বদলে গেছে চারপাশ। কিন্তু আমি আছি সেই আগের মতো। একটুও কমেনি তোমার প্রতি ভালবাসা।


বদলে গেছে চারপাশ। কিন্তু আমি আছি সেই আগের
মতো। একটুও কমেনি তোমার প্রতি ভালবাসা।
আজীবন ভালবেসে যাব। আমার পৃথিবীর
বিরাট অংশজুড়ে শুধুই তুমি। দূরে ঠেলে দিয়ে কেন এত
বড় শাস্তি দিলে তুমি ???
...

আমার কথা কি একটুও মনে পড়ে না তোমার ??
জানি তুমিও কষ্ট পাও,তবে কেন থাকো দূরে ??
আগের মত এখন আর কেউ কোনো কাজে জোর
করে না। কারো ভোরের মেসেজে এখন আর ঘুম ভাঙ্গে না। তাই আমি জেগে থাকি সারারাত।
কেঁদে যাই ক্লান্তিহীন।

হারিয়ে ফেলেছি তোমাকে। তার থেকে বাস্তব সত্য
হারিয়ে ফেলেছি নিজেকেই। অনুভূতিগুলো শেয়ার করার
কেউ নেই। আর কখনো কেউ ডাকবে না আমায়।

সামান্য ভুল কিংবা জমে থাকা অভিমানে আমার
ভালবাসার প্রতিদান তুমি এভাবে দিলে ???
তোমার হাসিটা দেখব বলে আমি আজও অপেক্ষায় থাকি।
আমি জানি সে হাসিটা আমার সব দুঃখ ভুলিয়ে দেবে।

আমার প্রতিটিক্ষণ এখন কাটে একটামাত্র মেসেজের রিংটোনের অপেক্ষায়। অপেক্ষার বাঁধ ভেঙ্গে যায়
তবু আমি অপেক্ষায় থাকি। তোমার ফিরে আসার
অপেক্ষায় কষ্টের দিনগুলো কেটে যাবে...

ভাল থেকো তুমি। জেনে রেখ,
পৃথিবীতে এমন একটা মানুষ আছে যে তোমার পৃথিবীর
সাথে নিজের পৃথিবীটাকে এক করে ফেলেছে।
যার কখনো বিচ্ছেদ ঘটবে না। অপেক্ষায় থাকলাম.......

আমার যখন তখন রাত হয়ে যায় মেঘে মেঘে মন দেখে যায়


আমার যখন তখন রাত হয়ে যায়
মেঘে মেঘে মন দেখে যায়
মনের ভিতর বৃষ্টি ঝরে
তোমার কথাই মনে পড়ে

...
আমার যখন তখন ভুল হয়ে যায়
ভুলে ভুলে পথ যে হারায়
পথের মাঝে আমি একা
পাই না খুঁজে তোমার দেখা

আমার যখন তখন ঘুম ভেঙ্গে যায়
অনিদ্রায় রাত কেটে যায়.........
রাতের সাথে আকাশ তারা
তুমি ছাড়া আমি ভুবন হারা.......।।

কিসে করবো বিশ্বাস? কাকে করবো বিশ্বাস?


বিশ্বাস!

কিসে করবো বিশ্বাস?
কাকে করবো বিশ্বাস?
প্রেমিকা প্রেমিককে বলেছিলো,
...
'বিশ্বাস করো, তোমাকে ছাড়া এক
মুহুর্তও
আমি থাকতে পারবোনা'
সেই প্রেমিকা এখন আরেক পুরুষকে
বলে,
'বিশ্বাস করো,
তোমাকে আমি হারাতে পারবোনা!

এই হলো বিশ্বাস!!???

যদি খুজতে চাও আমায়, তবে খুজে দেখ ঐ নীল আকাশের মাঝে।


যদি খুজতে চাও আমায়,
তবে খুজে দেখ ঐ নীল আকাশের মাঝে।

যদি বুঝতে চাও আমায়,
তবে কুল ভাঙ্গা নদীকে বোঝ।
...

যদি অনুভব করতে চাও আমায়,
তবে অনুভব কর কালো অন্ধকারকে।

যদি সঙ্গি করতে চাও আমায়,
তবে সঙ্গি কর নিঃসঙ্গতাকে।

যদি বালোবাসতে চাও আমায়,
তবে ভালোবাসো নয়নের অশ্রুকে।

যদি আপন করতে চাও আমায়,
তবে আপন কর কষ্টকে।

তবে খুজে দেখ কে আমি ?
পারো কি বুঝতে আমায় ?

ভালোবাসা প্রকাশ করার মত কোন ভাষা আজো আবিষ্কার হয়নি



ভালোবাসা প্রকাশ করার মত কোন
ভাষা আজো আবিষ্কার হয়নি, তাই নীরবতাকেই
বেছে নিলাম । কতটুকু ভালোবাসি তা প্রকাশ করার
জন্য কোন স্কেল আবিস্কার হয়নি, তাই হৃদয়
জুড়ে ভালবাসলাম । কেন শুধু তোমাকেই
...
ভালোবাসি,কারন জানি না বলে কিছু বোলো না,
অকারন কে দোষ দিয়ে দিতে পার ।।
গতকালের চেয়ে অনেক বেশি ভালোবাসি আজ,
কাল ভালবাসবো অনেক বেশি আরও ।
ভুলে যেতে বলেছিলে তোমায়, হুম্মম...এ
জীবনে তো আর সম্ভব না, আর একবার জন্ম
নিলে চেষ্টা করে দেখতে পারি । যদি প্রশ্ন
করো কেন এতোটা ভালোবাসি !!! যা প্রকাশ করার
ভাষা ,পরিমাপ করার স্কেল অথবা কোন কারন
আজো পাইনি । উত্তর
একটাই ..."ভালবাসতে ভালোবাসি....

প্রেম করলে শরীরও টপ ক্লাস থাকে


সত্যিই, প্রেম করলে শরীরও ফার্স্ট ক্লাস থাকে। রিসার্চ বলছে।সত্যি হোক, মিথ্যে হোক, মনেপ্রাণে বিশ্বাস করুন, শরীর না সারুক, প্রেমটা তো হবে!

তবু মনে রেখো
এই হরমোনটির নামটি খটমট। ডিহাইড্রোপিয়ানড্রোস্টেরন। তবে স্বভাবে বড় রোম্যান্টিক। প্রেমে হাবুডুবু খেলেই সে বেদম উৎসাহে শিরায়-উপশিরায় বইতে থাকে। মনটাও তখনই আহ্লাদে ভরে ওঠে। স্নায়ুরাও সতেজ, চনমনিয়ে ওঠে, কর্মক্ষমতাও বেড়ে যায়। আখেরে লাভ হয় স্মৃতিশক্তির। ওই যে! ‘এই ব্যাগটাই তুমি ভালোবাসা দিবসের দিন, হলদে সালোয়ারটার সঙ্গে নিয়েছিলে না?’ ‘তুমি এটাও মনে রেখেছ? সো সুইটটট!!!’ সবই প্রেম-হরমোনের দয়া!

ক্যান্সারের অ্যান্সার
জানেন, বিবাহিতদের মধ্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার, অবিবাহিতদের তুলনায় বেশ কম। আর আইওয়া ইউনিভার্সিটি সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। ফল বেশ চমকপ্রদ। জরায়ু’র ক্যানসারে আক্রান্ত কয়েক জন মহিলা চিকিৎসায় দারুণ সাড়া দিচ্ছেন। ঘটনাচক্রে এঁরা বিবাহিত জীবনে ভীষণ সুখী। তাতেই নাকি এঁদের শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদনের ক্ষমতা বেড়ে গেছে। এই রক্তকণিকাগুলিই ক্যান্সার কোষদের বাড়াবাড়ি তো বন্ধ করেই, একেবারে খতম করে দম নেয়।

স্ট্রেস গন কেস
ধরা যাক, আপনার ও আপনার সঙ্গী’র সম্পর্ক যারপরনাই মজবুত, অন্তরঙ্গ। নিজেদের নিয়েই মশগুল। তবে আর বাইরের দুনিয়ার টেনশন, চিন্তা-ভাবনায় আপনাদের কী আসে যায়? এক জনের জীবনে কোনও ঝামেলা এলেও সে একা নয়। সঙ্গী পাশে আছে সব সময়। ব্যস, স্ট্রেস বাছাধন জব্দ। আসল ব্যাপারটা বলি। ‘ইন আ রিলেশনশিপ’ হলেই, অ্যাড্রেনালিন গ্রন্থি ভেল্কি দেখায়, শরীরে জন্ম নেয় ডিহাইড্রোপিয়ানড্রোস্টেরন। এই প্রেম স্পেশ্যাল হরমোনই হল স্ট্রেসের যম। এরই আশীর্বাদে, দু’জনার এই একটাই প্রেমময় জীবন কিন্তু, পরম সুখময় হয়।

নো চিনচিন নো টনটন
প্রেম করলেই মস্তিষ্কের একটা বিশেষ অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই অংশটিই ব্যথা, বেদনা, যন্ত্রণাগুলোকে লাগাম পরিয়ে রাখে। কয়েক দিন আগে, প্রায় ১,২৭,০০ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছিল। জানা গেছে, বিবাহিত মানুষের মাথাব্যথা, পিঠে কোমরে যন্ত্রণা কম হয়। যার বিয়ে যত বেশি পরিতৃপ্তির, তার জীবনে যন্ত্রণা তত কম। এমন পুলকিত, হরষিত দাম্পত্যে, দুঃখ-চিন্তা-স্ট্রেসের জায়গা কই? তা নষ্টের গোড়াই যেখানে নাই, তখন ঘাড় ব্যথা, মাথা ব্যথা এ সব সমস্যাই বা আসবে কোত্থেকে?

চেঁচিয়ে মাত ব্লাড প্রেসার কাত
যাঁরা বিয়ে করে বেজায় সুখী, তাঁদের রক্তচাপটাও নাকি কখনও ঝামেলা করে না। নিজেরা যেমন সঙ্গীর শাসনে চলেন, তেমনি এঁদের রক্তচাপও সব সময়ে নিয়ন্ত্রণে বাঁধা থাকে। তবে যে সব অবিবাহিত মানুষ খুব মিশুকে, প্রচুর বন্ধু-বান্ধব নিয়ে হল্লা করে দিন কাটান, তাঁদেরও ব্লাডপ্রেশার নিয়ে চিন্তা নেই, বলেছেন বিজ্ঞানীরা।

ও সুইটহার্ট
হিউম্যান কমিউনিকেশন রিসার্চ বলছে, বন্ধু, আত্মীয় বা জীবনসঙ্গীকে নিয়ে সময় কাটান। তাদের সঙ্গে দু’টো ভালবাসার মিষ্টি মিষ্টি কথা বলুন। তাতে কোলেস্টেরল লেভেল বাড়বে না। ফলে হার্ট অ্যাটাক বা অন্যান্য কার্ডিয়োভাসকুলার রোগ-ব্যাধিও ধারে কাছে ঘেঁষবে না।

ভাইরাস ভেগে যা
খিটখিটে মনমরা দম্পতিদের থেকে হাসিখুশি সুখী যুগলদের জীবনটাই বেশি আরামের। বলে কী? আরে হ্যাঁ, ওদের চোট-আঘাত লাগলেও নাকি দ্বিগুণ তাড়াতাড়ি সেরে যায়। এমন কী ঠান্ডা লাগা, ফ্লু ভাইরাসও সহজে কাবু করতে পারে না ওদের। সব রকম ‘অসুখ’ ভ্যানিশ। প্রেমের এমনি মহিমা। জানতেন?

ফুটন্ত রক্ত ছুটন্ত রক্ত
কারওর সঙ্গে থাকতে, তার সঙ্গে কথা বলতে দারুণ ভাল লাগছে? মস্তিষ্ক বুঝলেই হৃদয়ে সঙ্কেত পাঠিয়ে দেয়। ওই জন্যেই তো হৃদ্পিণ্ডটি ধকধক করে, খুশিতে বুকের খাঁচায় হার্টটি তুড়ুক তুড়ুক লাফায়। আর বুকের ধুকপুকুনি বাড়লে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালনও ভাল হয়। সব জায়গায় রক্ত পৌঁছায় ভাল ভাবে, দৌড়ে দৌড়ে, তাড়াতাড়ি। তখন শরীরের সব কলকব্জাও তেড়ে-ফুঁড়ে কাজ করে।

চিরগ্রিন সভা
ডিহাইড্রোপিয়ানড্রোস্টেরন বা প্রেম হরমোন ‘অ্যান্টি এজিং’-এর কাজটাও সামলে দেয়। মনে প্রেম থাকলেই শরীরে যৌবন থাকবে। ভালবাসলে এন্ডরফিন হরমোন ক্ষরণ হয় একটু বেশি। তাতে ত্বকে রক্ত চলাচল হয়। ত্বক নরম, মসৃণ থাকে। ফলে বলিরেখা, কুঁচকানো চামড়া থেকেও রেহাই মেলে। ‘ওর’ চোখে সুন্দর থাকতে হবেই, এই মনের জোরটুকু থাকলেই বার্ধক্য হেরে ভূত।

একা বোকা থাকব না
প্রেম নইলে বিমর্ষ চিত্ত। মানুষটি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। সমাজের মূল স্রোত থেকে দূরে সরে যায়। আর একা একা থাকলে, মৃত্যুও সময়ের আগেই হানা দেয়। সত্যি! এতে অকালমৃত্যুর সম্ভাবনা পাঁচ গুণ বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, একা বোকাদের তুলনায়, জোড়ায় জোড়ায় মানুষ অনেক দিন হেসে-খেলে বেঁচে থাকে। তাদের জীবনে কত ভালোবাসা, খালি পরস্পরকে আঁকড়ে থাকা! সেই সুন্দর ভুবনে বাঁচার ইচ্ছেটাই সব অসুখকে হারিয়ে দেয়। সেই ১৯৭৯ সাল থেকে ন্যাশনাল লঙ্গিটিউডিনাল মর্টালিটি স্টাডি এই বিষয়ে গবেষণা করছে। দেখা গেছে, বেশি দিন বেঁচে থাকার রেসে, বিবাহিতরাই চ্যাম্পিয়ন। আর একটি রিসার্চ বলছে, কোনও হাসপাতাল এদের বেশি দিন আটকে রাখতে পারে না, ডাক্তার-বদ্যিও তেমন দরকার লাগে না। একে-অপরকে এরা যত্ন করে, ভালবাসে, ভাল রাখে। তাই অসুখ-বিসুখের বালাই নেই। কম বয়সে ড্রাগের নেশায় চুর হয়ে থাকত, সকাল-বিকেল বারে গিয়ে বসে থাকত, এ রকম লোকজনও বিয়ের পর শুধরে যায়। স্বাভাবিক জীবন কাটায়। এমন নজিরও চার পাশেই প্রচুর পাবেন।

প্রেম করে সুখ বনাম প্রেম না করে সুখ


প্রেম করলে মানুষ সুখে থাকে নাকি না করলে? উত্তরটা আমি সঠিক জানিনা তবে আমার মনে হয় প্রেম না করলেই মানুষ বেশি সুখে থাকে। প্রেম করা মানেই জালে জরিয়ে যাওয়া। প্রেমিক কে রক্ষা করে চলতে হয় প্রেমিকার মন আর প্রেমিকা কে রক্ষা করে চলতে হয় প্রেমিকের মন। এর একটু বাতিক্রম হলেই আর রক্ষা নেই ঝগড়া ঝাটি লেগেই আছে।

প্রেম করলে অনেক কিছু হারাতে হয় তবে আমার মনে হয় সর্বপ্রথম যেটা হারাতে হয় সেটা হল নিজের মনের স্বাধীনতা। সবসময় ওকে চিন্তার মাঝেই রাখতে হয় তা না হলে যে ও মন খারাপ করবে! নিজের অজান্তেই মন ওর একটু ভালোবাসা পাবার অপেক্ষায় অধীর হয়ে থাকে। যদি সেটা না পাওয়া যায় তাহলেই মন বিদ্রোহ করে বসে, কোন কাজই সে আর আপন মনে করেনা।

কিন্তু প্রেম না করলে এসব ঝামেলা নেই। কখন কি করবো তা অন্তত সিদ্ধান্ত নিতে কেউ বাধা দেবার থাকেনা। চিন্তা করতে হয়না যে কেউ এই সিদ্ধান্তের ফলে মন খারাপ করবে কিনা!

কিন্তু যত যাই বলিনা কেন, প্রেম করার আগে প্রত্যেক টি মানুষ ভাবে জীবনের সব সুখ মনে হয় প্রেমের মাঝেই। প্রেম জীবনের কিছু সময় অতিবাহিত করার পর যখন বোঝে যে ‘সুখ ত নাই এখানে উলটো ঝামেলায় জড়িয়ে গেছি’ তখন আর ওখান থেকে ফেরার পথ থাকেনা। আপনি যিতই চেষ্টা করুন না কেন কেবল প্রেম শুরু করছে এমন কন ছেলে বা মেয়েকে এটা বোঝাতে পারবেন না যে সে জীবনে সুখ পাবার আশায় যে পথে রওনা দিয়েছে সেই পথে আসলে তা পাওয়া যাবেনা।


আলমারী ভর্তি টাকার মাঝে সুখ নাই। সুখ আছে স্বামী স্ত্রী একসাথে চাঁদ দেখার মাঝে।


মানুষ বলে, "আমার চাচাত বোনের
বিয়ে হইছে ডাক্তারের সাথে!
ছেলে ঢাকা মেডিকেলে পড়তো! চাচাত বোনটার ভাগ্য
কত ভালো!"

মানুষ আরো বলে, "আমার খালাত বোন বিয়ে প্রেম
করে বিয়ে করছে। ছেলে ছোট্ট একটা চাকরী করে।
খালাত বোনটার কপাল পুড়ছে।"
মানুষ বোঝে না, 'ভালো চাকরীর' সাথে 'সুখে থাকা'র
কোনো সম্পর্ক নেই। সুখ জিনিসটা আসলে অন্য
জায়গায়।

আলমারী ভর্তি টাকার মাঝে সুখ নাই। সুখ
আছে স্বামী স্ত্রী একসাথে চাঁদ দেখার মাঝে।
স্যুট টাই, দামি শাড়ির মাঝে সুখ নাই। সুখ
আছে স্বামী স্ত্রী একসাথে এক প্লেটে আলু
ভর্তা ভাত খাওয়ার মাঝে।
আত্মীয় স্বজনের কাছে গৌরবের
সাথে পদমর্যাদা বলার মাঝে সুখ নাই। সুখ
আছে স্বামী স্ত্রীর মধ্যবিত্ত খুনসুটির মাঝে।

আমি কখনই চাইনি তোমার নিঃশ্বাসের কাছে আসতে । শুধো চেয়েছি তোমায় একটু ভালবাসতে ।


আমি তো কখনো তোমায় ছুতে চাইনি ,
চাইনি তোমার পাঁজরে বন্দী হতে,
চাইনি চাঁদনী রাতে তোমার হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে ।
মাঝে মাঝে মন যে চায় না তা না, তবে তুমি চাইবেনা বলেই আমিও আর চাই নি ।


আমি কখনই চাইনি তোমার নিঃশ্বাসের কাছে আসতে । শুধো চেয়েছি তোমায় একটু
ভালবাসতে । সে অধিকার থেকে আমায় বঞ্চিত কর না প্লীজ । আমি জানি তুমি
আমায় ভালবাসবে না । তবু দূর থেকে আমি ভালোবেসে যাব ।


মাঝে মাঝে হয়ত
খুব ইচ্ছে হবে তোমার সাথে কথা বলতে, দূর থেকে একটুখানি দেখতে । কিন্ত … না,
তোমার রঙিন জীবনে আমি বাঁধা হয়ে দাঁড়াব না । আজ থেকে তুমি মুক্ত ।


ভাল থেকো ।

এখন আমি আমার সব সুখগুলো কে বিসর্জন দিয়ে হলে ও তোমাকে ভুলে যেতে চাই ,

জানো তোমার স্মৃতিগুলো কে যত বেশী ভুলতে চাচ্ছি , তোমার স্মৃতিগুলো শুধু আকঁড়ে ধরছে আমাকে ,, ভুলতে দিচ্ছে না , জানো এখন আমি আমার সব সুখগুলো কে বিসর্জন দিয়ে হলে ও তোমাকে ভুলে যেতে চাই , সত্যিই ভুলতে চাচ্ছি ,,, ভাবছ ঘৃণা করি তোমাকে , তবে সত্যিই এখন আমি ঘৃণা করি তবে তোমাকে নয় ,,আমার নিজেকে ,ঘৃণা করি এই জন্য যে তোমার মত এক জনকে কেন ভালবাসতে গেলাম , ,, কেন বুঝিনি তোমার অভিনয় ,, মাঝে মাঝে একাকীত্বের প্রহর গুলো বার বার মনে করিয়ে দেয় তুই এমন এক জনকে ভালোবেসে ছিলে যে ভালোবাসা নিয়ে খেলা করে .. জানতে ইচ্ছা করে তুমি কাউকে নিয়ে সুখী হবে কোনদিন ,,


ভাবছ অভিশাপ দিচ্ছি ,ভাবছ তো এটা আবার কেমন প্রশ্ন ,, তবে শুধু এক বার নিজেকে প্রশ্ন করে দেখ তুমি কাউকে ভালবাসতে পেরেছ ,, তোমার কাছে কোন উত্তরও নেই ,, কারন তুমি বোঝনা না ভালবাসা কি ,, তাই না ,, তাই বলবো এক বার নিঃস্বার্থ ভালোবেসে দেখ , এক বার কাউকে বিশ্বাস করে তার হাতে হাত রেখে তাকে মন থেকে ভালোবেসে দেখ সত্যিই সুখি হবে ,,


কারন তোমার একটু সত্যি ভালবাসা কাউকে বাঁচাতে শেখায় , আর তোমার মিথ্যা অভিনয় কাউকে অন্ধকারে ছেড়ে দেয় ,,,,, তাই তো তোমার চোখে আর চোখ রাখব না কোনদিন ,বলবো না অনেক ভালোবাসি তোমায় ,,,,,,

প্রেমরোগ,চিকিত্সা ,বাঁচার উপায় ,পরিণতি :


আজকের বিষয় প্রেমরোগ
প্রিয় পাঠক, প্রেমরোগ সম্পর্কে আমরা সবাই কিছু না কিছু অবগত আছি। তাছাড়া আপনারা সবাই কম বেশি এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে আমার বিশ্বাস। এটি একটি দুরারোগ্য ব্যাধি। তাই এ রোগ সম্পর্কে জানা আমাদের সবারই আবশ্যক। এ বিষয়টিকে মাথায় রেখেই এখানে প্রেমরোগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করলাম।

প্রেমরোগ কী ও কেন : প্রেমরোগ একটি আন্তরিক রোগ। অন্তরের অন্তঃস্তল থেকে এ রোগের উত্পত্তি। এক কথায়, প্রেমে পড়ার কারণে যে রোগের সৃষ্টি হয়, তাকে প্রেম রোগ বলা হয়। তবে প্রেমরোগের সর্বজনীন কোনো সংজ্ঞা এ পর্যন্ত কোনো বাপের পুতে দিতে পারেনি। নারী-পুরুষের পরস্পরের প্রতি সুদৃষ্টির (নাকি কুদৃষ্টির) বাণ নিক্ষেপের ফলে এ রোগের সূচনা হয়। নারীর রূপ-যৌবনের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পুরুষ আর পুরুষের অর্থ সম্পদ ও স্মার্টনেসের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নারী এ রোগে আকান্ত হয়ে থাকে।

উপসর্গ : প্রথম প্রথম বেশ খুশি খুশি লাগবে। মেজাজটা খুবই ফুরফুরে দেখাবে। রাতে ঘুম কিঞ্চিত্ই হবে। ফলে চেহারায় ব্রণ দেখা দেবে। ছেলেমেয়ে উভয়ের মাঝে বেপরোয়া ভাব সৃষ্টি হবে। লাজ-শরম মাথা খেয়ে পালাবে। ছেলের পকেট ফাঁকা হয়ে যাবে। মোবাইলে ঘন ঘন টাকা লোড করতে হবে। ছেলের মধ্যে বাপের পকেটের টাকা চুরির অভ্যাস সৃষ্টি হবে। ফলে বাপের সঙ্গে তার দূরত্ব সৃষ্টি হবে। এভাবে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হতে থাকবে।
‘প্রথম প্রথম লাগে ভালো টক লাগে তার পরে,
দিনে দিনে বাড়ে জ্বালা আগুন লাগে ঘরে। থাকে না লাজ-ভয়।’

চিকিত্সা : ‘প্রেমরোগ কঠিন রোগ সহজে তা ছাড়ে না,
কোনো ডাক্তার এই না রোগের ওষুধ দিতে পারে না।’ সুতরাং যুবক-যুবতীরা সাবধান! প্রেমরোগে আক্রান্ত হওয়ার আগেই নিজেকে সেইফ করে নিন।

বাঁচার উপায় : প্রেমরোগের যেহেতু চিকিত্সা নেই, সেহেতু এ রোগ থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করাই বুদ্ধিমানের কাজ। পুলিশি ভাইরাস থেকে বাঁচতে যেমন পুলিশ থেকে নিরাপদ দূরে থাকতে হয়, প্রেমের ভাইরাস থেকে বাঁচতেও একইভাবে নারী-পুরুষকে পরস্পর থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে। পরস্পরের দিকে দৃষ্টি দেয়া থেকে বেঁচে থাকতে হবে। পরস্পরের সঙ্গে মিষ্টি ভাষায় কথা বলা যাবে না। ভাষা একটু কর্কশ হতে হবে। অত্যধিক সাজুগুজু পরিহার করতে হবে। সর্বোপরি প্রেমরোগ প্রতিরোধে পর্দার বিকল্প নেই।



পরিণতি : এ জগতে প্রেমেরোগের শুভ পরিণতির দৃষ্টান্ত মেলা ভার! প্রেমের পরিণতি হয় কখনও মৃত্যু, কখনও বিচ্ছেদ, কখনও ছেলের দেউলিয়াত্ব আবার কখনও মেয়েকে হতে হয় ২৮ টুকরা লাশ! এছাড়াও আরও অনেক ভয়ানক ও করুণ পরিণতির মধ্য দিয়ে প্রেমের সমাপ্তি ঘটে। তাই আসুন, আমরা প্রেমরোগ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকি।

গার্লফ্রেন্ডকে প্রপোজ করার নানান ধরন(ফান পোষ্ট)!

প্রপোজ করবেন কি ভাবে নিজেই নির্বাচনকরুন!!!!


১. ব্ল্যাকমেইল স্টাইলঃ আমি তোমাকে ভালবাসি।
তুমি হ্যাঁ বললে তো ভালো। কিন্তু না বললে তখন
অন্য মেয়ে খুঁজতে হবে। আর সেটা তোমার বোন ও হতে পারে!!

২. ডাইরেক্ট স্টাইলঃ শোনো মেয়ে,
আমি কোনো রকম ভূমিকা-টূমকা
না করে একেবারে সোজাসুজিভাবে তোমাকে একটা কথা বলে দিতে চাই।
- আমি তোমাকে ভালোবাসি।

৩. মাস্তানি স্টাইলঃ ওই মাইয়া, ভালবাসা দিবি কি-
না, বল!(চাকু/বন্দুক দেখিয়ে) :O

৪. যুক্তিবাদী স্টাইলঃ আমি তোমার ছোট
ভাইকে ভালোবাসি। তোমার ছোট ভাই
তোমাকে ভালোবাসে। অতএব, যুক্তিবিদ্যার
নিয়মে কি হয়? বাকিটা তুমিই বল!!

৫. চালাক স্টাইলঃ তুমি কি জানো, আমাদের জাতীয়
সংগীতের দ্বিতীয় লাইন টা কি??

৬. রসিক স্টাইলঃ Excuse me!
আমি তোমাকে প্রপোজ করতে চাই। please
অনুমতি দাও।

৭. হিজড়া স্টাইলঃ এই দুষ্টু মেয়ে। তুমি এ কি জাদু
করলা? তোমাকে দেখলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়।
আবার তোমাকে না দেখলে অস্থিরতা মরে যাই।
তুমি কি জানো?
আমি তোমাকে অনেননননননননন….ক ভালোবাসি।

৮. ডিজুস স্টাইলঃ Hi,whatsup sweet
heart ? , wanna be maa
lavaa,actually I am in love with u !  

৯. ভীতু স্টাইলঃ ইয়ে মানে!! ইয়ে মানে !!!
আমি মানে ! আমি মানে তোমাকে ,……। ( আর
বলা হয় না )

১০. গায়ক স্টাইলঃ গানের
গলা ভালো হলে একটা গান গেয়ে বলতে পারেন…
“এত ভেবে কি হবে? ভেবে কি করেছে কে কবে?
ভাবছি না আর, যা হবে হবার। এত দিন বলিনি,
তুমি জানতো আমি এমনি…… ভালবাসি !!”

১১. দেবদাস স্টাইলঃ কেউ আমাকে ভালবাসে না। এ
জীবন আমি রাখবনা। তোমার কাছে বিষ হবে? আমায়
বিষ দাও। আমায় বিষ দাও। (কান্নায় ভেঙ্গে পড়ুন)

১২. কাব্যিক স্টাইলঃ কবি কবি ভাব থাকলে ২
লাইন কবিতার মাধ্যমে প্রপোজ করতে পারেন !!
আশা করি এই টুকলিফাই এর যুগে কবিতার অভাবহবে না!!

১৩. অনুভূতিহীন স্টাইলঃ তোমাকে আমার খুব পছন্দ
হয়েছে। এখন তুমি আমাকে পছন্দ না করলেও
আমি পাঁচতলা থেকে লাফ দিবো না, বিষ খেয়েও
মরবো না। যদি আমাকে তোমার পছন্দ হয়,
তাহলে বল।

তো আপনি কোন স্টাইলে করবেন?

deshi hot nice picture,5

বেশি সুঁদরী মেয়েদের বিয়ে করলে বর্তমানে সমস্যাই পরতে হবে 









deshi hot nice picture,4

সুন্দরী দেখে না মনটা ভালো করে যাচাই করে লাইফ পাটনার বাছাই করুন