়ত ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক হয়ে যাবেন।
ভালো থাকবেন সবাই।খোদা হাফেজ।
ম্যাচের কাঠি নিজেও জানেনা যে তার মধ্যে আগুন আছে।
আমরা প্রত্যেকেই ম্যাচের কাঠির মতো।
আগুনটা বের করতে শুধু একটা ঘষা দরকার।

নারীর জন্য বিশ্বের সেরা এবং নিকৃষ্ট স্থান

নারীর জন্য বিশ্বের সেরা এবং নিকৃষ্ট স্থান

১. নারীর জন্য সেরা দেশ আইসল্যান্ড: রাজনীতিতে অংশগ্রহণ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্যসূচকের বিবেচনায় আইসল্যান্ড নারী-পুরুষ সাম্যে বিশ্বের সেরা জায়গা। সবচেয়ে নিকৃষ্ট স্থান ইয়েমেন। আর সবচেয়ে বিপজ্জনক আফগানিস্তান।
নারীর জন্য বিশ্বের সেরা এবং নিকৃষ্ট স্থান
২. নারী রাজনীতিকের জন্য সেরা রুয়ান্ডা: মধ্য আফ্রিকার রুয়ান্ডা বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে পার্লামেন্টে নারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। ৮০ আসনের পার্লামেন্টের ৪৫টিই নারীর দখলে। নারীদের রাজনীতি করার জন্য সবচেয়ে নিকৃষ্ট দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, ইয়েমেন, কাতার, ওমান ও মধ্য আমেরিকার বেলিজ। এসব দেশের পার্লামেন্টে কোনো নারী সদস্য নেই।
৩. মায়ের জন্য সেরা স্থান নরওয়ে: মায়েদের জন্য বিশ্বের সেরা স্থান নরওয়ে। মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি এ দেশে সর্বনিম্ন। এ ঝুঁকি সাত হাজার ৬০০ জনে মাত্র একজন। শিশু জন্মের সময়ে প্রায় সবাই দক্ষ ধাত্রীর সেবা পান। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা আফগানিস্তানে। যুদ্ধপীড়িত হলেও এ দেশে একজন নারীর শিশুজন্মের সময় মৃত্যুর যে ঝুঁকি, তা বোমা বা বুলেটের আঘাতের চেয়ে কমপক্ষে ২০০ গুণ বেশি।
৪. লেখাপড়ার জন্য সেরা স্থান লেসেথো: দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষুদ্র দেশ লেসেথোতে নারীদের সাক্ষরতার হার পুরুষদের চেয়ে বেশি। সে দেশের ৯৫ শতাংশ নারীই লিখতে ও পড়তে পারেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে এ হার ৮৩ সবচেয়ে খারাপ অবস্থা আফ্রিকার ইথিওপিয়ার। দেশটির মাত্র ১৮ শতাংশ নারী লিখতে ও পড়তে পারেন। পুরুষদের সাক্ষরতা ৪২ শতাংশ।
৫. নারী সরকারপ্রধানের জন্য সেরা শ্রীলঙ্কা: শ্রীলঙ্কায় নারীরা দেশ শাসন করেছেন ২৩ বছর। অথচ স্পেন ও সুইডেনের মতো দেশেও নারীরা কখনো সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেননি।
৬. শিল্পকলায় নারীদের জন্য সেরা সুইডেন: সুইডেনের আর্ট কাউন্সিল শিল্পকলায় নারী-পুরুষ বৈষম্য দূর করার উদ্যোগ নিয়েছে। সুইডেনের ফিল্ম ইনস্টিটিউট সিদ্ধান্ত নিয়েছে, চলচ্চিত্রের জন্য আর্থিক সহায়তা নারী-পুরুষ উভয়কেই সমানভাবে দেওয়া হবে। এর বাইরে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে নারীদের জন্য কোটা রয়েছে।
৭. দীর্ঘায়ুর জন্য সেরা স্থান জাপান: জাপানের নারীরা সবচেয়ে দীর্ঘ জীবন (গড়ে ৮৭ বছর) আশা করতে পারেন। পুরুষদের চেয়েও তা গড়ে সাত বছর বেশি। নারীদের আয়ু সবচেয়ে কম লেসেথোতে (গড়ে ৪৮ বছর) তবে দেশটিতে পুরুষদের গড় আয়ুও খুব বেশি নয়, নারীর চেয়ে মাত্র দুই বছর বেশি।
৮. সন্তান প্রসবের জন্য সেরা গ্রিস: সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ গ্রিস। সেখানে প্রসবের সময় মায়ের মৃত্যুর ঝুঁকি ৩১ হাজার ৮০০ জনে মাত্র একজন। প্রসবে মায়ের মৃত্যুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি নতুন দেশ দক্ষিণ সুদানে। সেখানে ধাত্রীর সংখ্যা ২০ জনেরও কম।
৯. স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির ক্ষেত্রে এগিয়ে গুয়াম: মাইক্রোনেশীয় দ্বীপরাষ্ট্র গুয়ামে বিবাহবিচ্ছেদের হার বিশ্বে সর্বোচ্চ। আর গুয়েতেমালাতে সবচেয়ে কম।
১০. ক্রীড়াবিদদের জন্য সেরা যুক্তরাষ্ট্র: ২০১১ সালে বিশ্বের সর্বাধিক আয় করা ১০ জন নারী ক্রীড়াবিদের মধ্যে পাঁচজনই যুক্তরাষ্ট্রের। আর এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে সৌদি আরব। দেশটি কখনোই কোনো নারী খেলোয়াড়কে অলিম্পিকে পাঠায়নি। এ ছাড়া সরকারি স্কুলের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মেয়েদের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই।
১১. অবসরের জন্য নারীদের সেরা স্থান ডেনমার্ক: ডেনমার্কের নারীরা অবসরের জন্য সবচেয়ে বেশি সময় পান। যে শ্রমের আর্থিক মূল্য নেই, এমন কাজে পুরুষদের চেয়ে প্রতিদিন মাত্র ৫৭ মিনিট বেশি সময় ব্যয় করেন ডেনমার্কের নারীরা। অন্যদিকে মেক্সিকো ঠিক এর উল্টো। ওই দেশের নারীদের অর্থমূল্য হয় না, এমন কাজে প্রতিদিন গড়ে পুরুষদের চেয়ে চার ঘণ্টা ২১ মিনিট বেশি সময় ব্যয় করতে হয়।
১২. টাকা উপার্জনের জন্য সেরা স্থান লুক্সেমবার্গ: টাকা উপার্জনের জন্য লুক্সেমবার্গ (নরওয়ের সঙ্গে যৌথভাবে) নারীদের জন্য আদর্শ স্থান। ওই দেশে নারী ও পুরুষের আয়ের হার প্রায় সমান। নারীদের পারিশ্রমিকের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা সৌদি আরবে।
১৩. নারীদের উচ্চশিক্ষায় সবার আগে কাতার: কাতারে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে একজন পুরুষের বিপরীতে ছয়জন নারী ভর্তি হন। তবে নারী শিক্ষায় এ বিনিয়োগ তাদের দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে কতটা যুক্ত করছে, তা প্রশ্নসাপেক্ষ।

কুকুর বিড়ালের সঙ্গে বেড়ে ওঠা এক বন্যশিশু

কুকুর বিড়ালের সঙ্গে বেড়ে ওঠা এক বন্যশিশু

মানুষ কি পশুর সাথে সারাজীবন থাকতে পারে? হয়তো পারে হয়তো পারে না৷ কিন্তু জন্মের পাঁচ বছর পযর্ন্ত ফুটফুটে এক শিশু সত্যি সত্যিই ছিল কুকুর আর বিড়ালের আশ্রয়ে৷ ঘটনাটি রাশিয়ার সাইবেরিয়ার অঞ্চলের চিতা শহরের৷
কুকুর বিড়ালের সঙ্গে বেড়ে ওঠা এক বন্যশিশু
কেউ কেউ এই মেয়েটিকে ডাকছে মোগলি নামে৷ কিপলিং-এর ‘জাঙ্গল বুক'-এর সেই বিখ্যাত বন্যশিশু মোগলির নামে৷ রুশ পুলিশ যখন মেয়েটিকে উদ্ধার করলো, তার সঙ্গে তখন ছিল তার বন্ধু কুকুর আর বিড়ালরা৷ উদ্ধারের সময়ে কুকুরের মত সে হামলে পড়েছিল পুলিশের উপর৷

বাট হোল রোডের সেই বাড়িটি
চিতা শহরের পুলিশের দফতের অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ফোন করে জানালো বাট হোল রোডের এক পুরানো বাড়িতে সে শিশুর কান্নার মত এক শব্দ শুনতে পেয়েছে৷ তার সন্দেহ সেখানে একটি শিশু রয়েছে৷ ফোন পাওয়া মাত্র আর থেমে থাকা নয়৷ পর্যটকদের আকর্ষণীয় এ স্থানে পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়ি দেখে থমকে গিয়েছিল অনেকেই৷ ঐ বাড়িতে ঢুকেই নাক বন্ধ করা গন্ধ পেয়ে পুলিশের মনে হলো এখানে তো মানুষ থাকতে পারে না৷ কিন্তু তাদের এই বুঝতে পারাটা ভুল বলেই চিহ্নিত হলো, কারণ তারা দেখতে পেলো ঘরে আটকে আছে একটি শিশু৷ সঙ্গে বেশ কয়েকটি কুকুর বেড়াল৷ শিশুটির পরনে ছেড়া জীর্ণ এক টুকরো কাপড়৷ কোন কথা বলতে পারে না সে৷ কেবল ডাকতে পারে কুকুরের মতো৷ হয়তো সে ঐ ভাষায় কথা বলে তার সঙ্গীদের সাথে৷ এর আগে সে কোন মানুষ কে দেখেনি৷ তাই মানুষ দেখেই পালিয়ে যাবার চেষ্টা ছিল তার৷ ভাঙ্গা খোলা জানালা দিয়ে বাইরে ঝাঁপ দিতেও চেয়েছিল সে৷ কিন্তু পারেনি৷ পুলিশের ধারণা সে কখনোই বাইরের দুনিয়া দেখেনি৷ আর মানুষের সাহচর্যে না থাকার কারণে সে শিখেছে পশুর ভাষা৷ শিখেছে লম্ফ ঝম্ফ৷

কি নাম মেয়েটির?
মেয়েটিকে এ কালের মোগলি বলা যেতে পারে৷ কিন্তু একটা নাম আছে ওর, নাতাশা৷ পুলিশ তন্ন তন্ন করে ঐ বাড়ির বিভিন্ন কাগজ পত্র পরীক্ষা করে পায় মেয়েটির মায়ের হদিশ৷ পরে তাকে আটক করা হয়৷ অভিযোগ শিশু নির্যাতন৷ এই মা জানিয়েছে তার মেয়ের নাম নাতাশা৷ কিন্তু মেয়েটিকে আটক করে রাখা হয়েছে কেন? প্রশ্নের সচতুর উত্তর মায়ের, তার মেয়ে জন্মের কিছুদিন পর হারিয়ে যায়৷ পরে আর খুঁজে পায়নি সে৷ তার এই বক্তব্যকে সত্যি বলে গ্রহণ করতে নারাজ পুলিশ৷ মেয়েটির বাবা কে? উত্তর এখনো আসেনি মায়ের কাছ থেকে৷ পুলিশ বসে নেই৷ চলছে তথ্য উদ্ধারের সকল কর্মকান্ড৷

পুলিশ যা বলছে
পুলিশের কাছে তথ্য অনুসারে মেয়েটির বয়স পাঁচ৷ কিন্তু তাকে দেখায় দুই কিংবা তিন বছরের মেয়ের মত৷ ফুটফুটে এই শিশুটিকে ঐ বাড়ি থেকে উদ্ধার করে নেয়া হয়েছে পুনর্বাসন কেন্দ্রে৷ সেখানে মনোবিজ্ঞানীরা তার চিকিৎসা শুরু করেছে৷ বুধবার উদ্ধার করার পর মেয়েটিকে ঐ কেন্দ্রে রাখার পা সেখানে তাকে চামচ দিয়ে খাবার দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে৷ কিন্তু সে এভাবে খাবার খেতে শেখেনি৷ আর তাই প্রচন্ড অনীহা খাবারের উপর৷

রোগের নাম মোগলি সিনড্রোম
শিশুটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবে, আশাবাদ মনোবিজ্ঞানী আর চিকিৎসকদের৷ বললেন,এ ধরনের আরও একটি পূর্ব উদাহরণ তাদের কাছে রয়েছে৷ ফলে এ অভিজ্ঞতা দিয়েই তারা মেয়েটিকে ভালো করে তুলতে পারবেন৷ তারা এর নাম দিয়েছেন মোগলি সিনড্রোম৷ মেয়েটি ভাষা বুঝতে পারে, কিন্তু বলতে পারে না৷ তাকে ভাষা শেখালে সে কথাও বলতে পারবে৷

মানবদেহের আজব হিসাব

মানবদেহের আজব হিসাব

মানবদেহ অতি বিস্ময়কর। এখানে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় কিংবা সূক্ষ্নাতিসূক্ষ্ন কোষ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, শিরা-উপশিরা, গ্রন্থি আরও কত কি? মানবদেহের কতিপয় কাঠামো নিম্নরূপ। মানবদেহে হয়েছে ২০৬টি ছোট-বড় অস্থি, ৬৫০টি মাংসপেশি, ১০০টি গ্রন্থি, ১ হাজার ৩০০ কোটি স্নায়ুকোষ, রক্তের এক লাখ কিলোমিটার শিরা-উপশিরা। মানব মস্তিষ্ক একটি বিস্ময়কর যন্ত্র। এর ওজন সমগ্র শরীরের ১০০ ভাগের ৩ ভাগ। প্রতি মিনিটে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহের পরিমাণ ৩৫০ মিলিলিটার। মানবদেহের হৃদযন্ত্র সারা জীবনে প্রায় ২০০ কোটিবার ধড়পড় করে। ৫০ কোটি লিটার রক্ত পাম্প করে।
মানবদেহের আজব হিসাব

মানবদেহের অতি বিস্ময় পাকস্থলী। এখানে প্রতি মিনিটে তৈরি হচ্ছে ৫ হাজার কোটি কোষ। তারা আবরণ সৃষ্টি করে পাকস্থলীকে দিচ্ছে। দেহে রয়েছে দুটি কিডনি। কিডনি দুটি প্রতি মিনিটে ১.৩ লিটার রক্ত ছাঁকছে এবং প্রস্রাব আকারে বের করে দিচ্ছে। কিডনিতে অসংখ্য ছোট ছোট সরু নল রয়েছে। এগুলোকে পরস্পরের সঙ্গে জোড়া লাগালে লম্বায় তা হবে প্রায় ৪০ মাইল।

মানবদেহে রক্তের পরিমাণ পুরুষের ৫.৫ লিটার, মহিলার ৪.৫ লিটার। রক্তে লোহিতকণিকা জীবিত থাকে ৪ মাস, রক্তে লোহিত ও শ্বেতকণিকার অনুপাত ৫০০:১। মাত্র ১ ফোঁটা রক্তে হয়েছে ১০০ মিলিয়ন লোহিতকণিকা। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহের ত্বকের ওজন প্রায় ৬ পাউন্ড। মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শরীরের মোট তাপের প্রায় ৮০ ভাগ বেরিয়ে আসে মাথা দিয়ে। দেহে প্রতিদিন চুল গজায় ১০০টি। দেহের দ্রুততম কোষ হচ্ছে শ্বেতকণিকা। মানবদেহের ক্রোমোজোম ২৩ জোড়া, অটোজোম ২২ জোড়া।

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের সুস্থ, স্বাভাবিক, বিশ্রামরত অবস্থায় গড়ে মিনিটে ৭২ বার হৃদস্পন্দন হয়। মানবদেহের সবচেয়ে বড় অস্থিটির নাম উর্বাস্থি (উরুদেশে অবস্থান), ছোটটির নাম স্টেপিস। দেহের ৫টি আঙ্গুলের অস্থির সংখ্যা ১৪টি। একজন বয়স্ক লোক প্রতি মিনিটে ১২-১৮ বার শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে। শ্বাস-প্রশ্বাস ৩ মিনিট ২০ সেকেন্ড বন্ধ থাকলে মানুষ মারা যেতে পারে। মানবদেহে রক্ত সঞ্চালন ৫ মিনিট বন্ধ থাকলে মানুষের মৃত্যু ঘটে। মানবদেহে প্রতিদিন ৫ লিটার পানির প্রয়োজন। দেহ প্রতিদিন ২.৩ লিটার পানি ত্যাগ করে।

Happy New Year 2014 Art Text

Happy New Year 2014 Art Text



_________•(██████)•
______•(█)_(▒)(▒)(▒)_(█)•
____•(█)(▒)_____ ___(▒)(█)•
__•(█)(▒)______XII____(▒)(█)•
_•(█)(▒)______\_|______(▒)(█)•
•(█)(▒)________\|__ _____(▒)(█)•
•(█)(▒)_IX_____ o ____III_(▒)(█)•
•(█)(▒)_________________(▒)(█)•
_•(█)(▒)_______________(▒)(█)•
___•(█)(▒)_____VI____ (▒)(█)•
_____•(█)(▒)________(▒)(█)•
_______•(█)_(▒)(▒)(▒)_(█)•
________•(███████)•

_____•(███)(_____)(███)•
___ •(███)_________(███)•
?̮̑●̮̑?★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★?̮̑●̮̑?
──────█─█ █▀█ █▀█ █▀█ █─█─────
──────█▀█ █▀█ █▀▀ █▀▀ ▀█▀─────
──────▀─▀ ▀─▀ ▀── ▀── ─▀──────
█▄─█ █▀▀ █─█─█──█─█ █▀▀ █▀█ █▀█
█─██ █▀▀ █─█─█──▀█▀ █▀▀ █▀█ ██▀
▀──▀ ▀▀▀ ─▀▀▀────▀─ ▀▀▀ ▀─▀ ▀─▀
?̮̑●̮̑?★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★?̮̑●̮̑?
Scrapu com
Clock Striking 12 at mid night


---------------------------------------------------------------------------------------------------------------



___*o..*.....................Fill your life with (l)
_*_o....O.* ......*........................................★
____0.*..o.O......o.......*....Happiness Bright Cheer, (l)
_O...o......0*..o*:......*.......................★
_♥$$$$$$$$$♥:..o0:::.O.*....Bring to u Joy and (l)
_♥_________♥::*:.....o:....0...............................★
_♥_________♥..o:O*:.0:...*.O.*Prosperity for the whole Year,(l)
_♥_________♥_♥$$$$$$$$$♥...........★
_♥$$$$$$$$$♥_♥_________♥.... And its my New Year (l)
_♥$$$$$$$$$♥_♥_________♥........................★
__♥$$$$$$$♥__♥$$$$$$$$$♥...wish 4u Dear. (l)
___♥$$$$$♥___♥$$$$$$$$$♥..............★
____♥$$$♥____♥$$$$$$$$$♥... Wishing u a (l)
_____♥$♥______♥$$$$$$$♥............................★
______♥________♥$$$$$♥......VERY HAPPY NEW YEAR.(l)
______♥_________♥$$$♥................★
______♥__________♥$♥....╯╯HAPPY NEW YEAR╰╰ (l)
______♥___________♥...........................★
______♥___________♥...? ????? ??? ???? ? (l)
_____♥$♥__________♥.............★
__♥$♥$♥$♥$♥_______♥.... ? - ?ø ?ll ƒ?ï???? - ? (l)
__________________♥.............................★
_________________♥$♥..┊┊┈HAPPY┈NEW┈YEAR┈┊┊ (l)
_______________♥$$♥$$♥.........★
(l) (l) (l) (l) (l) (l) (l) (l) (l) (l) (l) (l) (l) (l) (l) (l)
★░▒▓██ ★░▒▓██ ★░▒▓██ ★░▒▓██★ ░▒▓██ ★
❤((_,»*¯*♥*¯*«,_))❤((_,»*¯*♥*¯*«,_))❤((_,»*¯*♥*¯*«,_))❤
Scrapu com
New Year celebration

---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------



     ╔─────────────────────────────╗
     ║╗╔╔╗╔╗╔╗╗╔──╔╗╦╔╗╗╦╔─╗╔╔╗╔╗╦╗║
     ║╠╣╠╣╠╝╠╝╚╣──║║║╠─║║║─╚╣╠─╠╣║╣║
     ║╝╚╝╚╩─╩─╚╝──╩╚╝╚╝╚╩╝─╚╝╚╝╝╚╩╚­║
     ╚─────────────────────────────╝
   ____$$_______________________________$$
   ____$$_______________________________$$
   _$$$$$__$$___________________________$$$$$
   $$$$$$__$$___$$______________________$$$$$$
   $$$$$$___$$_$$_______________________$$$$$$
   _$$$$$____$$$_$$$$$_$$$$$_$$_$$______$$$$$
   __$$$______$$_$$____$$_$$_$$_$$_______$$$
   __$$$______$$_$$$$__$$$$$_$$$$$_______$$$
   __$$$$_____$$_$$____$$_$$_$$_$$______$$$$
   __$$$$$____$$_$$$$$_$$_$$_$$_$$_____$$$$$
   __$$$$$_____________________________$$$$$
   __$$$$$____________________________$$$$$$
   __$$$$$$___________________________$$$$$$
   __$$$$$$$________$$$$$$$$_________$$$$$$$
   __$$$$$$$$______$$_$$$$$$$$______$$$$$$$$
   __$$$$$$$$_____$__$$$$$$$$$_____$$$$$$$$$
   ___$$$$$$$$____$_____$$$$$$$___ $$$$$$$$$
   ___$$$$$$$$$___$$$$$$$$$$$$$___$$$$$$$$$
   ____$$$$$$$$$___$$$$$_$$$$$$__$$$$$$$$$
   _____$$$$$$$$$__$__$$$_$$$$__$_$$$$$$$
   ______$_$$$$$$$__$$$$$$$$$__$$$$$$$_$
   _______$_$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$_$
   ________$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
   _________$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
   ____o_____$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
   ___________$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
   __$_________$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
   _o___$_______$$$$$$$$$$$$$$_$$$$
   _________o___$$$$$$$$$$$$_____$$
   ______$______$$$$$$_$$_____$$_$$
   ___o_________$$$$$$$__________$$
Scrapu com
Standing cheer up

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

Happy New Year
?̮̑●̮̑?★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★?̮̑●̮̑?
──────█─█ █▀█ █▀█ █▀█ █─█─────
──────█▀█ █▀█ █▀▀ █▀▀ ▀█▀─────
──────▀─▀ ▀─▀ ▀── ▀── ─▀──────
█▄─█ █▀▀ █─█─█──█─█ █▀▀ █▀█ █▀█
█─██ █▀▀ █─█─█──▀█▀ █▀▀ █▀█ ██▀
▀──▀ ▀▀▀ ─▀▀▀────▀─ ▀▀▀ ▀─▀ ▀─▀
?̮̑●̮̑?★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★⋰⋱☆⋰⋱★?̮̑●̮̑?



------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------






.˛.°★。˛ °.★** *★* *˛.
˛ °_██_*。*./ \ .˛* .˛.*.★*Happy New Year*★ 。*
˛. (´• ̮•)*˛°*/.♫.♫\*˛.* ˛_||_____. * ˛*
.°( . • . ) ˛°./• '♫ ' •\.˛*./______/-\*. ˛*.。˛* ˛. *。
*(...'•'.. ) *˛╬╬╬╬╬˛°.| - - |[]|╬╬╬╬ .
¯˜"*°••°*"˜¯`´¯˜"*°••°*"˜¯`¬´¯˜"*°´¯˜"*°••°*"˜¯`´¯˜"*°•~wish you , your family and friends " Happy New Year." May peace, happiness , success & togetherness surround you & your loved ones the whole year long !! scrapu com
New Year Wishes


‎*★Happy ★* 。 • ˚ ˚ ˛ ˚ ˛ •
•。★New Year★ 。* 。
° 。 ° ˛˚˛ * _II_____*。*˚
˚ ˛ •˛•˚ */______/- \。˚ ˚ ˛
˚ ˛ •˛• ˚ | - - |[ ]|
”˜˜”*°•. ˜”*°• . •°*”˜ .•°*”˜˜”*°•.
.•°*”˜ Happy New Year ﹗ ˜”*°•.
•°*”˜.•°*”˜.•°*”˜ ˜”*°•.˜”*°•.˜”*°scrapu com
Happy New Year to You and Your Family





Bangla New Year sms. Happy New Year 2014 sms(নতুন বছরের এসএমএস)

আপনার প্রিয় মানুষটিকে এসএমএস করার জন্য আপনাদের দিতে এলাম কিছু মজার বাংলা নতুন বছরের এসএমএস 
Bangla New Year sms. Happy New Year 2014 sms. Notun bochorer sms


0.

  
Tomar jonna Sokal-dupur tomar jonna Sondha,
Tomar jonna sokol Gulap & Rojonigondha.
Tomar jonna sob Sur tomar jonna Chondo
Noton Bochor boye anuk Onabil Anondo.

By'http://prem.durlov.org




1.
                   Vorer surjo bole dilo,
                   Notun bochor suru holo.
                   2013 salke pichone fele,
                   Notun bochor je elo chole.
  
 ^^^^^^^^^Happy New Year 2014^^^^^^^ 


2.
        Siter ey sokale khuasha vet kore
        Uteche notun robi,Dichche alo
        Manob bunche  hajaru sopno
    Notun bochorer agomne purno huk
         Sokol asha sobaike janai
         notun bochrer shuveccha..
********Happy New Year 2014********




3.
              Notun bochorer notun dine
     Sukh somriddhi boye anuk sobar jibone
 Santite takuk jhati,Orthonitir chaka  takhuk sochol
>>>>>>>>>>>Happy New Year 2014<<<<<<<<<<<





4.
Otiter sob dukkho,beortota jak duiye muche
           Notun  bochorer abhirvabe
           Hashi takhuk sobar mukhe

********Happy New Year 2014********




5.
       Chonchol rodh koreche khele
       Vege diye sob khuashar vela.
        Notun bochor esheche aji
         Kemne rakhi ey anondho dori

********Happy New Year 2014********





6.
      Notun bochorer agomone hasi futuk sobar mukhe
         Notun shorove notun ghorobe mete utuk jati
        Notun bochorer poroshe rongin huk ey pritibi

      **********Happy New Year 2014**********





7.
Vule jaow otiter beortota r hotashar gelani
Notun kore buno sopno haranu oddham niye
Notun bochorer sob suvkamona royeche tomar jonne  

 ^^^^^^^^^^^^^Happy New Year^^^^^^^^^^^^^^^^^




8.
Sob na paowar bedona,sob koster juri
Sob hotasha ke daow delete kori
Notun bochor ke grohon koro hasi mukhe
Otiter sob dukkho vule…

**********Happy New Year 2014**********

.


9.
2014 saler protiti muhorto huk sopnil,
Dukkhobihin,sukkhkor,safolle poripurno
Hashi , anondho,sukh r somriddhite vorpur.

**********Happy New Year 2014********




10.
Mon takukna opurno,vaggo takuk suprosonno
      Mukh hukna molin,hasi takuk simahin
     Kormo hukna beorto,Sodha takuk safollo

 **********Happy New Year 2014**********


নতুন বছরের এসএমএস ২০১৪/Happy New Year 2014/শেয়ার করে সব্বাইকে পৌঁছে দিন 

থার্টি ফার্ষ্টে প্রকাশ হচ্ছে বর্ষা-টু

থার্টি ফার্ষ্টে প্রকাশ হচ্ছে বর্ষা-টু
থার্টি ফার্ষ্টে বাজারে আসছে এ প্রজন্মের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী বর্ষা চৌধুরীর ৩য় একক অ্যালবাম ‘বর্ষা-টু’। অ্যালবামের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ করেছেন তিনি। অ্যালবামের সুর ও সঙ্গীত করেছেন রিপন খান, তৌসিফ, কাজি শুভ, আহমেদ চপল, বর্ষা, বর্ণ চক্রবর্তী, লেলিন, সচি সামাদ ও আপন আহসান।

বর্ষা-টু অ্যালবামে রয়েছে বেশ কয়েকটি দ্বৈত গান। গানগুলোর শিরোনাম- ভালোবাসি, তোর ছোঁয়াতে, ভাবছি তোমাকে, মন খোঁজে তোমায়, হৃদয়ের মাকে, তোমাকে চাই, দেয়াল, একটু একটু করে’।

থার্টি ফার্ষ্টে প্রকাশ হচ্ছে বর্ষা-টুএ গানগুলোতে বর্ষার সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে গেয়েছেন তৌসিফ, কাজী শুভ, বর্ণ চক্রবর্তী, রায়ান অর্ণব, আপন আহসান ও মুকুল জামিল। অ্যালবামে গান থাকছে ০৮টি। অ্যালবামের গানগুলো লিখেছেন অনুরূপ আইচ, তৌসিফ, ওমর ফারুক, বর্ষা, লেলিন, বর্ণ চক্রবর্তী, আপন আহসান।

অ্যালবাম প্রসঙ্গে বর্ষা বলেন, গত বছর বাজারে এসেছিল ২য় একক অ্যালবাম ‘ডুয়েট বর্ষা’। মূলত ডুয়েট বর্ষা’র সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার আসছে বর্ষা-টু অ্যালবামটি। এতে অনেক যত্ন আর অনেক দিয়েছি। গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক যারা আছেন তারাও অনেক যত্ন নিয়ে কাজ গুলো করেছেন।  আশা করছি গানগুলো সবার ভালো লাগবে।

‘বর্ষা ২’ অ্যালবামটি ‘সিডি চয়েজ’র ব্যানারে সারা দেশে পাওয়া যাবে। এছাড়াও এ অ্যালবামের হৃদয়ের আয়না ও মন খোঁজে তোমায় গানগুলোর ভিডিওর কাজ শেষ হয়েছে। গানগুলো বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে।


সবচাইতে দামি ট্যাটু

সবচাইতে দামি ট্যাটু

৬১২ টি হাফ ক্যারেট এর ডায়মণ্ড দিয়ে শরীরে এই ট্যাটু বানানো হয়েছে।
এই ট্যাটু টি তৈরি করতে ৮ ঘণ্টা সময় লেগেছিল।
যদিও এই ট্যাটু সাময়িক সময়ের জন্য তৈরি করা হয়েছিল কিন্তু পৃথিবীতে এই ট্যাটুই সবচাইতে দামি ট্যাটু হিসেবে পরিচিত। 

সবচেয়ে পুরোনো ক্যামেরা

সবচেয়ে পুরোনো ক্যামেরা
বিস্ময়কর সব তথ্য
Susse Freres camera , ১৮৩৯ সালে তৈরি এই ক্যামেরাটি পৃথিবীর সবচাইতে পূরানো ও দামি ক্যামেরা , এবং এর বর্তমান মূল্য ৭৭৫,০০০ ডলার। 

সেরা ১০ দুর্লভ রত্নপাথর

সেরা ১০ দুর্লভ রত্নপাথর

পৃথিবীতে সবচেয়ে দামি রত্নপাথর বলতে আমরা শুধু হীরা বা ডায়মন্ডকেই বলে থাকি। কিন্তু বাস্তবে পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্লভ ও মহামূল্যবান রত্নপাথরগুলোর মধ্যে হীরা কেবল একটি। বাকি সবই দুর্লভ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বিভিন্ন রত্নপাথর। সেগুলোর কোনো কোনোটি আবার অমূল্য বলে বিবেচিত। কারণ সেসব পাথর টাকা দিয়ে কেনা বা মালিকানা নেওয়া সম্ভব নয়। কোনোটির সমতুল্য দ্বিতীয় কোনো পাথর আজ অবধি পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া যায়নি।


০১. জাডেইট


সেরা ১০ দুর্লভ রত্নপাথরপৃথিবীতে যত মহামূল্যবান রত্নপাথর রয়েছে তার মধ্যে জাডেইট সবচেয়ে দুর্লভ। মূল্য দিয়ে এটিকে বিচার করা যায় না বলেই একে অমূল্য রত্নপাথর বলে ধরা হয়ে থাকে। পৃথিবীর নিচে মাটির স্তর থেকে প্রাথমিকভাবে এটি খনিজ হিসেবে তুলে আনা হয়। এটি প্রথম তুলে আনা হয় ক্যালিফোর্নিয়ার গুয়ানতেমালা এলাকা থেকে। ১৯৯৭ এর নভেম্বর হংকংয়ে ক্রিস্টি নামক একটি জুয়েলারি কোম্পানি মোট ২৭ টুকরা (০.৫ মি.মি) জাডেইট খাঁজ কেটে বসানো একটি গলার হার বিক্রি করেছিল বাংলাদেশি টাকায় ৬০ কোটি ৪৫ লাখ টাকায়।






০২. গ্রেনডিডেরিট


মাদাগাস্কার এলাকায় খুবই ছোট আকৃতির নীলচে-সবুজ বর্ণের একটি গ্রেনডিডেরিট সর্বপ্রথম পাওয়া যায়। আলফ্রেড গ্রেনডিডেরিট নামক এক ব্যক্তি এটি ক্রয় করেছিলেন বলে এটির নাম রাখা হয় গ্রেনডিডেরিট। তবে তিনি এটি কত টাকায় কিনেছিলেন সেটা গোপন রাখা হয়েছিল। এর সমতুল্য কোনো গ্রেনডিডেরিট আজও পাওয়া যায়নি। খনি থেকে গ্রেনডিডেরিট আলাদা করতে বছরের পর বছর কেটে যায়।






০৩. টাফেইট

১৯৪৫ সালে শ্রীলঙ্কায় এডওয়ার্ড টাফেইট নামক এক ব্যক্তি এই দুর্লভ রত্নপাথরটি খুঁজে পেয়েছিলেন। এটি বিভিন্ন রংয়ের হয়ে থাকে- উজ্জ্বল বেগুনি, টকটকে লাল এবং স্বচ্ছ। বেশিরভাগ স্বচ্ছ টাফেইট সামনের দিকে ও পেছনের দিকে একই সঙ্গে দ্বি-প্রতিবিম্ব ফেলতে পারে। দুর্লভ বলে এটিও অমূল্য।




০৪. পেইন্ট

১৯৫০ সালে অর্থার সিডি পেইন এটি মিয়ানমারে খুঁজে পেয়েছিলেন। তিনি জানতেন না এটি পৃথিবীর অন্যতম বিরল খনিজ এবং অমূল্য রত্নপাথর। এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে মাত্র তিনটি রত্নপাথর_ পেইন্ট পাওয়া গেছে। প্রধানত লালচে ও খয়েরি বর্ণের এই রত্নপাথরটি দুর্লভ বলে এটি বিক্রি করা হয় না। অর্থাৎ এটিও অমূল্য।




০৫. রেড ডায়মন্ড বা লাল হীরা

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেড ডায়মন্ড ৫.১১ ক্যারেটের। রত্ন সংগ্রহকারীদের সবচেয়ে আগ্রহের রত্নপাথর এটি। অনেকেই এটি কিনতে চেয়েছেন কিন্তু রেড ডায়মন্ড এতটাই দুর্লভ যে, তার সমতুল্য কোনো রেড ডায়মন্ডের কথা আজ অবধি না কেউ দেখেছে না কেউ শুনেছে। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, এটি নিলামে তোলা সম্ভব হলে এটিই হতো পৃথিবীর সবচেয়ে দামি রত্ন।

০৬. জারমজেভিট

এটিও খুবই দুর্লভ এবং অমূল্য রত্নপাথর। নাম্বিয়ার সমুদ্রতীরে ১৯৭৩ সালে এটি প্রথম পাওয়া গিয়েছিল। অন্য কোথাও জারমজেভিট পাওয়া গেছে এমনটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। স্বচ্ছ জারমজেভিট সাধারণ আলোতেই অসম্ভবরকম উজ্জ্বল এবং চোখ ধাঁধানো।



০৭. ব্লু গারনেট

ব্লু গারনেট বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্লভ এবং মহামূল্যবান রত্নপাথর। খুব নগণ্য পরিমাণ ব্লু গারনেটের মালিক নিঃসন্দেহে পৃথিবীর সেরা ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় থাকবেন। ২০০৩ সালে ৪.২ ক্যারেট ব্লু গারনেট বিক্রি হয়েছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৪ কোটি ২০ লাখ টাকায়। এটি দিনের আলোয় নীলচে সবুজ ও রাতের আলোয় গোলাপি বর্ণ ধারণ করে। এমন ব্যতিক্রমী বর্ণচোরা রত্নপাথর দ্বিতীয়টি আর নেই বললেই চলে।

8. Red Beryl Emerald(USD $10,000.00/Carat)


Red beryl is found primarily in the Thomas Range and the Wah Wah Mountains of Utah, and has also been reportedly found in a location in Mexico (possibly near San Luis Potosi one of the very few places beryl is also found on rhyolite). Where it is found in Utah it occurs on rhyolite, where it crystallized under low pressure and high temperature, along fractures or cavities and porous areas of volcanic rhyolitic magma. Very few cut specimens exist.






9. Black Opal(USD $2,355/Carat)

Australia is the classical Opal country and today is the worldwide most important supplier of Fine Opals. Almost 95 per cent of all Opals come from Australian mines. The remaining five per cent are mined in Mexico, and in Brazil’s north, also in the US states of Idaho and Nevada, but recently the stones have also been found in Ethiopia and in the West African country of Mali. Black Opal or Opal with a dark gray body shows the most brilliant play of colors imaginable.




10. Jeremejevite(USD $2000/Carat)


Pronounced ye-REM-ay-ev-ite, this is a colorless, sky blue or pale yellow stone, the highest quality of which comes from Namibia. In nature it occurs in small obelisk-shaped crystals and has in the past been mistaken for aquamarine. It was named after Russian mineralogist Pavel Jeremejev who discovered the mineral in 1883. As of early 2005, a clean, 2.93-carat faceted gem was selling on the Internet for $2000.00 per carat.




আসাধারন সব তথ্য সবার আগে জানার জন্য এই পেজে লাইক দিন/ https://www.facebook.com/bhalobasharjogot

পৃথিবীর দীর্ঘতম ব্রিজ

পৃথিবীর দীর্ঘতম ব্রিজ

পৃথিবীর দীর্ঘতম ব্রিজটি হচ্ছে চীনের কিংদাও হাইওয়ান। ২৬ দশমিক চার মাইল দৈর্ঘ্য নিয়ে এটিই এখন পৃথিবীর বৃহত্তম ব্রিজ। এই ব্রিজ পূর্ব চীনের শাংডং প্রদেশের কিংদাও শহরকে হুয়াং দাও জেলার সাথে যুক্ত করেছে।
পৃথিবীর দীর্ঘতম ব্রিজ

৮দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে নির্মিত এই ব্রিজ তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় চার বছর। কিংদাও হাইওয়ান ব্রিজ লন্ডনের টেমস নদীর ওপর নির্মিত টাওয়ার ব্রিজের চেয়ে ১৭৪ গুন বড়। তিন লাখ টন ওজনের মালবাহী জাহাজের ধাক্কায়ও টিকে থাকবে এই কিংদাও ব্রিজটি !

কিন্তু আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এ রেকর্ড ধরে রাখতে পারবে না এই ব্রিজটি কারণ চীনেই নির্মিত হচ্ছে হংকং ম্যাকাও ব্রিজ আর এটি নির্মিত হলে এটাই হবে পৃথিবীর দীর্ঘতম ব্রিজ।