সফল হওয়ার ৭ টি উপায়

সফল হওয়ার ৭ টি উপায়

১. Positivity—ইতিবাচক মনোভাব: যেকোনো পরিস্থিতিতে ইতিবাচক মনোভাবের পরিচয় দাও।

২. Passion—ভালো লাগা: অন্য কারও মতো নয়, নিজের ভালো লাগার কাজটি করো।

৩. Perseverance—কঠোর অধ্যবসায়: কঠোর পরিশ্রম করো এবং কাজের ক্ষেত্রে ১১০ ভাগ মনোযোগ দাও।

৪. Persistence—লেগে থাকা: কঠোর পরিশ্রম করে দিনের কাজ দিনেই শেষ করো। ধারাবাহিকতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৫. Purpose—উদ্দেশ্য: জীবনের একটা উদ্দেশ্য খুঁজে বের করো এবং বিশ্বাস করো যে তুমি ব্যতিক্রমী কিছু করতে সক্ষম।

৬. Patience—ধৈর্য: সাফল্য ধরা দিতে সময় নেয়। কখনো তাড়াহুড়ো কোরো না এবং নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চেষ্টা করো।কারণ, এটাই হয়ে উঠবে তোমার জন্য সাফল্যের গল্প।

৭. People—মানুষ: মানুষকে সব সময় বিশ্বাস করো। তুমি যা-ই অর্জন করতে চাও, তোমার চারপাশে এমন কেউ না কেউ আছেন, যিনি তোমাকে সেটা অর্জনে সাহায্য করতে পারেন! 

ফেসবুক আপনাকে অসুখী করে

ফেসবুকে কেউ দুঃখী বা অসুখী হতে যুক্ত হয় না। কিন্তু মিশিগান ইউনিভার্সিটির মনোবিদ ইথান ক্রস তার এক গবেষণায় দেখান, ফেসবুক আমাদের কিভাবে দুঃখী করে তুলছে।

ফেসবুক আপনাকে অসুখী করে

ক্রস ও তার সহযোগীরা অ্যান আরবর এলাকার ৮২ জন বাসিন্দার কাছে প্রত্যেক দিন ৫ বার করে খুদেবার্তা আদান-প্রদান করেন। গবেষক দল তাদের কাছে কিছু বিষয়ে জানতে চান; এই যেমন তাদের অনুভূতির স্বরূপ কেমন, তারা কতটুকু উদ্বিগ্ন, একাকী ইত্যাদি।


দুটি খুদেবার্তার মাঝে তারা কতক্ষণ ফেসবুক ব্যবহার করেছেন তাও জানতে চাওয়া হয়। ক্রস দেখলেন, দুটি খুদেবার্তার মাঝে যত বেশি ফেসবুক ব্যবহার করা হয়েছে, তত কম সুখী হতে পেরেছে এবং গবেষণার শুরুতে তাদের সন্তুষ্টির/সুখের যে মাত্রা ছিল তা গবেষণার শেষে কম দেখা যায়। তথ্য-উপাত্তগুলোর মাধ্যমে তিনি দেখান যে, ফেসবুক তাদের সত্যিকার অর্থে অসুখী করছে।


ক্রসের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে ইন্টারনেটের বিশেষ করে ফেসবুকের বৈরাগী/বিচ্ছিন্নতাবাদী চরিত্র। ১৯৯৮ সালে কার্নেগী মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রবার্ট ক্রাউট দেখান, মানুষ যত বেশি ওয়েব/ইন্টারনেট ব্যবহার করে তত বেশি একাকীত্বে ও হতাশায় ভুগে। মানুষ প্রথমবারের মত অনলাইনে যাওয়ার পর দেখল যে, বছর দুয়েকের মাঝে কতক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে তার উপর ভিত্তি করে তাদের সুখ বা সামাজিক যুক্ততার অনুভূতির হ্রাস ঘটেছে।


নিসঙ্গ মানুষেরা সাধারণত কমই অনলাইনে যায়। সম্প্রতি প্রায় ৭৫টি গবেষণাতে গবেষকরা দেখান, ‘ফেসবুক ব্যবহারকারী ও না ব্যবহারকারী দুদলেরই চারিত্রিক বৈশিষ্ট প্রায় সমান (গত বছর নাথান হেলার ‘একাকীত্ব’ নিয়ে একটি সাময়িকীতে এ কথাটি বলেন)।’


২০১০ সালে এ রকম ৪০টি গবেষণা অনুসন্ধান করে দেখা যায়, আমাদের পুরোপুরি ভাল থাকার ওপর ইন্টারনেটের অল্প হলেও ক্ষতিকর প্রভাব লক্ষণীয়। আরেকটি পরীক্ষায় সিদ্ধান্তে আসে যে, ফেসবুক আমাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কে সমস্যার সৃষ্টি করে, বিশেষ করে সৃষ্টি করে সন্দেহ ও ঈর্ষা। যতবেশি ফেসবুক ব্যবহার ততবেশি ঈর্ষায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।


হানা ক্রাসনোভা ও তার সহকর্মীদের মতে, এ প্রভাবের কারণ হচ্ছে সামাজিক তুলনার মনোভাব যা সামাজিক মনোবিজ্ঞানের একটি অতি পরিচিত বিষয়। এটা আরও বেড়ে যায় যাদের সামাজিক নেটওয়ার্ক অভিন্ন। একই শ্রেণী-পেশার বা সমবয়সীদের মাঝে ঈর্ষার পরিমাণ বেড়ে যায় যদি অপরজনের অর্জন বেড়ে যায়।


ফেসবুকের প্রভাব নিয়ে একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় মনোবিজ্ঞানী বেথ অ্যান্ডারসন ও তার সহকর্মীরা দেখান যে, ফেসবুক ব্যবহার খুব অল্প সময়েই আসক্তিতে রূপ নেয়। অনেকে নেতিবাচক মন নিয়ে ফেসবুক ব্যবহার শুরু করে আবার বিরক্ত হয়ে ছেড়ে দেয়। আমরা অন্যদের জানতে চাই আবার জানাতেও চাই। কিন্তু এই জানাজানির প্রক্রিয়ায় আমরা আমাদের ও অন্যদের প্রাত্যহিক জীবনকে ঘৃণা করতে শুরু করি।


‘এ রকম হতে পারে যে, মানুষ যে জিনিস খুব পছন্দ করে তা শেষে বিরক্তিকর পরিণত হয়’ মনোবিদ স্যামুয়েল গসলিং নেটওয়ার্কিং ও ভাগাভাগির ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার ও প্রভাব নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে একথা বলেন।


এর বিপরীত কথাও শোনা যায় বিভিন্ন গবেষণায়। ২০০৯ সালে সেবাস্টিয়ান ভ্যালেনজুয়েলা ও তার সহকর্মীরা ইথান ক্রস থেকে ভিন্ন সিদ্ধান্তে পৌঁছান। তারা বলেন, ‘ফেসবুক আমাদের সুখী করে।’ তারা আরও দেখান, এতে সামাজিক বিশ্বস্ততা ও সম্পৃক্ততা বাড়ে, এমনকি রাজনীতিতে যুক্ত হতেও অনুপ্রাণিত করে।


ভেনিজুয়েলার গবেষণা সামাজিকতা নিয়ে ম্যাথু লিবারম্যান প্রখ্যাত বই ‘সোস্যাল: হোয়াই আওয়ার ব্রেইনস্ আর ওয়ারড্ টু কানেক্ট’ (Social: Why Our Brains are Wired to Connect) এর সঙ্গে মিলে যায়। সামাজিক মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে আমরা আদান-প্রদান করি এবং সফল আদান-প্রদান আমাদের মাঝে মনোজাগতিক ও শারীরিক উদ্দীপনা নিয়ে আসে।


সামাজিক মাধ্যমগুলোর উপস্থিতি আমাদের পড়া ও দেখার প্রক্রিয়াকে একেবারে পাল্টে দিয়েছ। আমরা যখন কোনো কিছু পড়ি বা দেখি তখন আমাদের মাথায় কাজ করে কার সঙ্গে, কিভাবে এটা শেয়ার করব। কোনো একটা বিষয় শেয়ার করার আগেই শুধু শেয়ার করার চিন্তাই আমাদের মস্তিষ্কের পুরস্কার প্রদান কেন্দ্রকে উদ্দীপ্ত করে।


ভার্চুয়াল সামাজিক যোগাযোগ অনেকক্ষেত্রেই আমাদের চাপ ও কষ্ট কমাতে সাহায্য করে। লিবারম্যান ও তার সহকর্মীরা দেখান, দুঃখের সময় ছেলেবন্ধুর হাতের স্পর্শের চেয়ে তার ছবির দিকে তাকিয়ে থাকা দ্বিগুণ কার্যকর নিয়ামক। দূরত্ব ও কল্পনার মিশেল আমাদের চাপ ও কষ্টের গায়ে শীতলতার প্রলেপ লাগিয়ে দেয়।


মনোবিজ্ঞানী ওয়েন্ডি গার্ডনার ও সিন্ডি পিকেট এটাকে বলেন, ‘সোশ্যাল স্ন্যাকিং’ (social snacking)।


এখন ফেসবুক আমাদের মনের ওপর কি প্রভাব ফেলে এ নিয়ে প্রখ্যাত গবেষণাগুলো কেন এমন বিভক্ত তার কারণ আমরা বুঝতে পারব একজন ব্যবহারকারী ফেসবুকে থাকাকালীন কি করে তার উপর ভিত্তি করে।


গসলিং বলেন, ‘ফেসবুকের ব্যাপারটা অনেক জটিল। কারণ এটা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন ছোট-বড় কাজে ব্যবহার করে এবং ব্যবহারটা পরিবর্তনশীল কারণ মানুষ পরিবর্তনশীল।’


কার্নেগী মেলন থেকে ২০১০ সালের গবেষণায় পাওয়া যায়, যখন মানুষ এই সরাসরি সামাজিক মিথস্ক্রিয়ায় যুক্ত হয়, একে অন্যের ওয়ালে পোস্ট করে, খুদে বার্তা আদান-প্রদান করে, অন্যের কোনো কিছু ‘লাইক’ বা পছন্দ করে তারা এক সম্পর্কের বন্ধনে যুক্ত হয়ে পড়ে। তাদের সামাজিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হয় এবং একাকীত্ব কেটে যায়। কিন্তু যেসব নিস্ক্রিয় ব্যবহারকারী শুধুমাত্র অন্যের জিনিসপত্র দেখে কাটায় বা ভোগ/ব্যবহার করে তাদের ক্ষেত্রে ফেসবুকের নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। তাদের যোগাযোগের অনুভূতি কমে যায়, একাকীত্ব বেড়ে যায়।


আরেকটি চলমান গবেষণায় মনোবিজ্ঞানী টিমোথি উইলসন জানান, কলেজ ছাত্ররা কোনো রুমে কয়েক মিনিটের মধ্যেই খুব উত্তেজিত হয়ে যায় যদি তাদের সঙ্গে ফোন বা কম্পিউটার না থাকে। আমাদের মাঝে শূন্যতা কাজ করলে আমরা খুব তাড়াতাড়ি পূর্ণ করে ফেলতে চাই। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট একটি আকর্ষণীয় আশ্রয়। আমরা বিরক্ত হলে ফেসবুক-টুইটার এ যাই এটা কাটানোর জন্য। কিন্তু আমরা আরও বিরক্ত হয়ে ফিরে আসি। আমরা ফেসবুক থেকে দূরে সরে গেলেই কোনো সমাধান হবে না। আমাদের মনোযোগ সঠিক দিকে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের সব সময় ভুলে গেলে চলবে না আমাদের সঠিক কাজে যুক্ত রাখতে পারলেই আমরা সঠিক পথে এগুবো। এক্ষেত্রে ফেসবুক কোন সমস্যা নয়। এটা একটা রোগের উপসর্গ মাত্র।

মারিয়া কনিকোভা


নিউ ইয়র্ক টাইমস বেস্ট সেলার বই ‘মাস্টার মাইন্ড: হাউ টু থিংক লাইক শার্লক হোমস’ বইটির লেখিকা তিনি। রয়েছে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি।

সুন্দরী মেয়েদের মন পাওয়ার ২০ উপায়

অনেক পুরুষের জীবনে সাধনার বিষয় নারী। ভালোবাসার নারীকে না পেয়ে অনেক পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন। কেউবা নারীদের প্রতি আসক্ত হয়ে সুন্দর জীবনটাকেই ধ্বংস করে দিয়েছেন।
love photos সুন্দরী মেয়েদের মন পাওয়ার ২০ উপায়

এমন অনেক ঘটনা ঘটে। দেখা যায়, কোন পুরুষ সারাদিন হয়তো প্রিয়তমার কথা ভেবে আবেগের বসে নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু সেই নারী কি ঐ ছেলেটিকে নিয়ে এক মুহূর্তও চিন্তা করে?। নারীদের মন জয় করার জন্য একদল গবেষক বিশটি উপায় খুজে বের করেছেন। আসুন জেনে নেই কি করে আপনার কাঙ্খিত নারীর মন জয় করবেন।

১. ভালবাসার প্রথম শর্ত হল প্রিয়মানুষটার কাছে সৎ থাকা। তার কাছে কোনকিছুই গোপন করা যাবে না।

২. প্রিয়তমাকে তার দূর্বলতার কথা তুলে রাগানো যাবে না।

৩. আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী ও ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন পুরুষদের পছন্দ করে। প্রিয়মানুষের মানসিক ও শারীরিক চাহিদার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

৪. নিজের অর্থসম্পদের চেয়ে তাকে বেশি ভালবাসতে হবে। প্রত্যেক নারী তার প্রিয়জনের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ভালবাসা পেতে চায়। নারী চায় তার প্রিয়মানুষ তার প্রতি যত্মবান হোক। সবকিছুর উর্ধ্বে তাকে দেখুক।

৫. মেয়েরা হাস্য-রস পছন্দ করে। যেসব ছেলেরা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসি তামাশা করতে পারে, মেয়েরা ঐসব ছেলেদের পছন্দ করে।

৬. মেয়েরা পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও ফিটফাট থাকতে পছন্দ করে। মেয়েরা চায় তার ভালোবাসার মানুষটি সব সময় কেতাদুরস্ত থাকুক।

৭. প্রিয়তমাকে প্রশ্ন করার সুযোগ করে দিতে হবে। সে কি জানতে চায় সেদিকে থেয়াল রাখতে হবে।

৮. নিজের পরিবারের সম্পর্কে তার সামনে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। এতে মেয়েরা নিজেদের অনেকটা নিরাপদ মনে করে।

৯. ফেলে আসা জীবনে যেসব মেয়েদের সঙ্গে আপনার প্রেম ছিল। সেসব গল্প নাইবা বললেন আপানার প্রিয়তমাকে। যদি সে কখনো জানতে চায় তবেই বলা যেতে পারে।

১০. মেয়েরা কথার ছলে গল্প বলতে ভালোবাসে। আপনার প্রিয় মানুষটির গাল-গল্পে বিরক্ত হবেন না যেন। তাহলে সে আপনার উপরে চটে যাবে।

১১. প্রিয়তমার সঙ্গে কথা বলার সময় তার চোখের দিকে তাকিয়ে আবেগ প্রকাশ করে কথা বলুন। এতে মেয়েরা খুশি হয়।

১২. আপনার মনে বেদনার পাহাড় জাগতে পা্রে। তাই বলে সবাইকে বলে কয়ে বেড়াবেন এমন নয়। প্রিয় নারীকেও আপনার দুঃখ-কষ্ট বুঝতে দেবেন না। বরং হাসি খুশি থাকুন।

১৩. কথায় বলে প্রকৃতি শুন্যস্থান পছন্দ করে না। তাই যথাসম্ভব প্রিয়জনের কাছাকাছি থাকুন। তাকে ঘনঘন সময় দিন।

১৪. প্রিয়মানুষটির পছন্দ-অপছন্দের প্রতি খেয়াল রাখুন। তার ভালো লাগা, মন্দ লাগার বিষয়গুলো মাথায় রাখুন।

১৫. প্রিয়তমার সঙ্গে কখনো অন্যকোন নারীর তুলনা করবেন না। কোন নারীর তুলনা পছন্দ করেন না।

১৬. অনেকে মনে করেন প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধত্ব করা যায় না। কথাটি ভুল। আগে বন্ধুত্ব পরে প্রেম।

১৭. প্রেমিকার বিশ্বাসে কখনো আঘাত করবেন না।তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনাকে সম্মান করুন।

১৮. প্রিয়তমার শরীরের মোহে না পরে তার মনের গুরুত্ব দিন। শরীর বৃত্তিয় ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ভালোবাসুন মনে থেকে। তাহলে শরীর মন দুটোই পাবেন অনায়াসে।

১৯. প্রকৃতিগত ভাবেই নারীরা কোমল। তাই প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলার সময় সময় কখনো কঠোর হবে না। কোমল সুরে নারীর সঙ্গে কথা বলুন।

২০. মেয়েরা খুব আবেগ প্রবণ। তারা সব সময় পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকতে ভালোবাসে। তাই আপনার প্রিয়মানুষটির পরিবারের প্রতি খেয়াল রাখুন। খোঁজ খবর নিন।

মনে রাখবেন ভালোবাসা এমনি এমনি আসে না। ভালোবাসা পেতে হলে আগে ভালোবাসা দিতে হয়। প্রেম-ভালোবাসা হল সুন্দরের আরাধনা। নারীর মন বুঝতে হলে নারীর সঙ্গে ঐ ধরনের আচরন করুন য্টো সে পছন্দ করে।

share please

মেয়ে এবং ছেলেদের শারীরিক পরিবর্তনের লক্ষণ সমুহ

ছেলে মেয়েদের শারিরীক পরিবর্তন হবার সময় কিছু আলামত বা লক্ষণ দেখা যায়।অবশ্য সকলে সেই আলামত চিহ্নিত করতে পারে না।তবে সাধারণত যে লক্ষণগুলো দেখে ছেলে মেয়ের বয়:সন্ধি বুঝা যায় তার মধে রয়েছে। মেয়েদের ক্ষেত্রে শারীরিক পরিবর্তন এর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো হলো-স্তন বৃদ্ধি। ভারী আর বোটার মতো একটা অংশ গড়ে উঠবে যাকে ইংরেজিতে বলা হয় নিপল (nipple)। যোনি, জরায়ু এবং ডিম্বাশয়। শ্রোণিদেশে লোম অথবা পিউবিক হেয়ার। ও বাহুমূলের নিচে লোম। রজঃচক্র।দেহের আকার, মেদ। কণ্ঠের পরিবর্তন ইত্যাদি বিষয় গুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে মেয়েদের বয়:সন্ধি শুরু হছে।এসময় আরো কিছু অস্বাভাবিক আচার আচারণও করে থাকে মেয়েরা।

মেয়ে এবং ছেলেদের শারীরিক পরিবর্তনের লক্ষণ সমুহ
ছেলেদের ক্ষেত্রে শারীরিক পরিবর্তন অবশ্য একটু স্বাভাবিক।যখন ছেলেদের শারিরিক পরিবর্তন শুরু হয় তখন সারাধরণ সমস্ত শরীর, বাহুমূলের নিচে ও মুখে লোম গজাতে থাকে। শুক্রাশয়ের আকার ও কাজের ধরণ একটু আলাদা হয়ে যায়।মন উড়ু থাকে। শ্রোণিদেশে লোম অথবা পিউবিক হেয়ার দেখা যায়।আওয়াজ পরিবর্তন অর্থাৎ কণ্ঠস্বরে গম্ভীর ভাব লক্ষ করা যায়। 

একটি করুন প্রেমের গল্প (আমাদের দেহগুলো দয়া করে কাটতেদেবেন না)

love photosএকটি করুন প্রেমের গল্প (আমাদের দেহগুলো দয়া করে কাটতেদেবেন না)
আমাদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। সবার কাছে আমাদের একটাই অনুরোধ। আমাদের দেহগুলো দয়া করে কাটতেদেবেন না। পাশাপাশিই আমাদের কবরদেবেন। আর সবাই আমাদের ক্ষমা করেদেবেন। আমরা একজন আরেকজনকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। তাই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলাম। বেঁচে থাকতে তো কেউ আমাদের এই সম্পর্ক মেনে নেবে না। বাবা-মায়ের অবাধ্য হয়ে তাদের মনেও কষ্ট দিতে পারব না। তাই এই পথ বেঁচে নিতে বাধ্য হলাম দুজন। ইতি: রমজান + সুখী।’

পাঠক, এটি একটি সুইসাইড নোট। দুই তরুণ-তরুণীর আত্মহননের আগে এই চিরকুট লিখে গেছেন। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়ার চৌধুরীহাটে ১৯ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর আগে অভিভাবকেরা তাঁদের সম্পর্ক মেনে না নিলেও পাশাপাশি হয়েছে শেষ আশ্রয়। বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে শুয়ে আছে এই জুটি। এখনো তাজা কবর। কবরে গুঁজে দেওয়া খেজুর গাছের ডাল দুটিও সতেজ।

রমজান আলী (২০) ও সুখী আকতার (১৬)চৌধুরীহাটের বারইপাড়া গ্রামে সামনাসামনি দুজনের বাড়ি। দূরত্ব বড়জোর ৫০ গজ। সম্পর্কে বেয়াই-বেয়াইনও (তালতো ভাই-তালতো বোন)রমজান নোয়াপাড়া কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। সুখী নোয়াপাড়া মুসলিম উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। পাশাপাশি থাকার সুবাদে কাছাকাছি আসে একে অপরের।

একসময় দুটি তরুণ মন স্বপ্ন দেখে ঘর বাঁধার। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব। এই দ্বন্দ্বও আরেকটি প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে। তিন বছর আগে রমজানের বড় ভাই আজগর আর সুখীর বড় বোন লাকী ভালোবেসে বিয়ে করেছেন। এ সম্পর্ক এখনো মেনে নেয়নি দুই পরিবার।

এই বিষয়টি বারবার ঘুরপাক খেতে থাকে দুজনের মাথায়। কী করবেন তাঁরা। পরিবার, না সম্পর্ক—এই টানাপোড়েনে মুষড়ে পড়েন রমজান ও সুখী। শেষ পর্যন্ত জীবনকে ছুটি দিয়ে দিলেন এই দুই তরুণ-তরুণী। মরণেও দুজন দুজনকে ছাড়া ভাবতে পারেননি কোনো কিছু। সেখানেও সহমরণ।

সুখীদের বাড়ির পেছনের পুকুরপাড়ে একটি জামগাছের ডালে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন দুজন একসঙ্গে। একে অপরকে কোমরে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁদের মরদেহ। নিশ্চিত হওয়া গেছে, সুইসাইড নোটটি সুখীর হাতের লেখা।

গত মঙ্গলবার চৌধুরীহাটে সুখীদের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, ঘরের দাওয়ায় বসে আছেন মা জোবেদা খাতুন। মুখে কথা নেই। শুধু এদিক-ওদিক তাকাচ্ছেন। মেয়ের জন্য এখনো বিলাপ করে চলেছেন বাবা মোহাম্মদ ইদ্রিস। বাড়ির ভেতরে সুখীর কক্ষে পড়ার টেবিলে থরে থরে সাজানো পাঠ্যবই রসায়ন, বাংলা... খাতাও পড়ে আছে টেবিলের ওপর। শুধু সুখী নেই।

তিন ভাই তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট সুখী। ভাইদের বড় আদরের ছিল সে। বোনের মৃত্যুসংবাদ শুনে ওমানের মাসকাটে থাকা দুই ভাই ছুটে এসেছেন এক নজর শেষ দেখা দেখতে। ভাইদের জন্য মরদেহের গাড়িতে লাশ রেখে দেওয়া হয় দুদিন। তাঁরা আসার পর দাফন করা হয়।

বাবা ইদ্রিস বলেন, ‘আমরা ঘুণাক্ষরেও টের পাইনি ও (সুখী) এ কাজ করবে। শান্তশিষ্ট, পড়ালেখায়ও ছিল ভালো। ছেলেটিও (রমজান) ছিল শান্ত। আমাদের মাথায় ছিল না তারা দুজন এমন করবে।’ মাসকাট থেকে আসা সুখীর ভাই মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছা ছিল তাঁকে ডাক্তারি পড়াব। এখন সব শেষ।’ রমজানের বাড়িতেও শোকের মাতম। ছয় ভাই একবোনের সবার ছোট রমজান। তিনি চলে গেলেন সবার আগে। বাবা সালেহ আহমেদ থাকেন সৌদি আরবে। ছেলের মৃত্যুসংবাদ শুনে তিনিও মুষড়ে পড়েছেন।

এ ঘটনা মানতে পারছেন না সুখীর বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও। কথা বলার সময় শ্রেণী শিক্ষক ফণী ধর দাশের গলা ধরে আসছিল। বললেন, ‘সে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত প্রথম অথবা দ্বিতীয় হয়ে এসেছে। কিন্তু নবম শ্রেণীর শেষ দিকে এসে সে প্রায়ই বিষণ্ন থাকত। যার প্রভাব পড়ে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলে। রোল নম্বর হয় ১১/আমি নানাভাবে তার কাছ থেকে জানার চেষ্টা করেছি কি হয়েছে। কিন্তু কিছু বলেনি।’
love photosএকটি করুন প্রেমের গল্প (আমাদের দেহগুলো দয়া করে কাটতেদেবেন না)
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘এ ঘটনার পর আমরা প্রতিটি শ্রেণীতে কাউন্সেলিং করেছি। শিক্ষার্থীদের বলেছি, এ ধরনের ঘটনা হলে পারিবারে বলতে না পারলেও যেন শিক্ষককে জানায়। আর অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে।’ রমজানের বন্ধুরা জানান, তিনি প্রায় সময় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে হতাশ থাকত। বলত, ‘দেখিস, একদিন সব ছেড়ে চলে যাব।’ এ যাওয়া যে শেষ যাওয়া হবে, তা বোঝেননি বন্ধুরাও।

আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয়

মোহিত কামাল, মনোরোগ চিকিৎসক

তরুণ-তরুণীদের এ ঘটনা নিয়ে আমরা কথা বলেছিলাম মনোরোগ চিকিৎসক মোহিত কামালের সঙ্গে। তিনি তিনটি ভাগে ভাগ করে এ ঘটনাটি বিশ্লেষণ করেছেন। প্রথমত: তরুণ প্রজন্ম ও মানসিকভাবে বিষণ্ন নারী-পুরুষদের বলতে চাই, আত্মহত্যা কোনো সমস্যার সমাধান নয়। আত্মহত্যা মানে নিজেকে খুন করা। ধর্মীয় অনুশাসন ও সামাজিক বিধিনিষেধ না মেনে আইন লঙ্ঘন করা। রমজান ও সুখী সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছেন। কারণ, তাঁরা সমস্যা দেখে নিজেদের খুন করেছেন। তাঁরা খুনি।

দ্বিতীয়ত: অভিভাবকেরা তাঁদের অবেগটা বুঝতে পারেননি। এটি তাঁদের বড় ব্যর্থতা। রমজান ও সুখীর আবেগের মধ্যে কোনো শঠতা ছিল না। তাঁদের ভালোবাসার টানটা ছিল তীব্র। তরুণ বয়সের প্রথম প্রেম এ রকম হয়। সবকিছু ছাপিয়ে সম্পর্কটা তাঁদের কাছে অনেক বড় হয়ে দাঁড়ায়। একে অপরকে না পেলে জীবন শেষ হয়ে যাবে, এমন ধারণা হয়। কিন্তু অভিভাবকেরা তাঁদের আবেগ না বুঝে পুরোনো বিরোধ জিইয়ে রেখেছেন। যার ফলে চলে গেল দুটি প্রাণ।

তৃতীয়ত: অভিভাবকদের বলতে চাই, তরুণ-তরুণীদের এ ধরনের সম্পর্ক দেখলে সতর্ক পদক্ষেপ নিতে হবে। তাদের আবেগকে মূল্য দিয়ে সুযোগ দিতে হবে বিষয়টি শেয়ার করার। সময় নিয়ে তাদের বোঝাতে হবে। বাড়াতে হবে মমত্বের হাত। তাহলে বাস্তবতা বুঝে তারা নিজেরাই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। কিন্তু তা না করে আমাদের সমাজে প্রথমেই তাদের ওপর নেমে আসে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। তা কখনোই সমস্যার সমাধান নয়। বাধা পড়লেই তারা পালিয়ে যায়, আত্মহত্যা করে কিংবা জড়িয়ে যায় মাদকের জালে। সংকট উত্তরণে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে তাদের মনোরোগের চিকিৎসা দেওয়া উচিত।

share please

শাড়ি পরার কৌশল জেনে নিন

শাড়ি বাঙালি ললনাদের জীবনের সাথে যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যে যতই আধুনিক হোক না কেন শাড়ির প্রতি তার আলাদা দুর্বলতা থাকবেই। সেই জন্য তো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রঙবেরঙের শাড়ি ছোট বড় সব নারীদের গায়ে শোভা পায়। আর শাড়ি বাঙালি মায়াবীনিদের আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। কিন্তু অনেকেই হয়ত এখনও শাড়ি পরার কৌশল রপ্ত করতে পারেননি। তাই অনেক সময় হাতের কাছে পরিয়ে দেয়ার মানুষ না পেলে পছন্দের শাড়িটি আকাঙ্খিত অনুষ্ঠানে পরতে পারেন না। তখন শুকনো মুখে অন্য কোন ড্রেস পরে অনুষ্ঠানে গিয়ে গাল ফুলিয়ে বসে থাকা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। আমার সেই সব পাঠকদের জন্য আজ এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। আজ আপনাদের শাড়ি পরার পদ্ধতি সম্পর্কে একটু আইডিয়া দেয়ার চেষ্টা করব।
শাড়ি পরার কৌশল জেনে নিন

প্রথমে নির্বাচন করুন পছন্দের শাড়িটির সাথে কোন জুতা পরবেন। জুতা নির্বাচন করাটা প্রথম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ জুতার হিলের ওপর নির্ভর করবে আপনার শাড়ির লেন্থ কত টুকুতে পৌঁছাবে। শাড়ি পরার আগে তার সাথে ম্যাচিং পেটিকোট পরুন আর শাড়ির লেন্থের সাথে মিল রেখে পেটিকোটের লেন্থ রাখুন।

কোমরের চারপাশে শাড়ি গুঁজতে হবেঃ

01

শাড়ির আঁচলের অপর প্রান্ত কোমরের সাথে জড়াতে থাকুন। এমন ভাবে করুন যেন শাড়ির আঁচল বাইরের দিকে থাকে। চেষ্টা করুন একবারে গুঁজে ফেলতে , নাহলে শাড়ি পরাটা অগোছালো দেখাবে। এইভাবে পুরো কোমরে একবার শাড়ি জড়িয়ে নিন।

কুঁচি দেয়ার পালাঃ

02

এইবার আরেকবার শাড়িটি নাভির বাম পাশ দিয়ে কোমরের সাথে পেঁচিয়ে নিন কিন্তু নাভির ডান পাশে এসে থেমে যাবেন। এবার বাম হাতের তালু দিয়ে শাড়ি ধরুন আর একটি একটি কুচি দিতে থাকুন। এভাবে ৫-৬ টি প্লিট দিবেন। তারপর সব গুলো প্লিটের মাথা এক সাথে নিয়ে একবারে পেটিকোটের ভিতর গুঁজে ফেলুন।

প্লিটগুলো গুছিয়ে নিনঃ

03

সবগুলো প্লিট একসাথে করে সেফটিপিন দিয়ে পিন করলে সুন্দর ভাজ হয়ে থাকবে। নাভি থেকে ২০ সেন্টিমিটার দূরে পিন লাগাবেন।

আঁচল ঠিক করুনঃ

04

বাকি শাড়িটা এবার বাম কাঁধের উপর ছড়িয়ে দিয়ে সুন্দর ব্রুজ বা পিন লাগিয়ে দিন।

সব কিছুই প্র্যাকটিসের উপর নির্ভর করে। ইন্সট্রাকশন অনুযায়ী কয়েকবার শাড়ি পরুন। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনি এটাতে এক্সপার্ট হয়ে উঠেছেন।

অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের জন্য কারিশমার টিপস

অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের জন্য হেলথ টিপস দিলেন ৯০ দশকের নন্দিত বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর। তিনি গর্ভবতী মায়েদের সুস্বাস্থ্য রক্ষার্থে একটি বই লিখেছেন। বইয়ের শিরোনাম 'মাই ইয়াম্মি মাম্মি গাইড'।
অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের জন্য কারিশমার টিপস
সম্প্রতি এ কাপুরকন্যা বইটির মোড়ক উন্মেচন করেছেন। ওয়ান ইনডিয়ার খবরে জানা গেছে, কাপুরকন্যা কারিশমা এ বইতে প্রসূতি মায়েদের জীবনযাপন নানা বিষয়ে তুলে ধরেছেন। বইটি থেকে প্রসবের পর মায়েদের ফিটনেস সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানা যাবে। এতে সুনির্দিষ্ট ডায়েট এবং ব্যায়াম চার্ট তুলে ধরা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ৩৯ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী বইটির মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠানে বলেন, 'আমি একজন মা। তাই আমি সহজেই আরেকজন মায়ের সমস্যাগুলো সহজেই অনুধাবন করতে পারি। তাই মায়েদের নানা শারীরিক সমস্যা এবং স্বল্প সময়ে তার সহজ সমাধান নিয়ে বইটি লিখেছি। আশা করছি, বইটি পড়ে মায়েরা উপকৃত হবেন।'

কারিশমা মনে করেন, একজন মায়ের সুস্থতা নিশ্চিত করতে তার জন্য পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। তাই মায়ের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই পরিমিত রুটি-সবজি ছাড়াও দুধ ও ফল খাওয়া একান্ত প্রয়োজন।

কারিশমা কাপুরের সাত বছর বয়সী ১ মেয়ে সামায়রা এবং দুই বছর বয়সী ১ ছেলে কিয়ান রয়েছে। - 

বাংলাদেশসহ ২৫ দেশে ব্যবহার হচ্ছে গোয়েন্দা সফটওয়্যার

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৫টি দেশে সন্ত্রাসীদের শনাক্ত, সংঘটিত অপরাধ চিহ্নিতকরণ, অপহরণ ও মানবপাচার রোধে গোয়েন্দা সফটওয়্যার ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। এই সফটওয়্যার দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তিসেবা ব্যবহারকারীদের কার্যকলাপসহ যাবতীয় কার্যক্রম সহজেই মনিটর করা সম্ভব। ফলে ব্যক্তির গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ‘এটা মানবাধিকার লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে। ব্যক্তির স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়।’
বাংলাদেশসহ ২৫ দেশে ব্যবহার হচ্ছে গোয়েন্দা সফটওয়্যার


ফিনস্পাই (ফিনফিশার নামেও পরিচিত) নামে এ সফটওয়্যার সন্দেহজনক ই-মেইলকে টার্গেট করতে পারে। বাইরাইনে সরকারবিরোধী কার্যকলাপ টার্গেট করে তা চিহ্নিত করার পরে বিশ্ববাসীর নজরে আসে সফটওয়্যারটি। এই সফটওয়্যার বিভিন্ন তথ্য চুরি করতে পারে। এর মধ্যে আছে পাসওয়ার্ড এবং স্কাইপে কলের অডিও (কণ্ঠস্বর)এগুলো চুরি করে সংশ্লিষ্ট সার্ভারে পাঠিয়ে দেওয়া যায়।


কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলেন, ‘মানবের যাবতীয় রেকর্ড সংরক্ষণ করতে পারে এই সফটওয়্যারটি। এমনকী স্কাইপে থেকেও অডিও কপি করে নিতে পারে।’ ল্যাবটি মানবাধিকার, ডিজিটাল মিডিয়া ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে গবেষণা করে থাকে। ল্যাবের সূত্র মতে, ফিনফিশার সফটওয়্যার ব্যবহারকারী ২৫টি দেশ হল অস্ট্রেলিয়া, বাহরাইন, বাংলাদেশ, ব্রুনাই, কানাডা, চেক রিপাবলিক, এস্তোনিয়া, ইথিওপিয়া, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, লাটভিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, হল্যান্ড, কাতার, সার্ভিয়া, সিঙ্গাপুর, তুর্কমেনিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম। সূত্র : ফেসবুক।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের ফেসবুক পেজ হ্যাক করার জন্য পুরস্কার পাচ্ছেন হ্যাকার খলিল

মার্ক জুকারবার্গের ফেসবুক পেজ হ্যাক করার জন্য পুরস্কার পাচ্ছেন ফিলিস্তিনের প্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞ খলিল শেরাত।


ফেসবুকের পক্ষ থেকে তাঁকে তিরস্কার করা হলেও খলিল শেরাতকে পুরস্কৃত করবে বিভিন্ন দেশের হ্যাকাররা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞ খলিল শেরাত মার্ক জুকারবার্গের ফেসবুক পাতা হ্যাক করে সেখানে মন্তব্য পোস্ট করে প্রমাণ করেছেন যে সাইটটির নিরাপত্তা দুর্বল। এর আগে ফেসবুকে নিরাপত্তা ত্রুটির কথা জানালেও তাঁকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কোনো গুরুত্ব দেয়নি। নিজেকে প্রমাণ করতে খলিল শেরাত জুকারবার্গের ফেসবুক পেজটিকে বেছে নেন এবং নিরাপত্তা ত্রুটি প্রমাণ করে জাকারবার্গকে সেখানে একটি পোস্টও লিখেছিলেন।

ফেসবুকের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা হচ্ছে যে, আপনি যদি কারও বন্ধু না হয়ে থাকেন তবে তার ফেসবুকের দেয়ালে কিছু লিখতে পারবেন না। খলিল শেরাত তাঁর হ্যাকিং দক্ষতার সাহায্যে এ ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে খলিল শেরাত জানিয়েছেন, শুরু থেকেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে নিরাপত্তা ত্রুটি সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করেছি। একাধিক বার্তা পাঠালেও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেনি। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বরং এটি বাগ বা সফটওয়্যারজনিত কোনো ত্রুটি নয় বলেই জানিয়েছিল। তাই ফেসবুকের নিরাপত্তা ত্রুটি দেখাতে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গের  পেজটি হ্যাক করা ছাড়া আর পথ খোলা ছিল না।


খলিল শেরাত আরও জানিয়েছেন, জাকারবার্গের পেজ হ্যাক করে বার্তা লিখে দেওয়ার পর দ্রুত ফেসবুকের প্রকৌশলীরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ফেসবুকের এই নিরাপত্তা ত্রুটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আগ্রহ জানায় এবং পরে তা ঠিক করে ফেলে। তবে, দুর্ভাগ্য যে, দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তাঁর বেছে নেওয়া পদ্ধতিটি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের পছন্দ হয়নি। ফেসবুকের নিরাপত্তা ত্রুটি বের করায় পুরস্কার পাওয়ার বদলে তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে।


ফেসবুক কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ফেসবুকের নিরাপত্তা ত্রুটি বের করতে পারলে তাকে পুরস্কৃত করা হয়। কিন্তু খলিল যে পদ্ধতিতে তা করেছেন তা ফেসবুকের নীতিমালার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।


ফেসবুকের পক্ষ থেকে খলিলের সফটওয়্যার ত্রুটি বের করার বিষয়টি স্বীকৃতি না পেলেও বিশ্বজুড়ে হ্যাকারদের কাছে বীরের মর্যাদা পাচ্ছেন তিনি। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান বিয়ন্ডট্রাস্টের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মার্ক মেফারেট এগিয়ে এসেছেন ফিলিস্তিনের এই হ্যাকারকে সাহায্যের জন্য। পরিচিত সব হ্যাকারদের কাছ থেকে ১০ হাজার মার্কিন ডলার তহবিল সংগ্রহ করে খলিলকে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।


নিজের পকেট থেকে দুই হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার হিসেবে খলিলকে দিচ্ছেন স্বশিক্ষিত হ্যাকার মার্ক মেফারেট।


মেফারেট জানিয়েছেন, ফেসবুকের কোনো ত্রুটি বের করতে পারলে তাঁকে কমপক্ষে ৫০০ মার্কিন ডলার পুরস্কৃত করে ফেসবুক। কিন্তু ফিলিস্তিনের কোথাও বসে পাঁচ বছরের পুরোনো ল্যাপটপ ব্যবহার করে খলিল যে ত্রুটি বের করেছেন তার জন্য অবশ্যই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য তিনি। হ্যাকারদের কাছ থেকে ক্ষুদ্র অর্থসাহায্য তাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে বলেই মনে করছেন মেফারেট।


বাংলাদেশে আসছেন মার্ক জুকারবার্গের ফেসবুক পেজ হ্যাক করা ফিলিস্তিনি হ্যাকার read more

কথা বলবে এখন চশমা

অন্ধদের জন্য বিশেষ এক 'কথা বলিয়ে' চশমা তৈরি করেছেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কুয়েটের দুই শিক্ষার্থী নাজমুল ও মোস্তফা। মাত্র ৭শ' টাকার এই প্রযুক্তি এখন ইংরেজি কমান্ডে চললেও অদূর ভবিষ্যতে বাংলায় কথা বলবে চশমাটি।
sanglasকথা বলবে এখন চশমা

নাজমুল ও মোস্তফা জানান, চশমাটি বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি শব্দ আকর্ষণ করতে পারবে, শব্দের উপর ভিত্তি করেই কাজ করবে এটি। পথ চলার আগে চশমাটি চালু করে দিতে হবে। কোন কিছু সামনে পড়া মাত্রই চশমাটি ‘ফ্রন্ট’, ‘রাইট’, ‘লেফট’ উচ্চারণ করে দিকনির্দেশনা দেবে ব্যবহারকারীকে। বস্তুর দূরত্ব ভেদে উচ্চারণের তীব্রতাও হবে ভিন্ন। এর ফলে ব্যবহারকারী বস্তুর দূরত্ব সম্পর্কে বুঝতে পারবেন। এটি প্রায় তিন মিটার দূরত্ব পর্যন্ত কাজ করতে পারবে। এই চশমা দিয়ে ঘরে অনুপ্রবেশকারীকেও সনাক্ত করা যাবে।

ভবিষ্যতে এতে যুক্ত করা হবে জিপিএস প্রযুক্তি। এটি স্মার্ট ফোনের সাথে সংযোগ করে ব্যবহার করা যাবে। এতে করে অন্ধ ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন তার পরিবারের লোকজন। এতে বর্তমানে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হলেও ভবিষ্যতে বাংলা ভাষা ব্যবহার করা হবে।
উদ্ভাবকরা জানান, চশমাটিতে আছে ‘আল্ট্রাসনিক সেন্সর’, ডাটা প্রসেসিং এর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ‘পিআইসি’ সিরিজের মাইক্রোকন্ট্রোলার। আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সাধারণ ইয়ারফোন। ব্যবহার করা হয়েছে মোবাইল ব্যাটারি যা একবার চার্জ করলে ব্যবহার করা যাবে টানা ত্রিশ ঘণ্টা। চার্জ শেষ হয়ে গেলেও বিশেষ কেবল ব্যবহার করে এটিকে মোবাইলের সঙ্গে সংযুক্ত করে সচল রাখা যাবে বাড়তি কয়েক ঘণ্টা।

তরুণ উদ্ভাবক নাজমুল হাসান পড়ছেন তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল বিভাগে এবং মোস্তফা কামাল কম্পিউটার সাইন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। দু’জনই তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
তারা বলেন, “বাজারজাত করতে পারলে এই চশমার ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।

খবরটি শেয়ার করে অন্ধ মানুষদের সহায়তা করুন 

সানি-ক্যাটরিনাদের থেকে সাবধান

অনলাইনে প্রিয় তারকাদের খোঁজাখুঁজি করাটা একটা নিত্য নৈমত্তিক ঘটনা। সার্চ দিয়ে ছবি, ভিডিওসহ নানা খবর বের করেন ভক্তরা। কিন্তু এই তারকাদের সাথে সাথেই ঘুরে বেড়ায় বিপদ। তাদের সাথে সাথে এসে হাজির হয় নানা সমস্যা-ফাঁদ। আর এই ফাঁদে পা দিলেই আপনাকে পোহাতে হবে বিব্রতকর ঝামেলাসহ নানা বিপদ। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল তেমন খবরই জানালো।
সানি-ক্যাটরিনাদের থেকে সাবধান

বিখ্যাত সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ম্যাকাফি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্বতারকাদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। যাদের সাথে সাথে ঘুরে বেড়ায় নানা ধরনের ভাইরাস। সার্চ দিলে এই তারকাদের পাশাপাশি চলে আসবে হাজার রকমের ভাইরাস। মঙ্গলবার  তালিকাটি প্রকাশ করা হয়। ওয়েবসাইট ম্যাশবেল এ সংবলিত একটি খবর প্রকাশ করেছে।

এ খবরে উঠে আসে ইন্টারনেট জগতে ঝুঁকিপূর্ণ তারকাদের নাম। এ তালিকা অনুযায়ী বলিউডের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ তারকাদের মধ্যে সবার শীর্ষে রয়েছে সানি লিওনের নাম। ইন্দো-কানাডিয়ান এ পর্ন তারকা এখন বলিউড তারকা হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত। তার পরপরই রয়েছেন, পুনম পাণ্ডে, ক্যাটরিনা কাইফ, কারিনা কাপুর, বিদ্যা বালান, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, ঐশ্বরিয়া রাই ও দীপিকা পাড়ুকোন।
আর হলিউডসহ বিশ্বে তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন লিলি কলিন্স। হলিউডের শীর্ষ ১০ ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন এভ্রিল ল্যাভিঞ্জ, স্যান্ড্রা বুলক, ক্যাথি গ্রিফিন, জো সালডানা, কেটি পেরি, ব্রিটনি স্পিয়ার্স, জন হ্যাম, আদ্রিয়ানা লিমা ও এমা রবার্টস।

এসব তারকাদের সার্চ করার সাথে সাথে চলে আসে নানা ধরনে প্রলোভনের লিঙ্ক। তারকাদের নগ্ন ছবি, ভিডিওে ইত্যাদি ফ্রি ডাউন লোডের অফার দেয়া হয়। আর এসব ফ্রি ফ্রি অফার গ্রহণ করলেই ভাইরাস এসে বাসা বাধবে আপনার কম্পিউটারে। সুতারং এ তারকাদের খোঁজার ক্ষেত্রে সাবধান থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

আলু টমেটো এক গাছে !

গাছের লতায় ধরবে টমেটো, শেকড়ে আলু। ধরেছেও, দেখা যাচ্ছে ছবিতে। নাম দেয়া হয়েছে টমটেটো, ব্রিটেন এখন এটির বানিজ্যিক উৎপাদনে যেতে প্রস্তুত।
রয়েল হরটিকালচার সোসাইটি'র পক্ষ থেকে গাই বারটার বলেছেন, "আমরা 'রিয়েল ইন্টারেস্ট' নিয়ে আমরা এর ফলাফলের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।"
স্রেফ গ্রাফটিং-এর মাধ্যমে এই জোড়-ফসল ফলানো সম্ভব হয়েছে বলে জানান বারটার, যিনি একই সাথে বিবিসি'র গার্ডেনার্স ওয়ার্ল্ড-এ একজন কন্ট্রিবিউটর। তিনি জানালেন, অনেক আগেই তারা গাছটির ব্যাপারে সফল হয়েছিলেন। তবে টমেটো, আলু-কোনটারই স্বাদ ভালো ছিল না। এখন আর সেই সীমাবদ্ধতা নেই।
এক গাছে আলু টমাটোর এই জোড়কে ব্রিটেনে বলা হচ্ছে, 'ভেজ প্লট, ইন অ্যা পট।'
দেখা যাক, বাজারে এলে কী ঘটে।

যে গ্রামে প্রবেশে নির্ঘাত মৃত্যু

সীতাকুণ্ড উপজেলার শিবপুর গ্রামের মোঃ ছুট্টু মিয়ার বড় ছেলে মোঃ সবুজ হোসেন ডাক্তার (২৪) কে একই গ্রামের শিবপুর (স্বন্দ্বীপি পাড়া) গ্রামে দেখলে মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে এলাকাবাসী।

জানা যায়, শিবপুর গ্রামের মোঃ ছুট্টু মিয়ার বড় ছেলে মোঃ সুবজ হোসেন ডাক্তার (২৪) এর সাথে একই গ্রামের মোঃ আমিন ড্রাইভারের স্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ সম্পর্ক গড়ে আসছিল। এ অবৈধ সম্পর্কে বিষয়ে ইতিপূর্বে আরো একবার এলাকাবাসীর চোখে ধরা পড়লে ওই এলাকায় তার অহেতুক যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়। এরপরও গত ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার রাত সাড়ে ৮ ঘটিকার সময় আমিনের স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে এলাকাবাসী দেখতে পায়। এলাকাবাসী ধাওয়া খেয়ে সে পালিয়ে যায়। খবরটি সীতাকুণ্ড পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর মোঃ শামীম উদ্দীনকে অবহিত  করা হয়।

পরে বিষয়টি গ্রাম সর্দার মোঃ জামাল উল্লাহ্কেও অবহিত করলে উভয় গ্রামের লোকজন রাত ১১টার দিকে একটি শালিসী বৈঠকের আয়োজন করে। কিন্তু অভিযুক্ত সবুজ (২৪) এই ঘটনাটি কিছু জানিনা বলে অস্বীকার করলে শালিশী বৈঠকে তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে প্যানেল মেয়র, উভয় গ্রাম সর্দার ও  গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে সতর্কবাণী দেয় যে, ওই এলাকায় কেউ যদি মোঃ সবুজ (ডাক্তার) কে অহেতুক ঘোরাফেরা করতে দেখে তাহলে গ্রামবাসীর যা ইচ্ছা তা করতে পারবে এমনকি মেরে ফেলতেও পারবে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে প্যানেল মেয়র মোঃ শামীম উদ্দীন হ্যালো-টুডে ডটকমকে জানান, ‘ আমরা একই বিষয় নিয়ে আগেও একবার বৈঠক করেছি এবং এবার দ্বিতীয় বারের মত বৈঠকে করলাম। এসব ন্যাক্কারজনক বিষয় নিয়ে আমরা আর কোন বৈঠক করতে রাজ্বি নয়। তাই এ বিষয়ে আমি একা কোন সিদ্ধান্ত দিইনি। গ্রামবাসী সকলে মিলে একটা সিদ্ধান্ত দিয়েছি।



ওই গ্রামের সর্দার হাজ্বী মোঃ জামাল উল্লাহ্ হ্যালো-টুডে ডটকমকে জানান,‘এক জনের কারণে দশ জনের বদনাম। আমরা ভবিষ্যতে এই বিষয় নিয়ে আর বৈঠক বা কোন ধরনের শালীশি বৈঠক করব না। আমরা এর দায়িত্ব শিবপুর (সন্দ্বীপিপাড়া) কে দিয়ে দিয়েছি।

মেসির ‘ষড়যন্ত্রের জাল

কিছুটা বিতর্কের মধ্যেই পড়ে গেছেন লিওনেল মেসি। আয়কর ফাঁকির অভিযোগে স্প্যানিশ আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। এরই মধ্যে আর্জেন্টাইন তারকার ভাবমূর্তিতে কালি পড়ে গেছে স্পেন থেকে প্রকাশিত এক বইয়ের মাধ্যমে।‘এল মিস্তোরিয়ো ডি মেসি’ (ইংরেজিতে মিস্ট্রি অব মেসি) নামের ওই বইয়ে বলা হয়েছে, বার্সেলোনা থেকে সুইডিশ তারকা জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের বিদায়ে নাকি মুখ্য ভূমিকা ছিল মেসির। আর্জেন্টাইন তারকাই নাকি ‘ষড়যন্ত্রের জাল বুনে’ ইব্রাহিমোভিচের মন বিষিয়ে তুলেছিলেন। পরিণতিতে বার্সা ছেড়ে চলে যান এই তারকা। কিছুদিন আগে স্প্যানিশ গণমাধ্যমে একটা খবর বেরিয়েছিল, মেসি নাকি ড্রেসিংরুমে জুনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে ‘স্বেচ্ছাচারী’ আচরণ করেন।

মিস্তোরিয়ো ডি মেসিতে ইব্রা-মেসির সম্পর্কে বলা হয়েছে, ২০০৯ মৌসুমে ইব্রাহিমোভিচ বার্সায় আসার পর নাকি কোচ গার্দিওলা মেসির চেয়ে সুইডিশ তারকার ওপরই বেশি নির্ভরশীল ছিলেন। প্রথম একাদশে তিনি ইব্রাহিমোভিচকেই বেশি রাখতেন। এমন একটা পরিস্থিতিতে মেসি একদিন নিজের মোবাইল দিয়ে গার্দিওলাকে খুদেবার্তা পাঠান। বার্তায় লেখা ছিল, ‘পেপ, একটা ব্যাপার বুঝতে পারছি, ইব্রা আসার পর বার্সায় মনে হচ্ছে আমার আর বিশেষ দরকার নেই।’ মেসির খুদেবার্তায় বেশ বিচলিত হয়ে পড়েন বার্সার সাবেক কোচ।

দোটানায় পড়ে তিনি ইব্রাহিমোভিচকে একাদশের বাইরে ঠেলা শুরু করেন। ব্যাপারটি বুঝতে পেরে ইব্রাহিমোভিচও অবাক হয়ে যান। একদিন ড্রেসিংরুমে তিনি গার্দিওলার সঙ্গে খুব বাজে আচরণও করেন। একটি ম্যাচের আগে ব্রিফিং করার সময় ইব্রাহিমোভিচ বলে বসেন, ‘দেখুন, আমি একজন ফরোয়ার্ড। সুইডিশ জাতীয় দলে খেলি। আমি জানি কীভাবে খেলতে হয়। আমার পরামর্শের কোনো প্রয়োজন নেই।’ এ ঘটনায় অবশ্য বিচলিত না হয়ে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন গার্দিওলা।

ঘটনার পর কোচের গুডবুকের বাইরে চলে যান ইব্রাহিমোভিচ। ডাগ আউটই হয় তাঁর ঠিকানা। মৌসুম শেষে তিনি যেন বার্সেলোনা ছেড়ে বাঁচেন।

বইয়ে প্রকাশিত তথ্যের ব্যাপারে অবশ্য বার্সেলোনা কিংবা মেসির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বার্সা আপাতত ব্যস্ত মেসির চোট নিয়ে। আলমেইরার বিপক্ষে হাঁটুর চোট যে আবার মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে মেসিকে! সূত্র: ওয়েবসাইট।

স্বাস্থ্য উপকারিতা বিয়ে

স্বাস্থ্য উপকারিতা বিয়েবিভিন্ন রকম স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন? সহজ সমাধান হচ্ছে বিয়ে করে ফেলুন। শুনতে অদ্ভুত শোনালেও সত্যি যে বিয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। নারী-পুরুষ উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্য বিয়ে করা কল্যাণকর। সুখী দাম্পত্য জীবন বিষন্নতা, উদ্বিগ্নতা, বিরক্তি কমিয়ে দেয়। আসুন জেনে নেয়া যাক বিয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো।

আয়ু বাড়ে

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতরা তুলনামূলক ভাবে বেশি দিন বেঁচে থাকে। বিবাহিতদের বেশিদিন বেঁচে থাকার পেছনে সঠিক কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হয়েছে যে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকার কারণে বেশি দিন শরীর সুস্থ থাকে ফলে আয়ু বৃদ্ধি পায়।

শরীর সুস্থ্ থাকে

বিবাহিতদের সর্দি, কাশি, ফ্লু, মাইগ্রেন ইত্যাদি অসুখ কম হয়। শুধু তাই নয়; বিবাহিতদের শরীরে ক্যান্সার, হার্টের অসুখ এবং হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে। গবেষকরা ১৭টি দেশের বিবাহিতদের স্বাস্থ্য অবস্থা, চিকিৎসা নেওয়ার ধরণ ও সুস্থ হওয়ার সময়কালের উপর গবেষণা চালিয়ে এই ফল পেয়েছেন।

বিবাহিতদের সুস্থতার একটি কারণ হতে পারে তাঁরা একে অপরকে খারাপ অভ্যাস যেমন ধূমপান, মদ্যপান ত্যাগ করতে সাহায্য করে এবং ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখে।

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে

বিবাহিতদের মানসিক অসুস্থতা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। ১৯৯১ সালের আমেরিকার একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে অবিবাহিত বা বিচ্ছেদ হয়েছে এমন মানুষদের চাইতে যারা সুখী দম্পতি তাদের বিষন্নতা বা অন্যান্য মানসিক সমস্যা কম দেখা দেয়। বিবাহিত দম্পতিরা বিভিন্ন বিপদে আপদে আলাপ আলোচনা করে সমাধান করে এবং একাকীত্বে ভোগে না। তাই তাদের মানসিক স্বাস্থ্য অবিবাহিতদের তুলনায় ভালো থাকে।

হার্ট ভালো থাকে

ফিনল্যান্ডের তুরকো ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের গবেষকদের হৃদরোগ বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘ইউরোপিয়ান জার্নাল অব প্রিভেন্টিভ কার্ডিওলজি’ প্রকাশ করেছে যে অবিবাহিতদের চেয়ে বিবাহিত ব্যক্তিদের হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম। এমনকি বিবাহিতদের হার্ট অ্যাটাক হলেও তা অবিবাহিতদের তুলনায় দ্রুত ভালো হয়ে যায়।

অসুস্থতা দ্রুত ভালো হয়ে যায়

গবেষণায় দেখা গেছে যে বিবাহিতরা অসুস্থ হলে বা বড় কোনো অপারেশন হলে অবিবাহিতদের তুলনায় দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। এর পেছনে কারণ হিসেবে ধারণা করা হয়েছে যে বিবাহিত দম্পতিরা একে অপরের অসুস্থতায় সেবা-যত্ন করে এবং সুবিধা অসুবিধার দিকে খেয়াল রাখে। তাই বিবাহিতরা যে কোনো অসুস্থতায় অন্যদের তুলনায় দ্রুত সুস্থ হয়।

দাঁতের সৌন্দর্য যেই ৬টি খাবার নষ্ট করে

দাঁতের সৌন্দর্য যেই ৬টি খাবার নষ্ট করে
সুন্দর ঝকঝকে মুক্তার মতো দাঁত কে না চায় বলুন? হাসিতে মুক্তা ঝরাতে হলে চাই একরাশি ঝকঝকে সাদা দাঁত। আর এই ঝকঝকে সাদা দাঁত পেতে হলে নির্দিষ্ট নিয়মে দাতের যত্ন দরকার। তাছাড়াও কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে দাঁতে দাগ পড়ে যায় এবং দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে যায়। এই খাবার গুলো এড়িয়ে চললে মুক্তার মত সাদা দাঁত পাওয়া খুব সহজ। আসুন জেনে নেয়া যাক দাতে দাগ সৃষ্টিকারী খাবারগুলোর তালিকা।
রঙিন ক্যান্ডি ও আইসক্রিম
দোকানে নানান রঙের ক্যান্ডি, লজেন্স ও আইসক্রিম পাওয়া যায়। এগুলো খেতে সুস্বাদু ও দেখতে আকর্ষনীয় হলেও দাঁতের জন্য মোটেই ভালো নয়। বিশেষ করে যে খাবারগুলো খেলে জিভের রঙ বদলিয়ে যায় সেগুলো খুবই ক্ষতিকর এবং এগুলো দাঁতের সাদা ভাব কমিয়ে ফেলে।

চা
চা একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়। কিন্তু দাঁত ঝকঝকে সাদা রাখতে চাইলে চা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো। ডেন্টিস্টদের মতে দাঁতে দাগ ফেলার ক্ষেত্রে কফির চাইতেও বেশি চা ক্ষতিকর হচ্ছে চা। সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে যে সাধারণ চায়ের পাশাপাশি ভেষজ চায়েও দাঁতের এনামেলের জন্য ক্ষতিকারক উপাদান আছে এবং এগুলো দাঁতে দাগ সৃষ্টি করে।

সস
সস ছাড়া কি ভাজাপোড়া খাবার জমে নাকি? কিন্তু গাঢ় রঙের সস যেমন সয়াসস, টমেটো সস, চিলি সস, কারি সস ইত্যাদিতে দাঁতে দাগ সৃষ্টিকারী উপাদানের আধিক্য আছে। দাঁত ঝকঝকে সাদা রাখতে চাইলে গাঢ় রঙের সস এড়িয়ে সাদা ধরণের সস খান অথবা গাঢ় রঙের সস খাওয়ার পর পর ব্রাশ দিয়ে দাঁত মেজে ফেলুন।

রঙিন ফল
কিছু ফল আছে যেগুলো দাঁতে দাগ ফেলে। জাম ও কালো আঙ্গুর তার মধ্যে অন্যতম। জাম খেলে দাঁতে জামের রঙের দাগ বসে যায়। নিয়মিত জাম খেলে এই দাম মোটামুটি স্থায়ী হয়ে যায়। তাই এইধরনের ফল খাওয়ার পর সাথে সাথেই দাঁত মেজে নিন।
কোমল পানীয়
যে কোনো ধরণের কোমল পানীয় দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। এমনকি রঙ ছাড়া কোমল পানীয় যেমন সেভেন আপ, স্প্রাইট ইত্যাদিতেও প্রচুর পরিমানে এসিড থাকে যেগুলো দাঁতে দাগ সৃষ্টির জন্য দায়ী।

ওয়াইন
যে খাবারগুলো সাদা টেবিল ক্লথে দাগ ফেলে, সেই খাবার গুলো দাঁতেও দাগ ফেলে দেয়। এসিডিক পানীয় লাল ওয়াইন খেলে তাৎক্ষনিক ভাবে দাঁতে দাগ পরে যায়। এমনকি সাদা ওয়াইন খেলেও দাঁতে দাগ পড়ে।

ল্যাপটপের ক্যামেরার সামনে নিজেকে খোলামেলাভাবে উপস্থাপন করে আয়

সকাল ১০ টা। মেকআপ নিয়ে সাজতে ব্যস্ত ২৫ বছর বয়সী এক মডেল। এরপর নিজের ঘরের আলো ঠিকঠাক করে কাজ শুরু হবে তাঁর। কাজের নাম ‘ক্যাম মডেলিং’।

ল্যাপটপের বা ভিডিও ক্যামেরার সামনে নিজেকে খোলামেলাভাবে উপস্থাপন করে তার ভিডিওচিত্র ধারণ করা ও সরাসরি সম্প্রচার করা হবে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। এই মডেল নিজেকে যতোটা আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন ততোই দ্রুত বাড়বে তার জনপ্রিয়তা ও আয়।

নিউইয়র্ক টাইমস সম্প্রতি ‘ক্যাম মডেলিং’ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর একজন জনপ্রিয় ক্যাম মডেলের নাম ‘লেসি’তাঁর কাজ হচ্ছে, বাড়িতে বসে বসে কিংবা সুবিধামতো পরিবেশে ওয়েবক্যামের সামনে মডেলিং করা। এরপর এই ভিডিও ক্লিপটি একটি বিশেষ সাইটের মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করা।

অনলাইন নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, বর্তমানে সারা বিশ্বেই এ ক্যাম মডেলিং ব্যবসার প্রচলন বাড়ছে। গত কয়েক বছরে ডিজিটাল ব্যবসা হিসেবে ক্যাম মডেলিং দ্রুত বেড়েছে। প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির ফলে বর্তমানে ক্যাম ব্যবসা আরও ফুলে-ফেঁপে উঠছে এবং দ্রুত অর্থ আয় করার দরজা খুলছে। এই ব্যবসার সঙ্গে অনলাইন পর্নোগ্রাফির পার্থক্য হচ্ছে যে, এ ক্যাম শো সহজে কপি বা পাইরেসি করা যায় না। অর্থাত্ রিয়েল টাইমে কেবল এ শো ওয়েবসাইটে প্রচারিত হয়।

অনলাইনে ওয়েবসাইট ভিজিটরদের আচরণ ও তথ্য প্রদানকারী সাইট কমপিট ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, লাইভ ক্যাম শো সম্প্রচার করে এমন ওয়েবসাইটের ভিজিটর প্রচুর। শীর্ষস্থানে থাকা অনেক সাইট মাসে লাখ লাখ ভিজিটর পায়।

এ ধরনের ওয়েবসাইটগুলোতে একটি নির্দিষ্ট সময় কয়েক শ মডেল অনলাইনে থাকে যাদের শো এক হাজারের বেশি বার দেখা হয়। আবার অনেকে এ সাইটগুলোকে ‘প্রাইভেট শো’ হিসেবেও উপভোগ করে। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বর্তমানে লাইভ ভিডিও ক্যাম সাইটগুলোর আয় দ্রুত বাড়ছে।

এ ধরনের সাইটে যারা মডেল হিসেবে কাজ করছে তাদের আয়ের বিষয়টি আবার পেজভিউ বা সাবসক্রিপশনের ওপর নির্ভর করে না। তাদের পারিশ্রমিক নির্ধারিত হয় ক্রেডিট বা টিপস হিসেবে। এসব টিপস ও ইলেকট্রনিক টোকেনের সুবিধা রাখে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো। লাইভ শো দেখতে এসব ইলেকট্রনিক টোকেন কিনতে হয় দর্শকদের। দর্শকরা অনলাইনে বার্তা পাঠানো বা ভাব বিনিময় করার সুযোগ পান মডেলদের সঙ্গে। ওয়েবসাইটগুলো যোগাযোগের সব বন্দোবস্ত করে দেয়। এসব ওয়েবসাইটগুলো সংগৃহীত অর্থ পরে মডেলদের পরিশোধ করে।
ক্যাম মডেলদের ভাষ্য হচ্ছে, যতোই তাঁরা ইন্টারনেটের সুবিধা নিয়ে নিজেদের নিরাপদ ভাবুন না কেনো তাদের পরিচয় প্রকাশ হয়ে পড়তে পারে যেকোনো মুহূর্তেই।

এদিকে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়েব ক্যাম মডেলদের কাছে প্রতারিত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে হর-হামেশাই। লাইভ-শোর নামে প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে আগে ধারণকৃত ভিডিওচিত্র দেখানো হয় এবং প্রতারক ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে ফাঁদে ফেলে। অনেক ক্ষেত্রে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে দর্শককে খোলামেলা হতে বলে এবং সে ভিডিও চিত্র ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলেন, ক্যাম মডেলিং প্রতারণার শিকার হতে পারে শিশু, তরুণ ও নারীরা। যুক্তরাজ্যের চাইল নেট ইন্টারন্যাশনালের গবেষকেদের মতে, ওয়েবক্যামের প্রতারণার এক পর্যায়ে ভয়ানক হয়ে ওঠে প্রতারকরা। তবে অনেক ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রতারণার বিষয়টি সহজে সামনে আসে না। অনেকে প্রতারণার বিষয়টি ধরতেও পারেন না। একাকিত্বের দুর্বলতার সুযোগে ক্যাম প্রতারকরা হাতিয়ে নিতে পারে অর্থ। হতাশ হয়ে আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটাতে পারে প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যক্তিটি। প্রথম আলো।

স্ত্রীকে যা যা বলবেন না…সাবধান!

সূর্য পূর্বদিকে ওঠে ও পশ্চিমে অস্ত যায়। এটা যেমন কখনও পরিবর্তন হবার নয়, স্ত্রীর সঙ্গে আপনার কখনও মনোমালিন্য হবে না সেটাও খুব জোর দিয়ে বলা যায় না। তাই জেনে রাখা ভালো কোন বিষয়গুলো স্ত্রীর সামনে কথা প্রসঙ্গে উত্থাপন করা উচিত নয়। এমন ৫টি টিপস রইলো নিচে:
আমার সাবেক প্রেমিকা এমন ছিল: সাবধান! ভুলেও এ ধরনের বিপদে নিজেকে জড়াতে যাবেন না। স্ত্রীর সঙ্গে সাবেক প্রেমিকাকে জড়িয়ে তুলনা করার আগে ১০০ বার ভাবুন। যদি নিজের মনের মধ্যে কখনও এ ধরনের চিন্তা আসে, সেটা সেখানেই রেখে দিন। আরও ভালো যদি মন থেকে মুছে ফেলতে পারেন। নয়তো আসন্ন বিপদ থেকে আপনাকে কেউ উদ্ধারে এগিয়ে আসবে না।

তুমি সবসময় এটাই করো: সবসময় তুমি এটা করো কিংবা তুমি কখনও এটা করো না জাতীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকাই ভালো। কেন আগুনে ঘি ঢালতে চলেছেন! বরং, যদি সত্যিই স্ত্রীর কোন বিষয় আপনাকে ভীষণ ভোগায়, সেটা ঘুরিয়ে অন্যভাবে তাকে বুঝিয়ে বলুন।

তুমি ঠিক তোমার মায়ের মতো: স্ত্রীকে তার মা বা বোনের সঙ্গে নেতিবাচক অর্থে তুলনা করবেন না। তুমিও তোমার মা বা বোনের মতো সূক্ষ্ম বিষয়গুলো বুঝতে পারো না। এ ধরনের মন্তব্যে মনে কষ্ট পাওয়ার পাশাপাশি তার মনে ক্ষোভ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। কারণ, প্রত্যেকেই তার নিজের পরিচয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচতে চায়।
মেয়েটি বেশ সুন্দর: হয়তো আপনাকে পরীক্ষা করতে আপনার স্ত্রী কখনও মিষ্টিভাবে জানতে চাইতে পারেন, তোমার কি মনে হয় না মেয়েটা সুন্দরী? সেটা ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে হোক বা বাস্তব জীবনে, হ্যাঁ বললেন তো ফেঁসে গেলেন। ঘুরিয়ে উত্তরটা এমনভাবে দিন যাতে স্ত্রীর বাক্যবাণে জড়াতে না হয়। প্রয়োজনে মিথ্যা বলতে ক্ষতি কি? সুন্দরী নয় বললেন তো বেঁচে গেলেন। বরং, ওই মেয়েটির নাক চ্যাপ্টা বা এ ধরনের অন্য কোন খুঁত বের করেন, তবে উত্তীর্ণ হবার পাশাপাশি নম্বরটা আরও বেশিও পেয়ে যেতে পারেন স্ত্রীর নেয়া পরীক্ষায়।
তোমাকে সুন্দর লাগছে না: আপনার স্ত্রী হয়তো ইচ্ছে করেই তার চুলটা আজ একটু এলোমেলো করে রেখেছেন। তা দেখেও না দেখার ভান করা শ্রেয়। কারণ, মেয়েদের কাছে চুলের কদরটা সামান্য নয়। তোমাকে আজ সুন্দর লাগছে না এ জাতীয় কথা বলাটাও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তাতে বিপদ অবধারিত। সঙ্গে সঙ্গে কিছু না বললেও স্ত্রীর কাজকর্মে ও প্রতিক্রিয়ায় অল্পক্ষণেই সেটা আপনি টের পেতে পারেন। অযথা ঝামেলায় জড়িয়ে কি লাভ?

বাংলাদেশী পর্নো তারকা র‌্যাম্প মডেল রুহি

বাংলাদেশী পর্নো তারকা র‌্যাম্প মডেল রুহি
 বহুল আলোচিত র‌্যাম্প মডেল ও অভিনেত্রী দিলরুবা ইয়াসমীন রুহী কলকাতার ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রথম পর্নো তারকা হতে যাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। টালিগঞ্জের অসমর্থিত একটি সূত্র থেকে প্রাপ্ত এক খবরে যানা যায়, আগামী মাসের ১২ তারিখ তিনি কলকাতার পরিচালক মহুয়া চক্রবর্তীর ‘গ্ল্যামার’ ছবির কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন। এতে তিনি কলকাতার জনপ্রিয় নির্মাতা ও অভিনেতা পরমব্রতের বিপরীতে অভিনয় করবেন। ওই ছবিতে তিনি ডার্টি পিকচার খ্যাত বিদ্যা বালান ও আরেক পর্নো তারকা পাওলা দামের মতোই ব্যাপক খোলামেলাভাবে উপস্থিত হতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।


এ প্রসঙ্গে রুহি বলেন, র‌্যাম্পের মডেলদের গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘গ্ল্যামার’ ছবিটি। এ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র জোয়ান মিশেল চরিত্রে রূপদান করছেন বলেও জানান তিনি। এ ছবিতে র‌্যাম্প মডেলের জীবনের নানা সুখ-দুঃখ ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও তিনি তার লক্ষ্য সম্পর্কে জানাতে গিয়ে তার নিকটজনদের বলেছেন- তিনি মূলত বোম্বের চলচ্চিত্রে যেতে চান। আর সে জন্যই এ সুযোগে তিনি নিজেতে মেলে ধরবেন।
রুহি জানান, গ্ল্যামার ছবির শুটিংয়ের পরপরই তিনি একই পরিচালকের পরিচালনায় ও একই নায়কের বিপরীতে ‘স্পর্শ’ নামের আরো একটি ছবিতে অভিনয় করবেন। ওই সিনেমায় নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছি। এক অটিস্টিক শিশুর বেড়ে ওঠা ও মানবিক মূল্যবোধের গল্প নিয়ে স্পর্শ সত্যিই একটি অসাধারণ চলচ্চিত্র হবে।
প্রসঙ্গত ২০০৭ সালে অমিতাভ রেজার পরিচালনায় প্যারাসুটের কান্ট্রি ক্যাম্পেইনের একটি বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে নির্বাচিত হন রুহি। দেশের নামকরা বুটিক হাউস বাংলার মেলা, মায়াসির, কেক্র্যাফট, ড্রেসিডেল, মান্ত্রা এবং আড়ংয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের মডেল হওয়ার সৌভাগ্য হয় তার। এরপরই শুরু হয় তার অভিনয় জীবন। এরপর প্রবাসী পরিচালক মনসুর আলীর ‘সংগ্রাম’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনে-পর্দায় অভিষেক হতে চলেছে তার। চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ইসমত আরা চৌধুরী শান্তির ‘মায়ানগর’ চলচ্চিত্রেও।

পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন সম্রাজ্য গুলো

একশ বছর আগেও শক্তিশালি রাস্ট্রগুলো একে অপরের সাথে যুদ্ধ করত হয় নতুন রাস্ট্র দখল করার জন্য অথবা নিজের যেটা সেটাকে রক্ষা করার জন্য। এখন আর দখল করা হয়না। এখন গনতন্ত্র চাপাইয়া দেয়া হয়। যে যত বেশি গনতন্ত্র রক্ষা করবে সে তত বেশি সম্রাজ্যবাদিদের পা চাটতে পারবে। এটা একধরনের আধুনিক সম্রাজ্যবাদ। নিচে বর্ননা করা এই সম্রাজ্যগুলো কিছু লাস্ট করেছিল বিশাল সময় আবার কিছু ছিল অল্প সময়। চলুন দেখে নেয়া যাক এরকম কিছু সম্রাজ্য।১০) The Mayan Empire (ca. 2000 BCE-1540 CE)
পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন সম্রাজ্য গুলো

আচ্ছা এতো বড় বড় সম্রাজ্য(রোমান, ব্রিটিশ)এর মধ্যে মায়ান সম্রাজ্য কিভাবে সবার প্রথমে আসল?? ব্যাপারটা হল তারা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে শাষন করেছে। প্রায় ৩৫০০ বছর। এটা মোটামুটি রোমান সম্রাজ্যের দুই গুন বেশিসময় আর ১৫০০ বছর বেশি সব গুলো চাইনিজ ডাইনাস্টির সময় একসাথে যোগ করলে। এদের প্রথম ৩০০০ বছর এর ইতিহাস তেমন কোন কিছু জানা যায়নি। এদের সম্পর্কে সর্ব প্রথম জানাযায় যখন ১৬শ শতাব্দিতে স্পানিশরা এদের খুজে বের করে।(এর জন্য মেল গিবসনের Apocalypto মুভিটি দেখতে পারেন খুব ভাল ধারনা পাবেন।) এখন এই সম্রাজ্যের আর তেমন কিছুই আর অবশিস্ট নেই। যা আছে তা হল খুব চমৎকার কিছু পিরামিডের আকারের স্থাপনা। মজার ব্যাপার হল ২০১২ সালে পৃথিবী ধংস হয়ে যাবে এটা এদের ক্যালেন্ডার থেকেই ধারনা করা হয়। আসলে তাদের গননার সিস্টেমটা ছিল আমাদের থেকে আলাদা।

৯) The French Empire (1534-1962)

পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ সম্রাজ্য ছিল এই ফ্রেন্চ সম্রাজ্য। প্রায় ৪.৯ মিলিয়ন বর্গমাইল এলাকা নিয়া এর বিশাল সম্রাজ্য অবস্থিত ছিল। এই সম্যাজ্য মোটামুটি পৃথিবীর স্থল ভাগের একদশমাংশ এলাকা দখল করে ছিল। এর সুদুর প্রসারি একটা প্রভাব পরেছিল মানুষের উপর, যেমন ফরাসি ভাষা একসময় প্রথিবীর একটা প্রধান ভাষা হিসাবে গন্য হত, এবং ফরাসি নির্মানশৈলি, সাহিত্য , কৃষ্টি পৃথিবীর চারদিকে ছরিয়ে পরে। এর পতন এর প্রধান কারন ছিল দির্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা আর বৃটিশ দের কাছে একে একে রাজ্য গুলো হারানো। দুইটা বিশ্বযুদ্ধ এদের অর্থনিতিকে একবোরে শুন্য করে দিয়েছিল। ১৯৬০ সালে আজেরিয়ার স্বাধিনতার পর প্রধানত ফরাসি সম্রাজ্যের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে যায়।

৮) The Spanish Empire (1492-1976)

এটা সবচেয়ে দ্রুত গতিতে ছরিয়ে পরা বিশাল সম্রাজ্য গুলার মধ্যে অন্যতম। এর পরিধি ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া সহ পৃথিবীর সকল স্থানে ছিল। তাদের মুল প্রধান দু্ই প্রতিদন্দি ফরাসি আর বৃটিশ সম্রাজ্যের প্রচন্ড তোপের মুখেও পৃথিবিতে দীর্ঘ ৫০০ বছর রাজত্ব করেছিল। এখন যে স্পেন রয়েছে ৫০০ বছর আগের সে স্পেন এর ছায়াও আর অবশিষ্ট নেই। ১৯৭৬ সালে আফ্রিকা আর দক্ষিন আমেরিকার দুটি দেশ যখন স্বাধিনতা ঘোষনা করে তখনই শেষ হয়ে যায় স্পেনিশ এই সম্রাজ্যের।

৭) The Qing Dynasty (1644-1912)

চায়না রিপাবলিক ঘোষনার আগে এরাই ছিল শেষ চায়না শাষন করা রাজ পরিবার। মিং ডাইনাস্টি থেকেই এর সুত্রপাত। মাচু ক্ল্যান (মাংচুরিয়া)১৯৪৪ সালে এই ডাইনাস্টির সূচনা করেন। ১৮শ শতকের মধে এটা সমগ্র চায়না, মোঙ্গোলিয়া, এবং সাইবেরিয়ার কিছু অংশ দখল এর সম্রাজ্যের আধিপত্য বিস্তার করে। ভুমির দিক দিয়ে এটি ছিল পৃথিবির পন্চম বৃহৎ সম্রাজ্য যা প্রায় ৫.৭ মিলয়ন বর্গমাইল জুরে অবস্থিত ছিল। যা হোক ১৯১২ সালে জিংহাই রেভুলেশনের মাধ্যমে এই সম্রাজ্যের পতন ধটে।

৬) The Umayyad Caliphate (661-750)

কোন আইডিয়া আছে এই সম্রাজ্য সম্পর্কে? জি এটিই পৃথিবীতে ইসলাম সম্প্রচারের সময়ে স্থাপিত হয়েছে। আজও এই সম্রাজ্য টিকে আছে। পৃথিবীর পুর্বথেকে পশ্চিম পর্যন্ত পৌছে গেছে এই সম্রাজ্যের বিস্তার। এটা যতটা না ছিল সম্রাজ্য তার চেয়ে বেশি ছিল একটি ধর্ম একটি আদর্শ, জিবন ব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার চেস্টা। আজ ১৫০ কোটি মুসলমানর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল এই সম্রাজ্য টির মাধ্যমে। মনে করা পৃথিবীতে সবচেয় দ্রুত সম্প্রসারনকারি এবং সবচেয়ে বড় একটি সম্রাজ্য যা এখনো টিকে আছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্য এশিয়ার কিছু, ইওরোপ এর কিছু, এবং আফ্রিকার অর্ধেক এ সম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।হযরত মুহাম্মদ স: এর ওফাত এর পর মুলত এই সম্রাজ্যর বিস্তার শুরু হয়। চার খলিফা হযরত আবু বকর রা:, হযরত উমর রা:, হযরত উসমান রা:, এবং হযরত আলী রা:. এর শাষন করেন। পৃথিবীর বুকে ইসলাম এর ভিত্তি স্থাপন করে দিয়ে যান এই সম্রাজ্য স্থাপন করে। এখন পর্যন্ত এই সব অন্চল মুসলমান ছারা কেও শাষন করতে পারে নাই।(এটা আমার আইডিয়া থেকে লিখা অন্তর্যালে প্রচুর উদ্ভট লেখা দেয়া আছে)

৫) The Achaemenid Empire (ca. 550-330 BCE)

কোন ধারনা এটা কারা হতে পারে?? আরে না। এটা পারসিয়ান সম্রাজ্য। বর্তমান যেটা ইরান বলা হয়। এই সম্রাজ্যের ব্যপ্তি ছিল বর্তমান পাকিস্তান থেকে লিবিয়া আর ওই দিকে বলকান পর্যন্ত। এরাই প্রথম কেন্দ্র চালিত একটি শাষন ব্যবস্থা প্রচলন করে যার কারনে শত শত বছর এরা শাষন করতে পেরেছিল। জারক্সিস এই সম্রাজ্যের সম্রাট ছিলেন।(৩০০ মুভিটা দেখে থাকলে একটা ভাল ধারনা থাকবে এদের ততকালিন সমর শক্তি এবং অহংবোধ সম্পর্কে।) সম্ভবত মুসলমানদের হাতে এদের সম্পুর্ন পতন হেয়েছে।

৪) The Ottoman Empire (1299-1922)

ওটোমান সম্রাজ্য সম্পর্কে মোটামুটি সবাই বেশ কিছু জানি। পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ এবং দীর্ঘসময় পর্যন্ত শাষন করা সম্রাজ্য ছিল অটোমান সম্রাজ্য। সুলেমান দ্য মেগনিফিসেন্ট এর শাষনামলে এর সর্বোচ্চ উৎকর্ষতা ছিল। তখন রোমান সম্রাজ্যের দক্ষিন সীমানা থেকে ইরান এর পারসিয়ান গালফ পর্যন্ত এবং কাস্পিয়ান সাগর থেকে আধুনিক আলজেরিয়া পর্যন্ত এর সিমানা বিস্তিৃত ছিল। ততকালিন দক্ষিন ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকা সহ বিশাল আরব ভুখন্ড এরাই শাষন করত। ১৭শ শতকের শুরুর দিকে অটোমান সম্রাজ্যের ৩২ টার উপর সুবিশাল একএকটা প্রদেশ ছিল। যা এই সম্রাজ্যকে সত্যিকার অর্থে ততকালিন সময়ের একটি বৃহৎ সম্রাজ্যা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই সম্রাজ্যের পতনের প্রধান কারন হচ্ছে বৃটিশদের ষরযন্ত্র আর তাদের দোষরদের মুনাফেকি। মুসলমানদের মতবাদ নিয়ে প্রচন্ড রকমের মতপার্থক্য আর সংঘর্ষ একটা কারন হচ্ছে এই সম্রাজ্য পতনের। পুরো সম্রাজ্যকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়। আধুনিক তুরস্ক এই সম্রাজ্যের কেন্দ্র্র বিন্দু ছিল।

৩) The Mongol Empire (1206-1368)

চেঙ্গিস খান সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই। শুধু এই ম্যপটা দেখেন। তাইলে বুঝবেন সে কি করছিল।

মোঙ্গল সম্রাজ্য সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে আগে চেঙ্গিস সম্পর্কে জানতে হবে। এই পোস্ট গুলো পরতে পারেন। সাম্মক ধারনা পাবেন।

চেঙ্গিস খান

তেমুজিন কিংবা চেঙ্গিস খানের উপাখ্যান!

শেষের টা ব্লগার ইমন জুবায়ের এর। এই ব্লগের একজন চমৎকার লেখক যাকে আমরা কিছুদিন আগে হারিয়েছি।

২) The British Empire (1603 to এখনো চলতাছেX((X((X((X(()

এদরে সম্পর্কে কিছু বলার আছে। ২০০ বছর আমাদের চুষে চুষে খাইছে। এখনো আমরা তাদের তোষামোদি না করলে আমাদের পেটের ভাত হজম হয় না। ১৯২২ সালে ব্রিটিশদের যে কলোনি গুলো ছিল তাতে ততকালিন পৃথিবীর এক পন্চমাংশ মানুষ বাস করত। এই শালারা দুনিয়ার সব মহাদেশে তাদের সম্রাজ্য বিস্তার করছে। কম হোক বেশি হোক। তার মধ্যে বরফের দেশ আন্টার্কাটিকারেও ছারে নায়। ওইখানেও এখনো তাদের দখলি জমি আছে(মানে বরফ আছে আরকি:D:D:D)। বলা হত তাদের সুর্য কখনো অস্ত যায় না। মনে কইরেননা যে রাইতের বেল্লা আল্লাহ তাগোরে বিশ্বাস করে না তার জন্য মনে হয় জিনাB-)B-)B-) তাদের কলোনি গুলোর অবস্থানের কারনে এই কথাটা বলা হয়। পতন হইছে ভারত টা ছারার পর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এদরে অবস্থান গত এবং টাকাপয়সা নিয়া ঝামেলার কারনে এরা সব খুয়াইছে। এখনো এরা দেশের মধ্যে রাজ প্রথাটা চালু রাখসে।

১) The Roman Empire (27 BCE to 1453)

পৃথিবীতে এত স্টাডি মনে হয় আর কোন সম্রাজ্য নিয়ে হয় নাই। ভুমধ্যঅন্চল আর প্রায় সমগ্র ইউরোপ এই সম্রাজ্য দ্বারা শাষিত হেয়েছে প্রায় ১৫০০ বছর। এটা শুরু হয় যিশুখ্রিষ্টের জন্মের আগে। যখন রোমান সিনেট অক্টিভিয়াসকে অগাস্টাস হিসাবে সম্রাট এর সীকৃতি দেয় যা সমাপ্ত হয় ১৪০০ সালে অটোমানদের দ্বারা। অটোমান এর খলিফা মোহাম্মদ দ্বিতীয় দ্বারা কনস্টানটিপোল পতনের সাথে সাথে এই সুদির্ঘ সম্রাজ্যের পতন ঘটে। এরা পশ্চিমা সংস্কৃতি পুরো বিশ্বে ছরিয়ে দেয়। বিশেষ করে তৎকালিন আর্থসামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, এবং ধর্মিয় অবস্থানকে একটি বিশ্বজনিন ব্যবস্থা হিসাবে তারা প্রতিষ্ঠিত করেছে। এদের সম্পর্কে আমার কাছে আর কোন ইনফরমেশন নাই। কারো জানা থাকলে আওয়াজ দিয়েন।

আরো যে সম্রাজ্য গুলা গুরুত্বপুর্ন।

১) The Assyrian Empire(প্রথম শুনলাম আরো পরতে হবে)

২) Byzantine Empire

৩) The Holy Roman Empire(৯০০ বছর ধরে এরা ইউরোপ শাষন করেছিল)

৪) Egyptian Empire( কিছু বলার দরকার আছে)

৫) Macedonian Empire( আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট)

উদ্বোধন করা হল আপনার ধারণার নতুন বাকশো

 IDEA BOX BD প্রযুক্তির সর্বাধিক ব্যবহার নিয়ে আজ উদ্বোধন করা হয়েছে । 

উদ্বোধন করা হল আপনার ধারণার নতুন বাকশো

ব্লগটির অ্যাডমিন জানান এই ব্লগের সাথে যদি কেউ একাধারে সম্পর্ক রেখে এর প্রতিটি লেখা পড়তে পারে তবে একজন স্বাভাবিক মানুষ ও খুব অল্প সময়ে হয়ে উঠবে প্রযুক্তির আলোই আলোকিত ।

পাঠকদের সুবিধা অসুবিধা বা কোন বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে তার সঠিক সমাধান দেবার জন্য সবদা প্রস্তুত থাকবে ব্লগ কত্রিপক্ষ।

যেমন ,এখান থেকেই  একজন মন চাইলেই অনলাইনে থেকে আই করার সকল হেল্প পেতে সক্ষম হবে। 

তিনি আরও জানান প্রতিদিনের আপডেট পেতে আপনাদের ইমেইল  SUBSCRIBE ও সাইটির ফ্যান পেজে লাইক করার জন্য। তাহলে একজন খুব সহজেই প্রতিদিনের আপডেট গুলি জানতে পারবেন।

ব্লগটি এক নজরে ঘুরে আসতে এখানে ক্লিক করুন 

তথ্য-প্রযুক্তি আইন খসড়ায় সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ডের বিধান

আজ ১৯ আগস্ট ১৪ বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) অধ্যাদশ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
তথ্য-প্রযুক্তি আইন খসড়ায় সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ডের বিধান

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা সাংবাদিকদের বলেন, এ আইনে শাস্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করে ন্যূনতম ৭ বছর এবং সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

২০০৬ সালে প্রণিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে সর্বোচ্চ ১০ বছর সাজার বিধান ছিল।

আগের আইনে শাস্তির বিধান অপর্যাপ্ত ও অস্পষ্ট ছিল উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ‘অপপ্রয়োগ’ রুখতেই এ অধ্যাদেশ করা হচ্ছে।

“আগের আইনে কিছু অপরাধ নন-কগনিজেবল ছিল। কিন্ত নতুন আইনে এটি হবে কগনিজেবল অর্থাৎ ওয়ারেন্ট ছাড়াই পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারবে।”

এছাড়া নতুন আইনে কিছু অপরাধ জামিন অযোগ্য করা হয়েছে। আগের আইনে সব অপরাধ জামিন যোগ্য ছিল বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান।

তিনি বলেন, আগের আইনে মামলা করতে হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হতো। কিন্তু নতুন আইনে পুলিশ অপরাধ আমলে নিয়ে মামলা করতে পারবে।

ব্যক্তিগতভাবে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে এ আইনে মামলা করা যাবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রচলিত আইনেও মামলা করার বিধান রয়েছে।”

‘খারাপ’ উদ্দেশ্য নিয়ে তথ্য নস্ট করা, অনুমতি ছাড়া ডেটা হস্তান্তর, হ্যাকিং, ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমে অশ্লিল ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশের মতো অপারধ এ আইনের আওতায় পড়বে।

সচিব জানান, এ আইনের আরো পর্যালোচনা বা সংশোধন প্রয়োজন হলে শিগগিরই তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অধিকারের সেক্রেটারি আদিল গ্রেপ্তারের পর সরকার তাড়াহুড়ো করে এ আইন সংশোধন করছে কি না জানতে চাইলে সচিব বলেন, “তাড়াহুড়ো করে এ আইন করা হয়নি। আর আইন কোনো ব্যক্তির জন্যও করা হয় না।”

প্রসঙ্গত, ব্লগার মশিউর রহমান বিপ্লব, সুব্রত অধিকারী শুভ, রাসেল পারভেজ ও আসিফ মহীউদ্দিন; আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এবং মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সেক্রেটারি আদিলুর রহমান খান শুভ্রকে এ আইনের মামলাতেই গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে তাদের মধ্যে প্রথম চারজন বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

জেনে নিন পৃথিবীর ভয়ানক ৭ মহিলাকে

শুরু করি _ _ উলটা দিক থেকে
জেনে নিন পৃথিবীর ভয়ানক ৭ মহিলা!

নাম্বার ৭ : বিভারলি এলিট
ভদ্রমহিলার জন্ম ১৯৬৮ সালে যিনি ব্রিটেনের সব চেয়ে পরিচিত সিরিয়াল কিলারদের মধ্যে একজন ছিলেন। বিভারলি একজন নার্স ছিলো যে কিনা ৪ টা শিশুকে মার্ডার করেছিলো এবং ৫ শিশুকে ভয়াবহভাবে আহত করেছিলো। এছাড়াও সে ১৩ টি শিশুকে ৫৮ দিন ধরে অত্যাচার করেছিলো ধরা খাওয়ার আগ পর্যন্ত। সে যেহেতু নার্স ছিলো তাই এই কাজটা সহজেই করতে পারতো তবে ঠিক কি কারনে এভাবে শিশুদের খুন করতো তা কখনোই বলেনি সে! আজব না? যাক সেই কারনে সে পৃথিবীর সাত নাম্বার ভয়ানক মহিলা। তবে যা মনে হয় তার মেন্টাল ডিসঅর্ডার ছিলো।

নাম্বার ৬ : বেলে গুনেস
ভদ্রমহিলা ১৮৫৯ সালে আমেরিকায় জন্ম নেয় যে কিনা ৬ ফুট উঁচু ও প্রায় ৯১ কেজি ওজনের ছিলো। সে তার দুই স্বামী/বয়ফ্রেন্ড ও সন্তানদের এবং আরো প্রায় ২০ ব্যক্তিকে খুন করে। তবে কারো কার মতে তিনি প্রায় শতাধিক ব্যক্তিকে খুন করে। খুব সম্ভবত তার লাইফ ইনস্যুরেন্স ব্যবসা ছিলো যেখানে তার ক্লায়েন্ট যারা ছিলো তাদেরকে খুন করা ও তাদের টাকা ও সম্পদ নেওয়াটাই তার ইনকাম ছিলো। সো, পুরা ব্যপারটা হয়েছে লোভ থেকে। লোভে পাপ( খুন ), পাপে মৃত্যু!


নাম্বার ৫ : ম্যারি এন কটন
ভদ্রমহিলা ১৮৩২ সালে জন্মগ্রহন করেন। সে তার দুই স্বামী, একটা বয়ফ্রেন্ড,একটা ফ্রেন্ড, ১২ টা সন্তানসহ প্রায় ২১ জনকে খুন করে আর্সেনিক বিষ খাইয়ে।
পরে ব্যপারটা ধরা পড়ে গেলে ১৮৭৩ সালে তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়ছিলো।


নাম্বার ৪ : ইস কচ
ভদ্রমহিলা ১৯০৬ সালে জন্মগহরন করেন। সে ছিল বুচেনওয়ার্ল্ড কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের সুপারভাইজার। সেখানে বন্দীদের যার শরীরে ট্যাটু আঁকা থাকত তাদের আর যাদের চামড়া সুন্দর তাদের আলাদা করে রাখত। তারপর যাদের শরীরে ট্যাটু ছিল তাদের খুন করে ট্যাটুটি চামড়া সহ কেটে সংরক্ষণ করত, সাথে সাথে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রতঙ্গ ও সে সংগ্রহ করত। তবে তার সবথেকে প্রিয় শখ ছিল সুন্দর চামড়াওয়ালা বন্দীদের হত্যা করে তাদের শরীরের চামড়া দিয়ে কুশন কভার, সাইড ল্যম্প, বালিশের কভার সহ অনন্যা জিনিস বানানো। ১৯৪৭ সালের ৩০শে জুন তার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়। জেলে থাকা অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ১লা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। আহারে…


নাম্বার ৩ : ইরমা গ্রেস


ইরমা গ্রেস

ইরমা গ্রেস
ভদ্রমহিলা ১৯২৩ সালে জন্মগ্রহন করেন।
সে  হিটলারের রাভেন্সব্রুক ক্যাম্পের সুপারভাইজার ছিল। এরপর বদলী হয়ে আসে আউসুটয ক্যম্পে। সেখনে সে দায়িত্ব পায় ৩০,০০০ বন্দী ইহুদী নারীর। ইরমার কাজ ছিল তার পোষা কুকুর দিয়ে নারী হত্যা,বিকৃত যৌনাচার, লাইন ধরে নারিদের দাড় করিয়ে গুলি প্রাকটিস, কথা না শুনলে গ্যাস চেম্বারে প্রেরণ। সে  “Bitch of Belsen” নামে ব্যপক পরিচিতি পায় তার এই রকম হত্যাজজ্ঞের জন্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে গ্রেপ্তার করা হয় ও ফাসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। আহারে…


নাম্বার ২ :  ক্যাথরিন নাইট


ক্যাথরীন নাইট
ক্যাথরীন নাইট

ভদ্রমহিলা ১৯৫৬ সালে জন্মগ্রহন করেন।
সে হল প্রথম অস্ট্রেলিয়ান নারী যাকে প্যারল ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় যেহুতু সেখানে তখনকার দিনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান ছিলোনা। ক্যাথরিন পারিবারিক দন্দে প্রথম স্বামীর সব দাঁত উপরে ফেলে দেয়। একই কারনে তার দ্বিতীয় স্বামীর সামনে তার আট সপ্তাহ বয়সী একটি কুকুরের গলা কেটে নেয়। এরপর সে এক ব্যক্তির সাথে গোপন সম্পর্ক করে এবং একদিন ঝগড়ার এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তিতে ৩৭ বার ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এরপর ক্যাথরিন ওই ব্যক্তির মৃতদেহের চামড়া ছাড়িয়ে তা ঝুলিয়ে রাখে নিজের বেডরুমের দরজার  হুকের সাথে। এছাড়াও  মৃতদেহ থেকে মাথা কেটে নিয়ে সুপ রান্না করে বাচ্চাদের জন্য রেখে বাইরে চলে যান তিনি। কিন্তু বাচ্চারা বাড়ী ফেরার আগেই পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।



নাম্বার ১ : এলিজাবেথ বাথোরী

elizabeth-bathory-tm

ভদ্রমহিলা ১৫৬০ সালে জন্ম গ্রহন করেন।
এই এলিযাবেথকে পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিতি পাওয়া কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার বলার হয়। বিয়ের পর এলিযাবেথ এর স্বামী ফেরেন্স নাডাসডি হাঙ্গেরীর সেনাপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়ে যুদ্ধে চলে যায়। ভদ্রমহিলার স্বামী চলে যাওয়ার পর পরিবারের ব্যবসাসহ সবকিছু দেখাশোনা করতেন তিনি। অত্যন্ত চড়ে বেতন দিয়ে বাড়িয়ে কুমারী মেয়েদের চাকরানী হিসেবে রাখতেন তিনি। কিন্তু মজার ব্যপার হল, যেই বাড়ির ভেতরে যায় আর ফিরে আসেনা। পরে জানা যায়, এলিযাবেথ নিজের ত্বক ভালো রাখার জন্য কুমারী মেয়েদের রক্ত দিয়ে স্নান মানে গোসল করতেন। রক্ত দিয়ে গোসল করার আগে মেয়েদের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কেটে ফেলা হত এবং মেয়েদের চিৎকার তিনি উপভোগ করতেন। এভাবে এই খেলা চলে ২৫ বছর। পরে রাজা মাথিয়াস ব্যপারটা জানতে পারেন লোকমুখে এবং মৃত, আধমরা  মেয়ে উদ্ধার হয় এলিজাবেথ এর বাসা থেকে। জীবিতদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চত হয়। এলিযাবেথ প্রায় ৬৪০ জন কুমারীকে নিয়ের ত্বক ভালো রাখা ও আন্দনের জন্য খুন করেন। তবে চার বছর জেলে থাকার পর্যায়ে ভদ্রমহিলা মারা যায়।

আর যারা এই রকম  মজার মজার ব্যপার ব্লগে শেয়ার করতে চাও, তারা 
এখানে যাও

ভৌতিক সত্য ঘটনা (লাশ খাওয়া)

 ঘটনাটা আমার ভাইয়ার কাছ থেকে শোনা….
আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগের কথা। আমার ভাইয়া তখন শেরপুর থাকতো পড়ালেখার কারনে। শেরপুর শহর থেকে প্রায় ৮ কি.মি. দুরে কালিবাড়ি নামে একটা গ্রাম আছে। সেখান থেকে পাকুরিয়া নামে অন্য একটা জায়গায় যাওয়ার জন্য একটা কাচাঁ রাস্তা ছিলো যেটা একটা বিলের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। রাস্তা টা অবশ্য এখন পাকা হয়ে গিয়েছে। যাই হোক রাস্তার দুইপাশের বিলটা অনেক বড় ছিল এবং বিলটাকে নিয়ে অনেক কাহীনি প্রচলিত ছিল। 

ঘটনার রাতে এক রিকশাওয়ালা পাকুরিয়া থেকে খালি অবস্থায় কালিবাড়ি নামক গ্রামটিতে ফিরছিল। তখন রাত আনুমানিক ১ টা বজে। তো রিকসাওয়ালা যখন ঠিক বিল এর মধ্যখানে পৌছে ছিলো সেই সময় হঠাৎ দেখে পুলিশ এর ইউনিফরম পড়া একজন লোক একটি লাশ নিয়ে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে আছে। সে খেয়াল করলো যে পুলিশ টা তাকেই ডাকছে। সে খুব সাহসী ছিল, তাই সে সেখানে দাড়ালো। পুলিশ টা তাকে বললো যে তাকে আর লাশটাকে কাছেই কোন একটা জায়গায় পৌছে দিতে, রিকসাওয়ালা রাজি হতে চায়নি কিন্তু পুলিশ টা অনুরোধ করে বলতেই সে রাজি হয়ে গেলো এবং তাদের কে রিকসায় উঠাইয়া নিল…..
ভৌতিক সত্য ঘটনা (লাশ খাওয়া)

এভাবে ‍কিছু দূর যাওয়ার পর পুলিশট‍া বললো যে, তোমার কাছে ম্যাচ আছে ? জবাবে রিকসাওয়ালা বললো যে, আমার ম্যাচ এর কাঠি একটু আগে শেষ হয়ে গেছে। এরপর তারা কিছুদূর এগিয়ে গেল কিন্তু তখনও বিল পাড় হয়নি তারা। হঠাৎ রিকসাওয়ালা শুনলো যে তার পেছন থেকে হাড় চিবানোর মত কটমট শব্দ আসছে। সে প্রথমে জিনিসটা পাত্তা দিলনা. কিন্তু কিছুদূর গিয়ে সে শুনলো যে শব্দ টা আরও বেশি হচ্ছে। তখন সে পেছনের দিকে তাকালো এবং যা দেখলো, তাতে তার নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারলনা। সে দেখলো যে পেছনের ঐ পুলিশ টা সেই লাশটাকে কোলের উপর রেখে কামরিয়ে কামরিয়ে খাচ্ছে। পুলিশটার মুখে লাল টকটকে রক্ত লেগে আছে। সে তখনি রিকসা টা থামিয়ে জোরে একটা দৌড় দিল এবং কিছুদূর গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লো। পরদিন সে দেখে যে তার বাড়িতে শুয়ে আছে। আসলে পরদিন সকালে ঐ রাস্তার কিছু লোক তাকে রাস্তায় পড়ে দেখেছিলো, তার রিকসা টা বিলের পানিতে পরে ছিলো। সেই রিকসাওয়ালা টা তখন ঘটনাটা তাদের গ্রামের মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে শেয়ার করলো।

ঘটনাটা এখানেই শেষ না। সেই দিন রাতে ঐ রিকসাওয়ালা টার খুব জ্বর আসে এবং নাক, মুখে রক্ত এসে সে মারা যায়। সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা হচ্ছে যে, ঘটনার রাতে ঐ গ্রামের একটা কবর থেকে একটা লাশ চুরি হয়েছিল, যার খবর আজ পর্যন্ত কেউ পায় নাই…..

ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন এবং আপনাদের যদি কোন প্রেম,বা জনপ্রিও হবার মতো কোন ঘটনা জানা থাকে তবে কমেন্ট অথবা এখানে ক্লিক করে আপনার নাম সহ পাঠিয়ে দিন আমরা টা সাইটে প্রকাশ করবো।

একটি সত্য ঘটনা গল্পের থেকেও রোমাঞ্চকর

একটি সত্য ঘটনা গল্পের থেকেও রোমাঞ্চকর
আমি এখন রিগ ENSCO-53 তে। হঠাৎ করে ৫ ই ফেব্রুয়ারী দূরে দেখা গেল ছোট্ট একটা সোলার বাক্স ভাসছে তারপর, 
রিগ থেকে পানিতে রেস্কিউ বোট নামল তিনদিন পানিতে ভাসমান হতভাগ্য ভাগ্যবানদের উদ্বারে অভিযানে।

সৌভাগ্যবান ৭ জন জেলে যারা তিনদিন পর্যন্ত পানিতে ভাসমান ছিল।




জোডিয়াকে করে উদ্বারকারী জাহাজ এস কাসিয়াহ এর কাছাকাছি

জোডিয়াক জাহাজের সাথে বেধে ফেলল। মুক্তি অতি নিকটে তিনদিন ভাসার পর।

আহ মুক্তি।

রিগের গ্যালিতে সমুদ্রে তিনদিন কাচা মাছ খাবার পর।

উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ছে পাকস্থলিতে।

একটু উষ্ণতার জন্য

এই সেই সোলার বাক্স যেখানে রোদ, বৃষ্টি, ঝড়, জল উপেক্ষা করে ৭ জন জেলে বেচে ছিল ৩ দিন দক্ষিন চীন সাগরে

দেখুন ভেতরে খালি একটি পানির পাত্র যা গত ৩ দিন ৭ জন মানুষকে কোন রকম বেচে থাকতে সাহায্য করে, দেখুন মাছ ধরার ছিপ যা দিয়ে কিছু মাছ ধরে তিন দিন কাচা মাছ খেয়েছে।

আপনার মতে ভালোবাসার কথা কে আগে বলে ছেলেরা নাকি মেয়েরা?

আপনার মতে ভালোবাসার কথা কে আগে বলে ছেলেরা নাকি মেয়েরা?আপনার মতে ভালোবাসার কথা কে আগে বলে ছেলেরা নাকি মেয়েরা?



লজ্জা কাদের বেশী?
 

ছেলেদের নাকি মেয়েদের?

প্রিয়তমকে ভালোবাসার কথা কে আগে বলে ছেলেরা নাকি মেয়েরা? 

মোবাইলে মিসকল পেলে সাথে সাথেই কারা কল ব্যাক করে ছেলেরা নাকি মেয়েরা? 

আপনার ক্ষেত্রে কোনটা প্রেযাজ্য?



কমেন্টের মাধ্যমে আপনার মতটি আপনার নাম সহ পাঠিয়ে দিন যদি আপনার লেখাটা ভালো হই আপনার নাম ও লেখাটা এই সাইটে প্রকাশ করা হবে 

এছাড়াও পাঠাতে পারেন এই পেজ এ ক্লিক করে 

ধূমপান ছাড়লেই বেশি আয়!!!

ধূমপান ছাড়লেই বেশি আয়!!!
সিগারেটে টান দেয়া কি আপনার দৈনন্দিন জীবনের অংশ? তাহলে আপনার জন্য দুঃসংবাদ। ধূমপানে আসক্ত ব্যক্তিরা অধিক অর্থ উপার্জন করতে পারে না। ধূমপান না ছাড়লে অধিক আয়ের স্বপ্ন আপনার জন্য স্বপ্নই থেকে যাবে। নতুন এক গবেষণায় এমনটাই উঠে এসেছে বলে দাবি করছেন গবেষকরা। আবার এর উল্টো মতও দিয়েছেন কোনো কোনো গবেষক।
আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব আটলান্টার দুজন অর্থনীতিবিদ জুলি হচকিস ও মেলিন্ডা পিটসের প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়, অধূমপায়ীদের আয়ের মাত্র ৮০ শতাংশের সমান আয় করতে পারে ধূমপায়ীরা।
অবশ্য যারা আগে ধূমপান করতেন এবং এক বছরের বেশি সময় আগে ছেড়ে দিয়েছেন, তারা অধূমপায়ীদের চেয়ে সাত শতাংশ বেশি আয় করেন বলেও সিএনবিসিতে প্রকাশিত গবেষণায় দাবি করা হয়।
গবেষকদ্বয় জানান, “একজন মানুষ ধূমপান করেন, এটাই শ্রমবাজারে পার্থক্য তৈরির জন্য যথেষ্ট। তিনি ধূমপানে কতটুকু আসক্ত, সেটা বিষয় নয়। এমনকি দিনে মাত্র একটি সিগারেট খেলেও আয়ের পার্থক্য তৈরি হবে।”
কিন্তু এর উল্টো গল্পও আছে। জ্যাক ব্র্যাডওয়ে পেশায় একজন বিক্রেতা। তিনি দিনে দেড় প্যাকেট সিগারেট শেষ করেন। ৩৬ বছর বয়সী এই নিউইয়র্কের অধিবাসীর দাবি, ধূমপানের অভ্যাস তার আয়ে খুব একটা প্রভাব ফেলেনি। তিনি বলেন, “আমার মনে পড়ে না ধূমপানের কারণে আমি কখনো কম আয় করেছি বা আমার কোনো পদোন্নতি আটকে গেছে। তবে ধূমপান না করলে ডেস্কে প্রতিদিন ৩০ মিনিট বেশি সময় দিতে পারতাম।”
dhumpanaতবে হচকিস ও পিটসের দাবি, ধূম্রশলাকার ধোঁয়া মানুষের আয়কে প্রভাবিত করবেই। অবশ্য তারা বলেছেন, তুখোড় ধূমপায়ীরা অন্য কর্মীদের চেয়ে কম উৎপাদনক্ষম নয়। এই গবেষকযুগল দাবি করেন, ভৌগোলিক অবস্থানও ধূমপায়ী ও অধূমপায়ীদের মধ্যে আয়ের পার্থক্য তৈরি করে। তারা বলেন, ধূমপায়ীরা সাধারণত অধূমপায়ীদের চেয়ে কম শিক্ষিত হয়।

অন্যদিকে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ফ্র্যাঙ্ক স্টাফোর্ড বিষয়টি নিয়ে একটু ভিন্নভাবে বললেন। তিনি বলেন, “ধূমপানের ফলে আয়ের পার্থক্যের বিষয়টির পেছনে বেশ জোরালো প্রমাণ আছে। কিন্তু এটা বিশ্বাস করা সত্যিই দুষ্কর যে এর জন্য কেবল ধূমপানই দায়ী।”
তাহলে আর কী বিষয় আছে যার কারণে মানুষকে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকতে হয়?
এ প্রশ্নের উত্তরে স্টাফোর্ডসহ আরও কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বলেন, “এটা একজন ধূমপায়ীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অভাবের ফল। তা ছাড়া ধূমপান ছাড়তে না পারার অযোগ্যতাও এর জন্য দায়ী।”
ধূমপানের কারণে আয় নিয়ে যখন এত নেতিবাচক প্রচারণা, তখন ইনভেনটিভ ট্যালেন্ট কাউন্সিলের সভাপতি কিম রুলে যেন বোমা ফাটালেন। তার মতে, ধূমপায়ীদের মধ্যে এমন কিছু গুণ আছে যা ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বেশি ইতিবাচক! তিনি বলেন, “নেতৃত্বের একটি সামাজিক দিক আছে, যেটি গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে ধূমপানেরও একটি সামাজিক দিক আছে।”
রুলে স্বীকার করেছেন, ধূমপান ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ। কিন্তু কিছু কিছু পেশায় এই ঝুঁকিটুকুই বেশি অর্থ সমাগমের ব্যবস্থা করে দিতে পারে।
তার বক্তব্য, “বেশির ভাগ সক্রিয় নেতাই বৈশিষ্ট্যগতভাবে বেশ উৎসাহী। তারা পরীক্ষা করতে ভালোবাসে। তা ছাড়া সাধারণ মানুষের চেয়ে তারা অনেক বেশি ঝুঁকি নিতে আগ্রহী হয়।”
অবশ্য ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন এমন মানুষের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক বিষয় আছে বলে দাবি করেন আরেক বিশেষজ্ঞ। তার মতে, ধূমপান ছেড়ে দেয়ার সময় ধূমপায়ী ব্যক্তি পুরোনো অভ্যাস ছাড়তে প্রচুর শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা চর্চা করে, যা যেকোনো মানুষের ক্যারিয়ারের জন্য সহায়ক।
জর্জ বুয়ে নামের এই বিশেষজ্ঞের দাবি, “কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের নিয়মানুবর্তিতা বেশ কাজে দেয়। যেকোনো আসক্তি থেকে বের হয়ে আসা একটা ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফল। আর এটাই হয়তো শ্রমবাজারে পার্থক্য তৈরিতে ভূমিকা পালন করে।”
কিন্তু এত সব গবেষণা আর বিশেষজ্ঞের মতামতের পরও ধূমপায়ীদের বাস্তব চিত্রটা একটু ভিন্নই। আর সেটাই যেন প্রমাণ পেল এমিলি বাসচের নামের একজন মাননিয়ন্ত্রণ কর্মীর কথায়। ২৮ বছর বয়সী বাসচের ১৫ বছর বয়স থেকে ধূমপান করছেন। তার দাবি, এই ১৩ বছরে একবারও স্রেফ ধূমপানের কারণে তার পেছনে পড়ে থাকার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, “আমি যাদের সঙ্গে কাজ করি, তারা সবাই ধূমপান করে।”
তাছাড়া বাসচেরের ধারণা, ধূমপান ছেড়ে দিলে কর্তৃপক্ষ ভাববে, “তিনি একজন প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন মানুষ। হয়তো এটা আরও বড় পদে চাকরির জন্য যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।”