সোনারগাঁয়ে মুরগির পেটে বাচ্চা


সোনারগাঁয়ে মুরগির পেটে মুরগির বাচ্চা পাওয়ার এক অদ্ভুত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোনারগাঁ পৌরসভার দিয়াপাড়া গ্রামের শহিদুল্লা মাস্টারের বাড়িতে।

সোনারগাঁয়ে মুরগির পেটে বাচ্চা

মুরগির পেটে বাচ্চা
জানা গেছে, শহিদুল্লা মাস্টারের স্ত্রী আসমা বেগম খাওয়ার জন্য একই এলাকার জাকির হোসেনের মুরগির ফার্ম থেকে দুই কেজি ওজনের দু’টি মুরগি কিনে বাড়িতে আনেন। মুরগি দুটি জবাই করার পর একটি মুরগির পেটের ভেতর থেকে প্রায় আধাকেজি ওজনের আরও একটি মুরগির বাচ্চা আকৃতির মাংসের খণ্ড বের হয়। মুরগির পেটের ভেতর থেকে পাওয়া ওই মাংস খণ্ডটির মাথা, ঠোঁট, অফুটন্ত দু’টি চোখ, শরীর মুরগির আকৃতির। তবে কোনো ডানা এবং পা নেই। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ মুরগির পেট থেকে পাওয়া মুরগি আকৃতির বাচ্চাটি দেখার জন্য ওই বাড়িতে ভিড় জমায়।


দুজনর বন্ধু বউ বদল

প্রায় ১ বছর পূর্বে জীবননগর উপজেলার বাঁকা কোমরপাড়ার রাজমিস্ত্রী আয়নাল হকের ছেলে জাফর আলী জাপু (২৪) ও ভ্যানচালক ফজলুর রহমানের ছেলে আনোয়ার হোসেন আনার (২২) দুজন বন্ধু বউ বদল করে এলাকায় সাড়া ফেলে দিয়েছিলো। গত ১ বছর ধরে দু বন্ধু দুজনের বউ বিয়ে করে সুখে শান্তিতে সংসার করে এলেও ঠিক ১ বছরের মাথায় এসে আবারও বউ বদল করে এলাকায় সাড়া জাগিয়েছে। এ বদলের ফলে তারা তাদের বিয়ের বউকে আবার কাছে ফিরে পেলো। আলোচিত এ ঘটনাটি ঘটেছে জীবননগর উপজেলার বাঁকা গ্রামে রোববার রাতে।



ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জীবননগর উপজেলার বাঁকা কোমরপাড়ার রাজমিস্ত্রী আয়নাল হকের ছেলে জাফর আলী জাপু (২৪) ও ভ্যানচালক ফজলুর রহমানের ছেলে আনোয়ার হোসেন আনার (২৪) দুজন বাল্যবন্ধু। একই সাথে বেড়ে ওঠা জাপু-আনারের বাড়িও পাশাপাশি। দুজন কর্মজীবনও শুরু করে একই সাথে। লেখাপড়া খুব একটা করেনি তারা। জাপু রাজমিস্ত্রির কাজ করে। বাড়ির সামনে চায়ের দোকান চালায় আনার। ২ বছর আগে তারা দুজন বিয়ে করে। আনার বিয়ে করে ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলার তৈলটুপি গ্রামের শিল্পী খাতুনকে (২০)জাপু বিয়ে করে জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের লাইলী খাতুনকে (২০)
দুজনর  বন্ধু বউ বদল
জাপু ও আনার উভয়-উভয়ের বাড়িতে প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকে। সেখান থেকে জাপুর স্ত্রী লাইলীর সাথে আনারের ও আনারের স্ত্রী শিল্পীর সাথে জাপুর প্রেমসম্পর্ক গড়ে ওঠে। দু’বন্ধু ভালোবাসার এ সম্পর্ককে বাস্তবে রূপ দিতে বউ বদল করে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত বছর জীবননগর শহরের কাজী অফিসে এসে বউ বদল বিয়ে করে এলাকাবাসীকে তাক লাগিয়ে দেয়। বিয়েতে তারা কাবিন করেছিল ১ লাখ টাকা করে।

গত ১ বছর তারা সুখে শান্তিতে ঘর সংসার করে আসছিলো। এ অবস্থায় তারা আবার বউ বদলের সিদ্ধান্ত নেয় এবং গত রোববার রাতে বউ বদল করে।

সুত্রঃ  ফেইস বুক। ইন্টারনেট

এবার মহিলা ধর্ষকের ভূমিকায়


এবার মহিলা ধর্ষকের ভূমিকায়ধর্ষকের ভূমিকায় এ বার এক মহিলা। তাঁর অত্যাচারের শিকার নিউজিল্যান্ডের বছর এগারোর এক স্কুলছাত্র। নিজের ছেলের সহপাঠীর সঙ্গেই যৌন সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন বছর ছত্রিশের ওই মহিলা। এক বার নয়, একাধিক বার মিলিত হয়েছিলেন ওই কিশোরের সঙ্গে। বলা হচ্ছে সেই সম্পর্কের জেরে জন্মেছে সন্তান। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরের সঙ্গে এই যৌন সম্পর্ক ধর্ষণের তকমা পাবে কি? খবর: নিউজিল্যাণ্ড হেরাল্ড ডেইলি
নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দারা চাইছেন, ধর্ষণের তকমা পাক এ হেন অত্যাচারও। বদলানো হোক আইনও। নিউজিল্যান্ড পুলিশ জানিয়েছে, গত বছর এপ্রিলে স্কুল থেকে পালিয়ে বাড়ি ফিরে আসে এক ছাত্র। সঙ্গে ছিল তারই কিশোর সহপাঠী। অভিযোগ, সেই সহপাঠীকে প্রথমে মদ খাইয়ে বেহুঁশ করেন ওই ছাত্রের মা। তার পর তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। তার পর বিভিন্ন সময়ে একাধিক বার নানা অছিলায় তার সঙ্গে মিলিত হন ওই মহিলা। আসে সন্তান। তখন সদ্য বারোয় পা দিয়েছে ওই কিশোর। বিষয়টি তখনই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জানিয়েছিল সে।

খবরটি প্রকাশ্যে আসে তারপরই। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে ওঠে আইন সংস্থাগুলি। মতের বিরুদ্ধে জোর করে যৌন সম্পর্ক তৈরি করা যদি ধর্ষণের সংজ্ঞা হয়ে থাকে, তা হলে এ ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে কেন, প্রশ্ন ওঠে।

আইনমন্ত্রী জুডিথ কলিনস বলেছেন, চালু আইনে মহিলার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা যায় না। তাই শুরু হয়েছে আইন বদলের চিন্তা।

“আশিকি২” এর জুটি হতে পারে বাস্তব জীবনের জুটি


ashiki 2 photos


সুপার হিট বলিউড মুভি ‘আশিকি ২’ ছবিতে প্রেমিক-প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসার পাশাপাশি আলোচিত হয়েছেন আদিত্য রয় কাপুর ও শ্রদ্ধা কাপুর। পর্দার সফল এ জুটি এবার বাস্তব জীবনেও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
একটি ঘনিষ্ঠ সুত্র জানায়, ইদানীং বিভিন্ন জায়গায় আদিত্য-শ্রদ্ধাকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। আর তাই এ জুটির অভিসারের খবর এখন ডালপালা মেলতে শুরু করেছে। তবে তাদের এই অভিসারকে সমালোচকরা প্রেম মনে করলেও শুধুই বন্ধুত্ব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আদিত্য-শ্রদ্ধা দুজনই।

এ প্রসঙ্গে আদিত্য বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি, কেন সবাই আমাদের দুজনকে প্রেমিক-প্রেমিকা মনে করছেন। আসলে আমরা একে অপরের খুবই ভালো বন্ধু। আমরা পরস্পরের অনেক কাছাকাছি চলে এসেছি। আমরা প্রায়ই একসঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছি, নৈশভোজে অংশ নিচ্ছি এবং প্রেক্ষাগৃহে বসে ছবি উপভোগ করছি। এটা বন্ধুত্ব ছাড়া আর কিছু না।’

এ প্রসঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রে জানিয়েছে, অভিনেত্রী ও এমটিভির ভিডিও জকি রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে প্রণয়ে জড়িয়েছিলেন আদিত্য রয় কাপুর। কিন্তু ইদানীং রিয়াকে ছেড়ে শ্রদ্ধার পেছনেই বেশি সময় ব্যয় করছেন আদিত্য। তবে তিনি শক্তি কাপুরের মেয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রেম নিয়ে এখন পর্যন্ত খোলাসা করে কিছু বলেননি। এ ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে ‘ধীরে চলো’ নীতিই বেছে নিয়েছেন শ্রদ্ধা ও আদিত্য।

সঞ্জয়কে দেখতে জেলখানায় সালমান


সঞ্জয়কে দেখতে জেলখানায় সালমান


জানা যায়, সালমান খান সবসময় সঞ্জয় দত্তকে বাবা বলেই ডাকেন। আর তাই শুধু পর্দাতে কিংবা মিডিয়াতে কাজের খাতিরেই নয়, একে অন্যের সুসময়ের পাশাপাশি দুঃসময়েও হাজির হন একেবারেই পারিবারিক আঙ্গিকে।

সঞ্জয়-সালমান দু’জনই দুজনার খুবই কাছের বন্ধু। সেটা বোধহয় আবার
ও প্রমাণ হলো যখন সঞ্জয় দত্তকে দেখতে সরাসরি জেলখানায় চলে গেলেন বলিউড টাইগার সালমান খান। একেই বোধহয় বলে বন্ধুত্ব। আর তাই মিডিয়াকে অনেকটা গোপন রেখেই সঞ্জয়ের সাথে দেখা করতে কারাগারে যান ‘দাবাং’খ্যাত অভিনেতা সালমান।

মেয়ে পটানোতে এক্সপার্ট হন


expart photosপ্রিয় ভাইগণ মেয়ে পটানোতে যারা আন এক্সপার্ট তাদের কোন টেনশন করার দরকার নাই ।এসে গেছে যুগান্তকারী ভার্চুয়াল লাভগুরুর মেয়ে পটানোর ডিজিটাল তরিকা।এই ডিজিটাল তরিকায় লাভগুরু বিজ্ঞানী নিউটনের ৩য় সূত্রের বিয়াপক প্রয়োগ করেছেন।


তরিকা গুলো হচ্ছেঃ

তরিকা ১. প্রথমে যে মেয়েটিকে পছন্দ করেন তার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকুন।যখন মেয়েটি আপনার দিকে তাকাবে তখন মেয়েটিকে ইশারা করুন যে ওর গালে কিছু একটা আছে।যখন মেয়েটি তার গাল স্পর্শ করতে যাবে ঠিক তখনই ইশারায় আবার বলুন এই গালে না ঐ গালে।এটা এক অভিনব প্রক্রিয়া।যা নাই ভরসা বাবার তরিকায় পুইলা স্থান নিয়েছে।

নিশ্চিত থাকেন মেয়েটি ওর গাল স্পর্শ করুক বা না করুক আপনার গালে ঠিকই পাঁচ আংগুল স্পর্শ করবে ।

তরিকা ২. মেয়েটির সাথে ঐ টপিক নিয়ে কথা বলুন যা মেয়েটি পছন্দ করে ।এতে করে আপনার সাথে বহুক্ষণ টাইম পাস করবে ।

সাবধান এমন কোন টপিক নিয়া কথা বলবেন না,যেটাই আবার আপনি বোবা হয়ে থাকেন ।তাহলে কিন্তু শ্রোতা হয়ে শুনতেই হবে । 

তরিকা ৩. মেয়েদের সাথে ওদের সম্পর্কে বেশী কথা বলুন।এতে করে মেয়েরা ভাববে যে আপনি ওর প্রতি দূর্বল।

এক্ষেত্রে আবার অনেকে ইন-ডাইরেক্টলি প্রপোজ করে বসে।ভুলেও এই কাজ করবেন না ।

তরিকা ৪. যদি মেয়েদের পটাতে চান তাহলে মেয়েটির পাশে যাওয়ার চেষ্টা করুন,মেয়েটিকে পিছু নিন।দেখুন কই যায়।তাকে লক্ষ্য করতে থাকুন।কিছুদিন করার পর আর করবেন না।দেখবেন মেয়েটি আপনাকে মিস করছে।

সাবধানে পিছু নিবেন।যদি ধরা পরেন তাহলে কিন্তু জামিন নাই । 

তরিকা ৫. মেয়েরা দলবদ্ব থাকলে পটাতে নাকি সুবিধা হয়।সুতরাং যে মেয়েটিকে পটাতে চান তাকে এট্রাক্ট করার মত কিছু করার চেষ্টা করুন ।

এমন কিছু করিয়েন না যাতে পাড়ার বড় ভাইদের কাছ থেকে দাবড়ানি খাওয়া লাগে ।

তরিকা ৬. সবসময় মেয়েদের চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন।এদিক ওদিক তাকিয়ে কথা বললে তারা মনে করে,তার সাথে আপনার কথা বলার তেমন কোন আগ্রহ নেই।

এমন ভাবে তাকাইয়েন না যেন জীবনেও মেয়ে মানুষ দেখেন নাই।

তরিকা ৭. যখনই কোন মেয়ের সাথে দেখা করবেন যত কষ্টই হোক এক গাল হাসি দিবেন । 

৩২ টা দাঁত বাহির করে হাসবেন না।ও দাঁত মেজে তারপর হাসি দিয়েন। 

তরিকা ৮. সদা সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত থাকবেন।

সাহায্য করতে গিয়া আবার যেন আপনারই কোন কারও সাহায্য না নেয়া লাগে। 

তরিকা ৯. মেয়েরা বার্থ ডে,ভালবাসা দিবস এসব প্রেম বিষয়ক বিশেষ দিন গুলোর ব্যাপারে অতি মাত্রায় সিরিয়াস।তাই তাদের বার্থ ডে মনে রাখবেন।আর আন-কমন কিছু গিফট দেয়ার চেষ্টা করবেন।যদি না পারেন একটা লাল গোলাপ নিয়া রোমিও স্টাইলে উইশ করবেন ।

নিজের নাম ভুলে যান অসুবিধা নাই তবু ও বার্থে ডে ভুইলেন না।দরকার পরলে মোবাইলে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখবেন।

তরিকা ১০. কোন সময় রাগ করবেন না।মনে রাখবেন রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন ।

মেয়েরা অনেক সময়ই আপনাকে টেস্ট করতে চাইবে।তাই রাগবেন না।মাথা ঠান্ডা রাখিবেন।

এই হল লাভগুরুর ডিজিটাল তরিকা।বাস্তব জীবনে ধরা না খাইতে চাইলে প্রয়োগ কইরেন।মেয়ে পটানোর সময় লাভগুরুর দোয়া অবশ্যই আপনাদের পাশে বিরাজমান থাকবে ।তবে মেয়ে পটানো আর খাল কেটে কুমির আনা সমান কথা ।

হ্যাপি পটানিং

বিঃদ্রঃ ইহা একটি রম্য পোস্ট মাত্র।আপনি তরিকা প্রয়োগে ব্যর্থ হলে লেখক দায়ী নহে!!!

যারা আমার আরেকটি নতুন পোস্ট পড়েননি তারা এখান থেকে পড়তে পারেন


একা একা লাগে ভ্যালেন্টাইনস ডে তে ? গার্লফ্রেন্ড নেই ? তাহলে দেখুন তো এই টিপস গুলো কাজে লাগাতে পারেন কিনা !
expart love photos

বিয়ের কনে দেখতে যাওয়ার ১টি অতি দরকারি টিপস


love photoবিবাহযোগ্য ভাইয়েরা আমার এবং আপুরা যারা ভাইয়ের জন্য ভালো মেয়ে খুজছেন এবং আন্টিরা যারা ছেলের জন্য ভালো একটি পুত্রবধু খুজছেন, তাদের জন্য অতি দরকারী ১ টি টিপস।

সাধারনত মা-রা তাদের ছেলের জন্য লক্ষী টাইপ মেয়ে পছন্দ করে। মেয়েকে দেখতে যেয়ে তারা আগেকার নিয়মে মেয়েকে
নানা প্রশ্ন করে। এটা আসলে মেয়েটার জন্য চরম বিরক্তিকর।
আপনারা কিন্তু মেয়েকে কোন প্রশ্ন না করেও বুঝতে পারেন, মেয়ে কিরকম।
আপনারা যখন মেয়েকে দেখবেন, তখন বলবেন, বাহ মা, তোমার মোবাইল সেটটা তো খুব সুন্দর। একটু দেখি। সেটটি পাওয়ার পর স্পীড ডায়ালের ১-৫ পর্যন্ত কল করুন এবং অপর প্রান্তের সম্বোধন শুনুন। আমার বিশ্বাস এর ভিতরে আপনি "জান, এই অসময়ে কল দিলা, বউ আজ যে অনেক আগেই রাত হলো" এরকম টাইপ কথা শুনতে পাবেন।

এখন আপনার ইচ্ছা, আপনি কার সাথে আপনার ছেলের বিয়ে দিবেন।

love photo
প্লীজ, মেয়ের মা-কে এই কথা বলতে যাবেন না।

প্রেম-ভালোবাসা তো আমরাও করি।

রোমান্টিকতায় মেতে ওঠার ৬০ টিপস


রোমান্টিকতায় মেতে ওঠার ৬০ টিপসদম্পতি কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকা জুটিরা যখনই অবসর পান একসঙ্গে সময় কাটানোটাই তাদের কাছে মুখ্য হয়ে দাড়ায়। কিন্তু রোমান্টিকতায় ভরপুর সময় কাটানোর উপায় কি? একঘেয়ে হয়ে গেছে নিত্যকার কাজকর্ম? ভিন্ন কিছুর জন্য আকুলি-বিকুলি করছে মন কিন্তু আইডিয়া আসছে না কি করবেন?

বছর জুড়ে রোমান্টিক সময় কাটানোর জন্য নিচের ৬০টি আইডিয়া দেয়া হলো। সময় ও সঙ্গতি অনুযায়ী এগুলোর যে কোনোটি থেকে বেছে নিন অথবা তৈরি করুন নতুন কোনো আইডিয়া আপনাদের দুজনের জন্য।
আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে...

১. ড্রয়িং রুম, বুক শেলফ, ওয়ার্ডরোব কিংবা গারাজ সাফসুতরো করতে পারেন। এসব কাজ করা কোনো ব্যাপার নয় যদি দুজন একসঙ্গে করা যায়।

২. এক্সারসাইজ করতে পারেন। চলে যান কোনো সুইমিং কাবে সাতার কাটতে কিংবা স্রেফ বৃষ্টিতে হাটাহাটি করেও উপভোগ করতে পারেন সময়।

৩. ম্যারাথন মুভি দেখতে বসে যান। আশপাশের ভিডিও শপ থেকে একগাদা মুভি আনুন, সেই সঙ্গে খাবার-দাবার। সারাটা দিন মুভি ক্রিটিক হিসেবেই কাটিয়ে দিন।

৪. কোনো একটা আর্ট গ্যালারি ঘুরে আসুন। আপনার এলাকায় বা এর আশপাশে হচ্ছে এমন কোনো একজিবিশন ঘুরে দেখুন দুজন।

৫. সময়কে পিছিয়ে নিন, ঘুরে আসুন মিউজিয়ামে। অনেক প্রত্নতাত্তিক জায়গা আছে যেগুলো কেবল দর্শনীয় হিসেবেই খ্যাত নয় বরং সেখানে ঘুরে কিছু শেখাও সম্ভব।

৬. দুজনের স্মৃতি শক্তির উন্নতি ঘটাতে পারেন। অনলাইনে মেমোরি টেস্টের বিভিন্ন প্রোগ্রাম থাকে। দিন জুড়ে দুজন দুজনার মনে রাখার ক্ষমতা যাচাই করতে পারেন।

৭. নিজেদের আবিষ্কার করুন। বইয়ের দোকান কিংবা ইন্টারনেটে আজকাল অনেক ধরনের পারসোনাল প্রোফাইল টুলস পাওয়া যায় যেগুলো আপনাদের ব্যক্তিত্যের ধরন, আপনাদের আইকিউ অথবা আপনাদের রিলেশনশিপ স্টাইল খুজে পেতে সাহায্য করবে।

৮. কিছু তৈরি করতে পারেন। হতে পারে একটা টি-টেবিল, কোনো শেলফ, পটারি ডিশ, ফাওয়ার ভাস, চেহারার ভাস্কর্য, ক্যান্ডল ইত্যাদি। ক্রাফট শপে গেলে এ ধরনের শত শত আইডিয়া পাবেন।

৯. ফুটবল বা ক্রিকেট খেলা দেখে আসতে পারেন, যদিও খেলাধুলা খুব একটা ধাতে সয় না আপনার তবু পরিবেশের একটা প্রভাব তো আছে। যাওয়ার আগে পত্রিকার পাতায় ফিকশ্চার লিস্ট দেখে নিন।

১০. সন্ধ্যাটা নিজেদের ব্যাপক পছন্দের আইটেম দিয়ে সাজান। টিভি প্রোগ্রামের তালিকায় চোখ বুলিয়ে নিন আর বিনোদনে ভরপুর একটা রাত তৈরি করুন।

মেঘের কোলে রোদ হেসেছে ...?

১১. দুজন মিলে হাটতে বেরুতে পারেন যে কোনো জায়গায়।

১২. হাইকিংয়ে বের হতে পারেন। হাইকিং হলো পায়ে হেটে দীর্ঘ পথ ভ্রমণ। আশপাশে কোনো পাহাড়ি পথ থাকলে দুজনে হাটা ধরুন, দেখুন কান্ত হয়ে কে আগে বসে পড়ে।

১৩. অভ্যাস থাকলে সাইকেল রাইডিংয়েও বেরিয়ে পড়তে পারেন দুজনে। হাটার মতো সাইকেলও এনার্জিটিক ও চমৎকার। হাটা বা সাইকেল দুই ক্ষেত্রেই মানসিক চাঙ্গা ভাবের সঙ্গে সঙ্গে আপনার স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে।

১৪. বোট ভাড়া করতে পারেন। নৌকা বাইতে বাইতে নদী বা লেকের এলোমেলো হাওয়ায় চুল উড়িয়ে একটা রোমান্টিক নৌকা ভ্রমণ সেরে ফেলতে পারেন।

১৫. পার্কে ঘুরে আসুন। দোলনায় দোল খেয়ে সময় কাটাতে পারেন বা খেলতে পারেন টেনিস।

১৬. রিকশা করে ঘুরতে অনেকেরই পছন্দ। লম্বা খোলা রাস্তায় ঘণ্টা চুক্তিতে রিকশা ভাড়া করে বেরিয়ে পড়–ন আজানার উদ্দেশে।

১৭. গ্রামের বাড়িতে বেড়িয়ে আসুন। আপনার নিজের মায়ার বাধনে বাধা নিড়ে ফিরে কিছুটা প্রেরণা নিয়ে আসুন নিজের মধ্যে।

১৮. নিজেদের পশুসুলভ প্রবৃত্তিকে মেনে নিয়েই ঘুরে আসুন চিড়িয়াখানা বা কোনো বড় ফার্ম হাউসে। পার্কের এদিক ওদিক ঘোরার সময় রিলাক্স থাকুন। আর মাকড়শা কিংবা সাপকে যদি আপনি অছন্দ করেন তবে বানরের খাচার কাছে গিয়েও কাটাতে পারেন সময়।

১৯. পিকনিকের কথা ভুলবেন না। ওপরের আইডিয়াগুলোকে আরো আনন্দদায়ক করে তুলতে সঙ্গে মজার মজার খাবার নিতে ভুলবেন না কিন্তু।

সপ্তাহ শেষ, কি করা যায়?

২০. নিজের শহর থেকে বের হয়ে ঘুরে আসতে পারেন আশপাশের কোনো শহর বা গ্রামাঞ্চল।

২১. বেড়িয়ে আসতে পারেন আত্মীয় বা বন্ধু-বান্ধবের বাসায়। ভিন্ন অঞ্চলের মানুষজনদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। তারা যদি রাতে আপনাদের থাকার ব্যবস্থা না করতে পারে সে ক্ষেত্রে নিজেদের থাকা আর সকালের ব্রেকফাস্টের ব্যবস্থা নিজেরাই করুন।

২২. কোনো হেলথ কাবে নিজেদের পুরো সময়টা ব্যয় করতে পারেন।

২৩. আপনাদের বাসার যে কোনো একটি রুম বেছে নিয়ে সেটিকে ঢেলে সাজাতে পারেন।

২৪. পুরো বাসাটাকে একেবারে ঝেড়েপুছে ফেলুন কিংবা বাগানটিকে নতুন কোনো শেপ দিতে পারেন।

বাচ্চারা এখন বিছানায়... তো?

২৫. খেলাধুলা করতে পারেন, হতে পারে সেটা ক্যারম, কমপিউটার গেমস, কার্ডের গেমস বা কোন দুষ্টুমি খেলা...

২৬. মাথা খাটানোর কাজে সময় কাটাতে পারেন, জিগস পাজল, ক্রস ওয়ার্ড বা কুইজ বুক। আপনাদের আইকিউর ধারটা কার কেমন সেটা পরখ করে দেখুন।

২৭. নিজেদের মধ্যে কিছুটা বাড়তি প্রশ্রয় দিতে পারেন, আপনার পার্টনারকে হালকা মাসাজ, ম্যানিকিউর বা প্যাডিকিউর দিন। আমাদের সবারই কিছু সময় বাড়তি প্রশ্রয়ের দরকার হয়।

২৮. আপনাদের রুচির সঙ্গে ম্যাচ করে কোনো ফিল্ম ভাড়া করে আনতে পারেন, হতে পারে সেটা কমেডি, কান্নাকাটি, রোমান্টিক বা হরর মুভি।

২৯. তারা গুনতে থাকুন। বাগানে বা ছাদে শুয়ে পড়–ন, দেখুন নক্ষত্র রাজিকে চিনতে পারেন কি না।

৩০. ইচ্ছামতো খাবারের স্বাদ নিতে পারেন।

৩১. দুজনে মিলে রোমান্টিক একটা ডিনার উপভোগ করতে পারেন, মোমবাতিগুলো জ্বালান, হালকা মিউজিক ছেড়ে দিন, দামি ক্রোকারিজ বের করে ফেলুন। হাজার হোক সময়টাকে ভোগ করার একটা অজুহাত চাচ্ছেন আপনারা।

৩২. বাগানে বা ছাদে বসেই পিকনিক সারতে পারেন।

৩৩. সোফা বা ইজি চেয়ারগুলোকে টেনে বাইরে আনুন। দুই কাপ হট চকোলেট নিয়ে আরাম করে সময় কাটান দুজনে।

৩৪. দুজনে মিলে একই বই বা গল্প পড়–ন, এরপর বইটি সম্পর্কে দুজনের নোট তুলনা করতে পারেন।

৩৫. পুরনো ফটো অ্যালবামগুলো নিয়ে বসুন। রাতটা উপভোগ করতে পারেন নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হয়ে। বা এর সঙ্গে নিজেদের আরো সম্পৃক্ত হতে চাইলে আপনাদের পোরট্রেইটগুলোকেই বেছে নেন না কেন?

৩৬. দুজন মিলে নতুন কোনো রেসিপি তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। জিভের গোড়ায় থাই, ইনডিয়ান, চায়নিজ যেটাই চান তার একটা স্বাদ দেয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

৩৭. দুজনে মিলে ল্যাঙ্গুয়েজ প্র্যাকটিস করতে পারেন। বাংলা, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ যে কোনো ভাষাই হতে পারে সেটা।

৩৮. ইন্টারনেটে শপিং করতে পারেন। আর এটা দিয়ে দুজনেই কিন্তু পারেন দুজনকে সারপ্রাইজ দিতে। অনলাইনে জিনিসটা কিনুন তারপর অপেক্ষা করুন সেটা পৌছানোর জন্য।

৩৯. দুজন মিলে একটা কবিতা বা গল্প লিখতে পারেন, নিজেদের মধ্যে সুরের মুর্ছনা অনুভব করলে লিখে ফেলতে পারেন একটা গানও।

বিকেলটা বাইরে কাটাতে চাইছেন?

৪০. থিয়েটারে চলে যান।
৪১. কিছুক্ষণ এক্সারসাইজ করুন। যেতে পারেন জিমে কিংবা সুইমিংপুলে সাতার কাটতে অথবা ব্যাডমিন্টন বা স্কোয়াশ খেলতে পারেন।

৪২. আজকাল আশপাশে অনেক বোলিং কাব হয়েছে। যোগ দিতে পারেন আপনাদের কাছাকাছি কোনো বোলিং কাবে।

৪৩. শহরের কোথাও কনসার্ট হচ্ছে কি? কিংবা গজলের আসর? ভিন্নধারা কিছু উপভোগ করতে বেরিয়ে পড়ুন দুজনে।

৪৪. আলসেমিতে ভরা একটা ডিনার সারতে পারেন। এটা হতে পারে কম দামি ও আনন্দদায়ক কিংবা গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে। বাধাহীন কথোপকথনের এ সুযোগ উপভোগ করুন।

৪৫. চলে যান সিনেমা হলে। পেছনের সারির সিট দখল করে সাম্প্রতিক কোনো ব্লক বাস্টার মুভি উপভোগ করুন। দেখুন আপনার এলাকায় কি মুভি চলছে।

হাতে সময় মাত্র এক ঘণ্টা?

৪৬. কথার বদলে বালিশ দিয়েই একটা ফাইট হয়ে যাক। আরো ভালোবাসার জন্য কাতর হয়ে পড়েছে মন? নিজেদের মধ্যে খানিকটা ভালোবাসার স্পর্শ হলে মন্দ কি?

৪৭. সাবানের ফেনায় ভরপুর একটা গোসল সেরে ফেলুন।

৪৮. সকালের নাশতা হোক আর যা-ই হোক, বিছানাতেই সেটা সেরে ফেলুন।

৪৯. হাতে যখন সময় কম, তাহলে প্ল্যান করে ফেলুন, পুরো বিকালটা যখন পাবেন নিজেদের হাতের মুঠোয় কি করবেন।

৫০. আপনাদের পারিবারিক বংশতালিকা নিয়ে গবেষণা শুরু করতে পারেন, এরপর ঘণ্টা খানেক সময় হাতে পেলেই তাতে নতুন করে কিছু আইটেম যোগ করুন।

৫১. একটা কেক বা এমন কিছু তৈরি করুন যা দুজন মিলে একসঙ্গে খেতে ভালো লাগবে।

৫২. কোন ফিটনেস ভিডিও চালিয়ে দিয়ে দুজনে অ্যারোবিকস, পাইলেটস বা যোগব্যায়াম প্র্যাকটিস করতে পারেন।

৫৩. অনলাইন কুইজ সেরে ফেলতে পারেন এক ঘণ্টায়।

রোমান্টিকতার কিছু ধরণ :

৫৪. বলুন, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আই লাভ ইউ।

৫৫. একবার আলিঙ্গনে বাধুন নিজেদের।

৫৬. ভালোবাসার একটা নোট ছেড়ে যেতে পারেন ব্রিফকেসের ওপর বা টিভি স্ক্রিনে। কিংবা রেডিওতে লাভসং রিকোয়েস্ট করতে পারেন।

৫৭. একটি চুমো দিতে পারেন বা ভয়ঙ্কর রকমের প্রণয়-চাপল্যও প্রকাশ করতে পারেন।

৫৮. ফুল দিন।

৫৯. যোগাযোগ রাখুন। যখন দুজনে আলাদা আছেন মেসেজ, ই-মেইল কিংবা ফোনে তার খবর নিন।

৬০. লিপস্টিক দিয়ে আয়না বা অন্ধকারে ভেসে থাকে এমন চক দিয়ে দেয়ালে লিখতে পারেন 'আই লাভ ইউ'।

প্রেম করার জন্য যা করবেন


love tips১.দৈহিক সৌন্দর্যের বিষয়ে সচেতন হোন:একজোড়া মানবমানবী সর্বপ্রথম আকৃষ্ট হয় দৈহিক সৌন্দর্যে। দৈহিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েই প্রেমিকের হৃদয়ে প্রেমের বীজ অঙ্কুরিত হয়। অতএব প্রেমে সাফল্য চাইলে কিংবা বর্তমান প্রেম কে ধরে রাখতে চাইলে চেহারা সুরতের দিকে
একটু নজর দেয়া লাগবে।


২.পোশাক আশাকে বৈচিএ্য বজায় রাখুন: প্রেম করতে চাইলে টাকা পয়সা তো একটু করচ করাই লাগবে। এখানে শর্টকাট কোনো রাস্তা নেই। কম দামে ফুটপাত থেকে কাপড় কিনে প্রেমিকার চোখ ধাঁধাঁ লাগাবেন? সে আশা বৃথা। আপনি কোনদিন কোন শার্ট টি পরেছেন বা কোন রং এর শার্ট পরেছেন এটা আপনার চেয়ে আপনার প্রেমিকা ভালো বোলতে পারবে আসলে পোশাক আশাক দ্বারা একগজন পুরুষের রোমান্টিকতা প্রকাশ পাই জা বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করে

৩.গোপনিয়তা বজায় রাখুন: আপনাদের সম্পর্কের কথা গোপন রাখুন। এতে আপনাদেরি মঙ্গল আসবে।

৪.দুই নৌকায় পা দিবেন না:প্রেম প্রেম খেলা করার মানসিকতা অনেক তরুণ তরুণীর থাকে। এছাড়া অনেকে একাধিক সঙ্গির সাথে সম্পর্ক বগায় রাখার চেষ্টা করে। ফলে এদের মধ্যে প্রকৃত ভালোবাসার সুখ খুব কম থাকে। একধিক প্রেম চালিয়ে যাওয়াকে অনেকে খুব বাহাদুরী কাজ বলে মনে করে থাকে। কিন্তু তাদের মনে রাখা উচিত আসলে তারা বোকার স্বর্গে বসবাস করটেছে। কারণ সত্য বেশিদিন গোপন থাকেনা।

৫.প্রশংসা করুন: মানুসের মন আর্কষণ করার জন্য তা প্রশংসা করার গুরুত্ব আপরিসীম। এর মাধ্যমে মৌমাছির মতো আপনার চারপাশের মানুসকে আপনার দিকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

১০২ বছরের পুরানো এক জাহাজ


old ship১০২ বছরের পুরানো এক জাহাজ এখন এক ভাসমান বনে পরিণত হয়েছে.....!!

যারা আজ প্রথম দেখলেন তারা লাইক দিন .......

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রোবট হাতি।

 ৪৯ জন মানুষ বহন করতে পারে এটি।

অনেক কষ্ট করে তথ্যগুলো জোগাড় করেছি আপনাদের জন্য। আপনারা লাইক শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার আগ্রহ মরে যায় । তাই পেজটিকে জীবিত রাখতে নিয়মিত লাইক এবং শেয়ার করুন । ধন্যবাদ ।
World big robot eliphint

ভালবাসার ঘর-সংসার


ভালবাসার ঘর-সংসারমায়াবী শিহরণের নাম প্রেম।নারী-পুরুষের এ প্রেমের সম্পর্ক যুগ যুগ ধরেই জন্ম দিয়েছে কত না কেচ্ছার । প্রেমে পড়ে নিঃস্ব হয়েছে কতজনাই। আবার প্রেমের সফল পরিণতি টেনে সুখে ঘর করছেন অনেক প্রেমিক যুগল। বলিউডের আকাশেও রয়েছেন তেমন ক’জন তারকা। যারা প্রেম নদীতে ডুবসাঁতারে যেমন ছিলেন দারুন আলোচনায় এখন ঘর সংসার নিয়েও তেমনই। ভালবাসার দুর্নিবার আকর্ষণেই একদিন মন দেয়া-নেয়া শুরু হয় বলিউডের আলোচিত জুটি কাজল-অজয়ের। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়েই ভাল লাগা তৈরি হয় তাদের মধ্যে। ভাল লাগা থেকে শুরু হয় ভালবাসা এবং অবশেষে ১৯৯৯ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তারা। কাজল হচ্ছেন বলিউডের স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রতিভাময়ী অভিনেত্রী। অসাধারণ অভিনয় দিয়েই জয় করে নিয়েছেন কোটি দর্শক হৃদয়। বাঙালি বংশোদ্ভূত এ অভিনেত্রীর বাবা সমু মুখার্জি ছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক আর মা তনুজা মুখার্জি ছিলেন অভিনেত্রী। ১৯৯৯ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি বলিউডের নামি অভিনেতা অজয় দেবগনের সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন এ অভিনেত্রী। বিয়ের পর কাজল মুখার্জি থেকে পরিচিত হয়ে ওঠেন কাজল দেবগন। বলিউডের ভালবাসার আরেক সফল জুটি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্য রাইয়ের মধ্যে ধুন্ধুমার প্রেম চলে দীর্ঘদিন। অবশেষে তারা পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। তাদের বিয়ের বয়স হতে চলল ৪ বছর। অথচ তাদের প্রেম-বিয়ে ঘিরে সবার আগ্রহ এতটুকু কমেনি! কমবেইবা কীভাবে? বচ্চনরা জানেন বাজারে নিজেদের ব্র্যান্ড কীভাবে টিকিয়ে রাখতে হয়। ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত এই বিয়ের সূত্রপাত কীভাবে তা নিয়ে এখনও বচ্চনরা মুখ খুলতে নারাজ। কোন ছবির সেটে কিভাবে বচ্চনপুত্র ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী কাছাকাছি এলেন তা আজও সবার কাছে অজানা। অভিষেক অবশ্য সমপ্র
তি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ঐশ্বর্যর সঙ্গে তার প্রথম দেখা হয় ১৯৯৭ সালে সুইজারল্যান্ডে। অভিষেক তখন বাবা অমিতাভ বচ্চনের প্রত্যাবর্তন ছবি ‘মৃত্যুদাতা’র সেট দেখতে বের হয়েছিলেন। আর ঐশ্বর্য শুটিং করছিলেন তার প্রথম ছবি ‘অউর পেয়ার হো গ্যায়ার’তে। অভিষেক বলেন, প্রথম সাক্ষাতে দু’জন এতো স্বাচ্ছন্দ্য ছিলাম যে, মনেই হয়নি আমরা কেউ কারও অপরিচিত। অভিষেকের জীবনে অবশ্য  প্রথম ‘ভ্যালেন্টাইন’ ছিলেন কারিশমা কাপুর। কিন্তু তা বেশি দিন টেকসই হয়নি। কারিশমার চেয়ে বরং বোন কারিনা কাপুর বেশ সুখেই আছেন। সাইফ আলি খানের সঙ্গে প্রেম করে তা বিয়ে পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। এখন তারা বেশ সুখেই আছেন। চলচ্চিত্রবোদ্ধাদের কেউই ভাবতে পারেননি অস্থির, ক্যারিয়ার-সচেতন কারিনা খান সাহেবকে এভাবে প্রেমের জালে বন্দি করে তা বিয়ে পর্যন্ত নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন। মজার ব্যাপার হলো, একদিন সাইফ আলি খানকেই মেয়ের বর করতে চেয়েছিলেন কারিনার মা ববিতা। তবে কারিনার জন্য নয়, কারিশমার জন্য। ১৯৯৪ সালে এক ছবির সেটে ববিতা রসিকতা করে সাইফকে বলেছিলেন, তুমি যদি বিবাহিত না হতে তাহলে আমি কারিশমার সঙ্গে তোমাকে বিয়ে দিতাম।  আট বছর মন দেয়া-নেয়ার পর ২০১২ সালের এই ফেব্রুয়ারিতেই বিয়ে করেন রিতেশ দেশমুখ ও জেনেলিয়া
ডি’সুজা। গত ৩ তারিখ ছিল তাদের প্রথম বিয়েবার্ষিকী। রিতেশ-জেনেলিয়ার প্রথম পরিচয় ২০০৩ সালে, ‘তুঝে মেরি কসম’ ছবিতে অভিনয় করার সময়। এরপর চুটিয়ে প্রেম করেছেন তারা। বলিউডের প্রেমের চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী বরাবরই নিজেদের ‘বিশেষ’ সম্পর্ক নিয়ে জনসমক্ষে মুখ খোলেননি এই জুটি। শেষ পর্যন্ত ভালবাসার ঘর বেঁধেই প্রেমের পরিসমাপ্তি ঘটান তারা।

My Love is 100% pure


My Love is 100% pure
তোকে ভেবে only
feel করি lonely

How can I make you sure?
My Love is 100% pure


দেখলি না রে কেউ
হৃদয় জুড়ে ঠেউ


রাত্রি আমার all about তুমি
তাই তো আমি সারাদিন ঝুমি


ডুবে আছি শোকে
তোর কাছে ওকে



ভাবিস না মারছি গুল
তুই এক সুন্দর ফুল


তোমার দেয়া কষ্ট বুকে
জমিয়ে
স্বপ্ন দেখি এখন যে খুব
কমিয়ে


তোমায় ভাবা এখন আমার
সারা রাতের duty
আয়নাতে চেয়ে দেখি
নষ্ট ফেসের beauty


বুকে আগুন জ্বালিয়ে
কোথায়া গেলে পালিয়ে?

১০
কাজল কালো অখিঁ তোমার
বাশির মত নাক
শেষ হবে না রূপের গান
গাইব না আর থাক

১১
যখন তোমান মনে পরে
হুট করে
বুকের মাঝে কামর দেয়
কুট করে

১২
যদি আমায় চাইতি
তবেই না পাইতি

১৩
মাথার উপর বজ্রপাত
তোমার হাতে অন্য হাত

১৪
ভালোবাসা গেল আমার উবে
অন্য প্রেমে তুমি যখন ডুবে

১৫
স্বপ্নে দেখি রোজ যারে
সে আমার বাস্তব না রে
১৬
গা জ্বলে যায় তোমার নানা ঢঙ্গে
পানির বোতল তাই তো রাখি সঙ্গে

১৭
মন করতে চুরি
তোমার নেই জুড়ি

১৮
তোর চোখে তাকালে
আমি যাই হারিয়ে
ভাবিস না মিছে কথা
বলছি না বাড়িয়ে

১৯
পোড়াস আমায় তুই
কেন পুড়িস না?
উড়াস আমায় তুই
কেন উড়িস না?

২০
তোমায় নিয়ে লিখব না never
এটাই যে শেষ লেখা এবার

সেই তুমি কেন আমার মনের কষ্ট দেখতে পাও না


সেই তুমি কেন আমার মনের কষ্ট দেখতে পাও না
কখনো ভাবি নাই তুমি এভাবে আমাকে ছেড়ে যাবে !

যেই তুমিই কিনা আমাকে ছাড়া থাকতে পরতে নাহ, 
যেই তুমি, আমি বলার আগেই আমার মনের কথা বুঝেছিলে
সেই তুমি কেন আমার মনের কষ্ট দেখতে পাও না ? 

সেই তুমি কেন আমার মনের কষ্ট দেখতে পাও না
আমি কিন্তু এখনো তোমার অপেক্ষায় আছি যতদিনকষ্ট সহ্য করার মত ক্ষমতা থাকবে সহ্য করে যাব...যেদিন আর সহ্য করতে পারবো না পৃথিবীটা ছেড়ে দিব...

মডার্ণ লাভ লেটার বাই মোবাইল এসএমএস


Mordan Love"যাও পাখি বল তারে সে যেন ভুলে না মোরে......."
অথবা "গাছটি হলো সবুজ ফুলটি হলো লাল......
তোমার আমার ভালোবাসা থাকবে চিরকাল................"

কথা গুলোর সাথে সবারই কম-বেশী পরিচয় আছে। আগের যুগের প্রেমিক-প্রেমিকারা তাদের ভালোবাসার কথা এইভাবেই চিঠির মাধ্যমে অথবা কবুতরের পায়ে কাগজ বেধে দিয়ে তার মনের মানুষকে প্রেমপত্র পাঠাতো। কিন্তু এই মডার্ণ মোবাইল যুগে?? ভালোবাসার চিঠি লিখার জন্য এখন ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল এর ম্যাসেজ অপশন। ধারাবাহিকভাবে তারই কয়েকটি আমি প্রকাশ করছি আপনাদের (যারা আধুনিক রোমিও-জুলিয়েট, তাদের পছন্দ নাও হতে পারে) জন্য।
..............................*************...............................

জান,
আমি তোমাকে ভালোবাসি, তুমিইতো আমার সব কিছু। রাতে ফোন করো। তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই। তোমার ভালবাসা চাই। আমি তোমার, শুধু তুমি আমার থেকো। তোমার জানু।


জান,
তুমি আমাকে ফোন কর না কেন? আমাকে প্রতিদিন ফোন করবে। আমি তোমাকে ভালোবাসি, অনেক অনেক ভালোবাসি। তুমি কখনো ভুলে যেওনা আমাকে প্লিজ।
তোমার জানু।


জান,
প্লিজ কল মি ইমিডিয়েটলী।
জানু।


জান,
তোমাকে আমি অনেক অনেক ভালোবাসি। আমি জানিনা তোমাকে জীবন সঙ্গী করতে পারবো কি না। কারণ সব কিছু নির্ভর করছে তোমার উপর। আমি যদি পারতাম তবে হৃদয় ছিড়ে দেখাতাম কত ভালোবাসি তোমায়। ১১ কিস. . . . . উম. . . . . . ? রাতে ছাদে আমি অপেক্ষায় থাকবো।
তোমার প্রেমী।

আমি ছাদে, তোমায় ছাড়া ভালো লাগছে না। কাছে এসো আরো কাছে বুকের ভিতর প্রানে-প্রানে সাজাবো স্বপ্নের বাসর।
তোমার প্রেমী জানু।


জান,
তুমি এতো পাষান হলে কি করে? আসলে তুমি আর আমাকে আগের মত ভালোবাসো না। তুমি কি বোঝো তোমাকে না দেখলে কিভাবে বেচে থাকি? বোঝো না তুমি। বুঝবে কি করে, তুমি তো ভালোই থাকো। তুমি আমাকে কেন কাদাও? আমি তোমাকে ভালোবাসি শুধুই ভালোবাসি। তুমি ঢাকা ছেড়ে গেলে আমি বাচবো কি করে? যেতে হয় আমাকে নিয়ে যাবে। একা কোথাও যেতে পারবে না।
জানু।


হাই
জান কেমন আছো? ভালো থাকো আর আমাকে বেশী বেশী ভালোবাসো। বুক ভরা ভালোবাসা মাখানো ৪৫ কিস. . . . . . উম. . . . . . আমার সাথে রাগ করে থেকো না।
তোমার প্রেমী।


কাল তোমার সাথে কি দেখা হলো? কথা হলো না, বসা হলো না, মন ভরলো না। সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। খুব খারাপ লাগছে। বুকের মধ্যে মনে হচ্ছে কি যেন নাই। এখন কি করি বলতো? তুমি ছারা সময় যেন কাটছে না। তুমি আমায় ছাড়া থাকো কি করে বলতো? ম্যাসেজের উত্তর দিও। অপেক্ষায় থাকলাম। ২০০ কিস তোমার প্রিয় ঠোটে দিবো।
তোমার ভালোবাসা। জানু।

সেক্স প্লেস;সীতাকুণ্ডে প্রেমের প্লেস

সেক্স প্লেস;সীতাকুণ্ডে প্রেমের প্লেস
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি :: মোবাইল ফোনে প্রেম আর প্রেম করার প্লেস হিসেবে নির্ধারন করেছে সীতাকুণ্ড আলীয়া মাদ্রাসার হাফেজিয়া খানার সামনে অবস্থিত জায়গাটিকে। সকাল ৮ থেকে রাত ১২ পর্যন্ত চলতে দেখা যায় এই প্রেমের দৃশ্য। সবার কানে মোবাইল ফোন, একজন একজনের পাশে দাড়িয়ে অথবা সামান্য কিছু দূর দাড়িয়ে পুরো বাগানটিতে এলোমেলো ভাবে ছড়িয়ে ছিড়িয়ে যার যার
মনের কথা বলে থাকে। তবে দিন যতই এগাচ্ছে, লোকের সমাগমও ততই বাড়ছে। সীতাকুণ্ড পৌর সদরে আলীয়া মাদ্রাসার হেফজ খানার সামনে এই বাগানটিকে মানুষ সহজেই প্রেমের প্লেস হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে কথা বলি ওই বাগানে কথা বলতে আসা মোঃ রিয়াদ উদ্দীন সাঈম জানান, ‘এখানে আমরা আসি মোবাইলে কথা বলার জন্য না, যদি মোবাইলে কথা বলি তাহলে বন্ধুদের সাথে কথা বলি, তাছাড়া আমরা এখানে মূলত ঘোরার জন্য আসি, কারন এখানে খোলামেলা পরিবেশ ও দারুন বাতাস এজন্য আমরা এখানে প্রত্যেকদিন কমপক্ষে একবার হলেও ঘুরতে আসি। একই সময় মোঃ হাসান কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ‘এখানে দাড়িয়ে দাড়িয়ে মোবাইলে কথা বলতে খুবই ভাল লাগে, কারন খোলামেলা পরিবেশ। এককথায় ভীষন ভাল লাগে। অন্যদিকে সেক্স প্লেস হিসেবে বেচে নিয়েছে সীতাকুণ্ডে অবস্থিত কিছু পার্কে। তবে পার্কগুলোকে দিনভর সেক্স প্লেস হিসেবে কাজ লাগাচ্ছে- স্কুল/কলেজ ছাত্র/ছাত্রী থেকে শুরু করে অবিবাহিত/বিবাহিতরাও। এইসব পার্কগুলো সেক্স প্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হলেও মুখ খুলছেনা কেউ। প্রশাসনের নাকে ডগায় এসব পার্ক গুলোতে দিনভর অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যকলাপ চললেও প্রশাসনিক কোন উদ্যোগ নেয়নি এখনো পর্যন্ত। অন্যদিকে লেখালেখিও করছেনা স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার রিপোর্টররা। তবে এতে দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড।

ফেসবুকীয় রোগ এবং এর লক্ষণ ও প্রতিকার


ফেসবুকীয় রোগ এবং এর লক্ষণ ও প্রতিকারফেসবুকের যুগে আমরা সবাই কম-বেশি ফেসবুক ম্যানিয়ায় আক্রান্ত। বিভিন্ন ফেসবুক রোগ এবং এর লক্ষণ সম্পর্কে আসুন জেনে নেওয়া যাক-

লাইকোসিস (likosis)
লক্ষণ: চোখের সামনে ছবি কিংবা স্ট্যাটাস আসা মাত্রই লাইক বাটন ক্লিক করা।

লাইকোফোবিয়া (likophobia)
লক্ষণ: যত মজার স্ট্যাটাস কিংবা ছবিই হোক, এই রোগে আক্রান্ত রোগী তা কখনোই লাইক দেবে না।

শাইএফবিমায়াসিস (shyfbmiasis)
লক্ষণ: অনেক দিন পর পর ফেসবুকে লগড-ইন হবে। দুই সপ্তাহ কিংবা তিন সপ্তাহের অধিক এই সময়কাল হলে বুঝতে হবে রোগী শাইএফবিমায়াসিসে আক্রান্ত।

চ্যাটোফোবিয়া (chatophobia)
লক্ষণ: এ ধরনের রোগী কখনোই অনলাইন হবে না। যদিও কালেভদ্রে অনলাইন হয়, তা-ও কেউ নক করলেই আবার অফলাইনে চলে যায়।

অনলাইনোমায়াসিস (onlineomiasis)
লক্ষণ: এ ধরনের রোগীকে সব সময় অনলাইনে পাওয়া যায়। হোক তা মোবাইল থেকে অথবা কম্পিউটার।

ট্যাগ সিনড্রোম (tag syndrome)
লক্ষণ: এই রোগাক্রান্ত রোগী দিনে একাধিক ছবি আপলোড করে সবাইকে ট্যাগ দিয়ে থাকে। লাইক পাক বা না পাক, এ নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই।

স্যাডসিনড্রোম (sadsyndrome)
লক্ষণ: এ ধরনের রোগী সারা দিন ফেসবুকে দুঃখের কবিতা কিংবা আই হেট লাভ টাইপ স্ট্যাটাস দেয়।

রিকোয়েস্ট সিনড্রোম (requestsyndrome)
লক্ষণ: এই রোগে আক্রান্ত রোগী যাকে সামনে পায় তাকেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায়। হোক সে ছেলে কিংবা মেয়ে।

কমেন্টটোলারিয়া (commentolaria)
লক্ষণ: এই রোগাক্রান্ত রোগী সব পোস্টেই অসাম, সুপারব, ওয়াও টাইপ কমেন্ট করতে ব্যস্ত।

রাবিশথোসিস (rubbisthosis)
লক্ষণ: এ ধরনের রোগীর কাছে পৃথিবীর সবকিছুই রাবিশ, অর্থহীন আর নেগেটিভ।

পোস্টলিও (postlio)
লক্ষণ: পোস্টলিও রোগে আক্রান্ত রোগীর লক্ষণ হচ্ছে, মেয়েদের ওয়ালে কবিতা ও সুন্দর সুন্দর ছবি পোস্ট করা।

এডিক্টটোমায়োলজি (Addictomiology)
লক্ষণ: এই রোগে আক্রান্ত রোগীর ফেসবুকের চিন্তায় ঘুম আসে না। চব্বিশ ঘণ্টাই এরা ফেসবুক নিয়ে পড়ে থাকে।

স্ট্যাটিওলাইসিস (statiolysis)
লক্ষণ: এই রোগে আক্রান্ত রোগী দিনে অজস্রবার স্ট্যাটাস আপডেট করে হোম পেজ ভরিয়ে রাখে।

ডি-অ্যাক্টিবেসিস (deactibasis)
লক্ষণ: ঘন ঘন আইডি ডি-অ্যাক্টিভেট করা এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

প্রতিকার: কমপক্ষে সাত দিন ফেসবুক থেকে দূরে থাকা। এবং মস্তিষ্ক রিফ্রেশ করা। এতেও কাজ না হলে প্রতিটি রোগের অ্যান্টি রোগ ফলো করা।

রাব্বী আহমেদ

এ বছরেই আসছে 'বাংলার ফাটাকেষ্ট'


এ বছরেই আসছে 'বাংলার ফাটাকেষ্ট'জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের অভিনীত 'বাংলার ফাটাকেষ্ট'র কাজ চলছে পুরোদমে। এ বছরেই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে আনার পরিকল্পনা চলচ্চিত্র নির্মাতার। আর সে লক্ষ্যেই এর যাবতীয় কাজ দ্রুত শেষ করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, 'এফডিসিতে গত ১৩ জুন পর্যন্ত বাংলার ফাটাকেষ্টর শুটিং করেছি। কিছু টেকনিক্যাল কারণে শুটিংয়ের কাজ কদিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই আবার শুটিং শুরু হবে। ছবির গল্পটি বেশ শিক্ষণীয়। আশা করি, দর্শকও পছন্দ করবে।'

'বাংলার ফাটাকেষ্ট' ছবিটি কলকাতার 'ফাটাকেষ্ট' ছবি অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে। ইলিয়াস কাঞ্চন ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন। পরিচালনা করছেন সাজ্জাদুর রহমান (বাদল)।

ছবির গল্পে দেখা যাবে, মাস্তান ফাটাকেষ্ট সমাজের গরিব-দুঃখীদের বন্ধু। গল্পের ধারাবাহিকতায় তিনি একুশ দিনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পান। এ সময়ের মধ্যে সমাজের সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জঞ্জালমুক্ত দেশ গড়তে প্রাণপণে কাজ করে যান।

ইলিয়াস কাঞ্চন ছাড়াও এ ছবিতে আরো অভিনয় করছেন বিশিষ্ট অভিনেতা প্রবীর মিত্র, নবাগত সিমি, কাবিলা, আমির সিরাজী প্রমুখ।


পুরুষাঙ্গ কেটে নারী হরমোন দিয়ে যৌনকর্মীর কাজ চালানো হয়


পুরুষাঙ্গ কেটে নারী হরমোন দিয়ে যৌনকর্মীর কাজ চালানো হয়ভারতে পাচারের আড়াই বছর পর কামাল হোসেন (২৫) নামের এক যুবক মিস নিহা হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন।

জোরপূর্বক লিঙ্গান্তর ঘটিয়ে তাকে দিয়ে ভারতের
ব্যাঙ্গালোরের একটি হোটেলে যৌন ব্যবসা চালানো হতো বলে জানিয়েছেন কামাল। লিঙ্গান্তরিত হওয়া কামাল গত ঈদুল আজহার দুইদিন আগে ভারত থেকে ফিরে আসার পর এখন ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। তাকে তিন সদস্যের একটি মেডিকেল টিম পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের চিকিত্সকরা জানান, কামাল তার স্ত্রী সন্তানের চিন্তায় বারবার কান্নাকাটি করছিলেন। তিনি আবার আগের মতো হতে বারবার আকুতি জানাচ্ছেন চিকিত্সকদের কাছে।

কামাল হোসেন জানান, তাকে নিয়ে ব্যাঙ্গালরের একটি হোটেলে কাজ দেয়া হয়। সেখানে কাজ করার পর পাচারকারী খোদেজা বেগম খদু তাকে অজ্ঞাত একটি চক্রের কাছে দুই লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়।

তারাই হাসপাতালে তার লিঙ্গান্তর ঘটায়। কামাল হোসেন অভিযোগ করেন, লিঙ্গান্তর ঘটানোর পর তাকে দিয়ে বিভিন্ন হোটেলে যৌনকর্মীর কাজ করান হতো এবং নিহা নামে তাকে ডাকা হতো। এসব কথা বলার সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি সুস্থ ও সবলভাবে ছেলে সফিকুল ইসলাম ও স্ত্রী সাজেদা বেগমকে নিয়ে বসবাস করার আকুতি জানান চিকিত্সকদের কাছে। এ সম্পর্কে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. এমদাদুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কামালকে জোর করে লিঙ্গান্তর ঘটনো হয়েছে স্রেফ যৌনকর্মীর কাজ করানোর জন্য। অপারেশনের আগে তার শরীরে হরমোন প্রবেশ করানো হয়। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন চক্রটি তার পুরুষাঙ্গ ও অণ্ডকোষ কেটে ফেললেও তারা নারীর যৌনাঙ্গ তৈরি করতে পারেনি। তবে সিলিকন জাতীয় কিছু দিয়ে তার স্তন তৈরি করা হয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য কামালকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে ডা. এমদাদ জানান। এদিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের গাইনি চিকিত্সক ডা. শামিমা সুলতানা জানান, কামালের পুরুষাঙ্গ কেটে কেসটেশন ও টেসটিস (অণ্ডকোষ) কেটে অর্কেডটোমি করে পুরুষ হরমোন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে তিনি আর মেল হরমোন তৈরি করতে পারছেন না। এছাড়া বাইরে থেকে নারী হরমোন দিয়ে তাকে আর্টিফিসিয়ালি মেয়ে মানুষ বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি জানান, কামাল আর পুরুষত্ব ফিরে পাবে না। তবে অপারেশন করে তার কৃত্রিম স্তন অপসারণ করা যাবে।

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের নুর মোহাম্মদের চার ছেলের মধ্যে কামাল ছিলেন তৃতীয়। ২০১০ সালে বাবার দারিদ্র্যের সুযোগে একই গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের মেয়ে খোদেজা বেগম খদু তাকে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচার করে। পাচার হওয়ার সময় কামাল তার বাড়িতে স্ত্রী সাজেদা খাতুন ও একমাত্র ছেলে সফিকুল ইসলামকে রেখে যান। স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে কামাল হোসেন এখন বিপাকে পড়েছেন। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে কামালকে সঙ্গে নিয়ে আসা তার বাবা নূর মোহাম্মদ জানান, ২০১০ সালে কামালকে ফুঁসলিয়ে এলাকায় নারী ও শিশু পাচারকারী হিসেবে চিহ্নিত খোদেজা বেগম খদু নামের এক মহিলা তাকে ভারতে পাচার করে। তিনি আরও জানান, ভারতে পাচার হওয়ার পর তিনি বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন পাচারকারী খোদেজা বেগম খদুর বিরুদ্ধে।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, কামালকে জোর করে লিঙ্গান্তরিত করা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, পাচারকারী খোদেজা বেগম খদু ঘটনার পর থেকে পলাতক। স্ত্রী-সন্তান থাকা একজন যুবককে লিঙ্গান্তর ঘটানো অন্যায় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে মনে করেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন।


প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

নগ্ন থাকতেই ভালোবাসেন জেনিফার!


নগ্ন থাকতেই ভালোবাসেন জেনিফার! বাড়িতে নাকি সারাদিন নগ্ন অবস্থাতেই থাকতে ভালোবাসেন হলিউড অভিনেত্রী

জেনিফার অ্যানিসটন। সম্প্রতি তার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক পত্রিকা মিরর।

সূত্রটি জানায়, সম্প্রতি ‘ব্রুস অলমাইটি’ ও ‘হরিবল বসেস’ খ্যাত জেনিফার নিজ বাসা ছেড়ে তার বাগদত্তা জাস্টিন থিরৌক্সের বাসায় উঠেছেন। সেখানেই নাকি এখন বাসায় সারাদিন নগ্ন থাকেন এই ৪৪ বছর বয়সী অভিনেত্রী।

শুধু তাই নয়, নগ্ন অবস্থাতেই নাকি তিনি বাসায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করেন এমনকি রান্নাও করেন।

যদিও শুরুর দিকে নগ্ন অবস্থায় জেনিফার খানিকটা অস্বস্তি বোধ করলেও এখন নাকি এ অবস্থাতেই তিনি স্বাভাবিক বোধ করেন বলেও জানায় সূত্রটি।

মনের মানুষ নেই প্রিয়াঙ্কার

মনের মানুষ নেই প্রিয়াঙ্কার
ডেস্ক রিপোর্টঃ সাবেক বিশ্ব সুন্দরী  প্রিয়াঙ্কা চোপড়া  বলিউডের সফলতম অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন। সম্প্রতি প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জানিয়েছেন যে, তার কোন মনের  মানুষ নেই । নিজেকে একাকী বলেই দাবি করেন ‘বারফি’ খ্যাত এই অভিনেত্রী।  শুধু তাই নয়, সম্প্রতি একটি ফটোসাইটে নিজের একাকী জীবনের ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন তিনি। সাইটটির একটি ছবিতে সিঙ্গেল, ম্যারেড, কমপ্লিকেটেড, ইন আ রিলেশনশিপ এবং আর্টিস্ট অপশনগুলোর মধ্য থেকে শেষেরটিকে বেছে নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা!

ভালবাসা শব্দটি গভীর রহস্যময়

ভালবাসা শব্দটি গভীর রহস্যময়
ভালবাসা শব্দটি গভীর রহস্যময় আর দারণ উপভোগ্য রোমাঞ্চকর। ভালবাসা মানুষের জীবনবোধের এক সম্ভবহীন নান্দনিক প্রত্যয় বলা যায়। আজ (৩য় পাতায় দেখুন) বিশ্ব ভালবাসা দিবস। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন ডে। বিশ্বের প্রেম পিয়াসী যুগলরা বছরের এই দিনকেই হৃদয়ের অনুভূতির আবেগে বেছে নিয়েছে হৃদয়ের ফুল ফুটাতে। আজ হৃদয়ের গহীন অরণ্যে ফুটবে ভালবাসার কাঙ্খিত ফুল। বেজে উঠবে হৃদয়ে কবিতার সুর। ‘হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল’ হয়ে দিন কাটবে সকল প্রেমপিয়াসীদের। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন। তিনি একজন তরুণ চিকিৎসক ও খ্রীষ্টান ধর্মযাজক। একদিন রোম সম্রাট ক্লডিয়াসের বিরোধীতা করায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগার কার ভাল লাগে বলেন? ভ্যালেন্টাইনের কাছে তো তা ছিল খুব বিরক্তিকর। ঠিক এমন সময় জেল সুপারের এক কন্যা ভ্যালেন্টাইনের কাছে আসল। ভ্যালেন্টাইনের চোখে ছড়িয়ে দিলেন ভালবাসার আলোর পশলা। ভ্যালেন্টাইনের অনুভূতি জেগে উঠল। তিনি স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেন। জেল সুপারের কন্যাও তাকিয়ে কী যেন দেখতে লাগলেন। কী যে অনুভূতি! কিন্তু এক পর্যায়ে বিচারে অভিযুক্ত হলেন সেন্ট ভ্যালেন্টাইন। তাকে দেয়া হল ফাঁসি। দিনটি ছিল ২৬৯ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি। মৃত্যুর আগে ভ্যালেন্টাইন তার প্রিয়তমাকে লেখেন একটি চিঠি। চিঠিতে স্বাক্ষর করে লেখেন এর পর থেকে সময় যেতে থাকে। ৪৯৬ খ্রীষ্টাব্দে তৎকালীন রোমের রাজা পপ জেলাসিয়াস এই দিনটিকে প্রথম স্বীকৃতি দেন ভ্যালেন্টাইন ডে বা বিশ্ব ভালবাসা দিবস। পৃথিবীর অসংখ্য নারী পুরুষের কাছে এই ১৪ ফেব্রুয়ারি সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের স্মৃতি বিজড়িত বিশেষ এক দিন ভালবাসা দিবস। মাত্র ২৪ ঘন্টার ফ্রেমে কি ভালবাসাকে বেঁধে ফেলা যায়? ভালবাসা তো একটা সতত প্রবাহমান স্রোতস্বিনী। এর মধ্যে আছে ঝড়ঝঞ্ঝা, চড়া উৎড়াই আর রহস্যময় চোরাবালি। ভালবাসা কারো কাছে চির সবুজের এক অশেষ সীমনা। ভালবাসার কতরকম যে অভিব্যক্তি! ইউসুফ-জুলেখা, রাধা-কৃষ্ণ, চন্ডিদাস-রজকিনী, হেলেন-প্যারিস, লাইলী-মজনু, অর্ফিউস-ইউরিদাইস, শিরি-ফরহাদ, ক্লিউপেট্টা-এন্থনি, রোমিও-জুলিয়েট, শাহজাহান-মমতাজ, বেহুলা-লখিন্দর প্রমুখেরা তো ভালবাসার ইতিহাসে কিংবদন্তি। সত্যি কথা বলতে কি, ভালবাসা মানে না জাত বেজাত, জাতি ধর্ম বর্ণ কোন বাঁধা। এর কাছে তুচ্ছ সব সামাজিক ধর্মীয় বিধি-বিধান। তাইতো ভালবাসার আগুনে পুড়ে হৃদয় হয় খাঁটি সোনা। ভ্যালেন্টাইন ডে- শুধু কি একদিনের ভালবাসা? শুধু কি প্রেমিক প্রেমিকার মিলনেই? নিশ্চয়ই তা নয়। ভালবাসাকে গভীর করতে দিবসকে স্তম্ভ মনে করতে পারি। যে দিবসে আমরা শপথ নেই পরস্পরকে শর্তহীন ভালবাসার। আজকের এ পৃথিবী বড়ই নির্দয়, কলুষিত ও ভালবাসাহীন। চারদিকে শুধু ভালবাসাহীনতার বিষবাষ্প, নোংরামী আর প্রতারণা। ভালবাসায় অবশ্যই ধর্মের, সমাজের স্বীকৃতি থাকতে হবে। তা না হলে ইহা নোংরামী বলেই স্বীকৃত হয়ে থাকবে। আমি জানি ভালবাসার শক্তির কাছে তুচ্ছ সব কিছু। ভালবাসাকে একদিনের ফ্রেমে বন্দী না রেখে এর রেশ ধরে রাখতে হবে সারা বছর সমাজে পরিবারে সবার সাথে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় আমাদের দেশেও দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। দেখা যাচ্ছে আধুনিকতার নামে বিশেষ করে বড় বড় শহর গুলোতে তরুণ তরুণীদের বেশ উন্মাদনা। গোপনে প্রকাশ্যে যা করছে তারা, একে অনেকেই নোংরামী আখ্যায়িত করছেন। আবার একটি মহল তাতে সায়ও দিচ্ছেন। আজকের এই দিনে শিক্ষাবিদ, গণমান্য ব্যক্তিবর্গ, ছাত্রছাত্রী ও কয়েকজন তরুণ তরুণীর অভিমত নিয়ে সাজানো হল আজকের বিশেষ প্রতিবেদন। মোঃ নজীবর রহমান, প্রভাষক ইতিহাস বিভাগ শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ ঃ আসলে প্রেমিক প্রেমিকার মাধ্যমেই এ দিবসটির সৃষ্টি। কিন্তু অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনেকই জানেনা। যে কারণে ভুল পথে না জেনেই ভালবাসার ছদ্মাবরনে ভালবাসার ক্ষতি সাধন বা ভালবাসার নামে নোংরামী করা হচ্ছে। ভালবাসা হচ্ছে বিশ্বাস ও আন্তরিকতা। ভালবাসা মা বাবা সহ সবার জন্যই। মোঃ ইসহাক মিয়া, প্রধান শিক্ষক ডিএনআই, বাহুবল ঃ আসলে বিশ্ব ভালবাসা দিবস ইউরোপ আমেরিকার সাংস্কৃতিক পালন করা হচ্ছে। ভালবাসা একটি সার্বজনীন শব্দ। গুরুত্ব না জানলে ভালর চেয়ে মন্দই বেশি হওয়ার সম্ভাবনা। ভালবাসা সবার সাথেই হতে পারে এবং হতে হবে। দিবস পালন করা যায়। তবে ভাল দিক গ্রহণ ও মন্দ দিক পরিহার করতে হবে। তিনি বলেন ভালবাসা দিবস উপলক্ষে আপনার মা বাবার জন্য কিছু উপহার কিনে নিয়ে যান, দেখবে ভালবাসা দিবসের তাৎপর্য বয়ে আনবে। মোঃ আব্দুল হান্নান সরকার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, বাহুবল ঃ সবাই সবাইকে ভালবাসতে পারে। তরুণ তরুণীর মাঝেও ভালবাসার বন্ধন তৈরী হওয়া নিন্দনী নয়। তবে এর আদলে যদি নোংরামীতে রূপ নেয় তবে তা পরিত্যাজ্য। সমাজ ও পরিবারের সমর্থন নেই এমন ভালবাসা (!) থেকে বিরত থাকা উচিৎ। ফখরুল ইসলাম মামুন বিএ অনার্স, সহ:শিক্ষক গাজীপুর চুনারুঘাট ঃ শুধু যুবক যুবতীর মাঝে বিদ্যমান সম্পর্কই ভালবাসা নয়। ভালবাসা একটি ব্যাপক বিষয় যা সবার জন্য প্রযোজ্য। পার্কে বসে আড্ডা, লেকে গিয়ে যুবক যুবতীর ভ্রমণ তা ভালবাসার সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ নয়। এসব পছন্দ করি না। কামরুল হাসান সাংবাদিক শায়েস্তাগঞ্জ ঃ ভালবাসার দিবস পালন আমি আদৌ পছন্দ করি না। এগুলো হচ্ছে একটা নোংরামীর আয়োজন। মোঃ শহীদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক বাহুবল উপজেলা প্রাঃ শিক্ষক সমিতি ঃ প্রেম ভালবাসার কোন স্তর নেই। যে কোন বয়সেই প্রেম ভালবাসা আসতে পারে। তবে তা যেন হয় সৎ এবং স্বচ্ছ। বিশ্ব ভালবাসা দিবস হিসেবে ভাল ভেবে নিলে তা ভাল হবে। দিলরুবা ইয়াছমিন নূপুর, শিক্ষার্থী বিএ, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ হবিগঞ্জ ঃ ভালবাসা ছিল, আছে, থাকবে। কিন্তু কোন অবস্থায়ই ধর্ম ও সমাজ গ্রহণ করে না এমন কার্যকলাপ আমি মোটেও লাইক করি না। কোন কিছু পালন করলে যদি ভাল কিছু সৃষ্টি হয় তবে তা করা যায়, নইলে পালন না করাই শ্রেয়। শারমীন আক্তার রিয়েল, হবিগঞ্জ ল’ কলেজ ঃ বর্তমানে তরুণ তরুণীর মাঝে বিদ্যমান সম্পর্কই আমরা ভালবাসা মনে করি। এটা ঠিক না। ইহা শ্বশ্বত সার্বজনীন, এর ব্যাপ্তি অনেক। ভালবাসা মানে প্রেমিক প্রেমিকার মিলনই নয়। তরুণ তরুণীর মাঝে উন্মাদনা তো ভালবাসা নয়, ইহা গর্হিত কাজ। এ দিবসের উৎস স্থল রোমের ভ্যালেন্টাইনও কিন্তু এমন গর্হিত কাজ করেননি। অনেকে প্রেম ভালবাসাকে এদের মাঝে আটকে ফেলেছেন। সবার ভালবাসাই সবার জন্য থাকা উচিৎ। পারিবারিক পরিমন্ডলে ভালবাসা দিবস পালন করা যেতে পারে। এর বাইরে পছন্দ করি না। মোঃ মাসুদ মিয়া, প্রভাষক গাজীপুর স্কুল এন্ড কলেজ, চুনারুঘাট ঃ খড়াব ভড়ৎ ধষষ- ভালবাসা সবার জন্য। ধর্ম বর্ণ বা গোত্রে ভালবাসা সীমাবদ্ধ থাকতে পারেনা। তবে নৈতিক অবক্ষয় হয় এমন সম্পর্ক ভালাসার আওতায় নয়। লিয়াকত আলী বিএ, গাজীপুর ঃ ভালবাসা তো ভাল। তবে পর যুবত যুবতীদের মাঝে ভালবাসার নামে যেসব অনৈতিক কার্যকলাপ হয় তা মোটেও সমর্থনযোগ্য নয়। বরং ঘৃণিত এবং ঘৃণা করা উচিৎ। ভালবাসা সব মানুষকেই বিলিয়ে দেয়ার বিষয়। আল মামুন চৌধুরী, শিক্ষার্থী নবীগঞ্জ ঃ ভালবাসার আবার দিবস কিসের? আমি এসব নোংরামী পছন্দ করি না। মিনারা খাতুন, প্র.শি রামপুর গভঃ প্রাইমারী স্কুল, বাহুবল ঃ ভালবাসার কোন দিন মাস বছর নেই, এর কোন পরিমাপ নেই। কোন উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোন ভালবাসা হয় না। ভালবাসা প্রাকৃতিক নিয়মেই আসে। ভালবাসার নামে অশ্লীলতা সমর্থন করা যায় না। জেসমিন আক্তার, শিক্ষার্থী মাধবপুর কলেজ ঃ প্রেম বা ভালবাসা সবার মাঝেই আছে। কামভাব ভালবাসার লক্ষণ নয়। ভালবাসার
সম্পর্কের কারণে অনৈতিক সম্পর্ক সৃষ্টি করা এটাতো প্রেম নয় নোংরামী। আব্দুর রউফ, সহঃ শিক্ষক, এল.আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় বানিয়াচং ঃ প্রেম ও ভালবাসা এক নয়। ভালবাসা সবার জন্যই। প্রেম একটি শ্রেণীর মাঝেই গড়ে উঠে। তবে প্রেমের নামে অনৈতিকতা নিন্দনীয়। শর্ব্বানী দত্ত, সহঃশিক্ষিকা লামাতাশী গভঃ প্রাইমারী স্কুল বাহুবল ঃ প্রেম ভালাবাসা দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। মা বাবা সহ সব মানুষের মাঝেই পারস্পরিক ভালবাসা থাকতে হবে। আবার তরুণ তরুণীর মাঝে যে সম্পর্ক গড়ে উঠে তা এক অন্য রকম ভালবাসা। ইহা মনের এক অনুভূতি থেকে সৃষ্টি। প্রেম যে কারো সাথে গড়ে উঠতেই পারে। এতে বয়স, স্থান কাল জাতি ধর্ম বর্ণ কোন ভেদাভেদ নেই। প্রেম স্বর্গীয়। মোঃ মুশাহিদ আলী, প্র.শি বাহুবল মডেল প্রাঃ স্কুল ঃ ভালবাসার দিবস টিবস আমি পছন্দ করি না। ইহার উদ্দেশ্য ভালর চেয়ে খারাপ বেশি। এই প্রবণতা সমাজকে কলুষিত করে। তা বন্ধ করা উচিৎ। পিয়ারা খাতুন, সহঃ শিক্ষিকা বড়গাঁও স্কুল ঃ ভালবাসা সবার প্রতি সুসম্পর্কই ভালবাসা। আর তরুণ তরুণীর মাঝে বিদ্যমান সম্পর্ক ইহা ব্যাক্তিগত ভালবাসা। ইমরান আহমেদ দৈনিক লোকালয় বার্তা ঃ আমি ভালবাসা পচন্দ করি, কারন ভালবাসা একে অন্যের হিংসা বিদ্ধেষ দুর করে পরষ্পর ভ্রাতৃত্ব ঘটায়, তাই আমার মতে ভালবাসা পচন্দ করা দোষের কিছু নেই। এবারের বিশ্ব ভালবাসা দিবস বয়ে আনুক গরীব অসহায় সহ সকল মানুষ ও মানবতার জন্য ভালবাসা। দূর হোক সকল প্রকার নোংরামী। ইহাই আমাদের প্রত্যাশা।

ঝড় তুলছে শার্লিনের কামসূত্র


ইউটিউবে সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ভারতের দিক্ষণি পরিচালক রুপেশ পলের ইন্দো-ফ্রেঞ্চ ছবি থ্রিডি ‌‌‌‌কামসূত্র`র প্রথম প্রমো। আর এ প্রমো প্রকাশ পাবার পরেই এক রকম ঝড় উঠে নেট দুনিয়ায়। প্রমো প্রকাশের ৩০ মিনিটের মাঝেই ৫৫ হাজার হিট হয়। আর তিন দিনে হিটের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে যায়।

আর এ হিটের কারণ এ ছবির নায়িকা শার্লিন চোপড়া। এ প্রমোতে শার্লিনকে একেবারেই খোলামেলা পোশাকে দেখা যায়। এবং আবেদনময়ী এক নারী হিসেবে দেখা যায় তাকে। শার্লিন প্লে বয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কন্যা হয়েছিলেন। এবং তিনি তার টুইটারে লিখেছিলেন ‌আই হ্যাভ হ্যাড সেক্স ফর মানি` ।

কামসূত্রের গল্প নিয়েই মূলত এ ছবিটি নির্মাণ করা হচ্ছে। আর এখানে শার্লিন দর্শককে নতুন কামসূত্র শেখাবেন বলে বলছেন পরিচালক।

শার্লিন বলেন ‘আমি খোলামেলা পোশাকে স্বচ্ছন্দ বোধ করি, আমার যৌনসত্ত্বাকে ছবি আর ভিডিওর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে ভালবাসি। পছন্দ করি যখন কেউ আমাকে `টিজ` করে। ভালবাসি যৌনতা’!

চলতি বছরেরই ছবিটি মুক্তি পাবার কথা রয়েছে। বর্তমানে এর শুটিং এর কাজ চলছে। ভারতের বিভন্ন রাজ্যে ছবিটির শুটিং হয়েছে। তবে বিতর্ক এড়াতে পরিচালক ফ্রান্স, ইতালি ও লন্ডনে রতি শিক্ষার দৃশ্যগুলোর শুটিং করছেন।

শার্লিন ছাড়াও ছবিতে ‘দুলারি’ নামের একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন কবিতা রাধেশ্যাম। এর আগে এই অভিনেত্রী বন্যপ্রাণীদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে সামিল হয়ে নগ্ন ফটোশ্যুট করেছিলেন। ছবিতে তাঁকেও দেখা যাবে শার্লিনের মতোই আদুল শরীরে রতিসুখ শেখাতে। ছবিতে নৃত্য-নির্দেশক সরোজ খানের নেতৃত্বে পঞ্চাশ জন নগ্নিকাকে নৃত্য করতে দেখা যাবে। উইকি সূত্র জানাচ্ছে, এ ছবির আরও দুটি সিক্যুয়েল তৈরি হবে ফোর ডি ও ফাইভ ডিতে


প্রথম প্রেমের গল্প


প্রথম প্রেমের গল্প
ভালবাসা কি ইহা বুঝিতে বুঝিতে বালকের বয়স কখন যে ১৯ পার হইয়া গেল,তা বালক নিজেও টের পাইল না।।জীবনের ১৯টা বসন্ত একাকী নিশ্চিন্তে কাটাইয়া দেওয়ার পর,তাহার মাথায় ভালবাসার ভুত উদয় হইল।এই ভূত কোন সুন্দরী ললনাকে দেখিয়া নয়,বরং এর নেপত্থ্যে রহিয়াছে”বাংলা সিনেমা।এক পড়ন্ত বিকালে বালক যখন টেলিভিশন খুলিয়া বসিল,ঠিক তখনই কোন এক চ্যানেল এ শুরু হইতেছিল বাংলা সিনেমা “সখি ভালবাসা কারে কয়। খেলা ব্যাতিত আর কিছু না দেখা বালাক সেইদিন কিঞ্চিত কৌতুহল হইয়া সিনেমা খানা দেখিল এবং সিনেমা শেষে তার অর্জিত জ্ঞান হইল যে,অনেক হইয়াছে আর না,এইবার একখানা প্রেম করিতে হইবে মোরে.........

কিন্তু জীবন তো আর সিনেমা না,তাই বালকেরও কোন ললনার বিপদের মুহূর্তের নায়ক হয়ে উঠা হয় না। এইভাবে বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হইবার পর বালক যখন আশা-ভালবাসা ছাড়িয়া শান্তির জীবনে ফিরিয়া আসিতেছিল,তখনই তাহার জীবনের সবচাইতে আকাঙ্খিত অনাকাঙ্খিত ঘটনাখানা ঘটিল............

সহজ সরল বালক তাহার শিক্ষাঙ্গনে আতেল এবং পাংচুয়াল হিসেবে কিঞ্চিত পরিচিত ছিল।একদিন রৌদ্র উজ্জল এক বসন্তের সকালে এক সুন্দরী সহপাঠী ললনা আশিয়া তাহার সহিত বন্ধুত্ত পাকাইল।সরলমতি বালক দুনিয়ার গরলতা না বুঝিয়া ব্যপক আনন্দিত হইল এবং ভাবিল্‌,জীবনে তবে বসন্ত আসিল।ললনা দিনে-রাতে তাহার সহিত মুঠোফোনে বাকচিত করিতে লাগিল,
আর মিষ্টি মধুর কথা দিয়া বালকের হ্রদয়ে ঢেউ তুলিতে লাগিল।বালক ভাবিল,ললনা তাহার মাঝে বিগলিত হইয়াছে।তাই বালক,ললনার জন্য নিবেদিত হইল,ললনার প্রয়োজন মিটাইতে ব্যকুল হইল,ললনার পরিক্ষার নোট তৈরি করিয়া দিল,এসাইনমেন্ট করিয়া দিল,কেরানিকে ঘুস দিয়া ললনার শ্রেণীকক্ষে উপস্থিতির হার বাড়াইয়া নিল... আর ললনার কন্ঠে বালকের প্রশংসায় মধু ঝরিয়া পরিতে লাগিল,চটপটি-ফুচকা খাইবার হারও চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়িতে লাগিল,বালকের মানিব্যাগের স্বাস্থ্যহানি হইতে লাগিল।বালক ভাবিল,যা বুঝার বুঝিয়াছি,এইবার মুখে বলিয়া লই হ্রদয়ের কথা।কিন্তু ললনার বাসনা,যা বুঝার বুঝিয়া লও,মুখে কিছু নয়..কিছুদিন পর পরিক্ষা আসিয়া উপস্থিত হইল এবং বালক ও ললনা পাশাপাশি বসিয়া পরিক্ষা দিল।ললনার জন্য বালক তাহার খাতা এবং সময় উৎসর্গ করিল।পরিক্ষা একদিন শেষ হইল এবং একই সহিত ললনার মুঠোফোনের ব্যালেন্সও শেষ হইল।সরলমতি বালক ভাবিল,হ্রদয়ের কথা বলিবার সময় আসিয়াছে কিন্তু ললনার যে দেখা নাই।তাই দিল ললনার মুঠোফোনে রিং।মিষ্টভাষী ললনার মিষ্টি কন্ঠস্বরের বিলুপ্তি না বুঝিয়া বালক যেই কহিতে যাইবে হ্রদয়ের কথা,ললনা তাহাকে থামাইয়া দিয়া কহিল,আমার বয়ফ্রেন্ড ফোন করিতেছে,তুমি তবে রাখ।সরলমতি বালক বুঝিল না ঘটনা কি হইল,তাহার মনে শুধু প্রশ্ন রইল,সখি ভালবাসা কারে কয়?আর বন্ধুত্ব মানে কি??বালক্ ব্যাপক কষ্ট পাইল,তাই পরিক্ষায় ডি গ্রেড পাইয়াও মন বিশেষ খারাপ করিল না,শুধু চাহিয়া দেখিল,ললনা এ+ সেলিব্রেট করিতেছে তাহারে ভুলিয়া....।

১৬ বছর বয়সে বাবার সাথে সহবাস করেছিলেন অ্যাঞ্জেলিনাঅ্যাঞ্জেলিনা জোলী

১৬ বছর বয়সে বাবার সাথে সহবাস করেছিলেন অ্যাঞ্জেলিনাঅ্যাঞ্জেলিনা জোলীহলিউডের সেক্সি অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জীবনটাও যেন সিনেমার কাহিনীর মতই রঙীন ও বিতর্কিত। জীবনে তিনি বহু বহুবার প্রেমে পড়েছেন। প্রেমে পড়াটা জোলির কাছে যেন কর্ণিক একটা রোগ। তবে সম্প্রতি জোলি সম্পর্কে যে তথ্যটা লেখক অ্যান্ড্রু মর্টন জানিয়েছেন তা ভীষণই রোমাঞ্চকর। অ্যান্ড্রু মর্টন লিখেছেন যৌবনের সন্ধিক্ষনেই জোলীর মনে মারাত্মক যৌন উন্মাদনা জাগে। তার বশবর্তী হয়ে তিনি চরম একটা ভুল কাজ করে বসেন। লেখক অ্যান্ড্রু মর্টন জোলিকে নি
য়ে একটা আত্মজীবনী লিখেছেন। জোলীর এই আত্মজীবনীতে তিনি জানিয়েছেন, মাত্র ১৬ বছর বয়সেই নাকি জোলী তাঁর কুমারিত্ম হারিয়েছিলেন। এটা হয়েছিল তার স্বইচ্ছাতেই। জোলী তাঁর মায়ের প্রেমিক মার্কেনাইল বারট্রেন্ডের সঙ্গে সহবাস করেছিলেন। তখন তিনি স্কুলের ছাত্রী। অ্যাঞ্জেলিনা জোলীর মায়ের সঙ্গে মার্কেনাইলের লিভ ইন রিলেশানশিপ ছিল। তারা এক বাড়িতে থাকতেন। মার্কেলাইনের সঙ্গে জোলীর মায়ের বহুদিনের গভীর প্রেম চলছিল। কিন্তু মায়ের চোখ এড়িয়ে জোলী তাঁর মায়ের প্রেমিকের সঙ্গে সহবাস করেন একাধিকবার। জোলীর মা যখন প্রেমিকের সঙ্গে তাঁর নিজের কন্যার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জানতে পারেন তখন তিনি তাঁর প্রেমিক্কে তাড়িয়েদেন। তার সঙ্গে আর কোন সম্পর্ক’ও তিনি রাখেন নি কোনদিন। তিনি সব সম্পর্ক মিটিয়ে ফেলেন। তবে জোলী মায়ের এই সিদ্ধান্তের বিরধিতা করেছিলেন। এরফলে জোলীর সঙ্গে তাঁর মায়ের সম্পর্কেও চির ধরেছিল। এই ব্যাপার নিয়ে মায়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিন মনোমালিন্য হয়েছে। পরে অবশ্য তা ঠিক হয়ে যায়। সম্প্রতি জোলীও এই ঘটনার কথা তাঁর ভায়ের কাছে স্বীকার করেছেন।

সূত্র  ঃBangla থেকে বাংলা

ইন্টারনেট মধুচক্রের বিশ্বময় জাল: লাইভ সহবাস

ইন্টারনেট মধুচক্রের বিশ্বময় জাল: লাইভ সহবাসক্যাম ফোর নামে এই সাইটটিতে রমরম করে চলছে দেহ ব্যবসা। সারা পৃথিবীর দেহ ব্যাপারিরা ভির জমিয়েছে এই সাইটে। বিশ্বের কোন সরকাররেরই মাথা ব্যাথা নেই এই অশ্লীল যৌনতার লিলা খেলা বন্ধ করার জন্যে। ডলারের বিনিময়ে নগ্ন হচ্ছে নারি-পুরুষ।  আর তা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছে একদল কামাতুর।


ক্যাম ফোর টেলিকাস্ট করছে সহবাস করার লাইভ ভিডিও। কখন কখন দর্শকদের অনুরোধে বা টাকার লোভে দেহ ব্যবসাই পেচ্ছাপ- পায়খানা করে খাচ্ছে। এক নরকের জীবনের ছবি ভেসে আসছে ক্যাম ফোর এর মাধমে।