নতুন প্রেমের টিপস


বেশ কয়েক দিনে ধরে একজনকে খুব ভাল লাগছে। কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারছেন না কী করবেন। আসলে আপনি খুব `কনফিউজড`। 
কিছুটা কঠিন সময়ের জন্য থাকল কিছু টিপস---


১) চোখের ভাষা বোঝো---- বেশ কয়েকদিন ধরে তো ওর দিকে দেখছো, ভেবে দেখুন তো একবারও কি চোখের মাধ্যমে কোনও সংকেত আদানপ্রদান হয়েছে কি। যদি 

উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলে বলব, এবার বোঝার চেষ্টা করো ওই দুটো চোখ ঠিক কী বলতে চাইছে। উত্তরটা নেগেটিভ নাকি পজেটিভ সেটা মাথা দিয়ে, অঙ্ক দিয়ে ঠান্ডা মাথায় 

বিচার করুন। মনে রাখবে ওই অঙ্কটা কিন্তু আপনার আগামি কটা দিনের জন্য হয়ত বা আজীবনের জন্য খুব গুরত্বপূর্ণ হতে চলেছে। আর তাই চোখের ভাষাটা শুধু নিজের 

পছন্দের মত করে মানে করবে না, আর চোখের সংকেতকে ভাষায় পরিণত করার কঠিন কাজটা নিজেই করুন, প্লিজ বন্ধুদের সাহায্য নেবে না। এতে বিভ্রান্তি বাড়বে।

যদি চোখের মাধ্যমে কোনও এখনও কোনও যোগাযোগ স্থাপন না করে থাকেন তাহলে বলব, এখুনি করে ফেলুন। হ্যাঁ, না এসবের কিছু একটা কিছু একটা সংকেত অবশ্যই 

পাবেন। মনে রাখবেন চোখটা মনের আয়না। চোখে অবশ্যই মনের প্রতিফলন পড়বে। এবার আপনার ব্যাপার সেই আয়নার ছবিটাকে আপনি ঠিক কী মানে করবেন।

২) পছন্দের মানুষটার ভালো লাগা-খারাপ লাগাগুলো জানো-- 
আস্তে আস্তে জানতে থাকো পছন্দের মানুষটা ভাললাগা খারাপ লাগাগুলো ঠিক কীরকম। প্রিয় রঙ, প্রিয় 

সিনেমা, প্রিয় নায়ক- নায়িকা, পছন্দের পোষ্য, হবি এসব মোটা দাগের পছন্দের মধ্যেও অনেক বার্তা থাকে। মনে রেখো কাউকে ভালবাসতে হলে তার ভাললাগাকে ভালবাসতে হয়। এমন কথাটা তো স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন। তাই দেখে নাও তোমার পছন্দের মানুষটার ভাললাগাটা তুমি ভালবাসতে পারবে কি না। হতে পারে তুমি হয়তো একটুকু 

`সেকেলে`, আর তোমার পছন্দের মানুষটা হয়ত লেট নাইট পার্টি আর হেভি ড্রিংকস তত্ত্বে বিশ্বাসি .. কিংবা হয়ত ঠিক তার উল্টোটা... ভেবে দেখো এবার কী এগোতে চাও! 


৩) তাড়াহুড়ো করবেন না---- এমন একটা মনের অবস্থায় সবচেয়ে কঠিন কাজ নিজেকে শান্ত রাখা। নিজের মনের কথা জানানোর আগে কয়েকবার ভেবে নিন তোমার 

ভালবাসাটা অপাত্রে দান হয়ে যাচ্ছে না তো। এতে হয়তো এতে কিছুটা সময় যাবে, কিন্তু মনে রাখবেন ভাল জিনিস পেতে গেলে তাড়াহুড়ো করলে চলে না। এই যে খনি 

থেকে কত কয়লা ভাঙলে তবে একটা হিরে পাওয়া যায়। শ্রমিকরাই বলে, কত কয়লা এমন পড়ে নষ্ট হয়ে যায় যেগুলো শুধু তাড়াহুড়োর কারণেই হিরে আছে কিনা জানা 

যায় না। সম্পর্কস্থাপনের প্রক্রিয়াটাও ঠিক কয়লা থেকে হিরে বের করে আনার মত। তাড়াহুড়ো করলে অনেক দামী জিনিস নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৪) প্রস্তাবের দিন (First Dating)--- এই দিনটা একটা সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনটায় নিজেকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখো। আলাদা করে নিজেকে 

সাজিয়ে রেখো না। তুমি যেরকম সেরকমই নিজেকে উপস্থাপন কর। নিজের পেশা, ভাললাগাগুলো সত্যি সত্যিই বল.. মনে রেখো আমরা অনেক সময় মোড়ক দেখে 

জিনিস কিনি ঠিকই, কিন্তু সেই জিনিসটা ভাল না হলে ব্যবহার করি না শুধুই সাজিয়ে রাখি। তাই মোড়ক নয় আসল আমিটাকেই তোমার প্রিয় মানুষটার সামনে তুলে ধর। 

হতে পারে সেটা তাঁর দারুণ পছন্দের হল না। কিন্তু সততা আর সত্যির একটা আলাদা মুল্য আছে। ভালবাসার ক্ষেত্রে কথাটা বড় বেশি করে সত্যি।

৫) সত্য রে লও সহজে-- লুডো খেলছে কখনও। তা হলে তো জানোই, এই যে আমরা ডায়াস মানে গুটিটা যখন কোর্টের মধ্যে ছুঁড়ি তাতে ছক্কার পরার সম্ভাবনা থাকে ১/৬ ভাগ। অঙ্ক জিনিসটা বড় কাঠখোট্টা গো, ওসব হিসাবটিসাব মানে না। তুমি যাকে প্রেমের প্রস্তাব করছো তার কাছ থেকে পজেটিভ উত্তর আসার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ। আবার প্রত্যাখানের সম্ভাবনাটাও ওই ৫০ ভাগ। এই অঙ্কটা যদি বুকে পাথর চড়িয়েও মেনে নাও তাহলে ভাল। প্রস্তাবের দিন ওর মুখে না শুনে নিজেকে বদলে ফেল না, জোর করো না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যে কথাটা খুব বলতেন সেটা মেনে নাও। সত্য রে লও সহজে... 

আর অবশ্যই উত্তর যদি হ্যাঁ আসে তাহলে একেবারে সপ্তম স্বর্গে উঠে যেও না। মনে রেখো যেই মুহূর্তে উত্তর হ্যাঁ এল তোমার ওপর অনেক দায়িত্ব এল। আসল দায়িত্বটা 

হল যে মানুষটা তোমায় এত বিশ্বাস করে হ্যাঁ বলল, সেই বিশ্বাসটা ফিরিয়ে দেওয়ার। এটা কিন্তু অনেক কঠিন কাজ। 
৬) যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখো--- প্রস্তাব করার পর উত্তর যাই আসুক যোগাযোগ যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখো। জানি কথাটা মুখে বলা অনেক সহজ, করা কঠিন। কিন্তু শুধু তোমার প্রস্তাবে না করেছে বলে তুমি দেবদাস হয়ে পাগলামি করবে কিংবা শক্তি কাপুরের মত ভিতু হয়ে লেজ গুটিয়ে পালাবে এমন কাজ করো না। তবে হ্যাঁ তাকে ভুলে যাওয়ার জন্য কদিন একটু দূরে থাকতেই পারো। 

আর প্রেমের প্রস্তাবের উত্তর হ্যাঁ আসলে ফোন,এসএমএস, মেলের সংখ্যা অতি উত্‍সাহে এমন বাড়িয়ে ফেলো না যাতে সে বিরক্ত হয়। মনে রেখো তুমি যতই ক্ষুধার্ত হও 

বেশি খেলে কিন্তু বদহজম হয়ে যায়।

প্রেমিকদের জন্য টিপস: কিভাবে সম্পর্ক উষ্ণ রাখবেন...........


ছ্যাকা না খাওয়ার কিছু টিপস দিলাম.....কিছু নেট হতে সংগৃগীত, কিছু বন্ধুদের দেখে, কিছু নিজের অভিজ্ঞতা লব্ধ। আর টিপসগুলো প্রেমিকদের জন্য।

১. প্রথম কথা হচ্ছে যাকে ভালবাসবেন তার প্রতি কমিটেড থাকুন।একই সংগে তিন চারটা সিম চালাবেন না।
২.আপনার প্রিয়তমাকে দিনে একবার হলেও ভালবাসার কথা প্রকাশ করুন, একই ভাবে না, ঘুড়িয়ে ফিরিয়ে, বা বুদ্ধীদিপ্ত ভাষায়।
৩. টুকটাক ছোটখাট গিফট দিন। যেমন কানের টপ, ছোট্ট আয়না, ছোট্ট টেডি ইত্যাদি।
৪. আপনার প্রিয়তমাকে অ্যাপরিসিয়েট করুন সবসময়, কি পড়লে তাকে সুন্দর, স্মার্ট দেখায় সেটি বলুন। কিভাবে চুল বাধলে তাকে সুন্দর লাগে সেটা বলুন। 
৫. নিজের প্রিয়তমাকে সবসময় বিশ্বের সেরা সুন্দরী ভাববেন।
৬. মাঝে মাঝে তাকে নিয়ে ঘুড়তে বের হবেন। কোন রেস্টুরেন্টে নিয়ে যেতে পারেন।
৭. আপনার প্রিয়তমা কি চায় সেটা বুঝতে চেষ্টা করুন, ধরুন আপনি আপনার সঙ্গীনির সাথে রিকশায় যাচ্ছেন, আপনার প্রিয়তমা চাচ্ছে আপনি তার কোমরে বা হাতে ধরে হোল্ড করুন, কিন্তু লজ্জায় বলতে পারছে না, আপনি বুঝে নিন।
৮. দুজনে পাশাপাশি হাটার সময় আপনি আপনার সঙ্গীনির পেছনে থাকবেন, কখনো আগে আগে হাটবেন না।
৯. কাজ কাজ করে পাগল থাকবেন না। প্রিয়তমার সাথে ঘুরার সময় ব্যাস্ততার ভান করবেন না।
১০. অন্য কোন কারণে জমে থাকা স্ট্রেস বা ক্ষোভ আপনার প্রেমিকার উপরে ঝারবেন না।
১১. প্রেমিকাকে সন্দেহ করা থেকে বিরত থাকুন। রাত বারটায় আপনার প্রেমিকার ফোন বিজি থাকলে সে যে অন্য ছেলের সাথে প্রেম করছে এটা ভাবা থেকে বিরত থাকুন।
১২. আপনার প্রেমিকার আগে কোন ছেলের সাথে যদি ঘনিষ্ঠতা থাকে এবং আপনি যদি রিলেশনের পরে সেটা জানতে পারেন, তখন আগেই এটা নিয়ে আপনার প্রেমিকাকে চার্জ করবেন না। আগে সবকিছু সম্পূর্ন রুপে জেনে তারপর সিদ্ধান্ত নিন।
১৩.শুধু প্রেমিকা নয়, তার বাবা-মা, ভাই-বোনদের সম্পর্কে কেয়ার নিন।
১৪. আপনার প্রেমিকার কোন অ্যাটিচুড পছন্দ না হলে, তাকে খোলাখুলি বলুন।
১৫.সেক্স এবং বিয়ে পরবর্তী জীবন ও প্লানিং সম্পর্কে খুলাখুলি আলাপ করুন।


(ব্রেকআপ-এর জন্য অনেকেই অপরপক্ষকে একতরফা দোষারোপ করে। তবে ব্রেকআপ জন্য যে উভয়পক্ষই দায়ী এটা সবাই বুঝে না। ভালবাসা আদায়-এর ক্ষেত্রে ভালবাসা দিয়েই তা আদায় করা সম্ভব। ভং,লুলামী, কবিতা, স্মার্টনেস, ক্যারিয়ার, মানি, পাওয়ার-এর বিনিময়ে যে ভালবাসা পাওয়া যায় সেটা একধরনের মোহ, সেটা খুব কম সমই লাস্ট করে অথবা একসময় বোরিং হয়ে যায়। আপনি আপনার প্রিয়তমার কেয়ার নিন, তাকে বুঝুন, তাকে সুখী করা চেষ্টা করুন, তার কাছ থেকে ভালবাসা আদায় করে নিন। দেখবেন সেও একসময় আপনার সব সীমাবব্ধতা মেনে আপনাকে ভালোবাসতে শুরু করেছে।)

ছেলেটি অশ্রুসিক্ত নয়নে বলছে

একটি ছেলে আর একটি মেয়ে পরস্পরকে খুব ভালবাসত।
একদিন মেয়েটি মারা গেল।

সে স্বর্গ থেকে ছেলেটিকে বলছে...
... একটা প্রতিজ্ঞা ছিল তোমার সব প্রতিজ্ঞার পিছনে

তুমি আমার সাথে মিলবে... প্রতি পথে... প্রতি সময়ে...
তুমি এতটা বোকা হলে কিভাবে?
শুধুমাত্র এক তুমিই ছিলে, যে আমার জানাজায় ছিলে না...

ছেলেটি অশ্রুসিক্ত নয়নে বলছে
একটা প্রতিজ্ঞা ছিল সব প্রতিজ্ঞার পিছনে
মিলব তোমার সাথে... প্রতি পথে... প্রতি সময়ে...
তুমি দেখনি...
আরও একটি জানাজা ছিল তোমার জানাজার পিছনে..

পোস্টটি আপনার হৃদয় ছুঁয়ে গেলে এবং ভাল লাগলে লাইক দিন এবং আপনার অনুভূতি জানান

আমার মাঝে তোমার লীলা হবে

、 ☁、ヽ`ヽ`、.☁``、ヽ` 、☁ヽ`、、ヽヽ`、``、、ヽ ``、 ヽ`、☁``、`ヽ`、ヽヽヽ、 ヽ☁`ヽ``、ヽ`、ヽ ``、ヽ`、☁ヽ`、ヽ、ヽ`☁ ヽ、、ヽ`ヽ``、ヽ、、ヽ、` `、ヽ、、ヽ`、.`ـ☁、ヽ` 、、ヽ``、、ヽ`ヽ、、ヽ`ヽ `、``、ヽ```、ヽ、、、ヽআমার মাঝে তোমার লীলা হবে,``、ヽ、、ヽ、``、 ヽ
ヽ、、ヽ、、ヽ、``ヽ、`তাই তো আমি এসেছি এই ভবে।ヽ、、ヽ、、ヽ、``ヽ、`
ヽ、、ヽ、、ヽ、``ヽ、 এই ঘরে সব খুলে যাবে দ্বার,ヽ、、ヽ、、ヽ、``ヽ、`
ヽ、、ヽ、、ヽ、``ヽ、 ঘুচে যাবে সকল অহংকার,ヽ、、ヽ、、ヽ、``ヽ、`
ヽ、、ヽ、、ヽ、``ヽ、 আনন্দময় তোমার এ সংসারヽ、、ヽ、、ヽ、``ヽ、`
ヽ、、ヽ、、ヽ、``ヽ、` আমার কিছু আর বাকি না রবে।、``、ヽ`` `、ヽ、、ヽ、ヽ、 `、ヽ、、ヽ、 ヽ`、ヽ``、ヽ、、ヽ、``、 ヽ、、ヽ、ヽ、、ヽ``、ヽ、、 ヽ、``、ヽ、、ヽ、ヽ`、ヽ、 ヽ、``、ヽ、、ヽ、ヽ、、 ヽ``、ヽ、、ヽ、ヽ`ヽ、、ヽ `ヽ`、``、ヽ`、、ヽヽヽ、 `、``、、ヽ``、、ヽ` ヽ、、、ヽ`、ヽ、ヽ`ヽ、、ヽ `ヽ`、ヽ、、ヽ``、ヽ`、、 ヽヽ、、ヽ``、、ヽ

আজ হারায়ে শুধু তোমায় খুঁজে ফিরি................


কেন ভালবাসা হয়?
কেন আবার হারিয়ে যায়?
কেন আমি আমার ভালবাসাগুলোকে ছুঁতে পারি না?
কেন ছায়ার মত শুধু সামনেই থেকে যায়...
আমার জীবনে আসে না
ভুলগুলো কোথায়?
অযোগ্যতাটা কি আজো জানা হল না
তুমি কি আমায় আর ভালবাস না?
আমার মত কি আজ পুড়ছনা?
আমি তোমার চোখে যে ভালবাসা দেখেছি তা কি শুধুই ভুল ছিল না আমার কল্পনা।
প্রতিদিন প্রতি নিয়ত ওই চোখের ভালবাসা দেখেইত নিজের অজান্তে ভালবাসতে শুরু করলাম !!!
ওই চোখের ভালবাসা দেখেই মনে হয়েছিল এর সাথে কাটানো যায় সারা জীবন।
কত জনের চোখেইতো কতরকম ভালবাসা দেখেছি
কই তাদের মত তো তুমি নও।
মনের সমস্ত জানালা বন্ধ করে রেখেছিলাম যাতে কেউ আসতে না পারে কিন্তু কোন ফাঁকে তুমি এলে আর সমস্তটা দখল করে নিয়ে নিলে বুঝতেই পারিনি। বিশ্বাস কর আমি তোমাকে ভালবাসতে চাই নি। তোমার আর আমার মাঝে যত ব্যবধান তার মাঝে কী করে হয় ভালবাসা। কত ভুলতে চেয়েছি তোমাকে... নিজের সাথে যুদ্ধ করে করে আমি ক্লান্ত।
কিন্তু আজ তুমি আমায় ছেড়ে কি করে অন্যের হাত ধরতে যাচ্ছ?
তোমার ভালবাসা আজ কোথায়?
সেটা কি শুধুই মোহ ছিল?
যদি ভালইবাস তবে কেন সেটা স্বার্থক করার চেষ্টা করলে না?
যদি ভালবাসা স্বার্থক করতে না পার তবে কেন আমায় ভালবাসালে?
................................................................................................
শেষের দিনগুলোতে আমায় তুমি ভুলতে চেয়েছিলে।
তোমার চোখে আমি সেই কষ্ট দেখেছিলাম!!!
কি করে পারছ তুমি!!!!
তোমার অপেক্ষায় আমি ছিলাম।
ভেবেছিলাম তুমি তোমার মনের কথা বলার সাহস করবে।
এমনটা হবে আমি ভাবিনি।
যদি ভালইবাস তবে কেন চলে যাও।
প্রতিটা মানুষ তার ভালবাসা পাবার জন্য চেষ্টা করে
তাকে ছুঁতে এগিয়ে যায়।
কিন্তু তুমি.....
যদি ভালবাসা দিতেই না পার তবে কেন আমায় ভালবাসালে?
আজ যখন আমি ভালবাসি তবে কেন আমি তা পাবনা?
আমিতো আজ ভুলতে পারছিনা।
আল্লাহ আমি চাই নি এমন।
কেন আজ এত কষ্ট পাচ্ছি আমি?
চিরদিন এই কষ্টের ভয়ে ভালবাসা থেকে পালিয়েছি।আর আজ সেই আমি কিনা সেই কষ্টের মাঝেই ডুবে আছি!!!

এমনটা আমি চাইনি।
সত্যিই আমি এমনটা চাইনি।
আল্লাহ যদি আমায় ভালবাসা নাই দাও তবে এই বুকে ভালবাসার অনুভূতি দিলে কেন?
আমাকে এতই পাথর করে দাও যাতে আর কখনো কাউকে ভালবাসতে না যাই।
আজ হারায়ে শুধু তোমায় খুঁজে ফিরি.................

ব্রেকআপের এক বছর পর ছেলে মেয়েটিকে ফোন করল


ব্রেকআপের এক বছর পর ছেলে মেয়েটিকে ফোন করল ছেলেটির ফোন দেখে মেয়েটি খুব অবাক হল! কেননা এক বছরের মধ্যে ছেলেটি কোন দিন মেয়েটিকে ফোন দেইনি বরং মেয়েটি ফোন করলে তাকে যা নয়তা বলে অপমান করত! যাই হোক মেয়েটি শেষ পর্যন্ত ফোনটা রিসিভকরল............ .।
ছেলেঃ হ্যালো
মেয়েঃ হা বলকি বলবা কেন ফোন করেছ?
ছেলেঃ তুমি কেমন আছো জানার জন্য...
মেয়েঃ কেন আমি কেমন আছি তাজেনে তুমি কি করবে?
ছেলেঃ বলনা খুব জানতে ইচ্ছাকরছে.
মেয়েঃ কেমন আছি বলতে পারবনা তবে এইটুকুবলতে পারি তোমার জন্য এখন আর চোখের জল ঝরে না, মাঝরাতে তোমারকথা ভেবে এখন আর ঘুম ভাঙ্গে না, তোমার জন্য বুকের ভিতর সেই চিনচিনে ব্যাথাটা এখন আর অনুভব করি না, তোমাকে ছাড়া একা একা পথ চলতে এখন আর ভয়লাগে না আর এর নাম যদি হয় ভালো থাকা তবে ভালো আছি তোমাকে ছাড়াই আমি ভাল আছি।
ছেলেঃ ও তাই ঠিকআছে ভালো থেকো।
এইকথা বলে ছেলেটি লাইনটা কেটে দিল। ছেলেটি লাইন কাটার সাথে সাথে মেয়েটির দুচোখ বেঁয়ে জল ঝরতে লাগল যা প্রতিরোধ করা গেলনা বা প্রতিরোধ করতে চাইল না সে। মেয়েটি তখন মনে মনে বলল তুমি এখনও আগের মতই আছো আগেযেমন আমার মুখের কথা বিশ্বাস করতে আমার মনেরকথা বুজতে না ঠিক এখন তুমি আমারমুখের কথাই বিশ্বাস করলে একটি বারও বুঝতে পারলে না আমার মনের কথা। আমি ভালো নেই তোমাকে ছাড়া আমি ভালো থাকতে পারি না,কারন তুমিই হলে আমার ভালো থাকার মাধ্যম।

প্রেম একবার এসেছিল নীরবে



শীতের সকালটায় হি হি করে কাঁপতে কাঁপতে স্যারের বাসায় পড়তে গিয়ে দেখি বাগানের পুরনো বেদিটায় একা একা বসে আছেন। বললেন, 'আজ পড়াব না রে, মনটা ভালো নেই'। সবাই খুশি মনে ফিরতে শুরু করতেই ডেকে বললেন, 'আশালতা, তুমি থাকো, তোমার সাথে কথা আছে'। আমি অবাক হওয়ার চেয়ে চিন্তিত হলাম বেশি। কারন একা ফিরতে হবে। তার মানে রোজদিন দরজার আড়ালে গোলাপ হাতে দাঁড়িয়ে থাকা উনার পাগল ছেলেটার সামনে দিয়ে একাই যেতে হবে, এইটাই চিন্তার।
আমাদের এই স্যারকে দেখে মনেই হতনা উনি অত ভালো ইংরেজি জানেন। পাজামা পাঞ্জাবী পড়া বেঁটে খাটো মুসল্লি টাইপ মানুষ। মুখে স্নিগ্ধ হাসিটি লেগেই রয়েছে। শুধু যখন ওয়ার্ডসওয়ার্থ বা শেলি-কিটস পড়াতে শুরু করতেন, গমগমে গলাটা আবেগে কেঁপে যেত। ভুলভাল উচ্চারন করে ফেললেই দুঃখিত গলায়, 'আহা, ওভাবে নয় মা, এই ভাবে', বলে অসীম ধৈর্যের সাথে ফনেটিক্স শেখাতে শুরু করতেন। আমি চকিতে একবার দরজার ওপাশের ছায়ামূর্তির দিকে ভয়েভয়ে তাকিয়ে পড়ায় মন দেবার চেষ্টা করতাম।
স্যারের সামনে আপাতশান্ত একটা ভাব নিয়ে সেদিন বেদিটায় বসলাম। দীর্ঘক্ষন চুপ থেকে বলে উঠলেন,'আমার জীবনে একটা ঘটনা ঘটেছে, কাউকেই বলতে পারছিনা। তুমি তো লেখালেখি কর, তুমি বুঝবা জিনিষটা'। একটু বিরতি দিয়ে কেমন বিব্রত গলায় বললেন, 'আমার সাথে চল্লিশ বছর পর একজনের দেখা হয়েছে। বলতো, সে কে হতে পারে ?' আমি অনেক মাথা ঘামিয়ে বললাম, 'দেশভাগের সময় আলাদা হয়ে যাওয়া আত্মীয়'! স্যার বাধা দিয়ে আহত গলায় বললেন, 'না না, সেরকম নয়... ওকে আমি...মানে... খুব পছন্দ করতাম'। এইবার আমার মোটা মাথায় ঢুকল ,কিন্তু কি বলতে হবে বুঝলাম না। তাই চুপ করে রইলাম। স্যার নিচু গলায় সেই হারিয়ে পাওয়া ভাললাগার কথা বলতে লাগলেন। আসলে বোধ হয় উনি ঠিক অন্য কাউকে নয়, নিজেকেই বলছিলেন কথাগুলো । আমার আনাড়ি মস্তিষ্কে কিছুই গেলনা, শুধু মন খারাপটা আন্দাজ করলাম। কথা শেষে বললেন, 'কাল যেতে বলেছে ওর বাসায়, যাব কিনা বুঝছিনা, যদি যাই, তোমাকে জানাবো'। আমার জানা দরকার কেন, তা না বুঝলেও ছাড়া পাওয়ার খুশিতেই মাথা ঝাঁকিয়ে দিলাম ছুট। গেটের মুখে এসে দেখি গোলাপ হাতে ছায়ামূর্তি হাজির। বলল, 'আশালতা, আমাক বিয়া করবা ?' আর বিয়া ! আঁতকে উঠে দেদ্দৌড়। পাগলের ভয়ে স্যারের বাড়ি আর যাওয়া হলনা, অসমাপ্ত প্রেমকাহিনী অজানা রয়ে গেল ।
অনেক বছর বাদে, এক দুপুরে ছোট শহরটায় ফিরে পুরনো কলেজটায় গেলাম । করিডোর ধরে হেঁটে যেতে যেতে দেখি ঠিক আগের মতো করেই স্যার ম্যাডামরা ক্লাস নিচ্ছেন... দপ্তরি বুড়োর মুখে আরও কটা বলিরেখা পড়েছে আর গাছগুলো যেন আরও উঁচু উঁচু হয়ে উঠেছে। সামনের বাগানটায় ঝাঁক বেঁধে পায়রাগুলো বকম বকম করছে অনেক আগের মতই। কোন কিছুই আর তেমন পালটায় নি ।
প্রায় ফাঁকা কমন রুমে যেতে দু চারজন চেনা টিচারের সাথে দেখা হল। একজন পুরনো দিনের গান শুনছিলেন, এসময় দরজা ঠেলে ঢুকলেন আমাদের যুক্তিবিদ্যার মজিদ স্যার । ভীষণ আবেগ দিয়ে লজিক পড়াতেন বলে আমরা ডাকতাম 'অযৌক্তিক স্যার'। আমাকে দেখে অন্যদের মতই খুশি হলেন খুব । কেমন বুড়োটে হয়ে গেছেন, চেহারায় দীর্ঘ অসুস্থতার ছাপ। প্রাথমিক কথাগুলো শেষ করে টুকটাক কথা বলতে বলতে একসময় চুপ করে গেলেন। আড্ডাগুলোয় যেমন হয়, হটাৎ সবাই চুপ মেরে যায়, তেমন। পুরনো খোলা জানালাটার বাইরে কতগুলো কাক খা খা করে ডেকে উঠতে পায়রাগুলো ঝপাৎ করে দল বেঁধে উড়ে গেল ডানা ঝটপটিয়ে। স্তব্ধ দুপুরের ক্লান্ত বাতাসে শুধু লতার গান ঘুরে ঘুরে বাজতে থাকল, 'প্রেম একবার এসেছিল নীরবে......। সেই গান শুনতে শুনতে সেই থমকে যাওয়া নিরব দুপুরে হটাৎ, হটাৎই মজিদ স্যার, 'এই গান তোমরা কেন বাজাও!' বলে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন। কেউ কিছু বলতে পারলনা। একটু পরে চোখ মুছে উনি উঠে চলে গেলেন। আমরা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বসে রইলাম।
বাসায় ফিরলাম মন খারাপ করে। সন্ধ্যায় এলেন পড়শি দাদু। এইয়া লম্বা চওড়া মানুষ, গমগম করে কথা বলেন, ঠা ঠা করে হেসে উঠে মানুষের পিলে চমকে দেন। এসেই ধমকে বললেন, 'কিরে, মুখ ভোঁতা করে ঘুরছিস কেন ?' মজিদ স্যারের ঘটনাটা বলতেই হো হো করে হেসে উঠেই কেমন গম্ভীর হয়ে গেলেন। কিছুক্ষন কি ভেবে বলে বসলেন, 'আমারও একটা মেয়েকে ভারী ভালো লাগত জানিস...এত অভিমানী ছিল...একদিন রাগ করে বিষ খেয়ে ফেলল...'। তারপর একটু চুপ থেকে গা ঝাড়া দিয়ে উঠে বললেন,'আজ যাইরে, বাসায় কাজ আছে'।
পেছন থেকে দেখলাম লম্বা মানুষটা একটু ঝুঁকে কেমন ক্লান্ত ভঙ্গিতে হেঁটে বের হয়ে গেলেন। তারপর হাস্নাহেনা ঝোপটার পাশে একটু দাঁড়িয়ে মাথা নিচু করে জামার হাতায় আলগোছে চোখদুটো মুছে নিয়ে পথের বাঁকে হারিয়ে গেলেন।

ভালবাসার অত অন্ধ কেন?



অগভীর রাত্রিতে ঘুমের দল
পালিয়ে গেলে...।
জেগে রই, জেগে রই সারথী সরারাত
কত কষ্ট, কত যন্ত্রণা
তুমি বুঝেও বুঝলে না।


চোখের মাঝে হাজার স্বপ্ন,
আলপিন দিয়ে সাঁটা,
হয়ত দৃষ্টি শক্তি হরাবো একদিন ।
আমি কি তবে ?
তোমায় আর দেখব না ?
তুমি দেখেও, এত নিরব কেন?

চোখ ভরা জল নিয়ে,
হেটেঁ যাই কফিন কাধেঁ
আর কত দুর যেতে হবে ?
আর কতটা কষ্ট নিয়ে,
জীবন প্রদীপ নিভে যাবে ?

একদিন এমনি একটা ভালবাসার ঝটকা হাওয়া, মনের ভিতর থাকা প্রদীপ গুলোকে জ্বেলে দিয়েছিল। কিন্তু বেকার সব আবদার এবং তার প্রার্থনাদ। সে অনেকটা বেগম রোকেয়া টাইপ ( এখানে বেগম রোকেয়াকে ছোট করছি না), একাই নাকি চলবে সংগ্রামী পথে, সমরেশ মজুমাদারের সাতকাহনের নায়িকা তার জীবনে ছাপ ফেলে রেখেছে, জীবনমুখী না হয়ে সে চায়, কবি কবিতা কিংবা কাব্য নির্ভর জীবন যাপন। আমি আমার পক্ষ থেকে তাকে বোঝাতে চেষ্টা করেছি, তার জন্যই আমার প্রথম কবিতার সৃষ্টি । বুনো মেঘ যখন আড়াল করত সূর্যটাকে আমি তাকে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে ছুটে যেতাম। আমি যে শহরটায় থাকতাম, সে শহটায় একদিন রাজনৈতিক কারেণ রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, এই সময়েও আমি সব ব্যারিকেড সরিয়ে নিরাপদে তাকে পৌছে দিয়েছি বাড়ী । যারা ওকে ডিষ্টার্ব করত, তাদের অনেককে, গালে চড় বসিয়ে পাপ করেছি বলে মনে হচ্ছে । আমার ক্ষমতার সব্বোচ্চ ব্যবহার, আমার সব আবেগ, আমার যা যা করার তার সবটুকু করেছি, হৃদয় উজাড় করে ভালবেসেছি ।সবশেষে একদিন ডাক পড়লো আমার, আমি সে দিন খুশি হইনি, কারণ তারপাশে দেখি ছাত্র ইউনিয়নের কিছু চ্যালাপেলা রয়েছে, বিষয়টা আমার কাছে ভয়ের কিছুই নয়, আমি তার কাছে গেলাম, বিনয়ের সাথে জিজ্ঞাসা করলাম “ আপনার জন্য কি করতে পারি ? সে জবাব দিল এরফান ভাইকে কলেজে নিয়ে আসতে হবে, ব্যাপরটা হলো এরফান ভাই নামে লুচ্চা শিবির কর্মীকে এর কিছুদিন আগে কলেজের ২য় তলা থেকে নীচে ফেলে দিয়েছি, আমার বাসায় যেতে হলে শিবিরে সবচেয়ে বড় ঘাটি একটি মাদ্রাসা ও তাদের প্রতিষ্ঠানের সামনে দিয়ে যেতে হয়, ঘটনার পর বাসায় ফেরার পথে, আমার গতি রোধ করে শিবির কর্মীরা, আমি বিনয়ের সাথে সালাম এবং কুশল বিনিময় করি, কথার্বতায় আমি তাদের প্রমাণ দেই তাদের এই নেতা কতগুলো লুচ্চামী করেছে, তাতে তাদের মুখ নীচু হয়ে যায়, আমি আমার পথে চলে আসি, শিবিরের কাছ থেকে প্যাদানী খেয়ে সে সর্বশেষ আমার ঔষুধটি কাজে লাগায়, কারণ সে তার রিলেটিভ । কিছুক্ষণ নিরব থেকে বললাম ঠিক আছে ভয় নেই, ওকে আসতে বল, কেউ কিছু বলবে না । তারপর সে একটা ধন্যবাদ দিয়ে বিধায় নিল।

এরপর থেকে কেমন জানি, ওর কথা মনে আসলে বমি আসে, সর্বশেষ জেনেছি চাঃবিঃ তে গিয়ে শিবিরে জোগ দিয়েছে, তারপর একদিন এক ছেলের হাত ধরে নিজেরাই বিয়ে করে ফেলেছে, তার বাবা কট্টোরপন্থী লোক মেনে নেয় নিই এই বিয়ে । বেকার দু’জনে অন্ধকারে পড়ে যায় । ওর এক বন্ধু আমাকে ফোনে জানায়, ওর এই দুরবস্থা, পরে বিশ হাজার টাকা পাঠাই ওদের জন্য মাধ্যম তার বন্ধুটি, জানি না কেন এমন করলাম ? ১ম ভালবাসা বা ভাললাগাটাই বোধহয় আমাকে তার জন্য সহানভুতি সৃষ্টি করেছে।

আপডেট হলো , এখন সে একটি তুলতুলে পিচ্চির মা, পিচ্চির বয়স চলছে ১৮ মাস, নিশ্চয়ই সে কিছু দিন পড়ে আব্বু ডাকতে পাড়বে, আক্ষেপ থেকে গেলো ...। 


অ: ট: বড্ড বেশি প্রেম করে ফেলেছি, ভাবছি এই সব গুলো প্রেমের ইতিবৃত্ত নিয়ে আমার প্রেমবেলা লিখে ফেলব, তাই এর ডামি প্রকাশ করলাম।

একটি হৃদয়স্পর্শী ভালোবাসার গল্প



একটি ছেলে তার প্রেমিকার "আমি তোমাকে ভালবাসি, তোমাকে মিস করি" এই টাইপ মেসেজ পেতে পেতে বিরক্ত হয়ে যেত !

এক রাতে প্রেমিকার কাছ হালকা কথা কাটাকাটির পর সে মোবাইল সাইলেন্ট করে দিলো, অনেকগুলো ফোন আসলো, একটি মেসেজ আসলো, কিন্তু সে সেটি না পড়ে ঘুমিয়ে গেল
...
পরদিন ভোর বেলায় মেয়ের মা'র ফোনে তার ঘুম ভাঙ্গলমা বললেন, তার মেয়ে গতকাল রাতে এক্সিডেন্টে মারা গিয়েছে

বাকরুদ্ধ ছেলেটি তখন মেসেজটি চেক করলোলেখা ছিল --

"
প্লিজ, তুমি বাসার সামনে বের হও, তোমাকে দেখতে অনেক ইচ্ছে করছিল, তাই কাউকে না জানিয়ে এত রাতে বের হয়েছিলাম, আমি এক্সিডেন্ট করেছি, আমার অবস্থা খুবই খারাপ, একবার তোমাকে দেখবো, আই এম সরি....:("

জীবনে কখনই কোন কিছু Ignore করবেন না
যদি ভালো লাগে অবশ্যই লইকে মারতে ভুলবেন না<<<<<<>>>>>>

আমি যদি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাই !

আমি যদি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাই !

আমি যদি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাই, তুমি হয়তো সেদিন আমাকে ভুলে যাবেকিন্তু ঐ আকাশের তারা গুলো আমাকে মনে রাখবেকারণ, তারা গুলো আমার বন্ধুঐ তারা গুলো দেখেছে আমার চোখের জল, আমার বুকের আর্তনাদতুমি হৃদয় দিয়ে প্রশ্ন করো তারা গুলোকে, তারা গুলো বলবে, 'আমি তোমাকে কতটুকু ভালবাসতাম'

তোমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে



এই যে মুসলিম ভাই...
তোমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে!!
গার্লফ্রেন্ডের সাথে সারারাত জেগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বল!

রিকশার, সি এন জি তে উষ্ণ ভালবাসা বিনিময় হয়!
তারপর কিছুদিন পর "আমাদের দুজনের ম্যাচ করছে না" দোহায় দিয়ে "break up"

এবার আরেকটা প্রানসখি আর উপরোক্ত ঘটনাবলীর
বারংবার পুনরাবৃত্তি!

wellz!! you are very smart boy !!
so what about your younger
sister??

তারও নিশ্চয় বয়ফ্রেন্ড আছে!
সেও সারারাত জেগে কথা বলে!
রিকশা, সি এন জি তে উষ্ণ ভালোবাসা বিনিময় করে!

তারও break up hoy, নতুন bf হয়! right?
hey! behave yourself!! কেউ আমার বোনের দিকে চোখ দিলেও হাত ভেঙ্গে হাতে ধরিয়ে দেব শালা!!

এটাই সিস্টেম! নিজের
বোনকে ছাড়া সবাইকে গার্লফ্রেন্ড আর ভোগ্যপণ্য ভাবায়! নিজের বোনের বেলায় বিবেক
নিজেকে বাধা দেয়! কেউই চায়না তার বোনটা এই
বিপথে যাক! কিন্তু নিজের বেলায়?? বিবেক ডাল
খাইয়া মাতাল! যার সাথে অপকর্ম চালাচ্ছিস সেও
তো কারো বোন!!
ভাই...

কোন মেয়ের সাথে কুকাম করে আগে একটু
চিন্তা করিস তোর আদরের বোনটাও স্কুলে যায়,
কলেজে যায়! কারো স্ত্রীর দিকে

বাজে মন্তব্য,
অশালীন দৃষ্টি কিংবা ভিড়ের মাঝে গায়ে একটু হাত
দেওয়ার আনন্দ শিহরিত হওয়ার আগে, বন্ধুদের
আড্ডায় সেই শিহরনের রসালো গল্প বলে"তুই একটা বস ব্যাটা" বাহবা নেওয়ার আগে একটু চিন্তা করিস তুই ব্যস্ত থাকলে তোর বউটারেও বাজারে যেতে হয়, মার্কেটে শপিং করতে যেতে হয়!

মূল্যবোধ হারিয়ে অন্যের কাছে মূল্যবোধ
আশা করিস না ভাই! উপরের দিকে থু থু ছুড়লে সেই থু
থু নিজের উপরই পড়ে!! ভাল মানুষ সাজতে ১২ টাকা লাগে! ৭ টাকার টুপি, ৫ টাকার আতর!

কিন্তু ভাল মানুষ হতে এক টাকাও লাগেনা ভাই!! তুই ভাল হ! দেখবি সবাই ভাল হবে। তুই সম্মান করতে শিখ, দেখবি সবাই সম্মান করতে শিখবে! ভাল থাক!

সবাইকে ভাল থাকতে দে......

বিনীত নিবেদনে
তোর আচরনে লজ্জিত একজন মুসলিম যুবক......!!.

(
ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন