মৃত ব্যক্তি উঠে পানি খেতে চাইলেন


চীনে একজন মৃত মানুষ হঠাত উঠে পানি খেতে চাইলে তার আশপাশে জড়ো হওয়া শতশত মানুষ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে।চীনে অধিকার আদায়ের দাবীতে অনশন করছিলেন শতশত শ্রমিক। সরকারী পুলিশের প্রহরায় চলছিলো দাবী আদায়ের বিক্ষোভটি। এ সময় দশজনের মত মানুষ সাদা কাপড়ে জড়িয়ে এক ব্যক্তিকে শুইয়ে রাখে এবং ঘোষণা করা হয় যে পুলিশের প্রহারে ব্যক্তিটি নিহত হয়েছেন।
চীনে এ সময় প্রচণ্ড দাবদাহ চলছে। আন্দোলনের প্রায় দুই ঘণ্টা পর সাদা কাপড়ে জড়ানো ব্যক্তিটি হঠাত উঠে পড়ে বলেন, ‘আমাকে পানি দাও। আমি আর পারছি না।’
এ সময় উপস্থিত শতশত শ্রমিক বিস্ময়ে হতবাক হয়ে পড়েন।
পুলিশ পরে হ্যান নামের কথিত মৃত ব্যক্তিটিকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় এবং আন্দোলনটি বানচাল করে দেয়।

নিষেধাজ্ঞা জারি পুরুষদের হ্যান্ডশেক’র ওপর

দখলদার ইসরাইলের ইহুদি ধর্মযাজক আব্রাহাম বেঞ্জামিন সিলবারবার্গ পুরুষের সঙ্গে পুরুষের হ্যান্ডশেককে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন। গুরু শিক্ষা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ওই ধর্মযাজক।তিনি প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা-কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেছেন, পুরুষের সঙ্গে পুরুষের হ্যান্ডশেক (করমর্দন) নিষিদ্ধ। কারণ এর ফলে মানুষের মনে কুচিন্তা আসতে পারে। তার নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, পুরুষেরা কেবল পরস্পরের আঙ্গুলের মাথায় স্পর্শ করতে পারবে। তবে পরস্পরকে স্পর্শ না করাই উত্তম। ধর্মযাজক সিলবারবার্গের মতে, এ নিষেধাজ্ঞা আগামী প্রজন্মের পবিত্রতা রক্ষা করবে।

এর আগে ২০১১ সালে ইসরাইলি ধর্মযাজক আব্রাহাম ইউসুফ এক ধর্মীয় নির্দেশ জারি করে বলেছিলেন, অত্যন্ত জরুরি না হলে ইহুদি নারীরা গাড়ি চালাতে পারবে না। গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ নেয়াও তাদের জন্য বৈধ নয়। ওই ধর্মযাজকের মতে, যেসব শহরে ধার্মিক মানুষের সংখ্যা বেশি, সেখানে গাড়ি চালানো নারীর লাজুকতা ও সচ্চরিত্রতাকে তুলে ধরে না।

এক কবুলেই চার বিয়ে!

একই বিয়েবাড়িতে গিয়ে যদি দেখেন একজন পাত্র চার কনেকে মালা পরাচ্ছেন! অবিশ্বাস্য হলেও এমন ঘটনাই ঘটেছে। ওই চার কন্যাকেই মনে মনে পছন্দ করতেন পাত্র মিলটন মাবেলে। তাই একবারে চারজনকেই বিয়ে করেছেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম ধনী ব্যবসায়ী মিলটন মাবেলে সেটাই করলেন। সময় বাঁচাতে হবে তাই ঐতিহ্য-নিয়ম ভেঙে একসঙ্গে চারজনকে বিয়ে করে ফেললেন ৪৪ বছরের মিলটন।

বিয়ে করার পর চার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সেই ব্যবসায়ী বললেন, “ওদের তো বিয়ে করতেই হত। তাই টাকা আর সময় বাঁচাতে একসঙ্গে এক প্যান্ডেলেই বিয়েটা সেরে ফেললাম।”

মিলটন আরো জানান, সবারই উচিত আলাদা আলাদা না করে একসঙ্গে অনেককে বিয়ে করে ফেলা। এতে সময় ও অর্থ যেমন বাঁচবে তেমনি সমাজে প্রতারণাও কমবে।

মিলটনের হাতে এখন চারটে বিয়ের আঙটি। সেগুলো দেখিয়ে চার কনে বললেন, তারা বেশ খুশি। সূত্র: জিনিউজ।

বরিশালের গৌরনদীতে সমকামী বিয়ে!

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের বাঙ্গিলা গ্রামের তরুণীর সাথে সমকামীতা করে উজিরপুর শেরে-বাংলা ডিগ্রী কলেজের স্নাতক শ্রেণীর প্রথম বর্ষের মেধাবী ছাত্রী বিয়ে করার চাঞ্চল্যকর সংবাদ পাওয়া গেছে।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উজিরপুর উপজেলার হড়িশুন্ড গ্রামের হারুন সিকদারের মেয়ে, উজিরপুর শেরে-বাংলা ডিগ্রী কলেজের স্নাতক শ্রেণীর প্রথম বর্ষের মেধাবী ছাত্রী লিজা আত্মীয়র সুবাদে পরিচয় হয় গৌরনদী উপজেলার বাঙ্গিলা গ্রামের হালিম সরদারের মেয়ে লাকী আক্তার (২০) সাথে। পাঁচ বছর আগে তার চাচার শ্যালিকা লাকী আক্তার সাথে তার বাড়িতে বেড়াতে আসার পরিচয় সূত্র ধরে দীর্ঘদিন যাবৎ গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠে লিজার। সেই সুত্র ধরে একে অপরের সাথে মন দেয়া-নেয়া চলতে থাকে। গত ১বছর পূর্বে তারা বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় চাকরির সুবাদে একই বাসায় বসবাস শুরু করে এবং লাকীকে স্বামী হিসেবে গ্রহন করে। লাকিও লিজাকে স্ত্রী হিসাবে গ্রহন করে। লিজার পরিবারের লোকজন বিষয়টা বুঝতে পেরে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি উজিরপুর উপজেলার মুগাকাঠী গ্রামের রহমান হাওলাদারের সাথে লিজাকে বিয়ে দেয়। কিন্তু বাধ সাধে তাদের গভীর প্রেম। হড়িশুন্ড গ্রামের মনির হোসেন, সরোয়ার আলম জানান, সদ্য বিবাহিত লিজার স্বামীর পরিবার বিষয়টি জানার পরে উভয়ের সাথে দ্বন্ধ শুরু হয়। বিবাহের সাত মাসের মধ্যে গত ১২ আগষ্ট এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিস বৈঠকের মাধ্যমে রহমানের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে এবং মেয়ে স্বামী লাকি আক্তারের কাছ থেকে একটি ষ্টাম্পে এই মর্মে স্বাক্ষর নেয়া হয় যাতে করে সে আর কখনো লিজাকে স্ত্রী হিসেবে দাবি করতে না পারে। ভালবাসা কোন আইন মানে না। ১৩ আগষ্ট পুনরায় লাকি হড়িশুন্ড গ্রামে এসে লিজাকে স্ত্রী হিসেবে পেতে দেন দরবার শুরু করলে এলাকাবাসী তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। এ ব্যাপারে লিজা বলে, পূর্বে লাকির সাথে আমার গভীর সম্পর্ক ছিল। এখন আর তাকে নিয়ে ভাবতে চাই না। লিজার বাবা হারুন সিকদার বলেন, আমার মেয়েকে নিয়ে আমার পরিবারের মানহানি করার জন্য এই কুৎসা রটনা করছে। তবে এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।





সব নায়িকাদের গোপন প্রেম

সব নায়িকাদের গোপন প্রেমবিনোদন ডেস্ক: তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কমবেশি কৌতূহল থাকে সবারই। আর তা যদি হয় তাদের প্রেম, বিয়ে সংক্রান্ত। তাহলে তো কথাই নেই। মিডিয়া জগতের সেই শুরুর দিনগুলো থেকে আজ পর্যন্ত অনেক রূপকথার জন্ম দিয়েছেন পর্দার ঐ মানুষগুলো। হলিউড, বলিউড, টালিউড এমনকি আমাদের ঢালিউডেও (ঢাকার চলচ্চিত্র) আছে এমন অনেক অজানা অভিসারের কথা।কখনো কখনো সেই গোপন প্রেম-কাহিনীকে নিছকই গুজব বলে এড়িয়ে গেছেন ঐ সব তারকারা। আবার কেউ কেউ অকপটে স্বীকার করেছেন সে সব কথা। কথায় আছে, ‘ যা রটে, তা কিছু ঘটে।’ জেনে নেওয়া যাক সেই ‘কিছু ঘটা’র কাহিনীগুলো।

পপি : মনতাজুর রহমান আকবরের ‘কুলি’ চলচ্চিত্রে সেলুলয়েডের রঙিন ‍দুনিয়ায় নিয়মিত হন চিত্র নায়িকা পপি। পরবর্তীতে শাকিল খানের সঙ্গে তিনি অভিনয় করেন ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’ চলচ্চিত্রে। একসঙ্গে জুটি হয়ে বেশ কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন দুজন। এ জুটির প্রথম চলচ্চিত্র থেকেই প্রেমের গুঞ্জনের জন্ম দেন। এক পর্যায়ে পপিকে স্ত্রী হিসেবেও দাবি করেন শাকিল খান! কিন্তু পপির অস্বীকৃতিতে ঘটনা আদালতে গড়ায়। শেষ পর্যন্ত দুজনার দুটি পথ আলাদাই হয়ে যায়।

শাবনূর : এক সময় তো মানুষের মুখে-মুখেই ফিরত সালমান শাহ- শাবনূরের প্রেমের কথা। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই সাব্বির, সালমান শাহ, রিয়াজসহ অনেকের সঙ্গে তার প্রেমের খবর চাউর হতে থাকে। এমনকি হালের নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে তার সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কারণ হিসেবে ঐ প্রেমটাকেই দায়ী করেন অনেকে। আজও অবিবাহিত শাবনূরের পিছু ছাড়ছে না গোপন প্রেম-বিয়ের গুঞ্জন। কিছু দিন আগেও খবর এসেছে শাবনূর বিদেশে বিয়ে করেছেন। কিন্ত শাবনূরের মুখে কুলুপ আটা আছে এখনো। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কোন ঘাটে তরী ভিড়ান এই বর্ষীয়ান নায়িকা।

শাবনাজ : ১৯৯১ সালে এহতেশামের ‘চাঁদনী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নায়িকা হয়ে আসেন শাবনাজ। ওই চলচ্চিত্রে তার নায়ক ছিলেন নাঈম। চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করতে গিয়ে ঘনিষ্ঠ হন দুজন। একসঙ্গে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ও করেন। শুরু থেকেই তাদের প্রেম কাহিনী মিডিয়ায় চাউর হয়। কিন্তু এ খবর তারা অস্বীকার করেন। অবশেষে ১৯৯৬ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসে অবসান ঘটান সব জল্পনা-কল্পনার।

মৌসুমী : ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ চলচ্চিত্রের নায়িকা হন মৌসুমী। শুরুতেই এই চলচ্চিত্রের নায়ক সালমান শাহকে জড়িয়ে তার প্রেমের গুঞ্জন রটলেও পরে আরেক নায়ক ওমর সানীর সঙ্গে মৌসুমীর প্রেমের খবর চলচ্চিত্রাঙ্গনসহ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। যথারীতি প্রথমে অস্বীকার, পরে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। এর পরেও অনেকের সঙ্গে জড়িয়ে মৌসুমীর প্রেমের গুঞ্জন রটলেও এখনো মৌসুমী-সানির সুখী দাম্পত্য জীবন অনেকের কাছে ঈর্ষণীয়।

পূর্ণিমা : ৯০ দশকের মাঝামাঝিতে চলচ্চিত্রে আসেন পূর্ণিমা। নায়ক রিয়াজের সঙ্গে জুটি হয়ে অনেক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র উপহার দেন। তাদের প্রেম-কাহিনী এক সময় চায়ের কাপে ভালোই ঝড় তুলত। এরপর অবশ্য আরও এক নায়ক ও নির্মাতার সঙ্গেও পূর্ণিমার প্রেমের খবর রটে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চলচ্চিত্র জগতের বাইরে বিয়ে করায় পূর্ণিমার প্রেম-রথের চাকা আর বেশি দূর এগোয়নি।

অপু বিশ্বাস : অপু-শাকিব জুটি এখনো প্রেমিক যুগল হয়ে আছেন ঢালিউডে। তাদের প্রেম-বিয়ের খবরে পত্রিকাগুলো সরব থাকলেও দুজনের কেউই এখনো বিষয়টি স্বীকার করছেন না। তাদের গোপন বিয়ের খবরও ফিল্মপাড়াসহ সর্বত্র মুখরোচক গল্প হয়ে আছে। এমনকি শাকিব অন্য নায়িকাদের সঙ্গে ছবি করলে অপুর মুখের হাসি নাকি উধাও হয়ে যায়। তবে সপ্তাখানেক আগে এ বিষয়ে অপু বলেছেন, ‘সাকিবের সঙ্গে আমার বিয়ের
খবর নিছকই গুঞ্জন। সাকিব শুধুই আমার ভালো বন্ধু।’

রেসি : ২০০৮ সালে বুলবুল জিলানীর ‘নীল আঁচল’ চলচ্চিত্রে নায়িকা হয়ে আসেন রেসি। প্রথমে এই নির্মাতা, পরে এক মডেল সর্বশেষ অভিনেতা ডিপজলের সঙ্গে রেসির প্রেম-বিয়ের গুঞ্জন ঢালিউডের বাতাস ভারি করেছে। অবশেষে ২০১২ সালে রেসি বিয়ে করেন এক ব্যবসায়ীকে। শেষ হয় রেসির প্রেম-অধ্যায়।

কাটরিনা বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত

কাটরিনা বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন কাটরিনা কাইফ। তার বিয়ে নিয়ে মিডিয়া, দর্শক ও ভক্তদের আগ্রহ ও কৌতূহলের শেষ নেই। তাইতো অনেকটা গোপনেই বিয়ের পরিকল্পনা করছেন তিনি! তবে নিজের নয়, বোনের বিয়ে নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই অভিনেত্রী। সামনের মাসেই বোন নাতাচা তুরকোটির বিয়ে। লন্ডনেই হতে যাচ্ছে এই রাজকীয় বিয়ে। বোনের বিয়ের কারণে শুটিং থেকে প্রায় এক মাসের বিরতি নিয়েছেন কাটরিনা। বোনের বিয়ে নিয়ে বেশ আনন্দ ও উত্তেজনায় সময় পার করছেন তিনি। বিয়ে উপলক্ষে মুম্বই থেকে পরিবারের সবার জন্য পোশাক ও বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনে নিয়ে গেছেন তিনি। তাছাড়া বোন নাতাচার জন্য বিশেষ কিছু উপহারও নিয়েছেন। লন্ডনে গিয়েও তিনি বিয়ের শপিং নিয়েই ব্যস্ত। পরিবারেরর সঙ্গে তাই অন্যরকম একটি সময় উপভোগ করছেন এই অভিনেত্রী। গত কয়েক বছরে এরকম শপিং সময় শুটিংয়ের কারণে এতদিন কাটাতে পারেননি তিনি। জানা গেছে, বোনের বিয়ের খাবারের তালিকাও তৈরি করছেন কাটরিনা। এ বিয়ের কারণে শাহরুখ খানের আয়োজনে ঈদ পার্টিতেও যোগদান করতে পারেননি তিনি। কারণ, ঠিক সেদিনই বোন নাতাচার বিয়ে উপলক্ষে একটি পার্টি রাখা হয়েছিল। এই পার্টির মধ্যমনিও ছিলেন কাটরিনা। লন্ডনে সামনের মাসে বিয়ের পরপরই আবারও শুটিং নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন তিনি। বিয়ে নিয়ে দারুণ এক্সাইটেড কাটরিনা বলেন, অনেক দিন পর অনেক ভাল ও অন্যরকম সময় পার করছি। শুটিংয়ের কারণে এরকম সময় আমার অনেক হাতছাড়া হয়ে গেছে। বোনের বিয়ে তাই আমি সত্যি সত্যি এক্সাইটেড। অনেক অনেক পরিকল্পনা করেছি আমরা। পোশাক থেকে শুরু করে সবকিছুই সবাই আমার পছন্দেই করছে। তাই দায়িত্ববোধটাও বেড়ে গেছে। আশা করছি সামনের সময়গুলো আরও অনেক বেশি উপভোগ্য হবে।

বলিউডে এখনও হিরোইনরা দুধেভাতে…
সৌম্যদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়  Wednesday July 31, 2013, 07:27 PM
0

‘কাহানি’ সুপারহিট হওয়ার পর একটা কথা প্রায় সব জায়গাতেই শোনা যেত— বিদ্যা (থুড়ি ভিদ্যা) নাকি বলিউডের নতুন খান! এটা কি ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্যে যে যতই সবার প্রশংসা কুড়াও দু’হাতে, বলিউডের দড়ি এখনও খানেদের হাতে… নাকি বলিউডে এখনও পুরুষদেরই একচেটিয়া অধিকার! কে কী ভাবে, তা নিয়ে আমি কথা বলতে খুব একটা ইচ্ছুক নই… নিজের ব্লগে অন্যের কথা নিয়ে চর্চা করব কেন বলুন তো! বরং আমি আপনাদের আমার কিছু সংগৃহীত তথ্য অথবা বলতে পারেন পর্যবেক্ষণের কথা বলি… আমার বক্তব্য এক্কেবারে বেদবাক্যের মতো মেনে নিতে হবে এমন ধৃষ্টতার কথা একবারের জন্যেও বলছি না… কিন্তু আমার বলা কথাগুলোর সঙ্গে যদি নিজের বিচারবুদ্ধি একটু ঝালিয়ে নেন, তা হলেই বুঝবেন….

আর গৌরচন্দ্রিকা না করে আসল কথায় আসি। এ বছর ভারতীয় সিনেমার ১০০ বছর… খাসা কথা, গর্বের কথা… সবাই প্রশংসায় পঞ্চমুখ… সিনেমা তৈরির সঙ্গে যাঁরা যুক্ত তাঁরা ফলাও করে বুক ফুলিয়ে বলছেন বলিউডের উন্নিতির কথা… আরও ভালো কথা। কিন্তু আমি বলছি বলিউড যে তিমিরে ছিল আজও সেই তিমিরেই আছে! একশো বছরও পিছিয়ে যেতে হবে না। যদি গত ২৫ বছরের কথা ধরি তাহলেই হবে। একটু ডাক্তারি পরিভাষায় বলতে হলে বলিউডের নিঃসন্দেহে একটা কসমেটিক সার্জারি হয়েছে… কিন্তু ভিতরের মালমশলা সেই একই থেকে গিয়েছে!

salman-shahrukh-aamir1.jpg

মনে হচ্ছে তো কীসের জোরে এত্ত বড় বড় কথা বলছি? না, কোনও রকম হাই ফান্ডা টেকনিকাল ডিটেলের দিকে একেবারেই পা বাড়াচ্ছি না। বরং কথা বলি আপাতদৃষ্টিতে খুবই সাধারণ জিনিস নিয়ে। আচ্ছা যদি কোনও ফিল্ম স্কুলের ডিবেট ক্লাসে হিরোইন ইন বলিউড নিয়ে আলোচনা হত, কী কী তথ্য উঠে আসত? নিঃসন্দেহে অনেক কিছুই… কিন্তু যত ছোট করেই হোক একটা প্রসঙ্গ এই আলোচনায় আলবাত জায়গা করে নিত— একটা হিন্দি ছবিতে হিরোইন-এর গুরুত্ব ঠিক কতটা? গত বছর মুক্তিপ্রাপ্ত ডার্টি পিকচার দেখেছেন কি? সেখানে নাসিরুদ্দিন শাহ বলেছিলেন যে, ছবি হিরোদের কথা ভেবেই বানানো হয়। অন্যদিকে সেই একই ছবিতে বিদ্যা বলেছিলেন, মাত্র তিনটি জিনিসের জন্যে একটি ছবি চলে—এন্টারটেনমেন্ট, এন্টারটেনমেন্ট, এন্টারটেনমেন্ট! তাহলে প্রশ্ন হল কার কথা ঠিক? আমি যদি বলি দু’জনেই ঠিক? তা হলে! আজও বলিউডে ছবি বানানো হয় হিরোদের কথা মাথায় রেখেই…আর হিরোইনরা কেবলমাত্র ফাউ এন্টারটেনমেন্ট…

এখনও কোনও নতুন ছবি তৈরি করার আগে ভাবা হয় সেই ছবির মুখ্য চরিত্রে কোনও অভিনেতাকে মানাবে…কিন্তু অভিনেত্রী বাছাইয়ের সময় ভাবা হয় সেই হিরোর পাশে শোপিসের মতো কোন হিরোইনকে মানাবে। আর বাই চান্স যদি মহিলাকেন্দ্রিক কোনও ছবি তৈরি করা হয়, তা হলে সেই ছবিতে হরগিজ কোনও প্রথম সারির অভিনেতা অভিনয় করবেন না। এমন তো হামেশাই হয় যে হিরোর ডেট পাওয়া যাচ্ছে না বলে শ্যুটিংয়ের ডেট পিছোচ্ছে বা ছবিটি তাকে উঠে যাচ্ছে। কিন্তু হাতে গুনে কটা এমন উদাহরণ দিতে পারবেন যেখানে হিরোইনের ডেট পাওয়া যাচ্ছে না বলে এই দুটি জিনিস ঘটেছে? বেশি দূর যেতে হবে না। এই যে মধুর ভন্ডারকারের হিরোইন ছবিটি।। কি দেখানো হল তাতে? হিরোদের ইগোর লড়াইয়ে কীভাবে জাস্ট নষ্ট হয়ে গেল এক হিরোইনের কেরিয়ায়, তাঁর আস্ত জীবনটাই। অবশ্য নিজের অবস্থান এই ছবিতে পরিষ্কার রাখার জন্যে কিছুটা হলেও মধুর হিরোইনকেই দোষী ঠাওরালেন এই সবের জন্যে! সে নয় হল সিনেমায়। কিন্তু শুরুতে ঐশ্বর্যাকে মুখ্য চরিত্রে কাস্ট করার পরে মধুর বলেছিলেন তাঁকে মাথায় রেখেই নাকি চরিত্রটি তৈরি করা হয়েছে। উত্তম কথা। কিন্তু যেই না মিডিয়াকে ঐশ্বর্যা জানালেন তিনি সন্তানসম্ভবা ওমনি ঐশ্বর্যা আউট… করিনা ইন। এবার গল্পও উল্টে গেল… করিনার মতো করে নাকি কেউ এই ছবিটি করতে পারতেন না! ২৫ বছর আগে যাঁরা হিরো হয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন আজও তাঁরা অবলীলায় কলেজের খোকার রোলে অভিনয় করে যাচ্ছেন। আর তাঁদের সঙ্গে সেই সময় যাঁরা বিভিন্ন সময়ে হিরোইন হয়েছেন তাঁরা এখন কাকিমা-জেঠিমা, মা-মাসির চরিত্রে। সলমান খানের লাভ সিনেমাটি দেখেছেন? মনে পড়ে কে ছিলেন তাঁর বিপরীতে? আমি বলছি রেবতী। এখন কিন্তু তিনি আর হিরোইন নন। এখন তাঁকে সন্তুষ্ট থাকতে হয় মা-মাসির রোলেই! কিন্তু সলমান? এখনও অনায়াসেই লাভিডভি লাভারের ভুমিকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন! উত্তম, অতি উত্তম। যদিও ইন্ডাস্ট্রির বন্ধ দরজার বাইরে বুক ফুলিয়ে দাবি করা হয় যে নায়িকাদের জায়গা নায়কদের থেকে কোনও অংশেই কম নয়, বাস্তবটা যে একেবারেই এর বিপরীত!

লিখতে লিখতে হঠাত্‍‌ একটা উদাহরণ মাথায় এল— বলিউডের হিরোরা অনেকটা পশ্চিমবাংলার বামফ্রন্ট সরকারের মতো… রাজত্ব করতে করতে ভুলেই গিয়েছিল রাজ্যটা বাপ-ঠাকুরদার রেখে যাওয়া জমিদারি নয়। মনে পড়ল তখন যখন এক নারী চরিত্র এসে তাঁদের চেয়ার ঠেলে উল্টে দিলেন… তবে বলিউডে অবশ্য এখনও তেমন কোনও নারী শক্তি এসে উপস্থিত হননি! খারাপ, আনকুথ শুনতে লাগলেও এটাই একমাত্র সত্যি। নয় নয় করে আমারও তো এই বলিউডের অলি-গলি, তস্য গলিতে যাতায়াত কম দিনের নয়। আর সেই সব অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি ২৫ বছর আগেও বলিউড পুরুষতান্ত্রিক ছিল আজও ঠিক তেমনটাই আছে। তবে পুরনো মোড়কটা পাল্টে নতুন মার্কেটিং স্ট্রাটেজি নেওয়া হয়েছে।

যে সব হিরোরা বলিউডে রয়েছেন নিশ্চিন্তে—
১. সলমান খান— বিবি হো তো অ্যায়সি (১৯৮৮)— ২৫ বছর।
২. শাহরুখ খান— ইডিয়ট (১৯৯২)— ২১ বছর।
৩. আমির খান— হোলি (১৯৮৫) — ২৮ বছর।
৪. অক্ষয় কুমার– সৌগন্ধ (১৯৯১)– ২২ বছর।
৫. অজয় দেবগণ— ফুল অউর কাঁটে ( ১৯৯১)— ২২ বছর।
৬. সঞ্জয় দত্ত— রকি (১৯৮১)–৩২ বছর।
৭. অমিতাভ বচ্চন— সাত হিন্দুস্তানি (১৯৬৯)—- ৪৪ বছর।
৮. রণবীর কপুর— সাঁওয়ারিয়া (২০০৭)—- ৬ বছর।
৯. সানি দেওল— বেতাব (১৯৮৩)— ৩০ বছর।
১০. ইমরান হাশমি— ফুটপাথ (২০০৩)— ১০ বছর

তবে হিরোইনরাও কিন্তু ব্যাটিংটা করে যাচ্ছেন… হিরোদের মতো না হলেও দড়ি ধরে ঝুলে রয়েছেন বেশ কিছু বছর—-
১. করিনা কপুর—- রিফিউজি (২০০০)— ১৩ বছর।
২. বিদ্যা বালন— ভালো থেকো, বাংলা ছবি (২০০৩)—১০ বছর।
৩. ক্যাটরিনা কইফ— বুম (২০০৩)— ১০ বছর।
৪. প্রিয়াঙ্কা চোপড়া—- থামিজান, তামিল ছবি (২০০২)–১১ বছর।
৫. ঐশ্বর্যা রাই— ইরুভার, তামিল ছবি (১৯৯৭)– ১৬ বছর।
৬. রানি মুখোপাধ্যায়— বিয়ের ফুল, বাংলা ছবি (১৯৯২)— ২১ বছর।
৭. দীপিকা পাদুকোন— ঐশ্বর্যা, কন্নড ছবি (২০০৬)—- ৭ বছর।
৮. অনুষ্কা শর্মা— রাব নে বনা দি জোড়ি (২০০৮)—- ৫ বছর।
৯. সোনাক্ষী সিনহা— দাবাং (২০১০)—- ৩ বছর।
১০. বিপাশা বসু— আজনবি (২০০১)—-১২ বছর।

অনেকবার অনেক সাক্ষাত্‍‌কারে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অথবা বিপাশা বসু বলেছেন যে বলিউডে হিরোদের কথায় ওঠে বসে। তখন নিশ্চয়ই বলেছিলেন… দেখ হয়তো কোনও কাজ পাচ্ছে না, তাই এই সব বলছে! না, এতটা অশ্রদ্ধার সঙ্গে কথাটা উড়িয়ে দেবেন না। কারণ কথাটি খাঁটি।

সানি লিওন এখন সানি লিওন

নিজের পর্নো তারকার পরিচয়টা ঝেড়ে ফেলতে সব রকমেরই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সানি লিওন। এছাড়া নিজের সেক্সি ইমেজ ঝেড়ে আগামী ছবিতে এবার হার্ডকোর বক্সারের ভূমিকায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি।

ডিভাং ঢোলাকিয়া পরিচালিত ‘টিনা অ্যান্ড লোলো’ ছবিতেই একজন নারী বক্সারের ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে।

এর জন্য সানি নাকি এখন দিন রাত কঠিন বক্সিং অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তার প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন বিশ্ব বক্সিং প্রতিযোগিতায় তিন বারের চ্যাম্পিয়ন টেরি নরিস। যিনি বক্সিং দুনিয়ায় টেরিবল টেরি নরিস নামেও পরিচিত।

‘টিনা অ্যান্ড লোলো’ ছবিতে কঠিন কিছু অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয়ের নরিস নাকি সানিকে এখন বক্সিংয়ের কঠিন কিছু মার অনুশীলন করাচ্ছেন।

আপনার পিসিতে দুষ্টু-মিষ্টি শয়তানি করুন Talking tom cat 2 এর সাথে!!! [PC ভার্সন]

আসসালামু আলাইকুম,
ভাবছেন হয় তো? Talking tom cat 2 এর টম মামা এন্ড্রোয়েড ছেড়ে আবার পিসিতে হাজির হল কেমনে? অনেকের অনেক আজগুবি কৌতূহল জাগতে পারে! কিন্তু এটা স্বপ্ন নয় সত্যি!!! আসলে আজ পর্যন্ত অফিসিয়ালি কোন PC ভার্সন না বেরুলেও কিন্তু আমি সাধনা করে তৈরি করেছি। অনেক ধ্যান-ধারনা করে ফ্ল্যাশ বিল্ট ইন  Talking tom cat 2 বানিয়েছি। আর এতে কোন ইন্সটল ঝামেলা নেই, আর কোন প্রকার এক্সট্রা সফটওয়্যারও লাগবে না। জাস্ট! এক ক্লিক করে ডাউনলোড করবেন আরেকটি ক্লিকে ওপেন করবেন আর, সর্বশেষ ক্লিকে Talking tom cat 2 এর সাথে দুষ্টু-মিষ্টি শয়তানি করবেন!!! আর কি চাই বলুন তো!!!! ;)


Talking tom cat 2 তে মজার টম মামা ইতি মধ্যেই সকল এন্ড্রোয়েড প্রেমীর জনপ্রিয় তার শীর্ষে! এমন বেকুব লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল যার, এন্ড্রোয়েড টম মামা নাই! তাই বলে কম্পিউটার ব্যবহারকারী গণ এর মজা লুফে নিতে পারবেন না, তা কি কখনও হতে পারে! :(   তাই আপনাদের দুঃখের শোক ভোলাতে আমার এই ছোট্ট উপহার দিলাম। আশা করি রুবেল ভাইয়ের ভাতিজি খুব খুশি হবে। সেই সাথে খুশি হবে আমাদের প্রিয় ভিসিটরগণও!!!
আমি অনেকদিন ধরে ভাবছি যে, এন্ড্রোয়েড কোম্পানির ব্যবসায় আগুন ধরিয়ে দেবো! ভাবলাম যে জনপ্রিয় অ্যাপসগুলার PC ভার্সন বের করবো। আর আমার চিন্তায় সবচেয়ে ভালো সুযোগ এসেছে Flash Player কে যথার্থ ভাবে কাজে লাগানোর। যেমন Talking tom cat 2 তৈরিতে বিল্ট ইন Flash Player 10 ব্যবহার করেছি। এতে হুবাহুব APK সফটের মত কাজ এবং স্বাদ পাওয়া যাবে! ফলে আপনাকে আলাদাভাবে কোন সফট বা Flash Player ইন্সটলের ঝামেলা নেই! শুধু ক্লিক করেই কথা বলবেন আর মজা লুফে নিবেন!!! :)

.

নিচে পিসির উইন্ডোজ থেকে আমার তোলা কিছু চমৎকার Snap Shots দেওয়া হল—–

Talking tom cat-2 (5)
Talking tom cat-2 (4)
Talking tom cat-2 (2) Talking tom cat-2 (3)

Talking tom cat 2 এর পিসি ভার্সনের সাইজ হল– ১০.৩ এমবি। অর্থাৎ- APK-6.3MB + Build-in Flash-4MB = 10 MB হচ্ছে। এটি কোন APK বা, SWF ফাইল নয়, এটি খাঁটি .EXE ফ্ল্যাশ বিল্ট ইন  সফট। একেবারে HD মানের কোয়ালিটি পাবেন! আপনারা যারা দীর্ঘদিন ধরে শখ করে বসে আছে যে, উইন্ডোজে Talking tom cat 2 এর টম মামার সাথে ফাজলামি করে কথা বলবেন তাদের আশা আজ পূরণ হতে যাচ্ছে বটে। এটি উইন্ডোজ এক্সপি, সেভেন, এইট এর যেকোনো 32bit/64bit সহ সব জায়গায় চলবে। আরেকবার বলি এটার জন্য এক্সট্রা কোন সফটওয়্যার ইন্সটল করতে হবে না, এমন কি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারও ইন্সটল লাগবে না। শুধু ক্লিক করে টম মামার সাথে কথার অনুকরন করাবেন আর ফাজলামি করবেন!!! :)AnimatedArrow

…:::DOWNLOAD:::…

Talking tom cat 2 || 10.3 MB

আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়িয়ে নিন

আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়িয়ে নিন
আধুনিক জীবনে কম্পিউটারের গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রতিদিন নানা কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে কম্পিউটার। আর এই প্রয়োজনীয় জিনিসটি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে অনেক সময় এর গতি কমে যায়।



অনেক দিন অপারেটিং না দিলেও পিসি স্লো হয়ে যায়। কিন্তু ইচ্ছা করলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। এজন্য প্রতিদিন অনুসরণ করতে হবে কিছু টিপস। এর মাধ্যমেই বেড়ে যাবে কম্পিউটারের গতি।
* প্রথমেই Start বাটন থেকে Run এ যান। Run এ গিয়ে tree লিখে Enter চাপুন। দেখবেন কমান্ড প্রম্পটের মত একটি কালো উইন্ডো আপনার সামনে ওপেন হয়ে দ্রুত চলে যাবে।
Tree ব্যবহারের ফলে আপনার পিসির সবগুলো ফাংশন দ্রুত কাজ করবে।
* যারা Windows Seven ব্যবহার করেন তারা Start এ গেলেই Run অপশনটি পাবেন না। তাদেরকে যেতে হবে: Start> All programs> Accessories> Run।
* এরপর আবার Start এ ক্লিক করে Run এ যান Prefetch লিখে Enter চাপুন। এখন যে ফাইলগুলো ওপেন হবে সব Delete করে দিন।
‍* একইভাবে, Run এ গিয়ে যথাক্রমে recent, temp, %temp% লিখে Enter চাপুন। ওপেন হওয়া ফাইলগুলো Delete করে দিন।
কম্পিউটারের গতি বাড়িয়ে স্বাচ্ছন্দে কাজ করতে প্রতিদিন এই টিপসগুলো অনুসরণ করুন আর বাড়িয়ে নিন আপনার কম্পিউটারের গতি।

মঙ্গলে পাড়ি জমাতে এক লাখ আবেদন

প্রিয় এই পৃথিবীতে যে আর কখনো ফেরা হবে না,
আগেই তা জানিয়ে দিয়েছেন আয়োজকরা।
তারপরও মঙ্গলে বসতি গড়ার অভিযানে যোগ দিতে এক লাখেরও বেশি
দরখাস্ত জমা পড়েছে মার্স ওয়ানের দপ্তরে। 
সিএনএন এর খবরে বলা হয়,
গত বছর মঙ্গলে বসতি গড়ার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় আসে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক
এই বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। যে পরিকল্পনা তারা সাজিয়েছে,
তাতে আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে চল্লিশজনকে বেছে নেয়া হবে এবং ২০২৩ সালে
চার নভোচারীর প্রথম দলটি মঙ্গলে যাবে। এরপর প্রতি দুই বছর পরপর নতুন অভিযাত্রীরা
যোগ দেবেন তাদের সঙ্গে।

মার্স ওয়ানের ঘোষণা অনুযায়ী, এই ওয়ানওয়ে টিকেটে যারা মঙ্গলে যাবেন, তাদের আর কোনোদিনই পৃথিবীতে ফেরা হবে না। বরং মহাকাশে মানুষের বসতি ছড়িয়ে দিতে লালগ্রহ মঙ্গলে তাদের গড়তে হবে এক নতুন পৃথিবী। মঙ্গেলে বেঁচে থাকার মতো উপযুক্ত পরিবেশও তাদেরই তৈরি করে নিতে হবে। 
এ অভিযানে অংশ নিতে আবেদন করতে পারছে প্রাপ্তবয়স্ক, অর্থাৎ ১৮ বা তার বেশি বয়সী এবং শারীরিকভাবে সক্ষম যে কেউ। তবে এজন্য নিজের দেশের মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে পাঁচ থেকে ৭৫ ডলার পর্যন্ত ফি দিতে হচ্ছে আবেদনকারীদের।
মঙ্গলে মানুষের বসতি কি এমনই হবে?
২০১৫ সালের জুলাইয়ে আবেদনকারীদের  মধ্যে থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ের মাধ্যমে চার জন করে মোট ছয়টি দল গঠন করা হবে। এরপর মঙ্গল অভিযানের উপযুক্ত করে তুলতে ৮ বছর ধরে প্রশিক্ষণ চলবে তাদের।

মার্স ওয়ানের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মঙ্গল মিশন সফল করতে ২০১৪ সালে একটি যোগাযোগ উপগ্রহ পাঠানো হবে মঙ্গলের কক্ষপথে। ২০১৮ সালে রোবট পাঠিয়ে বসতির উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করা হবে। এরই মধ্যে খাবার, রসদ আর জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম নিয়ে উড়ে যাবে একাধিক নভোযান।মঙ্গলের বুকে প্রথম বসতিস্থাপনকারীদের জন্য শক্তির যোগান দিতে সৌর প্যানেল বসানো এবং গ্রহের পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে পানি ও অক্সিজেন তৈরির আয়োজনও সেরে ফেলা হবে। সব ঠিক থাকলে চারজন নভোচারী মঙ্গলের উদ্দেশে যাত্রা করবেন ২০২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রায় ১০ মাস পর তারা পা রাখবেন মঙ্গলের মাটিতে।
বছর দুয়েক আগে মঙ্গল অভিযানের এই পরিকল্পনা মাথায় আসার পর নিজের পয়সাতেই কাজ শুরু করেছিলেন মার্স ওয়ানের সিইও ডাচ উদ্যোক্তা ও প্রকৌশলী ব্যাস ল্যান্ডসড্রপ। তবে গত ডিসেম্বর থেকে অনুদান নিয়ে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেয়ার কাজ শুরু করেছেন তিনি। মঙ্গলে মনুষ্যবাহী প্রথম অভিযানের ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় বিলিয়ন ডলার।
ল্যান্ডসড্রপ বলেন, “যখন মঙ্গলে মানুষ যাবে, সেখানে মানষের বসতি হবে, একটি নতুন পৃথিবী গড়ে তুলবেন তারা- তা হবে পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেযে বড় একটি ঘটনা। এই বিজয়ের গল্পটি আমরা পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই।” 

ভালোবাসার জোকস

ভালোবাসার জোকস
শরীরের বর্ণনা
প্রেমিকাঃ জানু এবার ভাল করে দেখে বল না আমার শরীর এর কোন অংশ সবচেয়ে সুন্দর?

প্রেমিকঃ হুম, সেটা হল এমন একটা জিনিষ যেটা দেখতে নারিকেলের মত গোল ও সাদা। তার ভিতর আরো দুইটা বৃত্ত আছে, বৃত্ত এর উপর ডট।

প্রেমিকাঃ শয়তান! কি বলতে চাস?
প্রেমিকঃ সেটা হল তোমার চোখ।

দ্রুততম মানবী

shelly-ann-01.jpgডেস্ক : উসাইন বোল্টের মতোই ১০০ মিটার দৌড়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব পুনরুদ্ধার করেছেন জ্যামাইকার শেলি-অ্যান ফ্রেজার-প্রাইস।
মস্কোয় অ্যাথলেটিক্স বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোমবার রাতে মেয়েদের ১০০ মিটার দৌড়ের ফাইনালে সোনা জিততে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ফ্রেজার-প্রাইস সময় নেন ১০.৭১ সেকেন্ড।
দ্বিতীয় আইভরি কোস্টের মুরিয়েল আহুরের টাইমিং ১০.৯৩ সেকেন্ড। তার চেয়ে মাত্র ০.০১ সেকেন্ড বেশি নিয়ে তৃতীয় হয়েছেন গতবারের চ্যাম্পিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের কার্মেলিটা জেটার।
বেইজিং ও লন্ডন অলিম্পিকে ১০০ মিটার দৌড়ে সোনাজয়ী ফ্রেজার-প্রাইস ২০০৯ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও প্রথম হয়েছিলেন। তবে দেগুতে ২০১১ সালের আসরে খেতাব হারান তিনি।
রোববার রাতে স্বদেশী উসাইন বোল্ট ১০০ মিটারে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের শিরোপা পুনরুদ্ধার করেন। পরের দিনই জ্যামাইকাকে আনন্দে ভাসালেন ফ্রেজার-প্রাইস।
দৌড় শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমি বাঁ পায়ে একটু ব্যথা অনুভব করছিলাম। কিন্তু ট্র্যাকে এসে ঠিকমতোই দৌড়েছি। অন্য কারো দিকে মনোযোগ দেইনি।”
সোমবার রাতে মেয়েদের শট পুটে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছেন নিউ জিল্যান্ডের ভ্যালেরি অ্যাডামস। টানা চারটি বিশ্ব চ্যম্পিয়নশিপে সোনা জিতলেন টানা দুই বারের এই অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন।
মেয়েদের ৪০০ মিটার দৌড়ে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বতসোয়ানার আমান্তে মন্তশোকে প্রাণান্তকর চেষ্টায় শেষ মূহুর্তে ধরে ফেলেন সাবেক চ্যাম্পিয়ন ব্রিটেনের ক্রিস্টিন ওহরুগু। দুজনেই সময় নেন ৪৯.৪১ সেকেন্ড, পরে ফটো ফিনিশে সোনা জেতেন ক্রিস্টিন।
বিশ্ব চ্যম্পিয়নশিপে দুটো সোনা জেতা প্রথম ব্রিটিশ নারী হলেন ক্রিস্টিন। এর আগে ২০০৭ সালে ওসাকা আসরে সোনা জিতেছিলেন তিনি।

শাকিরা প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলায় জিতলেন

saikira.jpgশাকিরাকলম্বীয় পপ গায়িকা  শাকিরার বিরুদ্ধে তাঁর সাবেক প্রেমিক অ্যান্টোনিও ডে লা রুয়ার করা তিনটি মামলাই সম্প্রতি খারিজ করে দিয়েছেন লস অ্যাঞ্জেলেস আদালত।
শাকিরার আয়ের একটি অংশ পাওয়ার জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলারের মামলা করেছিলেন আর্জেন্টিনার সাবেক প্রেসিডেন্ট ফার্নান্দো ডে লা রুয়ার ছেলে অ্যান্টোনিও।
আদালতে দাখিল করা কাগজপত্রে অ্যান্টোনিও উল্লেখ করেন, শাকিরা নামটি একটি ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। এর পুরো কৃতিত্ব নিজের বলেই মনে করেন অ্যান্টোনিও। এ ছাড়া শাকিরার তুমুল জনপ্রিয় ‘হিপস ডোন্ট লাই’ ও ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গান দুটি তৈরির ভাবনাও প্রথম তাঁর মাথায় এসেছিল বলে দাবি করেন অ্যান্টোনিও। এসব কারণেই তিনি মনে করেন, শাকিরার আয়ের একটি অংশ তাঁর প্রাপ্য।
শাকিরা ও অ্যান্টোনিও দীর্ঘ ১১ বছর একসঙ্গে বাস করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁদের প্রেম টেকেনি। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে শাকিরা তাঁর ওয়েবসাইটে লিখেছিলেন, ‘২০১০ সালের আগস্টে আমরা আলাদা হয়ে গেছি। শুরু থেকেই আমার ক্যারিয়ার ও ব্যবসা সামলানোর দায়িত্ব পালন করেছে অ্যান্টোনিও। আমাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক না থাকলেও ভবিষ্যতেও সে আমার ব্যবসায়িক অংশীদার হয়ে থাকবে।’
২০১১ সালের অক্টোবরে হঠাত্ করেই শাকিরা জানান, অ্যান্টোনিও আর তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার নন। শাকিরার বিরুদ্ধে গত বছরের নভেম্বরে আড়াই শ মিলিয়ন ডলারের মামলা করেছিলেন অ্যান্টোনিও। কিন্তু মামলাটি ধোপে টেকেনি। পরে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল শাকিরার বিরুদ্ধে আবার তিনটি মামলা করেন অ্যান্টোনিও।
সম্প্রতি তিনটি মামলাই খারিজ হয়ে যাওয়ায় দারুণ খুশি শাকিরা। মামলায় জিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘এ ধরনের ভিত্তিহীন মামলার কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আদালতের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি যে কতটা আনন্দিত, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমি আশা করব, ভবিষ্যতে আমাকে আর এ ধরনের হয়রানির মুখে পড়তে হবে না। আমি আমার নতুন জীবনে কোনো ঝামেলা পোহাতে চাই না।’
অ্যান্টোনিওর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর স্প্যানিশ ফুটবল তারকা জেরার্ড পিকেকে নতুন সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন শাকিরা। গত বছরের জানুয়ারিতে ছেলে মিলান পিকে মেবারককে স্বাগত জানিয়েছেন শাকিরা ও জেরার্ড।

কুকুরে পরিণত হওয়া এক অদ্ভুত মানুষের কাহিনী!

kk.JPGডেস্ক : সম্প্রতি ব্রাজিলে প্লাস্টিক সার্জারি করে নিজের চেহারাকে কুকুরের আকৃতি দিয়েছেন এক যুবক। কুকুরের মুখ, কান, নাক, ঠোঁট, ভ্রূ প্লাস্টিক সার্জারি করে ট্র্যান্সপ্লান্ট করা হয়েছে যুবকের মুখমণ্ডলে। ‘পাকুরুমো ইন্টারটইনমেন্ট’ অনলাইন এমন খবর প্রকাশ করেছে। তবে ঘটানাটিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে ‘টডসুপ ডটকম’ নামে একটি সংবাদ মাধ্যম।
খবরে বলা হয়, যুবকের স্বপ্নই ছিল ‘কুকুরমানব’ হওয়ার। কুকুরের প্রতি অসম্ভব ভালবাসা আর নিজের অদম্য ইচ্ছা থেকেই ‘কুকুরমানব’ হওয়ার স্বপ্ন জাগে।। ভালবাসা আর আগ্রহ থেকে টাকা জমানো শুরু করেন ওই যুবক। নিজের জমানো টাকা দিয়েই অপারেশন করান।
যুবকের ভাষ্য, বিশ্বের প্রথম ‘কুকুরমানব’ (ডগম্যান) হওয়ার স্বপ্ন আর কুকুরের প্রতি ভালবাসা থেকে টাকা জমানো শুরু করি। অপারেশনের জন্য যে পরিমাণ টাকা দরকার ছিল তার সবটাই আমি জমা করে ফেলি এই আশায়, ‘আমিই হব বিশ্বের প্রথম ডগম্যান। এবং বিশ্বব্যাপী ‘সৌন্দর্য’ সম্পর্কে মানুষের ধারণা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরির্তন হবে।’
kukur1.jpgব্রাজিলের ওই যুবক কত টাকার বিনিময়ে নিজের মুখের ওপর কুকুরের মুখ ট্র্যান্সপ্লান্ট করাতে চিকিৎসকদের রাজি করিয়েছেন সে কথা এখনও অজানা।
এদিকে ‘কুকুরমানব’ হওয়ার ঘটনাটিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে ‘টডসুপ ডটকম’ নামে একটি সংবাদ মাধ্যম। সংবাদ মাধ্যমটি জানায়, ‘ডগম্যান’ সম্পর্কিত খবর প্রকাশের পর ঘটনার সত্যতা যাচাই করার তারা অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধানে ঘটনাটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়। তাদের মতে, এটি সেরেফ ছবির কারিশমা। কোন শিল্পী রাবারের মডেল আকৃতির মাথার সাথে কুকুরের বিভিন্ন অংশ সেলাই করে লাগিয়ে দিয়েছেন।
চিকিসকের উদ্ধৃতি দিয়ে ‘টডসুপ ডটকম’ আরো জানায়, চিকিৎসকরা তাদের জানিয়েছেন, কুকুর আর মানুষের রক্ত এক নয়। ফলে কুকুরের অঙ্গ ট্রান্সপ্লান্ট করা সম্ভব নয়।