আপনার ব্রেকআপের খবর জানে ফেসবুক!

খুব শীঘ্রই হতে চলেছে আপনার ব্রেকআপ! এতো সুন্দর সম্পর্কের ইতিটা শেষ পর্যন্ত ব্রেকআপের মাধ্যমেই হবে। ভাবছেন আপনার ব্রেকআপের ব্যাপারটি আগে থেকেই কিভাবে অনুমান করা হয়েছে? আপনার ব্রেকআপ হতে চলেছে সে কথা আপনি কাউকে না জানালেও ফেসবুক কিন্তু সবই জানে! অর্থাৎ ফেসবুক আপনার ব্রেকআপের বিষয়টি আগে থেকেই আঁচ করতে পারে। আপনার সম্পর্কের অন্তিম পরিনতি তারায় তারায় লিখে দেয়নি সৃষ্টিকর্তা। কিন্তু আপনার সামাজিক পরিধিতেই লেখা হয়ে যায় সম্পর্কের পরিণতির বিষয়টি।করনেল ইউনিভার্সিটির গবেষক জন ক্লেইনবার্গ এবং ফেইসবুকের সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার লারস ব্যাকস্ট্রোম তাদের সমন্বিত গবেষণায় একটি রিসার্চ পেপারে এই তথ্য উল্ল্যেখ করেছেন। রিসার্চ পেপারটি ফেব্রুয়ারীতে একটি সোশাল কম্পিউটিং কনফারেন্সে প্রকাশ করা হয়েছিলো।

গবেষকরা ১.৩ মিলিয়ন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ওপর গবেষণাটি চালিয়েছেন। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী সবার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসে ‘ইন এ রিলেশনশিপ’ দেয়া ছিলো। তাদের উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা যায় যে যাদের মিউচুয়্যাল ফেন্ডদের মধ্যে যোগাযোগ বেশি তাদের ব্রেকআপের হারও বেশি।
গবেষকরা এই পুরো থিওরিটিকে ‘ডিসপারশন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। ডিসপারশন পরিমাপ করা হয় দুজন মানুষের মিউচুয়্যাল ফ্রেন্ডের তালিকার সংখ্যা অনুসারে। যুগলদের মধ্যে যাদের মিউচুয়্যাল ফেন্ডদের মধ্যে যোগাযোগ কম তাদের ডিসপারশন বেশি। একই ভাবে যে সব যুগলদের মিউচুয়্যাল ফ্রেন্ডদের মধ্যে যোগাযোগ বেশি তাদের ডিসপারশন কম।

ফেসবুক থিওরিতে বলা হয়েছে যে যদি আপনি এবং আপনার সঙ্গী ফেসবুকে একই সামাজিক সার্কেলের সাথে মেলামেশা করেন অর্থাৎ ডিসপারশন কম থাকে তাহলে আপনাদের নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনযাপনে ব্যাঘাত ঘটে। ফলে সম্পর্কের পরিণতি খারাপের দিকে যায় এবং এক সময়ে সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দেয়। ফেসবুকের মতে একটি সুন্দর স্বাস্থ্যকর সম্পর্কে দুজনেরই আলাদা আলাদা সামাজিক মেলামেশার পরিধি থাকে এবং অনেক বেশি মানুষের সাথে পরিচয় থাকে। এক্ষেত্রে এই সম্পর্ক গুলো খুব বেশি কাছের না হলেও চলে। গবেষণায় গবেষকরা বলেছেন যে দুজন সঙ্গীর এবং তাদের পরিচিত মানুষদের সম্পর্কগুলো ডিসপারসড কাঠামোতে থাকা উচিত।

যদিও গবেষনার গানিতিক হিসাব নিকাশ সবার ক্ষেত্রে মিলে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতেই পারে। তবে ফেসবুকের গবেষকরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দুজনের মিউচুয়্যাল ফ্রেন্ডের সংখ্যা এবং পরিচিতির গন্ডির উপর ভিত্তি করে ব্রেকআপের সম্ভাবনা আঁচ করে ফেলতে পারে।

মোবাইল বিস্ফোরণে ছাত্রীর মৃত্যু

 রাজধানীতে মোবাইল বিস্ফোরণে উম্মে সাদিয়ান আফিকা লামিয়া রহমান (২৩) নামে গুরুতর দগ্ধ কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, গত শনিবার গভীর রাতে মোবাইল চার্জে দিয়ে কথা বলছিলেন লামিয়া। এ সময় বিকট শব্দে মোবাইলের বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়। এতে লামিয়া গুরুতর দগ্ধ হন।

পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। আগুনে তার শরীরের ৮০ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল।

লামিয়ার গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে। তিনি ঢাকা সিটি কলেজে অ্যাকাউন্টিংয়ে অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। বান্ধবীদের সঙ্গে আজিমপুর চতুর্থ শ্রেণীর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে ভাড়া থাকেন তিনি।

দাঁত পুনরুদ্ধারে গরুর দুধ

ভারি চিন্তায় পড়ে যান মা মিশেল। তার মনে হলো, এর জের অনেক দিন ভুগতে হবে বেনকে।

তাড়াতাড়ি ছেলেকে নিয়ে ডেন্টিস্টের কাছে ছুটে গেলেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ওর দাঁতের তিন ভাগের দু’ভাগ ভেঙে গিয়েছিল।


ডাক্তার ভেবেছিলেন, গোড়ার দিকটা অক্ষত আছে। তাই ওপরের ভাঙা অংশে ক্যাপ পরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ক্যাপ লাগানোর মাসখানেক পরেই খসে যাচ্ছিল।

এর পর আবারও সেই ক্যাপই পরানো হচ্ছিল এবং আবার চার কি ছয় সপ্তাহ পরেই তা খুলে পড়ে যাচ্ছিল। কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না, এমনটা কেন হচ্ছে।

একদিন বেনের একটা দাঁতে ব্যথা শুরু হয়। দাঁতটায় ইনফেকশন হয়েছিল। ডেন্টিস্ট সতর্ক করে দেন, বেন খুব শিগগির সামনের দাঁতগুলো হারাতে যাচ্ছে।
পুরো প্রতিবেদনটি পড়ুন বুধবারের মু্দ্রিত সমকালে অথবা মুদ্রিত সমকালের ওয়েব সংস্করণে।

আইফোন কিনতে সন্তান বিক্রি

আইফোন ও বিলাসী পণ্য কিনতে চীনা দম্পতি তাদের কন্যাশিশুকে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। চীনের এক দম্পতির বিরুদ্ধে আইফোন ও বিলাসী পণ্য কিনতে নিজেদের কন্যাশিশুকে বিক্রির অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এই দম্পতি দীর্ঘমেয়াদে কারাদণ্ডিত হতে পারেন।
আইফোন কিনতে সন্তান বিক্রি

চীনের গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে গতকাল শুক্রবার ‘ডেইলি মেইল’ জানায়, দেশটির সরকারি কৌঁসুলিরা অভিযোগ করেছেন, ঝাং ও তেং দম্পতি প্রায় ছয় লাখ টাকার বিনিময়ে তাদের কন্যাশিশুকে বিক্রির জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে। ইন্টারনেট, আইফোন ও অন্যান্য বিলাসী পণ্য কিনতে তারা এই টাকার সিংহভাগ খরচ করেছে। ওই দম্পতির ব্যাংক হিসাব ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনেও এর প্রমাণ রয়েছে।

শিশু বিক্রির বিনিময়ে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ওই বেকার দম্পতি। তাদের দাবি, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্যই শিশুটিকে অন্যের কাছে হস্তান্তর করেছে তারা।

গত বছর চীনে আইফোন ও আইপ্যাড কিনতে এক কিশোর তার কিডনি বিক্রি করে। এ কাজে জড়িত থাকার দায়ে সাতজনের কারাদণ্ড হয়।

দিনের বেলায় কলেজছাত্রী, রাতে যৌনকর্মী

ডেস্কঃ তালুকাস ও নাগপুর থেকে কাজ ও পড়াশোনার জন্য আসা অনেক মেয়ে পৃথিবীর আদিমতম পেশাটি বেছে নেন। চমকে দেয়ার মতো খবর হলো এখনও নাগপুরের নিকটবর্তী এলাকা ওয়াদি, হিংনা, কালমেশ্বর, কেম্পটি থেকে হাজার মেয়েরা পড়াশোনা বা কাজের খোঁজে এসে নিজেদের বিলিয়ে দিচ্ছেন টাকার জন্য।মিসেস জ্যাকিল এবং মিসেস হাইড বেশির ভাগ মেয়েরাই দুই রকম জীবন-যাপন করেন। তারা তাদের পরিবারকে বোঝাতে চেষ্টা করেন যে, নাগপুর তাদের স্বপ্নের ঠিকানা। ভরসা পেগেল নামে একটি এনজিওর ম্যানেজার পতিতাপল্লীর বাইরের যৌনকর্মীদের জন্য এইডস নিয়ে কাজ করছেন।

তিনি জানান, বেশির ভাগ মেয়েরা ১৮থেকে ২৫ বছর বয়সী। তারা সবাই গরীব পরিবার থেকে এসেছে তা নয়। অনেকে আছেন, সম্ভ্রান্ত মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য। তারা পড়াশোনার পাশা
পাশি বাড়িতে আয়ের জন্য রাতে বেশ্যাবৃত্তির পথ বেছে নিয়েছে। এদের মধ্যে নার্সিং, আর্টস, কমার্স, ও বিজ্ঞানের ছাত্রীও আছে। আমরা তাদেরকে পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করছি।

ভরসা আরো জানান, এই শিক্ষার্থীরা যেহেতু অল্প বয়সী তাই তারা খদ্দেরের কাছ থেকে ভাল টাকা পায়। তারা এটা সরাসরি খদ্দেরের কাছ থেকে নেয় অথবা তাদের দালালের মাধ্যমে নেয়। তারা প্রতিরাতে ৬হাজার থেকে ১০হাজার রুপি পর্যন্ত পেয়ে থাকে। আর ঘন্টায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার রুপি। পুরোটাই নির্ভর করে খদ্দেরের উপরে। তারা গড়ে সপ্তাহে দুই এই খেপ দিয়ে থাকে।
বিলাসী জীবন যাপন

কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই অর্থের একটা অংশ তাদের পরিবারের কাছে যায়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা দামী মোবাইল সেট, দামী মেক-আপ সেট, কাপড়-চোপড় ইত্যাদির পেছনে খরচ করে। এবং এই মেয়েদের সবাই মাছের মত মদ্যপানে অভ্যস্ত।

ভরসা জানান, আমাদের ডাটাবেজে ৩হাজারের মতো পতীতাপল্লীর বাইরের যৌনকর্মী রয়েছে এবং এদের ৭০ শতাংশই এই শিক্ষার্থীরা। অভিভাবকরা অনেকেই তাদের সন্তানদের এই জীবন সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

৫টি কারণে মেয়েরা ব্রেক আপে যায়

আপনার ব্যবহারের কারণেই আপনার বান্ধবী ব্রেক আপের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কাজেই দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়াতে চাইলে কয়েকটি বিষয়ের ওপর আলাদা করে আপনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।সবকিছু চাপিয়ে দেওয়া: আপনার স্বভাব যদি হয়, সবকিছু প্রেমিকার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার। তাহলে সে স্বভাব সময় থাকতে বদলে ফেলুন। প্রেমিকার ওপর সবসময় আপনার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন না। তাকে তার মতো করে ভাবতে দিন। নয়লে কখনো যদি মনে হয়, আপনার সঙ্গে সময় কাটাতে তার দম বন্ধ হয়ে আসে। তাহলে সে ব্রেক আপে যাওয়াই শ্রেয় মনে করবে।

সবসময় আঠার মতো লেগে থাকা: সব সময় তার ওপর নজরদারি করবেন না। আপনার অতিমাত্রার সিরিয়াসনেস আসলে অতিমাত্রায় বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। ঘন ঘন ফোন দেওয়া। সবকিছুর কারণ জানতে চাওয়া, এসব বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন।

অতি নির্ভরশীল হওয়া: আপনি আপনার প্রেমিকার ওপর অতি নির্ভরশীল হলে জেনে রাখুন, অতি নির্ভরশীল ছেলেদের মেয়েরা পছন্দ করে না। সম্পর্কের শুরুতে হয়ত ঠিক আছে। কিন্তু আস্তে আস্তে তাকে বোঝাতে হবে যে আপনি আত্মবিশ্বাসী। যে কোন বিপদে প্রেমিকার পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আপনার আছে।

অতৃপ্ত যৌন জীবন: সারাদিন কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে যান। প্রিয়তম স্ত্রীর সাথে হালকা-পাতলা খুনসুটি করেই আপনি ক্লান্ত। অথবা আপনাদের যৌন জীবনে আপনার আগ্রহ একেবারেই কম। তাছাড়া স্ত্রীও এসব বলতে চায় না। এক্ষেত্রে এই একাকীত্ব মেনে নেওয়া মেয়েদের পক্ষে অসম্ভব। প্রেম-ভালবাসার কমতি মেয়েরা মেনে নিতে পারে না।

পরস্ত্রীকাতর: আপনি যদি পরস্ত্রী কাতর হন, তাহলে আপনার সম্পর্কে বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হবে এমন আশা করা ভুল। আপনি আপনার বান্ধবীর কাছে অন্য মেয়েদের প্রশংসা বেশি করবেন না। বন্ধুর স্ত্রীদের তো নাই।

বাজার আসছে উচ্চ প্রযুক্তির ট্যুইটিং ব্রা।

বাজার আসছে উচ্চ প্রযুক্তির ট্যুইটিং ব্রা। নিয়ে আসছে নির্মাতা সংস্থা নেসলে ফিটনেস। ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে এই নয়া বক্ষ বন্ধনী সম্বন্ধে পরিচিতি করাচ্ছে নেসলের বিজ্ঞাপন নির্মাতা সংস্থা অগিলভি আথেন্স। গোলাপি রঙের এই অভিনব ব্রা-এর এই অদ্ভুত নামকরণ কেন? নির্মাতা সংস্থা জানাচ্ছে, যিনি এই বক্ষ বন্ধনী ব্যবহার করবেন তিনি এটি খোলামাত্র অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্যুইট হয়ে যাবে।  অর্থাৎ অন্তর্বাসটি খুললেই ট্যুইট করা যাবে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই বিশেষ বক্ষ বন্ধনীর হুকের নিচে থাকবে খুবই ছোট্ট একটি অত্যাধুনিক স্যুইচ বা সেন্সর। কোনও মহিলা যতবার বক্ষ বন্ধনীটি খুলবেন ততবার হুকটি খোলা মাত্র একটি সঙ্কেত পৌঁছে যাবে ব্যব
হারকারীর মোবাইল ফোনে। মোবাইল থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সঙ্কেত চলে যাবে সার্ভারে। সার্ভার তখন ওই মহিলার হয়ে ট্যুইট করে দেবে। ট্যুইটে কোনও কথা বা বাক্য না থাকলেও থাকবে সবার বোঝার মতো বিশেষ সঙ্কেত। এজন্য বক্ষ বন্ধনীর হুকের নিচে সেন্সরটি সব সময় সক্রিয় থাকবে। মোবাইল সুইচ অন রাখতে হবে। একইসঙ্গে ট্যুইটারের অ্যাকাউন্টটিও অন রাখতে হবে। তবেই সব সময় সুষ্ঠুভাবে অটোমেটিক ট্যুইট হবে। অবশ্য তিনটি জিনিসকে অন রাখা অভ্যেসের ব্যাপার। এটা কঠিন কোনও কাজ নয়।

কিন্তু কেন এই অভিনব উদ্যোগ? সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বের সব বয়সের মহিলাদের মধ্যে স্তন ক্যানার বেড়েই চলেছে। কয়েক বছর পরে এই রোগ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে মহামারীর আকার নিতে চলেছে। তাই ভারতের মতো তৃতীয় বিশ্বের জনবহুল দেশে মহিলাদের মধ্যে স্তন ক্যানসার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতেই এই ট্যুইটিং ব্রা নিয়ে আসা হচ্ছে। কারণ বেশিরভাগ মহিলাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর নিজেদের স্তনের চেক আপ করান না। ফলে স্তনের মধ্যে রক্ত সংবহন, লাম্প, ব্যথা ইত্যাদি নিয়ে তাঁদের কোনও হেলদোল থাকে না। সমস্য জটিল হলে তখন টনক নড়ে। কারণ কেউ তাঁদের চেক আপ করানোর ব্যাপারে স্মরণ করান না। নিজেদেরও মনে থাকে না।

এক্ষেত্রে যখনই এই বক্ষ বন্ধনী ব্যবহারকারী নিজের অন্তর্বাসটি খুলবেন তখনই ট্যুইট হয়ে যাবে। ফলে ট্যুইট হওয়া মাত্র ওই ভদ্রমহিলার মনে পড়বে তাঁকে এবার ব্রেস্ট চেক আপ করাতে হবে। এভাবে বার বার ট্যুইট হলে বার বার রিমাইন্ডার যাবে তাঁর কাছে। ফলে তিনি চেক আপের ব্যাপারটি অবহেলা করে ফেলে রাখতে পারবেন না।  নেসলে ফিটনেস ও অগলভি আরও জানিয়েছে, বিশ্বে এই ধরনের অন্তর্বাস এই প্রথম যেটি আপনাকে বার বার মনে করাবে মাসে একবার করে অন্তত আপনার স্তন পরীক্ষার সময় এসে গিয়েছে। স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ করার জন্যই এই দাওয়াই। এতে ক্রেতারা ভালই সাড়া দেবে বলে মনে করছেন হাই টেক ব্রা-এর নির্মাতারা।

ল্যাপটপে বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধ!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘ডেল’ এর ‘ল্যাটিচিউড ৬৪৩০ইউ’ মডেলের ল্যাপটপে বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধ পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ল্যাপটপে বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধ!

বুধবার যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গত জুন মাসে প্রথম এ অভিযোগ উঠে। কিন্তু সম্প্রতি অনেকেই এ অভিযোগ তুলেছে। বিষয়টি নিয়ে ডেল কোম্পানির বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

কোম্পানির এক যন্ত্রবিদ স্টিভ বি বলেছেন, ‘ল্যাপটপ তৈরির সময় সবার অজান্তে ভুলটি হয়েছে। কিন্তু এ গন্ধ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ কোনো প্রভাব ফেলবে না।’

তিনি বলেন, ‘যারা এ ধরনের ল্যাপটপ কিনেছেন তারা সেটি পরিবর্তন করতে পারবেন। আর বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধ আছে এমন ল্যাপটপ পরীক্ষা করে সেগুলোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।’

হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায় জেনে নিন

হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায়  

হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায়

হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায়

নিয়মিত হস্তমৈথুন শরীরের জন্য ভালো। তবে এটা খুব বেশি করলে এবং সেই অনুপাতে শরীরের যত্ন না নিলে শারীরিক ও মানসিক ভাবে ক্লান্তি আসতে পারে। এটা যাতে নেশায় পরিনত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাদের কাছে এটা নেশার মত মনে হয়, এবং মনে প্রাণে কমিয়ে দিতে চাইছেন, তাদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করণীয় হতে পারে-

১. প্রথমেই মনে রাখতে হবে, হস্তমৈথুন বা স্বমেহন কোন পাপ বা অপরাধ নয়। এটা প্রাণীদের একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা করে ফেলে কোন প্রকার অনুশোচনা, পাপ, বা অপরাধবোধে ভুগবেন না। এমন হলে ব্যাপারটা সব সময় মাথার মধ্যে ঘুরবে এবং এ থেকে মুক্তি পেতে আবার এটা করে শরীর অবশ করে ফেলতে ইচ্ছে হবে।
মনে রাখবেন আপনি মানুষ। আর মানুষ মাত্রই ভুল করে। এটা করে ফেলার পর যদি মনে করেন ভুল হয়ে গেছে তো সেজন্য অনুশোচনা করবেন না। নিজেকে শাস্তি দেবেন না। বরং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হোন যাতে ভবিষ্যতে মন শক্ত রাখতে পারেন।

২. যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন।
যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইব বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন।
কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন।
কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন।
অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। সব সময় কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকুন। আগে থেকে সারাদিনের শিডিউল ঠিক করে রাখুন। তারপর একের পর এক কাজ করে যান। হস্তমৈথুনের চিন্তা মাথায় আসবে না।
যারা একা একা সময় বেশি কাটায়, যাদের বন্ধুবান্ধব কম, দেখা গেছে তারাই ঘনঘন হস্তমৈথুন বেশি করে। একা একা না থেকে বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটান। একা একা টিভি না দেখে বন্ধুদের সাথে কিছু করুন। বন্ধুবান্ধব না থাকলে ঘরে বসে না থেকে পাবলিক প্লেসে বেশি সময় কাটান।

৩. বসে না থেকে সময়টা কাজে লাগান। জীবনকে সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড দিয়ে ভরিয়ে তুলুন। সব সময় নতুন কিছু করার দিকে ঝোঁক থাকলে হস্তমৈথুনের ব্যাপারটা মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে। এই সাথে আরো সব বাজে জিনিসগুলোও জীবন থেকে হারিয়ে যাবে। নতুন ভাবে জীবনকে উপলব্ধি করতে পারবেন, বেঁচে থাকার নতুন মানে খুঁজে পাবেন।
সৃষ্টিশীল কাজে জড়িয়ে পড়ুন। লেখালেখি করতে পারেন, গান-বাজনা শিখতে পারেন, আঁকাআঁকি করতে পারেন, অথবা আপনি যা পারেন সেটাই করবেন।
নিয়মিত খেলাধূলা করুন। ব্যায়াম করুন। এতে মনে শৃঙ্খলাবোধের সৃষ্টি হবে। নিয়মিত হাঁটতে পারেন, দৌড়াতে পারেন, সাঁতার কাটতে পারেন, জিমে গিয়া ব্যায়াম করতে পারেন। বিকেলে ফুটবল, ক্রিকেট- যা ইচ্ছে, কিছু একটা করুন।
স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার খাবেন। ফলমূল-শাকসবজি বেশি খাবেন।
নতুন কোন শখ বা হবি নিয়ে মেতে উঠুন। বাগান করতে পারেন, নিজের রান্না নিজে করতে পারেন, আরো কত কিছু আছে করার। আপনি যা করতে বেশি পছন্দ করেন, সেটাই করবেন। কিছুদিন পর আবার আরো নতুন কিছু করতে বা জানতে চেষ্টা করুন।
অফুরন্ত সময় থাকলে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ুন। দেশ ও দশের জন্য সেবামূলক কাজে জড়িত হোন।

৪. ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনের একটা নেশা থেকে মুক্ত পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার আগাতে হবে।
ভালো কাজ করলে নিজেকে নিজে নিজে পুরস্কৃত করবেন। ভালো কোন জায়গাত ঘুরতে যাবেন। ভালো কোন রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেয়ে আসবেন। নিজেকে ছোট ছোট গিফট কিনে দেবেন এবং সেগুলো চোখের সামনে রাখবেন এবং মনে করবেন যে অমুক ভালো কাজের জন্য এই জিনিসটা পেয়েছিলেন।

৫. অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই।

###########

কিছু টিপস:
১. ঘুমে সমস্যা হলে তখন সুগার ফ্রি মিন্টস্‌ বা ক্যাণ্ডি চিবাতে পারেন। হালকা কিছু খেলেও তখন উপকার হয়। তবে ঘুমিয়ে পড়ার আগে দাঁত ব্রাশ করে নেবেন।
২. কম্পিউটারে পর্ণ ব্লকিং সফটওয়ার ইনস্টল করে নিন। আজব একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন যাতে পরে ভুল যান। অথবা কোন বন্ধুকে দিয়ে পাসওয়ার্ড দিন। নিজে মনে রাখবেন না।
৩. কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে।
৪. হস্তমৈথুন একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে না। নিজেকে বোঝাবেন যে মাঝে মাঝে করবেন। ঘনঘন নয়।
৫. যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলুন।
৬. যখন দেখবেন খুব বেশি হস্তমৈথুন করতে ইচ্ছে হচ্ছে এবং নিজেকে সামলাতে পারছেন না, বাইরে বের হয়ে জোরে জোরে হাঁটুন বা জগিং করুন।
৭. সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন।
৮. ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে।
৯. হস্তমৈথুনে চরম ভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন।
১০. সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না।
১১. ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন।
১২. যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন।
১৩. বাথরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন।
১৪. যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন।
১৫. মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। নিজের মা বা বোন মনে করবেন।
১৬. হাতের কব্জিতে একটা রাবারের ব্যান্ড লাগিয়ে নেবেন। সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হলে তুড়ি বাজাতে পারেন, পা দোলাতে পারেন- এতে কুচিন্তা দূর হয়ে যাবে।
১৭. যতটা সম্ভব নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
১৮. যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন।
১৯. বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান।
২০. ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।
২১. নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন।
২২. বাড়িতে বা রুমে কখনো একা থাকবেন না।
২৩. কোনদিন করেন নাই, এমন নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।
২৪. উপুর হয়ে ঘুমাবেন না।
২৫. বিকেলের পরে উত্তেজক ও গুরুপাক খাবার খাবেন না।
২৬. গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাম করবেন না।
২৭. ফোনসেক্স এড়িয়ে চলুন।

সুন্দরী ছাগল প্রতিযোগিতা!

মানুষ সুন্দর ভালবাসে। সুন্দরের মাধুর্যে বুদ হতে চায় সকল মানুষের হৃদয়। আর তাইতো প্রতিবছর বিশ্বে মিস ইউনিভার্স, মিস ওয়ার্ল্ড, মিস আর্থ সহ বিভিন্ন সুন্দরী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এই সকল সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও এলাকা থেকে সুন্দরী প্রতিযোগীরা অংশ গ্রহণ করে থাকে। এছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন সুন্দরী প্রতিযোগিতা।


মানুষের মাঝের সৌন্দর্যকে খুঁজে বের করার জন্য এই সকল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। হ্যাঁ, আপনারা সাধারণত এই ধরনের সুন্দরী প্রতিযোগিতার সাথে বেশী পরিচিত। তবে মানুষের সৌন্দর্য খোজার বাহিরেও অনেক সময় ব্যতিক্রমী কিছু সুন্দরী প্রতিযোগিতা মাঝে মাঝে দেখা যায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতা হচ্ছে ছাগল সুন্দরী প্রতিযোগিতা। কি অবাক হলেন? অবাক করা বিষয় হলেও আমাদের আজকের বিষয় ছাগল সুন্দরী প্রতিযোগিতা।

মিস ইউনিভার্স বা এই জাতীয় সুন্দরী প্রতিযোগিতার বাহিরে ব্যতিক্রমী এক সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল ২০১১ সালের ০৫ জুলাই তারিখে লিথুনিয়ার রামিগালা শহরে। যে প্রতিযোগিতার প্রতিযোগী ছিল এক পাল ছাগল। যাদের মোট সংখ্যা ছিল ১৩টি। রামিগালা শহর কর্তৃপক্ষ এই ছাগল সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল।

প্রাথমিক বাছাইয়ের পর মোট ১৩টি ছাগল অংশ গ্রহণ করে এই প্রতিযোগিতায়। সেরার মুকুটে লড়াইয়ে শুধু যে ছাগলরাই উত্তেজিত ছিল তা কিন্তু নয়, উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল ছাগলের মালিক থেকে শুরু করে শহরের সাধারণ জনসাধারণও। প্রতিযোগিতা শুরুর আগে শহর জুড়ে ছিল বিতর্ক আর জল্পনা-কল্পনা যে, কার ছাগল পাবে সেরার খেতাব? মালিকরা একে অপরের ছাগলের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও চালিয়েছিলেন গোয়েন্দাগিরি। এমনকি কারো ছাগল নেশা জাতীয় গুল্ম ‘ব্রুম’ এর প্রতি আসক্ত কিনা সে খোঁজও নিয়েছিল প্রতিপক্ষরা। শুধু তাই নয়, এসব নিয়ে তুমুল ঝড় উঠেছিল সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতেও।

মানুষের সুন্দরী প্রতিযোগিতায় তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব নাম থাকে। কিন্তু ছাগলদের প্রতিযোগিতায় তাদের কি বলে ডাকা হবে! তাই প্রত্যেক ছাগলের মালিক তার প্রতিযোগীর জন্য রেখেছিল সুন্দর একটি নাম। প্রত্যেক মালিক তাদের ছাগলকে প্রতিযোগিতার স্থলে নিয়ে এসেছিল সুন্দর পরিপাটি করে সাজিয়ে। কেউ কেউ আবার তাদের ছাগলের মাথায় জড়িয়ে এনেছিল বিভিন্ন ধরনের কাপড়ের মুকুট। শহর কর্তৃপক্ষ ও হাজার হাজার লোকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ব্যতিক্রমী এই ছাগল সুন্দরী প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতা শেষে ঘোষণা করা হয় সেরা সুন্দরী ছাগলের নাম।সেরা সুন্দরী ছাগলের খেতাব জয় করেন যে ছাগলটি তার নাম ছিল “গ্র্যাজিওলাইট ”।

প্রতিযোগিতায় ছাগলদের সৌন্দর্য, বুদ্ধিমত্তা ও শারীরিক অবয়বকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল। গ্র্যাজিওলাইট সব ছাগল থেকে ব্যতিক্রম থেকে পুরস্কার জয় করে কারণ তার দেহে কোনও উৎকট গন্ধ ছিল না। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই ছাগল প্রতিযোগিতা সেখানের স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি করেছিল। উল্লেখ্য, লিথুনিয়ার রামিগালা শহরটি ছাগলের জন্য বিখ্যাত। আর সেই হিসেবে ছাগল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে শহর কর্তৃপক্ষ একটি ইতিহাসের জন্ম দিয়েছেন।

রহস্যাবৃত মহাবিশ্বের কিছু ঘটনা – তিন

আমাদের এই বিশ্ব বড়ই রহস্যময়। কালের আবর্তনে এই বিশ্ব ধরায় এমন কতগুলো ঘটনা ঘটেছে যা সবার কাছে আজও রহস্যময়। এই সকল ঘটনাগুলো সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিজ্ঞানীরাও পর্যন্ত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে কোনও উত্তর খুঁজে পান নি। ধারনা করা হয় এই ঘটনাগুলোর রহস্য মনুষ্য চিন্তা ধারার বাইরের। বিশ্বের এই সকল রহস্যাবৃত ঘটনাগুলো সম্পর্কে আমরা ধারাবা
রহস্যাবৃত মহাবিশ্বের কিছু ঘটনা – তিন
হিকভাবে জানার চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে ১ম ও ২য় পর্বে আমরা কয়েকটি ঘটনা সম্পর্কে জেনেছি। আজ ৩য় পর্বে আমরা আরও কিছু বিষয়ে জানবো।

৭. (লেবনিকভের ভবিষ্যৎ বানী)

রাশিয়ার বিখ্যাত কবি ছিলেন ভেলিমির লেবনিকভ। অবশ্য এটি ছিল তার ছদ্ম নাম, তার আসল নাম ছিল ভিক্টর ভ্রাদিমিরোভিচ লেবনিকভ। তিনি জন্ম গ্রহণ করেন ১৮৮৫ সালে এবং মারা যান ১৯২২ সালে। লেবনিকভের জীবদ্দশায় সোভিয়েত ইউনিয়নে ১৯০৫ সালে যখন রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল তখন তিনি সেটি দারুণভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তিনি বিপ্লব দেখে ঘোষণা করেছিলেন, প্রতি ১২ বছর পর পর রাশিয়া জাতীয় বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে। তার সেই কথাকে সবাই তামাশা বা পাগলের প্রলাপ ভেবে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবতা ছিল খুবই রহস্যময়। কারণ কবির উক্তি অনুযায়ী কাকতালীয়ভাবে সেখান থেকে প্রতি ১২ বছর অন্তর অন্তর রাশিয়া পড়েছিল জাতীয় বিপর্যয়ে। ১৯০৫ সালের রুশ বিপ্লবের পর ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় শুরু হয় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব, তার ১২ বছর পর ১৯২৯ সালে দেখা দেয় দুর্ভিক্ষ, ১৯৪১ সালে শুরু হয়েছিল দেশ মাতৃকার লড়াই, আর তার ১২ বছর পর ১৯৫৩ সালে হয়েছিল স্টালিনের মৃত্যু, ১৯৬৫ সালে দেখা দেয় রাশিয়ার জাতীয় সংকট, ১৯৭৭ সালে গৃহীত হয় দেশের নতুন সংবিধান আর তার ১২ বছর পর ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীর ভাঙার মধ্য দিয়ে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছিল গোটা সোভিয়েত ইউনিয়নই। কবি লেবনিকভ রাশিয়ার পরিণতি সম্পর্কে এমন ধারনা কিভাবে পেয়েছিলেন সেটি একটি বড় রহস্য হয়ে আছে আজও!

৮. (রহস্যময় চাকতি)

১৯৪৭ সালের কথা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর রসওয়েলস নামক স্থানে হঠাৎ আকাশ থেকে প্রচণ্ড বেগে গোল চাকতির মতো একটি বস্তু বিকট শব্দে আছড়ে পড়ে। সেই স্থানের আশে পাশে অনেক মানুষ ঘটনাটি স্বচক্ষে অবলোকন করে। মানুষরা সবাই ছুটে গিয়েছিল সেই স্থানে কিন্তু প্রচণ্ড তাপ আর আগুনের ফুলকির মতো বের হওয়ার কারণে সেই যায়গার কাছে যেতে পারছিলো না কেউ। এই খবর চারিদিকে জানাজানি হওয়ার কিছুক্ষণ পরই বিরাট মার্কিন সেনার দল এসে পৌঁছে সেখানে এবং পুরো জায়গাটি ঘিরে ফেলে। সেনা সদস্যরা পরে সেই এলাকায় আর কোনও ব্যক্তিকে ঢুকতে দেয়নি। সেনা বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা শুধু সাংবাদিকদের উপস্থিত জানান যে, এখানে আকাশ থেকে বিরাট চাকতির মতো একটি বস্তু পড়েছে, সম্ভবত সেটি কোনও আকাশ যান, বাকিটা আপনাদের পরে জানানো হবে। পরের দিন বিশ্বব্যাপী খবরটি যখন জানাজানি হয় এবং সংবাদপত্রে খবরটি ফলাও করে প্রচার করা হয় তখন বিষয়টি নিয়ে সবার মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি করে। সবাই ভাবতে থাকে এটা কি তাহলে ভিন গ্রহ বাসীদের বাহন UFO ছিল!! এলিয়েনরা কি তাহলে সত্যিই পৃথিবীতে এসেছে? বিশ্বজুড়ে যখন এই রহস্য নিয়ে চিন্তা ভাবনা জোরালো হচ্ছে তখনই মার্কিন সরকার এই ঘটনাটিকে নিয়ে বিশ্ববাসীর সাথে নাটক শুরু করে। প্রথমে তারা বিশ্ববাসীকে জানায় এটা ছিল তাদের আর্মিদেরই নতুন একটি আকাশযান আবার পরে তারা বলে এটা ছিল খসে পড়া একটি উল্কাপিণ্ড! কিন্তু প্রকৃত যে ওই দিন সেখানে কি পতিত হয়েছিল সেটা আজও সবার কাছে এক রহস্য!

৯. (রহস্যময় সুনামি)

২৬ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখ এশিয়ার অধিবাসীদের কাছে একটি ভয়াবহ দিন। কারণ এই দিনে ভারত মহাসাগরের ভয়াবহ সুনামি আছড়ে পড়ে এশিয়ার কয়েকটি দেশে। সুনামির তাণ্ডবে ভেসে যায় এবং ক্ষতি গ্রস্থ হয় ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, ভারত সহ ১৪টি দেশ। আকস্মিক এই সুনামির আঘাতে মৃত্যুবরণ করে প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষ। আর সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতির দিক থেকে এটি ছিল হিসাবের বাইরে। প্রলয়কারী এই সুনামির কারণ হিসেবে দায়ী করা হয় সাগরের তলদেশে সংঘটিত ৯.৩ মাত্রার ভূমিকম্পকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটতেই পারে যেকোনো সময় তবে মহা প্রলয়কারী এই সুনামি নিয়ে রয়েছে রহস্য। কারণ সুনামি শেষে মিশর সহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সংবাদপত্রে সুনামির আঘাতকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। সেই সব পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী সুনামির জন্য প্রকৃতি দায়ী ছিল না বরং দায়ী ছিল অস্ত্রবাজ কিছু রাষ্ট্র। তাদের মতে সুনামির আগে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, চীন, ভারত, পাকিস্তান বা কোনও পারমানবিক শক্তিধর দেশ সেই সময় গোপনে পারমানবিক পরীক্ষা চালাচ্ছিল। কিন্তু পরীক্ষা চলাকালে দুর্ঘটনা বশত তারা ভারত মহাসাগরে সেই পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফেলে, ফলে সাগরে তৈরি হয় প্রায় ৯৮ ফুট বিশাল ঢেউ বা সুনামি। আর এই সুনামিই স্থলভাগে আছড়ে পড়ে ঘটায় ধ্বংসযজ্ঞ। সুনামির এই ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র দেখে পরে দুর্ঘটনার এই কাহিনী চেপে যান অপরাধী সেই রাষ্ট্রটি। মিশর ও মধ্যপ্রাচ্যের এই পত্রিকাগুলোর সূত্র ধরে ২০০৪ সালের সুনামি নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্যের। সুনামি কি সত্যিই ভূমিকম্পের কারণে হয়েছিল নাকি হয়েছিল পারমানবিক বিস্ফোরণের কারণে? সেটা আজ এক বড় রহস্য।

পুরুষদের প্রতি বহুবিবাহের আহ্বান

সৌদি মেয়েদের চিরকুমারী থাকার প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে দেশটির দাহরান অঞ্চলের একদল কলেজ ছাত্রী পুরুষদের প্রতি একই সময়ে কয়েকজন স্ত্রী রাখতে অনুরোধ জানিয়ে টুইটাইরে প্রচার অভিযান শুরু করেছে।



তারা ইসলাম ধর্মের এ সংক্রান্ত বিধানের আলোকে এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে ধনী ও শারীরিক দিক থেকে সক্ষম পুরুষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

সৌদি আরবে মেয়েদের চিরকুমারী থাকার সমস্যা দিনকে দিন বাড়ছে। দেশটিতে এ ধরণের নারীর সংখ্যা ২০১২ সালে ১০ লাখে উন্নীত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কোনো কোনো সৌদি পুরুষ বলেছেন, তারা একই সময়ে দ্বিতীয় বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন কারণ, তাতে সংসারে অশান্তি দেখা দেবে। একজন সৌদি পুরুষ বলেছেন, কেউ যখন এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারবেন যে তিনি প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী উভয়ের সঙ্গেই ন্যায়বিচারপূর্ণ আচরণ করতে পারবেন কেবল তখনই তিনি এ ধরনের বিয়ের কথা ভাবতে পারেন।

সৌদি আরবের অর্থনীতি ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জরিপে দেখা গেছে, দেশটিতে ২০১১ সালে ৩০ বছর বয়সী অবিবাহিত নারীর সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৪১৮ জন।

অর্থনৈতিক সংকট ও বিয়ের জন্য পুরুষদেরকে বিপুল অর্থ-সম্পদ যৌতুক হিসেবে দেয়ার ব্যয়বহুল প্রথা সৌদি মেয়েদের অবিবাহিত থাকার সবচেয়ে দুটি বড় কারণ।

চারটি কথা বয়ফ্রেন্ডকে কখনো বলবেন না

কোন ছেলেবন্ধুর সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। ভালো কথা। সম্পর্কের ক্ষেত্রে চিনে রাখুন দুজনের নির্দিষ্ট গণ্ডি। এটা কেবল সম্পর্ককে দৃঢ়ই করবে না, আপনার নিজস্বতাও বজায় থাকবে। তা ছাড়া প্রত্যেকের জীবনে এমন কিছু অভিজ্ঞতা আছে যা কেবলমাত্র তার নিজস্ব।



জেনে নিন ছেলে বন্ধুর সাথে কোন বিষয়গুলো একদমই শেয়ার করবেন না- সে ব্যাপারে কয়েকটি নির্দেশনা:

১. আপনার মেয়ে বন্ধুদের সম্পর্কে গোপনীয়তা বজায় রাখুন: মেয়ে হিসেবে আপনার মেয়েবন্ধু থাকতেই পারে। তবে তার বিষয়টি আপনার ছেলেবন্ধুর কাছে গোপন রাখাই ভাল। বিশেষ করে তার কোন বিশেষ গুনাগুন। মনে রাখবেন আপনার ছেলেবন্ধু আপনার ওপরই নির্ভর করতে চায়। চায় আপনিও তার বিশ্বাসের মর্যাদা দিন। সুতরাং আপনিই সেরা মেয়ে- এ বিশ্বাসটি অটুট রাখার চেষ্টা করুন।

২. পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন না: আপনার ছেলে বন্ধুকে যত বিশ্বাসই করুন না কেন কিংবা যত বেশি ভালবাসুন না কেন, কখনো তাকে আপনার মেইল, ফেসবুক বা অন্য কোনো পাসওয়ার্ড দেবেন না। প্রাইভেসির প্রতি সম্মান সম্পর্ককে দৃঢ় করে।

৩. ছেলে বন্ধুর পরিবার সম্পর্কে আপনার অপছন্দ গোপন রাখুন: আপনার বন্ধুর পরিবার সম্পর্কে আপনার অপছন্দ থাকতেই পারে। তবে তা আপনার নিজের মধ্যেই রাখুন। এমনকি আপনার অন্য বন্ধু-বান্ধবদের কাছেও তা প্রকাশ করবেন না। এমন হতে পারে- আপনি হয়তো এমন কোন মেয়েকে জানেন, যার কাছে তার ছেলে বন্ধুর মা কিংবা বোন ভীষণ অপছন্দের। হতে পারে আপনি ওই মেয়ের যুক্তির সাথে একমত। তবু তা আপনার ছেলেবন্ধুর সাথে শেয়ার করবেন না।

৪. আপনার অতীত সম্পর্কে বিস্তারিত বলবেন না: নতুন ছেলেবন্ধুকে আপনি আপনার আগের ছেলেবন্ধু সম্পর্কে বলতে চান- ভালো কথা। তবে খেয়াল রাখবেন যেন সবকিছুই তাকে বলে না ফেলেন। কিছু বিষয় গোপন রাখবেন। মনে রাখবেন প্রত্যেক মানুষের এমন কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থাকে যা তার কাছে অমূল্য সম্পদ। প্রকাশ করা মানে সেই সম্পদকে হাতছাড়া করা। এর মানে এই নয় যে- আপনি তার সঙ্গে প্রতারণা করছেন। বরং আপনি এটাই চান যে, কোন অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের অবতারণা না হোক।

পাত্র পাচ্ছে না দক্ষিণ কোরিয়ার মেয়েরা

দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষিত মেয়েরা পাত্রের অভাবে ‘ম্যারেজ মিডিয়া’র দ্বারস্থ হচ্ছে।

বর খুঁজে না পাবার কারণ হলো উচ্চশিক্ষা, নিজেদের পছন্দকে অধিক গুরুত্ব দেয়া আর একটু বেশি বয়সে বিয়ে করার প্রবণতা। ফলে পছন্দসই পাত্র খুঁজে পাওয়া রীতিমতো একটা কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাত্র খোঁজার এই ঝামেলা থেকে বাঁচতেই পরিবারগুলো ম্যারেজ মিডিয়ার দ্বারস্থ হচ্ছে।


পাত্র খুঁজে দেয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মানুষের ভিড়। আর এই সুযোগে পাত্র-পাত্রী খুঁজে দেবার প্রতিষ্ঠানগুলো এখন দু’হাতে টাকা কামাচ্ছে।

প্রেমে পড়লে নারী সঙ্গীটির সাথ

 প্রেমে পড়লে পুরুষের হাঁটার গতি অনেক কমে যায়। তবে অন্য কারো সঙ্গে হাঁটার সময় নয় শুধু যে নারীর প্রেমে পড়েছেন তার সঙ্গে হাঁটতে গেলেই হাঁটার এই গতি কমে যায়। একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে পাওয়া যায় এই তথ্য।সিয়াটল প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লারা ওয়াল-শেফলারের নেতৃত্বে এই গবেষণায় গবেষকেরা ২২ জন পুরুষের স্বাভাবিক হাঁটার গতি মাপেন। তারপরে গবেষকেরা ওই পুরুষদের হাঁটার গতি মাপেন যখন তারা তাদের অন্য কোনো পুরুষ বা নারী বন্ধুর সঙ্গে থাকেন।

ফলাফলে দেখা যায় যে প্রায় সব পুরুষই যখন তাদের বিশেষ নারী সঙ্গীটির সাথে সময় কাটান, তখন তাদের হাঁটার গতি অন্তত সাত শতাংশ কমে যায়। কিন্তু অন্য কোনো মেয়ে বন্ধু বা পুরুষ বন্ধুর সাথে হাঁটার সময়ে তিনি তার হাঁটার গতি স্বাভাবিকের থেকে মোটেই কমান না।

প্লস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদনে গবেষকেরা জানিয়েছেন যে, নারী ও পুরুষের একসঙ্গে হাঁটার সময় ভারসাম্য রাখার জন্য কাউকে না কাউকে হাঁটার গতি
হয় বাড়াতে কিংবা কমাতে হয়। সাধারণত পুরুষেরাই এক্ষেত্রে কিছুটা আত্মত্যাগ করেন। তাই পুরুষদের হাঁটার গতি নারীদের চাইতে কিছুটা বেশি হওয়ায় তারা গতি কমিয়ে নারীসঙ্গীর সাথে তাল মিলিয়ে হাঁটেন।

রহস্যময় পাক যুবকের হাতে ২৫ নারী ছুরিকাহত

পাকিস্তানে পাঞ্জাব প্রদেশের এক শহরে  চলতি মাসে রহস্যময় এক যুবকের হাতে কমপক্ষে ২৫ নারী ছুরিকাহত হয়েছে। পাক পুলিশের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা রয়টার এ খবর  জানিয়েছে। এ ঘটনায় প্রদেশের চিচাওয়াতনি শহরের কিশোরী ও যুবতী নারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে এবং তারা বাড়ি থেকে বাইরে বেরুতে ভয় পাচ্ছে।

পাঞ্জাবের সাহিওয়াল জেলার পুলিশের মুখপাত্র হাসিবুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন,‘অধিকাংশ হামলা হয়েছে সুর্যাস্তের পর। তবে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথেও কয়েকজন ছাত্রী হামলার শিকার হয়।

এ পর্যন্ত সবমিলিয়ে ২৫ থেকে ৩০ নারী হামলার শিকার   হয়েছেন বলে পুলিশ জানায়।

এদিকে চিকিৎসকরা বলছেন, যেসব নারীরা হামলার শিকার হয়েছেন তাদের অধিকাংশই চিচাওয়ান্তি শহরের বাসিন্দা। তাদের পা, পেট বা পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।
পুলিশ এখন পর্যন্ত হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তাই হামলার রহস্যও উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশের ধারনা, হামলকারী সম্ভবত মানসিক পীড়ায় ভুগছেন।

এ সম্পর্কে চিচাওয়াতনি হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আসিম ওয়াকার বলেন, বেশিরভাগ হামলাই হয়েছে সন্ধ্যার পরে। যাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে তাদের বেশিরভাগই বোরকা পরতেন না। মাত্র দু বোরখা পরিধানকারী হামলার শিকার হন।

প্রথম হামলার ঘটনাটি ঘটে চলতি মাসের ছয় তারিখে। এরপর থেকে প্রতিদিন এক বা দু’জন হামলার শিকার হচ্ছেন। এদের কয়েকজনকে অস্ত্রোপচার পর্যন্ত করতে হয়েছে।
পুলিশ এখন হন্যে হয়ে হামলাকারীকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। তাকে ধরতে ইতিমধ্যে ২ হাজার ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ।

এদিকে এ ঘটনায় ওই শহরের নারীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তারা সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। এমনকি অনেক মেয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

দেশী গার্ল ফটো , সুইট গার্ল ফটো , হট গার্ল ফটো , সুন্দরী মেয়েদের ফটো ।

 দেশী গার্ল ফটো , সুইট গার্ল ফটো , হট গার্ল ফটো ,
সুন্দরী মেয়েদের ফটো , সব ধরনের ফটো দেখতে সাথেই থাকুন।











দেশী গার্ল ফটো , সুইট গার্ল ফটো , হট গার্ল ফটো ,
সুন্দরী মেয়েদের ফটো , সব ধরনের ফটো দেখতে সাথেই থাকুন।

জন্মেছিলেন ছেলে হয়ে, তবে এখন তিনি মেয়ে।

 জন্মেছিলেন ছেলে হয়ে, তবে এখন তিনি মেয়ে। সেই শৈশব থেকে এতদিন তার নাম ছিল গ্রেগ ওয়াকার, এখন থেকে লিন্ডসে ওয়াকার। ২৫ বছর বয়সে পৌঁছানোর আগেই সাত ফুট উচ্চতার গ্রেগ (ওরফে লিন্ডসে) দুর্দান্ত বাস্কেটবল তারকা হিসেবে অর্জন করেন বিশ্বজোড়া খ্যাতি। এ মুহূর্তে তাকে বিবেচনা করা হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রান্সসেক্সুয়াল বা লিঙ্গ বদলকারী হিসেবে। খেলাধুলার নামে ভয়ানক পাগল যুক্তরাষ্ট্রে অভাবনীয় জনপ্রিয় গ্রেগ ওরফে লিন্ডসে চিরকাল বেড়ে উঠেছেন সুন্দরী চিয়ারলিডারদের সান্নিধ্যের মাঝে।

‘কিন্তু নিজেকে আমার ভিন্ন কিছু মনে হতো সবসময়’-বলেন বর্তমান লিন্ডসে। জিমে গিয়ে ওয়েটলিফটিং করেছেন নিয়মিত। নিজের অনুভূতি ঢেকে রাখার জন্য বিশাল মোটরবাইক নিয়ে যখন-তখন হাইওয়ে ধরে বেরিয়ে পড়তেন হাইকিংয়ে। ডাকাবুকো ভাবমূর্তির আকর্ষণে ডজন ডজন মেয়ে তার পিছু নিলেও বরাবরই তাদের নিবৃত্ত করেছেন সযতনে। সম্পর্কটাকে সীমিত রেখেছেন হালফ্যাশন আর যত মেয়েলি আলাপের মধ্যে।
কুড়ি বছরে পা দেওয়ার আগেই নিজের ভেতরে পরিবর্তন অনুভব করতে শুরু করেন তিনি। এক পর্যায়ে চিঠি লিখে বাবা-মাকে জানালেন নিজের ভেতরে ঘটতে থাকা আলোড়নের কথা। ওরাও তাকে সাহস দিলেন। নিজের সিদ্ধান্তে বিশ্বাস রাখার পরামর্শ দিলেন। লিন্ডসে তখন থেকেই ছেড়ে দিলেন ছেলেদের জামাকাপড়। মেয়েদের পোশাক-আশাকে ভর্তি হয়ে গেল তার ওয়ারড্রোব। পরবর্তী সময়ে চিকিত্সকের পরামর্শে পূর্ণাঙ্গ নারীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে নিতে শুরু করলেন এসট্রোজেন। এখন তার বুকের মাপ আটত্রিশ। বিশেষ ধরনের ওয়েবসাইটে অর্ডার দিয়ে নিজের ১৬ সাইজের পায়ের মাপের হাইহিল জুতো কিনতে হয় তাকে।

গত দুই বছর ধরে আইনত নারী হিসেবে স্বীকৃত লিন্ডসে নিজের অনুভূতির বিষয়ে জানান, সব সময় অনুভব করেছি, চিরকাল একজন নারীই হতে চেয়েছিলাম আমি। ডেইলি মেইল।

পৃথিবীর সবচাইতে মোটা মানুষ

বিশ্বব্যাপী মোটা মানুষ আছে হাজার হাজার। কিছু কিছু এলাকা আছে যেখানে অধিকাংশ মানুষই মোটা। স্থূলতা বা মুটিয়ে যাওয়া সমস্যাটি এখন সাধারণ সমস্যা। বিশ্বব্যাপী ভাইরাস আকারে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই সমস্যাটি। যারা মুটিয়ে যাচ্ছেন তারা খাদ্য গ্রহণের মাত্রাকে কমিয়ে একবারে শূন্যের কোটায় নামিয়ে দিচ্ছেন।আজ আপনাদের ভালোবাসার জগৎ পরিচয় করাবে এক অন্য রকমের মানুষের সাথে । অনেকে আছে এতই হালকা যে, তারা মোটা হওয়ার জন্য সর্বদা প্রচুর পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করে যাচ্ছেন আবার প্রার্থনাও করছেন। কিন্তু তারা যদি পাওলিকে দেখতেন তাহলে হয়তো আর মোটা হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতেন না।



মোটা মানুষের উদাহরণ খুঁজতে গেলে পাওলির মতো উদাহরণ হয়তো আর পাওয়া যাবে না।


তার নাম পাওলিন পর্টার। তবে সবাই ‘পাওলি’ বলে ডাকে। তার বয়স ৪৭ বছর। পাওলি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টোর বাসিন্দা। তার ওজন ৩১৭ কেজি বা প্রায় ৮ মণ। কি অবাক হলেন? অবাক হওয়ারই কথা। কারণ, এত ওজনের কোনও মহিলার কথা হয়তো এর আগে আপনি শোনেন নি। পাওলি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশী ওজনের নারী। ২০১২ সালের গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে তার নাম উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে ওজনের নারী হিসেবে। পাওলি তার এই স্বাস্থ্য নিয়ে গর্বিত কিন্তু সুখী নয়। বিশাল ওজনের এই শরীর নিয়ে তিনি আছেন নানান সমস্যায়। তিনি তার একার চেষ্টায় গোসল করতে পারেন না। যেতে পারেন না শপিং মলে। সব কাজেই তাকে সাহায্য নিতে হয় অন্যের। সর্বদা তার কাজে এবং তার দেখাশুনায় সহায়তা করে তার একমাত্র ছেলে ডিলান। ডিলানের বয়স এখন ১৬ডিলান তার মাকে বিছানা থেকে তুলে চেয়ারে বসায়, মোটর হুইল চেয়ারে বসিয়ে মাকে বাইরে নিয়ে যায় এবং দিন-রাত তার মায়ের ট্রলিতে খাবার সাজিয়ে দেয়।



পাওলি এত স্বাস্থ্য কিভাবে তৈরি করলো নিশ্চয়ই আপনাদের জানতে ইচ্ছা হচ্ছে! পাওলি তার এই স্বাস্থ্য বানিয়েছেন প্রচুর পরিমাণে খেয়ে। দিনের শুরুতে ব্রেকফাস্টে পাওলির লাগে এক ডজন ডিম, দুই কেজি মাংসের চপ, চার টুকরা আলু দিয়ে তৈরি হ্যাশ ব্রাউন, বড় দশ টুকরা মাখন-পাউরুটি, আধা লিটার আইসক্রিম আর লিটার খানেক মিল্ক শেক। এই হচ্ছে তার সকালের নাশতা। দুপুরের খাবার সম্পর্কে পাওলি কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। কারণ, সেটার তালিকা অনেক লম্বা হবে। লোকে শুনলে হয়তো ভয় পেয়ে যেতে পারে। রাতে তিনি খাবার হিসেবে গ্রহণ করেন আটটি পিৎজা, বড় এক বাটি পেস্তা বাদাম আর এক কেজি মাংস।

পাওলির স্বামীর নাম আলেক্স। অতিরিক্ত ওজনের কারণেই স্বামী আলেক্সের সঙ্গে সম্প্রতি বিচ্ছেদ ঘটেছে তার। পাওলিনের একটা বিষয়ে আক্ষেপ রয়ে গেছে। আর সেটি হচ্ছে, পাওলিকে ওজন বাড়িয়ে গিনেস রেকর্ড বুকে নাম উঠাতে বলেছিলেন তার স্বামী। অথচ স্বাস্থ্য বৃদ্ধি হবার পর তার স্বামী এই বিশাল ওজনের জন্য তাকে ত্যাগ করেছেন। বিয়ের সময় পাওলির ওজন কিন্তু কম ছিল না। বিয়ের সময় আলেক্সের ওজন ছিল ৭০ কেজি আর পাওলিনের ওজন ছিল ২৭৩ কেজি। তাদের স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ ঘটলেও তাদের ছেলে ডিলন মা’কে ছেড়ে যাননি। সে মায়ের সঙ্গেই রয়ে গেছে। ডিলান একদিকে কলেজের পড়াশোনা করছে অন্যদিকে তার মায়ের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য মাকে সেবা করে যাচ্ছে।


পাওলিন এখন তার এই মোটা শরীরকে পছন্দ করেন না। তিনি এখন চান ওজন কমিয়ে সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে। তার ওজন রেকর্ড হয়ে যাওয়ার পর ওজন বাড়ানো নিয়ে তার আর কোনও আগ্রহ নেই। ওজন বাড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেও তার মনের কোণে রয়ে গেছে ছোট্ট ব্যথা। কারণ এই ওজনের কারণেই তিনি তার স্বামীকে হারিয়েছেন। তা ছাড়া তিনি নিজে তেমন কোনও কাজ করতে না পারায় ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বেশ চিন্তিত। পাওলিনের এই আক্ষেপ সংবাদপত্রে পড়ে তার ওজন কমাতে এগিয়ে এসেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. ক্রেরিস স্টিলি। ডা. স্টিলির টিম প্রতিদিন তদারকি করছেন পাওলিনের। তাদের বিশ্বাস পাওলি খুব শীঘ্রই তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে।

শেয়ার করুন । 

স্বর্ণের টয়লেট পেপার বাজারে আসছে !

অতি মাত্রায় সৌখিন ব্যক্তিদের কথা মাথায় রেখে অস্ট্রেলিয়ার একটি কোম্পানি বাজারে আনছে স্বর্ণের টয়লেট পেপার।২২ ক্যারেট স্বর্ণের তৈরি এক রোল টয়লেট পেপারের দাম ধরা হয়েছে ১.৩ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১০ কোটি৪০ লক্ষ টাকা)।

কোম্পানির দাবি, এ টয়লেট পেপার ১০০ ভাগ ব্যবহারযোগ্য এবং নিরাপদ। এর সঙ্গে উপহার হিসেবে এক বোতল শ্যাম্পেনও দেয়া হবে।

দুবাইয়ের স্বর্ণের তৈরি টয়লেট থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই কোম্পানিটি স্বর্ণের টয়লেট পেপার তৈরি করার অনুপ্রেরণা পেয়েছে।

ছেলেটি বুঝতে পারেনি অপূর্ব কন্ঠ স্বরের মেয়েটি এত কুৎসিত

কদিন রং নাম্বারে ছেলেটির পরিচয় হয় মেয়েটির সাথে। পরিচয় থেকে গাঢ় বন্ধুত্ব। এক পর্যায়ে তা গভীর প্রেমে রুপ নেয়। দিনের পর দিন, মাসের পর রাত জেগে জেগে কথা বলত দু’জনে। ছেলেটি মাঝে মাঝে মেয়েটির মোবাইলে মোটা অংকের টাকা ফ্লাক্স্রি করে দিত
। এতে মেয়েটি কৃত্রিম অভিমান করত। এভাবে চলতে থাকে দীর্ঘ ৪ বছর। এর মাঝে ছেলেটি মেয়েটির সাথে দেখা করতে চেয়েছে অসংখ্যবার। কিন্তুু নানা অজুহাতে এড়িয়ে গেছে মেয়েটি। ছেলেটি তাতে কিছু মনে করেনি। মন্ত্র মুগ্ধের মত বুদ হয়ে থাকত মেয়েটির মধু মাখা অর্পূব স্বরের যাদু মাখা কথার ফুলঝুরিতে। শয়নে স্বপনে শুধুই তার মাথায় থাকত মেয়েটির চিন্তা। কবে তাকে বিয়ে করে ঘরে তুলবে। ছোট্র একটা সংসার হবে। তাদের ছোট্র সংসারে একদিন আগমন ঘটবে একটা ছোট্র সোনামনির। এমনি আরও কত কিছু। কিন্তুু ভাবতে পারেনি এক নির্মম পরিনতি তার জন্য অপেক্ষা করে আছে। গত বুধবার ছিল মেয়েটির বাড়ি ফেরার কথা। ঐদিন ছেলেটির পীড়াপীড়িতে মেয়েটি ছেলেটির সাথে দেখা করতে রাজী হয়। সকাল বেলা পরিবহন থেকে নেমে মেয়েটি ছেলেটির নির্দেশিত স্থানে গিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। এদিকে ছেলেটি দুরু দুরু বক্ষে মেয়েটির অপেক্ষায় থাকে। এক সময় দেখে কালো কুৎসিত চলি�শোর্ধ কিম্ভুত কিমাকার এক মহিলা তারই নির্দেশিত স্থানে এসে অপেক্ষায়রত। ছেলেটি হতভম্ব হয়ে পড়ে। বিমর্ষ মনে মোবাইল বন্দ করে মেয়েটির অজ্ঞাতে স্থান ত্যাগ করে। এক সময় মেয়েটিও ফিরে যায়। এরপর ছেলেটি মার্মান্তি মানষিক আঘাত প্রাপ্ত হয়ে নিশ্চুপ হয়ে যায়। ঘটনাটি সে এই প্রতিনিধির নিকট খুলে বলে এবং তার পরিচয় গোপন রাখার জন্য অনুরোধ করে। ছেলেটির বাড়ি পাইকগাছা উপজেলার রেজাকপুর গ্রামে। সে একজন পাদুকা ব্যবসায়ী। ব্যবসা করে তার জীবিকা নির্বাহ হতো। একদিকে টাকার শোক অন্যদিকে ব্যর্থ প্রেম তাকে নির্বাক করে দিয়েছে। তাইতো বারংবার সে বলেছে মোবাইলে প্রেম তার সব স্বপ্ন তছনছ করে দিয়েছে। মোবাইলে মেয়েদের মধু মাখা অর্পূব স্বরের যাদু মাখা কথার প্রেম থেকেও সাবধান করেছে মোবাইলে প্রেমিকদের।

একবার এক ছাত্রকে শিক্ষক প্রশ্ন করল – অ্যাম্বুলেন্স সাদা হয় কেন ?

একবার এক ছাত্রকে শিক্ষক প্রশ্ন করল – অ্যাম্বুলেন্স সাদা হয় কেন ?



ছাত্রের উত্তর – অ্যাম্বুলেন্স… এ অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকে আর অক্সিজেন একটা গ্যাস| গ্যাস রান্নার কাজে ব্যবহার হয় আর খাবার ভিটামিন এর উৎস| আমরা সূর্য থেকে ভিটামিন D পাই আর সূর্য আলো দেয়|
আলো বাল্ব থেকে আসে আর ক্রিসমাস ট্রি তে ছোট বাল্ব লাগান হয়!
ক্রিসমাস মানে গিফট আর সান্তা গিফট নিয়ে আসে…
সান্তা দক্ষিন মেরুতে থাকে আর ওইখানে মেরু ভাল্লুক থাকে!
মেরু ভাল্লুক সাদা আর এই জন্য অ্যাম্বুলেন্স ও সাদা ! ! !

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষ বিয়ে করছেন

দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজে পেলেন বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষ সুলতান কোসেন।৩০ বছর বয়সী কোসেনের উচ্চতা ৮ ফুট ৩ ইঞ্চি। আর তার ২০ বছর বয়সী স্ত্রীর উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। নতুন এই জীবনসঙ্গীর নাম মার্ব দিবো। রোববার তুরস্কে কোসেনের নিজ বাসভবনে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়।

১৯৮২ সালে তুরস্কের মারদিন শহরে জন্মগ্রহণ করেন সুলতান। হরমোন জনিত সমস্যার কারণে তার শরীরের উচ্চতা অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০১১ সালে গিনেস বুকে নাম উঠে তার।

মৃত সন্তানকে বুকে রেখে ১৮ বছর কাটিয়ে দিলেন মা!!

মা কি জিনিস তা আবার প্রমান করলো আমেরিকান এই মা।সন্তানের জন্য মায়ের আকুতি সব সময়ই থাকে। কিন্তু মৃত্যুপর সন্তানকে বুকে আগলে রাখার ঘটনা কখনও শোনা যায়নি। তাও একদিন দুদিন নয়, ১৮ বছর।

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার এক মা নিজের মৃত ছেলের মমি
কে বুকে জড়িয়ে পার করেছেন দীর্ঘ ১৮টি বছর।

ছেলে জনি বাকারাদজে ২২ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চিরতরে চলে যায়। জনিও এক সন্তানের পিতা ছিলেন। তার সন্তান ২ বছর বয়সে পা দেয়ার মাত্র কয়েকদিন আগে জনির মৃত্যু হয়। তার সেই সন্তানের বয়স এখন ২০ বছর।

জনির পিতা চেয়েছিলেন তার ছেলের দেহটি মমি করে সংরক্ষণ করতে। যাতে একদিন জনির ছেলে বড় হওয়ার পর তার পিতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারে। তার ইচ্ছাতেই সন্তানের দেহ মমি করে রাখা হয়।

মা তিসিউরি মমি করে সংরক্ষণের একটি বিশেষ ক্রীম মৃত জনির শরীরে মাখান। এরপর তিনি নিজের পদ্ধতি অনুসরণ করেন। বেশ কিছু কাপড় অ্যালকোহলে চুবিয়ে রাখার পর মৃত সন্তানের শরীরে বিশেষ পদ্ধতিতে জড়িয়ে দিয়েছিলেন। একটি অদ্ভুত স্বপ্নে তিসিউরি এ ধরনের নির্দেশনা পেয়েছিলেন বলে বর্ণনা করেন। নানাভাবে ছেলের মমির যত্ন নিয়েছেন। আর এভাবেই দেখতে দেখতে দীর্ঘ আঠারোটি বছর পার করেছেন শোকাচ্ছন্ন মা ও পরিবারের বাকি সদস্যরা।

আসছে উইন্ডোজ রিমোট ডেক্সটপ

মাইক্রোসফট কর্পোরেশন নতুন উইন্ডোজ রিমোট ডেক্সটপ অ্যাপ-এর ঘোষণা দিয়েছে। এই অ্যাপটি যেমন চলতি পথে আপনার সকল উইন্ডোজ ডিভাইস নিয়ন্ত্রন করবে ঠিক তেমনি আইওএস এবং এন্ড্রয়েড ডিভাইসগুলোকেও রাখবে আপনার হাতের নাগালে।আইওএস এবং এন্ড্রয়েড ডিভাইসে এই ধরনের অ্যাপ থাকলেও সেগুলো শুধুমাত্র নিজ নিজ প্লাটফর্মে কাজ করতে সক্ষম ছিল। কিন্তু একই সাথে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে পারে এমন অ্যাপ এটিই প্রথম। সবই ঠিক ছিল কিন্তু, উইন্ডোজ ফোনে কাজ করছে না অ্যাপটি।

ডেভেলপাররা জানান তারা খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। একই অ্যাপ-এ সকল ডিভাইস নিয়ন্ত্রন, আসলেই অনেক রোমাঞ্চকর। তাই গ্রাহকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই অসাধারণ অ্যাপটির।

অক্ষয় কুমারকে মৃত্যু-হুমকি

ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন মুম্বাই দোবারা’ ছবির দৃশ্যে অক্ষয় কুমারগত আগস্টে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন মুম্বাই দোবারা’ ছবিতে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহীমের ছায়া অবলম্বনে শোয়েব খান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘খিলাড়ি’ তারকা অক্ষয় কুমার। এবার মুম্বাই আন্ডারওয়ার্ল্ড থেকে ফোনে মৃত্যুর হুমকি পেলেন তিনি। পলাতক গ্যাংস্টার রবি পূজারি পরিচয় দিয়ে তাঁকে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ ঘণ্টা পু
লিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে বলিউডের এ তারকা অভিনেতাকে।

চাঁদা দাবি করে বলিউডের তারকাদের ফোনে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি মোটেও নতুন কিছু নয়। অক্ষয় ঠিক কী কারণে মৃত্যুর হুমকি পেয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যেই এমনটা করা হয়েছে। কারণ, পরপর কয়েকটি ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয়ের কল্যাণে কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ উপার্জন করেছেন ৪৬ বছর বয়সী এ তারকা অভিনেতা। সম্প্রতি এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
মৃত্যুর হুমকি পাওয়ার পরপরই বিষয়টি মুম্বাই পুলিশকে জানানো হয়। এর মধ্যেই অক্ষয়ের পক্ষ থেকে জুহু পুলিশ স্টেশনে লিখিত একটি আবেদনও পাঠানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অক্ষয়কে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি তদন্তকাজ শুরু করে মুম্বাই পুলিশ। প্রকৃত অপরাধীকে ধরার জন্য সব ধরনের তত্পরতা চালাচ্ছে পুলিশ।

অক্ষয়ের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে আন্ডারওয়ার্ল্ড থেকে ফোনে হুমকি পেয়েছেন প্লেব্যাক গায়ক সনু নিগম, নির্মাতা-প্রযোজক করণ জোহর, রাম গোপাল ভার্মা এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক বনি কাপুর।

ভিখারি তৈরি করলেন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশান!

গৃহহীন একজন মানুষ যে কিনা দিনে আনে দিনে খায় শিক্ষাগত যোগ্যতাও তেমন একটা নেই, কিন্তু একজন প্রোগ্রামারের তত্ত্বাবধানে লিও তৈরি করেছে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশান। হ্যাঁ এমনি ঘটনার জন্ম দিয়েছে লিও নামের একজন ব্যক্তি।Medium এর Patrick McConlogue যিনি নিজে একজন প্রোগ্রামার, ঠিক করেন প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে আট সাপ্তাহ প্রোগ্রামিং কোডিং শেখাবেন। যেই চিন্তা সেই কাজ Patrick McConlogue শুরু করেছিলেন এবং শেষও করলেন অবশেষে শিক্ষানবিশ লিও নিজেই প্রোগ্রামিং শিখে মোবাইল অ্যাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

এর আগে Patrick McConlogue দুইটি অপশন দিয়েছিলেন প্রথমটি হচ্ছে লিওকে ১০০ ডলার দেয়া হবে যা দিয়ে লিও যা ইচ্ছে করতে পারে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে লিওকে একটি ল্যাপটপ এবং ৩টি জাভা স্ক্রিপ্ট প্রোগ্রামিং বই দেয়া হবে এবং প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে প্রোগ্রামিং শেখানো হবে।

লিও দ্বিতীয় পন্থা বেছে নিয়েছিলেন এবং Patrick McConlogue লিওকে প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে সময় দিয়েছিলেন। Patrick McConlogue সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে লিও খুবি ভালো করেছে যার প্রমান হিসেবে লিও এরই মাঝে একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে যা আবহাওয়া বিষয়ক। তবে লিও এখনও তার অ্যাপ এর বিষয়ে বিস্তারিত কিছুই জানায়নি, অ্যাপ্লিকেশানটি উম্মুক্ত হলেই সবাই বিস্তারিত জানতে পারবেন।

এদিকে Patrick McConlogue নিজের ব্লগে লিখেছেন, প্রতিদিন আমরা রাস্তায় বাহির হলেই দেখতে পাই নানান মানুষ এদের মাঝে অনেকেই বাস্তুহীন অনেকেই নির্লিপ্ত জীবন কাটায় আবার অনেকে আছে মদ্য পান করে মাতাল অবস্থায় থাকে কিন্তু সামান্য যত্ন নিলেই এদের শিক্ষা দিলেই এরাও অনেক ভালো কিছু করতে পারে, সেই বিষয় বিবেচনা করেই আমার এই উদ্যোগ।

পৃথিবীবাসীর জন্য দুঃসংবাদ!

worldপৃথিবীবাসীর জন্য দুঃসংবাদ!
গাদা গাদা গবেষণা প্রমাণ করেছে আর্কটিকের উষ্ণায়ন বাড়ছে। বিশাল বরফরাশি ক্রমেই গলে গলে যাচ্ছে। কিন্তু সেসব গবেষণার কোনোটিই হয়তো নতুন গবেষণালব্দ তথ্যের মতো ভয়াবহ ছিলো না।নতুন গবেষণা দেখাচ্ছে গত শতাব্দীতে গ্রীস্মে কানাডীয় আর্কটিকের গড় উষ্ণতার মাত্রা গত ৪৪ হাজার বছরেও ছিলো না। গবেষকরা এমনও বলছেন এর সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজার বছরও হতে পারে।

কোলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক গিফোর্ড মিলারের কথায়, আর্কটিক কানাডার এই উষ্ণতার বিষয়টিই এখন সবচেয়ে উদ্বেগের।

জিওফিজিক্যাল রিসার্চার লেটারস জার্নালে মিলার ও তার সহকর্মীদের এই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে আর কোনো গবেষণা আর্কটিককে এতটা উষ্ণ দেখায়নি। চলমান ভুতাত্ত্বিক যুগ হোলোসিনের গোড়ার দিকেও আর্কটিক এতখানি উষ্ণ ছিলো না। ১১ হাজার ৭০০ বছর আগে শুরু হয় এই হোলোসিন যুগ।

মিলার ও তার সহকর্মীরা আর্কটিকের বরফ তুলে এনে তার ওপরে সৃষ্ট গ্যাস বুদবুদ গুলো থেকেই এই তাপমাত্রা মেপেছেন। এবং তাদের বিশ্লেষণ বলছে গত ৪৪ হাজার বছরে যা ১ লাখ ২০ হাজার বছর পর্যন্তও বৃদ্ধি হতে পারে, আর্কটিকের বরফে এতটা উষ্ণতা ছিলো না।

গত এক শতাব্দী ধরে আর্কটিকের উষ্ণতা বাড়ছে। তবে ১৯৭০ এর দশক থেকে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে এর পরিমান। গিফোর্ড মিলারের মতে, গত ২০ বছর ধরে উষ্ণতার যে মাত্রা গবেষণা ধরা পড়ছে তা রীতিমতো বিষ্ময়কর।

তিনি বলেন, ব্যাফিন আয়ল্যান্ডের গোটাটাই গলে যাচ্ছে এবং আমাদের আশঙ্কা বরফচুড়াগুলোর কোনোটিই আর টিকে থাকবে না। এই উষ্ণতা যদি আর নাও বাড়ে তারপরেও আর্কটিকের এমন পরিণতি অনিবার্য, বলেন মিলার। আর এসব পৃথিবীবাসীর জন্য মোটেই সুখকর কিছু নয়, মত তার।

বিশ্ব নেতাদের আলোচিত যৌন কেলেংকারি

স্ক্যান্ডাল বা কেলেংকারি। এই শব্দটির সাথে বিভিন্ন দেশের শোবিজ তারকাদের যুক্ত হওয়ার খবর আসে প্রায়শই। এহেন খবর ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাসের মতো। বিশেষ করে এই আলট্রা-ডিজিটাল মিডিয়ার যুগে।সংবাদমূল্যও রয়েছে এমন খবরের। কিন্তু এ ক্ষেত্রে শুধু শোবিজ তারকারই নয়। স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে ক্যারিয়ারে ধস নেমেছে বিশ্বের বহু বাঘা বাঘা রাজনীতিবিদদেরও। তিলে তিলে গড়ে তোলা প্রভাব কোন নারীর সাথে স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে নিমিষেই তা ধুলিসাৎ হয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এ ধরনের কেলেঙ্কারি নতুন কোন ঘটনা নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট, জন এফ কেনেডি থেকে শুরু করে ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সিলভিও বারলুসকোনি, পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খারসহ অনেকেই রয়েছেন এ তালিকায়। সম্প্রতি ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বারলুসকোনির স্ক্যান্ডাল প্রকাশের সাথে সাথে অন্যদের বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে।

১. হিনা রাব্বানি খার: পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার। গেল বছর পাকিস্তানের এই মন্ত্রীকে নিয়ে এমনই কেলেঙ্কারির খবরে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোতে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির ছেলে বিলাওয়ালের সাথে বিবাহ বহির্ভূত পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে ছিল নানারকম গুঞ্জন। ভারত সহ দক্ষিণ এশিয়ার সংবাদ মাধ্যমগুলো হিনাকে নিয়ে ব্যাপক মুখর ছিল।

খবরে বলা হয়েছিল, বিলাওয়াল-হিনা দুজনে ঘর বাঁধতে চান সুদূর সুইজারল্যান্ডে। তবে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ছেলের প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়ান। সরে আসতে বলেন ছেলেকে। প্রেমিক বিলাওয়াল বাবাকে পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেন, এমন কথা বললে দলের প্রেসিডেন্টের পদ ছেড়ে দেবেন। এসবই ছিল মিডিয়ার খবর। তবে শেষ পর্যন্ত কিছুই দেখা যায়নি।

২. সিলভিও বারলুসকোনি: ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বারলুসকোনি। অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক পতিতার সাথে তার যৌন সম্পর্কের কথা সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগে দু বছর বিচার চলার পর বারলুসকোনিকে সেদেশের আদালত অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করে। আদালত তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন।

৩. দমিনিক স্ত্রস কান: আইএমএফের সাবেক প্রধান দমিনিক স্ত্রস কান। তার বিরুদ্ধে এক নারী হোটেল কর্মীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

ডিএনএ পরীক্ষায় নিউইয়র্কের এক হোটেল কর্মীর পোশাক থেকে সংগৃহীত আলামতের সঙ্গে স্ত্রস কানের দেওয়া নমুনা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

৪. বিল ক্লিনটন: বিল ক্লিনটন সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রেম লিলা নিয়ে কম মাতামাতি হয়নি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। মনিকা লিওনস্কির সাথে সম্পর্কের কারণে হোয়াইট হাউসের প্রায় সবই খোয়াতে বসেছিল বিল ক্লিনটন। ১৯৯৫ এর নভেম্বরে একবার এবং ১৯৯৭ সালের মার্চে তার বিরুদ্ধে মনিকার সাথে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। পরে লিওনস্কি যথার্থ সাক্ষ্য প্রমাণ দিলে ক্লিনটন যৌন সম্পর্কের কথা স্বীকার করে।

৫. জন এফ কেনেডি: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। ব্যতিক্রম সৌন্দের্য্যের পুরুষ কেনেডির বিরুদ্ধে মার্কিন মডেল, অভিনেত্রী গায়ক ম্যারিলিন মনরোর সাথে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ ছিল। কেনেডি সবধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করলে মনরো পুরাপুরি ভেঙ্গে পড়েছিল। এরপর মনরোর রহস্যময় মৃত্যুর জন্য কেনেডিকে দায়ী বলে ধারণা করা হয়।

৬. মোশে কেতশ্যাভ: সাবেক ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট মোশে কেতশ্যাভ। ২০০৬ সালে ক্যাতশ্যাভ এক নারী কর্মচারীকে যৌন নির্যাতনের কারণে অভিযুক্ত হয়েছিল।

পরে তদন্তে প্রমাণিত হয়, কেতস্যাভ ওই নারীকে শুধু হয়রানিই নয় ধর্ষণও করে। এমনকি আরো অনেক নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে সাবেক এই ইসরাইলি প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

এ ঘটনায় তাকে সেসময় ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বলা হলেও তিনি পদত্যাগের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন।

৭. লেরি ক্রেগ: মার্কিন সিনেটর লেরি ক্রেগকে ২০০৭ সালে বিমান বন্দর থেকে আটক করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বিমানের বাথরুমে যৌনাচারের অভিযোগ আনা হয়।

মেয়েদের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় সৌদিতে

 মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে চলেছে সৌদি আরব। প্রিন্সেস নোরা বিনতে আবদুল্লাহ রাহমান ইউনিভার্সিটি (পিএনইউ) নামের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে ৬০,০০০ ছাত্রী পড়াশুনা করার সুযোগ পাবে।বিশ্বদ্যিালয়টির স্থাপত্য ও পঠনপাঠনের ক্ষেত্রে থাকবে বেশ কিছু জরুরি পরিকল্পনা। ছাত্রীরা যাতে আন্তর্জাতিকমানের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে থাকবে সেই চেষ্টা। আর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর সাজানোর দায়িত্বে থাকবে পার্কিনস প্লাস উইল-র মতো প্রখ্যাত ডিজাইনার সংস্থা।


কর্তপক্ষ জানাচ্ছেন, পঠনপাঠনের পাশাপাশি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে হাল ফ্যাশনের উদ্যান, ঝকঝকে চকচকে চেয়ার-টেবিল। ছাত্রীরা যেন খোলা পরিবেশে ক্লাস শুনতে পারে তাই তৈরি করা হয়েছে ভিজু্য়াল সেট আপও। থাকবে চিকিৎসাকেন্দ্রও।

শ্বশুরের প্রেম পুত্রবধূর সঙ্গে!

পৃথিবীর সব দেশেই পুত্রবধূদের কাছে স্বামীর বাবা বা শ্বশুররা সম্মানিত ব্যক্তি। তাদের সম্পর্ক অনেকটা বাবা-মেয়ের মতোই হয়ে থাকে। কিন্তু চীনে শ্বশুর আর পুত্রবধূর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক প্রকাশ পেয়েছে। ফেসবুকের কল্যাণে এমন অসামাজিক ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। ফলে দীর্ঘদিনের ফেসবুক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ছেলের হাতে উত্তম মধ্যমের শিকার হয়েছেন বাবা ওয়াং।

৫৭ বছরের ওয়াংয়ের সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় লিলির। সম্পর্কে তারা পুত্রবধূ আর শ্বশুর। কিন্তু ফেসবুকে দুজনেই নিজেদের পরিচয় গোপন রাখায় তাদের সম্পর্কটিও গোপন থাকে। এমনকি তারা দুজন দুজনকে যে ছবি পাঠান সেগুলোও ছিল অন্যের। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের জের ধরে তারা পরস্পরের সঙ্গে প্রথমবারের মতো দেখা করার সিদ্ধান্ত নেন। ওয়াং হেলংঝিয়াং প্রদেশের মুলিং শহরের এক হোটেলে রুম ভাড়া নেন বান্ধবী লিলির সঙ্গে দেখা করার জন্য।

এদিকে ওয়াংয়ের ছেলে এবং লিলির স্বামী ডা. জুন স্ত্রীর অনলাইন প্রেম সম্পর্কে জেনে যায়। স্ত্রীর ও তার প্রেমিককে হাতে নাতে ধরার জন্য সে লিলির পিছু নেয়। গন্তব্যে পৌঁছে তার তো চক্ষু চরক গাছ! লিলির বন্ধু যে আর কেউ নয়, স্বয়ং তার বাবা। রেগে গিয়ে জুন তার বাবা ও স্ত্রীকে পেটায়। এতে লিলির তিনটি দাঁত ভেঙে যায়।

দু’বছর আগের কথা। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ওয়াং ফেসবুকে তার সম্পর্কে লেখেন, ‘অন্যদের বুঝতে পারা ভালো।’ আর লিলি ফেসবুকে তার নিজের সম্পর্কে লিখেছিলেন, ‘নিসঃঙ্গ ফুল’। একদিন রাতে ফেসবুকে দু’জনার পরিচয় হয়। এরপর বন্ধুত্ব।

লিলি একজন গৃহবধূ। ছেলের দেখাশোনা ছাড়া সংসারে তার আর তেমন কাজ নেই। সময় কাটে ফেসবুকে চ্যাট করে। তার স্বামী ডা. জুন মালবাহী ট্রাক চালান। কাজের জন্য বেশির ভাগ সময় বাইরে বাইরেই থাকতে হয় তাকে।

বন্ধুত্বের এক পর্যায়ে দু’জনের মধ্যে ছবি আদান প্রদান করে ওয়াং আর লিলি। লিলি পাঠায় তার এক সুন্দরী বান্ধবীর ছবি। আর ওয়াং পাঠান তার এক বন্ধুর ছবি। ছবি দেখে দু’জন তো মহাখুশি। শুধু ছবি নয়। নিজেদের পরিচয় পর্যন্ত তারা গোপন রাখে।

ওয়াং নিজেকে একটি কোম্পানির পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করে জানান, দুই বছর আগে তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি একাই দিন কাটাচ্ছেন।

খোলামেলা নায়িকা মুনমুন এখন হিজাব ছাড়া বাইরে বের হননা

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অধিক সমালোচিত নায়িকা মুনমুনের কথা সবার মনে আছে নিশ্চয়? এই মুনমুনের দেখা আর নেই। তাকে খুঁজে মেলা ভার। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অস্থির সময়ের সবচেয়ে সমালোচিত নায়িকা মুনমুনের নতুন খবর হলো তিনি এখন প্রচন্ড ধার্মিক বনে গেছেন। উল্লেখ্য ২০০৭ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হলে এফডিসির অন্যান্য অশ্লীল নয়িকাদের সাথে মুনমুনও আত্মগোপন করেন।একসময়ে খোলামেলা হয়ে পর্দা কাঁপানো নায়িকা মুনমুন এখন হিজাব ছাড়া বাইরে বের হননা। নিয়মিত নামাজ পড়ছেন, এমনকি পরপুরুষদেও সামনেও কম যান।

জানা গেছে, ২০০০ সালের পর বাংলা চলচ্চিত্রে মুনমুনের আবির্ভাব ঘটে। বলা যায় মুনমুনের হাত ধরেই বাংলা চলচ্চিত্রে ভর করে অশ্লীলতা। একের পর এক ছবিতে তার খোলামেলা উপস্থিতি দর্শকদের বিব্রত করতো। মুনমুনকে আদর্শ মেনে তখন একই পথে হাটতে শুরু করেন ময়ূরী, ঝুমকা, পলি, রাকা থেকে শুরু করে এক ঝাঁক অভিনেত্রী।

একপর্যায়ে তাকে বাংলা চলচ্চিত্র থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।

তার কাছের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, এ পর্যন্ত তিনি তিনবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। শিল্পী হয়েও যখন অশ্লীলতার দায়ে আর শিল্পী সত্ত্বাকে ব্যবহার করতে পারেননি তখন বাস্তবতাকে মেনেই নিজেকে বদলাতে শুরু করেন ‘নিষিদ্ধ নারী’ খ্যাত এই নায়িকা। রঙিন চলচ্চিত্র ছেড়ে ধার্মিক হওয়াকেই পাথেয় করে নেন।

জানা গেছে, খুব বেশি দরকার ছাড়া বাইরে বের হননা। আর বাইরে বের হলেও হিজাব ব্যাবহার করেন। অভিনয় থেকেও একেবারে দূরে সরে গেছেন।

এরপর এফডিসির চলচ্চিত্রে আর তিনি সেভাবে অশ্লীল দাপট দেখিয়ে কাজ করতে পারেননি। জানা যায়, এরপর তিনি যাত্রাপালায় অশ্লীল নাচেও অংশ নিয়েছিলেন। গত মাসে কাকরাইলের ফিল্ম পাড়ায় রাজমনি সিনেমা হলের পাশে হঠাৎই চোখে পড়ে একদিন তার ছবির ব্যানারে বড় করে লেখা কুমারী মা।

বাবুল রেজার পরিচালনায় চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেয়েছিল গত ৪ঠা অক্টোবর। চলচ্চিত্রটিতে মুনমুন ছাড়াও অভিনয় করেছে আসিফ ইকবাল, নীরব, টেলিসামাদ, রিনা খান।
তার ছবি দিয়ে বড় করে ব্যানার করা হলেও তার চরিত্রটি বড় বা উল্লেখযোগ্য ছিল নাএই ছবিতে খলনায়ক হিসেবে ছিলেন নীরব।

নারীদের যৌন হরতাল কলম্বিয়ায়

হরতাল কিংবা ধর্মঘট নামক কথাগুলো আমাদের দেশে এতই চর্বিত বিষয় যে, ছেলে বুড়ো সবাই এর অর্থ বলতে বোঝে মিছিল, মারামারি, ভাঙচুর আর জ্বালাও পোড়াও। কিন্তু ল্যাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়াতে ভিন্ন রকম এক  টানা হরতাল পালন
করছে দেশটির নারীরা।

কলম্বিয়ার প্রত্যন্ত গ্রাম বার্বাকাওসে রাস্তা ঘাটের বেহাল দশার প্রতিবাদে যৌন হরতালের ডাক দিয়েছে নারীরা। এই কর্মসূচি অনুযায়ি যতদিন না পর্যন্ত রাস্তা ঠিক না হয় ততদিন তারা কেউ তাদের স্বামীদের যৌন মিলনে অংশ নেবে না।

বার্বাকাওসের নারীরা তাদের এই অভিনব হরতালের নাম দিয়েছে ‘ক্রসড লেগস মুভমেন্ট’। গত দুবছরের মধ্যে তারা দ্বিতীয়বারের মতো এই ধরনের হরতাল আহ্বান করলো।

বার্বাকাওসের নারীরা জানান, গ্রামের রাস্তার এতই বেহাল দশা যে, তারা খুব খারাপ অবস্থায় আছেন। গ্রাম থেকে সবচেয়ে কাছের হাসপাতালে যেতে তাদের সময় লাগে ১৪ ঘণ্টা।

তবে নারীদের এই অভিনব হরতালে কাজ হয়েছে। কর্তৃপক্ষ তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে রাস্তা সংস্কারের পথে হাত দিচ্ছে বলে জানিয়েছে।

আরবদের জমজমাট ‘সেক্স অ্যাডভেঞ্চার’

ভারতের মাটিতে মধ্যপ্রাচ্যের পেট্রো মিলিওনেয়ারদের (ধনকুবের) সেক্স অ্যাডভেঞ্চারের চাঞ্চল্যকর কাহিনী উদঘাটিত হয়েছে একদল সাংবাদিকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে।নিকাহ বা বিয়ের নামে এসব ধনী আরব দরিদ্র ভারতীয় মেয়েদের ব্যবহার
করছে অর্থের বিনিময়ে। এরপর তালাকের নামে ছুড়ে ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে নিজ নিজ গন্তব্যে।

সম্প্রতি ভারতের একটি নামকরা সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে এমনই একটি ঘটনার বিবরণ।

বলিউডের ৯০ দশকের সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র ‘সড়ক’ পুজা ভাট ও সঞ্জয় দত্ত অভিনীত ওই ছবিটির কথা হয়তো অনেকেরই মনে আছে। মুম্বাইয়ের পতিতালয়গুলোতে প্রতি রাতের জন্য নিরীহ মেয়েদের কীভাবে নিলামে তোলা হয়, ওই ছবিতে উঠে এসেছিলো তার একটি মর্মস্পর্শী চিত্র।

কিন্তু সম্প্রতি উদঘাটিত এসব চাঞ্চল্যকর ঘটনা যেন হার মানিয়ে দেয় বলিউডের ওই চলচ্চিত্রগুলোকেও।

যেভাবে ঘটে পুরো ব্যাপারটি
পুরো প্রক্রিয়াটিই আসলে সম্পন্ন হয় একটি সুসংগঠিত চক্রের মাধ্যমে। নারীদেহের লোভে ভারত সফরে আসা ধনী আরবদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে চক্রের দালালরা।

দালালরা এই আরবদের খুঁজে দেয় কথিত ‘অস্থায়ী স্ত্রী’এসব অস্থায়ী স্ত্রী স্বল্প সময়ের জন্য সঙ্গ দেয় তার অস্থায়ী স্বামীকে। অনেক ক্ষেত্রে দশদিন স্থায়ী এ সব বিয়ের ক্ষেত্রে একজন ‘স্ত্রী’র দর দেহের গড়ন ও চেহারা ভেদে উঠে যেতে পারে ১৫ হাজার থেকে এক লাখ রুপি পর্যন্ত।

বিয়ে বা নিকাহর আড়ালে আসলে পণ্যের মতই ওই নারীরা হাতবদল হচ্ছে ধনী আরবদের হাতে। আর এই সুযোগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারতে নিয়মিত যাওয়া আসা করছে অনেক পয়সাওয়ালা আরব।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জেনেশুনে অনেকটা পেশাদারি ভাবেই অনেক নারী পেট্রো ডলারের লোভে এ ব্যবসায় নিজেকে বিকিয়ে দিচ্ছে স্বেচ্ছায়।

দালালদের নেটওয়ার্ক
ভারতজুড়েই ছড়িয়ে আছে এই দালালদের নেটওয়ার্ক। তাই ভারতের ঝা চকচকে কসমোপলিটান শহরগুলোতে এ ব্যবসার যোগান -এর অভাব হয় না কখনই।

নারীদেহের সহজলভ্যতা ও দালালদের শক্তিশালী নেটওয়ার্কের কেরামতিতে তাই এখন মুম্বাইসহ ভারতের কসমোপলিটান শহরগুলো পরিণত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ধনী আরবদের কথিত ‘রতি-স্বর্গ’ (‘সেক্স হ্যাভেন’) হিসেবে।

পুরো প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন একজন কাজী। ওই কাজীই এসব বিয়ে ও তালাকের পুরো বিষয়টি সম্পাদন করেন।

প্রত্যেকটি বিয়ে ও ডিভোর্সের আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদনের জন্য কাজীরা পাচ্ছেন চুক্তির ৫০ শতাংশ অর্থ। ২৫ শতাংশ অর্থ পাচ্ছে দালাল। এছাড়া সাব এজেন্ট, ব্যবসায় জড়িত ট্যাক্সি ক্যাব ড্রাইভাররাও ক্ষেত্র বিশেষে পাচ্ছে ৫০০ থেকে হাজার রুপি পর্যন্ত। ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে বাংলানিউজ এসব তথ্য পেয়েছে।
কাজীদের ভূমিকা
ভারতে স্বল্প অবস্থানকালে ওইসব ধনী আরব এসব কথিত স্ত্রীদের নিয়ে প্রমোদে সময় কাটায়। ছুটি শেষ হলেই তালাকের নামে ওই সব মেয়েকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে নিজ নিজ দেশে ফেরত যায় তারা।

পরের ট্রিপে ভারত এসে নতুন স্ত্রীর খোঁজে আবার ছোটেন নির্দিষ্ট ওইসব কাজী অফিসগুলোতে। আর মেয়েগুলোও অপেক্ষায় থাকে তার পরবর্তী স্বামীর জন্য। এমনকি অনেক ইন্দ্রিয়কাতর বৃদ্ধ আরব কোনো কোনো সফরে এক সঙ্গে এ রকম দু’টি বিয়েও করছেন।

চক্রে জড়িত কাজীরা বিয়ে ও তালাকের নামে তাদের অপকর্মে একটি আলগা বৈধতার মোড়ক পরাতে চাইলেও পুরো প্রক্রিয়াটি কিন্তু আসলে ইসলামী শরিয়ার নিকাহ ও তালাকের আইনের ঢালাও লঙ্ঘন। শরিয়া আইন অনুযায়ী স্বামীর কাছে তালাক না পাওয়া পর্যন্ত একজন নারী কখনই আরেকটি বিয়ে করতে পারবে না। পাশাপাশি তালাক হয়ে গেলেও পরবর্তী বিয়ের আগে অন্তত তিন মাস ১৩ দিনের বিরতি নেওয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক, শরিয়তে যাকে অভিহিত করা হয় ইদ্দতকাল হিসেবে।

শিকার কারা?
ভারত, যেখানে বেশিরভাগ মানুষ বাস করে দারিদ্র্যসীমার নিচে, সেখানে এ ধরণের শিকার খুবই সহজলভ্য। দেশটিতে একদিকে যেমন নিদারুণ দারিদ্র, অপর দিকে চারিদিকে ভোগবাদের চরম আতিশয্য, আর্থ সামাজিক এই পরিস্থিতি তাই খুব সহজেই প্রলুব্ধ করে সেসব সুবিধা বঞ্চিত মেয়েদের, যারা একটু উন্নত জীবনের স্বাদ পেতে খোয়াতে রাজী হয় তাদের সর্বস্ব।

ফাঁদে পড়ে অনেকেই এ চক্রের সঙ্গে জড়িত হলেও, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নারীরা আর্থিক প্রলোভন কিংবা উন্নত জীবন যাপনের প্রত্যাশায় স্বেচ্ছায় জড়িয়ে পড়ে এ ঘৃণ্য চক্রে। এমনকি অস্থায়ী ‘স্ত্রী’ নামধারী পতিতারা কখনো নিজেরাই নেমে পড়ে দালালিতে, নতুন নতুন মেয়ের খোঁজে তারা ছড়িয়ে পড়ে ভারতের নগর ও গ্রামগুলোতে।

কারণ কাঁচা টাকার এ ব্যবসা সচল রাখতে তাদের প্রয়োজন কাঁচা পণ্য—- যার নাম ‘নারীদেহ’।

কিম কারদাসিয়ানের বিয়ের আংটির দাম ৮ মিলিয়ন ডলার

কেইন ওয়েস্ট ও কিম কারদাসিয়ানের বিয়ের সময় কিমের জন্য উপহার হিসেবে দেওয়া আংটির দাম পড়েছে ৮ মিলিয়ন ডলার। কিমকে এটি বিয়ের উপহার হিসেবে দিয়েছেন কেইন।এছাড়া ৫০ টি অর্কেস্ট্রা থাকছে বিয়ের বাদ্য বাজানোর জন্য। বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য কেইন একটি ঘরোয়া মাঠ ভাড়া করেছেন। বিয়েতে কিম খরচ করছেন ৪০ মিলিয়ন ডলার আর কেইন খরচ করবেন ১০০ মিলিয়ন ডলার।

বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দশটি স্থাপত্যশিল্পের নিদর্শন

বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দশটি স্থাপত্যশিল্পের নিদর্শন১. সাগ্রাডা ফ্যামিলিয়া, বার্সেলোনা। স্পেন ১৮৮২ সালে এর নকশা করেন এন্টনি গাউডি।

২. তাজমহল, ভারত ১৬৪৮ সালে এটি তৈরি করেন শাহ জাহান।

৩. রেড স্কয়ার, রাশিয়া। ১৪৪০ সালে এটি তৈরি করা হয়।

৪. প্যালেস অফ ভারসেইলিস, ফ্রান্স। ১৬৭০ সালে এটি তৈরি করেন লুইস লি ভাউ

৫. সেন্ট পিটার বেসিলিকা, ইতালি। মিশেল এঞ্জেলো ১৬২৬ সালে এটি তৈরি করেন।

৬. গ্রেট অয়াল, চীন। ৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মাণ করা হয়।

৭. ফাতেহপুর সিক্রি প্যালেস, ভারত। জালালুদ্দিন মুহাম্মাদ আকবর এটি ১৫৭২ সালে তৈরি করেন।

৮. আল আযহার মসজিদ, মিশর। ৯৭২ খ্রিস্টাব্দে এটি তৈরি করা হয়।

৯. ফরবিডেন সিটি, বেইজিং। ১৪২০ সালে তৈরি করা হয় এটি।

১০. সেন্ট পল ক্যাথেড্রাল, লন্ডন। ১৯৯৭ সালে এটি তৈরি করা হয়।

বিরহের কবিতা "সেদিনই মারিয়া, আমায় দিলো ছাড়িয়া"

বিরহের কবিতা "সেদিনই মারিয়া, আমায় দিলো ছাড়িয়া"হাই স্কুলে পড়ার সময় প্রেমে পড়েছি যার,
সে ছিল সহপাঠী কুলসুম আক্তার,
ফাইনাল দিয়ে সেই যে গেল, তারপর দেখেনি আর।

ক্লাস সেভেনে পড়ি যখন,
প্রেমে পরে যাই সিনিয়র আপা’র।
সে ছিল খেলার সাথী,স্কুল শেষে এক সাথেই থাকি,
সুযোগ পেলেই মারি উঁকি ঝুঁকি।
এক ক্লাস জুনিয়র ভেবে
আপা করলো ভুল,
সে ভুলেই হয়ে গেলাম মস্তবড় লুল।
পাশে ডেকে আপা বলে “আমি না তোর বোন,
ওয়াহিদকে আমি ভালবাসি তুই হয়ে যা পিয়ন”।

প্রেম প্রীতি বাদ দিয়ে পড়ায় দিলাম মন,
সেবার আমি টেন এ পড়ি ছটফট সারাক্ষণ।
পরীক্ষা শেষে দাড়িয়ে ছিলাম মেয়েদের জানালার পিছে,
হঠাৎই এক মেয়ে বলে উত্তর বলে দিতে।
প্রশ্নপত্র চেয়ে নিয়ে উত্তর দিলাম লিখে,
i love u ও লিখে দিলাম এক্কেবারে নিচে।
প্রশ্নপত্র হাতে পেয়ে মেয়েটি দিলো হাসি,
ভালোবেসে ফেলেছি তাকে কি করে যে বলি,
খবর নিয়ে জানতে পারি ওর নাম কাকলী।
খাম্বা ধরে দাড়িয়ে থাকতাম ওর আসা যাওয়ার পথে,
কথা বলার সাহস হতোনা
ভীতু ছিলাম বলে।
এমন করেই একটি বছর হঠাত্‍ গেলো চলে।
তখন আমি কলেজে স্টুডেন্ট
সময় হাতে নাই
সেও নিরুপায়, আমিও লাজুক প্রেম আর হয় নাই।

২য় বর্ষে পড়ছি যখন, উদাস উদাস ভাব তখন,
পাড়ায় এল লাজুক একটি মেয়ে।
টানা টানা চোখ তার
ধনুকের মত নাক,
ফ্যালফ্যালিয়ে তাকিয়ে থাকি,
তাই তার এত রাগ,
এরপর দেখা হলে ও আমি হাসি
আর ও মারে ঢিল,
আপোষ করে চিঠি লিখলাম হয়ে গেলো মিল।
ঝগড়া শেষে প্রেমে পরে হাবুডুবু খাচ্ছি,
বছরখানিক সকাল-সন্ধ্যা দেখা করেই যাচ্ছি ।
সাহস করে জীর্ণতা সব দিলাম ঝেড়ে,
হাতে হাত রাখা, জড়িয়ে ধরা, চুমু খাওয়া গেলো বেড়ে।
একদিন দুজনে ওদের সিঁড়িতে পাশাপাশি ছিলাম বসে,
হূট করে ওর মা কোথা থেকে যেন সামনে পড়লো এসে।
কি করবো আজ ভেবে না পাই, কোন পথে যে পালিয়ে যাই,

সেদিনই মারিয়া, আমায় দিলো ছাড়িয়া ।

Collected, Source: Facebook Page-তোমাকে অনেক ভালবাসি(Love You More then I Can Say)

যুবক যুবতির ভালোবাসার টিপস

যুবক যুবতির ভালোবাসার টিপস১.দৈহিক সৌন্দর্যের বিষয়ে সচেতন হোন:একজোড়া মানবমানবী সর্বপ্রথম আকৃষ্ট হয় দৈহিক সৌন্দর্যে। দৈহিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েই প্রেমিকের হৃদয়ে প্রেমের বীজ অঙ্কুরিত হয়। অতএব প্রেমে সাফল্য চাইলে কিংবা বর্তমান প্রেম কে ধরে রাখতে চাইলে চেহারা সুরতের দিকে

একটু নজর দেয়া লাগবে।
২.পোশাক আশাকে বৈচিএ্য বজায় রাখুন: প্রেম করতে চাইলে টাকা পয়সা তো একটু করচ করাই লাগবে। এখানে শর্টকাট কোনো রাস্তা নেই। কম দামে ফুটপাত থেকে কাপড় কিনে প্রেমিকার চোখ ধাঁধাঁ লাগাবেন? সে আশা বৃথা। আপনি কোনদিন কোন শার্ট টি পরেছেন বা কোন রং এর শার্ট পরেছেন এটা আপনার চেয়ে আপনার প্রেমিকা ভালো বোলতে পারবে আসলে পোশাক আশাক দ্বারা একগজন পুরুষের রোমান্টিকতা প্রকাশ পাই জা বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করে

৩.গোপনিয়তা বজায় রাখুন: আপনাদের সম্পর্কের কথা গোপন রাখুন। এতে আপনাদেরি মঙ্গল আসবে।

৪.দুই নৌকায় পা দিবেন না:প্রেম প্রেম খেলা করার মানসিকতা অনেক তরুণ তরুণীর থাকে। এছাড়া অনেকে একাধিক সঙ্গির সাথে সম্পর্ক বগায় রাখার চেষ্টা করে। ফলে এদের মধ্যে প্রকৃত ভালোবাসার সুখ খুব কম থাকে। একধিক প্রেম চালিয়ে যাওয়াকে অনেকে খুব বাহাদুরী কাজ বলে মনে করে থাকে। কিন্তু তাদের মনে রাখা উচিত আসলে তারা বোকার স্বর্গে বসবাস করটেছে। কারণ সত্য বেশিদিন গোপন থাকেনা।

৫.প্রশংসা করুন: মানুসের মন আর্কষণ করার জন্য তা প্রশংসা করার গুরুত্ব আপরিসীম। এর মাধ্যমে মৌমাছির মতো আপনার চারপাশের মানুসকে আপনার দিকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

হিন্দি ছবি, গান কিন্তু বাংলায়

ছবির নাম গুন্ডে৷ থাকছে আস্ত একখানা বাংলা গান৷ গৌতম-সুস্মিতের লিরিকে সে গান গেয়েছেন বাপ্পি লাহিড়ি আর মোনালি ঠাকুর৷


নিলি এমন এন্ট্রি আরে/ বাজলো ঘণ্টি মনের তারে/ ও সোনা ও সোনা ও সোনা.../ মন শোনায় কমেন্ট্রি আরে/ প্রেমেরই গ্যারান্টি আরে/ আয়না করি ফস্টি-নস্টি/ দেখতে নোনতা খেতে মিস্টি...


ভাবছেন নতুন কোনও বাংলা ছবির গান? এক্কেবারে ভুল৷ যশরাজ ফিল্মসের নতুন বিগ বাজেট হিন্দি ছবি গুণ্ডে-র গান এটা৷


হিন্দি ছবিতে আস্ত একখানা বাংলা গান! অর্জুন কাপুর, রণবীর সিং আর প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার লিপে শোনা যাবে৷ গেয়েছেন বাপ্পি লাহিড়ি আর মোনালি ঠাকুর৷ গৌতম-সুস্মিতের কথায় সুর দিয়েছেন এক থা টাইগার-এর সুরকার সোহেল সেন৷


আসলে, একটা আফশোস কয়েক বছর ধরেই জমা হচ্ছিল বাঙালির মনে৷ মুম্বাইয়ে বাঙালি চিত্রপরিচালকদের জয়জয়কার৷ বার বার মুম্বাইয়ের ক্যামেরা ঘুরে যাচ্ছে কলকাতায়৷ বাঙালি সঙ্গীত পরিচালকদের দাপটও নতুন করে বেড়েছে মুম্বাইয়ে৷ গাইছেন বাঙালি গায়ক-গায়িকারা৷ কিন্ত্ত হিন্দি ছবিতে বাংলা গান কেন শুনতে পাওয়া যাচ্ছে না!


কী হল, উল্টো যুক্তি খুঁজছেন? ভাবছেন বাংলা গান হিন্দি ছবিতে কেন থাকবে? কেন, হিন্দি ছবিতে পাঞ্জাবি ভাংড়া চলছে না? ইউপি, বিহারের ভোজপুরি নওটঙ্কির ফেভিকল ঝান্ডু বাম-ও তো দিব্যি চলছে! রহমান সাহেবের কল্যাণে হিন্দি গানে যখন তামিল শব্দমালা থাকে, তখন তো তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে না৷ রজনীকান্তের ফ্যান হলে যে তালাইভা বলে লাফিয়ে উঠতে হবে সেটা তো আগে জানাই ছিল না৷ তাহলে বাংলা গানই বা থাকবে না কেন? এই যুক্তি-তক্কের গপ্পো এ বার অবসান ঘটতে চলেছে৷


বহুকাল আগে কিছু গানে বাংলা শব্দের আনাগোনা ঘটেছিল বটে৷ যেমন, পান্তাভাতে টাটকা বেগুনপোড়া কিংবা বাঙ্গালিমে কহেতি হ্যায়, আমি তোমাকে ভালোবাসি ইত্যাদি৷ তারপর আর তেমনটা বিশেষ হয়নি৷ গত দুতিন বছরে আবার একটা ট্রেন্ড এসেছে৷ হিন্দি গানে আসছে বাংলা শব্দ৷ যেমন ভুলভুলাইয়াতে শোনা গিয়েছে আমি যে তোমার, লুটেরাতে শোনা গিয়েছে কেমন বোকা মনটারে, ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানিতে ছিল আলুভাত, মুড়িভাত,কাহিনিতে অমিতাভ বচ্চনের গলায় যদি তোর ডাক পুরোটাই শোনা গিয়েছে৷ তবে রবীন্দ্রনাথের গান তো ক্ল্যাসিক! কারণ গুন্ডেতে এই গানের লিরিক যেকোনো বাংলা বাণিজ্যিক ছবির মতোই৷


ব্যাপারটা সম্পর্কে বলতে গিয়ে উচ্ছ্বসিত বাপ্পি লাহিড়ি৷ স্বভাবসিদ্ধ বাহূল্যে বলছেন, আমি ভীষণ আনন্দিত৷ একটুও বাড়িয়ে বলছি না, কিন্ত্ত একটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটতে চলেছে৷ ভাবুন বম্বের সবচেয়ে বড় ব্যানারের ছবি আর তাতে আস্ত একখানা বাংলা গান! ছবির পরিচালক আলি (আব্বাস জাফর) প্রস্তাবটা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়ে যাই৷ কেবল গেয়েই গা বাঁচাইনি, কেমনভাবে হলে শুনতে আরও ভালো লাগতে পারে তা নিয়ে সুরকার সোহেলকে (সেন) পরামর্শও দিয়েছি৷ আমি নিজে গৌতম সুস্মিতকে ফোন করে লিরিক লিখে দেয়ার জন্য বলি৷ মোটের ওপর এই গানটায় নিজেও ইনভলভড হয়ে পড়েছি৷


সাম্প্রতিক সময়ে সুরকার হিসেবে নয়, গায়ক হিসেবেই নতুন করে পাওয়া যাচ্ছে বাপ্পিকে৷ ডার্টি পিকচার-এর উলালা উলালা  তো সুপারহিট৷ তাছাড়া জলি এলএলবি, স্পেশাল ছাব্বিশএও তার গাওয়া গান শোনা গিয়েছে৷ সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়ার ছোড় না ইয়ার কিংবা মুক্তি আসন্ন লোফার,তামাঞ্চে ছবিতেও গেয়েছেন৷ এবার এই বাংলা গান৷ তাহলে কি বাঙালি গায়ক হিসেবেই নতুন ইনিংস তার?


বাপ্পি বলেন, অতকিছু ভাবছি না৷ মানুষ আমার গলা পছন্দ করছেন৷ শুনতে চাইছেন৷ সে জন্যই গাইছি৷ আর হিন্দি ছবিতে বাংলা গান গাওয়ার সৌভাগ্য হচ্ছে বলে আলাদা একটা আনন্দ তো অবশ্যই হচ্ছে৷


পরাণ যায় জ্বলিয়া রে, প্রেম আমার-এর মতো বহু হিট বাংলা সিনেমায় লিরিক লিখেছেন গৌতম-সুস্মিত৷ সাম্প্রতিক খোকা ৪২০ ছবির জন্য তার লেখা ম্যাড আই অ্যাম ম্যাড-ও সুপারহিট৷ সেই তিনিই গানটির লিরিসিস্ট৷ বললেন, এর আগে পোক্কিসম নামে একটা তামিল ছবির জন্য বাংলা গান লিখেছিলাম৷ এবার হিন্দি ছবির জন্য বাংলা গান লিখে অবশ্যই খুব আনন্দ হচ্ছে৷ বাপ্পিদাই আমায় গানের কথা লিখতে বলেন৷ ছবি করিয়েদের তরফে আমাকে বলা হয়েছিল এটা কোনো সফট রোম্যান্টিক গান নয়৷ একটা মাস্তানি চাল থাকবে গানের চলনে৷ সেটা মাথায় রেখেই কথা লিখেছি৷


এতদিন নানা সময়ে কলকাতা ও রাণীগঞ্জে গুন্ডের শ্যুটিং নিয়ে কলকাতাবাসী উতৎসুক ছিলেন৷ এবার অপেক্ষা গানটার! সূত্র: ওয়েবসাইট।