প্রেমিকাকে খুন করে শকুনকে খাওয়ালো এক প্রেমিক

সত্য ঘটনা অবলম্বনেঃ স্পেনে এক প্রেমিক তার গর্ভবতী প্রেমিকাকে খুন করে তার শরীর টুকরো টুকরো করে কেটে শকুনকে খাইয়েছে।
প্রেমিকাকে খুন করে শকুনকে খাওয়ালো এক প্রেমিক

৩২ বছর বয়সী জোজ টামায়োর সঙ্গে তার ৩০ বছর বয়সী প্রেমিকা ক্যারোলিনা গোমেজের সম্পর্ক ভাল যাচ্ছিলো না। তবে জোজ আরো ক্ষেপে যান যখন শোনেন ক্যারোলিনা গর্ভধারণ করেছেন।

ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, লোকটি প্রথমে ঐ নারীকে রড জাতীয় কিছু দিয়ে আঘাত করেন। এরপর তাকে মৃত দেখলে তিনি তাকে টুকরো টুকরো করে মাদ্রিদে নিয়ে গিয়ে শকুনকে খাওয়ান।

উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন থেকে ক্যারোলিনা নিখোঁজ ছিল। পরবর্তীতে জোজের সন্দেহজনক ব্যবহারের কারণে তার পেছনে লেগে থেকে এই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন গোয়েন্দারা।

মাত্র ১২ বছর বয়সে সন্তানের বাবা হলেন সেন স্টুয়ার্ট

মাত্র ১২ বছর বয়সে সন্তানের বাবা হলেন সেন স্টুয়ার্ট

বিস্ময়কর সব তথ্য: মাত্র ১২ বছর বয়সে সন্তানের বাবা হয়ে আলোচনার ঝড় তুলেছেন ব্রিটিশ নাগরিক সেন স্টুয়ার্ট। ইতোমধ্যে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ পিতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি।
মাত্র ১২ বছর বয়সে সন্তানের বাবা হলেন সেন স্টুয়ার্ট

সেন ও তার ১৬ বছর বয়সী মেয়ে বন্ধু এমা ওয়েবস্টার একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সেন এবং এমা ব্রেডফোর্ডশায়ারে প্রতিবেশী ছিলেন। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তার কিছুদিন পর এমা অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

সেন বিউফোর্ট স্কুলে ৭ম গ্রেডের ছাত্র ছিলেন। এমা শার্নব্রুক আপার স্কুলে জিসিএসই করছিলেন। এমা বলেন যে, আমি যখন সেনের সঙ্গে মিলিত হয়েছিলাম আমি ভেবেছিলাম সেন আমার সমবয়সী।


যৌনপল্লীতে তিন ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন জাস্টিন বিবার

যৌনপল্লীতে তিন ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন জাস্টিন বিবার


ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওর যৌনপল্লীতে তিন ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন জাস্টিন বিবার। ঐ যৌনপল্লী থেকে বের হওয়ার সময় ক্যামেরায় ধরা পড়েন ১৯ বছর বয়সী এ পপ তারকা।
যৌনপল্লীতে তিন ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন জাস্টিন বিবার

এ সময় বিবারের সঙ্গে তার এক বন্ধুও ছিলেন। বিবার যখন বের হচ্ছিলেন তখন তার দেহরক্ষীরা ফটো সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে পানি ছুড়তে থাকে।

যৌনপল্লী থেকে বের হয়ে গাড়িতে করে নিজের হোটেল যান বিবার। এর পরপরই যৌনপল্লীর দুই জন নারী আলাদা গাড়িতে ওঠেন। পরে তারা বিবারের গাড়ি অনুসরণ করে তার হোটেলে গিয়ে পৌঁছান।


জটিল প্রেমের জটিল কিছু টিপস

যুবক যুবতির ভালোবাসার টিপসঃ ছেলে ও মেয়ে উভয়কে পটানোর জন্য দরকার দৈহিক সৌন্দর্য, তাই দৈহিক সৌন্দর্যের বিষয়ে থাকতে হবে সচেতন মানে বেশি মোটাও হওয়া যাবে না আবার বেশি চিকনও হওয়া যাবে না। বর্তমান যুগের প্রেম একটু জটিল তাই চেহারার দিকে খেয়াল রাখা দরকার।
যুবক যুবতির ভালোবাসার টিপস

২/ এক সাথে আবার দুটা প্রেম করতে যাবেন না , মানে দুই নৌকায় পা দিবেন না। আর যদি তা করেন নৌকা উলটিয়ে পানিতে পরবেন নিশ্চিত থাকুন ১০০% ।

৩/ ভালোবাসি কথাটা বেশি বেশি বলাটাও যেমন সন্দেহজনক আবার না বললেও সন্দেহজনক তাই সুন্দর সময় বুঝে বলুন “ Baby I Love you”

৪/ বেশি করে প্রশংসা করুন এতে একে অপরের প্রতি আকৃষ্টও হবেন বেশি।

৫/ মিথ্যা ভুলেও বলবেন না আবার অনেক সময় সত্যি কথাও মহাবিপদ ডেকে আনে তাই সাবধানতা অবলম্বন করা গুরুত্বপূর্ণ।

৬/ সম্পর্কের কথা খুশিতে সবাই কে বলবেন না কারন বলা যায় না বিপদের সম্মুখীনও হতে পারেন। তাই গোপনীয়তা বজায় রাখুন।

৭/ পরিচ্ছন্নতা – পরিচ্ছন্ন থাকুন, সুন্দর জামা –কাপড় পরিধান করুন এতে মন ফুর ফুরে থাকবে ভালোবাসাও বারবে দ্বিগুণ।

যুবক যুবতির ভালোবাসার টিপস

যৌন উৎসবের আয়োজন করল চীন

টপ নিউজ: চীন এবার আয়োজন করেছে যৌন উৎসবের। একাকীত্বে ভোগা মানুষের যৌনক্ষুধা মেটাতে আয়োজন করা হয়েছে এই গুয়াংঝৌ ন্যাশনাল সেক্স কালচার ফে
স্টিভ্যালের।
যৌন উৎসবের আয়োজন করল চীন

যৌন জীবনের রোম্যান্স খুঁজে পেতে অনেকেই আসছেন এই ফেস্টিভ্যালে। উৎসবটিকে অনেকটা মেলার মত করে তৈরি করা হয়েছে। চারপাশে ছোট ছোট দোকান। বেশির ভাগ দোকানেই বিক্রি হচ্ছে স্বল্পবসনা বিভিন্ন ম্যানিকুইন। এ ছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সেক্স টয়।

কোথাও বিক্রি হচ্ছে মহিলা ও পুরুষদের অন্তর্বাস বা রকমারি যৌন উত্তেজক পোশাক। কোথাও আবার বিভিন্ন ফ্লেভারের কনডম পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও রয়েছে মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা।

বিভিন্ন দোকানে ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করার ফাঁকে অনেকেই দাঁড়িয়ে পড়ছেন স্টেজের সামনে। সেখানে চলছে কখনো স্বল্প কখনো বিবসনাদের ফ্যাশন শো। এমনকি ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ করে দেখা হয়ে যেতে পারে দেশটির নামী-দামী মডেলদের সঙ্গেও। রয়েছে কনডম ফোলানো থেকে শুরু করে নানা মজার খেলাও।

সৌদি নারীর প্রেমের ঘটনায় জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ

সৌদি নারীর প্রেমের ঘটনায় জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ

ডেস্ক : এক সৌদি নারীর প্রেম ও প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। ওই সৌদি নারী সম্প্রতি তার প্রেমিকের সঙ্গে ইয়েমেনে পালিয়ে যান। সৌদি এই নারীকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য সম্প্রতি ইয়েমেন
সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করেছে জাতিসংঘ।
সৌদি আরবের একটি মোবাইলের দোকানে হুদার সঙ্গে প্রথমবার দেখা হয় আল-কাদিরের। কাদির ওই দোকানে কাজ করতেন। তাদের মধ্যে এক সময় গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক সময় হুদা সিদ্ধান্ত নেয় আল-কাদিরের সঙ্গে ইয়েমেন পালিয়ে যাবে সে। গত অক্টোবরে ইয়েমেনের আরাফাত মোহাম্মেদ তাহের আল-কাদিকে (২৫) বিয়ে করার জন্য অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ইয়েমেনে পালিয়ে যান হুদা। ইয়েমেনের কর্তৃপক্ষ তাঁকে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আটক করে এবং পরে বিচারের জন্য আদালতে হাজির করে। হুদা রোববার এ ব্যাপারে আত্মপক্ষ সমর্থন করে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) মাধ্যমে আদালতে ইয়েমেনে শরণার্থী মর্যাদা পাওয়ার আবেদন করেন। আদালত তাঁর বিচার আগামী ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করেছে।
এদিকে ইয়েমেনের রাজধানী সানাতে আদালত চত্বরে প্রেমিক যুগলের হাজার হাজার সমর্থক ‘সীমান্ত ও নাগরিকত্বের ঊর্ধ্বে ভালোবাসা স্লোগান দিয়েছে। অনেকে আমরা সবাই হুদা লেখা পট্টি মাথায় বেঁধে সৌদি নারী হুদার প্রতি সমর্থন জানান।
ইউএনএইচসিআরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ইউএনএইচসিআর আল-নিরানকে ‘মানবিক আশ্রয়’ পেতে সাহায্য করবে, যাতে তাঁকে ইয়েমেন থেকে বের করে দেওয়া না হয়।
এ দুই প্রেমিক-প্রেমিকার বিয়ে করার অঙ্গীকার নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা করছেন ইয়েমেনি ও সৌদিরা। আরব নারীর এমন সাহস দেখে খুব রক্ষণশীল দেশ দুটির কর্তৃপক্ষ বেশ অবাক হয়েছে।

৪৪৫ বছরের পুরনো এক মমি ও তার স্ত্রীর লেখা বেদনাবিধূর প্রেমপত্র

 সত্য ঘটনা অবলম্বনে

৪৪৫ বছর আগের এক মমি। পাশেই রাখা তাকে উদ্দেশ্য করে লেখা তার প্রিয়তমা স্ত্রীর বেদনাবিধূর প্রেমপত্র। নারীটি সেসময় ছিলেন সন্তান-সম্ভবা। দক্ষিণ কোরিয়ার আনডং শহর থেকে একজন পুরুষের মমিকৃত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর সাথে পাওয়া গিয়েছে ১৩ টি চিঠি। পুরুষটির নাম সম্ভবত ইয়ং-তি। ১৩ টি চিঠির মাঝে একটি চিঠিই খুবই মর্মস্পর্শী, যেটি এই লোকটির মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন ও সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর লেখা। এই চিঠিটি ২০০০ সালে উদ্ধার করে অনুবাদ করা হয়, যা থেকে সেই নারীর স্বামী হারানোর বেদনার ও এর ফলে সৃষ্ট দুর্ভোগের কথা জানা যায়।
৪৪৫ বছরের পুরনো এক মমি ও তার স্ত্রীর লেখা বেদনাবিধূর প্রেমপত্র

চিঠিটি লেখা হয়েছে ‘ওন এর বাবা’ ইয়ং-তি’র উদ্দেশ্যে। তার মমির উচ্চতা ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি। ঐ সমাধিতে আরো ১২ টি চিঠির সাথে এই চিঠিটিও পাওয়া যায়। মমিটির বুকের উপর এই চিঠিটি তার স্ত্রীই রেখেছিলেন, যাতে লেখা হয়েছিল, “ এই চিঠিটির দিকে ভালভাবে তাকাও, স্বপ্নে আমার কাছে পুরোপুরিভাবে দেখা দিও।“ নারীটির আক্ষেপ কেন তার স্বামী ইয়ং-তি তাকে ও তার সন্তানদের একা রেখে চলে গেলেন। এখন তিনি জানেন না কিভাবে তিনি তার স্বামীকে ছাড়া জীবন অতিবাহিত করবেন।

তিনি লিখেছেন, “আমি তোমাকে ছাড়া বেঁচে থাকতে পারবো না। আমি তোমার কাছে চলে যেতে চাই। তুমি যেখানে আছো, দয়া করে আমাকেও সেখানে নিয়ে যাও। আমার দুঃখের কোন সীমা নেই ও তোমাকে ভুলে যেতে পারবো না।“ বিজ্ঞানীরা বলছেন এই চিঠিটি ১৫৬৮ সালে লেখা হয়েছে , যদিও এর লেখক নারীটির নাম জানা যায় নি। তবে যাকে উদ্দেশ্য করে এই চিঠিটি লেখা হয়েছে তার ব্যপারে আরো কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ইয়ং-তি কোরিয়ার প্রাচীন জোসেয়ং ই বংশের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আনডং ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মিউজিয়ামের Se-kwon Yim এই মমিটি প্রথম আবিষ্কারকারী ব্যক্তিদের একজন। মমিটির পাশে রুচিসম্মত কাগজে মোড়ানো এক জোড়া জুতা পাওয়া গিয়েছে, যেটি তৈরি করা হয়েছে নারীদের মাথার চুল দিয়ে। এ বিষয়ে ইয়ং তি’এর স্ত্রী চিঠিতে লিখেছেন,”আমার চুল দিয়ে আমি এটি বুনে তোমার সামনে রাখলাম, যাতে তুমি যে কোন সময় এটি পরতে পারো।“

চুল দিয়ে জুতা তৈরির বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হতে পারে অনেকের কাছে। তবে কোরীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে এটির কথা বার বার এসেছে, ভালোবাসার নিদর্শন ও অসুস্থতা থেকে সেরে উঠার আশাজ্ঞাপক হিসেবে। যেহেতু মমিটি একটি কংক্রিটের সমাধিতে ছিল, তাই মমি, এর সাথে থাকা জুতা ও চিঠি বেশ ভালভাবেই সংরক্ষিত হয়েছে। তবে ইয়ং তি ঠিক কত বছর বয়সে মারা গিয়েছিলেন, সেটি নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। আর আবিষ্কারের পর থেকে সেই নাম না জানা নারীর লেখা চিঠি অনেক অপেরা, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও উপন্যাস লেখককে অনুপ্রাণিত করেছে সৃজনশীল কিছু তৈরি করতে।

পাক সীমান্তের চেয়েও দিল্লির বড় চিন্তা বাংলাদেশ সীমান্তই

নিজস্ব সংবাদদাতা • নয়াদিল্লি : পূর্ব থেকে পশ্চিম দেশের সীমান্ত নিয়ে দুশ্চিন্তায় মনমোহন-সরকার।
ALL নিউজ

পূর্বে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই অশান্ত হয়ে উঠছে সেখানকার পরিস্থিতি। স্বভাবতই পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্বের বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে দিল্লির কর্তাদের কপালে ভাঁজ। আবার পশ্চিমের পাক সীমান্তে প্রধান চিন্তা জঙ্গি অনুপ্রবেশ ও পাক সেনার অতিসক্রিয়তা। আসন্ন লোকসভা ভোট ও চলতি বিধানসভা ভোট বানচাল করতে জঙ্গি হামলা হতে পারে বলে রাজ্য পুলিশের ডিজি-দের ইতিমধ্যেই সতর্ক করে দিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ। তবে মোটের ওপর পাক সীমান্তের চেয়ে বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষার কাজটাই আপাতত
বেশি কঠিন বলে মনে করছেন বিএসএফ কর্তারা।

এর একটা কারণ অবশ্যই কাঁটাতারের বেড়ার অভাব। পাকিস্তান লাগোয়া পশ্চিম সীমান্তের ৯৫ শতাংশ অংশেই কাঁটাতার রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার রয়েছে মাত্র ৭৫ শতাংশ অংশে। বিএসএফের ডিজি সুভাষ জোশীর বক্তব্য, “বাংলাদেশে জানুয়ারিতে নির্বাচন আসছে। তাই পূর্ব সীমান্ত নিয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।” স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বাংলাদেশের ভোটের আগে দেশ জুড়ে নাশকতা ও হিংসার পরিকল্পনা নিয়েছে জামাতে ইসলামি। বিভিন্ন ভাবে তার আঁচ এসে পড়বে পশ্চিমবঙ্গের মতো বাংলাদেশ লাগোয়া রাজ্যগুলিতে। অনুপ্রবেশ বাড়বে, ভারতে সন্ত্রাস আমদানির ঘটনাও বাড়বে। নির্বাচনের আগে বাংলাদেশি সেনাবাহিনী নেমে দুষ্কৃতীদের কড়া হাতে দমন শুরু করলে তারাও অনেকে পালিয়ে এসে ভারতে গা ঢাকা দিতে চাইবে।

বিএসএফ-কর্তারা তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে ৫ থেকে ১০ শতাংশ বাড়তি জওয়ান মোতায়েন করা হবে। বিএসএফ শীর্ষ সূত্রের খবর, পূর্ব সীমান্তে এখন প্রায় ৮০ হাজার জওয়ান মোতায়েন রয়েছেন। আরও অন্তত ৫ হাজার জওয়ান মোতায়েন করা হচ্ছে। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই সেখানে মোতায়েন জওয়ানদের সীমান্তে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বিএসএফের এডিজি (পূর্বাঞ্চল) বংশীধর শর্মা বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই ভাল। কাজেই যা করার, তা দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী একসঙ্গে মিলেই করবে। আমরা সমন্বয় রেখে নজরদারির মাত্রা বাড়াচ্ছি। সীমান্তে বিজিবি-র সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকও হচ্ছে।”

বাংলাদেশের বিজিবি-র ওপর ভরসা রাখলেও পাক ভূখণ্ডে যারা সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে, সেই রেঞ্জার্সের উপর এতটা ভরসা নেই এ দেশের কর্তাদের। পাক কর্তৃপক্ষ মুখে যে অন্তত সীমান্তে শান্তি রাখার কথা বলছেন, আপাতত তাতেই আস্থা রাখছেন তাঁরা। রেঞ্জার্সদের সঙ্গে বৈঠক করতে বিএসএফের ডিজি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কর্তাদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল আগামী মাসে পাকিস্তানে যাচ্ছে।

সীমান্ত লাগোয়া কাশ্মীরের গ্রামগুলিতে বারবার পাক সেনার সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন সাম্প্রতিক কালে চিন্তা বাড়িয়েছে দিল্লির। এই পরিস্থিতিতে জম্মু-কাশ্মীরের পাক সীমান্তে কাঁটাতারের পিছনে পাকা বাঁধ তৈরির প্রস্তাবে সায় দিয়েছে মনমোহন সরকার। পাঁচ বছর ধরে ঝুলে ছিল এই প্রস্তাবটি। বিএসএফের ডিজি বলেন, “অক্টোবর মাসে পাকিস্তানের দিক থেকে বহু বার ভারী গোলাবর্ষণ হয়েছে। এক জওয়ান নিহত হয়েছেন। আমরা তার যোগ্য জবাবও দিয়েছি। পাকিস্তানের হামলা প্রতিহত করার জন্য কাঁটাতারের পিছনে ১৭৯ কিলোমিটার দীর্ঘ উঁচু বাঁধ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে।” এত দিন কিছু কিছু অংশে মাটির কাঁচা বাঁধ ছিল। পাকিস্তানের দিক থেকে গোলা বা রকেট ছোড়া হলে তাতেই আটকে যেত। কিন্তু এখন যে ভাবে বেশি ওজনের গোলা ছোড়া হচ্ছে, তার জন্য কোনও ফাঁক না রেখে একটানা পাকা বাঁধ তৈরি হবে। আপাতত জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। বাঁধ তৈরির জন্য সীমান্ত লাগোয়া কয়েকটি গ্রামকেও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। জোশী জানান, অনুপ্রবেশ রুখতে আরও বেশি প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। নজরদারির জন্য এ দেশেই তৈরি চালকবিহীন বিমান ‘নেত্র’-কে কাজে লাগানো হবে। আনন্দবাজার।

যখন খুশি তখন বিয়ে যে দেশে

‘ওঠ ছেরি তোর বিয়ে” এই প্রবাদটি আমাদের দেশে যেমনটা সচরাচর ব্যবহৃত হয় তেমনিভাবে এর প্রয়োগ ও যথারীতি ঘটে থাকে । আমাদের এখনে আমরা যখন খুশি বিয়ে করতে পারি। দিনে বা রাতে, সকালে বা সনধ্যায় যখনই হোক ।

বিয়ে করা বা না করা একান্ত দুটি মানুষের ইচ্ছা অনিছার ব্যাপার। অন্ধকার নেমে আসার পর বিয়ে করা যাবে না, এমন কোন নিয়ম আমাদের দেশে নেই । বিয়ে করা আমাদের দেশে খুব সহজ হলেও কিন্তু ব্রিটিশদের জন্য তা এতটা সহজ নয় । কারণ তারা তো আর আমাদের নিয়ম এ চলে না ।

বিয়ের জন্য তাদের যে আইন প্রচলিত আছে, তাতে সনধা হবার আগে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে হবে । ১৭৬ বছর ধরে এই আইন ব্রিটিশ সমাজে প্রচলিত ছিল । এতো দিন সেই আইনে ব্রিটিশদের কেবল দিনের আলোতেই বিয়ে করতে হতো । মন চাইলেই তারা রাতে বিয়ে করতে পারত না ।

বিয়ে করার জন্য সকাল আটটা থেকে সনধা ছয়টা পর্যন্ত সময় নির্দিষ্ট ছিল । রাতের বেলা বিয়ে করা নিযেধ ছিল ব্রিটিশ আইনে । এক বছর আগে ব্রিটিশরা এই আইনের সংস্কার এনেছে । সরাষ্ট মন্ত্রণালয় তাদের চলতি আইনের সংস্কারের উদ্ধ্যোগ গ্রহণ করেন । তবে এজন্য তারা সাধারণ জনগনের মতামত নিয়েছে । এরপর তারা তাদের পুরোনো আইন বিলুপ্ত করে নতুন আইন তৈরি করেছে ।

এখন থেকে ব্রিটিশদের বিয়ে করার ক্ষেত্রে আর কোন সময়ের নির্দিষ্টতা থাকল না । এখন থেকে তারা যখন খুশি সপ্তাহে সাত দিনের চব্বিশ ঘণ্টার যেকোন সময় বিয়ে করতে পারবে ।

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পাঁচ রেস্তোরাঁ

 জেনে নিন ২০১৩ এ পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল রেস্তোরাঁর খরচ১. কিচো, কিয়োটো, জাপান

সবচেয়ে ব্যয়বহুল মধ্যাহ্ন ভোজের অভিজ্ঞতা হবে জাপানের কিচো’তে। এটি পরিচালনা করেন পদক পাওয়া শেফ কুনিও তোকুওকা। একবার একজনের খেতে এখানে খরচ পড়বে প্রায় ৬০০ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৮০০০ টাকা । তবে প্রতি পেনি উসুল হবে, দাবি এই শেফের।

২. রেস্টুরেন্ট লা মিওরিস, প্যারিস

খ্যাতিমান শেফ অ্যালেইন ডুকাসের পরিচালনায় এই রেঁস্তোরায় একজনের ডিনারের খরচ হবে প্রায় ৫০৯ ডলার বা ৪০,০০০ টাকা। পানীয়, কর এবং বখশিশ আলাদা খরচ।

৩. মাসা, নিউইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্ক সিটির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত টাইম ওয়ার্নার সেন্টারে অবস্থিত এই রেঁস্তোরায় খুব রাজকীয় এক ডিনারে বসতে পারেন। ব্যয় হবে প্রায় ৪৫০ ডলার বা ৩৬,০০০ টাকা । এটি পরিচালনা করেন জাপানি শেফ মাসা তাকাইয়ামা।

৪. মাইসন পিক, ভ্যালেন্স, ফ্রান্স

ফ্রান্সের ভ্যালেন্সে অবস্থিত কিংবদন্তি রেঁস্তোরা মাইসন পিক। কয়েক প্রজন্ম ধরে এটি খ্যাতি ধরে রেখেছে। এখানে একজনের খাবার খরচ পড়বে প্রায় ৪৪৫ ডলার যা বাংলাদেশি ৩৫,৬০০ টাকার মত।

৫. আরাগাওয়া, টোকিও, জাপান

এখানে অনেক মেনুর সঙ্গে যে মাংস ব্যবহার করা হয় তা সংগ্রহে নির্দিষ্ট পশু নিজেদের তত্ত্বাবধানে জন্মানোর পর লালন-পালন করা হয়। আপনি একা একবার খেতে চাইলে আপনার খরচ পড়বে প্রায় ৩৭০ ডলার বা ৩০,০০০ বাংলাদেশি টাকা । ফক্সনিউজ

বিস্ময়কর সব তথ্য,সত্যিকারের মৎস্য কন্যা

বিস্ময়কর সব তথ্য
ইয়ারা মেন্ডিন একজন পেশাদার মৎস্যকন্যা। যাকে বলে আন্ডারওয়াটার মডেল। নীলাভ পানির প্রতি ভালোবাসা থেকেই বেছে নিয়েছেন আন্ডারওয়াটার মডেলিং ও মৎস্যকন্যার ক্যারিয়ার।

তিনি একজন স্বীকৃত স্কুবা ডাইভার ও আন্ডারওয়াটার মডেল ইয়ারা। দুটি আলাদা লেজ আছে তার। পানির নিচে মডেলিং, ভিডিও এবং স্ট্যান্ট দৃশ্যে অভিনয় করেন তিনি।

স্বীকৃতিস্বরূপ তার ভিডিও ‘লেডি অব দ্য লেক’ এর জন্য পেয়েছেন ওয়ার্ল্ড মারমেইড অ্যাওয়ার্ডস ২০১১ এর মোস্ট এনচ্যান্টিং মারমেইড ভিডিও অ্যাওয়ার্ড।

পানির নিচে স্থিতিশীল অবস্থায় ৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ড এবং সাঁতার কাটা অবস্থায় ৩ মিনিট ৫০ সেকেন্ড থাকতে পারেন ইয়ারা।

অপারেশনের আগে ডান্স পার্টি আয়োজন করলেন রোগী

আজব ব্যাপার 


কিছুক্ষণ পরই ক্যান্সারের কারণে অস্ত্রপচার করে তার দুটি স্তন কেটে ফেলা হবে। এ অবস্থায় পড়লে অনেকেই হতাশায় ভেঙ্গে পড়বেন। কিন্তু সেটা না করে অপারেশন থিয়েটারেই অস্ত্রপচার উপলক্ষে ডান্স পার্টি আয়োজন করে চমক সৃষ্টি করেছেন ডিবোরা কোহান নামে এক নারী।

সম্প্রতি এমন একটি ভিডিও ঝড় তুলেছে ইউটিউবে। যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিকোর মাউন্ট জিয়ন হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে মেডিকেল টিমের সঙ্গে ডিবোরার অদ্ভুত এই নাচ দেখেছেন প্রায় সাড়ে ত্রিশ লাখ মানুষ।

জানা গেছে, ডিবোরা অস্ত্রোপচারের আগে হঠাৎ করেই মেডিকেল টিমের কাছে আবদার করে বসেন, তিনি প্রখ্যাত পপ গায়িকা বিওন্সের ‘গেট মি মিনিটস’ গানের সঙ্গে নাচতে চান। আর তার নাচ ভিডিও করে রাখেন মেডিকেল টিমের এক চিকিৎসক।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের কলকাতার যৌনপল্লীতে নিয়ে গিয়েছিলেন বুকানন


অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট কোচ থাকাকালীন সময়ে দলের জন্য নানা শিক্ষা চালু করেছিলেন জন বুকানন। তারই অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের যৌনপল্লীতে নিয়ে গিয়েছিলেন বুকানন।

অস্ট্রেলীয় প্রচারমাধ্যমকে বুকানন বলেছেন, ভারত সফরের সময় কলকাতায় এসে ক্রিকেটারদের তিনি যৌনপল্লিতে নিয়ে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে বুকানন বলেন, আমি কাউকে শুধু ক্রিকেটার হিসাবে কোচিং করাই না। পুরো মানুষটাকেই কোচিং করাই। আসলে আমার লক্ষ্য থাকে একজনের দৃষ্টিকোণটা প্রসারিত করা। এমন জায়গায় নিয়ে যেতে, যেখানে তারা কোনও দিন যায়নি। ড্রেসিংরুমের বাইরের জীবনের অভিজ্ঞতাও ওদের হোক, এটাই চাই আমি।

আসাধারন কিছু বাস্তবিক ছবি দেখুন আপনার খুব ভালো লাগবে

পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালি বালক...

giuliano মাত্র ২বছর বয়স থেকেই প্রতিদিন weight training করে আসছিলো... পরিশেষে তাঁর নাম গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ডস রেকর্ড এ উঠে যখন ইতালিয়ান টিভি শো তে তাঁর একটি শো পুরা দেশবাসীকে অবাক করে দেয়!!

সেই শো তে সে তাঁর দুই পায়ের মাঝে মেডিসিন বল রেখে সর্বোচ্চ গতিতে শুধুমাত্র তাঁর দুই হাতের সাহায্যে হেটে ১০০ফিটের ও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে!!

তাঁর বাবা iulian stroe যিনি নিজেও একজন বডিবিল্ডার... তাঁর বাবার সাথেই giuliano ছোট কাল থেকেই জিম এ যাওয়া শুরু করে!! তাঁর বর্তমান বয়স ৯বছর...

চোখ ধাঁধানো কিছু স্থান

অসাধারন সুন্দর একটি সুইমিং পুল । এটিকে বলা হয় সুইমিং ব্রিজ । 
এটি সিঙ্গাপুরে অবস্থিত ।


পৃথিবীর প্রথম পানির নিচের চলমান গাড়ি ।

এটি তৈরি করে একটি সুইস কোম্পানি Rinspeed ।

এটি একই সাথে স্থলে এবং পানির নিচেও চলতে পারে


এটি ফিলিস্তিন এক মেয়ের করুন কন্নার দৃশ্য ।

মৃত বাবাকে জড়িয়ে ধরে মেয়েটি কাদছে 

তাদের জন্য আমাদের মুসলিমদের কিছু করার নেই
তবুও ছবিটা দেখে আমার চোখ দিয়ে পানি পড়েছে 



শেয়ার করুন 

কুৎসিত চেহারা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলেন উইলিয়াম

সবচেয়ে কুৎসিত হওয়ায় মিস্টার আগলি হারারে খেতাব জিতলেন উইলিয়াম মাসভিনো। মোট ১১ জন কুৎসিত প্রতিযোগীর সাথে লড়াই করে জয়ী হন ৩৮ বছর বয়সী উইলিয়াম।

দ্বিতীয়বারের মতো এই খেতাব জিতলেন উইলিয়াম। গত বছরও এই প্রতিযোগিতায় প্রথম হন তিনি। শুরুতে অনেক সমালোচনার মুখে পড়লেও ধীরে ধীরে জনপ্রি
য়তা লাভ করছে প্রতিযোগিতাটি।

পুরস্কার হিসেবে উইলিয়ামের এক সন্তানের এক বছরের স্কুল ফি দিবে কর্তৃপক্ষ। জয়ী হওয়ার পর উইলিয়াম জানান, প্রাকৃতিকভাবেই আমি কুৎসিত। তবে প্রতিযোগিতার লড়ার জন্য আমি নিজেকে আরো কুৎসিত বানানোর চেষ্টা করেছি।

পরপর দুবার সবচেয়ে কুৎসিত লোকের খেতাব জিৎলেও উইলিয়ামের স্ত্রী আলিস চাভাংগা মনে করেন, তার স্বামী মোটেও কুৎসিত নয়। প্রতিযোগিতায় বেনি চাকানইউকা ও ফানি মুসেকিউয়া যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন।


বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাবানের তালিকার শীর্ষে কাতার আমিরের কন্যা

কাতারের আমিরের কন্যা শেইখা আল-মায়াসা-আল-থানি, জাদুঘরের পেছনে খরচ করে বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাবানের তালিকার শীর্ষ স্থান পেয়েছেন।

শিল্প বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘আর্টরিভিউ' এ বছরের ১০০ জন ক্ষমতাবানের
একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকার শীর্ষে আছেন শেইখা আল-মায়াসা-আল-থানি।

শেইখা আল-মায়াসা-আল-থানি, দোহা মিউজিয়ামের সংগ্রহশালাকে আরো সমৃদ্ধ করতে এক বছরে ১০০ কোটি ডলার খরচ করেছেন।

এর আগে মাত্র একবারই কোনো নারী এই সম্মান পেয়েছেন। গত বছর শীর্ষে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া ইটালীয়-বুলগেরীয় বংশোদ্ভূত ক্যারোলিন ক্রিস্টভ-বাকারগিয়েভ।

বিশ্বের সংকীর্ণতম সড়ক

চোখ ধাঁধানো কিছু স্থান

জার্মানিতে বাডেন ভ্যুর্টেমব্যার্গ রাজ্যের ছোট্ট শহর রয়েটলিঙ্গেনে অবস্থিত ‘স্প্রয়ারহোফস্ট্রাসে' সড়ক মাত্র ৩১ সেন্টিমিটার চওড়া।২০০৭ সালে ‘গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড'-এ নাম উঠে গেছে এই সড়কের।
চোখ ধাঁধানো কিছু স্থান

ছোট রাস্তার দুই পাশে দু’টি মাত্র বাড়ি। একটি বাড়ি শহর কর্তৃপক্ষের মালিকানায় ছিল, অন্যটি ব্যক্তিগত মালিকানায়। এবার সড়ক বাঁচাতে কর্তৃপক্ষ প্রায় ১ লক্ষ ইউরো দিয়ে সেই বাড়িটি কিনে ফেলেছে। কয়েকদিন পরেই সংস্কারের কাজ শুরু হবে৷

প্রায় ৩০০ বছর আগে শহরে বিশাল এক অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। তারপর শহরের পুনর্গঠনের সময় সড়কটি তৈরি হয়, যাতে বিপদে-আপদে বাড়ির লোকজন ‘শর্ট কাট' ব্যবহার করতে পারে। তারপর থেকে সড়কটি সেভাবেই রয়েছে।


নবম শ্রেনীর ছাত্রী প্রেমের ফাঁদে পড়ে ৭মাসের অন্তসত্বা!

 কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নের বেড়াকুটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী এতিম কোহীনুর খাতুন (১৫) স্কুল সংলগ্ন ষ্টেশনারী দোকানদার লম্পট যুবক আল আমিনের (২৫) প্রেমের ফাঁদে পড়ে ৭মাসের অন্তসত্বা হয়ে বিয়ের দাবী ও অনাগত সন্তানের পিতৃত্বের দাবীতে দ্বারে দ্বারে ঘুড়ে অবশেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল কুড়িগ্রাম-১ এ একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেছেন। লোক-লজ্জার ভয়ে ও লম্পট যুবক আল আমিনের ভয়ে ৩মাস যাবত বিদ্যালয়ে আসতে না পারায় মেয়েটির লেখাপড়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সহপা
ঠি সহ এলাকাবাসী অভিযুক্ত আল আমিনের শাস্তি দাবী করেছেন।
ঘটনা প্রকাশের পর থেকেই লম্পট যুবক দোকান বন্ধ করে পলাতক রয়েছেন। মামলা সুত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে দনি রামখানা গ্রামের আবেদ আলীর পুত্র আল আমিন অনন্তপুর গ্রামের কমর উদ্দিনের কন্যা কহীনুর খাতুনকে স্কুলে যাওয়া আসার সময় প্রায়ই উত্তক্ত করত এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এরই মধ্যে কহীনুর গর্ভবতী হলে লম্পট আল আমিন বিয়ে করতে অসিকৃতি জানিয়ে টালবাহানা শুরু করে পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রাম্য সলিশ বৈঠকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় বাধ্য হয়ে কহীনুর খাতুন বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ কুড়িগ্রামে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। মামলা নং: ৯/১, তারিখ: ৩০-১০-২০১৩ ইং। কহীনুরের খালা শিউলি বেগম জানান হতভাগ্য কহিনুরের বয়স যখন ৩বছর তখন তার বাবা মাকে তালাক দেয় এর একবছর পর মা অন্যত্র বিয়ে করায় দিন মজুর মামার বাড়ীতে কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে বেড়ে উঠছিল মেয়েটি। লম্পট যুবকের পাল্লায় পড়ে মেয়েটি এখন ৭মাসের অন্ত:সত্বা এমতাবসায় পরিবারের লোকজন চরম উদ্বেগ আর উতকন্ঠায় দিনাতিপাত করছেন।
গ্রামবাসী শফিকুল, জয়নাল ও তুষার জানান যে লম্পট যুবক আল আমিন সালিশ বৈঠকে ঘটনার কথা স্বীকার করলেও বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় অভিযুক্ত যুবকের শাস্তি দাবী করেছেন। কিশোরী মেয়েটির পেটের বা”চার বাবা কে হবেন? এই প্রশ্ন করে হাওমাউ করে কেদে কহীনুরের মা আমেনা খাতুন লম্পট যুবকের শাস্তি চান। বেড়াকুটি বহুমুখী উ”চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক আ: মতিন জানান যে, কহীনুর অত্র বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী তাহার রোল নং: ১৬ এবং মেয়েটির পড়াশুনা চালিয়ে নেয়ার জন্য বিশেষ ব্যাবসা গ্রহন করা হয়েছে এছাড়াও ঘটনা জানার পর লম্পট যুবককের বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠকের জন্য তার নামে নোটিশ জারী করা হলেও নোটিশ গ্রহন না করে পলাতক থাকায় কোন ব্যাবসা নিতে পারছেন না।
অভিযুক্ত যুবকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি এমনকি তার পরিবারের সদস্যরাও এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজী হয়নি। এতিম মেয়েটির সাথে এমন আচরনের দায়ে লম্পট আল আমিনের শাস্তি দাবী করেছেন এলাকাবাসী ও সহপাঠিরা।

প্রকোপ বাড়ছে পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের

প্রকোপ বাড়ছে পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের



পুরুষদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের প্রবণতা আগে কম থাকলেও বর্তমানে এর প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। আর নারীদের মতো পুরুষদেরও স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে এই ক্যান্সার প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে।

পুরুষদের বুকের দেওয়ালে স্তনবৃন্তের ঠিক নিচে অল্প পরিমাণ অকার্যকরী কিছু স্তন কোষ থাকে। এই কোষগুলির অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলে পুরুষদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার দেখা দেয়।

২০১০ সালে সারা বিশ্বে পুরুষদের মধ্যে মোট ১,৯৭০ জন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে ৩৯০জন এই ক্যান্সারে প্রাণ হারান।

পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ:

১) একটি ব্যাথাহীন পিণ্ড তৈরি হয় স্তনকলার মধ্যে।

২) যে চামড়া স্তনকে ঢেকে রাখে তার পরিবর্তন দেখা যায়। চামড়া লাল হয়ে যায়, কুঁচকে যায়, তাতে ভাঁজ বা খাঁজ তৈরি হয়।

৩)স্তনবৃন্তের রঙের পরিবর্তন হয়। লালচে হয়ে যায় বা ভিতরের দিকে ঢুকে যায়।

৮) স্তনবৃন্ত থেকে রস ক্ষরণ হয়।

রোগ নির্ণয় পদ্ধতি:

আল্ট্রাসাউন্ড ও ম্যামোগ্রাফির মাধ্যমে স্তনক্যান্সারের নির্ণয় করা হয়। বায়োপসির সঙ্গেই করা ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরোন হরমোনের পরীক্ষা। করা হয় প্রোটিন পরীক্ষাও।

চিকিৎসা:

শল্যচিকিৎসাই পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের মূল চিকিৎসা। এর মাধ্যমে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে যে পিণ্ড (টিউমার) তৈরি হয় তাকে বাদ দেওয়া হয়। এছাড়াও রেডিয়েশন থেরাপি চলে। এর মাধ্যমে এক্স রে জাতীয় উচ্চ শক্তির রশ্মি দিয়ে ক্যান্সার কোষ গুলি মেরে ফেলা হয়। চলে কেমোথেরাপি, যার দ্বারা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওষুধ দিয়ে ক্যান্সার কোষ গুলি মেরে ফেলা হয়। এছাড়াও পুরুষদের স্তন ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য ব্যাপকভাবে চলে হরমোন থেরাপি।

সুত্রঃ এই সময়



মৃত্যুর ৩২ বছর পরেও কবরে লাশ অবিকৃত অবস্থায় এ এক বিস্ময়কর সত্য ঘটনা

মৃত্যুর ৩২ বছর পরেও কবরে লাশ অবিকৃত অবস্থায় এ এক বিস্ময়কর সত্য ঘটনা

মৃত্যু ও দাফনের ৩২ বছর পরেও ঘুঘু মুন্সীর লাশ পাওয়া গেছে অবিকৃত অবস্থায়। কাফনের কাপড়ও পায় নতুন ও
অক্ষত। ঘটনা ঘটে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের চর কৃষ্ণপুর গ্রামে।স্থানীয় ইউপি সদস্য তৈয়ব
আলী জানান, ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আলেম-ওলামাদের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করে পুনরায় দাফন করা হয়েছে।

মৃত্যুর ৩২ বছর পরেও কবরে লাশ অবিকৃত অবস্থায় এ এক বিস্ময়কর সত্য ঘটনা
গত ১৮ জুন সোমবার বিকেলে ধরলা নদীর প্রবল ভাঙনে কবর ভেঙে গেলে ভাঙা কবর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুনরায় ওই লাশ
কবর দেওয়া হয়। এলাকাবাসী জানায়, এ নিয়ে ঘুঘু মুন্সীর লাশ তিন বার দাফন করা হলো। আট বছর আগে ধরলার ভাঙনের
মুখে তাঁর লাশ কবর থেকে কৃষ্ণপুর ঈদগাহ কবর স্থানে দাফন করা হয়েছিল। এরপর আবারও কবরস্থানটি নদী ভাঙনের
কবলে পড়লে দ্বিতীয়বারের মতো তাঁর লাশ কবর থেকে বের করে ধরলা নদীর পূর্ব প্রান্তের চর মাধবরাম গ্রামের
ইসলামিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে পুনরায় দাফন করে গ্রামবাসী।৩২ বছর পর কবর থেকে অক্ষত অবস্থায় লাশ পাওয়ার খবর
ছড়িয়ে পড়লে কুড়িগ্রামসহ আশপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ লাশটিকে এক নজর দেখার জন্য ছুটে আসে।

এ বিষয়ে এলাকার ফজলুল করিম (রহ.) জামিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি আবুল হাসান আনছারী বলেন, লাশের শরীর ও মুখ
দেখে মনে হয় মানুষটি এই বুঝি ঘুমিয়ে গেল। ঘুঘু মুন্সীর ছেলে হযরত আলী (৬৫) ও আশরাফ আলী (৫০) জানান, ৩২ বছর
আগে তাঁর বাবা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘ দিন গ্রামের মসজিদে ইমামতি করেছেন।

মুসলমান হিসাবে আপনার দায়িক্ত এটা শেয়ার করে সবাই কে জানানো 

পৃথিবীতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন। তেমনই বেশ কিছু ঘটনা আছে সমাধি সৌধ মমিকে কেন্দ্র করে।

পৃথিবীতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন। তেমনই বেশ কিছু ঘটনা আছে সমাধি সৌধ মমিকে কেন্দ্র করে।

অবিশ্বাস্য বা কাকতালীয় মনে হলেও পৃথিবীতে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন। তেমনই বেশ কিছু ঘটনা আছে সমাধি সৌধ মমিকে কেন্দ্র করে। মিসরীয় রাজা-রানীরা বিশ্বাস করত মৃত্যুর পর আত্মা পুনর্জীবিত হয়ে পুনরায় দেহে ফিরে আসে। তাই তাদের মৃত্যুর পর মৃতদেহ মমি করে কফিনে রেখে দেওয়া হতো। এই বিশ্বাসের কারণেই মিশরে গড়ে উঠেছিল আশ্চর্যজনক সব পিরামিড।
মমি আজো মানুষের কাছে এক বিস্ময়কর বিষয়। মমি-কে নিয়ে আজো মানুষের মনে রয়েছে হাজারো বিস্ময়। এ মমিকে নিয়ে বেশ কিছু অবিশ্বাস্য সত্য ঘটনাও রয়েছে। আসুন তার ম
বিস্ময়কর সব তথ্য
ধ্য থেকে কয়েকটা ঘটনা আমরা জানি।
এক সময় মিশরে দুর্দান্ত প্রতাপশালী ফারাওদের বসবাস ছিল। যাদের আমরা বলি ফেরাউন জাতি। ফারাওদের মধ্যে তুতেম খামেনের নাম খুবই উল্লেখযোগ্য। তিনি খুব অল্প বয়সে মারা গিয়েছিলেন। মৃত্যুর পর তার মৃতদেহ যথারীতি একটি সোনার কফিনে মুড়ে বহু মূল্যবান ধনরত্নসহ মমি করে রেখে দেওয়া হয়। ১৯২২ সালের ২৬ নভেম্বর, প্রত্মতত্ত্ববীদ মি. হাওয়ার্ড, তার পার্টনার ও অর্থ জোগানদার কর্নারভান আবিষ্কার করেন ধনরত্ন, মণিমুক্তা খচিত ফারাও তুতেনের কফিন। সেটা ছিল পৃথিবী কাঁপানো এক ঘটনা। কিন্তু আসল ঘটনার উদ্ভব ঘটে এরপর থেকে। তুতেন খামেনের গুপ্তধন আবিষ্কারের ৫ মাসের মাথায় অর্থ জোগানদার কর্নারভানের মৃত্যু হয়। কিভাবে বা কেন কর্নারভানের মৃত্যু হয় তা সম্পূর্ণ অজানা। সে কি কারণে মারা যায় ডাক্তাররাও তা নির্ণয় করতে ব্যর্থ হন। তার মৃত্যু আরেক বিস্ময়কর ঘটনার সৃষ্টি করে। যে মুহূর্তে তিনি মারা যান তখন মিশরের রাজধানী কায়রোর সবগুলো বাতি হঠাৎ নিভে যায়। শুধু তাই নয়, লন্ডনে তার পোষা কুকুরটিও একই সময় ছটফট করতে করতে মারা যায়। এরপর বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন, মমিটির গায়ে যেসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র ছিল, কর্নারভানের শরীরও ঠিক সে রকম ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র হয়ে গিয়ে ছিল। কিন্তু এর প্রধান আবিষ্কারক মি. হাওয়ার্ড ৭০ বছর বয়সে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন।

কুকুরের দুধ খেয়ে বেড়ে উঠছে ৮ বছর বয়সী শাকিল

বিস্ময়কর সব তথ্য

দারিদ্রের কারণে গাইবান্ধায় গোবিন্দগঞ্জে কুকুরের দুধ খেয়ে বড় হচ্ছে ৮ বছর বয়সী শাকিল আহমেদ নামের এক বালক। দেড় বছর বয়স থেকেই নিয়মিত কুকুরের দুধ খেয়ে আসছে সে। শাকিল গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামদিয়া ইউনিয়নের পাকা নয়া
বিস্ময়কর সব তথ্য
পাড়া গ্রামের মোজাফফর আহম্মেদের ছেলে।এলাকাবাসী জানায়, শাকিলের মা আফরোজা বেগম শাকিলকে বাড়িতে রেখে বাইরে কাজে যেত। হঠাৎ একদিন লক্ষ্য করে সে তাদের বাড়ির পোষা কুকুরের দুধ খাচ্ছে। তারপর থেকেই সে নিয়মিত পোষা কুকুর ছাড়াও অন্যান্য কুকুরের দুধ খেয়ে আসছে।

শাকিলের মা আফরোজা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কুকুরের দুধ খাওয়ার পরও তার শারীরিক কোন সমস্যা হয় নি।

বিস্ময়কর সব তথ্য গুলো শেয়ার করলে অনেক খুশি হব 

গাড়ি হবে আবেগ অনুভূতির সঙ্গী

মানুষের আবেগ অনুভূতির সঙ্গী হবে ভবিষ্যতের গাড়িগুলো। বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটা এমনই এক গাড়ির ধারণা দিয়েছে। টয়োটা এফভি-২ এমন একটি গাড়ি যেটি চালকের বিভিন্ন আবেগ অনুভূতি বুঝতে পারবে।


এই গাড়িটি হবে তিন চাকা ও এক সিট বিশিষ্ট। এটি চালকের গলার স্বরের ভঙ্গি শুনে ও মুখভঙ্গি দেখে তার আবেগ সম্পর্কে বুঝতে পারবে। চালকের মেজাজ-মর্জি অনুসারে এটি বিশেষ উইন্ডস্ক্রিনে উপযুক্ত রং প্রদর্শন করবে। তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এতে কোনো স্টিয়ারিং হুইল থাকছে না। এমনকি থাকছে না কোনো ব্রেকও। কেবল শারীরিক অঙ্গভঙ্গি করেই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে গাড়িটি। যেমন, সামনে এগুতে চাইলে চালককে সামনের দিকে খানিকটা ঝুঁকতে হবে। পেছনে যেতে চাইলে পেছনদিকে ঝুঁকতে হবে। একইভাবে ডানে কিংবা বামে যেতে চাইলেও সেদিকে শরীর ঝুঁকিয়ে নিতে হবে।


টয়োটা কর্তৃপক্ষ বলছে এটি চালকের সঙ্গে যান্ত্রিক সম্পর্কের পাশাপাশি মানসিক সম্পর্কেরও সূচনা করবে। তাদের প্রত্যাশা এটি গাড়ি প্রেমীদের ড্রাইভিংয়ের ক্ষেত্রে এক অন্য মাত্রা যোগ করবে।

আঁখি আলমগীরের পর্ণো ভিডিও নিয়ে তোলপাড় !

আঁখি আলমগীরের পর্ণো ভিডিও নিয়ে তোলপাড় !


‘টক অব দ্য আমেরিকা’য় পরিণত হয়েছে কন্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীরের পর্ণো ভিডিও। এই শিল্পীর ভক্তরা বিস্ময়ে হতবাক। আবার কেউ নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে চাইছেন না-এমন কান্ড কীভাবে সম্ভব? জনপ্রিয় একজন শিল্পী এ ধরনের আচরণ কীভাবে করতে পারেন-এমন প্রশ্ন ভক্তদের।১৮ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের পর্নো ভিডিওটি আঁখির জ্ঞাতসারেই করা হয়েছে-এটি বুঝা যায় শুরুতে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে টা টা করতে দেখে। আঁখির সাথের ছেলেটি রাজধানী ঢাকার একজন মডেল বলে অনেকে বলাবলি করলেও নিশ্চিত নাম কেউই উদ্ধার করতে পারেননি এখন পর্যন্ত। সেক্স করা হয়েছে অভিজাত একটি বাসার ড্রয়িং রুম তথা লিভিং রুমে-এমনটি অনেক দর্শক মনে করছেন। এ জন্যে বিছানা ব্যবহার করা হয়নি। সোফার ওপর সবকিছু করা হয়। বিয়ার পানের মধ্য দিয়ে আঁখি বিবস্ত্র হন এবং এক পর্যায়ে সোফার ওপর থেকে তার ভ্যানিটি ব্যাগ সরিয়ে সোফার সামনে নিচে রাখেন আরো স্বাচ্ছন্দে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়ার জন্যে।
আঁখি আলমগীরের পর্ণো ভিডিও নিয়ে তোলপাড় !


এ পর্নো ভিডিও সর্বপ্রথম আমেরিকায় দেখা যায় গত রমজানে। কয়েকদিনের মধ্যেই তা সরিয়ে ফেলা হয়েছিল বলে কয়েক ডজন দর্শক এ সংবাদদাতাকে জানান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এটি গুগল সার্চে ব্যাপকভাবে পাওয়া যাচ্ছে। ইউটিউবেও সহজলভ্য এটি। অর্থাৎ বাংলাদেশীরা আঁখি আলমগীরের এ পর্ণো-ভিডিও হুমড়ি খেয়ে দেখছেন। নিল ছবির বিকল্প হিসেবে অনেকে তা সিডিতে সংরক্ষণ করছেন বলেও শোনা যাচ্ছে।


এটি ধারণের সময় প্রথমে হিন্দি গান ছিল ব্যাক গ্রাউন্ডে। এখন বাংলা গানও শোনা যাচ্ছে। আঁখির সাথে গভীর সম্পর্ক ছিল এবং আমেরিকায় শো করতে আসার পর যাদের সাথে আঁখি ‘ফস্টিনষ্টি’ করেছেন বলে ব্যাপক গুঞ্জন রয়েছে-তাদের কয়েকজন এ সংবাদদাতাকে বলেন, ‘এ ভিডিও ধারণ করা হয়েছে ৪/৫ বছর আগে। বর্তমানে আঁখির শরীরে আরো ভাঁজ পড়েছে বলে এটি মনে হচ্ছে।’


শো বীজের রমণীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অর্থের পেছনে ছুটেন। অর্থই অনর্থের কারণ-এমন প্রবাদ রয়েছে। কিন্তু আঁখির মত জনপ্রিয় একজন কন্ঠশিল্পীর পক্ষে এটি কীভাবে সম্ভব-তা নিয়ে প্রশ্নের অন্ত নেই।


তবে সাধারণ প্রবাসী এবং আঁখির ভক্তরা এখনও বিশ্বাস করতে চাচ্ছেন না যে, এমন কান্ডে লিপ্ত হতে পারেন তিনি। অনেকে অভিযোগ করেছেন, আঁখির জনপ্রিয়তা সহ্য করতে পারে না যারা, তারা হয়তো আঁখির দুর্বল মুহূর্তকে কাজে লাগিয়েছে। আবার কেউ বলছেন, এর আগে আঁখি তার সন্তানের পিতৃত্ব নিয়েও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিলেন। এবারের পর্ণো ভিডিও’র ব্যাপারে আঁখি কী বলেন তাই দেখার বিষয়।


আবার ভিডিওর মেয়েটি আখি আলমগীর বলে মানতে নারাজ অনেকেই।

দেশী গার্ল ফটো

 দেশী গার্ল ফটো facebook থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে 
 দেশী গার্ল ফটো
 দেশী গার্ল ফটো 

দেশী গার্ল ফটো

 দেশী গার্ল ফটো 
দেশী গার্ল ফটো

দেশী গার্ল ফটো 

দেশী গার্ল ফটো
 দেশী গার্ল ফটো 


দেশী গার্ল ফটো   দেশী গার্ল ফটো   দেশী গার্ল ফটো   দেশী গার্ল ফটো  দেশী গার্ল ফটো  

শরীরী খেলায় মেতে আছে কুল ডুড (ভিডিও)

শরীরী খেলায় মেতে আছে কুল ডুড (ভিডিও)



মনপসন্দ বেবির সঙ্গে যখন শরীরী খেলায় মেতে আছে কুল ডুড, ঠিক তখনই যদি হানা দেয় বড়রা? ব্যাপারটা তাহলে কেমন হবে? সেরকমই এক কান্ড ঘটালেন ডিম্পল কাপাডিয়া। অবশ্যই বাস্তবে নয়, ‘হোয়াট দ্য ফিশ’ ছবির একটি গানে। কেমন সেই গান? সরাসরি জেনে নিন এই ভিডিও থেকে।

বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কুকুরের খেতাব জিতল পুয়ের্তোরিকোর 'মিরাকেল মিলি'



বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কুকুরের খেতাব জিতল পুয়ের্তোরিকোর 'মিরাকেল মিলি'


বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কুকুরের খেতাব জিতল পুয়ের্তোরিকোর 'মিরাকেল মিলি'



বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কুকুরের খেতাব জিতল পুয়ের্তোরিকোর 'মিরাকেল মিলি'গত বৃহস্পতিবার চিহুয়াহুয়া প্রজাতির এই কুকুরটি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নেয়।


share please

আত্মা কি সত্যিই মানুষের উপর ভর করতে পারে?- রইলো একটি সত্য ঘটনার কথা

আত্মা কি সত্যিই মানুষের উপর ভর করতে পারে?- রইলো একটি সত্য ঘটনার কথা

আত্মা কি সত্যিই মানুষের উপর ভর করতে পারে?- রইলো একটি সত্য ঘটনার কথা
রোনাল্ড ডো এর জন্ম ১৯৪০ সালে একটি জার্মান লুথারিয়ান খ্রিস্টান পরিবারে। কিন্তু এই পরিবারটি বাস করতো যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে। রোনাল্ড ছিল তার বাবা মা’র একমাত্র সন্তান। যেহেতু তাকে বাইরে খেলতে দেয়া হত না তাই সে ঘরেই বিভিন্ন জিনিস নিয়ে আপন মনে খেলতো। সেসময় তার খেলার সঙ্গী ছিল তার আন্টি হ্যারিয়েট। হ্যারিয়েট ছিলেন প্রেত-সাধক ও তিনি নিজে আত্মা সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিশ্বাস করতেন। একদিন তিনি রোনাল্ডকে উইজা বোর্ড এনে দেন ও সে এটিতে আগ্রহী হয়ে উঠে। যারা প্রেত সাধনা করেন তারা বিশ্বাস করেন উইজা বোর্ডের মাধ্যমে মৃত আত্মাদের ডেকে আনা যায়।
রোনাল্ডের বয়স যখন ১৩ বছর তখন হ্যারিয়েট সেইন্ট লুইসে মারা যান। বেশ কয়েকটি বইয়ে দাবি করা হয়েছে হ্যারিয়েটের মৃত্যুর পর রোনাল্ড তার সাথে উইজা বোর্ডের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করে। থমাস বি এলেন এই ঘটনা অবলম্বনে একটি বই লিখেন যার নাম ‘robbie mannheim’। এখানে তিনি রোনাল্ডের নাম পরিবর্তন করে দেন, কিন্তু মূল ঘটনা এই ছেলেটিকে কেন্দ্র করেই। থমাস তার বইতে লিখেন, “হ্যারিয়েটের মৃত্যুর পর পরই বাড়িতে অতিপ্রাকৃত ঘটনা শুরু হল। রোনাল্ডের বাড়িতে কোন একজনের শব্দ করে হাঁটার অদ্ভুত শব্দ শোনা যেত, এছাড়াও হতো আরো রহস্যময় শব্দ। ঘরের আসবাবপত্রগুলো নিজ থেকেই স্থান পরিবর্তন করতে লাগলো। অনেকের দাবি অনুযায়ী, ঘরের সাধারণ জিনিস যেমন ফুলদানি ভেসে বেড়াতে শুরু করলো। এছাড়া দেয়ালে লাগানো যীশু খ্রিস্টের ছবি এমনভাবে নড়তে শুরু করলো যে কেউ ছবিটিকে ধাক্কা দিচ্ছে। ছবির কাছেই কিছু পবিত্র জল রাখা ছিল, যেগুলো হঠাৎ করেই মাটিতে পড়ে যায়। ৯ জন পাদ্রী ও ৩৯ জন প্রত্যক্ষদর্শী এ ঘটনার বিষয়ে লিখিত বর্ণনা দেন।
ভয়ার্ত অবস্থায় রোনাল্ডের পরিবার তাদের লুথারিয়ান পাদ্রী রেভারেন্ড লুথার মিলজ স্কালজের সাহায্য চান। এর আগে রোনাল্ডকে চিকিৎসক ও মনোবিজ্ঞানী দ্বারা পরীক্ষা করা হয় কিন্তু তাদের কাছে কোন ব্যাখ্যা ছিল না। ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখ, লুথার ছেলেটির কক্ষে এক রাতের জন্য অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য। রোনাল্ড ঘুমিয়ে গেল। লুথার গভীর রাতে বিছানা ও দেয়াল থেকে অদ্ভুত ধরণের শব্দ শুনলেন। এছাড়া বিছানার পাশে থাকা একটি আর্মচেয়ার হঠাৎ করেই নড়তে শুরু করলো। তিনি উপসংহারে এলেন যে, রোনাল্ডের দেহে পিশাচ ভর করেছে। অবিলম্বে এক্সোরসিজম শুরু করার কথা বলা হলো, যেটি দিয়ে রোনাল্ডের দেহে ভর করা পিশাচ দূর করা হবে। এংলিকান চার্চের অনুমতিক্রমে, রেভারেন্ড এডওয়ার্ড হিউগস জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি হাসপ্তালে এক্সোরসিজম শুরু করলেন। এক পর্যায়ে রোনাল্ড তাকে আঘাত করে আহত করে ফেলে, যার কারণে পুরো প্রক্রিয়া কিছুদিন বন্ধ থাকে। এরপর রোনাল্ড ও তার পরিবার সেইন্ট লুইসে যায়। রোনাল্ডের একজন কাজিন সেইন্ট লুইস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রেমন্ড যে বিশপের সাথে যোগাযোগ করেন। রেমন্ড ও আরেকজন রেভারেন্ড উইলিয়াম এস বোডের্ন রোনাল্ডকে দেখতে তার বাড়িতে যান। গিয়ে দেখেন রোনাল্ডের বিছানা নিজ থেকেই নড়ছে, ঘরের জিনিসপত্র ভেসে বেড়াচ্ছে আর রোনাল্ড কথা বলছে ভয়াবহ স্বরে।
এ অবস্থায় আর্চ বিশপের অনুমতিক্রমে ফাদার ওয়াল্টার হেলোরান রেভারেন্ড উইলিয়াম এস বোডের্ন ও হাসপ্তালের মনোবিজ্ঞানীদের উপস্থিতিতে এক্সোরসিজম শুরু করলেন। রোনাল্ডের অবস্থা ভয়াবহ আকার ধারণা করেছিল, সে ঘুষি মেরে ফাদার ওয়াল্টারের নাক ভেঙ্গে দেয়। কয়েক সপ্তাহ ধরে ত্রিশ বার এক্সোরসিজম করতে হলো। চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরো হাসপাতাল ভয়াবহ শব্দে আচ্ছন্ন হয়ে গেল। যাই হোক, রোনাল্ড এরপরে সুস্থ হয়ে উঠে ও একটি সুখী জীবন লাভ করে।
পুরো বিষয়টি নিয়ে অনেকে বিভিন্ন ব্যাখ্যা বের করতে চেষ্টা করেন। কেউ বলেছেন রোনাল্ড dissociative identity disorder, Tourette's syndrome, schizophrenia, sexual abuse, group hysteria কিংবা Obsessive-compulsive disorder-এ ভুগেছিল। কিন্তু এক্সোরসিজমের সময় উপস্থিত চিকিৎসকরা রোনাল্ডের দেহে কোন রোগের অস্তিত্ব বা লক্ষণ দেখেন নি। তাহলে রোনাল্ডের দেহে কি সত্যিই কোন পিশাচ বা অশুভ আত্মা ভর করেছিল। তার মৃত আন্টির আত্মা কি ফিরে এসেছিল? কেউ জানে না। কারণ রোনাল্ডের কিছুই মনে পড়ছিল না!

যে ৫টি কারণে নারীরা পছন্দ করেন ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ!




যে ৫টি কারণে নারীরা পছন্দ করেন ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ!

যে ৫টি কারণে নারীরা পছন্দ করেন ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ!
আপনি কি একজন ব্যক্তিত্ববান পুরুষ? আপনার ব্যক্তিত্বের প্রশংসায় আপনার আশেপাশের সবাই পঞ্চমুখ? তাহলে জেনে নিন যে আপনার এই ব্যক্তিত্বের কারণেই আপনি হারাতে পারেন আপনার জীবন সঙ্গী কিংবা প্রেমিকাকে! আপনি চমৎকার ব্যক্তিত্ব, রুচিশীলতা, যত্নশীল স্বভাব ইত্যাদি সব দারুণ বিষয় গুলোই হয়ে উঠতে পারে অনেক নারীর চোখেই রীতিমত চক্ষুশূল!
শুনতে অদ্ভুত শোনালেও একথা সত্যি যে অনেক নারীই পছন্দ করেন ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের। ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের মধ্যে থাকা কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এই পছন্দের বিষয়টি গড়ে উঠতে দেখা যায়। মুখে মুখে যতই অস্বীকার করুন না কেন,মনে মনে অনেক নারীই অস্বীকার করতে পারবেন না যেন এমন পুরুষই তাদের অধিক পছন্দ। কেননা একজন ব্যক্তিত্বহীন পুরুষকে প্রেমিক বা স্বামী হিসাবে পাওয়ার মাধ্যমে তারা এমন কিছু সুবিধা ভোগ করে থাকেন, সেগুলো ব্যক্তিত্ববান পুরুষের মাঝে মিলবে না।
ব্যাপারটি কতখানি ভুল বা কতখানি শুদ্ধ, সেই হিসাবে না গিয়ে আসুন জেনে নেয়া যাক নারীদের ব্যক্তিত্বহীন পুরুষ পছন্দ করার পেছনে ৫টি মূল কারন সম্পর্কে।

কর্তৃত্ব ফলানো যায়

বেশিরভাগ নারীই সম্পর্কের ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব ফলাতে চায়। তারা চায় সম্পর্কটি পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকুক, যদিও একই সাথে এটাও চায় যে ব্যাপারটি তার পুরুষ সঙ্গী বুঝতে না পারুক। আর এই চাহিদার কারণেই তারা ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদেরকে পছন্দ করে। কারণ ব্যক্তিত্বহীন পুরুষরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই কর্তৃত্ব নিতে পারে না, স্ত্রী কিংবা প্রেমিকার উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয় তারা। স্ত্রী ও প্রেমিকার অনুমতি ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার সাহস পায় না এ ধরণের পুরুষরা। ফলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব পুরোপুরিই নারীর হাতে থাকে যা নারীরা বেশ উপভোগ করে।

সময় ও সঙ্গ পাওয়া যায় অধিক

অধিকাংশ ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদেরই বন্ধু কিংবা সামাজিক পরিধি কম হয়। অন্যদিকে দেখা যায় পছন্দের নারীকে পেলে তারা এতটাই সন্দেহ করার প্রবনতা কিংবা হারানোর ভয়ে ভোগেন যে এক মুহূর্তও প্রেমিকা/স্ত্রীকে একলা রাখতে রাজি হন না। ফলে তাদের বেশিরভাগ সময়টা কাটে প্রেমিকা বা স্ত্রীকে নিয়ে আর অনেক নারীই এটা খুব পছন্দ করেন। বলা যায় নিজের ব্যক্তিত্বহীনতা থেকেই তৈরি হয় এক রকমের অনিরাপত্তার বোধ, ফলে সম্পর্কে একটা স্বাস্থ্যকর দূরত্বে তারা বিশ্বাস করেন না। অনেক ক্ষেত্রেই ধরণের পুরুষরা প্রয়োজনে নিজের গুরুত্বপূর্ন কাজ বাদ দিয়ে হলেও স্ত্রী কিংবা প্রেমিকাকে সঙ্গ দিয়ে থাকেন। আর বলাই বাহুল্য যে অনেক নারীই এটা খুব উপভোগ করেন।

দোষারোপ করা যায়

ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের উপর প্রেমিকা বা স্ত্রীরা নিজের দোষ চাপিয়ে দিতে পারে সহজেই। নিজে যতই দোষ করুক না কেন, দিন শেষে সকল কাজের দায়ভার পুরুষ সঙ্গীর ওপর চাপিয়ে দেয়া যায়।। ব্যক্তিত্ববান একজন পুরুষর স্বভাবতই নিজের দোষ না থাকলে এই দায়ভার নেবেন না। কিন্তু অনেক সময়েই ব্যক্তিত্বহীন পুরুষরা সকল দোষ নিজের কাঁধে নিয়ে নেয়। এক্ষেত্রে কাজ করে খানিকটা হারাবার ভয়, আর অনেক খানিই নিজের দুর্বল ব্যক্তিত্ব। ঢেকে রাখার মতন অসংখ্য দোষ ত্রুটি আছে এই ধরনের নারীরা তাই ব্যক্তিত্ববান পুরুষের চাইতে ব্যক্তিত্বহীন পুরুষকেই বেশি পছন্দ করে থাকে সঙ্গী হিসাবে।

পরিবারের চাইতে বেশি গুরুত্ব পাওয়া যায়

সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্ত্রী ও বাবা-মা কে সমান গুরুত্ব না দিলে সম্পর্ক সুন্দর রাখা কঠিন ব্যাপার। এক্ষেত্রে দুপক্ষের মধ্যেই একটি সমতা বজায় রাখা জরুরী। কিন্তু অধিকাংশ পুরুষই হয় খুব বেশি বাবা-মা ঘেঁষা অথবা অতিরিক্ত বৌ ঘেঁষা হয়। আর এই বৌ-ঘেঁষা স্বভাবের ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদেরকে নারীরা বেশি ভালোবাসেন। সত্যি বলতে কি, অধিকাংশ নারীই চান তাদের স্বামী শুধু তাকে নিয়েই থাকবেন এবং তার পরিবারকে নিজের পরিবারের চাইতেও অনেক বেশি গুরুত্ব দেবেন। ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের কাছ থেকে এটা সহজেই মেলে। ব্যক্তিত্বহীন পুরুষেরা নিজের মা-বাবা, পরিবারকে পাশে ঠেলে স্বার্থপরের মতন কেবল বউ বা প্রেমিকা নিয়ে থাকেন। আর বিয়ের ক্ষেত্রে অনেক নারীই ব্যক্তিত্ববান পুরুষদের চাইতে ব্যক্তিত্বহীন বৌ-ঘেঁষা স্বভাবের পুরুষদেরকে বেশি ভালোবাসেন।

প্রতারণা করতে সুবিধা হয়

ব্যক্তিত্বহীন পুরুষদের সাথে প্রতারণা করা বেশ সহজ। এ ধরণের পুরুষদের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়েই নারীরা এক রকম একঘেয়েমীতে ভোগে এবং পরবর্তিতে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। আর স্ত্রীর প্রতি অন্ধ ভক্তির কারণে পরকীয়ার বিষয়টি অনেক পুরুষ আঁচও করতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রী পরকীয়া করছে জানতে পারলে পুরো ব্যাপারটিকে নিজের ব্যর্থতা হিসেবে মেনে নেয় তারা। তাই কিছুটা প্রতারক ধরণের নারীরা ব্যক্তিত্বহীন পুরুষের সঙ্গ বেশি পছন্দ করে।

ভালোবাসার সম্পর্কে আপনি কি অবহেলার শিকার? জেনে নিন একটি সহজ কুইজের মাধ্যমে

ভালোবাসার সম্পর্কে আপনি কি অবহেলার শিকার? জেনে নিন একটি সহজ কুইজের মাধ্যমে 


প্রত্যেকরই প্রাপ্য একটি সুন্দর স্বাভাবিক সম্পর্ক। ভালোবাসার সম্পর্ক অতি মাত্রায় সংবেদনশীল। সামান্য কিছু কারণেও সম্পর্কে চির ধরতে পারে সহজেই। তার উপর যদি সঙ্গীর কাছ থেকে অবহেলাসূচক ব্যবহার পাওয়া যায়, তাহলে সম্পর্কে ভাঙনের সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকটাই। তবে যে সম্পর্ক থেকে কেবল অবহেলা মেলে, সে সম্পর্ক হতে দূরে থাকাই শ্রেয়।
কিন্তু কী করে বুঝবেন যে ভালোবাসার সম্পর্কে আপনি অবহেলিত? ভালোবাসার খাতিরে অনেক সময়েই অনেক কিছু মেনে নেই আমরা, কিন্তু সেই ক্রমাগত "মেনে নেয়ার" ফলে আপনি নিজে অবহেলার শিকার হচ্ছেন না তো? তাই আজ রইলো একটি ভিন্নরকম কুইজ। যে কুইজে অংশ নিয়ে বুঝতে পারবেন আপনার ভালোবাসার সম্পর্কটি থেকে আসলে কি পাচ্ছেন আপনি। অবহেলা, নাকি সম্মান?

আপনার সঙ্গী কী আপনাকে বোঝে?

ক) পুরোপুরি বোঝে
খ) মাঝে মাঝে বোঝে
গ) কখনই বোঝে না বা বোঝার চেষ্টা করে না

আপনার সঙ্গী কি অনেক ভালো শ্রোতা?

ক) হ্যাঁ
খ) না
গ) নিজের কথাই বেশি বলে

আপনার সঙ্গী কি আপনাকে আপনার বন্ধুদের নিয়ে সন্দেহ করে?

ক) কখনোই নয়। আমরা আকে অপরকে বিশ্বাস করি।
খ) না।
গ) করতে পারে। সঠিক জানি না।

আপনার মতামতকে কতোটুকু প্রাধান্য দেন আপনার সঙ্গী?

ক) অনেক।
খ) মাঝে মাঝে প্রাধান্য দেন।
গ) সব সময় তার কথা মেনে নিতে হয়।

আপনার সঙ্গীর মেজাজ কী ঘন ঘন পরিবর্তিত হয়?

ক) যখন যেখানে যেমন হওয়া উচিত।
খ) মাঝে মাঝে।
গ) প্রতিদিনই তার পরিবর্তনশীল মেজাজের সম্মুখীন হতে হয়।

আপনার সঙ্গী তার অথবা আপানার বন্ধুদের সামনে আপনাকে হেয় করে কথা বলেন?

ক) কখনোই না।
খ) মেজাজ খারাপ হলে বলে ফেলেন।
গ) প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরি।

আপনার সঙ্গী কী আপনাকে তার কোন কাজের বাধা হিসেবে মনে করেন এবং এই নিয়ে আপনাকে কথা শোনান?

ক) এমনটি কখনো হয় নি।
খ) মন খারাপ হলে মাঝে মাঝে বলেন।
গ) প্রতিবারই বলেন, তোমার জন্য আজক আমার এই অবস্থা, তুমি আমার জীবনে না এলেই ভালো হতো।

আপনার সঙ্গী কি রেগে গিয়ে জিনিষপত্র ছোঁড়াছুঁড়ি করেন?

ক) কখনই নয়। রেগে গেলেও সে তার সীমা ভুলে যান না।
খ) মাত্রাতিরিক্ত রাগ উঠলে করে।
গ) তার কথা না শুনলে, না মানলে অল্পতেই রেগে গিয়ে জিনিষপত্র ছোঁড়াছুঁড়ি করেন।

ফলাফল:

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক হলেঃ

আপনি অনেক ভাগ্যবান/ভাগ্যবতী। আপনাদের সম্পর্ক চমৎকার পর্যায়ে আছে। আপনারা একে অপরকে বোঝেন ও সম্পর্কের মূল্য বোঝেন। একে অপরের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হবেন, এতে করে ভবিষ্যতেও কোনো ঝামেলার সম্মুখীন হতে হবে না।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খ হলেঃ

আপনার উপর আপনার সঙ্গীর পুরোপুরি আস্থা নেই। আপনাকে খুব বেশি বোঝেন না আপনার সঙ্গী। সম্পর্কটি নিয়ে সে নিজেই বিভ্রান্ত। ঘাবড়ে যাবার কিছু নেই। কোন সম্পর্কই পুরোপুরি ভাবে নিখুঁত নয়। একে অপরকে সময় দিন, বুঝতে শিখুন।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ হলেঃ

আপনাদের সম্পর্ক খুবই নাজুক পর্যায়ে আছে। আপনার সঙ্গী নিজের মত চলেন এবং আপনাকে আপনার প্রাপ্য সম্মান দেন না। আপনি চেষ্টা করে দেখতে পারেন। কথা বলে সমস্যা দূর করার চেষ্টা করে দেখুন। কাজ না হলে এই সম্পর্ক থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

মৃত্যুর পূর্বাভাস দেবে প্রযুক্তির ঘড়ি!!!!

মৃত্যুর পূর্বাভাস দেবে প্রযুক্তির ঘড়ি!!!!

মৃত্যু মানুষের কাছে এখনো এক চিরকালীন রহস্যময় জগৎ। মৃত্যু কখন কিভাবে আসবে তা কেউ জানে না। কিন্তু এবার এমন এক অ্যালার্ম ঘড়ি আবিষ্কার করেছে এক মার্কিন প্রতিষ্ঠান যে কিনা আপনার সম্ভাব্য আয়ুর পূর্বাভাস দেবে।
মৃত্যুর পূর্বাভাস দেবে প্রযুক্তির ঘড়ি!!!!

একই সঙ্গে এই বিশেষ ঘড়ি প্রতি সকালে নিয়ম করে জানিয়ে দেবে আপনার বর্তমান আর্থিক অবস্থাও। তবে এর জন্য ঘড়িটিতে অ্যালার্ম দেয়ার সময় অবশ্যই জানাতে হবে আপনার প্রকৃত জন্মদিন, কিছু ব্যক্তিগত তথ্য এবং বর্তমান আর্থিক সঙ্গতির কথা।রিট্রো-স্টাইলের লেড অ্যানিমেশন এই অ্যালার্ম ঘড়িটির উদ্ভাবকরা জানিয়েছেন, ঘড়িটিতে সময় দেখার পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা তাদের বর্তমান ব্যাংক ব্যালেন্স সম্পর্কেও ধারণা নিতে পারবেন। একই সাথে ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে কার কতো বন্ধু রয়েছে সেটিও বলে দেবে এই ঘড়ি।মৃত্যুর পূর্বাভাস দেবে প্রযুক্তির ঘড়ি!!!!
ঘড়িটি চালানোর জন্য ব্যবহারকারীর ঘরে অবশ্যই ওয়াইফাই সংযোগ থাকতে হবে। যার মাধ্যমে ঘড়িটি যুক্ত থাকবে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার, ফোন অথবা ট্যাবের সঙ্গে।

তবে এখনই এই ঘড়ি সম্পর্কে তীব্র আপত্তি তুলেছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা বলছে, ঈশ্বর ব্যতীত আর কেউ মৃত্যুর খবর জানে না।

ঘড়ির ডিজাইনার বলেছেন, প্রতি সকালের এই মৃত্যুর পূর্বাভাস বুঝতে সাহায্য করবে আমাদের জীবন কতোটা কঠিন। তাই এর মোকাবেলা করে আমাদের প্রতিদিন বেঁচে থাকতে হবে।

তবে এখনো বিশেষ এই ঘড়িটির বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়নি। এখনো এর জন্য তহবিল গঠনের কাজ চলছে।

আবিষ্কারকরা জানিয়েছে, ইতোমধ্যে তারা ঘড়িটির উৎপাদন বাণিজ্যিকভাবে শুরু করার জন্য ৭০০০ ডলার যোগাড় করে ফেলেছেন।

মৃত্যুর পূর্বাভাস দেবে প্রযুক্তির ঘড়ি!!!!

ভিসা ছাড়াই ঘুরে আসুন ২৫ দেশ

ভিসা ছাড়া বিদেশ যাওয়া কি কল্পনা করা যায় এই সময়ে। কিন্তু হয়তো জানেন না যে ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ২৫ টি দেশে যাওয়া যায়। ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে:এশিয়া মহাদেশের মধ্যে আছে : ভুটান (যত দিন ইচ্ছা), শ্রীলংকা (৩০ দিন) ।

আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে : কেনিয়া (৩ মাস), মালাউই (৯০ দিন), সেশেল (১ মাস) ।

আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে : ডোমিনিকা (২১ দিন), হাইতি (৩ মাস), গ্রানাডা (৩ মাস), সেন্ট কিট্‌স এন্ড নেভিস (৩ মাস), সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস), টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন), মন্টসের্রাট (৩ মাস),ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন), ওশেনিয়া মহাদেশের মধ্যে ফিজি (৬ মাস), কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন), নাউরু (৩০ দিন), পালাউ (৩০ দিন), সামোয়া(৬০ দিন), টুভালু (১ মাস), নুউ (৩০ দিন), ভানুয়াটু (৩০ দিন), মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন)।

বাংলাদেশে গোপনীয় ‘সেক্স ক্লিনিক’!!!

সেক্স আসলে কী, একটু বলবেন? ভীষণ লজ্জার কথা!! আপনি লাজ সরমের মাথা খাইছেন? সেক্স-টেক্স নিয়া কথা বলেন। ওগুলো হলো গোপনীয় বিষয়, জনসম্মুখে, দেখতে তো বাচ্চা-পোলাপাইন মনে হয়,বেয়াদবি! জবাব একজন বাবার, যিনি ১৫ বছরের মেয়ে আর ১২ বছরের ছেলের জনক। শিক্ষিত চাকুরিজীবি।
বাংলাদেশে গোপনীয় ‘সেক্স ক্লিনিক’!!!

শিক্ষিত হোক আর নাই হোক, গ্রামের কিংবা শহরের, বান্দা যেমনি হোক, যৌনতা বিষয়ে কঠিন রাখঢাক মেনে চলে সবাই। অন্তরে অতীব আগ্রহ থাকলেও স্বীকার করতে চায় না। আবার অনেকে অন্যের বিশেষকরে মেয়েদের পোষাক পরিচ্ছদ চলাফেরা নিয়ে সদা সক্রিয় সমালোচক, নিজে আবার এমন হেন কাজ নাই যা করে না। যাইহোক, যৌনতা নিয়ে আমাদের সমাজে যে একটা অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে, তাতে কোন সন্দেহ নেই। আর অস্বস্থির সুযোগে মানুষের মনে বিশেষকরে উঠতি বয়সী ছেলে-মেয়েদের মনে জেগে বসেছে নানা কুসংস্কার আর ভ্রান্ত ধারণা।ফায়দা লুটছে কিছু বিকৃতরুচির ব্যবসায়ী। ফলে যৌন জীবন নিয়ে হতাশাগ্রস্থ লোকের সংখ্যা দিন দিন চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ছে। অথচ, সেক্স আর দশটা প্রাথমিক শারীরিক চাহিদার মতো একটি। একে অস্বীকার করে বা লুকিয়ে রেখে সমস্যার কোন সমাধান হয় না, সুখী হওয়াতো অনেক পরের বিষয়। এরকম প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিদ্যা বিভাগ চালু করেছে ‘সাইকিয়েট্রিক সেক্স ক্লিনিক’।
গত ২১ মার্চ প্রতিষ্ঠানের শহীদ ডা. মিলন মিলনায়তনে ‘এসোসিয়েশন অব থেরাপিউটিক কাউন্সেলর’স, বাংলাদেশ’ এর দ্বিতীয় বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের কথা জানালেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বিপ্লব। যৌন সমস্যা বিষয়ে পরিষ্কার বৈজ্ঞানিক ধারনা তথা সচেতনতা বাড়ানো, উপযুক্ত চিকিৎসা দিয়ে জীবনের মানের গুনগত উন্নয়ন সাধন করাই এই ক্লিনিকের লক্ষ, জানালেন তিনি। আপাতত প্রতি সোমবার সকাল ১১.৩০ টায় মনোরোগ বিদ্যা বিভাগে এই ক্লিনিকের কার্যক্রম চলছে। বহির্বিভাগে আসা রোগীদের মধ্যে যারা সেক্সুয়াল সমস্যা নিয়ে আসে তাদের এই ক্লিনিকে রেফার্ড করা হয়। এ ছাড়াও অন্য বিভাগ হতেও রেফার্ড হয়ে অনেকে আসেন সেবা নিতে।

যথাযথ মুল্যায়ন করার পর প্রয়োজনীয় শারীরিক বা মানসিক চিকিৎসা দেয়া হয়। প্রয়োজন হলে হাসপাতালের অন্য বিভাগেও রেফার্ড করা হয় এখানকার রোগীদের। নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। শুভ কামনা রইল উদ্যোক্তাদের জন্য।

ডুরেক্স কনডম-এর যে বিজ্ঞাপনটি ব্যান করা হয়েছিল! (ভিডিও)

ডুরেক্স কনডম-এর যে বিজ্ঞাপনটি ব্যান করা হয়েছিল! (ভিডিও)



আইডিয়া হিসেবে দারুন একটি বিজ্ঞাপন হলেও ডুরেক্স কনডমের এই বিজ্ঞাপনটি টেলিভিশনে এটা ব্যান করে দেয়া হয়েছিল। দেখুন সেই মজার বিজ্ঞাপন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালেই বিজ্ঞাপনটি তৈরী করা হয়েছিল।

বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দশটি দেশ

বিশ্বের কোনো জাতিই দুর্নীতির দায় থেকে মুক্ত নয়। এমনও অনেক দেশ রয়েছে যেখানে দুর্নীতি সহ্য করা হয়, এবং দুর্নীতি তাদের জীবনর অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দশটি দেশ নিয়ে সাজানো এই প্রতিবেদন। আনন্দের খবর হচ্ছে বাংলাদেশ অনেক আগেই এই তালিকা থেকে বের হয়ে গিয়েছে।০১) কঙ্গো: বিশ্বের ভেতর দুর্নীতিতে এক নাম্বার অবস্থানে রয়েছে কঙ্গো। দুর্নীতিতে দেশের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ চমকে দেয়ার মতো। এমনকি সেখানে জীবন দিয়ে হলেও দুর্নীতি করার ঘটনা ঘটেছে।

০২) সোমালিয়া: সোমালিয়া আর সুদানের অবস্থা সমান সমান। তবে সোমালিয়া শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতিতে বিশ্বের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে।

০৩) মায়ানমার: চার দশক ধরে সামরিক শাসকের পর মাত্র মায়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু এতোদিনের দুর্নীতি থেকে বের হতে দেশটির আরও সময় লাগবে!

০৪) সুদান: গৃহযুদ্ধ, ধর্মীয় উগ্রতা এবং রাজনীতিবিদদের অসততা দেশটিকে দুর্নীতিতে ভাসিয়েছে। ফলে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ থাক স্বত্তেও দেশটি দুর্নীতি থেকে বের হতে পারছে না, উপরন্তু দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে

০৫) জিম্বাবুয়ে: জিম্বাবুয়ের দুর্নীতির কথা সারা বিশ্বই জানে। দুর্নীতির কারণে সেখানে মুদ্রাস্ফীতি এতো বেশী হয়ে গেছে যে লাখ ডলারের নোটও বের করতে হয়েছে!

০৬) নিরক্ষীয় গায়ানা: আফ্রিকার ভেতর সবচেয়ে সম্পদশালী দেশ এটি। তেল, প্রাকৃতিক গ্যাসের অভাব নেই। কিন্তু সবটাই চলে যায় প্রভাবশালীদের পকেটে। দেশের জনগণের সুযোগ খুবই কম।

০৭) গায়ানা: গায়ানার প্রেসিডেন্ট এবং তাঁ
র উপদেষ্টারা বিলিয়ন ডলারের ওপর দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত! জনগণ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের সাহায্য কামনা করছে তাদের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার জন্য!

০৮) উত্তর কোরিয়া: উত্তর কোরিয়ার দুর্নীতি এতোটাই যে মাঝে মাঝে মনে হয় পুরো উত্তর কোরিয়া সম্ভবত একজন মানুষের জন্যই কাজ করে আর সেটা হচ্ছে তাদের প্রেসিডেন্ট। দেশের সীমান্ত দিয়ে কেউ পার হয়ে চীনে যেতে চাইলে গার্ডরা পয়সার বিনিময়ে অন্যদিকে তাকিয়ে থেকে সীমান্ত হতে সাহায্য করে!

০৯) কম্বোডিয়া: কম্বোডিয়াবাসীর জীবনে দুর্নীতি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। ট্রাফিক আইন, মটরবাইক লাইসেন্স, মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট, এমনকি বিচার বিভাগও দুর্নীতি থেকে মুক্ত নয়! সেখানে দুর্নীতি দমন করাকে অনেকটা হাস্যকর দৃষ্টিতে দেখা হয়।

১০) ভেনিজুয়েলা: অনেকেই মনে করতে পারে তেলের খনি আবিষ্কৃত হওয়ায় ভেনিজুয়েলাতে সমৃদ্ধি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু আদতে তেলের খনি সবই কুক্ষিগত করে রেখেছে সরকারী আমলা।

বাঙালি মেয়ের থেকে বিদেশী মেয়ে পছন্দ শাকিব খানের

বাংলা চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় এক নাম শাকিব খান। সুপারষ্টার হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতিও এ অভিনেতা। সামনে একটি নয় একসঙ্গে তিনটি ছবির প্রযোজনা করছেন শাকিব। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নাম 'এসকে ফিল্মস'। প্রথম ছবিটি পরিচালনা করছেন বদিউল আলম খোকন।

এ প্রসঙ্গে শাকিব বলেন, "যে ধরনের ছবিতে আমি এর আগে কখনো অভিনয় করেনি। অর্থাৎ আমার ছবিতে এমন টেকনোলজি ব্যবহার করব যেগুলো এর আগে কোন বাংলা ছবিতে ব্যবহৃত হয়নি। পোষ্ট থাকবে হাই কোয়ালিটির আর কালার কম্বিনেশন তো আধুনিক থাকবেই।"

বর্তমান সময়ের এই হার্টথ্রপ নিজের ছবির সতন্ত্র বৈশিষ্ট্য প্রসঙ্গে বলেন, প্রথমত লোকেশনের দিক থেকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ছবির অধিকাংশ শুটিং মোম্বাই অথবা থাইল্যান্ডে করার চেষ্টা করব। গানগুলো তো এক্সক্লুসিভ হবেই। আর ছবির বাজেট থাকবে অনেক বেশি। জানিয়ে রাখা ভালো আমি একসাথে তিনটি ছবির প্রযোজনার কাজ করছি।

অভিনেতা থেকে প্রযোজনা, এরপর কি পরিচালক শাকিব কে দেখবে দর্শক?, জানতে চাইলে তার জবাব, "না। আপাতত পরিচালক হওয়ার ইচ্ছা নেই। সামনে প্রযোজনাটাই অনেক সময় এবং গুরুত্ব দিয়ে করব। যেন বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ড্রাস্টি বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং সমাদৃত হয়। এর আগে তো অনেকেই মুখে মুখে অনেক কথা বলেছে এবার আমি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে প্রমাণ করতে চাই।"

বিয়ে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, "বিয়েটা দু’বছর পরেই করব। আর একটু গুছিয়ে তারপর। চিন্তা করছি দেশে নয় দেশের বাইরে বিয়ে করব। এর মধ্যে কয়েকজন প্রবাসী বাঙালি মেয়ের সাথে পরিচয়ও হয়েছে আমার।"

শাকিব আর যোগ করে বলেন,"আমি আমার কয়েকজন বড় ভাইয়ের বউদের দেখেছি তারা কেউ আমেরিকান কেউ রাশিয়ান। বাঙালি মেয়ের থেকে তাদের মনমানসিকতা ভাল। স্বামী ও সংসার বোঝাবুঝির ব্যপারটা তারা ভালই বোঝে। তাই মেয়ে দেখার বিষয়টা দেশের বাইরেই করছি।"


লেডি গাগার মূত্র দিয়ে পারফিউম!

একের এক আলোচনা সমালোজার যোগান দিতে বেশ পটু লেডি গাগা। এবার নিজের মূত্র থেকে পারফিউম তৈরির কথা জানালেন তিনি। একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের সঙ্গে মূত্র থেকে পারফিউমের কথা অকপটে জানান গাগা। ইতোমধ্যে লেডি গাগার মূত্র বোতলজাত করা হয়েছে। খুব শিগগির পারফিউম হিসেবে বাজারে আসবে এটি।

লেডি গাগা সম্প্রতি একটি শোতে যোগ দেন । শোর শেষ রাতে ২৭ বছর বয়সী এই হিট মেকার মঞ্চের পেছনে চলে যান এবং ড্রেসিং রুমে গিয়ে একটি বোতলে মূত্রত্যাগ করেন। শোর উপস্থাপক অ্যান্ডি কোহেন বলেন, ‘শুনতে অদ্ভুত হলেও গাগা বোতলেই মূত্র ত্যাগ করেছেন। এজন্য গাগা আমাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে। তিনি যেখানে ইচ্ছা সেখানে মূত্র ত্যাগ করতে পারেন। আমরা এটাকে সুন্দর একটি বোতলে সংরক্ষণ করেছি। আমি জানি এটা অপ্রীতিকর। তবে আশার কথা এটা মহামূল্যবান কিছু হতে যাচ্ছে।”

গাগা বলেন, “দেখুন, আমি বাথরুমে যাওয়ার পথ খুঁজে পাইনি। তাই এমনটি করেছি কিন্তু এজন্য আমি দুঃখিত।”

সূত্র: দ্য মিরর