দাঁত গজাবে মূত্র থেকে

দাঁত গজাবে মূত্র থেকে
স্টেম সেল থেকে পড়ে যাওয়া দাঁত গজানো সম্ভবনতুন দাঁত গজানোর নতুন একটি কৌশল উদ্ভাবন করেছেন চীনা গবেষকেরা। মূত্র থেকে প্রাথমিক দাঁত গজানোর এ গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে ‘সেল রিজেনারেশন জার্নাল’-এ।

চীনের গবেষকেরা দাবি করেছেন, মূত্রকে স্টেম সেলের উৎস হিসেবে ব্যবহার করে প্রাথমিক দাঁত গজানো সম্ভব। যাঁদের দাঁত পড়ে গেছে তাঁদের জন্য এ উদ্ভাবন সুসংবাদ হতে পারে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।

মানুষের বয়স বাড়লে এবং দাঁতের যত্ন না করলে দাঁত পড়ে যায়। গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরেই স্টেম সেল ব্যবহার করে নতুন দাঁত গজানোর কৌশল নিয়ে গবেষণা করছিলেন। স্টেম সেল ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের কোষকলা তৈরি করা সম্ভব হয়।

চীনের গুয়াংজু ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিসিন অ্যান্ড হেলথের গবেষকেরা মূত্রকে তাঁদের গবেষণার প্রাথমিক ভিত্তি ধরেন এবং তা থেকে স্টেম সেল তৈরি করেছেন।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত আরও গবেষণা প্রয়োজন। তারপরই কেবল পরীক্ষামূলক পর্যায়ে যাওয়া সম্ভব হবে। অবশ্য মূত্র থেকে দাঁত গজানোর এ গবেষণা বিষয়ে সমালোচনা করেছেন যুক্তরাজ্যের গবেষকেরা। তাঁদের দাবি, এমন একটি উত্স থেকে দাঁত গজানোর গবেষণা করা হয়েছে যা শুরুর পর্যায় হিসেবে খুবই খারাপ।

ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি লম্বা নারীদের

সম্প্রতি বৃহৎ পরিসরে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে নারীরা তুলনামূলকভাবে লম্বা তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। মূলত, মার্কিন নারীদের ওপর গবেষণাটি চালানো হয়েছে। বৃটেন, কানাডাসহ পশ্চিমা অন্য দেশগুলোতেও একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে। এশিয়ার লম্বা নারীরাও একই ঝুঁকিতে রয়েছেন। ৫০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭০১ জন নারীর ওপর গবেষণাটি চালানো হয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনবিসি নিউজ। গবেষণা দলটির অন্যতম গবেষক ডক্টর থমাস ই. রোহান বলেন, আমরা দেখেছি উচ্চতা ও ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার- যেমন, কোলোরেকটাম, কোলন, রেকটাম, ব্রেস্ট, এন্ডোমেট্রিয়াম, ওভারি, কিডনি, থাইরয়েড, মেলানোমা ও মাল্টিপল মায়েলোমা ক্যান্সারসমূহের সঙ্গে উচ্চতার সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতি ১০ সেন্টিমিটার বা প্রায় ৪ ইঞ্চি উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। তবে কেন উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে ক্যান্সারের ঝুঁকি সমানুপাতিক হারে বাড়ে, তার কোন সদুত্তর এখনও দিতে পারেননি গবেষকরা। এ বিষয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তারা।

ঢালিউড শাবনূরের গোপন বিয়ে!

অনেক দিন থেকেই শোনা যাচ্ছিল বিয়ে করছেন শাবনূর। মিডিয়াতে ফলাও করে বলেও ছিলেন, ‘যেকোনো দিন বিয়ে করে ফেলতে পারি। পাত্র পছন্দ হলেই সেরে ফেলবো কাজটা।’ কয়েক মাস অস্ট্রেলিয়ায় কাটিয়ে ২১ জুলাই দেশে ফিরেছেন তিনি। দেশেই ঈদ করবেন। তবে এবার দেশে ফেরার পর নতুন করে গুঞ্জন চলছে শাবনূরকে নিয়ে। বিয়ে করেছেন তিনি! গোপনেই সেরেছেন সব।

তাঁর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, পাত্র অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। পেশায় ব্যবসায়ী। অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশ দুদেশেই ব্যবসা আছে তাঁর। পারিবারিকভাবেই সব হয়েছে। পাত্র আগে থেকেই পরিচিত ছিল।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চিত্রনায়িকা কেয়া বলেন, ‘আমি তো শুনেছি অনেক আগেই বিয়ে করেছেন শাবনূর। ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে কিছু জানানো হয়নি বলে জানি।’

অনেক দিন ধরেই মন্দা যাচ্ছিল  শাবনূরের ফিল্মি ক্যারিয়ার। দিনদিন বেঢপ মোটা হয়ে যাচ্ছিলেন। তাই পরিচালকরা শাবনূরকে নিয়ে সিনেমায় নামতে ঠিক সাহস পাচ্ছিলেন না। শাবনূর নিজেও মুটিয়ে যাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। ‘কিছুটা হালকা-পাতলা হওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে ঘুরে আসছি।’ অস্ট্রেলিয়া যাওয়া আগে এমনটাই বলে গিয়েছিলেন ভক্তদের। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে, ক্যারিয়ারের এই মন্দা সময়ে ঘর বাঁধার কাজে মনোনিবেশ করেছেন বাংলা সিনেমার সুপার হেরোইন।

শাবনূরের এক আত্মীয় জানান, শাবনূরের বিয়ে নিয়ে উঠেপড়ে লেগেছিল তাঁর পরিবার। তাই অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের চাপে বিয়েটা সেরে ফেললেন বড় পর্দার জনপ্রিয় এই নায়িকা। সূত্র জানায়, জীবনের একটা সময় অস্ট্রেলিয়ার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন শাবনূর। স্বামী ওই দেশের নাগরিক। তাই সহজেই হয়তো নাগরিকত্ব মিলবে তাঁর।

জানতে চাইলে বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্রের আরেক জনপ্রিয় মুখ সারাহ জেরিন জানান, ‘শাবনূর আপু বিয়ে করেছেন বলে শুনিনি। তবে তার বিয়ের কথা চলছিল বলে মিডিয়ার মাধ্যমে জেনেছি। তাছাড়া আপুর বিয়ের বয়স তো হয়েছে। তিনি তো বিয়ে করতেই পারেন তাই না?’

অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ ছবির কাজ শেষ করে গেছেন। ছবিটি সম্প্রতি সেন্সর বোর্ডে জমা পড়েছে। শীঘ্রই মুক্তি পেতে পারে ছবিটি।

বিবাহবিচ্ছেদ মারাত্মক ঝুঁকি!

বিবাহবিচ্ছেদ মারাত্মক ঝুঁকি!
বিবাহবিচ্ছেদ নারীদের স্তন ক্যান্সারের ঝঁকি বাড়ায় বলে দাবি করেছেন আমেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। ওই গবেষকরা দাবি করেন, বিবাহবিচ্ছেদের কারেণে স্বল্পমেয়াদী প্রভাব হিসেবে ২৩ শতাংশ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে  এবং দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাব হিসেবে স্তন ক্যান্সারের ঝাঁকি বাড়ায় ।

সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস, উদ্বিগ্নতা এবং হতাশার মত সমস্যা এ সময় স্বাভাবিক হিসেবে দেখা দেয় বলে তারা জানান। এসময় একাকীত্ব বা নিসঙ্গতার কারণে সৃষ্ট হতাশা মানুষের স্বাস্থ্যহানি ঘটায়।

বিবাহবিচ্ছেদ জনিত কারেণে নারী পুরুষ উভয়ের স্বাস্থহানি ঘটতে পারে। এ অবস্থা থেকে সুস্থ এবং স্বাভাবিক থাকার জন্য নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

অপরিদিকে, ধূপপান, নেশা দ্রব্য বা এলকোহল, বিনোদন উদ্দীপক ওষধ সেবন থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। পাশাপাশি, গান শোন, নাটক দেখা, হাটাহাটি করা এবং মেডিটেশন করার জন্য তারা নিদের্শ দিয়েছেন।

বিবাহবিচ্ছেদকালীন সময় বিচক্ষণতার সাথে সচেতনভাবে পথ চললে স্বাস্থ্যহানি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সকলে মনে করছেন।

যৌন মিলনের চারটে দরকারি সূত্র।দয়া করে লজ্জা করবেন না।

আপনাদের জন্য এমন কিছু পোষ্ট হইত জানার দরকার সেটা ভেবেই এই পোষ্টটা দিলাম 
বাঁচতে হোলে জানতে হবে। 

আপনার পার্টনারের সঙ্গে যৌন মিলনকে মধুর করতে হলে আপনাকে চারটে নিয়ম মেনে চলতে হবে৷ আপনি যদি এই চারটে নিয়মকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মেনে পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক ভাবে মিলিত হন তাহলে আপনি প্রকৃত অর্থে সহবাসের সুখ লাভ করবেন৷

‘দ্য ফোর সিক্রেটস অফ আমাজিং সেক্স’ এই গ্রন্থে লেখক জর্জিয়া ফস্টার এবং বেভারলি এনি ফস্টার চারটে নিয়মের কথা বলেছেন৷ তাদের মতে যৌন মিলনের আগে শরীরের তুলনায় মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেওয়াটা জরুরি৷ মানসিক ভাবে আপনি যদি যৌন মিলনের জন্য তৈরি থাকেন তাহলেই আপনি এর চরম সুখ লাভ করতে পারবেন৷ যৌন মিলনের জন্য চারটে গোপণ তথ্যের প্রথমটা হল :

সিডাকশান: বেশীরভাগ মানুষই মনে করে যৌন মিলনের আগে নিজেদের যৌন উত্তেজনা বাড়াতে হবে৷ না সেটা একেবারেই ভুল ধারনা৷ আগে মনে প্রাণে যৌন চেতনা জাগান৷ যৌন মিলনের আগে মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিন৷ আপনি কখনই ভাববেন না আপনার পার্টনারের যৌন উত্তেজনা নিমেষেই বেড়ে যাবে৷ মানসিক ভাবে অনুভব করার পরেই এটা বাড়ানো সম্ভব৷

সেনসেশান: যৌন মিলনের ক্ষেত্রে সিক্স সেনস একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়৷ সেক্ষেত্রে আপনি এবং আপনার পার্টনার উভয়েরই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে জাগ্রত করতে হবে৷ কারণ যৌন মিলনের সময়ে প্রচুর এনার্জীর প্রয়োজন জয়৷ এনার্জী লাভের জন্য ষষ্ট ইন্দ্রিয়কে জাগানো জরুরি৷

সারেন্ডার: তৃতীয় চাবিকাঠিটা হল নিরাপত্তা৷ যৌন মিলনের সময় আপনি যদি নিশ্চিন্তে আপনার পার্টনারের কাছে নিজেকে সপে দিতে পারেন তাহলেই আপনার যৌন মিলন সফল হবে৷ এর জন্য পার্টনারের কাছে আপনি যে নিরাপদ রয়েছে সেই মানসিক ভাবনাটা থাকা জরুরি৷

রিফ্লেকশান: আপনি যদি প্রথম তিনটে নিয়্ম ভ্রুনাক্ষরে পালন করে তাহলে আপনি আপনার অভিজ্ঞতাতেই এর প্রতিবিম্বটা খুঁজে পাবেন৷ পুণরায় যৌন মিলনের আগ্রহ আপনার মনে জাগবে৷

মাসিককালীন ব্যথায় করণীয় বা মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা কী করণীয়?


মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা আমাদের দেশে একটা কমন ব্যাপার। কিন্তু একটু সচেতন হলেই এই ব্যথা এড়িয়ে চলা যায়।
মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথায়  করণীয়:
▬►কোন বোতলে গরম পানি ভরে বা কাপড় গরম করে তলপেটে ২০/২৫ মিনিট ছ্যাক লাগাতে হবে।
এটা সপ্তাহে টানা ৩/৪ দিন করে করতে হবে। এতে ধীরে ধীরে মাসিকের সময় ব্যাথা কমে যাবে।
▬►এছাড়া আরেকটা পদ্ধতি আছে- সিজ বাথ। ৩ মিনিট গরম পানিতে কোমর ডুবিয়ে বসে থাকতে হবে। পরের ২/১মিনিট ঠাণ্ডা পানিতে। এভাবে ২০/২৫ মিনিট সিজ বাথ নিতে হবে। এটাও সপ্তাহে টানা ৩/৪দিন নিতে হবে। শুধু পানি বা পানিতে কিছু লবন, বেকিং সোডা বা ভিনেগারও ব্যবহার করা যায়।



কেজেল ব্যায়াম
▬► আরেকটা পদ্ধতি আছে- কেজেল ব্যায়াম । এটাও খুবউপকারী। মাসিকের চলাচল প্রক্রিয়া বাধা প্র।প্ত না হয়ে আবার ঠিকঠাক হয়ে যাবে, ব্যাথাও কমে যাবে। আমাদের দেশের অনেক মেয়েদেরই শারীরিক ফিটনেস ভালো নয় বলে এরকম সমস্যা বেশি হয়।

এগুলো করলে যোনি মধ্যে রক্ত চলাচল প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত না হয়ে আবার ঠিকঠাক হয়ে যাবে, ব্যাথাও কমে যাবে।

আমাদের দেশের অনেক মেয়েদেরই শারীরিক ফিটনেস ভালো নয় বলে এরকম সমস্যা বেশি হয়। একে একে এই পদ্ধতিগুলোর কথা সবাইকে বলে দিন। একজন আরেকজনকে বলে দিন। এই অবাঞ্চিত সমস্যা থেকে মুক্ত থাকুক আমাদের নারী সমাজ।


গরম চা, কফি বা স্যুপ খেয়ে জিব ও মুখের ভেতর পুড়ে গেলে কী করা উচিত?

আমাদের মুখগহ্বরের ঝিল্লি নিজে থেকেই এ ধরনের মৃদু পোড়া বা ছ্যাঁক লাগাকে প্রতিরোধ করতে পারে। প্রথমে জ্বালা করলেও তা অচিরেই সেরে যায়। তবে গরম ছ্যাঁকা লাগার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি মুখে দিয়ে কুলি করলে আঘাত ও জ্বালা অনেক কমানো যায়। পোড়ার মাত্রাও কমে আসে। ক্যানালগ ইন ওরাবেস নামের মলম একটি কটন বাড দিয়ে ধীরে ধীরে জিব ও ভেতরের পোড়া অংশে প্রলেপ দিয়ে দিলেও দ্রুত সেরে যায়।

মোবাইলে রিংটোনের জনক- সাইমন

মোবাইল বিনোদনের জনক হিসেবে খ্যাত। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে মোবাইলনির্ভর কনটেন্ট এবং বিনোদন প্রচারে কাজ করে যাচ্ছেন। 

সত্তর দশকে সাইমন ‘জোমবা গ্রুপ অব মিউজিক’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান দেন। এখানে মিউজিক রেকর্ড স্টুডিও ছাড়াও বিপণনের কাজ করতেন। অল্প সময়ের মধ্যেই লাভের মুখ দেখেন সাইমন। কারণ এ সময় লন্ডনে মিউজিক নিয়ে তরুণদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে ছিল। দীর্ঘ সময় পর নব্বই দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত হলিউডে চর ক্যাপিটাল রেকর্ড অ্যান্ড ব্লু রেকর্ড ডিভশনে চাকরির অফার পেয়ে যান।

এ সুযোগ মোটেও হাত ছাড়া করেননি সাইমন। উড়ে যান সরাসরি হলিউডে। সেখানে ক্যাপিটাল স্টুডিওর সহ-সভাপতি হিসেবে কাজ শুরু করেন। মিউজিক এবং প্রযুক্তি দুটির ব্যবহারে পারদর্শী হয়ে উঠেন সাইমন। তিনি খুব গভীরভাবে খেয়াল করলেন সারা বিশ্বে মোবাইল কনটেন্ট ক্রমাগত ছড়িয়ে পড়ে। তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন তা থেকে সাইমন সহজেই অনুমান করেছিলেন সেদিন খুব বেশি দূরে নয়, যখন মানুষ পুরোপুরি মোবাইলনির্ভর হয়ে পড়বে।

এটি ১৯৯৭ সালের ঘটনা। তিনি সবাইকে বোঝাতে থাকলেন ভবিষ্যতে মানব জীবনের প্রধান লাইফস্টাইল হবে মোবাইল। এ জন্য মিউজিক বা সংগীতকে মোবাইলে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মিউজিক ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করতে থাকেন। তিনি বলেন, মিউজিক একমাত্র মোবাইলের মাধ্যমে খুব দ্রুত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

তবে স্বত্ত্ব নিয়ে আইনি সমস্যার আশঙ্কা থাকছে। মিউজিশিয়ানরা তাদের স্বত্ত্ব দাবি করবে বলেও কথা উঠল। তিনি তখন মিউজিশিয়ানদের অনুমতির ভিত্তিকে মোবাইলে মিউজিকের রিংটোন যুক্ত করার প্রস্তাব দেন। যুক্তরাষ্ট্রের মিউজিক প্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল অপারেটররা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে গেল রিংটোন। ঠিক এ ঘটনার জন্য সাইমনকে বলা হয়, মোবাইলে রিংটোনের জনক।

নিজের আইডিয়া। সুতরাং ব্যবসায় নিজেকে প্রমাণ করতে মোটেও পিছিয়ে ছিলেন না সাইমন। তিনি রিংটোন প্রতিষ্ঠান খুলে বসলেন। তাও একটি দেশে নয়। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ইউনাইটেড কিংডম, অস্ট্রেলিয়া এবং আফ্রিকাতে প্রতিষ্ঠান করেন ‘ইওর মোবাইল’। তবে ২০০৩ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর মিউজিক প্রতিষ্ঠান সিমনের ‘ইওর মোবাইল’ প্রতিষ্ঠানটি কিনে নেয়।

নিজের প্রতিষ্ঠান বিক্রি হওয়া নিয়ে মোটেও বিচলিত নন মিন। এবারে তিনি নিজেকে নতুন ভাবনায় নিমগ্ন করলেন। ভাবনা আর বাস্তবায়নের মধ্যে ব্যবধান মাত্র এক বছর। ২০০৪ সালে তিনি ভাবলেন, খুব দ্রুত মানুষ নিজের সংস্কৃতি এবং আর্থিক বিষয়ের ওপর নির্ভর করেই মোবাইলনির্ভর হবে। এবারে প্রকল্পের নাম দেওয়া হয় ‘মোবিলজি’।

আজও এ মোবিলজি নিয়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা চলছে। সিমনের এ ধারণা হয়ে উঠল গবেষণার বিষয়বস্তু। বিশ্বব্যাপী গবেষকেরা মোবিলজি বিশ্বে প্রবেশের অপেক্ষায় আছে।

তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ ছিল ‘লিভ আর্থ’ প্রকল্প। মোবাইল ব্যবহার করে বিশ্ব পরিবেশ রক্ষা এবং দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন সাইমন। বিশেষ করে ২০১০ সালে ‘হোপ ফর হাইতি’ নামে একটি প্রচারণা চালান মোবাইল ফোনের মাধ্যমে।

এ লিভ আর্থ প্রকল্পটি মূলত আল গোরের উদ্যোগ ছিল। কিন্তু প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে যাওয়ার পদ্ধতিটি ছিল সাইমনের। একটি এসএমএস করলে এ অর্থ চটজলদি সংশ্লিষ্ট ফান্ডে পৌঁছে যাবে। এ ধরনের ক্যাম্পেইনকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করতে সাহায্য করেছেন সাইমন।

সাইমন একবার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এ মুহূর্তের বিশ্ব মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছে। এর চেয়ে বড় আবিষ্কার আর কি হতে পারে? এ ছাড়াও বিনোদনের খোরাক জোগাতে মোবাইলও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা নয়, মোবাইল ফোনের ওপর মানুষ এখনই নির্ভর করছে।

নানা উদ্ভাবনে ব্যস্ত এ মানুষটি এখনও অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন। ছুটে বেড়াচ্ছেন বিশ্বের এ দেশ থেকে ওদেশে। এখনও নিত্যনতুন আইডিয়ায় মোবাইল ফোনকে জনপ্রিয় ও মানবজীবনে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। পুরস্কার নিয়ে তিনি কখনও কোনো মন্তব্যও করেননি।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত পর পর তিন বছর মোবাইল বিনোদন প্রতিষ্ঠানের সেরা কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১০ সালে গ্লোবাল মোবাইল এন্টারটেইনমেন্ট শিল্পে অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননা পদক অর্জন করেন।

ইংরেজি সাতটি বারের নাম  কিভাবে এলো

ইংরেজি সাত বারের নাম কিভাবে এলো তা হয়তো আজও আমাদের অনেকের অজানা। এ অজানা কাহিনীগুলো আজ আমরা জানব।

১. শনিবার(Saturday): রোমানরা মনে করত ‘স্যাটান’ নামক দেবতা আবহাওয়া, কৃষি ও বৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব পালন করেন, তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য তারা একটি দিনের নাম দেয় ‘স্যাটান ডেইজ’, যা বর্তমানে ‘Saturday’(শনিবার) নামে পরিচিত।

২. রবিবার(Sunday): প্রাচীনকালে দক্ষিণ ইউরোপের লোকেরা ভাবত একজন দেবতা প্রতিদিন আকাশে আলোর বল আকেঁন। এই আলোর বলের ল্যাটিন নাম সলিছ। এই ‘সলিছ’ নাম থেকে কালক্রমে ‘ডেইস সলিছ’ বা আলোর বলের নাম এলো। উত্তর ইউরোপে ‘ডেইস সলিছ’ কে ‘সানেন ডেইজ’ বলা হতো এবং এই ‘সানেন ডেইজ’ থেকেই কালক্রমে ‘Sunday’(রবিবার) শব্দের উৎপত্তি।

৩. সোমবার(Monday): দক্ষিণ ইউরোপীয়রা আকাশে রাতে রুপালি বল দেখে এর নাম দেয় ‘লুনা’ এবং একটি দিনের নাম দেয় ‘লুনা ডেইজ’। এই ‘লুনা ডেইজ’ শব্দটি উত্তর ইউরোপের লোকেরা উচ্চারণ করত ‘মোনান ডেইজ’ এবং তা থেকে ধীরে ধীরে ‘Monday’(সোমবার) শব্দের উদ্ভব ঘটে।

৪. মঙ্গলবার(Tuesday): প্রাচীনকালে বিশ্বাস ছিল ‘টিউ’ নামে একজন বুদ্ধ দেবতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মাকে একদল মহিলা কর্মীর সাহায্যে সুন্দর বিশ্রামস্থলে নেন। এই নেওয়ার কাজ তিনি যেদিন করতেন সেদিন নাম হয় ‘টুইজ ডেইজ’ যা পরে ‘Tuesday’(মঙ্গলবার) হয়।

৫.বুধবার(Wednesday): উত্তর ইউরোপীয়রা মনে করত দেবতা ‘উডেন’ লম্বা টুপি মাথায় দিয়ে সর্বত্র ঘুরতেন এবং তার কাঁদে দুটো কাল পাখি বসে থাকত। কিন্তু তিনি দুর্ঘটনাবশত একটি চোখ হারান। এরপর তার কাঁদের পাখিরা রাতে পৃথিবীতে কী কী ঘটছে তা দেখত এবং সকালে সব ‘উডেনকে’ জানাত। এই শক্তিশালী দেবতার জন্য সপ্তাহের একটি দিন উৎসর্গ করা হয় এবং এই দিনের নাম রাখা হয় ‘ওয়েনড ডেইজ’ যা পরে ‘Wednesday’(বুধবার) নামে পরিচিত।

৬.বৃহস্পতিবার(Thursday): প্রাচীনকালে মানুষ ভাবত ‘থর’ নামক দেবতা রেগে গেলে আকাশে বিশাল এক হাতুড়ি মারতেন, যা থেকে আলো চমকাত এবং এই সময় নিজে ছাগলচালিত এক গাড়িতে বসে থাকতেন। এই আলো হলো ‘বিদ্যুৎচমক’ তার গাড়িল চাকার শব্দই ‘বজ্রপাত’এই থরের প্রতি সপ্তাহের একটি দিন উৎসর্গ করা হয় এবং সেই দিনটির নাম রাখা হয় ‘থোর্স ডেইজ’,যা বর্তমানে 'Thursday' (বৃহস্পতিবার)।

৭.শুক্রবার(Friday): দেবতা ‘উডেন’ এর স্ত্রী ‘ফ্লিগ’ ছিলেন ভালোবাসা ও বিয়ের দেবী। তার প্রতি উৎসর্গকৃত দিনের নাম করা হয় ‘ফ্লিগ ডেইজ’ যা বর্তমানে ‘Friday’(শুক্রবার)।

পৃথিবী থেকে বছরে ১,৫০০ মানুষ অপহরণ করে এলিয়েনরা!

বৃটেনের সবচেয়ে আজব এক সংগঠন অ্যানোম্যালাস মাইন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাবডাক্টি কনট্যাক্টি হেল্পলাইন (অ্যামাচ)। ২০১১ সালে সহযোগিতা দানকারী এ সংগঠনটি গড়ে ওঠে। অ্যামাচের দাবি, পৃথিবী থেকে প্রতি বছর ১,৫০০ মানুষ অপহরণ করে ভিনগ্রহী এলিয়েনরা। পৃথিবী-বহির্ভূত অর্থাত্ মহাকাশের সঙ্গে কোন ব্যক্তির যোগাযোগ হলে, তাকে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করাই তাদের কাজ। অবশ্যই সেই ব্যক্তিটি যদি সত্যিই মনে করেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে তার সঙ্গে দূরগ্রহের কোন এলিয়েন যোগাযোগের চষ্টো করছে বা যোগাযোগ হয়েছে। আরও মজার ব্যাপার হলো, অ্যামাচের কাছে সপ্তাহে গড়ে ৫টি ফোন-কল ও ২৫টি ইমেইল আসে। তাদের মধ্যে এক নারী রয়েছেন যার ধারণা তার ওপর গোপন নজরদারি করছে এলিয়েনরা। এক পুরুষ যিনি বছরে বেশ কয়েকবার তার এলিয়েন স্ত্রী ও সন্তানের কাছে যান। আরেক নারীর দাবি এলিয়েনরা তাকে ১,০০০ বারেরও বেশি অপহরণ করেছে। তাদের দাবি, এভাবে বছরে অপহরণ করা হয় দেড় হাজার মানুষকে। মজার এ খবরটি দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই। অ্যামাচের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জোয়ান সামারস্কেলস ও মাইলস জনস্টন অপহরণের শিকার এ মানুষগুলোকে নৈতিক ও আবেগীয় সমর্থন দেয়াকে তাদের দায়িত্ব মনে করেন। তারা বিভিন্ন সভা, ওয়ার্কশপ ও সম্মেলনের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করছেন। এলিয়েনের সঙ্গে দেখা হওয়া মানুষদের একই ছাদের নিচে সমবেত করা ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করা, তাদের ঘটনার ভিডিও প্রমাণ যোগাড় করা ও তা অনলাইনে পোস্ট করা। এবং অন্যদেরকেও তাদের কার্যক্রমে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করা থাকে সংগঠনটির উদ্দেশ্য।

দেশী গার্ল,হট গার্ল আর যে গার্ল হোক না কেন এদের সাড়ি পরা কিছু ফটো দেখুন।

দেশী গার্ল,হট গার্ল আর যে গার্ল হোক না কেন সাড়িতে মেয়েদের বেশি সুন্দর দেখাই । 










আরও দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 



ফ্রীতে নিয়ে নিন এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য রিংটোন মেকার

আসস্লামু আলাইকুম সবাইকে জানাই ঈদের শুবেচ্ছা । আজ আপ নাদের কে এক টা এন্ড্রয়েড
ফোন এর জন্য রিংটোন মাকার দিতে জাচ্ছি এই টা বাভহার করে সবার আন্নধ হবে জা আপনার পিসি পারে সেটা আপ্নি ফোন দিইয়ে করতে পারভেন । আর এই আপ্পস টা সহজেই বেভহার করতে পারবেন চলুন দেখি তাহলে ।

http://play.google.com/store/apps/details?id=com.herman.ringtone

Details of Ringtone Maker 0.5.2:

Updated: July 8, 2013
Size: Varies with device
Installs: 10,000,000 – 50,000,000
Current Version: Varies with device
Requires Android: Varies with device
Content Rating: Low Maturity

Record a new audio clip to edit.
Delete audio (with confirmation alert).
Assign a Ringtone directly to a contact, you can also re-assign or delete the<!–more– Ringtone from contact.
Sort by Tracks, Albums, Artists.
Manage contact Ringtone.
File formats
Supported file formats right now include:
MP3
AAC/MP4 (including unprotected iTunes music)
WAV
3GPP/AMR (this is the format used when you record sounds directly on the handset)

এই খানে ডাউনলুড

বিমানের রং কেন সাদা হয়!! মজার একটি তথ্য জেনেন নিন

বিমান, রকেট বা হেলিকপ্টার সহ প্রায় সকল আকাশ যান যখন আকাশে থাকে তখন সূর্যের আলো এদের উপর পড়ে। তার ফলে এগুকো গরম হয়ে যাওয়ার কথা। আমরা সূর্যের আলোর নিছে ৫ মিনিট থাকতে পারবোনা  এবং লোহা বা এ জাতীয় কিছু সূর্যের নিছে কিছুক্ষন রেখে দিলে তা এত গরম হয়ে যায় যে হাত দিয়ে ধরা যায় না। তাহলে তো বিমান বা আকাশ যান গুলো এত গরম হতো যে এত ভিতরে থাকা যেত না। কারন বিমানের বডি এলুমিনিয়াম ধারা তৈরি। লোহা থেকে এলুমিনিয়াম আরো তাড়াতাড়ি গরম হয়। তাহলে বিমানে করে দিনের বেলায় কিভাবে ভ্রমন করে?


আমরা সবাই জানি যে অন্যান্য রং এর তুলনায় সাদা রং তাপ কম শোষন করে এবং আলো বেশি প্রতিফলন করতে পারে।ফলে যখন সাদা রং এর বিমানের উপর সূর্যের আলো পড়ে তখন তার অধিকাংশই প্রতিফলিত হয়ে যায়।তাই বিমান, রকেট, হেলিকপ্টার সহ প্রায় সকল আকাশ যানের রং সাদারনত সাদা হয়। আর বিমানের বডির ভিতরের দিকে তাপ অপরিবাহি পদার্থ থাকে তাই যেটুকু তাপ শোষন করে তা বিমানের ভিতরে প্রবেশ করতে পারে না। তাই বিমানের যাত্রিরা আরামেই ভ্রমন করে।

পৃথিবীর বৃহত্তম গরু এক নজরে দেখুন


██▓▓▒▒░░░ পৃথিবীর বৃহত্তম গরু ░░░▒▒▓▓▓██

এটি বিশ্বের বৃহত্তম 6ft গরু যে একটি ছোট হাতির থেকে সাইজে বড়। গরুটির নাম “ Big Cow Chilli” এবং তাঁকে বলা হয় “Gentle Giant”. গরুটির মালিকরা ” The Guinness Book of Records” টিম এর সাথে যোগাযোগ করছেন তাদের গরুটির নাম গিনেস বুক এ নিবন্ধন করার জন্য। কালো এবং সাদা Friesian বলদ গুলোর ওজন প্রায় এক টন এবং একটি ছোট হাতির সমান উচ্চতা (5ft) , কিন্তু গরুর জাত হিসেবে ভিন্ন হতে পারে।

► এই গরুটির উচ্চতা ৬.৬ ফুট এবং ওজন ১ টন এর থেকে বেশি।
► এটি সমগ্র ব্রিটেনের ভিতর উচ্চতম গরু।
► Chilli বাস করে Ferne Animal Sanctuary,Chard, Somerset এ।
► চিলির একটি জমজ বোন ও আছে , নাম Jubilee।

► চিলির রক্ষক মিস ক্লার্ক জানান, ” নয় বছর আগে একদল কৃষক তাদেরকে জানান তারা কোন এক কারণে চিলিকে রাখতে চান না। তখন তারা চিলি ওর তার জমজ বোন Jubilee কে Ferne Animal Sanctuary তে দিয়ে যান। ”
তাঁকে যখন এখনে দিয়ে যাওয়া হয় তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৬দিন এবং তাঁকে দেখে বোঝা যায়নি সে এতটা বড় আকারের হবে। সময় বাড়ার সাথে সাথে তার পরিবর্তন দেখা দিলো।

► সে তেমন বেশি একটা খাওয়া দাওয়াও করে না, কিন্তু তার উচ্চতা ও ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওর মাথা ও শরীর এর অনুপাত ও সেইম।
► সে খুবি বন্ধুসুলভ ও আমরা আশা করি সে রেকর্ডটি করতে পারবে।
► ” The Guinness Book of Records” একজন প্রতিনিধি জানান : “আমি চিলির একটি আবেদন কিছুদিন পূর্বেই গ্রহন করেছি এবং খোঁজ নিচ্ছি।”

✦ এর ছয় মাস আগে অন্য বলদ রেকর্ড ভঙ্গ করার জন্য টেক্কা দিয়েছিল যার নাম The Colonel, উচ্চতা ছিল ৬.৫ ফুট ও ওজন 3,500 lb। কিন্তু এই গরুটি 2005 সালে মারা যায়।
✦ ইটালিতে এমন আর একটি গরু আছে যার উচ্চতা ৬.৮ ফুট।

আশা করি আগামীতেও এমন রেকর্ড করা প্রাণী বা অন্য টপিকের উপরে লিখবো, যেগুলো অনেকের কাছেই অজানা।

মানুষের মতো নাম ধরে ডাকে ডলফিনও

স্কটল্যান্ডের পূর্ব উপকূলের প্রায় ২০০টি ডলফিনের উপর গবেষণা করেছেন স্কটল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সি ম্যামাল রিসার্চ ইউনিট’-এর স্টেফানি কিং গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশ্বের বিরলতম প্রাণী বাংলাদেশের শুশুক খুবই বিরল ডলফিন সাধারণত লবণ পানিতে বাস করে৷ শুধুমাত্র বাংলাদেশের শুশুক আর আমাজনের ‘বোতো’ এই দুই প্রজাতির ডলফিন সারা বছরই স্বাদু পানিতে থাকে৷ সেদিক দিয়ে শুশুক বিশ্বে খুবই বিরল একটা প্রাণী৷ তাঁরা বলছেন ‘বটলনোজ’ ডলফিনরা একে অপরকে নাম ধরে ডাকে৷ যেমন মা ডলফিন তার সন্তানকে বা এক বন্ধু তার আরেক বন্ধু ডলফিনকে নাম ধরে ডাকে৷
কিং বলছেন, তাঁরা জরিপে অংশ নেয়া ডলফিনগুলোর ভয়েস রেকর্ড করে পরবর্তীতে সেগুলো ‘প্লে’ করেন৷ তখন তাঁরা দেখতে পান যে ডলফিনরা যখনই নিজের নাম শুনছে, তখনই উত্তর দিচ্ছে৷ এমনকি একবার নয় কয়েকবার করে তারা প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে বা নড়াচড়া করে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে তারা এই শব্দের সঙ্গে পরিচিত৷ ‘‘এটা দারুণ একটা অভিজ্ঞতা, কেননা প্রতিক্রিয়াগুলো বেশ শক্তিশালী ছিল,” বলেন তিনি৷
মার্কিন জার্নাল ‘প্রোসিডিংস অফ দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স’-এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে৷এর আগের গবেষণাগুলোতে এটা জানা গিয়েছিল যে ডলফিন নিজেই নিজের নাম তৈরি করে এবং সমুদ্রে সাঁতার কাটার সময় সেটা প্রচার করতে থাকে৷

প্রধানমন্ত্রীর রান্না বিশ্ব মিডিয়ায়

প্রধানমন্ত্রীর রান্না বিশ্ব মিডিয়ায়
ডেস্ক : ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ হাতে রান্নার ছবি শনিবার আলোড়ন তুলে সব ফেসবুক-টুইটার থেকে শুরু করে গণমাধ্যমে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি, যিনি কিনা রাজনীতির মাঠে তুখোড় খেলোয়াড় হিসেবেই পরিচিত, তাকে রান্নাঘরে পেয়ে খবর প্রকাশ করতে ছাড়েনি কয়েকটি বিদেশি গণমাধ্যমও। বিশেষ করে ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি পত্রিকা মাতৃরূপী প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবাদসহ প্রকাশ করেছে।

ভারতের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ‘বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পোলাও
রান্নার দৃশ্য মিডিয়ায় হিট’ শিরোনামের সংবাদে বলে, মমতাময়ী মা! বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ছবি যাতে তাকে ছেলের জন্মদিন উদযাপনে পোলাও রাঁধতে দেখা যাচ্ছে। প্রবাসী ৪২ বছর বয়সী সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুক পেজে ‘বিশেষ আয়োজন’ নামে ছবিটি পোস্ট করেন।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা তার আপনজনদের কাছে ভালো রাঁধুনি হিসেবেই পরিচিত। দুই দশক আগে উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চাপাতি রুটি তৈরির কাজে তিনি স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। সে সময় হাসিনা নিজে হাতে বেলনের সাহায্যে ময়দা থেকে সঠিক আকৃতির রুটি তৈরির প্রক্রিয়া শিখিয়েছিলেন কমবয়সী স্বেচ্ছাসেবীদের।

দ্য হিন্দু পত্রিকা ছবিটির সঙ্গে সংবাদে মায়ের রান্না নিয়ে জয়ের প্রশংসার কথা উল্লেখ করে জানায়, জয় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী একজন আইটি বিশেষজ্ঞ।

ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস (আইএএনএস) তাদের ছবি সংবাদে জানায়, জয়ের ৪২তম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে নিকটাত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন তার মা শেখ হাসিনা, স্ত্রী ক্রিস্টিনা ওভারমায়ার, কন্যা সোফিয়া, বোন সায়মা হোসেন পুতুল এবং পুতুলের চার সন্তান।

কলকাতার জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজার তাদের ‘টুকরো খবর’-এ প্রধানমন্ত্রীর রান্নার ছবি প্রকাশ করে উল্লেখ করে, ‘আমেরিকা থেকে বাড়ি ফিরেছেন ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। শনিবার তার জন্মদিনে নিজেই হেঁসেল সামলান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাঁধেন ছেলের প্রিয় মুরগি-পোলাও। নিজের ফেসবুক পেজে মায়ের এই ছবি প্রকাশ করেছেন জয়। লিখেছেন, ‘মুরগি-পোলাও তো কতই খেয়েছি, তবে মায়ের রান্নার স্বাদই আলাদা।’

মধ্যপ্রাচ্যের পত্রিকা গালফনিউজ ‘ছেলের ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর রান্নার দৃশ্য’ শিরোনামের সংবাদে জানায়, ব্যস্ত শিডিউল থেকে সময় বের করে হাসিনাকে কিচেন অ্যাপ্রোন পরে এক হাতে কাঠের চামচ দিয়ে পাতিলে মুরগি নাড়তে, অন্য হাতে পাতিল ধরে রাখতে দেখা যায়।

আইটেম গানে আঁখি আলমগীর

চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয়ে বাজিমাত করেছিলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর। এবার অনেক বছর পর আবার সিনেমার ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন তিনি। তবে এবার অভিনয় নয় একটি আইটেম গানে পারফর্ম করবেন তিনি। ছবির শিরোনাম ‘মায়ানগর’ এ ছবিতে নিজের গাওয়া একটি আইটেম গানে তাকে নৃত্য পরিবেশন করতে দেখা যাবে। গত বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে এ গানটির দৃশ্যধারণ করা হয়। ‘আমি বাংলার মেয়ে, চাই একটা বাঙালি মন’ কথার গানটি লিখেছেন কবির বকুল এবং সুর-সঙ্গীত করেছেন ইমন সাহা।

প্রসঙ্গে আঁখি আলমগীর বলেন, ‘গল্পের প্রয়োজনেই পর্দায় আমাকে উপস্থিত হতে হয়েছে। গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করতে বেশ ভালোই লেগেছে। এ গানের মাধ্যমে আমি নতুনভাবে দর্শক-শ্রোতাদের সামনে হাজির হতে যাচ্ছি। আশা করছি, আমার ভক্তদের ভালো লাগবে। ‘

এদিকে চ্যানেল নাইনের সঙ্গীত প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ‘পাওয়ার ভয়েজ-২০১২’ শেষ করে এখন আঁখি ব্যস্ত তার ৮তম একক অ্যালবামের কাজ নিয়ে। আখির মতে, ‘আমার প্রতিটি অ্যালবামেই শ্রোতাদের ভিন্ন স্বাদ দিতে চেষ্টা করেছি। এবারের অ্যালবামটিও তার ব্যত্যয় ঘটবে না। খুব মনোযোগ দিয়েই অ্যালবামের গানগুলো নির্বাচন করেছি। কিছুদিনের মধ্যেই গানগুলো রেকর্ডিংয়ের কাজ শুরু করব।’

এছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন স্টেজ শো ও চলচ্চিত্রের গান নিয়ে ব্যস্ত আছেন আঁখি আলমগীর। ‘মায়ানগর’ ছাড়াও ‘হেডমাস্টার’, ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ ও ‘শুধু তুমি’ ছবিতেও প্লে-ব্যাক করেছেন তিনি।

যৌন অপরাধ করে মেয়েলি স্বভাবের পুরুষ ৭০ শতাংশই

কাওসার রহমান ॥ সচেতনতার অভাবে সেক্স মাইনরিটিরা এইচআইভিসহ নানান যৌন রোগে আক্রানত্ম হচ্ছে। যৌন মিলনে কোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা ব্যবহার না করার কারণে সেক্স মাইনরিটিদের (যৌন সংখ্যালঘু) প্রায় ৭০ শতাংশই কোন না কোন যৌন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। ফলে এটা যে শুধু তাদের জীবনকেই বিপন্ন করে তুলছে তা নয়, দেশে এইডসের ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে।

পৃথিবীর অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও পুরুষে পুরুষে যৌন কর্মের বিষয়টি দৃশ্যমান নয়। সরকারীভাবেও এটাকে অস্বীকার করা হয় না। বাংলাদেশ পেনাল কোডের ৩৭৭ নং ধারা অনুযায়ী এটাকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ কারণে দেশে যৌন সংখ্যালঘু তথা সেঙ্ মাইনরিটিরা যৌনকর্মের সময় কোন প্রকার প্রতিরোধক ব্যবহার করে না। আবার পারিবারিক চাপে ও সমাজিক কারণে এই সম্প্রদায়ের মানুষরা বিয়ে করে সংসারও করে। ফলে তাদের যৌন রোগ তাদের স্ত্রীদের মধ্যেও সংক্রমিত হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিভিন্ন দেশে সমকামীদের মধ্যে পাঁচ থেকে দশ শতাংশ এইডস রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে সমকামীদের বেশির ভাগই এইডস রোগে আক্রানত্ম হয়েছে। বাংলাদেশে এ ধরনের কোন পরিসংখ্যান না থাকলেও যৌন সংখ্যালঘুদের অনেকেই যে এইডস রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে তা স্বীকার করেছেন বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কর্মকর্তারা। এই সংগঠন গত ১৪ বছর ধরে বাংলাদেশে সেঙ্ মাইনরিটিদের স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের ব্যাপারে কাজ করছে। তারা বলছে, বাংলাদেশে যারা পুরুষের সঙ্গে সেক্স করছে তাদের অনেকেই এইডস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এই সংগঠনেরই এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, দেশের সেক্স মাইনরিটিদের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই এইডসসহ নানা যৌন রোগে আক্রানত্ম হচ্ছে। এই রোগাক্রানত্মরা যাতে সুস্থ থাকে এবং একজনের কাছ থেকে অন্যজনের কাছে যাতে রোগ না ছড়ায় সে ব্যাপারে বন্ধু উন্নয়ন সংস্থা কাজ করছে। যারা এইচআইভিতে আক্রানত্ম হয়েছে তারা কিভাবে চলবে, কিভাবে জীবনযাপন করবে সে ব্যাপারে নিয়মিত কাউন্সিলিং দেয়া হয়। যাতে একজন রোগাক্রানত্মের কাছ থেকে অন্য জনের কাছে তা না ছড়ায়। এ প্রসঙ্গে বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সালেহ আহমেদ বলেন, বর্তমানে আমরা এই জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছি। আমাদের ফিল্ড অফিসগুলোতে ক্লিনিক্যাল সেটআপ আছে। ওখানে নিয়মিত ডাক্তার বসেন। তারা এই ফিল্ড অফিসগুলোতে এসে তাদের স্বাস্থ্য পরীৰা করে যান।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পাশাপাশি তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির ব্যাপারেও কাজ চলছে। বিশেষ করে এইচআইভি সম্পর্কে তাদের ধারণা দেয়া হচ্ছে। যাতে তারা নিজেরাই এইডস প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।’

সালেহ আহমেদ বলেন, একজন মানুষের আচরণ যেমন হোক না কেন, তাদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার আছে। কিন্তু প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থায় তারা কোন ধরনের স্বাস্থ্য সেবা পায় না। অনেকে যৌন রোগে আক্রানত্ম হলেও ভয়ে ডাক্তারের কাছে যায় না। আবার যারা ডাক্তারের কাছে যায়, সেঙ্ মাইনরিটি শুনলে তাদের চিকিৎসা না করে তাড়িয়ে দেয়া হয়। ফলে এ সম্প্রদায়ের মানুষরা স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে সমাজে ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এ কারণেই আমরা তাদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পাশাপাশি তাদের কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করছি।
সেঙ্ মাইনরিটিরা মানুষ হলেও তারা সমাজে সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত। বিদেশে আইন প্রণয়ন করে তাদের অধিকার প্রদান করা হলেও বাংলাদেশে পেনাল কোডের ৩৭৭ ধারা তাদের অধিকারের বিরম্নদ্ধে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতে সম্প্রতি এই আইনটি বাতিল করা হলেও বাংলাদেশে এই আইনের বলে যৌন সংখ্যালঘুরা নানামুখী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন মানবাধিকার গ্রম্নপের পৰ থেকে এই আইনটি বাতিলের দাবি উঠেছে।

জানা যায়, ব্রিটিশ শাসনামলে সপ্তদশ খ্রীস্টাব্দে পেনাল কোডে ৩৭৭ ধারা অনত্মর্ভুক্ত করা হয়। ওই ধারায় প্রকৃতির বিরম্নদ্ধে কোন যৌনকর্মকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকার বহু আগেই এই ধারাটি তুলে দিয়েছে। কিন্তু পাকিসত্মান শাসনামল পেরিয়ে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের বয়স ৪০ বছর অতিক্রানত্ম হতে চলেছে, কিন্তু এ ধারাটি বাতিল করা হয়নি। অথচ বাংলাদেশের সংবিধানে বলা হয়েছে, ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, লিঙ্গ বা জন্মস্থান ভেদে রাষ্ট্র কোন নাগরিকের বিরম্নদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণ করতে পারবে না। কিন্তু এই আইনের কারণে যৌন সংখ্যালঘুরা দেশে প্রতি পদে পদে বঞ্চিত ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। কোন ছেলেমেয়ে হিসেবে আচরণ করে বা তার মধ্যে মেয়েলি স্বভাব জন্ম নিলে সে প্রতি পদে পদে তার নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই বঞ্চনা শুরম্ন হচ্ছে পরিবার থেকে। পরবর্তীতে সমাজ থেকে নানা বঞ্চনার শিকার হয়। আবার পেনাল কোডের ৩৭৭ ধারার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নির্যাতিত ও নিগৃহীত হতে হয়। এ প্রসঙ্গে রম্নবেল (ছদ্মনাম) নামে এক যৌন সংখ্যালঘু জানায়, মেয়েলি আচরণের কারণে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে জেলে পাঠিয়ে দেয়। অথচ জেলখানাতে অন্য পুরম্নষরা তার সঙ্গে সেঙ্ করেছে। সে বলে, ‘আমাদের দেশে সবখানেই সমকামী আছে। কিন্তু মুসলিম দেশ বলে তা প্রকাশ পায় না। অন্য দেশে তা প্রচার হচ্ছে। ফলে সমকামীরা সমাজে তাদের অধিকার নিয়ে জীবন যাপন করছে। আমরাও আমাদের অধিকার চাই।’

জন্মের পর মেয়েলি আচরণ বিকাশ লাভ করার সঙ্গে সঙ্গে সেঙ্ মাইনরিটিরা সমাজের সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে থাকে। সে তার শিৰা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পারিবারিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কোন পরিবারে পাঁচটি সনত্মান থাকলে একটি সনত্মান যদি মেয়েলি আচরণ করে তবে তাকে তার পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়। ফলে শিৰার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে সে অন্ধকার পথে পা বাড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, সাধারণ পুরম্নষ বা নারীর চেয়ে একজন সেঙ্ মাইনরিটি বেশি মেধাবী হয়। কিন্তু পড়াশোনা করতে পারে না বলে, সুযোগ পায় না বলে সে তার মেধা কাজে লাগাতে পারে না। ফলে দেশও তার মেধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সালেহ আহমেদ বলেন, আমরা ১৯৯৬ সাল থেকে সেঙ্ মাইনরিটিদের নিয়ে কাজ করছি। গত ১৫ বছরে আমাদের দেশে অনেক পরিবর্তন এসেছে। প্রথমদিকে আমরা নিজেদের মধ্যে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতাম। এখন সামাজকর্মী, আইনজীবী, আইনশৃঙ্খলা রৰাকারী সংস্থার সদস্য, সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। আমরা এদের অধিকারের বিষয়ে সংসদ সদস্যদেরও অনত্মর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা গত ১৫ বছরে যে অগ্রগতি অর্জন করেছি তা ধরে রেখে সামনের দিকে নিয়ে যেতে চাই।

তিনি বলেন, ভারতের আইন পরিবর্তন হলেও, আমরা এখনই আইন পরিবর্তন চাচ্ছি না। সময় হলে সমাজ থেকেই আইন পরিবর্তনের দাবি উঠবে। সরকারও আইন পরিবর্তন করবে।

সালেহ আহমেদ বলেন, ‘আমরা এখন কৌশল বের করার চেষ্টা করছি কিভাবে উপস্থাপন করলে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। এজন্য আমরা শিৰক, আইনজীবী, নাগরিক ফোরাম, মানবাধিকার কর্মীদের কাছে তাদের বিষয়টি তুলে ধরছি। এর মাধ্যমে দেশের সুশীল সমাজের মধ্যে এই জনগোষ্ঠীর ব্যাপারে একটি ইতিবাচক বার্তা পেঁৗছে দিতে চাই।
তিনি বলেন, ভারত, পাকিসত্মান ও নেপালে যেভাবে নারী পুরম্নষের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে সেঙ্ মাইনরিটিদের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে, বাংলাদেশেও সেভাবে স্বীকৃতি দেয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী সেক্স মাইনরিটিদের প্রতি কোন ধরনের বৈষম্য করা যাবে না। কিন্তু দেশীয় আইনে তাদের সুরৰার কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। জনস্বার্থ মামলার মাধ্যমে এ ব্যাপারে হাইকোর্ট থেকে একটি গাইডলাইন পাওয়া গেলে তা এই জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে উলেস্নখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

অনৈতিক কাজ রমজানেও থেমে নেই: কলেজ ছাত্রীসহ আটক-৩

জেলা প্রতিনিধি কক্স্রবাজার : কক্সবাজার শহরের বাজার ঘাটায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সী হার্ট আবাসিক হোটেল থেকে পতিতাসহ ৩জনকে আটক করেছে। গত ২৫ জুলাই বেলা ২টার দিকে শহর পুলিশ ফাঁড়ি ইনর্চাজ গাজী আবুল কালামের নের্তৃত্বে এক দল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে,টেকনাফস্থ হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার আহমদ হোসেনের ছেলে জামিল (২০),একই এলাকার আবু আহমদের ছেলে নুর হাকিম (২০)সহ রামুর দনি মিঠাছড়ির জনৈক (নাম গোপন) এলাকার মেয়ে কলেজ ছাত্রী নাছিমা আক্তার (১৯) অনৈতিক কাজ করতে ওই হোটেলে যায়। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হোটেলে অভিযান চালালে হাতে নাতে তাদের অনৈতিক কর্মকান্ড অবস্থায় আটক করে। এব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতার জানিয়েছেন, পবিত্র রমজান মাসে এ ধরনের অনৈতিক কোন কর্মকান্ড করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। এদিকে শহর ফাড়িঁর ইনর্চাজ গাজী আবুল কালাম বলেন, বেলা ২টার দিকে কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীসহ ৩জনকে শহরের সী হার্ট আবাসিক হোটেল থেকে অনৈতিক কাজের অপরাধে আটক করা হয়। তবে পত্রিকার খবরের জন্য টিএসআই’র কাছ থেকে তথ্য চাওয়া হলে তিনি বিস্তারিত জানেন না বলে জানান। এদিকে গভীর রাত পর্যন্ত একটি প্রভাবশালী মহল মোটা অংকের বিনিময়ে তাদের ছাড়িয়ে নিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল বলে জানা গেছে।

বিয়ের আগেই মেয়ে থেকে ছেলে!

বিয়ের জন্য দেখে গেছে ছেলেপক্ষ। তাদের পছন্দও হয়েছে। এবার পরিবার থেকে ছেলে দেখার কথা। কিন্তু তার আগে নিজেই ছেলে হয়ে গেলেন বগুড়ার মিনু খাতুন (১৮)।
বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের গাংনগর পোড়ানগরী গ্রামে গত বৃহস্পতিবার এ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে।
মিনুর মেয়ে থেকে ছেলেতে পরিণত হওয়ার খবর শুনে তাকে একনজর দেখার জন্য এখন মানুষের ঢল নেমেছে তার বাড়িতে।
জানা গেছে, দেউলী ইউনিয়নের গাংনগর পোড়ানগরী গ্রামের কৃষক আব্দুল কাফী ও মনোয়ারা বেগমের পাঁচ মেয়ে ও এক ছেলে। এর মধ্যে মিনু খাতুন পঞ্চম।
প্রতিদিনের মতো গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘুমাতে যান মিনু। মধ্যরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে তিনি বুঝতে পারেন তার শারীরিক পরিবর্তন ঘটেছে। তারপর রাতে আর ঘুমাতে পারেননি তিনি।
পরদিন সকালে ঢাকায় থাকা তার বোন তাপসীকে মোবাইল ফোনে মিনু তার এ পরিবর্তনের কথা জানান। তাপসী সে কথা তার বাবা-মাকে জানান এবং বাড়িতে চলে আসেন। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে মৌলভী ডেকে শনিবার মিনুর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আব্দুল মাজেদ।
আব্দুল মাজেদের (মিনু) ভগ্নিপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, সে মাধ্যমিক পাশ করে কলেজে ভর্তি হয়েছিল। কিন্তু অর্থাভাবে পড়ালেখা করতে পারেনি। তারপর থেকে বাড়ির কাজে মাকে সহযোগিতা করতো।
কিছুদিন আগে পরিবার থেকে মিনুকে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেজন্য গত বুধবার পাশের গ্রাম সৈয়দপুর থেকে ছেলেপক্ষ এসে তাকে দেখে যায় এবং পছন্দ করে। কিছুদিন পরেই মিনুর পরিবারের পক্ষ থেকে ছেলে দেখতে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু তার আগেই ঘটে এ ঘটনা।
মিনুর দীর্ঘদিনের বান্ধবী বৃষ্টি জানায়, স্থানীয় একটি বালিকা বিদ্যালয়ে তারা একসঙ্গে লেখাপড়া করেছে। কখনও তার আচার-আচারণে পুরুষালি ভাব দেখা যায়নি।
এদিকে মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তর হওয়া মিনু ওরফে আব্দুল মাজেদের এখন ইচ্ছা কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে অভাবের সংসারে হাল ধরবেন। বিয়ে করে সুখী একটি সংসার করার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেন তিনি।
মিনু ওরফে আব্দুল মাজেদের বাবা আব্দুল কাফী বলেন, ‘আল্লাহর কৃপায় আমার এখন চার মেয়ে ও দুই ছেলে। আল্লাহ যা ভালো মনে করেছেন সেটা আমার জন্যও ভালো।
উল্লেখ্য, গত মাসে বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বনতেতুলিয়া মণ্ডলপাড়ায় একইভাবে আক্কাস আলীর ছেলে লালচাঁন মিয়া (১৮) ছেলে থেকে মেয়েতে রূপান্তরিত হন। এরপর তার নাম রাখা হয় লালবিবি ।

শরীরী সৌন্দর্য ভিন্ন মাত্রার

শুধু পোশাকে নয়, পোশাকের আড়ালে আবজালে দেহের সৌন্দর্য বাড়তে নারীদের চেষ্টার অন্ত নেই। পুরুষদের আকর্ষণ বাড়তে নানা কায়দায় শরীর প্রদর্শন করে ভিন্ন মাত্রার সৌন্দর্য প্রকাশে আগ্রহী মেয়েরা। এর মধ্যে ট্যাটু বা উল্কির চাহিদা দীর্ঘকালের।

তবে বর্তমান সময়ে এর চাহিদা আরো চেড়েছে। জীবন যাত্রায় বৈচিত্র আনতেই এর প্রচলন বেড়েছে। হলিউড-বলিউড কিংবা রেসলিং তারকাদের ক্ষেত্রে এর প্রচলনটা একটু বেশি। আজকাল আমাদের দেশের মডেলরাও তাদের ফ্যাশনের আনুষঙ্গিক হিসেবে ট্যাটু ব্যবহার করছেন।

ছাত্র-ছাত্রী, গায়ক-গায়িকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের দেহও উল্কির নানা রঙে রঙিন হয়েছে৷ জার্মানিতে চালিত একটি জরিপে জানানো হয়েছে, ৩৫ বছরের নীচে যাদের বয়স তাদের পাঁচজনের মধ্যে একজনের গায়ে উল্কি আঁকা রয়েছে৷

সাধারণত দুটি উপায়ে ট্যাটুর ব্যবহার করা হয়। একটি হচ্ছে স্টিকার আর অন্যটি খোদাই করা। যেটিকে উল্কি বলা চলে।

তবে আমাদের দেশে খোদাই করা অপেক্ষা স্টিকার ট্যাটুর প্রচলনটাই বেশি। রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমলে বিভিন্ন রং ও ঢংয়ের এ স্টিকার কিনতে পাওয়া যায়।

বিশেষ করে বসুন্ধরা শপিংমল, খিলখেত ও নিউমার্কেটে এলাকার দোকানগুলোতে স্টিকার ট্যাটু কিনতে পাওয়া যায়। দাম পড়বে সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা থেকে ১০০০ টাকার ওপরে।

স্টিকার ট্যাটু ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করা যায়। এ কারণে আমাদের দেশের তরুণ-তরুণীদের কাছে এর চাহিদাটা বেশি। তারা বিভিন্ন পোশাকের সঙ্গে বিভিন্ন রংয়ের স্টিকার লাগাতে পারেন।

অন্যদিকে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। কিন্তু খোদাই করা ট্যাটুর ক্ষেত্রে বেশ ঝামেলাও পোহাতে হয়। তাছাড়া খরচও বেশি। চাইলেই পরিবর্তন করা যায় না। যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন এ ট্যাটু তার গায়ে থাকবে।

এ উল্কি আঁকা যন্ত্রটি দেখতে ডেনটিস্টের ড্রিল মেশিনের মতো। বিদ্যুৎচালিত এ যন্ত্রের মাথায় সুক্ষ্ম সুঁই লাগানো থাকে। দেহের ভেতর যতবার সুঁই ফুটবে ততবার রং চামড়ার ভেতরে গিয়ে জমা হবে। পরে এ রংটি শুকিয়ে ট্যাটুর আকার ধারণ করবে।

প্রায় ক্ষেত্রেই এ রং মানুষের শরীরে ব্যবহারের জন্য ক্ষতিকর। কারণ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণে এটি তৈরি করা হয়। যেটি প্লাস্টিক বা কঠিন পদার্থের ওপর প্রয়োগ করা হয়।

তাই ফ্যাশন সচেতন ব্যক্তিদের এটি ব্যবহারের আগে এর ক্ষতিকারক দিকগুলোর উপরও সচেতনতা থাকতে হবে।

বিয়ে করতে যাচ্ছেন বিপাশা বসু।

বিপাশা বসুর প্রেম নয়, সরাসরি বিয়ের আলোচনাই এখন চলছে বলিউডে। ‘হোয়াটস ইউর রাশি’খ্যাত অভিনেতা হারমান বেওয়াজকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন বিপাশা বসু। গত কয়েকমাস ধরেই গভীর প্রেমে মগ্ন তারা। টানা এক মাস বিপাশা বসু হারমান বেওয়াজের সঙ্গে ব্যক্তিগত ট্যুরে গোয়াতে ঘুরেও বেড়িয়েছেন। এবার তারা বিয়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন। খুব শীঘ্রই তারা বিয়ের কাজটি সারবেন, এমন প্রস্তুতিই চলছে পারিবারেকভাবে। কিন্তু প্রেম কিংবা বিয়ে, কোনো বিষয়েই মুখ খুলতে নারাজ এই দুজন।

উল্লেখ্য, বিপাশা বসু দীর্ঘদিন জন আব্রাহামের সঙ্গে সংসারের পর ২০১১ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। তারপর থেকে বিপাশা বসুকে নিয়ে নানা জনের সঙ্গে গুঞ্জন উঠলেও নিদিষ্ট কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। তবে এবারের হারমান বাওয়াজ ও বিপাশার বিষয়টি তাদের বন্ধুমহলেও বেশ আলোচিত।

ফেসবুকেও জুয়া চলছে

এই প্রথম কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাত্যিকারের টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলার App অবমুক্ত করা হচ্চে। আর এ মাধ্যমটি হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। লন্ডনভিত্তিক অনলাইন জুয়া খেলা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান গেমসিস ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ‘দ্যা বিংগো ফ্রেন্ডজি’ নামের এ App নিয়ে এসেছে।

ফেসবুক সূত্র জানিয়েছে, এ মূহূর্তে শুধু যুক্তরাজ্যের ব্যবহারকারীদের জন্য App টি উন্মুক্ত থাকবে। তাই তারা ছাড়া আর কউ এটি উপভোগ করতে পারব না্। এদিকে ফেসবুকের সবচেয়ে বড় গেমিং পার্টনার জানিয়েছে, তারাও আগামী বছর টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলার একটি গেম নিয়ে আসর পরিকল্পনা করছে।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র জানিয়েছে, ‘দ্যা বিংগো ফ্রেন্ডজি’ কোন যৌথ অংশীদারিত্বে নয় বরং পুরো গেমটি গেমসিস একাই তৈরি করেছে। আর টাকা দিয়ে জুয়া খেলা যুক্তরাজ্যে বেশ জনপ্রিয় এবং এর কার্যক্রমও অনেক সুনিয়ন্ত্রিত। তাই আমরা একজন অংশীদারকে ফেসবুকের জন্য প্রাপ্ত বয়স্কদের উপযোগী নিরাপদ এবং সুনিয়ন্ত্রিত একটি গেম বানানোর অনুমতি দিয়েছি। খেলাতে ১৮ বছরের বেশী নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এজ-গেটিং প্রযুক্তি ব্যবহারের চিন্তা-ভাবনা করছে।

এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন কোন ব্যক্তি যাতে App-এ প্রবেশ করতে না পারে এমন ব্যবস্থা রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ফেসবুক।

৫০০ বছর আগের অক্ষত কিশোরী!

ছবি দেখে মনে হতে পারে চিকিৎসক হয়তো একজন বালিকাকে সেবা দিচ্ছেন। কিন্তু এমন ধারণা ভুল। বরং এই বালিকা সাধারণ কোনো জীবিত বালিকাও নয়। ৫০০ বছর আগে মারা যাওয়া পেরুর বিস্ময়কর ইনকা সম্প্রদায়ের ১৫ বছর বয়সী বালিকা ‘ল্য দোঞ্চেলা’।

এতোকাল আগের বালিকাকে এ রকম জীবন্ত মনে হওয়া অস্বাভাবিক ব্যাপার বটে, কিন্তু কীভাবে সম্ভব?

ইতিহাস বলছে, শিশু-কিশোরদেরকে সৃষ্টিকর্তাদের উদ্দেশে বলি দেওয়ার রেওয়াজ ছিল ইনকাদের। তারপর মারা যাওয়া শিশুদের স্রষ্টারই সম্মানে মমি করে রাখা হতো।

‘ল্য দোঞ্চেলা’ নামের এই বালিকার মমিটিকে ১৯৯৯ সালে বিস্ময়কর মাচুপিচু নগরীর লুলাইকো আগ্নেয়গিরির ৬,৭৩৯ মিটার (২২,১১০ ফুট) উঁচুতে আবিষ্কার করেন একজন আর্জেন্টাইন-পেরুভিয়ান অভিযাত্রী।

বিজ্ঞানী ও গবেষকরা বলেন, ল্য দোঞ্চেলার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এখনও অক্ষত রয়ে গেছে এবং মনে হচ্ছে সে কেবল কয়েকসপ্তাহ আগে মারা গেছে। তার অক্ষত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যে কোনো ঔষুধ বা নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ‍তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে, চুল পরীক্ষা করেই তার মৃত্যুর সময় নির্ণয় করেন গবেষকরা।

ইতিহাস মতে, সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশে বলি দেওয়া শিশুদের হত্যার আগে সুষম খাবার খাইয়ে মোটা-তাজা করা হতো এবং সমাধিস্থলে পৌঁছানোর আগে শিশুদের ভীতি ও ব্যথা নাশক উন্মাদক পানীয় পান করানো হতো, তারপর তাদের হত্যা করা হতো।

গবেষকরা বলেন, সাম্রাজ্যবাদে বিশ্বাসী ইনকারা সামাজিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ধর্মবিশ্বাসের আড়ালে অপেক্ষাকৃত নিম্নশ্রেণীর সন্তানদের প্রতি এ ধরনের নির্মম আচরণ করতো।

মেয়েরা কখনোই পছন্দ করেন না যেসব পুরুষকে

বিশেষ কিছু আচরণ বা বৈশিষ্ট্যের কারণে কিছু পুরুষকে মেয়েরা কখনোই পছন্দ করেন না। নিজেদের স্মার্ট ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ভাবলেও মেয়েরা কিন্তু তাঁদের এড়িয়ে চলেন। জেনে নিন, এসব বৈশিষ্ট্য আপনার মধ্যে আছে কি না।

—যেসব পুরুষ শিশুসুলভ আচরণ করে। যারা যেকোনো ছোট সমস্যায়ও নিজেরা সমাধান না করে মায়েদের পরামর্শে চলে।
—যারা ধূমপান ও মদ্যপান করেন।
—যাঁরা সবকিছুতেই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন।
—যাঁরা কখনোই অন্যের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারেন না।
—যাঁরা নিজেদের প্রেমিকা নিয়ে গর্ববোধ করেন না।
—যাঁরা প্রেমিকার অবস্থান মূল্যায়ন করতে পারেন না।
—গত্বাঁধা পোশাকেই যাঁরা মেয়েদের দেখতে চান।
—যাঁরা অর্থ ব্যয় করে নিজেদের ক্ষমতা দেখাতে চান এবং অন্যের ওপর প্রভাব খাটাতে চান।
—যাঁরা মেয়েদের সঙ্গে রাজনীতি, ব্যবসা ও খেলাধুলা নিয়ে আলোচনা করেন না। ভাবেন যে মেয়েরা কিছুই জানেন না।
—যাঁরা কখনোই কথা শোনেন না, শুধু বলেই যান।

শারীরিক মিলন কি আপনি কি জানেন? আর এর কত গুন ?

ভালোবাসা প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ দিক শারীরিক মিলন৷ আবার শারীরিক প্রয়োজনীয়তার একপ্রকার বহিঃপ্রকাশ সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি৷ কিন্তু আপনি জানেন কি শারীরিক চাহিদা বা ভালোবাসা প্রকাশের দিক ছাড়াও এর অনেক গুণ আছে যার ফলে আপনার ব্যক্তিজীবন আনন্দে ভরপুর হয়ে উঠতে পারে—

* ভালো ব্যায়াম : শারীরিক মিলনের সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেভাবে সঞ্চালিত হয় তার মাধ্যমে ব্যয়াম কার্য খুব ভালো ভাবে সম্পাদিত হয়৷ এর দ্বারা প্রচুর ক্যালোরি খরচ হয়, ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম হয়, রক্তপ্রবাহ ভালো হয়, শারীরিক মিলন কার্যে আপনি 30 মিনিট লিপ্ত থাকলে আপনার 85 ক্যালোরি খরচ হয়৷ আপনি এক সপ্তাহ নিয়মিত হাঁটা-চলা করলে যে পরিমান ক্যালোরি খরচ হয়, সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে আপনার সেই পরিমান ক্যালোরি খরচ হবে৷ সারা বছর নিয়মিত রূপে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হতে পারলে 75 মাইল জগিং করার সমান ক্যালোরি আপনার শরীর থেকে নির্গত হবে৷

* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাঁড়ায় : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষেত্রে অর্থাত আমাদের ইমিয়্যুন সিস্টেম ঠিক রাখতে সাহায্য করে আমদের শারীরিক মিলন প্রক্রিয়া৷ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে এটি থেরাপির মত কাজ করে, এর মাধ্যমে পাচন কার্য ঠিক হওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়৷

* জীবন কাল বাড়ে : নিয়মিত সেক্স্যুয়াল অ্যাক্টিভিটি আপনার আয়ু বাঁড়ায়৷ এর মাধ্যমে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং সব তন্ত্র খুব ভালো ভাবে কাজ করে৷ কারণ শারীরিক কার্যকলাপ শরীরের বিভিন্ন কোষের মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন অঙ্গগুলিকে সচল রাখতে সাহায্য করে৷ একদিকে যেখানে সেক্স্যুয়াল অ্যক্টিভিটির দ্বারা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে তেমনি কোলেস্টেরলের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ সপ্তাহের তিন বার বা তার থেকে বেশী বার শারীরিক মিলন হার্টঅ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়৷

* ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় : বিভিন্ন অধ্যয়নের দ্বারা জানা গেছে শারীরিক মিলনের ফলে মাথা এবং হাড়ের জয়েণ্টের ব্যাথার ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়৷ ওর্গাজমের আগে অক্সিটোসিন হর্মোনের স্তর সামান্য থেকে পাঁচ গুন বেঁড়ে যাওয়ায় এণ্ড্রোফিন হর্মোন নিংসৃত হতে থাকার ফলে মাথা ব্যাথা, মাইগ্রেন আর আর্থারাইটিসএর ব্যাথা থেকে আরাম পাওয়া যায়৷ তাই ব্যাথা কমানোর ওষুধ না খেয়ে শারীরিক মিলনের আনন্দ উপভোগ করুন আর ব্যাথা থেকে নিষ্কৃতি পান৷

* পিরিয়ডের সময় ব্যাথা কম হয় : যে সব মহিলাদের সেক্স্যুয়াল লাইফ খুব ভালো হয় তাদের পিরিয়ডের ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়৷ সাধারণতঃ পিরিয়ডের সময় মহিলাদের খুব বেশী ব্যাথা হযে থাকে৷ যাদের সেক্স্যুয়াল লাইফে কোন প্রকার অসুবিধা থাকে না তাদের এই সময়ে ব্যাথার অনুভুতি কম হয়৷ আর শরীরিক মিলনের দিক ঠিক থাকলে পিরিয়ডের আগে মহিলাদের মধ্যে অনেক সময় যে সমস্যা দেখা যায় তাও থাকে না৷

* মানসিক অশান্তি থেকে মুক্তি : মানসিক প্রশান্তি আনার দিক থেকে নিয়মিত শারীরিক মিলনের অভ্যাস সবথেকে ভালো৷ কারণ শারীরিক মিলনের ফলে মন উত্ফুল্ল থাকে ফলে মানসিক অশান্তি কম হয়৷

ভালোবাসা বাড়ে : শারীরিক মিলনের আকর্ষনের ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে খুশী সঞ্চারিত হয়৷ মনের উদাসিনতা দূর করতে এই কার্যকারীতা ভীষণ জরূরী৷ মানসিক দিক থেকে বিরক্তির নানা কারণ শারীরিক মিলনের ফলে দূর হয়ে যায়৷ এই সান্নিধ্যের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় এবং দুজনের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ে৷ যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক উন্নতমানের তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন সমস্যায় পড়লে তার সমাধান একসঙ্গে করতে পারেন৷

* কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে : শারীরিক মিলনের সময় হরমোন নিঃসরণ হয় তাই মন শান্ত থাকে আর নিরন্তর কাজের ক্ষমতা বাড়তে থাকে৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তির যৌবন অনেক দিন পর্যন্ত বর্তমান থাকে৷ এর মাধ্যমে ফিটনেস লেবেল বাড়ে৷ শারীরিক মিলনের ফলে ব্যক্তি সারাদিন স্ফুর্তি অনুভব করে৷ সারাদিনের কাজে এই স্ফুর্তির প্রভাব দেখা যায়৷ এর দ্বারা সারাদিনের ক্লান্তি থেকে এবং নানা রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷

* ভালো ঘুম হয় : শারীরিক মিলনের ফলে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ হয়, ফলে মিলনের পরে ঘুমও খুব ভালো হয়৷ তাই যাদের ঘুমের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা আছে তারা অতি অবশ্যই এই পদ্ধতি অবলম্বন করে দেখতে পারেন৷

* আত্মবিশ্বাস বাড়ে : শারীরিক মিনলের ফলে ব্যক্তির মনে স্বকারাত্মক চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ে৷ তার ভেতর কার সন্তুষ্টি তার মানসিক প্রশান্তি তার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের পরিমান বাড়িয়ে তোলে৷

* ওজন কমে : শারীরিক মিলনের ফলে প্রচুর পরিমান ক্যালোরি কম হয় তার ফলে ব্যক্তির ওজন কম হয়৷ নিয়মিত ভাবে শারীরিক মিলনের ফলে পেটের স্থূলতা কম হয়, আর মাংসপেশীতে জড়তা কম দেখা যায়৷

* সৌন্দর্য্য বাড়ে : শারীরিক মিলন কালে হরমোন নিঃসরনের ফলে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যাওয়াতে তার প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে৷ তার ফলে সৌন্দর্য্য বেড়ে ওঠে৷ আপনার সারা শরীরের মাদকতা আপনার মধ্যে গ্লো আনে৷ শারীরিক মিলন কালে মহিলাদের শরীর থেকে এস্ট্রোজেন হরমোন নিংসৃত হতে থাকে, যার দ্বারা তাদের চুল এবং ত্বক আকর্ষনীয় হয়ে ওঠে৷

* ভালো ত্বক : শারীরিক মিলনের সময় সারা শরীরে একপ্রকার ম্যাসাজ চলে তার দ্বারা রিল্যাক্সেশনের ফলে শরীরে কোন প্রকার দাগ থাকে না বা তা ধীরে ধীরে লুপ্ত হতে থাকে৷

* প্রোস্টেটে ক্যান্সার প্রবণতা কম হয় : নিয়মিত শারীরিক মিলনের ফলে প্রোস্টেটে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়৷

* হাপানি বা জ্বর থেকে মুক্তি : শারীরিক মিলনকে ন্যাচারাল অ্যাণ্টি হিস্টামাইন রূপে দেখা হয়৷ এর দ্বারা নাক বন্ধ থাকলে তা খুলে যায়৷ আর যাদের ফুসফুসের সমস্যা বা জ্বর হয় তাদের সমস্যার সমাধানও হয়ে থাকে৷

* কার্ডিওভাস্কুলার এর ক্ষেত্রে উন্নতি : মহিলারা শারীরিক মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠলে তাদের হার্টের গতি বেড়ে যায়, ফলে তাদের কার্ডিওভাস্কুলার এর সমস্যার সমাধান হয়ে থাকে৷

* বিস্বস্ত তা বাড়ে : স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শারীরিক মিলনের বোঝা পড়া ঠিক থাকলে তার একে ওপরকে কখনও ঠকায় না৷ তাদের ঘনিষ্ঠতা তাদের এমন কাজ করতে দেয় না৷

* রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায় : শারীরিক মিলনের সময় ব্যক্তির উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তার সারা শরীরে রক্তপ্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়৷ এর ফলে সারা শরীরের প্রতিটি কোষে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন পৌঁছায়৷

নারী নয়, প্রথম দেখায় প্রেমে বিশ্বাসী পুরুষ

নারীদের তুলনায় পুরুষরাই বেশি প্রথম দেখায় প্রেমে বিশ্বাসী। এ সংখ্যা প্রতি ৫ জনে একজন। নতুন এক জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

দ্য হিন্দুস্তান টাইমস এ প্রকাশিত এ জরিপের ফলে দেখা গেছে, প্রতি পাঁচ জনে একজন পুরুষ বলেছেন, তারা প্রথম দেখায় প্রেমে পড়েছেন।

অর্ধেকেরও বেশি পুরুষ বলেছেন, প্রথম দেখার পরই তারা মেয়েটির প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছেন। আর তিনদিন ডেটিং এর পর মন হারিয়েছেন এমন পুরুষের সংখ্যা প্রায় তিন-চতুর্থাংশ।

অন্যদিকে, প্রতি দশ জনে মাত্র একজন নারী বলেছেন, তারা প্রথম দেখায় প্রেমে পড়েছেন। বেশির ভাগ নারীই ভালোলাগার মানুষের কাছে প্রকৃত চাওয়া পেয়েছেন কিনা তা
জানতে ষষ্ঠবারের মতো দেখা করা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন।

গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন মনোবিজ্ঞানী ও ব্রিটিশ সাইকোলজিক্যাল
সোসাইটির সদস্য অধ্যাপক অ্যালেকজান্ডার গর্ডন। গবেষণার এ ফলে লিঙ্গভেদে যে বৈপরীত্য ধরা পড়েছে তাতে অবাক হয়েছেন তিনি।

গর্ডন বলেন, পুরুষের চেয়ে নারীরা সামাজিক পরিস্থিতি বেশি বুঝতে
পারে এবং কোনো পুরুষের সঙ্গে প্রথম দেখার পর তাদের মনে নানা প্রশ্ন উদয় হয়।

এর মধ্য দিয়ে তারা বোঝার চেষ্টা করে ওই পুরুষকে ভালোবাসা কতটা নিরাপদ? সে তার সন্তানের জন্য কেমন বাবা হবেন?- এরকম আরো অনেক কিছু।

সারা জীবনের জন্য কাউকে পছন্দের ক্ষেত্রে পুরুষদের চেয়ে
নারীরা অনেক বেশি বিচক্ষণ, বলেন গর্ডন।

জরিপের ফলে আরো দেখা গেছে, ব্রিটেনে পুরুষরা গড়ে জীবনে তিন বারের
বেশি প্রেমে পড়ে। অন্যদিকে, নারীরা গড়ে প্রেমে পড়ে একবারই।

এ গবেষণার জন্য ১৬ থেকে ৮৬ বছর বয়স্ক ১ হাজার ৫০০ নারী ও ১ হাজার ৫০০
পুরুষের ওপর জরিপ চালানো হয়েছে।

জাতীয় পরিচয় পত্র বা প্রয়োজনীয় কিছু হারিয়ে গেলে কি করবেন বিস্তারিত জেনে নিন

বেশীরভাগ সরকারী বে-সরকারী কাজে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা প্রায় বাধ্যতামূলক। অনেকেরই জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল রয়েছে আবার কারও জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেছে কিন্তু কিভাবে কি করতে হবে বা কোথায় যেতে হবে জানা নেই। ওয়েবেও সহজে এই তথ্য পাওয়া যায় না। তাই আমি জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে বা কিভাবে তথ্য সংশোধন/সংযোজন করা যায় তা বিস্তারিত বর্ণনা করব। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নেয়া হয়েছে।

কিভাবে নিজের নাম পরিবর্তন, নিজের/পিতার/মাতার নাম  সংশোধন করবেন-



বিবাহ বিচ্ছেদের কারনে স্বামী/স্ত্রীর নাম পরিবর্তন


                পিতা/মাতার নাম পরিবর্তন-



 জন্ম তারিখ পরিবর্তন/সংশোধন



 অন্যান্য সংশোধন


 
রক্তের গ্রুপ সংশোধন


 জাতীয় পরিচয়পত্র হারানো গেলে-





আবেদন পত্র:
তথ্য সংযোজন/সংশোধন
জাতীয় পরিচয়পত্র হারানো গেলে   



যেকোন জেলার বাসিন্দা হলেও ঢাকায় নিম্নলিখিত ঠিকানায় যেতে হবে
ঠিকানা:
ন্যাশনাল আইডি উইং
ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ভবন
আগারগাও ঢাকা।
                                                                                       

সানি লিওন ৫২ হাজার টাকায়

বিপণীবিতানগুলোতে ভারতীয় থ্রি-পিস ও থান কাপড়ের পসার জমেছে। নতুন নতুন ডিজাইন ও জাকজমকপূর্ণ এসব থ্রি-পিস পেয়েছে ভারতীয় টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র তারকাদের নাম।এর মধ্যে সবচেয়ে দামি থ্রি-পিসের নাম দেওয়া হয়েছে বলিউডের অভিনেত্রী সানি লিওনের নামে, আগে ইন্দো-কানাডিয়ান পর্নো চিত্রে অভিনয়ের জন্য যাকে নিয়ে রয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

তবে কাজ আর ফ্যাশন ভেদে ঈদপোশাক সানি লিওনেও রয়েছে দামের ভিন্নতা। সর্বনিম্ম ১৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫২ হাজার টাকায় এ পোশাক বিক্রির কথা জানিয়েছেন দোকানিরা।

বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের লামিসা ফ্যাশনসের মালিক জানান, এ বছর ঈদ উপলক্ষে ভারত থেকে সানি লিওন, খোয়াব, মুঘলে আজম, আশিকি-২, রানঝানা, বিপাশা-১, বিপাশা-২, আক্সারা, এশা দেওল, কানপুরী, আয়শা টাকিয়া ইত্যাদি থ্রি-পিস এসেছে।

বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়, নেটের উপর কাজ করা ‘সানি লিওন’ ছাড়া অন্য থ্রি-পিসগুলোর মধ্যে খোয়াবের দাম সাত হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা, এশা দেওলের দাম ৯ থেকে ১৬ হাজার টাকা, বিপাশা-১ ও ২ মিলছে সাত থেকে সাড়ে নয় হাজার টাকা এবং অন্যান্য থ্রি-পিসগুলোর দাম ৭ থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে।

হার্ট ভালো রাখার গুরুত্বপূর্ণ টিপস

আশা করি সবাই মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও করুণায় ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি। বর্তমানে যে শারীরিক সমস্যাটা বেশ লক্ষ্য করা যায় তা কি জানেন? হ্যা হৃদরোগ। বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ মানুষই হৃদ রোগে আক্রান্ত। গত বছরের তুলনায় বর্তমানে হার্ট এটাক ও অন্যান্য রোগ গুলো বাড়ছে চরম গতিতে। মুলত বিশেষজ্ঞদের মতে খাবার ও চলাফেরার অনিয়ম এবং বংশের সূত্র ধরেও হৃদ রোগ হতে পারে। সত্যি বলতে হার্টের রোগ খুবই মারাত্বক ও যন্ত্রনাদায়ক একটা রোগ। যার হার সময়ের সাথে সাথে দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা যদি একটু নিজেদের প্রতি সচেতন হই তাহলে মুলত হার্ট ভালো রাখার কিছুটা ভরসা পাওয়া যেতে পারে। নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে কিছু টিপস আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।
নিজের হার্ট ভালো রাখার গুরুত্বপূর্ণ টিপস

হার্টের যত্ন নেবার কিছু টিপসঃ

  • প্রথমেই যদি মুসলমান হয়ে থাকেন তাহলে নিয়মিত পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করুন। কারণ বিজ্ঞানে এখন এটা প্রমাণিত যে সকল প্রকার রোগ ব্যাধি নামাযের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব।
  • সকল প্রকার মাদক দ্রব্য সেবন করা থেকে বিরত থাকুন।
  • তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য গ্রহন পরিহার করুন। বিশেষ করে “সিগারেট” ।
  • স্বাস্থ্যকর খাবার খান।
  • তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাবার পরিহান করুন। বিশেষ করে ফাষ্টফুড এবং ফুটপাতের খোলা খাবার।
  • বেশী বেশী করে সকল প্রকার ফলমূল ও শাক সবজি খান।
  • লবণ ও চিনি কম খান।
  • প্রয়োজনে নিয়মিত আদা ও অন্যান্য মসলা দিয়ে রং চা খান। তবে চিনি ছাড়া।
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং সাথে সাথে নিয়মিত হাটার অভ্যাস করুন।
  • আপনার দেহের গঠন ও উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখুন।
  • উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখুন।
  • রক্তে কোলেষ্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখার চেষ্টা করুন। আপনার বয়স যতি চল্লিশ বা তার বেশী হয় তাহলে প্রতি ছয় মাসে অন্তত একবার রক্তে চর্বির পরিমাণ পরীক্ষা করুন।
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ ত্যাগ করুন।
  • বাচ্চাদের ক্ষেত্রে যদি গলা ব্যাথা ও বাতজ্বর হয় তাহলে অতি সত্তর ডাক্তারের কাছে যান।
  • যাদের বংশসূত্রে হৃদরোগ আছে তারা বেশী সাবধানতা অবলম্বন করুন।
  • কম বয়সে হৃদরোগ হবে না এমন ধারণা মোটেও করবেন না।
সব শেষে বলবো হার্টের সুস্থতা মানে আপনার নিজের সুস্থতা। মনে রাখবেন হার্টের যত্ন নিবেন তো হার্ট আপনার যত্ন নিবে। সুতরাং কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলে হার্টকে সুস্থ রাখুন। আমাদের সবার উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। আমীন

গ্রামীনফোন এর তিনটি প্রয়োজনীয় টিপস জেনে নিন

 আমরা প্রায় সকলে গ্রামীনফোন এর সীম ব্যবহার করি। তাই এই গ্রামীনফোন এর প্রয়োজনীয় কমান্ড গুলো জেনে নেওয়া আমাদের বিশেষ প্রয়োজন। তাই আমি এই রকম প্রয়োজনীয় তিনটি কমান্ড নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম। তাহলে আসুন ট্রিক্স তিনটি কি কি সেটা দেখি।

গ্রামীনফোন এর তিনটি প্রয়োজনীয় টিপস জেনে নিন

১. আপনার মোবাইলে টাইপ করুন: *৫৭৭*১৫#

এটা ডায়াল করলে বিগত তৃতীয় মাসের মোট ব্যবহৃত টাকার পরিমাণ দেখতে পাবেন।


২. আপনার মোবাইলে টাইপ করুন: *৫৭৭*১৬#
এটা ডায়াল করলে বর্তমান মাসের মোট ব্যবহৃত টাকার পরিমাণ দেখতে পাবেন।


৩. আপনার মোবাইলে টাইপ করুন: *৫৭৭*১৭#
এটা ডায়াল করলে আজকের মোট ব্যবহৃত টাকার পরিমাণ দেখতে পাবেন।


সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

গালি থেকে সাবধান কারণ গালি দিলে তিন বছর জেল

ফেসবুকে কাউকে গালি দেওয়া, মন্দ কথা বলা, অপমান করাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যারিবীয় অঞ্চলের ছোট দেশ গ্রানাডা।

কেউ এ অপরাধ করলে তাকে তিন বছরের জেল অথবা ৩৭ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা হবে। টুইট বা ফেসবুক মন্তব্যের সেই কপি সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে গণ্য হবে।

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের এক খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি গ্রানাডাতে এ বিষয়ে একটি আইন পাশ করা হয়েছে। ওই আইনে বলা হয়েছে, অনলাইনে কাউকে অপমান করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

গ্রানাডাবাসীরা অবশ্য কোন কোন শব্দ গালি হিসেবে গণ্য হবে তার একটা তালিকা নির্ধারণ করার দাবিও জানিয়েছেন।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, এ ধরনের আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে সব সময়ই মানুষ নানা ধরনের মন্তব্য করে যাচ্ছে। অনলাইন এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে কারও কথায় কেউ না কেউ আঘাত পেয়ে যেতে পারেন।

এখন হাতে থাকা স্মার্টফোন নিয়ে যেকোনো বিষয়ে নিজের মত প্রকাশ করা বা কাউকে গালি দেওয়া, কারও অতিরিক্ত প্রশংসা করা খুবই সহজ।

বাংলাদেশে আইন: ফেসবুক, টুইটার, স্কাইপ বা ইন্টারনেটের যেকোনো মাধ্যমের অপরাধ-সংশ্লিষ্ট আলাপ-আলোচনা এবং এ-সম্পর্কিত স্থির ও ভিডিওচিত্র আদালতে আমলযোগ্য হবে। এই বিধান রেখে ১১ জুন মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল ২০১৩ পাস হয়েছে।

বিলের ২১ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সন্ত্রাসী ব্যক্তি, সত্তা বা সংগঠনের ফেসবুক, স্কাইপ, টুইটার বা ইন্টারনেটের যেকোনো মাধ্যমের অপরাধ-সংশ্লিষ্ট আলাপ-আলোচনা ও কথাবার্তা অথবা অপরাধ-সংশ্লিষ্ট স্থির ও ভিডিওচিত্র অপরাধের আলামত হিসেবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আদালতে উপস্থাপন করতে পারবে। এ বিষয়ে সাক্ষ্য আইনে যা-ই থাকুক না কেন, মামলার স্বার্থে তা আদালতের গ্রহণযোগ্য হবে।

৪০ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা তাত্ক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করে মামলা রুজু করে তদন্তকাজ শুরু করতে পারবেন।

ফেসবুকে পোস্টের বিষয়ে সাবধানতা: ফেসবুক বা টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে কোনো পোস্ট করার আগে সাবধান থাকা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে চাকরি পেতে গেলে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের প্রোফাইল ঘেঁটে দেখে।

হ্যারিস ইন্টারঅ্যাকটিভ ও ক্যারিয়ার বিল্ডার ডটকম নামের দুটি প্রতিষ্ঠান দুই হাজার চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের পরিচালককে নিয়ে একটি গবেষণা করেছে।

গবেষণায় ৩৯ শতাংশ পরিচালক চাকরিপ্রার্থীর ফেসবুক প্রোফাইল ঘেঁটে দেখার কথা স্বীকার করেছেন।

এ জরিপে পরিচালকরা ফেসবুকে ছয়টি বিষয় ফেসবুকে পোস্ট করা বিষয়ে সাবধান হতে বলেছেন। বিষয়গুলো হলো- অশালীন বা কুরুচিপূর্ণ ছবি, মাদক সেবন সংক্রান্ত তথ্য, গালি ও সাবেক সহকর্মীদের বিষয়ে মন্তব্য, বর্ণবাদী ও ধর্ম অবমাননা করে মন্তব্য করা যাবে না।

আধুনিক ধরনের ব্লাউজের রকম সকম

গ্রাম আর শহরের কোথাও নারীদের একটা জায়গায় তপাৎ নেই। আর সেটি হচ্ছে বাঙ্গালী মেয়েদের শাড়ি পরা। আর শাড়ির সঙ্গে অনায়াসেই ব্লাউজের প্রসঙ্গটি চলে আসে। শাড়ির সঙ্গে কেমন ব্লাউজ মানাবে বিষয়টি নির্ভর করে পাড়ের ডিজাইন এবং কোন অনুষ্ঠানে শাড়ি পরা হবে তার ওপর। তাই জেনে নিই কিরকম ব্লাউজ পরিধান করা উচিত।

বিভিন্ন ধরনের ব্লাউজের ভিন্নতা কি রকমঃ
গ্রাম আর শহরের কোথাও নারীদের একটা জায়গায় তপাৎ নেই। আর সেটি হচ্ছে বাঙ্গালী মেয়েদের শাড়ি পরা। আর শাড়ির সঙ্গে অনায়াসেই ব্লাউজের প্রসঙ্গটি চলে আসে। শাড়ির সঙ্গে কেমন ব্লাউজ মানাবে বিষয়টি নির্ভর করে পাড়ের ডিজাইন এবং কোন অনুষ্ঠানে শাড়ি পরা হবে তার ওপর। তাই জেনে নিই কিরকম ব্লাউজ পরিধান করা উচিত।

প্রথমে জেনে নিই কিরকম হবে ব্লাউজের ভিন্নতা। শাড়ির ডিজাইন যাই হোক না কেন ব্লাউজের রঙটা হবে কন্ট্রাস্ট। যেহেতু শাড়িটি সুতির, ব্লাউজটা হবে একটু বাহারি ধাচের। কম বয়সীরা ব্লাউজের গলাটা একটু বড় রাখতে পারেন। আবার স্লিভলেসও পরতে পারেন।তবে শীতের বিষয়টি মাথায় রেখে পরলে ভালো হয়। ঘটিহাতা অথবা খাটো হাতাও পরা যেতে পারে। একটু বৈচিত্র্য আনতে ব্লাউজে ছোট ঘণ্টা ব্যবহার করতে পারেন। হাই কলার দেওয়া পাঞ্জাবির মতো বা বোতাম দেওয়া ব্লাউজও এ ধরনের শাড়িতে বেশ মানানসই। দাওয়াতে বা রাতের অনুষ্ঠানে একটু জমকালো ব্লাউজ বেছে নিতে পারেন । এ জন্য গলাবন্ধ ব্লাউজের গলাজুড়ে পাথর, চুমকি বা পুঁতির কাজ করাতে পারেন। মোটকথা ব্লাউজ হবে উৎসব ও পরিবেশের উপযোগী।

শাড়িটা যেহেতু এক রঙের, তাই ব্লাউজটা যেন বেশ বাহারি হয়।


 এই যেমন, হালকা হলুদ জমিন ও কমলা পাড়ের শাড়ির সঙ্গে লাল ব্লাউজ মানানসই। কমলা রঙের ব্লাউজ পরতে পারেন হালকা সবুজ জমিন হলুদ পাড়ের শাড়ির সঙ্গে। স্লিভলেস ব্লাউজ পরলে শাড়িটা এক প্যাঁচে না পরাই ভালো। অল্টারনেক বা পেছনে কয়েক রঙের ফিতা দেওয়া স্লিভলেস ব্লাউজও পরা যেতে পারে। থ্রি কোয়ার্টার হাতায় অথবা গলায় কুচি দিয়ে ব্লাউজ তৈরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে শাড়ি এক প্যাঁচেতেই বেশ ভালো মানাবে। এছাড়া গড়ন বুঝে স্লিভলেস ব্লাউজও বানাতে পারেন। সব হাতে স্লিভলেস ব্লাউজ মানায় না। লম্বা, মেদবর্জিত, লোমহীন, পরিষ্কার নরম কনুইয়ের সুডৌল হাতের অধিকারী যে কেউ পরতে পারেন স্লিভলেস। স্লিভলেস ব্লাউজের জন্য হাতের গড়ন বড় বিষয়। অতিরিক্ত মোটা বা চিকন হাতে স্লিভলেস ভালো মানায় না। তবে শখ তো ধরাবাঁধা নিয়ম মানে না। যাঁরা একটু মোটা, তাঁরাও স্লিভলেস ব্লাউজ পরতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে কাঁধের অংশ একটু চওড়া, আর পেছনে ওঠানো গলা ভালো মানাবে। এ ছাড়া যে পোশাকে আপনি অস্বস্তি বোধ করবেন; সে পোশাক যতই সুন্দর হোক না কেন, তা আপনাকে মোটেও মানাবে না। সময়ের পরিবর্তনে তৈরি হচ্ছে নানা ঢঙের স্লিভলেস ব্লাউজ। কখনো কাঁধ চওড়া, কখনো আবার ফিতার মতো সরু। পিঠ খোলা কি গলা বন্ধ, চায়নিজ কলার কি ব্যান্ড গলা, পেছনে ফিতা বা জুড়িতে ফিতার সঙ্গে গলার কাটিং বৈচিত্র্য তো রয়েছেই।

জনপ্রিয় কিছু ব্লাউজের মধ্যে রয়েছেঃ

হল্টারনেক : হাতাছাড়া এ ধরনের ব্লাউজে শুধু কলার থাকে। দুই কাঁধের ফিতা ঘাড়ের পেছনে কলারের মতো জুড়ে থাকে। যাদের দৈহিক গড়ন সুন্দর, তারা গলা, কাঁধ ও পিঠের সৌন্দর্য প্রকাশ করতে এ ব্লাউজ পরতে পারেন।

টিউব চোলি : এই ব্লাউজে কোনো শোল্ডার বা স্লিভ থাকে না। মাপজোখ হতে হবে নিখুঁত। এর প্রধান অংশ ব্লাউজের। সেটা পেছনে বা সামনেও হতে পারে। গলার মাপ খানিকটা বড় হবে।





কলার স্টাইল : এ ব্লাউজে হাতা থাকে না, তবে কাঁধের অংশ খানিকটা চওড়া হয় আর কলার থাকে। সবাইকেই এ ব্লাউজে ভালো মানাবে।

সিঙ্গল শোল্ডার : যাদের কাঁধ বড়, এ ব্লাউজ তার জন্য উপযোগী। এতে একটিমাত্র শোল্ডার বা ফিতা থাকে, আর কাঁধ কিছুতা খোলা রাখা থাকে। শারীরিক গঠন বেশ ভালো হলে এ ধরনের ব্লাউজ বেশ আকর্ষণীয় লাগে।

করসেট : এ ব্লাউজের কাঁধে সরু স্ট্রাইপ থাকে এবং নিচের অংশ ফিটিং থাকে। যাদের দেহের গড়ন চ্যাপ্টা, তারা করসেট পরতে পারেন। করসেট বানাতে হয় ঠিক মাপে। সঠিক মাপেই এ ব্লাউজের সৌন্দর্য।

বিকিনি : অনেকটা বিকিনির মতো এ ব্লাউজ। গলার ফিতায় বা কাটে পাথর ও মুক্তা বসিয়ে ডিজাইন করা হয়। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য এর দুই জোড়া ফিতা। এক জোড়া গলায় এবং অন্য জোড়া থাকে কোমরে।

অনেক সময় দেখা যায়, হঠাৎ করেই জরুরি কোনো অনুষ্ঠান বা দাওয়াত এসে পরে। সেক্ষেত্রে তৈরি করা কিছু ব্লাউজ; মার্কেটের দোকান বা বুটিক দোকানগুলো থেকে কিনে, পরিচিত কোনো দর্জির দোকানে গিয়ে অলটার করে পরতে পারেন। এক্ষেত্রে কোনো সমস্যার রেশ আসবেনা। আর অন্যান্য বেলাও যেমন অনুষ্ঠান বা দাওয়াত হলে উপরোক্ত পদ্ধতি বিচার-বিশ্লেষণ করে পরা যেতে পারে। তবে ব্লাউজ বানানোর ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

যেমনঃ

*স্থূলকায় হলে হাতাকাটা বা ছোট হাতার ব্লাউজ পরা ঠিক নয়।

*বেশি ক্ষীণকায় হলেও হাতাকাটা ব্লাউজ ভালো দেখাবে না।

*পিঠে দাগ থাকলে বন্ধগলার ব্লাউজ পরাই ভালো।

*শাড়ি ও ব্লাউজ দুটোই জমকালো হলে চলবে না।

*ব্লাউজের ডিজাইন কেমন হবে তা শাড়ির কথা মাথায় রেখে নির্ধারণ করুন।

*ব্লাউজের কাজ বেশি হলে শাড়ির কাজ কম হবে, একইভাবে বিপরীত নিয়ম মেনে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

*শারীরিক গঠনের সঙ্গে মিলিয়ে ব্লাউজ তৈরি করুন।

*শাড়ি ও ব্লাউজে যে ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হবে, গয়নাতেও একই মিল রাখার চেষ্টা করুন।

*ব্যাগের মধ্যেও কাজটি যেন শাড়ি ও ব্লাউজের সঙ্গে মানানসই হয়।

*কাজ করা দামি ব্লাউজগুলো আলমারীতে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখুন।